Islamic Knowledge

Islamic Knowledge �LA ILAHA ILLALLAHU�MUHAMMADUR RASULULLAH (ﷺ)���� 🖤_MUSAFIR_🌸
(1)

03/04/2026

🌙✨
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ ﷺ
🤍 Allahumma salli ‘ala Muhammad


🌸📿
صلّى الله عليه وسلّم
🤲 Sallallahu Alaihi Wasallam
💫 যার উপর দরুদ পাঠ করা হয়, তার উপর রহমত বর্ষিত হয়

🖤🌺
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَىٰ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
✨ প্রিয় নবী ﷺ এর উপর শান্তি ও বরকত বর্ষিত হোক

02/04/2026

দোয়া কবুল হচ্ছে না?
সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষ দুইটি আয়াত পড়ে দোয়া করুন, আল্লাহ তা'য়ালার কাছে আপনি যা কিছু প্রার্থনা করবেন তা প্রদান করা হবে।🤍🌺

[ সহীহ মুসলিম ১৭৬২]

02/04/2026

অসুস্থ জেনারেশন! নাউজুবিল্লাহ 😅

SubhanAllah...
01/04/2026

SubhanAllah...

29/03/2026

হারামের বিলাসিতা দেখে আফসোস করবেন না, বরং শুকরিয়া আদায় করুন যে, আল্লাহ আপনাকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন!
আলহামদুলিল্লাহ..!❤️‍🩹

ফেরাউন মরেনিফেরাউন পানিতে ডুবে মরেছিল। কিন্তু তার বংশ টিকে আছে। আজও পৃথিবী শাসন করছে।একটু থামুন।মাথায় প্রশ্ন আসছে না?ফে...
27/03/2026

ফেরাউন মরেনি
ফেরাউন পানিতে ডুবে মরেছিল। কিন্তু তার বংশ টিকে আছে। আজও পৃথিবী শাসন করছে।
একটু থামুন।
মাথায় প্রশ্ন আসছে না?
ফেরাউন মরে গেল।
তার সাম্রাজ্য শেষ হলো।
কিন্তু তারপর?
সেই রাজবংশ কোথায় গেল?
হাজার হাজার বছর রাজত্ব করা একটা পরিবার কি হঠাৎ করে শূন্যে মিলিয়ে যায়?
ইতিহাস বলে — না।
মিশরের শেষ ফেরাউনরা উত্তরে সরে গেল।
ভূমধ্যসাগর পার হলো।
ইউরোপে পৌঁছাল।
সেখানে নতুন নামে নতুন সাম্রাজ্য গড়ল।
নাম দিল — রোমান সাম্রাজ্য।
বিশ্বাস হচ্ছে না?
একটু ভাবুন।
মিশরের ফেরাউনরা যে দেব-দেবীর পূজা করত।
রোমানরাও সেই একই দেব-দেবীর পূজা করত।
শুধু নাম বদলেছে।
মিশরে যার নাম ছিল ওসিরিস — রোমে হলো জুপিটার।
মিশরে যার নাম ছিল আইসিস — রোমে হলো জুনো।
একই মূর্তি।
একই আচার।
শুধু ভাষা আলাদা।
এরপর কী হলো?
এই রোমান সাম্রাজ্যই পরে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করল।
কিন্তু কীভাবে?
যারা ঈসা আলাইহিস সালামকে ক্রুশে দিতে চেয়েছিল — তারাই তাঁর ধর্মের পৃষ্ঠপোষক হলো?
এই ধর্মান্তরের পেছনে কী ছিল?
খাঁটি বিশ্বাস?
নাকি রাজনৈতিক কৌশল?
উত্তর পাবেন একটা জায়গায় তাকালে।
ক্যাথলিক গীর্জাগুলো।
সেখানে যান।
দেখুন কী আছে।
সূর্যের প্রতীক।
মূর্তির ছড়াছড়ি।
মেরির কোলে যীশুর মূর্তি।
কিন্তু হাজার হাজার বছর আগে মিশরেও ছিল।
মায়ের কোলে সন্তানের মূর্তি।
নাম ছিল — আইসিস আর হোরাস।
একই ছবি।
একই ভঙ্গি।
শুধু নাম বদলেছে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে ফেরাউনের কথা কেন এত বার বলেছেন?
ইতিহাস বলার জন্য?
না।
সতর্ক করার জন্য।
ফেরাউন শেষ হয়নি।
ফেরাউনের ধারা চলছে।
যুগে যুগে নাম বদলে।
রূপ বদলে।
আজকের পৃথিবীতে তাকান।
যে শক্তি পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করছে।
তাদের প্রতীকগুলো দেখুন।
পিরামিড।
চোখ।
সূর্য।
হুবহু মিশরীয়।
কাকতালীয়?
আল্লাহ তাআলা আমাদের চেনার শক্তি দিয়েছেন।
কিন্তু আমরা চোখ বন্ধ রেখেছি।
কুরআনে পড়ছি ফেরাউনের গল্প।
আর সেই ফেরাউনের উত্তরসূরির কাছেই হাত পাতছি।
ঋণ নিচ্ছি।
অস্ত্র কিনছি।
তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছি সন্তানদের।
একটা প্রশ্ন।
পৃথিবীর মানচিত্রে তাকান।
মিশর থেকে ইরাক পর্যন্ত।
এই পুরো অঞ্চলে কত বছর ধরে যুদ্ধ চলছে?
একটু গুনুন।
এই যুদ্ধ কি কখনো থামবে?
কমেন্টে আপনার মত জানান।
আল্লাহুম্মা আরিনাল হাক্কা হাক্কান — হে আল্লাহ, সত্যকে সত্য হিসেবে দেখার তাওফিক দাও।
#বিশ্বদর্শন #আহমাদরিফআত
বিশ্বদর্শন by আহমাদ রিফআত
তথ্য, গবেষণা ও রেফারেন্সে আলোকে আরও বিস্তারিত জানতে পড়তে হবে, রবিউল আওয়াল ১৪৪৮ হিজরি ইসলামি বইমেলায় প্রকাশিতব্য ‘বিশ্বদর্শন’ বইটি

