Map and Meal Adventures

Map and Meal Adventures "Map and Meal Adventures" কোনো ট্রাভেল বা ফুড চ্যানেল নয়; এটি একটি অভিজ্ঞতার নাম।

স্বাগতম "Map and Meal Adventures" চ্যানেলে! 🌍🍲
আপনি কি নতুন নতুন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন?কিংবা জিভে জল আনা সব খাবারের খোঁজে থাকেন? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন!

অনেকেই কবুতর পালন করেন শখের বশে। এছাড়া আমাদের দেশে কেউ কেউ এখন বাণিজ্যিকভাবেও কবুতর পালন করছেন। বিশেষ করে কবুতর পালন ব্য...
13/07/2026

অনেকেই কবুতর পালন করেন শখের বশে। এছাড়া আমাদের দেশে কেউ কেউ এখন বাণিজ্যিকভাবেও কবুতর পালন করছেন। বিশেষ করে কবুতর পালন ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে বেকারত্ব দূর করতে। বেশি জায়গারও প্রয়োজন হয় না কবুতর পালন করতে। অন্যদিকে অল্প সময়ে কম খরচে বাচ্চা পাওয়া যায়, দামও বেশি বাজারে। তাই খুব সহজেই আয় করা সম্ভব কবুতর পালন করে।
বাড়তি জ্ঞান ও শিক্ষার প্রয়োজনও হয় না লাভজনক এই পাখি পালনের জন্য। শুধু সামান্য নজরদারি আর সতর্ক হলেই বেকারত্ব দূর করা যায় কবুতর পালন করে। প্রতি মাসে দুটি করে বাচ্চা দেয় কবুতর। বিক্রির উপযোগী হয় বাচ্চার বয়স ২১ দিন হলেই। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো কবুতর খাদ্যের অপচয় বেশি করে না অন্যান্য পাখির মতো। বরং বলা যায় কবুতর অপচয়রোধী পাখি।

কবুতরের বিভিন্ন জাত রয়েছে। বলা হয় পৃথিবীতে ৬০০ জাতের কবুতর রয়েছে। ‘জালালি কবুতর’ উন্নত জাতের দেশি কবুতর। এ ছাড়াও মাংস উৎপাদনের জন্য হোয়াইট কিং, টেক্সেনা, সিলভার কিং, হামকাচ্চা, কাউরা, হোমার, গোলা, ডাউকা, লক্ষ্যা ও পক্কা উল্লেখযাগ্য কবুতরের জাত।

আমাদের দেশে শখের বশে ময়ুরপঙ্খী, সিরাজী, ফ্যানটেইল, লাহোরি, মুখি, জেকোভিন, টাম্পলার, গিরিবাজ, লোটন প্রভৃতি কবুতর বেশি চাষ করা হয়। গিরিবাজ কবুতর মানুষের নজরকাড়ে উড়ন্ত অবস্থায় ডিগবাজি খেয়ে।

কবুতরের জন্য ঘর তৈরি পদ্ধতি আগে জেনে নিতে হবে। ক্ষতিকর প্রাণী ও পাখি যাতে কবুতরকে খেয়ে ফেলতে না পারে সে জন্য প্রয়োজনে উঁচু ও শক্ত ঘর তৈরি করতে হবে। বাঁশ ও বাঁশের চাটাই, হালকা কাঠ, শন, খড়, পলিথিন ইত্যাদি সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে কবুতরের ঘর বানানো যায় সহজেই।

এক বর্গফুট করে ঘর হলেই চলে প্রতি জোড়া (একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী) কবুতরের জন্য। কবুতরের ঘর কয়েক তলা করা যেতে পারে, একই সঙ্গে একই জায়গায়। খরচও বাঁচে এতে। ৫ থেকে ৬ ইঞ্চির বারান্দা অবশ্যই রাখতে হবে, এক বর্গফুট মাপের ঘরের সামনে, যাতে কবুতর সহজে দূর থেকে উড়ে এসে আশ্রয় নিতে পারে এমনকি খাবারও খেতে পারে। ৪ ইঞ্চি বাই ৪ ইঞ্চি রাখতে হবে প্রতি ঘরের দরজা।

সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে ঘর। ঘর পরিষ্কার করে দিতে হবে প্রতি মাসে একবার করে। কবুতরের ঘরের আশপাশে খড় রেখে দিতে হয়, ডিম পাড়ার সময় যাতে সহজেই খড় সংগ্রহ করতে পারে সে জন্য। ঘর রাখতে হবে সবসময় শুকনো। সাধারণত জোয়ার, ভুট্টা, ধান, চাল, কলাই, কাউন, মটর, খেসারি, সরিষা, গম কবুতরের পছন্দনীয় খাবার। এসব খাদ্য প্রতিদিন প্রত্যেকটি কবুতরের জন্য ৩৫ থেকে ৬০ গ্রাম প্রয়োজন।

এছাড়া বাজারেও কিনতে পাওয়া যায় কবুতরের খাবার। তবে সেসব খাদ্যে ১৫% থেকে ১৬ % আমিষের নিশ্চয়তা থাকতে হবে। প্রতি ঘরের সামনে নিয়ম করে খাবার রেখে দিতে হবে সকাল ও বিকালে, সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পানির জোগানও দিতে হবে। ঘরেই তৈরি করা যায় কবুতরের সুষম খাদ্য।
কবুতরের জন্য প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যে সরিষা দানা ১৫ গ্রাম, গম ভাঙা ২০ গ্রাম, ছোলা ভাঙা ২০ গ্রাম, ভুট্টা ভাঙা ৩৫ গ্রাম, চালের কুঁড়া ৪.৫ গ্রাম, সয়াবিন ভাঙা ৫ গ্রাম, লবণ ০.৫ গ্রাম।

খুব বেশি রোগের প্রকোপ দেখা যায় না কবুতরের। তবে যেসব রোগ হয় সেগুলোর মধ্যে কলেরা, বসন্ত, রক্ত আমাশয় যাকে বলা হয়ে থাকে ককসিডিওসিস, কৃমিও করতে পারে আক্রমণ।

কবুতরের বসন্ত রোগে ফোস্কা পড়ে পালকবিহীন স্থানে। ঘা হয় গলার ভেতর, পারে না খেতে। আক্রান্ত কবুতরের গুটিতে টিংচার আয়োডিন বা স্যাভলন লাগানো যেতে পারে, রোগ দেখা দিলে। যখন কবুতরের বয়স চার সপ্তাহ তখন পিজিয়ন পক্স টিকা পায়ের পালক তুলে ও বুকে সিরিঞ্জ দিয়ে দিলে বসন্ত রোগ হয় না।

কলেরা রোগ হলে অস্বাভাবিকভবে কবুতরের দেহের তাপমাত্রা বাড়ে। শ্বাসকষ্ট হয়, পিপাসা বাড়ে, সবুজ বা হলুদ রঙের ঘন ঘন পায়খানা হতে পারে, কবুতরের ওজন কমে যায়। শেষে কবুতর হঠাৎই মারা যায়। কলেরা রোগে আক্রন্ত কবুতরকে রোগ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে টেরামাইসিন ক্যাপসুল বা ইনজেকশন বা কসুমিক্স প্লাস দেয়া যেতে পারে। রক্ত আমাশয় বা ককসিডিওসিস রোগে রক্ত পায়খানা হয়। খাবারের প্রতি অরুচি বেড়ে যায় ও শরীরে দুর্বলতা দেখা যায়। পরিশেষে পালক ঝুলে পড়ে।

রোগ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা রোগের আশঙ্কা করলে পানিতে মিশিয়ে ই.এস.বি-৩ বা এমবাজিন জাতীয় ওষুধ খাওয়াতে হবে প্যাকেটের নির্দেশনা মতো। কৃমি হলে কবুতর দুর্বল হয়ে পড়ে ও ডায়রিয়া হয়। পানির পিপাসা বাড়ে। রক্তশূন্যতা দেখা যায়। ঠিকমতো কবুতরের যত্ন নিলে এটি পালন করে আনন্দ লাভের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায়।

 #কবুতর জাত পরিচিতিবহুবিচিত্র ধরনের নানা জাতের কবুতর রয়েছে। আমাদের দেশে ২০ টিও অধিক জাতের কবুতর আছে বলে জানা যায়। নিম্...
13/07/2026

#কবুতর জাত পরিচিতি
বহুবিচিত্র ধরনের নানা জাতের কবুতর রয়েছে। আমাদের দেশে ২০ টিও অধিক জাতের কবুতর আছে বলে জানা যায়। নিম্নে প্রধান কয়েকটি জাত সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

