Ministry of News

Ministry of News Ministry of News – Delivering truth, speed, and clarity. Stay informed. Stay ahead. OS is known for its quality and perfection worldwide.

We will bring you the latest national and international news, breaking updates, and in-depth reports you can trust. OS Creation ' What goes around comes back around ' As it says OS Models Production is Known for having endeavor the best talents and nurturing of every individual represented . Established in 2009 and immediately made a name for itself by challenging the status and developing the power of a models image leading the definition of the super model. We understand the value of our clients and ensure their requirement to deliver at 100% satisfactory level. OS team offers Knowledgeable Friendly and efficient service aiming to ensure smooth and a professional relation with the client. OS expanded its Horizon with its Production Team. Targeting to provide each client , however large or small , with a bespoke "one - stop services". This achievement is not only through our personalized approach but through the breath of our carefully selected model base . OS also Maintains close relationships with a network of Production Support team including Production Mangers, Photographers, Makeup Artists, Stylists and Location scouts who can support our clients wish. OS Model Production is currently been run in Dhaka. OS established strong relationships with all leading Players in Fashion and Beauty from the onset.

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদ্বোধন উপলক্ষে ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
23/05/2026

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদ্বোধন উপলক্ষে ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালে আজ শনিবার (২৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় নজরু...
23/05/2026

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালে আজ শনিবার (২৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় নজরুল জন্মজয়ন্তী উৎসব। জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩, ২৪ ও ২৫ মে আয়োজিত এই উৎসব উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ত্রিশাল সফরকে ঘিরে পুরো উপজেলাজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ, র‍্যাব ও এসএসএফ সদস্যদের তৎপর উপস্থিতিতে ত্রিশাল এখন কার্যত নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা।

জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে ত্রিশালে এসে বেলা সাড়ে ১২টায় উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের কানহর বাজার এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি। সেখানে আয়োজিত সমাবেশেও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, পরে প্রধানমন্ত্রী দরিরামপুর নজরুল একাডেমি প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী জন্মজয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। এরপর নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ জেলা, মহানগর ও বিভাগীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে টানানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্যানা। নজরুল একাডেমি প্রাঙ্গণের এক পাশে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল, অন্য পাশে বসেছে নজরুল মেলা।

ত্রিশালবাসীর প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে উপজেলাবাসীর জন্য বিশেষ কোনো উন্নয়ন উপহার ঘোষণা করা হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির মধ্যে রয়েছে নজরুল সিটি বাস্তবায়ন, সম্ভাবনাময় শিল্পাঞ্চল হিসেবে ত্রিশালকে শিল্পনগরী ঘোষণা, কারিগরি শিক্ষার প্রসারে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প।

ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ত্রিশালবাসীকে বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিয়েছিলেন। এবার আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও ত্রিশালবাসীর স্বপ্নপূরণে ব্যতিক্রমধর্মী কিছু উপহার দেবেন বলে আমরা আশাবাদী।

তিন দিনব্যাপী এ উৎসবজুড়ে থাকবে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা ও স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেবেন বিভিন্ন পরিবেশনায়। পাশাপাশি মেলায় বসেছে প্রায় পাঁচ শতাধিক স্টল। রয়েছে নজরুল বইমেলাও। কবি-সাহিত্যিক ও নজরুলপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে নজরুলের স্মৃতিধন্য ত্রিশাল।

ঢাকার রাস্তায় এআই জাদু, বসবে সব সিগন্যালেরাত ৯টা, গত বুধবার। রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়। এখানে এসে মিলেছে চারটি সড়ক। তিন...
23/05/2026

ঢাকার রাস্তায় এআই জাদু, বসবে সব সিগন্যালে

রাত ৯টা, গত বুধবার। রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়। এখানে এসে মিলেছে চারটি সড়ক। তিনটি সড়কের মুখে থেমে আছে গাড়ি। শুধু বাংলামোটর থেকে ফার্মগেটমুখী সড়কে যানবাহন চলছে।

দুই মিনিট এভাবে চলার পর বিপরীত পাশের রাস্তায় থাকা ট্রাফিকের লালবাতি জ্বলে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে থেমে গেল যানবাহন। শুধু থামেইনি, যানবাহনগুলো ‘স্টপ লাইনের’ (সাদা রঙের দাগ, যা আগে গাড়ি থামাতে হয়) ভেতরেই ছিল।

