Fish & Feed

Fish & Feed 1. Fish, Poultry & Cattle Feed
2. Fish Culture
3.Mob: 01919112526

22/09/2025
মাছ ও ফিড — আমার প্রাণ ফিডের ছকে চলে দিনরাত।প্রতিটি দানায় জ্ঞানের সন্ধান।  মাছ ও ফিড — আমার নেশা।কর্মের পথে নিরন্তর আশা।
21/09/2025

মাছ ও ফিড — আমার প্রাণ
ফিডের ছকে চলে দিনরাত।
প্রতিটি দানায় জ্ঞানের সন্ধান।
মাছ ও ফিড — আমার নেশা।
কর্মের পথে নিরন্তর আশা।

ঢাকা, ২১ জুলাই ২০২৫, রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ ভবনে  বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়...নিহতদের...
21/07/2025

ঢাকা, ২১ জুলাই ২০২৫, রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ ভবনে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়...নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ..আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি..

10/07/2025

মাছ চাষের জন্য পুকুর ব্যবস্থাপনা হচ্ছো
সফল মাছ চাষের ভিত্তি। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরছি যা একটি আদর্শ পুকুর গঠনে সহায়ক হবে:

আদর্শ পুকুরের বৈশিষ্ট্য:
- বন্যামুক্ত অবস্থান: পুকুরের পাড় উঁচু রাখতে হবে যাতে বন্যার পানি প্রবেশ না করে।
- মাটি: দোআঁশ বা পলি-দোআঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
- আলো-বাতাস: খোলামেলা স্থানে পুকুর হলে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়, ফলে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন বাড়ে।
- আকৃতি ও আয়তন: আয়তাকার পুকুরে জাল টেনে মাছ ধরা সহজ হয়। ৪০-৫০ শতকের পুকুর ব্যবস্থাপনায় সুবিধাজনক।
- গভীরতা: ০.৭৫–৩ মিটার গভীরতা মাছ চাষের জন্য উপযুক্ত।

পানির গুণাগুণ:
- অক্সিজেন: পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ≥ ৫ পিপিএম থাকা উচিত।
- পিএইচ: ৬.৫–৮.০ এর মধ্যে হলে মাছের বৃদ্ধি ভালো হয়।
- তাপমাত্রা: রুই জাতীয় মাছের জন্য ২৫–৩০°C সবচেয়ে উপযোগী।
- ঘোলাত্ব ও সূর্যালোক: অতিরিক্ত ঘোলাত্ব সূর্যালোক প্রবেশে বাধা দেয়, ফলে খাদ্য উৎপাদন কমে যায়।

রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা:
- চুন প্রয়োগ: পিএইচ নিয়ন্ত্রণে প্রতি শতকে ১–২ কেজি চুন প্রয়োগ করা যেতে পারে।
- ফসফরাস ও নাইট্রোজেন: প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক, তবে মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

08/07/2025

কাতলা মাছ (Catla catla) সাধারণত রুই জাতীয় মাছের মধ্যে পড়ে এবং এদের কিছু নির্দিষ্ট রোগ রয়েছে যা চাষের সময় নজরে রাখা জরুরি। নিচে কাতাল মাছের কয়েকটি সাধারণ রোগ ও প্রতিকার তুলে ধরা হলো:

সাধারণ রোগসমূহ ও লক্ষণ

১. মিক্সোবোলিয়াসিস (Myxoboliasis)
- লক্ষণ: ফুলকার উপর সাদা বা হালকা বাদামী গুটি দেখা যায়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, মাছ পানির উপর ভেসে থাকে।
- কারণ: Myxobolus নামক এককোষী পরজীবী।
- প্রতিকার: সরাসরি চিকিৎসা নেই, তবে প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগে পানির গুণমান উন্নত করে পরজীবী নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

২. পাখনা বা লেজ পঁচা রোগ
- লক্ষণ: পাখনা ও লেজে পচন, মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে।
- কারণ: Aeromonas ও Myxobacter ব্যাকটেরিয়া।
- প্রতিকার: ০.৫ পিপিএম পটাশযুক্ত পানিতে ৩–৫ মিনিট গোসল, পুকুরে চুন প্রয়োগ ও সার প্রয়োগ বন্ধ রাখা।

৩. উকুন রোগ (Fish Lice)
- লক্ষণ: মাছের গায়ে উকুন লেগে থাকে, মাছ অস্থিরভাবে ঘোরে।
- প্রতিকার: ২.৫% লবণ পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে উকুন তুলে ফেলা।

৪. পেট ফোলা রোগ
- লক্ষণ: পেট ফুলে যায়, মাছ ভারসাম্য হারায়, পানির উপর ভেসে থাকে।
- কারণ: Aeromonas ব্যাকটেরিয়া।
- প্রতিকার: ক্লোরেমফেনিকল ইনজেকশন বা খাবারের সাথে পাউডার মিশিয়ে প্রয়োগ, পুকুরে চুন প্রয়োগ।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

- পুকুর প্রস্তুতের সময় প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করুন।
- পানির গুণমান বজায় রাখুন (pH, অক্সিজেন, অ্যামোনিয়া পর্যবেক্ষণ করুন)।
- সুষম ও মানসম্মত খাদ্য দিন।
- রোগ দেখা দিলে দ্রুত আক্রান্ত মাছ আলাদা করুন।