27/03/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের কেউই প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেই জিনিসই ভালোবাসে, যা সে নিজের জন্য ভালোবাসে।”
রেফারেন্স:
সহীহ বুখারী, হাদীস নং 13
সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 45

27/03/2026

One advice 🌺

26/03/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে—এবং সে শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ঈমান ও তাঁর প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বাস রেখে যুদ্ধ করে—আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন অথবা সে যে সওয়াব ও গনিমত লাভ করেছে তা নিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনবেন।”❤️‍🩹

রেফারেন্স:
সহীহ বুখারী, হাদীস নং 2787

জান্নাতুল বাকিতে আম্মাজান হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর রওজা শরীফ❤️‍🩹১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সৌদের বংশ ক্ষমতা দখল করে জান্নাতুল ...
26/03/2026

জান্নাতুল বাকিতে আম্মাজান হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর রওজা শরীফ❤️‍🩹
১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সৌদের বংশ ক্ষমতা দখল করে জান্নাতুল বাকিতে মা ফাতেমা রাঃ এর রওজা সহ অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম এর মাজার ভাঙচুর করে।
এমনিভাবে জান্নাতুল মুয়াল্লা এবং সমগ্র সৌদি আরবের সকল সাহাবি ও পীর আউলিয়ার মাজার গুলো ভাঙচুর করা হয়। সর্বশেষে প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা মোবারক ভাঙচুরের পরিকল্পনা করলে মুসলিম বিশ্বের চাপে বিরত থাকে৷
সৌদের বংশ ক্ষমতা দখল করার পূর্বে সৌদির নাম ছিলো প্রিয় নবীজির দেওয়া নাম 'জাজিরাতুল আরব'।
সেই নাম পরিবর্তন করে সৌদের বংশের নামে নামকরণ করা হয় 'সৌদি আরব '।

24/03/2026

ধরেন আপনে কাউরে এত কষ্ট দিলেন, সে ভাত খাইতে বইসাও কাঁদলো,
এই ভাতের দানা গুলা আপনেরে ক্ষমা করবে ভাবসেন?
আপনে কাউরে এত কষ্ট দিলেন,সে জায়নামায ভিজায় ফেললো কেঁদে।
এই জায়নামায আপনেরে ক্ষমা করবে ভাবসেন?
কাউরে এত কষ্ট দিলেন,যে তার ভেতরটা দুমড়ায় মুচড়ায় গেলো!
সে আপনেরে ক্ষমা করলেও,তার রুহ আপনারে ক্ষমা করবে ভাবসেন?
আল্লাহ্ আপনার আমার সহায় হন। আমীন!
ইনশা'আল্লাহ্ ❤️‍🩹
কড়ায় গন্ডায় সব হিসাব এই পৃথিবীতেই মিলবে।
Every drop of tear is a debt,it has to be paid off.

শিয়া এবং সুন্নি ইসলামের প্রধান দুটি শাখা। তাদের মধ্যে মৌলিক বিশ্বাস (যেমন: এক খোদা, কুরআন এবং শেষ নবী হিসেবে হযরত মুহাম্...
24/03/2026

