NoT to SaY

NoT to SaY Nothing to say,nothing to do, just see the God creation and enjoy this wonderful world

 #একূল_ওকূল_দুই_কূল_হারিয়ে_আজ_রুবেল_শূন্য 😥রুবেল দাস,সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার একজন কৃষকের বড় ছেলে। নিজের মেধা,পরিশ্রম ...
06/05/2025

#একূল_ওকূল_দুই_কূল_হারিয়ে_আজ_রুবেল_শূন্য 😥
রুবেল দাস,সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার একজন কৃষকের বড় ছেলে। নিজের মেধা,পরিশ্রম আর স্বপ্নকে সঙ্গী করে কৃষি বিভাগে স্নাতক শেষ করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে,এরপর জেনেটিক্স এন্ড প্ল্যান্ট ব্রিডিং-এ স্নাতকোত্তর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান,তারপর ৯ মাসের মাথায় পুলিশে ৪০তম ক্যাডেট এসআই হিসেবে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে রাজশাহীর সারদায় মৌলিক প্রশিক্ষণে যোগদান—জীবনের প্রতিটি ধাপে ছিল সংগ্রাম,আবার আশার আলোও।

কিন্তু কোন কারণ ছাড়া,কোন তদন্ত ছাড়াই,নিয়ম না মেনেই রুবেলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কোন শোকজ,কোন তদন্ত কমিটি,কোন সাক্ষ্য কিছুই হয়নি।

এখন চাকরি নেই,মাথার ওপর পরিবার,ঋণের চাপ,ছোট ভাইদের ভবিষ্যৎ—সবকিছু যেন তার দম বন্ধ করে দিচ্ছে।

রুবেল বলছেন' আজ যদি রুবেল পুলিশে যোগ না দিতাম, অন্তত প্রাইমারির চাকরিটা থাকতো। ডাল-ভাত খেয়ে হলেও বেঁচে থাকতে পারতাম। এখন আমি একূল-ওকূল দুই কূলই হারিয়েছি'।

এই রাষ্ট্রে কি একজন পরিশ্রমী,সৎ নাগরিকের জীবনের কোনো মূল্য নেই? আমার অপরাধ কী ছিল? কে নেবে আমার পরিবারের দায়? কোথায় যাব,কার কাছে যাব?

আজকের বাংলাদেশে একটা চাকরি হারানো মানে শুধু জীবিকার নয়, সম্মান, স্বপ্ন, ও আত্মবিশ্বাস হারানোর নাম। আমি কি বিচার পাব?

*ব্রেকিং নিউজ: চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় সিসি ফুটেজের ভিত্তিতে ৫ আসামী গ্রেফতার! # সিসি ফুটেজের বিশ্লেষণ👇হ...
27/11/2024

*ব্রেকিং নিউজ:
চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় সিসি ফুটেজের ভিত্তিতে ৫ আসামী গ্রেফতার!

# সিসি ফুটেজের বিশ্লেষণ👇
হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করে পুলিশ। ফুটেজে ধরা পড়া দৃশ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পুলিশ জানায়, তাদের তৎপরতায় দ্রুত গ্রেফতার সম্ভব হয়েছে। এই মুহূর্তে ৫ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা 👇
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে চারজনের শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। অন্যদিকে, গ্রেফতারকৃত অপর ব্যক্তি ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক। তাদের রাজনৈতিক পরিচিতি হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এবং প্রেক্ষাপট নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ মামলায় কয়েকজন পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।

তথ্য সূত্র : (স্বাধীন বাংলা 24/7 news)
মূল News comment e

26/11/2024

আগে যাচাই করুন,
তারপর বিশ্বাস করুন



26/01/2024

(এমন স্ত্রী পেতে ছেলেদের ভাগ্য লাগে)💔

- হ্যালো!

- হ্যাঁ বলো।

- বলছি, তোমার কি আসতে দেরী হবে?

- না, গিন্নী! এই তো রাস্তায়! কেন? মিস করছ?

- ঢঙ্! বলছি, আসার সময় বিরিয়ানি এনো দু'প্যাকেট।

- গিন্নী, তুমি তো জানো মাসের শেষে কতটা টানাটানি থাকে! এইসময় বিরিয়ানি?!

- না মানে, শাশুড়িমা আসলে শ্বশুরমশাইকে বলছিলেন ওনার একটু বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে হয়েছে। আমায় কিছু বলেন নি, আমি সন্ধ্যেবাতি দিতে গিয়ে শুনে ফেলেছি। সত্যিই তো মানুষ দুটো কোনোদিন মুখ ফুটে কিচ্ছু বলে না। তুমি নিয়ে এসো বিরিয়ানি, প্লিজ!

