Krishikagoj

Krishikagoj কৃষকের কাগজ

28/08/2026
25/07/2026

বিএডিসির ৪২ বাগান কেটে ফেলার সুপারিশ
৩ বছরের ফল ৭ বছরেও আসেনি: গলার কাঁটা ভিয়েতনামি নারকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে নারকেল চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে ছয় বছর নয় মাস আগে আমদানি করা হয়েছিল ভিয়েতনামি খাটো জাতের ‘সিয়াম গ্রিন’ ও ‘সিয়াম ব্লু’ নারকেল। কিন্তু কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই প্রকল্প এখন দেশের কৃষি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিবিড় পরিচর্যা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের দ্বিগুণেরও বেশি সময় পার হলেও ফল মিলছে না। উল্টো এসব গাছ মাটির উর্বরতা ও পানির স্তর শুষে নিয়ে চারপাশের জমিকে শুষ্ক ও বন্ধ্যা করে ফেলছে।
এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) তাদের ৪১টি খামার ও একটি অফিস কমপ্লেক্সসহ দেশের ৪২টি স্থানের অফলনশীল বাগান জরুরি ভিত্তিতে কেটে ফেলার লিখিত প্রস্তাব পাঠিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ে।
উচ্চ আশা ও হতাশাজনক বাস্তবতা
২০১৮ সালের জুন মাসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় ভিয়েতনামি খাটো জাতের নারকেল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশের ৪২টি স্থানে বিএডিসির হর্টিকালচার সেন্টার থেকে সংগ্রহ করা ৫ হাজার ৫টি চারা রোপণ করা হয়েছিল। সে সময় প্রকল্পের কর্মকর্তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করেছিলেন—চারা রোপণের আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে গাছে প্রচুর ফল ধরবে।
তবে বিএডিসির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে চরম ব্যর্থতার ছবি:
• ফলনের অভাব: ৫,০০৫টি চারার মধ্যে বর্তমানে টিকে আছে ৪,৪৪৩টি গাছ। তবে রোপণের প্রায় সাত বছরে মাত্র ৪৬৭টি গাছে ফুল ও ফল এসেছে—যা টিকে থাকা মোট গাছের মাত্র ৯ শতাংশ। বাকি ৯১ শতাংশ গাছই সম্পূর্ণ ফলহীন।
• জমির অপচয়: বিএডিসির প্রায় ৪৫.৫০ একর উর্বর জমি এই ব্যর্থ বাগানগুলোর দখলে আটকা পড়ে আছে, যা খাদ্য উৎপাদনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।
বিএডিসির মূল্যায়ন: তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জলবায়ু ও আবহাওয়ায় এই খাটো জাতটি মোটেও উপযোগী নয়। সরকারের বিপুল অর্থ, শ্রমিক, সার ও কীটনাশক ব্যবহারের পরও এই বাগান থেকে কোনো সুফল মেলেনি।
পরিবেশ ও মাটির মারাত্মক ক্ষতি
বিএডিসির মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণে এই গাছগুলোর বেশ কিছু পরিবেশবিধ্বংসী বৈশিষ্ট্য উন্মোচিত হয়েছে:
1. পানির অতিরিক্ত শোষণ: এই গাছের পানির চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে বহুগুণ বেশি। প্রাকৃতিভাবে পানি খোঁজার জন্য শিকড় মাটির গভীর থেকে গভীরতরে বিস্তৃত হয় এবং চারপাশের পানির স্তর শুষে নেয়। ফলে বাগান ও এর আশেপাশের জমি শুকিয়ে ‘জেরোফাইটিক’ বা চরম শুষ্ক মাটিতে পরিণত হচ্ছে, যেখানে অন্য কোনো ফসল ভালো হচ্ছে না।
2. কৃষকের চরম লোকসান: এই জাত রক্ষায় অস্বাভাবিক পরিমাণ সার ও রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়, যা সাধারণ কৃষকের পক্ষে কোনোভাবেই বহনযোগ্য নয়।
3. আঞ্চলিক সমস্যা: উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়া দেশের অন্যত্র পানির অভাবে গাছগুলো মরে যাচ্ছে। এমনকি উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় টিকে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
দুর্নীতি ও তাড়াহুড়োর মাশুল
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাবেক কৃষিমন্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতেই তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক কোনো প্রকার নীতিমালার তোয়াক্কা না করে তড়িঘড়ি করে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, উচ্চমানের চারা আমদানির নামে নিম্নমানের চারা এনে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকেরা এই গাছ রোপণ করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বাধ্য হয়ে গাছ কেটে ফেলেছেন।