কদিন আগেও এ সিগন্যালে গাড়ি থামাতে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের রীতিমতো ছোটাছুটি করতে হতো। এখন সেটা লাগছে না। ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা বসানোর পর থেকেই এ পরিবর্তন।

রাজধানীর ৩০টি মোড় বা ক্রসিংয়ে এই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহনকে জরিমানা করা হচ্ছে। ভয়ে চালকেরা আইন মানছেন।

কারওয়ান বাজার মোড়ে গত বুধবার রাতে দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিক পুলিশ সদস্য ছোটন বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগে গাড়ি থামাতে যুদ্ধ করতে হতো। এখন লাল বাতি জ্বলে উঠলেই থেমে যাচ্ছে। শান্তিতে দায়িত্ব পালন করতে পারছি। তবে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো সমস্যা সৃষ্টি করছে।

ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এআইভিত্তিক ক্যামেরায় সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করার সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে। সফটওয়্যারের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সেই গাড়ি শনাক্ত করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটালি মামলা দেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি সদর দপ্তরে গত ২৯ এপ্রিল পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এ সফটওয়্যার উদ্বোধন করেন। এরপর ৩ মে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চালক ও গাড়ির মালিকদের ‘ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ট্রাফিক মামলার’ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। ৭ মে থেকে নির্ধারিত মোড়ে স্বয়ংক্রিয় মামলা কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পেতে হলে অস্থায়ী ভিসাধারীদের দেশে ফিরতে হবেযুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসা নিয়ে যাওয়া বিদেশি নাগরিক...
23/05/2026

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পেতে হলে অস্থায়ী ভিসাধারীদের দেশে ফিরতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসা নিয়ে যাওয়া বিদেশি নাগরিকদের স্থায়ীভাবে বসবাসের (গ্রিন কার্ড) আবেদন করতে হলে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

বর্তমান বৈধ অভিবাসনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ নীতির উদ্দেশ্য হলো, গ্রিন কার্ডের আবেদনগুলো যেন অভিবাসনের স্বাভাবিক ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে সম্পন্ন হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, বিদ্যমান ব্যবস্থার ‘আইনি ফাঁকফোকর’ ব্যবহার করে স্থায়ী মর্যাদার আবেদন করার সময় বিদেশি নাগরিকেরা যাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বলেছে, ‘যেসব বিদেশি নাগরিক সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন ও গ্রিন কার্ড চান, তাঁদের আবেদন করার জন্য নিজ দেশে অবশ্যই ফিরতে হবে। মার্কিন অভিবাসনব্যবস্থাকে আইনি ফাঁকফোকরের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ না দিয়ে আইন অনুযায়ী কাজ করতে সহায়তা করবে এ নীতি।

গতকাল শুক্রবার মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকে স্থায়ীভাবে বসবাসের মর্যাদা পরিবর্তন (অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস) কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়, বরং এটি কর্তৃপক্ষের বিশেষ বিবেচনার বিষয়।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, মার্কিন অভিবাসনব্যবস্থা সাধারণত এমনভাবে তৈরি, যেখানে সাময়িক ভিসাধারীদের সফরের উদ্দেশ্য শেষে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে (কেস বাই কেস) মূল্যায়ন করবেন। এর অর্থ, গ্রিন কার্ডের নতুন নিয়ম সবার জন্য ঢালাওভাবে কার্যকর করা হবে না। প্রত্যেক আবেদনকারীর নিজস্ব পরিস্থিতি ও কাগজপত্র একজন অভিবাসন কর্মকর্তা আলাদা ও স্বাধীনভাবে খতিয়ে দেখবেন।

অভিবাসন কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদন মূল্যায়নকালে কিছু বিষয় কঠোরভাবে বিবেচনা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অনুমোদিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় অবস্থান, অনুমতি ছাড়া চাকরি করা, জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া ও আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় দেওয়া শর্তগুলো ঠিকমতো মেনে চলেছেন কি না ইত্যাদি।