১। গোলা/Gola
এই জাতের কবুতরের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। আমাদের দেশে এ জাতের কবুতর প্রচুর দেখা যায় এবং মাংসের জন্য এটার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। ঘরের আশেপাশে খোপ নির্মাণ করলে এরা আপনাআপনি এখানে এসে বসবাস করে। এদের বর্ণ বিভিন্ন সেডযুক্ত ধূসর এবং বারড-ব্লু রংয়ের। এদের চোখের আইরিস গাঢ় লাল বর্ণের এবং পায়ের রং লাল বর্ণের হয়।
২। গোলী/Goli
গোলা জাতের কবুতর থেকে গোলী জাতের কবুতর ভিন্ন প্রকৃতির। এ জাতের কবুতর পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের কলকাতায় বেশ জনপ্রিয় ছিল। এদের লেজের নীচে পাখার পালক থাকে। ঠোঁট ছোট হয় এবং পায়ে লোম থাকে না। এদের বর্ণ সাদার মধ্যে বিভিন্ন ছোপযুক্ত।
৩। টাম্বলার/Tumblers
এসব জাতের কবুতর আকাশে ডিগবাজী খায় বলে এদের টাম্বলার বলে। আমাদের দশে এই জাতটি গিরিবাজ নামে পরিচিত। এদের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের দেশে এদের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
৪। লোটান/Loton
লোটন কবুতরকে রোলিং (rolling) কবুতরও বলা হয়। গিরিবাজ কবুতর যেমন শূন্যের উপর ডিগবাজী খায়, তেমন লোটন কবুতর মাটির উপর ডিগবাজী খায়। সাদা বর্ণের এই কবুতরের ঘুরানো ঝুঁটি রয়েছে। এদের চোখ গাঢ় পিঙ্গল বর্ণের এবং পা লোমযুক্ত।
৫। লাহোরী/Lahori
আমাদের দেশে এই কবুতরটি শিরাজী কবুতর হিসেবে পরিচিত। এদের উৎপত্তিস্থল লাহোর। এদের চোখের চারদিক থেকে শুরু করে গলার সম্মুখভাগ, বুক, পেট, নিতম্ব, পা ও লেজের পালক সম্পূর্ণ সাদা হয় এবং মাথা থেকে শুরু করে গলার পিছন দিক এবং পাখা রঙ্গীন হয়। সাধারণত কালো, লাল, হলুদ, নীল ও রূপালী ইত্যাদি বর্ণের কবুতর দেখা যায়।
৬। কিং/King
কিং জাতের কবুতরের মধ্যে হোয়াইট কিং এবং সিলভার কিং আমেরিকাসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলিতে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কিং জাতের কবুতর প্রদর্শনী এবং স্কোয়াব (ঝয়ঁধন বাচ্চা) উৎপাদনে ব্যবহার হয়। এছাড়াও রয়েছে ব্লু রেড এবং ইয়েলো কিং। এই জাতের কবুতর মূলত প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত হয়।
৭। ফ্যানটেল/Fantail
এটি অতি প্রাচীন জাতের কবুতর। ফ্যানটেল জাতের কবুতরের উৎপত্তি ভারতে। এ জাতের কবুতর লেজের পালক পাখার মত মেলে দিতে পারে বলে এদেরকে ফ্যানটেল বলা হয়। এদের রং মূলত সাদা তবে কালো, নীল ও হলুদ বর্ণের ফ্যানটেল সৃষ্টিও সম্ভব হয়েছে। এদের লেজের পালক বড় হয় ও উপরের দিকে থাকে। পা পালক দ্বারা আবৃত থাকে। এ জাতের কবুতর প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত হয় এবং দেশ বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
৮। জ্যাকোবিন/Jacobin
এই কবুতরের মাথার পালক ঘাড় অবধি ছড়ানো থাকে যা বিশেষ ধরনের মস্তকাবরণের মত দেখায়। এদের উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা যায় না। তবে এদের আদি জন্মস্থান ভারত বলেই ধারণা করা হয়। এই কবুতর সাধারণত সাদা, লাল, হলুদ, নীল ও রূপালী বর্ণের হয়। এদের দেহ বেশ লম্বাটে। চোখ মুক্তার মত সাদা হয়।
৯। মুকি/Mookhi
এ জাতের কবুতরের গলা রাজহাঁসের মত পিছন দিকে বাঁকানো এবং কম্পমান অবস্থায় থাকে। মুকি জাতের কবুতরের উৎপত্তি ভারতে বলে ধারণা করা হয়। এদের উভয় ডানার তিনটি উড়বার উপযোগী পালক সাদা হয় যা অন্য কোনো কবুতরে দেখা যায় না। এ জাতের কবুতরের মাথা সাদা, বুক খুব একটা চওড়া নয় তবে উঁচু ও বেশ কিছুটা সামনের দিকে বাড়ানো থাকে। সাদা, কালো এবং নীল বর্ণের এই কবুতরের পায়ে লোম থাকে না।