বিএডিসি এসব ক্ষতিকর গাছ অবিলম্বে অপসারণ করে সেখানে দেশীয় উন্নত জাতের ফলের মাতৃবাগান কিংবা সাধারণ ফসল চাষের অনুমতির আবেদন জানিয়েছে।
তবে অপসারণের আগে পরিস্থিতি চূড়ান্ত যাচাই করতে কৃষি মন্ত্রণালয় এক পর্যালোচনা কমিটি গঠন করেছে। বিএডিসি প্রতিষ্ঠিত এসব মাতৃবাগান থেকে কোনো আউটপুট না পাওয়ায় করণীয় নির্ধারণ করে বিএডিসি চেয়ারম্যান বরাবর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কৃষিবিদদের মতে, বিদেশি যেকোনো জাত আমদানির পূর্বে দেশের মাটিতে তার উপযোগিতা সঠিকভাবে পরীক্ষা না করার খেসারত দিতে হচ্ছে কৃষি খাতকে। দ্রুত এসব অকেজো বাগান কেটে ফেলে ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

25/07/2026

সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে কৃষক পর্যায়ে আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার

পেঁয়াজ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে কৃষক পর্যায়ে নতুন করে আরও ১৫ হাজার ‘এয়ার ফ্লো মেশিন’ বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ নষ্ট হয়। এ কারণে উৎপাদন উদ্বৃত্ত থাকা সত্ত্বেও আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প’-এর জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

24/07/2026

বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে কাঁচা মরিচ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দামে এই অতিরিক্ত ঊর্ধ্বগতি সাধারণ ক্রেতা ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর বেশ বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

কাঁচা মরিচের আকাশছোঁয়া দাম: প্রতি কেজি ২৪০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম (প্রায় ৩০০ টাকার কাছাকাছি)।

সবজির বাজারের বেহাল দশা: অধিকাংশ সবজির কেজি প্রায় ১০০ টাকা বা তার বেশি।

মূল কারণসমূহ (সাধারণত যা ঘটে):

আবহাওয়া ও বন্যা: বর্ষা বা অতিবৃষ্টির কারণে অনেক অঞ্চলে সবজি ও মরিচের খেত নষ্ট হওয়া।

সরবরাহ সংকট: পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে সরবরাহের ঘাটতি বা পরিবহন খরচ বৃদ্ধি।

মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট: অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি।

ভোক্তাদের জন্য কিছু বাস্তবসম্মত পরামর্শ:

১. বিকল্প ব্যবহার: কাঁচা মরিচের দাম অতিরিক্ত থাকলে রান্নায় সাময়িকভাবে শুকনা মরিচ বা মরিচের গুঁড়ো বা বিকল্প ঝাঁঝালো উপাদানের ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে।
২. পারিবারিক বাগান/ছাদ বাগান: যাদের সুযোগ আছে, তারা টবে বা ছোট পাত্রে কয়েকটি কাঁচা মরিচ গাছ লাগিয়ে রাখতে পারেন।
৩. বিকল্প সবজি নির্বাচন: যে সবজিগুলোর দাম তুলনামূলক সহনীয় বা কম (যেমন: পেঁপে, আলু, কচুরমুখী ইত্যাদি), সেগুলোর ব্যবহার বাড়িয়ে অতি-উচ্চমূল্যের সবজি সাময়িকভাবে এড়িয়ে চলা।
৪. পাইকারি বাজার বা সরকারি আউটলেট: সম্ভব হলে টিসিবি (TCB)-এর খোলা বাজারের ট্রাক সেল বা পাইকারি বাজার থেকে সরাসরি কেনাকাটা করা।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা হলে হয়তো দ্রুতই এই পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