তবে ইউএসসিআইএস কিছু ব্যতিক্রমের কথাও স্বীকার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ডুয়াল ইনটেন্ট’ বা দ্বৈত উদ্দেশ্য অনুমোদিত কিছু ভিসার ক্যাটাগরি। অর্থাৎ কিছু সাময়িক ভিসাধারীর ক্ষেত্রে আইনিভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার পাশাপাশি স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা বা গ্রিন কার্ড খোঁজার অনুমতি রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই ক্যাটাগরিগুলো গ্রিন কার্ড পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। তা ছাড়া সফরের উদ্দেশ্য শেষ হলে বিদেশি নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে—কংগ্রেসের এই প্রত্যাশাকেও এটি পরিবর্তন করে না।

সংস্থাটি আরও জানায়, এ নতুন ও পরিমার্জিত নির্দেশনার ফলে অন্যান্য অভিবাসন মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বাড়তি মনোযোগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সম্পদ পাওয়া যাবে।

পাকস্থলীর অ্যাসিড যদি ধাতু গলাতে পারে, তবে পেট কেন গলে যায় নাআমাদের পাকস্থলীতে রয়েছে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, যা অত্যন্ত ...
23/05/2026

পাকস্থলীর অ্যাসিড যদি ধাতু গলাতে পারে, তবে পেট কেন গলে যায় না

আমাদের পাকস্থলীতে রয়েছে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, যা অত্যন্ত শক্তিশালী ও ক্ষয়কারী একটি রাসায়নিক। এই অ্যাসিড এতটাই তীব্র যে এটি লোহা বা ইস্পাতের মতো ধাতু গলিয়ে ফেলতে পারে। শরীরের অন্য কোথাও বা চামড়ার ওপর এই অ্যাসিড লাগলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। মূলত হজমে সাহায্য করা এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করতে ও খাবারের সঙ্গে আসা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতেই আমাদের পেট এই অ্যাসিড তৈরি করে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, এই তীব্র অ্যাসিড পাকস্থলীর নিজের টিস্যুগুলোকে পুড়িয়ে বা গলিয়ে ফেলে না।

আমাদের পাকস্থলীতে থাকা অ্যাসিডের পিএইচ (pH) মাত্রা ০ দশমিক ৮ পর্যন্ত নামতে পারে, যা যেকোনো প্রাণীর টিস্যু নিমেষেই গলিয়ে ফেলার জন্য যথেষ্ট এবং সুযোগ পেলে এই অ্যাসিড আমাদের পাকস্থলীকেই হজম করে ফেলত। কিন্তু শরীরের ভেতর এক অদ্ভুত সুরক্ষাব্যবস্থা আমাদের এই বিপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখে। এই রক্ষাকবচ আর কিছুই নয়, আমাদের শরীরেরই তৈরি প্রচুর পরিমাণ শ্লেষ্মা বা মিউকাস।

এই মিউকাস মূলত মিউসিন নামক একধরনের প্রোটিন ও বিশেষ কিছু অণু দিয়ে তৈরি। এই মিশ্রণ মিউকাসকে এত আঠালো ও পিচ্ছিল করে তোলে যে পাকস্থলীর হজমকারী এনজাইমগুলো একে ভাঙতে পারে না। পাকস্থলীতে এই মিউকাস দুটি স্তরে থাকে। একটি স্তর আঠার মতো পাকস্থলীর দেয়ালে লেগে থেকে বর্মের কাজ করে। আর অন্য স্তরটি জেলের মতো আলগা থাকে। যেখানে আমাদের শরীরের জন্য উপকারী ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো বাস করে।

পাকস্থলীর প্যারিটাল কোষ থেকে যখন এই তীব্র অ্যাসিড বের হয়, তখন তা অন্যান্য তরলের সঙ্গে মিশে কিছুটা পাতলা হয়ে ১ থেকে ৩ পিএইচ মাত্রায় পৌঁছায়। পাকস্থলীর দেয়ালের মিউকাস স্তরটি এই অ্যাসিডের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়, যাতে অ্যাসিড সরাসরি শরীরের টিস্যুতে স্পর্শ করতে না পারে। শুধু বাধা দেওয়াই এর কাজ, এমন নয়। এই মিউকাসে থাকে বাইকার্বোনেট, যা অ্যাসিডের তীব্রতাকে প্রশমিত করতে পারে। অনেকটা বুক জ্বালাপোড়া ওষুধের মতো এটি প্রাকৃতিক উপায়েই আমাদের পেটের ভেতর সুরক্ষা দেয়।

