OG GTR

OG GTR Respect Everyone
(5)

অপেক্ষার শেষ নীলপদ্ম (পর্ব - ২)​মেঘলা তড়িঘড়ি করে ডায়েরিটা বিছানার চাদরের নিচে লুকিয়ে ফেলে দরজা খুলল। জিসান রাগে ফুঁস...
14/08/2026

অপেক্ষার শেষ নীলপদ্ম (পর্ব - ২)
​মেঘলা তড়িঘড়ি করে ডায়েরিটা বিছানার চাদরের নিচে লুকিয়ে ফেলে দরজা খুলল। জিসান রাগে ফুঁসছে। তার চোখ দুটো লাল।
​"তুই আরিয়ানের সাথে কী করছিলি মেঘলা? তুই জানিস ও কেমন লোক? ও আমাদের পুরো পরিবারকে ধ্বংস করতে চায়!" জিসান গর্জে উঠল।
​মেঘলা নিজেকে শান্ত রেখে বলল, "আমার ছাতা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, ও পথ দিয়ে যাচ্ছিল তাই হঠাৎ দেখা। তুমি এত উত্তেজিত হচ্ছ কেন ভাইয়া?"
​"ওর থেকে দূরে থাকবি! যদি আর কোনোদিন ওকে তোর আশেপাশে দেখি, তবে পরিণতি খুব খারাপ হবে!"— ভয়াবহ হুমকি দিয়ে জিসান রুম থেকে বেরিয়ে গেল।
​জিসান চলে যেতেই মেঘলার মনে সন্দেহের বীজ আরও গভীর হলো। জিসান এত ভয় পাচ্ছে কেন? যদি আরিয়ান শুধুই শত্রু হতো, তবে জিসানের চোখে এই আতঙ্কের ছাপ কেন?
​পরদিন বিকেল চারটা। ধানমন্ডি লেকের পাড়ে মেঘলা বসে আছে। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা নামছে, কিন্তু আরিয়ানের দেখা নেই। মেঘলার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। তবে কি আরিয়ান তাকে আবার ধোঁকা দিল?
​ঠিক তখনই মেঘলার ফোনে একটি অচেনা নম্বর থেকে কল এলো। ফোনের ওপাশ থেকে এক নার্স আতঙ্কিত গলায় বলল, "আপনি কি মেঘলা? আপনি যার নম্বর 'নীলপদ্ম' নামে সেভ করে রেখেছেন, উনি আধঘণ্টা আগে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। উনাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়েছে। উনি অজ্ঞান হওয়ার আগে শুধু আপনার নাম বলছিলেন..."
​মেঘলার হাতের ফোনটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল। লেকের ঠান্ডা বাতাস যেন মুহূর্তেই থমকে গেল। সে কোনো কিছু না ভেবেই একটা সিএনজি ডেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিল।
​হাসপাতালে পৌঁছে আইসিইউ-এর বাইরে দাঁড়িয়ে মেঘলা দেখতে পেল, রক্তের বোতলের নিচে শুয়ে আছে আরিয়ান। ঠিক তখনই পেছন থেকে এক প্রবীণ লোক এসে মেঘলার পাশে দাঁড়ালেন। উনি আরিয়ানের গৃহশিক্ষক ও অভিভাবকতুল্য প্রফেসর কবীর।
​মেঘলার চোখের জল দেখে প্রফেসর কবীর মৃদু হেসে বললেন, "কেঁদো না মা। আরিয়ান ছেলেটা সত্যিই পাগল। আজ তোমার সাথে দেখা করতে আসার পথেই জিসানের পাঠানো কয়েকজন গুন্ডা ওকে ঘিরে ধরেছিল। ওদের কাছ থেকে বাঁচতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা..."
​মেঘলা স্তব্ধ হয়ে গেল, "জিসানের পাঠানো গুন্ডা?"
​প্রফেসর কবীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "তুমি তো কিছুই জানো না মেঘলা। যে ভাইয়াকে তুমি অন্ধের মতো বিশ্বাস করো, দুই বছর আগে সে তোমাকে এক ধনী ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেওয়ার চুক্তি করেছিল। আরিয়ান সেটা জানতে পেরে তোমার মান-সম্মান বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন বাজি রেখেছিল..."
​(চলবে...)

