Beyond the Narrative

Beyond the Narrative Media analysis comparing sources to uncover context, bias, and truth beyond headlines!

আপাতদৃষ্টিতে এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি পজেটিভ চেঞ্জ হিসেবে দেখছে সকল শ্রেনীপেশার মানুষ।যদি সরকারী দল এবং বিরো...
14/02/2026

আপাতদৃষ্টিতে এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি পজেটিভ চেঞ্জ হিসেবে দেখছে সকল শ্রেনীপেশার মানুষ।

যদি সরকারী দল এবং বিরোধী দল পরস্পর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকতে পারে তাহলেই সামনে এগিয়ে যাবে সোনার বাংলাদেশ।



12/02/2026

২৮ টি আসনের ভোট গণনা শেষে ফলাফলঃ

জামায়াত ১৬ টি

বিএনপি ১২ টি




ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রথম ক্যান্ডিডেট হিসেবে ভূমিধ্বস বিজয় পেয়েছেন গনঅভ্যুত্থানের মুখ ক্যাপ্টেন খ্যাত হাসনাত আব্দুল...
12/02/2026

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রথম ক্যান্ডিডেট হিসেবে ভূমিধ্বস বিজয় পেয়েছেন গনঅভ্যুত্থানের মুখ ক্যাপ্টেন খ্যাত হাসনাত আব্দুল্লাহ!

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়, ১১৬ টি আসনের সবগুলো আসনে জয়ী হয়ে এক অনন্য কীর্তি গড়েছেন এই তারকা রাজনীতিবীদ!




নির্বাচনের আগে মিডিয়াগুলো সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবে পূর্বের ফ্যাসিবাদী সিস্টেম বলবত রাখার জন্যে। বাংলাদেশের সবথেকে বড় শ...
11/02/2026

নির্বাচনের আগে মিডিয়াগুলো সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবে পূর্বের ফ্যাসিবাদী সিস্টেম বলবত রাখার জন্যে।

বাংলাদেশের সবথেকে বড় শত্রুই ছিলো ঘরের মানুষ। ৭১ এর স্বাধীনতা পরবর্তী একেকটা গোষ্ঠী বারংবার আমাদের ভারতীয় করদরাজ্য বানানোর পাঁয়তারা করে কখনই উন্নত হতে দেয়নি। আর সেই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে বরাবরই মিডিয়া এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গন অগ্রগামী ছিলো।

গত দেড় বছরে নির্বাচনের আমেজ আমরা কেবল বিভিন্ন ছাত্রসংসদ নির্বাচনগুলোতেই দেখতে পেয়েছি, এবং আমরা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করার আগ পর্যন্ত জঘন্যসব উপায়ে একটা নির্দিষ্ট দলের পক্ষে নির্লজ্জ দালালী করতে দেখেছি।

আমাদের এনালাইসিস বলে জাতীয় নির্বাচনে মিডিয়া হাউজগুলো এই দালালীর লেভেলকে তারা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

প্রশ্ন হলো, কি কারন?

এমন কি হলো যে রাম-বাম-আওয়ামী-বিএনপি-চরমোনাই-হেফাজত এক হয়ে একটা নির্দিষ্ট জোটের বিরুদ্ধে লাগলো?

এই জোটের নেতাদের চলাফেরা-কথাবার্তা-লক্ষ্যের দিকে যদি আপনি লক্ষ্য করেন, স্পষ্টতই একটা স্বাধীনচেতা এবং ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী আমেজ পাবেন। এই জোটই একমাত্র জোট যারা ক্ষমতায় এলে এই রিজিওনে ভারতীয় স্বার্থকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশকে একটা স্বপ্ন দেখাতে পারবে। তাই এই জোটের বিরোধিতা করতে গিয়ে বাইতুল মুকাররমের ইমাম থেকে শুরু করে শাহবাগী স্পষ্টত নাস্তিক লাকি আক্তারের বক্তব্য একই হয়ে গিয়েছে।

ভারত জানে এই অঞ্চলে ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী কোন শক্তি ক্ষমতায় এলে আর এই দেশ খাদ্যে এবং নিরাপত্তায় স্বয়ংসম্পূর্ন হয়ে গেলে পশ্চিম বাংলাকে আর ভারতীয় তৃতীয় শ্রেনীর রাজ্য করে রাখা সম্ভব হবেনা। উত্তরের উন্নত প্রদেশগুলোতে পশ্চিম বাংলা কিংবা সেভেন সিস্টার্সের গরীব মানুষেরা তৃতীয় শ্রেনীর কাজ করতে না যেয়ে বরং নিজেরাই ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের দাবী তুলবেন। আর এই দাবী সামনে আসলে উত্তর পশ্চিম ভারতীয় শাসকগোষ্ঠীর গদি নড়ে উঠবে। আর সেটা হলেই ভারত ভাঙার দ্বারপ্রান্তে চলে আসবে স্বাভাবিক ভাবেই।