13/07/2026

কবুতরের সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা নেওয়ার জন্য কিছু মৌলিক বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। কবুতর পালনের প্রধান নিয়মগুলো হলো:
১. বাসস্থান বা খাঁচা তৈরি
পর্যাপ্ত আলো-বাতাস: কবুতরের ঘর বা খাঁচা এমন জায়গায় তৈরি করতে হবে যেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করে এবং সরাসরি বৃষ্টি বা তীব্র ঠান্ডা বাতাস না ঢোকে।
শুকনো ও পরিষ্কার পরিবেশ: খাঁচা বা খোপ সবসময় শুকনো রাখতে হবে। স্যাঁতসেঁতে জায়গায় কবুতরের রোগবালাই বেশি হয়।
নিরাপত্তা: বিড়াল, বেজি, ইঁদুর বা সাপ যেন কবুতরের ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিন।
২. সঠিক খাবার সরবরাহ
মিশ্র খাবার: কবুতরকে সুষম খাবার দিতে হবে। এদের খাবারের তালিকায় গম, ভুট্টা ভাঙা, মটরশুঁটি, খেসারি, ছোলা, সরিষা, বাজরা এবং তিসি মিশিয়ে দেওয়া ভালো।
গ্রিট (Grit) বা খনিজ মিশ্রণ: কবুতরের খাবার হজমের জন্য ইটের গুঁড়ো, শামুক-ঝিনুকের গুঁড়ো, কয়লা ও লবণের মিশ্রণ (যা গ্রিট নামে পরিচিত) দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এটি ডিমের খোসা শক্ত করতেও সাহায্য করে।
৩. বিশুদ্ধ পানি
কবুতরের খাঁচায় সবসময় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি রাখতে হবে।
দিনে অন্তত দুইবার পানি বদলে দেওয়া ভালো। গরমের দিনে পানির পাত্রে সামান্য গ্লুকোজ বা স্যালাইন মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
৪. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও গোসল
খাঁচা পরিষ্কার: সপ্তাহে অন্তত একবার কবুতরের মল বা বিষ্ঠা পরিষ্কার করুন।
গোসলের ব্যবস্থা: কবুতর গোসল করতে খুব পছন্দ করে। সপ্তাহে ১-২ দিন একটি বড় পাত্রে পরিষ্কার পানি ভরে খাঁচার কাছে বা ছাদে রেখে দিন, ওরা নিজে নিজেই গোসল করে নেবে। (রোদের সময় গোসল করানো সবচেয়ে ভালো)।
৫. রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
টিকা (Vaccine): কবুতরকে রানীক্ষেত (Ranikhet) বা বসন্ত (Pox) এর মতো মারাত্মক রোগ থেকে বাঁচাতে নিয়মিত ও সঠিক সময়ে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে।
পৃথকীকরণ: কোনো কবুতর যদি ঝিমায়, খাবার না খায় বা অসুস্থ মনে হয়, তাকে দ্রুত অন্য সুস্থ কবুতর থেকে আলাদা করে ফেলুন এবং অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিন।
কৃমিমুক্ত করা: নিয়মিত ৩-৪ মাস পর পর কবুতরকে কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হয়।

13/07/2026

কবুতরকে সুষম খাবার দিতে হবে। এদের খাবারের তালিকায় গম, ভুট্টা ভাঙা, মটরশুঁটি, খেসারি, ছোলা, সরিষা, বাজরা এবং তিসি মিশিয়ে ...
13/07/2026

কবুতরকে সুষম খাবার দিতে হবে। এদের খাবারের তালিকায় গম, ভুট্টা ভাঙা, মটরশুঁটি, খেসারি, ছোলা, সরিষা, বাজরা এবং তিসি মিশিয়ে দেওয়া ভালো।
কবুতরের খাবার হজমের জন্য ইটের গুঁড়ো, শামুক-ঝিনুকের গুঁড়ো, কয়লা ও লবণের মিশ্রণ (যা গ্রিট নামে পরিচিত) দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এটি ডিমের খোসা শক্ত করতেও সাহায্য করে।
কবুতরের খাঁচায় সবসময় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি রাখতে হবে।
দিনে অন্তত দুইবার পানি বদলে দেওয়া ভালো। গরমের দিনে পানির পাত্রে সামান্য গ্লুকোজ বা স্যালাইন মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

Address

Dhaka
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Map and Meal Adventures posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share