অপেক্ষার শেষ নীলপদ্ম (পর্ব - ১)ছেলেটির নাম আরিয়ান। যার নাম শুনলেই দুই বছর আগে মেঘলার শরীর রাগে-ঘৃণায় রি রি করে উঠত। মে...
12/08/2026

অপেক্ষার শেষ নীলপদ্ম (পর্ব - ১)

ছেলেটির নাম আরিয়ান। যার নাম শুনলেই দুই বছর আগে মেঘলার শরীর রাগে-ঘৃণায় রি রি করে উঠত। মেঘলার সৎ ভাই জিসান যখনই ব্যবসায়ে চরম লোকসান করত বা কোনো অন্যায় করত, সব দোষ এসে পড়ত এই আরিয়ানের ওপর। জিসান মেঘলার মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে, আরিয়ান এক চরম বেপরোয়া, লোভী আর ভয়ঙ্কর স্বভাবের মানুষ।
​অথচ আজ, এই ঝুম বৃষ্টির রাতে টিএসসির বকুলতলায় দাঁড়িয়ে সেই আরিয়ানই শান্ত গলায় দাবি করছে সে-ই এতদিন ধরে মেঘলাকে আড়াল থেকে রক্ষা করে আসা 'নীলপদ্ম'!
​মেঘলার গলা শুকিয়ে এলো। সে হাত থেকে ছাতাটা শক্ত করে ধরে কেঁপে ওঠা গলায় বলল, "তুমি? এটা কোনো সস্তা নাটক আরিয়ান? আমার ভাইয়ের সাথে তোমার শত্রুতা থাকতে পারে, কিন্তু তার জন্য তুমি আমাকে নিয়ে এইভাবে খেলবে?"
​আরিয়ান বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতেই পকেট থেকে একটা পুরনো, জলছাপ পড়া ডায়েরি বের করল। ডায়েরির পাতাগুলো ভিজতে শুরু করেছে। সে ডায়েরিটা মেঘলার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, "নাটক কি না, এই ডায়েরির পাতাগুলো পড়লেই বুঝতে পারবে মেঘলা। তবে আজ নয়। আজ যদি তুমি আমাকে ভুল বুঝে চলে যাও, আমি আটকাব না। কিন্তু কাল বিকেল চারটায় ধানমন্ডি লেকের সেই নির্জন বেঞ্চে ডায়েরিটা নিয়ে এসো। যদি মনে হয় আমি মিথ্যা বলছি, তবে ডায়েরিটা লেকের পানিতে ফেলে দিও। আমি আর কোনোদিন তোমার সামনে আসব না।"
​আরিয়ান ভিজতে ভিজতেই হেঁটে চলে গেল। মেঘলা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার হাতে এখন সেই ডায়েরি।
​বাসায় ফিরে মেঘলা নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে ডায়েরিটা খুলল। প্রথম পাতাই তার নজর আটকে গেল। সেখানে দুই বছর আগের একটি তারিখ লেখা, আর তার নিচে লেখা:
​“আজ জিসান মেঘলাকে এমন একটি বিপদে ফেলতে যাচ্ছে, যা ও কল্পনাও করতে পারছে না। মেঘলাকে বাঁচাতে হলে আমাকে নিজেকে সবার চোখে ভিলেন বানাতে হবে। কারণ, ভালো সেজে ওকে রক্ষা করার পথ জিসান আগেই বন্ধ করে দিয়েছে...”
​মেঘলার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল! জিসান? তার নিজের সৎ ভাই তাকে বিপদে ফেলতে চেয়েছিল?
​হঠাৎ মেঘলার ঘরের দরজায় সশব্দে কড়া নাড়ল কেউ। বাইরে জিসানের শক্ত কণ্ঠ— "মেঘলা! দরজা খোল! তুই আজ কার সাথে টিএসসিতে ছিলি আমি সব খবর পেয়েছি!"
​(চলবে...)

30/07/2026
দুপুরের খাবার 🥰🥰
29/07/2026

দুপুরের খাবার 🥰🥰

এটা কি পোকা?? কেউ কি বলতে পারবেন?​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​
22/07/2026

এটা কি পোকা??
কেউ কি বলতে পারবেন?

​
​
​
​
​
​
​
​
​
​

22/07/2026

হারিয়ে যাওয়া সেই সোনালী দিনগুলো
05/07/2026

হারিয়ে যাওয়া সেই সোনালী দিনগুলো

কাচা আম🥭
27/04/2026

কাচা আম🥭

তাদেরও অভিমান আছে 😞😞
21/04/2026

তাদেরও অভিমান আছে 😞😞

Address

Halishahar
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OG GTR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share