আর সেই সিকিউরিটি কনসার্ন থেকেই ভারত সারাজীবন বাংলাদেশে তাদের একটা পাপেট সরকার চায় যারা ভারতের ইশারা ছাড়া এক বিন্দুও নড়বেনা। এসব করতে একটা দেশের সাংস্কৃতিক বা মিডিয়া অঙ্গনে যেই মহামারীর মত কিট-পতঙ্গ ছড়িয়ে দিতে হয় সেটারই প্রতিফলন দেখি আমরা আমাদের দেশেরই কিছু বেঈমান মিডিয়া হাউজের কাজের মাধ্যমে।

বিএনপি যদি ভাবে তারা ক্ষমতায় আসলেই ভারত তাদেরকে আপন করে নিবে, সেটা আসলে একটা ঐতিহাসিক ভুল ধারনা, ইতিহাস এবং সম্পর্ক বলে ভারত এই দেশে আওয়ামী ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করেনা। ইভেন বর্তমানে জনতার ভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সকল এ গ্রেড নেতাকর্মীরা ভারতের আশ্রয়ে। কোনভাবে যদি আওয়ামীলীগ বিএনপির কাঁধে চড়ে এই দেশে ফেরত আসতে পারে তাহলে ভারত কোনদিনই এতদিন রেখে, খাইয়ে-পড়িয়ে-পেলে-পুষে বড় করা কুকুরটার থেকে বিএনপিকে কোনভাবেই বিশ্বাস করবেনা।

তাই এবারের ভোট এই দেশের জনগনের অস্তিত্ব রক্ষার ভোট, এবারের ভোট এই দেশের অস্তিত্ব রাখার ভোট। এবারের ভোট মিডিয়াতে সুপ্ত থাকা ভারতীয় দালালদের চিরতরে দেশ থেকে বিদেয় করার ভোট। এইবার যদি জনগন ভুল সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে এর মাশুল গুনতে হবে যুগের পর যুগ!

তাই সিদ্ধান্ত নিন, গনভোটে হ্যাঁ দিন, ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ চিরতরে বন্ধ করুন। আপনার ভোটই দেশের ভাগ্য নির্ধারনি টোকেন।





ক্ষমতায় আরোহণ পরবর্তী প্রেক্ষাপটে চরমোনাই ও হেফাজত এর মত ভিন্নমতাদর্শের দলগুলোকে জামায়াত কিভাবে সামলাবে এই বিষয়কে  দুটি ...
10/02/2026

ক্ষমতায় আরোহণ পরবর্তী প্রেক্ষাপটে চরমোনাই ও হেফাজত এর মত ভিন্নমতাদর্শের দলগুলোকে জামায়াত কিভাবে সামলাবে এই বিষয়কে দুটি আঙ্গিককে আলোচনা করা যায়।

প্রথমত, কৌশলগত মিত্রতা, আসন ভাগাভাগি ও নীতিনির্ধারণী সমঝোতার মাধ্যমে একটি কার্যকর রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা; এবং দ্বিতীয়ত, রাজপথ, মাদ্রাসা ও মসজিদকেন্দ্রিক যে ‘ভেটো-পাওয়ার’ বা তাৎক্ষণিক জনসমাগম করার সক্ষমতা এই গোষ্ঠীগুলোর রয়েছে, তাকে সংঘাতহীনভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা। এই দুই মানদণ্ডে বিচার করলে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনী ও সাংগঠনিক প্রস্তুতির দিকে অনেক দূর এগোলেও চরমোনাই ও হেফাজতের মতো সমান্তরাল ইসলামি শক্তির ব্যবস্থাপনা প্রশ্নে তাদের অবস্থান এখনও ভঙ্গুর। এর মূল কারণ—উভয় পক্ষই এখন ইসলামি রাজনীতির ময়দানে জামায়াতকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