07/07/2025

পাঙ্গাস মাছ সাধারণত সহনশীল হলেও কিছু নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত হতে পারে, বিশেষ করে যদি পানির গুণমান বা ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকে। নিচে পাঙ্গাস মাছের কিছু সাধারণ রোগ ও প্রতিকার তুলে ধরা হলো:

*সাধারণ রোগসমূহঃ

১. পাখনা ও লেজ পঁচা রোগ (Fin & Tail Rot)
- কারণ: Aeromonas ও Myxobacteria ব্যাকটেরিয়া
- লক্ষণ: পাখনা ও লেজে পচন, মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে
- প্রতিকার:
- প্রতি শতাংশে ১ কেজি চুন ও ১ কেজি লবণ প্রয়োগ
- পানির পিএইচ ও ক্ষরতা ঠিক রাখা

২. ছত্রাক রোগ (Saprolegniasis)
- কারণ: Saprolegnia প্রজাতির ছত্রাক
- লক্ষণ: শরীরে তুলার মতো ছত্রাক দেখা যায়
- প্রতিকার:
- ২৫০ ppm পরমালিন দিয়ে ডিম ধৌত করা
- আক্রান্ত মাছকে ৩-৫% ফরমালিন বা ৫% লবণ পানিতে গোসল করানো

৩. বাহ্যিক পরজীবী সংক্রমণ (Trichodina, Apiosoma)
- বিশেষত শীতকালে দেখা যায়
- লক্ষণ: মাছের গায়ে ঘষা, অস্বাভাবিক আচরণ
- প্রতিকার:
- পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট বা লবণ পানিতে গোসল
- পানির তাপমাত্রা ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ

৪. ক্ষত রোগ (Ulcerative Syndrome)
- কারণ: Aphanomyces invadans ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া
- লক্ষণ: শরীরে লাল ক্ষত, মাছ খাওয়া বন্ধ করে
- প্রতিকার:
- প্রতি শতাংশে ১ কেজি চুন ও ১ কেজি লবণ প্রয়োগ
- পানির গুণমান উন্নয়ন

*প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাঃ
- নিয়মিত পানি পরীক্ষা ও গুণমান বজায় রাখা
- অতিরিক্ত খাদ্য না দেওয়া
- পুকুরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করা
- নতুন মাছ ছাড়ার আগে কোয়ারেন্টাইন পালন

06/07/2025
06/07/2025

তেলাপিয়া মাছের রোগ চাষিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত ও প্রতিকার না করলে উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ রোগ, কারণ ও করণীয় তুলে ধরা হলো:

সাধারণ রোগের লক্ষণ
- কানকোর রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
- পেটের নিচে দাগ বা ফোলাভাব
- পিত্তথলীর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
- মাছ কুণ্ডলি আকারে ঘোরাফেরা করে
- দ্রুত মৃত্যু, বিশেষ করে ১০০–৪০০ গ্রাম ওজনের মাছের মধ্যে

সম্ভাব্য কারণ
- ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ
- পানির গুণগত মানের অবনতি (pH, অক্সিজেন, অ্যামোনিয়া)
- অতিরিক্ত মাছের ঘনত্ব
- অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ
- খাঁচা বা পুকুরে রাসায়নিক সার বা আগাছানাশকের প্রভাব

প্রতিকার ও প্রতিরোধ
- অক্সিজেন সরবরাহ: খাঁচা বা পুকুরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করুন
- ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ: মাছের ঘনত্ব কমিয়ে দিন
- খাদ্য ব্যবস্থাপনা: মাছের চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য দিন, অতিরিক্ত নয়
- পরিবেশ রক্ষণাবেক্ষণ: পানির গুণমান নিয়মিত পরীক্ষা করুন
- প্রয়োজনে ওষুধ প্রয়োগ: সঠিক রোগ নির্ণয়ের পর বিশেষজ্ঞের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন

05/07/2025

মাছ চাষে সফলতার জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) এর মাত্রা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে:

সুস্থ মাছের জন্য আদর্শ অক্সিজেন লেভেল
- প্রতি লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম (mg/L) দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকা উচিত
- ৫–৮ mg/L এর মধ্যে থাকলে মাছের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপযোগী
- ৩ mg/L এর নিচে নামলে মাছ স্ট্রেসে পড়ে, খাবি খায় বা ভেসে ওঠে
- ২ mg/L এর নিচে গেলে মাছ মারা যাওয়ার ঝুঁকি থাকে

অক্সিজেন লেভেল কমে যাওয়ার কারণ
- অতিরিক্ত খাদ্য প্রয়োগ ও পচন
- অতিরিক্ত ফাইটোপ্লাংক্টন (algal bloom)
- মেঘলা আবহাওয়া বা টানা বৃষ্টিপাত
- রাতের বেলা ফটোসিনথেসিস বন্ধ থাকায় অক্সিজেন কমে যাওয়া

সমাধান ও ব্যবস্থাপনা
- এয়ারেটর বা অক্সিজেনেশন সিস্টেম ব্যবহার করে পানিতে অক্সিজেন যোগ করা
- রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত এয়ারেটর চালানো সবচেয়ে কার্যকর
- Biofloc, RAS বা IPRS পদ্ধতিতে সার্বক্ষণিক এয়ারেটর চালানো প্রয়োজন
- গ্রীষ্মকালে দিনে ৩–৬ ঘণ্টা এয়ারেটর চালানো ভালো ফল পাওয়া যায়।
-জরুরি প্রয়োজনে অক্সিজেন বুস্টার মেডিসিন ব্যবহার করতে হবে

Address

Uttara
Dhaka

Telephone

01919112526

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fish & Feed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share