শিয়া এবং সুন্নি ইসলামের প্রধান দুটি শাখা। তাদের মধ্যে মৌলিক বিশ্বাস (যেমন: এক খোদা, কুরআন এবং শেষ নবী হিসেবে হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর বিশ্বাস) একই থাকলেও, মূলত ঐতিহাসিকভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রশ্ন থেকে কিছু পার্থক্য তৈরি হয়েছে।
নিচে তাদের মধ্যকার প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নেতৃত্বের ধারণা (খিলাফত বনাম ইমামত)
সুন্নি: তারা বিশ্বাস করেন যে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ইন্তেকালের পর মুসলিম উম্মাহর নেতা বা খলিফা নির্বাচনের দায়িত্ব ছিল জনগণের বা পরামর্শসভার (শূরা)। তারা প্রথম চার খলিফাকে (আবুবকর, উমর, উসমান ও আলী রা.) সঠিক পথপ্রাপ্ত বলে গণ্য করেন।
শিয়া: তারা মনে করেন যে নেতৃত্ব বা 'ইমামত' কোনো নির্বাচনের বিষয় নয়, বরং এটি ঐশীভাবে নির্ধারিত। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ ﷺ তার পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে হযরত আলী (রা.)-কে মনোনীত করে গিয়েছিলেন। শিয়ারা বংশপরম্পরায় ১২ জন ইমামের (ইসনা আশারিয়াদের ক্ষেত্রে) ওপর বিশ্বাস রাখেন।
২. ধর্মীয় উৎস ও হাদিস
সুন্নি: তারা কুরআন এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ (হাদিস) অনুসরণ করেন। তারা সকল সাহাবীর বর্ণিত হাদিসকে নির্ভরযোগ্য মনে করেন। তাদের প্রধান হাদিস গ্রন্থগুলো হলো 'সিহাহ সিত্তাহ' (যেমন: সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।
শিয়া: তারা কুরআন এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পাশাপাশি তাদের ইমামদের কথা ও কাজকেও সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত মনে করেন। তারা মূলত আহলে বায়ত (রাসুলের পরিবার) থেকে আসা হাদিসগুলো বেশি গ্রহণ করেন।
আসলে শিয়া এবং সুন্নি উভয় পক্ষই আহলে বায়াতকে (রাসুলুল্লাহ সো:-এর পরিবার) অত্যন্ত সম্মান ও মহব্বত করে। তবে পার্থক্যের মূল জায়গাটি হলো এই 'মান্য করার' ধরন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে।
বিষয়টি আরও পরিষ্কার করার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখতে পারেন
সুন্নি অবস্থান: সুন্নিরা বিশ্বাস করেন যে আহলে বায়াতকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ। তারা হযরত আলী (রা.), ফাতেমা (রা.), হাসান (রা.) এবং হোসাইন (রা.)-কে জান্নাতী এবং শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করেন। তবে তারা মনে করেন, রাসুলুল্লাহ সো: সরাসরি কাউকে তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী মনোনীত করে যাননি, বরং এটি সাহাবীদের পরামর্শের (শূরা) ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
শিয়া অবস্থান: শিয়ারা মনে করেন, আহলে বায়াতকে কেবল ভালোবাসাই যথেষ্ট নয়, বরং তারাই একমাত্র বৈধ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা (ইমাম)। তাদের মতে, রাসুলুল্লাহ সো: গাদীর-এ-খুম নামক স্থানে হযরত আলী (রা.)-কে স্পষ্ট উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেছিলেন।
এখানেই বড় একটি পার্থক্যের সৃষ্টি হয়
সুন্নি: তারা আহলে বায়াতের পাশাপাশি সকল সাহাবীকে (যেমন: আবু বকর, উমর, উসমান রা.) সমানভাবে সম্মান করেন। তারা মনে করেন, প্রথম তিন খলিফার নেতৃত্বও বৈধ ছিল।
শিয়া: তারা মনে করেন, প্রথম তিন খলিফার হাতে ক্ষমতা যাওয়ায় হযরত আলী (রা.)-এর ওপর অবিচার করা হয়েছে। এজন্য তারা কিছু সাহাবীর সমালোচনা করেন এবং মনে করেন যে প্রকৃত ইসলাম কেবল আহলে বায়াতের মাধ্যমেই এসেছে।
সুন্নিরা বিশ্বাস করেন যে রাসুলুল্লাহ সো: এর সুন্নাহ যেকোনো নির্ভরযোগ্য সাহাবীর মাধ্যমেই আসতে পারে।
শিয়ারা শুধুমাত্র আহলে বায়াত বা তাঁদের অনুসারী সাহাবীদের বর্ণিত হাদিসগুলোকেই নির্ভরযোগ্য মনে করেন।
সারকথা: > আপনি যদি "আহলে বায়াতকে মানা" বলতে তাদের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা করা বোঝান, তবে সুন্নি এবং শিয়া—উভয় দলই তা করে। কিন্তু যদি "মান্য করা" বলতে বোঝান যে কেবল তাদের বংশ থেকেই নেতা আসতে হবে, তবে সেটি শিয়া মতবাদের মূল ভিত্তি।
ইসলামের ইতিহাসে এটি এক বিশাল তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক। কোনো এক পক্ষকে "ঠিক" বলাটা নির্ভর করে আপনি কোন ঐতিহাসিক দলিল এবং ব্যাখ্যাকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করছেন তার ওপর।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category