চরমোনাইয়ের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবর্তনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৭ সালে সৈয়দ ফজলুল করিমের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এবং ২০০৬ সাল থেকে সৈয়দ রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পরিচালিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মূলত পীর-মুরিদ ভিত্তিক সামাজিক কাঠামো ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক সংমিশ্রণ। জামায়াতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো গ্রামীণ ধর্মপ্রাণ ভোটার ও কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক জনভিত্তিতে উভয় দলের লক্ষ্য অভিন্ন। ফলে চরমোনাইকে ‘সহজে বশ করা’ মানে তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয় ও দরকষাকষির ক্ষমতা বিলীন করে দেওয়া, যা তারা স্বাভাবিকভাবেই প্রতিরোধ করবে।

এই ভঙ্গুরতার স্পষ্ট প্রমাণ মেলে ২০২৬-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে চরমোনাইয়ের এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে। জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট থেকে তাদের সরে আসা ইঙ্গিত দেয় যে, জামায়াতের ‘কো-অপ্টেশন’ বা অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশলটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ক্ষমতায় গিয়ে জামায়াত যদি প্রশাসনিক কড়াকড়ির মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তবে তা দ্রুত ‘ধর্মীয় দমন-পীড়ন’ হিসেবে তকমা পেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে বুমেরাং হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

হেফাজতে ইসলামের বিষয়টি আরও জটিল। নিজেদের অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাবি করলেও তারা বর্তমানে দেশের রাজনীতির অন্যতম বড় ‘স্ট্রিট-লিভার’। ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর থেকে শুরু করে ২০২১ সালের মোদি-বিরোধী আন্দোলন প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের মোবিলাইজেশন ক্ষমতা বা জনসমাবেশ করার সামর্থ্য প্রমাণিত। যদিও রাষ্ট্রীয় ক্র্যাকডাউনের মুখে তারা বারবার সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু সংঘাত সৃষ্টির সক্ষমতা তাদের হাতেই থেকে গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দীর্ঘদিনের শাসনতান্ত্রিক দমননীতি সব ইসলামি শক্তিকে সমানভাবে আঘাত করেনি। কোনো কোনো গোষ্ঠী ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পেরেছে। জামায়াত যখন ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকবে, তখন এই ‘অসম সুযোগ’ বা স্পেসের বাস্তবতা ইসলামি ময়দানে পারস্পরিক সন্দেহ ও প্রতিযোগিতাকে আরও উসকে দেবে এবং জামায়াতের জন্য ‘ভেতরের প্রতিদ্বন্দ্বী’দের চেনা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

এখানেই হেফাজত আমীর মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাম্প্রতিক বক্তব্যটি এক গভীর রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমীকরণ তৈরি করে। জামায়াতকে ভোট দেওয়া ‘অনুমোদনযোগ্য নয়’ মর্মে তাঁর প্রকাশ্য অবস্থান সরাসরি জামায়াতের ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতা বা ‘লিজিটিমেসি’র মূলে আঘাত করেছে। জামায়াত যেখানে নিজেদের ইসলামি রাজনীতির প্রধান অংশীদার দাবি করতে চায়, সেখানে হেফাজতের মতো শক্তিশালী কেন্দ্রের এই ধর্মীয় বয়ান তাদের জন্য দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। ফলে ক্ষমতায় গিয়ে হেফাজতকে সামলানো মানে শুধু রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, বরং ধর্মীয় কর্তৃত্বের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করাও এক বিশাল পরীক্ষা।

সার্বিক বিচারে, জামায়াত নির্বাচনী কৌশল ও প্রশাসনিক ইমেজ তৈরিতে বেশি মনোযোগী হলেও চরমোনাই ও হেফাজতকে সহাবস্থানে রাখার বাস্তব রূপরেখা তাদের কাছে কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। চরমোনাই এখন জোটের বাইরে গিয়ে নিজস্ব দরকষাকষির স্পেস বাড়িয়েছে, আর হেফাজত জামায়াতকে ধর্মীয়ভাবে অগ্রহণযোগ্য ফ্রেমে ঠেলে দেওয়ার নজির দেখিয়েছে। শেষ পর্যন্ত জামায়াত কি সংঘাত এড়িয়ে সংলাপ ও আইনের মাধ্যমে এই দুই শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, নাকি প্রতিযোগিতার চাপে ইসলামি মাঠ আরও মেরুকরণের দিকে যাবে তা-ই এখন দেখার বিষয়, যা শেষ পর্যন্ত তাদের শাসনক্ষমতার স্থিতিশীলতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।





10/02/2026

এই ঘোষণা যদি এনসিপি-জামায়াত সমর্থিত কোন তৃনমূলের নেতাও দিতেন তাহলে এতক্ষনে সারাদেশের মিডিয়াতে তোলপাড় হয়ে যেত! অথচ কি আশ্চর্য, বিএনপি থেকে ৪ বারের নির্বাচিত একজন বর্ষিয়ান দুর্বৃত্তের মুখ থেকে সবার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার হুমকির পরেও শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় কিছু আইডি ছাড়া সব নিশ্চুপ!