- সবাই তো বুঝলাম। কিন্তু…

- কোনো কিন্তু নয়, তুমি নিয়ে এসো। মাসের বাকি কটা দিন আমি সামলে নেব। আমাদের জন্য এনো না। আমাদের জন্য রুটি আর আলুমরিচ বানাচ্ছি।

- বাবা মা টের পাবে না তো যে আমরা রুটি খাচ্ছি?! টের পেলে ওদের বিরিয়ানি খাওয়ার আনন্দটাই বিস্বাদ হয়ে যাবে গো।

- না গো, বাবা মা তো সাড়ে ন'টার মধ্যে খেয়ে শুয়ে পড়ে। আমরা তো দশটায় খাই। অসুবিধা হবে না। একবার ভাবো তো, তোমার ছোটবেলায় মাসের শেষে যখন এমন টানাটানি হত, তখন তুমি কিছু চাইলে মা, বাবা হাজার কষ্ট করেও, নিজেরা না খেয়ে হলেও সেই শখপূরণের চেষ্টা করত। আজ সেই দায়িত্ব আমাদের!

- এটা বেশ বললে! সত্যিই তো। এমনটা তো ভাবি নি। শোনো, তুমি তোমার মা'কে মানে আমার শাশুড়িকে ফোন করে দাও তো! ও বাড়িতে দুটো পার্সেল যাবে। যেন রিসিভ করে নেয়। পেমেন্ট করা থাকবে।

- ও বাড়িতে? কিসের পার্সেল?

- বিরিয়ানির। দুটো বিরিয়ানি নিচ্ছি আমার বাবা মায়ের জন্য, আর দুটো বিরিয়ানি অনলাইনে অর্ডার করে দিচ্ছি তোমার বাবা মায়ের জন্য!

- এই না না। মানে ও বাড়ির জন্য…. আসলে…

- শোনো গিন্নী, তুমি আমার বাবা মা'কে যেমন করে আগলে রেখেছ, ভালোবেসেছ, আমিও ঠিক তেমনি করেই তোমার বাবা মা'কে আগলে রাখার চেষ্টা করব। বুঝেছ?

- বুঝেছি!

- আলু মরিচটা বেশ জমিয়ে বানাও, গিন্নী। আসছি।

- এসো, তাড়াতাড়ি।
নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডিতে ফলো দিয়ে রাখুন। 👉 #অনুগল্প #সমাপ্ত

25/01/2024

২ মিনিট ধরে গল্পটা পড়ুন সময় নষ্ট হবে না।
অবশ্যই মজা পাবেন 🤗👍👍

ছাত্রঃ- :স্যার আপনাকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করব?🤔
শিক্ষকঃ-: হ্যাঁ বল।✌

ছাত্রঃ:- একটি হাতিকে ফ্রিজে কিভাবে রাখবেন?🤔
শিক্ষকঃ:- আরে বুদ্ধু হাতি অনেক বড়, ফ্রিজে হাতির জায়গা হবে না।✌

ছাত্রঃ:- স্যার ফ্রিজ অনেক বড়। প্রথমে ফ্রিজের দরজা খুলবেন তারপর হাতিকে রেখে দিবেন।😉

ছাত্রঃ:- স্যার আরেকটা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করব? 🤔
শিক্ষকঃ- হ্যাঁ অবশ্যই। ✌

ছাত্রঃ::- গাধা-কে সেই ফ্রিজে কিভাবে রাখবেন? 🤔
শিক্ষকঃ:- প্রথমে ফ্রিজ খুলব, তারপর গাধাকে রেখে দিব। ✌

ছাত্রঃ::- না ভুল উত্তর, প্রথমে দরজা খুলে ভেতরে থাকা হাতিকে বেড় করবেন, তারপর গাধাকে রাখবেন। 🥴

ছাত্রঃ:- স্যার আরেকটা প্রশ্ন করি? 🤔
শিক্ষকঃ:- হ্যাঁ হ্যাঁ কর। ✌

ছাত্রঃ:- বাঁদরের জন্মদিন। পার্টিতে সব জন্তুরাই এসেছে, কিন্তু একটি জন্তু আসেনি, সেটি কে?🤔
শিক্ষকঃ:- সিংহ হতে পারে, কারণ সিংহ আসলে সবাইকে খেয়ে নিবে।😊

ছাত্রঃ:- আবার ভুল উত্তর, গাধা আসেনি, কারণ গাধাকে আপনি আগেই ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন।😜
ছাত্রঃ:- স্যার আরেকটা প্রশ্ন করব? 🤔
শিক্ষকঃ:- (রেগে গিয়ে) হ্যাঁ 😠