পাকস্থলীর সুরক্ষাকবচ হলো মিউকাস। তবে এই মিউকাস স্তর কিন্তু সব সময় পাকস্থলীকে বাঁচাতে পারে না। কিছু ক্ষতিকর পরজীবী ও ব্যাকটেরিয়া আছে, যারা খুব কৌশলে এই মিউকাসের স্তরটিকে দুর্বল করে দেয়। একবার সুরক্ষার এই দেয়াল ভেঙে গেলে ব্যাকটেরিয়াগুলো সরাসরি পাকস্থলীর টিস্যুতে ঢুকে পড়ে। এর ফলে পাকস্থলীতে মারাত্মক প্রদাহ বা জ্বালাপোড়া হয় এবং গ্যাস্ট্রিক রোগের সৃষ্টি হয়।

সমস্যা যখন আরও বেড়ে যায়, তখন পাকস্থলীর দেয়ালে আলসার বা ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষত যদি কোনো রক্তনালির কাছে পৌঁছায়, তবে শরীরের ভেতরেই রক্তপাত শুরু হতে পারে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয় তখন, যখন আলসার পাকস্থলী ফুটো করে দেয়। এর ফলে তীব্র অ্যাসিড পেটের গহ্বরে ছড়িয়ে পড়ে এবং পেরিটোনাইটিস নামক মারাত্মক ইনফেকশন তৈরি করে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে একটি জরুরি অবস্থা হিসেবে দেখা হয়। শুধু আলসার নয়, আমাদের শরীরের এই হজমকারী অ্যাসিড মাঝেমধ্যে অন্য উপায়েও পাকস্থলী থেকে বেরিয়ে এসে যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বুয়েটসহ ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য, আগের উপাচার্যদের অব্যাহতিবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের ১১টি পা...
14/05/2026

বুয়েটসহ ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য, আগের উপাচার্যদের অব্যাহতি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে এত দিন ধরে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করে আসা অধ্যাপকদের অব্যাহতি দিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা প্রায় সবাই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে অব্যাহতি ও নতুন উপাচার্য নিয়োগের তথ্য জানানো হয়। বুয়েটে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক একরামুল হক। তিনি পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক।

এ ছাড়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন মো. মামুন অর রশিদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এম এম শরীফুল করীম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল (সিলেটের নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি উপাচার্যের দায়িত্বরত), জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল (সিলেটের নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি উপাচার্যের দায়িত্বরত), জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম শহিদুল ইসলাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড রিসার্চের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল হাসনাত মোহা. শামীমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যানিহত ব্যবসায়ী ফোনে স্ত্রীকে বলেছিলেন, ‘আমাকে বাঁচাও, জাকির আমাকে মেরে ফেলবে’কিশোরগঞ্জের কুলিয়ার...
14/05/2026

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
নিহত ব্যবসায়ী ফোনে স্ত্রীকে বলেছিলেন, ‘আমাকে বাঁচাও, জাকির আমাকে মেরে ফেলবে’

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে এক কাঠ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদসংলগ্ন কৃষিজমিতে তাঁর লাশ পড়ে ছিল।

ওই ব্যক্তির নাম হানিফ মিয়া (৩৪)। তিনি কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় হানিফের স্ত্রী আয়েশা বেগম আজ সকালে কুলিয়ারচর থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে জাকির হোসেন (৩৬) নামের একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ মামলার পাঁচ আসামি জাকিরের বাবা লস্কর মিয়া, মা হেলেনা বেগম, জাকিরের স্ত্রী খুকি বেগম (৩৫), আত্মীয় নাদিয়া আক্তার (২৩) ও আয়েত উল্লাহকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা আজ দুপুরে জাকিরের বসতঘর পুড়িয়ে দেন।

হানিফের স্ত্রী আয়েশা বেগম বলেন, ‘গতকাল রাত ১২টার দিকে আমার স্বামী ফোন করে বলে, “আমাকে বাঁচাও, জাকির আমাকে মেরে ফেলবে।” এরপর আমরা জাকিরের বাড়িতে গিয়ে দেখি বাড়ির গেট বন্ধ। ডাকাডাকির পরও গেট খোলেনি। আজ জাকিরের বাড়ির কাছ থেকে আমার স্বামীর লাশ পাওয়া গেল।’