আমাদের এনালাইসিস বলে, এটি শুধুমাত্র মঞ্জুর মুন্সির ভাষ্য না, এটিই সামগ্রিক বিএনপির ভাষ্য। তৃনমূলের বিএনপি এভাবেই জনগনকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে, এবং জনগনের ম্যান্ডেটকে ভয় পেয়ে তারা সেই পুরোনো ধর-মার-কাট রাজনীতিতেই ফিরে যেতে চায়।

স্বাধীনতার পর এইবারই প্রথম পূর্নাঙ্গ বাংলাদেশ পন্থীরা দেশটাকে এগিয়ে নেয়ার যেই সুযোগ পেয়েছে, বাংলাদেশের মিডিয়া সবসময়েই ভারতীয় পা-চাটা দালাল হয়ে দেশকে একটা ইন্ডিয়ান পাপেট হিসেবে দেখতে চেয়েছে। এবং এই চেষ্টা তারা গত কয়েক মাস ধরে সর্বোচ্চ এফোর্ট দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পন্থীদেরকে মিডিয়া থেকে ব্ল্যাক আউট করার মাধ্যমে।

এবার জনগনের হাতে সুযোগ এসেছে সকল ভয়কে জয় করে বাংলাদেশপন্থীদের পক্ষে রায় দেয়ার। এই লাস্ট সুযোগটা হেলায় নষ্ট করলে আবার দীর্ঘসময়ের জন্যে দুর্বৃত্ত আওয়ামী কবলে পড়ার চাঞ্চ আছে প্রিয় বাংলাদেশের।

ভোট হোক সকল দূর্বিত্তায়নের বিপক্ষে, ভোট হোক চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের রুখে দেয়ার অঙ্গিকারে! 💪




ভোটকেন্দ্রে কোন ভোটার মোবাইল নিতে পারবেননার সাথে সূক্ষ্মভাবে মোবাইল জার্নালিস্ট কিংবা সিটিজেন জার্নালিস্টদের অধিকার লিমি...
09/02/2026

ভোটকেন্দ্রে কোন ভোটার মোবাইল নিতে পারবেননার সাথে সূক্ষ্মভাবে মোবাইল জার্নালিস্ট কিংবা সিটিজেন জার্নালিস্টদের অধিকার লিমিট করে দেয়া হয়েছে।

এটা স্পষ্টতঃ ফ্যাসিবাদী কায়দায় কোন স্পেসিফিক দলকে ক্ষমতায় আনার নোংরা নীলনকশা।

তারেক রহমান দেশে ফেরার পর আমরা মিডিয়াগুলোকে দেখেছি, কতটা নোংরা পা লেহন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তারা একটি দলকে পোট্রে করছে এবং আরেকটি দলকে পান থেকে চুন খসলেই ব্যাশিং করছে। সকল মূল ধারার গনমাধ্যমের নোংরামীকে এতদিন ট্যাকল দিচ্ছেলেন এই মোবাইল জার্নালিস্টরা, কিন্তু ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার অধিকার খর্ব করে মূলত মোবাইল জার্নালিস্টদের হাত পা বেঁধে দেয়া হলো এবং মূল ধারার গনমাধ্যমের দ্বারা ভোটকে নিজের মত কাস্টমাইজ করার সুযোগ তৈরী করা হলো।

হাজার হাজার মানুষের রক্তের মাধ্যমে হওয়া জুলাই অভ্যুথানের ছিটেফোঁটাও আসলে দেখা যাচ্ছেনা দেশের মূল ক্ষমতার মালিক এই গোষ্ঠীর মধ্যে। ফ্যাস্টিস্ট খুনি আওয়ামী আমলেও আমরা তাদেরকে একই কাজ করতে দেখা যেত।

ইলেকশন কমিশন যদি এই ডিসিশন তুলে না নেয়, তাহলে দেশের মানুষ আরেকটা প্রহশনের নির্বাচন দেখতে যাচ্ছে এবং এই দেশের আগের সকল ব্যার্থতা ঝেড়ে ফেলার সবথেকে উৎকৃষ্ট সুযোগটি হাতছাড়া করতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গতকাল সোশ্যাল মিডিয়াতে বিএনপিকে ওপেন পলিসি ডায়লগের আমন্ত্রন জানিয়েছেন।এট...
02/02/2026