24/07/2026

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে বালাইনাশক নীতি সংস্কারে ১৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
টেকসই কৃষি উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষা ও দেশবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে বালাইনাশকের (কীটনাশক) সার্বিক ব্যবস্থার সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মাটি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রচলিত বালাইনাশক আইন, বিধিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামো পর্যালোচনার মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী পলিসি গাইডলাইন (নীতিমালা) প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ১৯ সদস্যের একটি শক্তিশালী বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। ২১ জুলাই মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
উপসচিব মোহাম্মদ সোহেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, গঠিত কমিটিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আহ্বায়ক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ অনুবিভাগ), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (BARC) নির্বাহী চেয়ারম্যান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ), পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবস্থাপনা), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি), এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক।
এছাড়া বিশেষজ্ঞ হিসেবে কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন সিটি ইউনিভার্সিটির কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খন্দকার শরিফুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ইকবাল রউফ মামুন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) কীটতত্ত্ব বিভাগের সাবেক প্রধান ড. শেখ সামিউল হক, BARI-এর কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রধান, একজন ক্যান্সার/কিডনি বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফুড প্রফেশনালসের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরুল হাসান, বারসিক-এর পরিচালক ও পরিবেশ গবেষক পাভেল পার্থ, বাংলাদেশ ক্রপ প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (বালাইনাশক ও মান নিয়ন্ত্রণ)।
কমিটির কাজের পরিধি:
অফিস আদেশে কমিটির জন্য তিনটি প্রধান কার্যাবলি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে:
১. নীতিমালা প্রণয়ন: আগামী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে বিদ্যমান বালাইনাশক আইন, বিধিমালা ও এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেশের মানুষের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতে নীতি নির্দেশিকা (পলিসি গাইডলাইন) তৈরি করা।
২. সমস্যা ও সুপারিশ চিহ্নিতকরণ: বালাইনাশক খাতের বিদ্যমান সমস্যাসমূহ দূরীকরণে সুনির্দিষ্ট করণীয় ও সুপারিশ প্রদান করা।
৩. সদস্য কো-অপ্টের সুযোগ: প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অন্যান্য বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ সদস্যদের কো-অপ্ট (যুক্ত) করতে পারবে।

পরীক্ষায় অকৃত্তকার্য: একটি ব্যাচের বালাইনাশক ‘সাইকন ৫৫ ইসি’ বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশবিশেষ সংবাদদাতা | ঢাকাল্যাবরে...
21/07/2026

পরীক্ষায় অকৃত্তকার্য: একটি ব্যাচের বালাইনাশক ‘সাইকন ৫৫ ইসি’ বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
বিশেষ সংবাদদাতা | ঢাকা

ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফল না পাওয়ায় ‘মেসার্স ব্যাবিলন অ্যাগ্রিসায়েন্স লিমিটেড’-এর একটি নির্দিষ্ট ব্যাচের বালাইনাশক ‘সাইকন ৫৫ ইসি’ (Cychon 55 EC) বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং থেকে ব্যাবিলন অ্যাগ্রিসায়েন্স লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

চিঠিতে জানানো হয়, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে পাঠানো ‘সাইকন ৫৫ ইসি’ (এপি নং- ৪০০৫, ব্যাচ নং- ১৪৬২৫১০২)-এর নমুনা উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের বালাইনাশক গবেষণাগারে রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়। তবে পরীক্ষায় ওই ব্যাচের কিটনাশকটির ফলাফল সন্তোষজনক পাওয়া যায়নি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাচটির (ব্যাচ নং- ১৪৬২৫১০২) সব রিপ্যাকিংকৃত বালাইনাশক চিঠি পাওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বাজার থেকে সরাতে বলা হয়েছে। প্রত্যাহার করা বালাইনাশকের মোট পরিমাণ উল্লেখ করে অধিদপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদেরও বিষয়টি তদারকি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে অকার্যকর বা নিম্নমানের এই বালাইনাশক কিনে কৃষকেরা প্রতারিত না হন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানা 'ডিএপি ফার্টিলাইজা...
21/07/2026

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানা 'ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)' গত ২৮ জুন থেকে বন্ধ রয়েছে।










Address

46 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwanbazar
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishikagoj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Krishikagoj:

Shortcuts

Share

Category