আয়েশার ভাষ্য, জাকির এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর স্বামী কথা বলতেন। জাকির সম্প্রতি মাদক মামলায় জেলে যান। জাকিরের ধারণা, গ্রেপ্তারের পেছনে তাঁর স্বামীর হাত ছিল। কিছুদিন আগে জেল থেকে ছাড়া পান। এর পর থেকে তাঁর স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাকিরের লোকজন তাঁর স্বামীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর আর তিনি বাড়িতে ফেরেননি।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, সম্প্রতি মাদকের বিরুদ্ধে ফরিদপুর ইউনিয়নে সামাজিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। হানিফ ওই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। জাকিরের বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে। এ অবস্থায় কিছুদিন আগে তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। জাকির ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গ্রেপ্তারের জন্য হানিফকে সন্দেহ করে আসছিলেন। গতকাল রাতে জাকিরের বাড়িতে গিয়ে দরজা বন্ধ পেয়ে হানিফের পরিবারের লোকজন প্রথমে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু রাত বেশি হওয়ায় অনেকে ফোন ধরেননি। রাত আড়াইটার দিকে পুলিশকে জানানো হয়।

ওই ঘটনার পর থেকেই জাকির হোসেন পলাতক। তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

মামলাটি তদন্ত করছেন কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাতে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে হানিফের লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলার পর তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। হানিফের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিসিবি নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের কমিশন গঠনবিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের জন্য তিন সদস্যের কমিশন গঠন করা হয়েছে। সুপ্রি...
13/05/2026

বিসিবি নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের কমিশন গঠন

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের জন্য তিন সদস্যের কমিশন গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিমকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অন্য দুজন সদস্য গাজীপুর মহানগরের পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পরিচালক এবং সহকারী সচিব এ বি এম এহসানুল মামুন।

তিন সদস্যের এই কমিশনই বিসিবি নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়া ও আইনি বিষয়গুলো তদারক করবেন বলে বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এই কমিশনে দুজন বিসিবি ও একজন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে কমিশনার হয়েছেন। পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের তারিখ এখনো ঠিক না হলেও এরই মধ্যে কাউন্সিলরদের তালিকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বিসিবি।

গত বছর অক্টোবরে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদে ২৫ পরিচালক মনোনীত হন। তাঁদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম। তবে ওই নির্বাচনে অস্বচ্ছতা ও অনিয়মের অভিযোগে গত ৭ এপ্রিল আমিনুলের নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।

সেদিনই জাতীয় দলের আরেক সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। তাঁদের তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতাও দেয় এনএসসি। কিছুদিন আগে তামিম জানান, জুনের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে হতে পারে নির্বাচন।

হাম–উপসর্গের রোগী ৫০ হাজার ছাড়াল, আগে আর কোন কোন দেশে বছরে এত আক্রান্ত ছিলদেশে হাম ও এর উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছ...
13/05/2026

হাম–উপসর্গের রোগী ৫০ হাজার ছাড়াল, আগে আর কোন কোন দেশে বছরে এত আক্রান্ত ছিল

দেশে হাম ও এর উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে হামের ‘সন্দেহজনক’ রোগীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৫৬৭ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৪ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত। এই সময়কালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। এর মধ্যে ৬৮ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত ছিল। আক্রান্ত ও মৃতদের প্রায় সবাই শিশু।

গত এপ্রিলে জাতীয় টিকাদান-সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা গ্রুপের (নাইট্যাগ) সভায় বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছিলেন যে হামের প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুকে হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করতে হবে। সেই হিসাবে দেশে গত দেড় দশকে কোনো বছরে হামে এত আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে বিশ্বে মাত্র চারটি দেশে বছরে ৫০ হাজারের বেশি রোগী পাওয়া গেছে।

দেশে হাম ও এর উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে হামের ‘সন্দেহজনক’ রোগীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৫৬৭ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৪ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত। এই সময়কালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। এর মধ্যে ৬৮ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত ছিল। আক্রান্ত ও মৃতদের প্রায় সবাই শিশু।

গত এপ্রিলে জাতীয় টিকাদান-সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা গ্রুপের (নাইট্যাগ) সভায় বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছিলেন যে হামের প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুকে হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করতে হবে। সেই হিসাবে দেশে গত দেড় দশকে কোনো বছরে হামে এত আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে বিশ্বে মাত্র চারটি দেশে বছরে ৫০ হাজারের বেশি রোগী পাওয়া গেছে।