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গতকাল সোশ্যাল মিডিয়াতে বিএনপিকে ওপেন পলিসি ডায়লগের আমন্ত্রন জানিয়েছেন।

এটা বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন একটি মোড়, যদি বিএনপি এই পলিসি ডায়লগের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তাহলে বাংলাদেশ তার পূর্বের চিরচেনা নির্বাচন কেন্দ্রিক অস্থিরতা এবং মারদাঙ্গা অবস্থা থেকে ফিরে এসে একটি সুস্থ্য-প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী ক্যাম্পেইন দেখতে পারবে।

আর এমন একটা অবস্থায় উন্নীত হওয়ার মানেই হলো বাংলাদেশের একটা নতুন স্বপ্নের শুরু। বাংলাদেশের মানুষ আশায় বুক বেঁধেছে, তারা প্রতিটা রাজনৈতিক দলের দেশের জন্যে করা প্ল্যানগুলো জানতে চায়। একটা সুস্থ্য এবং সুন্দর দেশের স্বপ্ন এদেশের প্রতিটি প্রানের স্পন্দন।

#ডেজার্টফক্স

গতরাতে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমানের টুইটার একাউন্ট থেকে নারীর প্রতি খুবই আপত্তিকর একটি পোষ্ট করা হয়। পরবর্তীত...
01/02/2026

গতরাতে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমানের টুইটার একাউন্ট থেকে নারীর প্রতি খুবই আপত্তিকর একটি পোষ্ট করা হয়।

পরবর্তীতে কিছুক্ষন পরে আরেকটি পোষ্ট করে দাবী করা হয় যে উনার টুইটার একাউন্টটি হ্যাক হয়েছিলো এবং ইমিডিয়েটলি একাউন্ট রিকভারী করা হয়েছে।

কিন্তু মোষ্ট ইম্পর্ট্যান্ট ঘটনাটি হলো প্রায় ইমিডিয়েটলি ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলামের পেজ থেকে ঘটনাটি শেয়ার করে নিন্দা এবং উপযুক্ত জবাব দেয়ার পোষ্ট করা হয় এবং এর কিছুক্ষন পরেই আজ মধুর ক্যান্টিন থেকে এর এগেইন্সটে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়।

যেহেতু অনেকটা ইমিডিয়েটলিই জামায়াতের আমীরের আইডি রিকভারী করে ফেলা হয় তাই সেটার এগেইন্সটেও প্রিপারেশন হিসেবে টুইটার একাউন্ট হ্যাক পরবর্তী কত সময়ে আইডি রিকভারী সম্ভব বলে একটা পোষ্ট ব্রেইনলেস ফেসবুক ইউজারদের জন্যে মাঠে ছেড়ে দেয়া হয়।

পুরো ঘটনা ঘটা পরবর্তী বিভিন্ন সংঘবদ্ধ এক্টিভিটি এনালাইসিস করলে এই ঘটনার পেছনের ক্লিয়ার ভিশন খুবই উন্মুক্ত হয়ে পরে। আমরা ধারনা করছি এই ঘটনার পেছনে ইন্ধনদাতা হিসেবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা জড়িত।

তবে যদি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা এহেন নোংরামীতে জড়িত থেকে থাকেন তাহলে তারা নৈতিকভাবে ফ্যাসিবাদের সাথে নিজেদের আলাদা করার সকল এলিমেন্টকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে সবথেকে নোংরা পথটা বেছে নিলেন।

আমরা জনগনের ভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের আমলে দেখতাম তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন নামে এমনভাবে প্রতিপক্ষকে এমন বাজেভাবে চরিত্রহননের পথ বেছে নিতো। নারীদের প্রতি হিংস্রতা, এবং কুরুচিপূর্ণ উপস্থাপন তাদের বিভিন্ন এক্টিভিস্টদের প্রোফাইলের সবথেকে উজ্বল অলংকার।

আমরা ফ্যাসিবাদ পরবর্তী একটা সুন্দর দেশ, সুস্থ্য রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে চেয়েছিলাম কিন্তু প্রতিবারই এহেন অসভ্য-ইতর প্রজাতির কিছু চরিত্রহীনের দ্বারা কারো একাউন্ট হ্যাক করে নারীদের এমনভাবে হ্যারাসমেন্ট করে প্রতিপক্ষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার মত নোংরা রাজনীতি নিন্দনীয়।