গত আড়াই দশকে কখনো দেশে হামের সংক্রমণ ৫০ হাজার ছাড়ায়নি। এর আগে হামের সর্বাধিক রোগী পাওয়া গিয়েছিল ২০০৫ সালে, ২৫ হাজার ৯৩৪ জন। এর পর থেকে রোগী কমে আসে। ২০২৫ সালে মাত্র ১৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। আগের পাঁচ বছরের (২০২০ থেকে ২০২৪) রোগীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৪১০, ২০৩, ৩১১, ২৮১ ও ২৪৭।

বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথেই হাঁটার মধ্যে এ বছরের শুরুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এবং একের পর এক শিশুর মৃত্যুও ঘটত থাকে। এ সংক্রমণের পেছনে গত বছর হামের পর্যাপ্ত টিকা না দেওয়াকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি পুষ্টির ঘাটতিকেও কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফলো করুন
গত আড়াই দশকে কখনো দেশে হামের সংক্রমণ ৫০ হাজার ছাড়ায়নি
গত আড়াই দশকে কখনো দেশে হামের সংক্রমণ ৫০ হাজার ছাড়ায়নিছবি: প্রথম আলো
দেশে হাম ও এর উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে হামের ‘সন্দেহজনক’ রোগীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৫৬৭ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৪ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত। এই সময়কালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। এর মধ্যে ৬৮ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত ছিল। আক্রান্ত ও মৃতদের প্রায় সবাই শিশু।

গত এপ্রিলে জাতীয় টিকাদান-সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা গ্রুপের (নাইট্যাগ) সভায় বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছিলেন যে হামের প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুকে হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করতে হবে। সেই হিসাবে দেশে গত দেড় দশকে কোনো বছরে হামে এত আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে বিশ্বে মাত্র চারটি দেশে বছরে ৫০ হাজারের বেশি রোগী পাওয়া গেছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান, জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাত্র দুই মাসের কম সময়ের মধ্যে এত সংক্রমণ সত্যিই মারাত্মক। আমাদের জনসংখ্যার অনুপাতেও যদি অন্য দেশগুলোর সঙ্গে এর তুলনা করি, তা–ও অনেক বেশি। বাংলাদেশের এবারের হামের রোগীর সংখ্যা আসলেই অনেক বড় কিছু।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকা যথাযথভাবে না দিতে পারার জন্যই হামে এত সংক্রমণ ও মৃত্যু। তবে মৃত্যুর দায় বর্তমান সরকারকেও নিতে হবে।
অধ্যাপক বে-নজীর আহমেদ, জনস্বাস্থ্যবিদ

আড়াই দশকে সর্বোচ্চ সংক্রমণ

গত আড়াই দশকে কখনো দেশে হামের সংক্রমণ ৫০ হাজার ছাড়ায়নি। এর আগে হামের সর্বাধিক রোগী পাওয়া গিয়েছিল ২০০৫ সালে, ২৫ হাজার ৯৩৪ জন। এর পর থেকে রোগী কমে আসে। ২০২৫ সালে মাত্র ১৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। আগের পাঁচ বছরের (২০২০ থেকে ২০২৪) রোগীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৪১০, ২০৩, ৩১১, ২৮১ ও ২৪৭।

বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথেই হাঁটার মধ্যে এ বছরের শুরুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এবং একের পর এক শিশুর মৃত্যুও ঘটত থাকে। এ সংক্রমণের পেছনে গত বছর হামের পর্যাপ্ত টিকা না দেওয়াকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি পুষ্টির ঘাটতিকেও কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক বে-নজীর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকা যথাযথভাবে না দিতে পারার জন্যই হামে এত সংক্রমণ ও মৃত্যু। তবে মৃত্যুর দায় বর্তমান সরকারকেও নিতে হবে। তিনি বলেন, সরকার হামকে মহামারি ঘোষণা করতে দ্বিধা করে। কিন্তু রোগীর সংখ্যা যখন ৫০ হাজারের অতিরিক্ত হয়, তখন তাকে মহামারি না বলার কোনো কারণ নেই। এটা করা গেলে, হামকে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলে ন্যাশনালে গাইডলাইন দিয়ে চিকিৎসা করা যেত, তাহলে এত মৃত্যু হতো না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অবশ্য ১৫ মার্চ থেকে রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যার তথ্য দিচ্ছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও হামের উপসর্গে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে ৯ জন মারা গেছে। তাদের মধ্যে তিনজনের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল। এই সময়ে আরও ১ হাজার ১০৫ জনের দেহে হামের উপসর্গ দেখা দেয়। নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যা ৮৭। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ২৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