বর্তমানে একেবারেই নতুন ভোটারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার কোটি আর সেখানে অর্ধেকের বেশী নারী ভোটার। আর এবারের নারী ভোটারদের বড় অংশই শিক্ষিত এবং জেন জি জেনারেশন তাই আগের মত চাইলেই মেয়েদের বোকা বানানো কঠিন, আশা করি এবার ১২ই ফেব্রুয়ারী এসকল কিছুর জবাব এদেশের নারী সমাজ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে।

29/01/2026

দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রচার প্রচারনা চলছে বেশ জোরেশোরে, বিভিন্ন বড় রাজনৈতিক দলগুলো উত্তেজনাপূর্ন পরিবেশে বিভাগ-জেলায়-উপজেলায় তাদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রত্যেকটি দলেরই তাদের নিজেদের এজেন্ডা, নিজেদের কর্মীবাহিনী দিয়ে পৌছে দেয়ার চেষ্টা করছে ঘরে ঘরে। নির্বাচনকালীন এজেন্ডা হিসেবে সবগুলো দলেরই একটা মূল ফোকাস থাকে নারী, যেহেতু বাংলাদেশের টোটাল জনসংখ্যার প্রায় ৫১% নারী তাই ভোটের মাঠে নারীদের ইম্প্যাক্ট ইন্টেন্স।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বেশীরভাগ পরিবারগুলোই কিছুটা আল্ট্রা কনজারভেটিভ, অধিকাংশ পরিবারের ছেলেরা ধর্মীয় বিধিবিধান না মানলেও শহর-গ্রাম সবজায়গাতেই নারীদের কিছুটা ধার্মিক-নম্র এবং পর্দানশীল হিসেবে দেখা যায়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোন যোগ করে সামাজিক অবস্থানের কারনে জামায়াত বা ইসলামপন্থী দলগুলোর প্রতি সাধারন নম্র ভদ্র নারীদের আকর্ষন একটু বেশীই থাকে।

যেটাই মূলত তৃনমুল লেভেলে কাল হয়ে দাড়িয়েছে জামায়াতের জন্যে, জনগনের ভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের যেহেতু ভোট নিয়ে অত চিন্তা ছিলোনা সুতরাং তাদের সময়ে জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগ গোপনে বৈঠক করে কিছুক্ষেত্রে সরকারের হামলা মামলার স্বীকার হলেও বর্তমানের তৃনমূল বিএনপি একেবারেই ধৈর্যের সকল বাধ ভেঙে একে একে কাপুরুষের মত বারবার হামলে পড়ছে নারীদের উপরে। একেকদিন দেশের একেক জায়গায় প্রতিনিয়ত নারী কর্মীদের উপর কাপুরোষিত হামলার পর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এবং সম্প্রতি নির্বাচনী জনসংযোগে বাধা দিতে গিয়ে এক নারী কর্মীর পেটে লাথি দেয়ার মত বর্বর ঘটনা ঘটায় এক বিএনপি কর্মী যেটাকে তথাকথিত টিনের চশমা পড়া সিলেক্টিভ নারীবাদী ভন্ডরা চোখে না দেখলেও নেটিজেনরা চরমমাত্রায় ক্ষুব্ধ!

জনগনের ভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ বিদায়ের পর লন্ডন থেকে রিমোটলি দল পরিচালনা করা বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান দেশে আসার আগ পর্যন্ত খুব ভালো ভালো বক্তব্য দেয়ার কারনে দেশের জনগন বেশ আশায় বুক বেধেছিলো, সেই সময়েও লাগামহীন চাদাবাজী করে জনগনের চক্ষুশূল হওয়া শুরু করলে দলীয় বুদ্ধিজীবীরা বলতে শুরু করেন যে, তারেক রহমান দেশে ফিরলেই দলের গলায় ঘন্টা বেধে ফেলবেন কিন্তু তার ফেরার এক মাস পার হয়ে গেলেও নিজের বেশ কিছু সমাবেশে অসংলগ্ন বক্তব্য দেয়ার পাশাপাশি তৃনমুলে দলীয় কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত এবং হয়রানীর স্বীকার জনগন চরম মাত্রায় বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করছেন।

এমতাবস্থায় জনাব তারেক রহমানের তৃনমূলের এই উদ্ধতস্বভাব এবং আচরণ অতি সত্তর লাগাম টেনে না ধরলে নারীদের প্রতি উশৃংখলার কারনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দলটির প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিতে পারে ভোটাররা।

Address

Dhaka
1204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beyond the Narrative posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share