সর্বশেষ সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছে ৪৯ জনের। দেশে এক দশকে হামে এক সপ্তাহে এত মৃত্যু আর ঘটেনি। জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, হাম মহামারি ঘটার বিষয়ে আগের সরকারের অবশ্যই দায় আছে, কিন্তু শিশুমৃত্যু তো নিয়ন্ত্রণ করা যেত। চিকিৎসাব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ, স্তরভিত্তিক চিকিৎসাসেবার নীতি মেনে চললে শিশুমৃত্যু অনেকটা রোধ করা যেত বলে তিনি মনে করেন।

ঈদযাত্রায় ট্রেনের একটি টিকিটের জন্য প্রায় ৪০০ জনের চেষ্টা, এক ঘণ্টার মধ্যেই বিক্রি শেষপবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আন্তনগর ট...
13/05/2026

ঈদযাত্রায় ট্রেনের একটি টিকিটের জন্য প্রায় ৪০০ জনের চেষ্টা, এক ঘণ্টার মধ্যেই বিক্রি শেষ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আন্তনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রি শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই রেলের পশ্চিমাঞ্চলের (রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগ) জন্য নির্ধারিত টিকিট প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

আজ বুধবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। বেলা ২টায় বিক্রি শুরু হয় পূর্বাঞ্চলের (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ) জন্য নির্ধারিত টিকিট।

আজ যাঁরা টিকিট কাটছেন, তাঁরা ২৩ মে ট্রেন যাত্রা করবেন। ঈদের অগ্রিম টিকিটের শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, এবার ২৩ মে ঢাকা থেকে ৪৩টি আন্তনগর ট্রেন ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে রেলের পশ্চিমাঞ্চলে যাবে ২০টি ট্রেন। এসব ট্রেনের জন্য নির্ধারিত আসন রয়েছে ১৫ হাজার ২৬৬টি।

আজ সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হলে প্রথম ১৫ মিনিটে সাড়ে ১২ হাজারের বেশি টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। সকাল ৯টার মধ্যে বিক্রি হয় ১৫ হাজার ৪৩টি টিকিট।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সকালের দিকে টিকিট কিনতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা ছিল বিপুল। বিশেষ করে প্রথম আধা ঘণ্টায় ৬০ লাখ মানুষ টিকিট কেনার জন্য চেষ্টা চালান। অর্থাৎ ৬০ লাখ হিট হয়েছে ওয়েবসাইটে। এর মানে হচ্ছে—প্রতিটি টিকিটের জন্য গড়ে ৩৯৩ জন চেষ্টা করেছেন।

অন্যদিকে রেলের পূর্বাঞ্চলে ২৩ মে ঢাকা থেকে চলাচল করবে ২৩টি ট্রেন। এসব ট্রেনের জন্য ১৫ হাজার ৯৭৪টি টিকিট বরাদ্দ রয়েছে। বেলা দুইটা থেকে বিক্রি শুরু।

রেলের কর্মকর্তারা বলছেন, পূর্বাঞ্চলের টিকিটের জন্যও ওয়েবসাইটে বিপুল হিট হচ্ছে। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গের ট্রেনগুলোয় বরাবরই চাহিদা বেশি। বিশেষ করে ঈদযাত্রায় এসি কামরার টিকিটের চাহিদা বেশি থাকে। ফলে একসঙ্গে অনেক মানুষ টিকিট কেনার জন্য চেষ্টা চালান। সেকেন্ডেরও কম সময়ের ব্যবধানের জন্য একজন টিকিট পেয়েছেন, অন্যরা ব্যর্থ হন।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেলওয়ে টিকিট বিক্রির জন্য আগেই সূচি ঠিক করে দেয়। সূচি অনুসারে, ১৩ মে বিক্রি হচ্ছে ২৩ মে যাত্রার টিকিট। একইভাবে ১৪, ১৫ ১৬ ও ১৭ মে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মের টিকিট পাওয়া যাবে।

ঈদ শেষে ট্রেনের ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ministry of News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ministry of News:

Shortcuts

Share