ছাত্রঃ:- রাস্তায় একটি নদী আছে, নদীটিতে পারাপারের জন্য কোনো ব্রিজ বা সাঁকো নেই, আপনি কিভাবে নদীটি পার হবেন?🤔🤔
শিক্ষকঃ:- আমি নৌকা করে পার হব। 😊

ছাত্রঃ:- আবার ভুল উত্তর,এত তাড়াতাড়ি আপনি নৌকা কোথায় পেলেন?🤔
শিক্ষকঃ:- তাহলে তুইই বল কিভাবে পার হব? 🤔
ছাত্রঃ- আপনি দিব্যিসে সাঁতরে পার হবেন। ✌️
শিক্ষকঃ:- কেন, কুমির যদি খেয়ে নেয়।🤔
ছাত্রঃ:- স্যার সব জন্তুরাই তো বাঁদরের জন্মদিনের পার্টিতে।🥴😁😆😂🤣

©️

22/08/2023

ছেলেটিঃ হ্যালো!
মেয়েটিঃ এই তুমি এতো কিপটে কেনো?
কতগুলা মিসকল দিলাম ব্যাক করলে না কেনো
বলতো?
ছেলেটিঃ মোবাইলে ব্যালেন্স নেই!
মেয়েটিঃ তো ইমারজেন্সি
ব্যালেন্স এনে কল দিতে!
ছেলেটিঃ সেটাও শেষ!
মেয়েটিঃ ওহহ,সকাল থেকে কল করছি,আর এই ভর
দুপুর বেলা কল রিসিভ করলা!
ছেলেটিঃ ঘুমিয়ে ছিলাম!
মেয়েটিঃ এতক্ষণ কেউ ঘুমায়?
ওরে বিলাসিতা রে!
ছেলেটিঃ এটা বিলাসিতা না,এটা মানিব্যাগ
খালি
থাকার প্রতিক্রিয়া!
মেয়েটিঃ মানে?
ছেলেটিঃ মানে ঘুমিয়ে থাকলে ক্ষুধা লাগে না!
মেয়েটিঃ তার মানে তোমার
কাছে,"দুপুরে খাওয়ার
টাকাও নাই?
ছেলেটিঃ না তবে ম্যানেজ করে ফেলছি,২০
টাকা!
মেয়েটিঃ বিশ টাকা দিয়ে কি খাবে শুনি?
ছেলেটিঃ বিশ টাকা দিয়ে এক কাপ চা,দুইটা
কেক আর
একটা চকলেট খাবো।দোকানদার একটা ভাংতি
দিতে
পারবে তাই!
মেয়েটিঃ এগুলা খাবা তুমি?
ছেলেটিঃ খাইতেছি!
মেয়েটিঃ কোথায়?
ছেলেটিঃ টঙে বসে,সাথে বাংলা সিনেমা
ফ্রি!
মেয়েটিঃ কি সিনেমা?
ছেলেটিঃ হঠাৎ বৃষ্টি!
মেয়েটিঃ কার?
ভিন ডিজেল নাকি স্ট্যাটহামের?
ছেলেটিঃ ফেরদৌস!
মেয়েটিঃ হা হা হা হা হা!
ছেলেটিঃ হাসো কেনো?
মেয়েটিঃ এমনি,আচ্ছা একটা হেল্প করবা?
ছেলেটিঃ কি বলো?
মেয়েটিঃ তোমার ডাচ্ বাংলা এ্যাকাউন্টে
টাকা পাঠাচ্ছি।
একটা লোক কে
দিয়ে দিবা?
ছেলেটিঃ ঠিক আছে,দিয়ে দিবো!
মেয়েটিঃ ওকে,এখন বাই!
ছেলেটিঃ ঠিক আছে,বাই!
ব্যাংকে ৩০০০ টাকা আসার পর ছেলেটি
মেয়েটিকে কল দিলো....
ছেলেটিঃ হ্যালো,টাকা
আসছে,কাকে দিবো?
মেয়েটিঃ একটা রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে এক প্যাকেট
বিরিয়ানি কিনবা,কোক কিনবা আর বাকিটা
পকেটে রাখবা!
ছেলেটিঃতারপর?
মেয়েটিঃ ওগুলা খাবা!
ছেলেটিঃ তারপর?
মেয়েটিঃ তারপর হঠাৎ বৃষ্টি মুভিটা দেখবা!
ছেলেটিঃ তারপর?
মেয়েটিঃ পুরো মুভিটা শেষ হলে,মোবাইলে
রিচার্জ
করে আমাকে কল দিয়ে মুভির কাহিনী শোনাবা!
এটাই হলো প্রকৃত ভালোবাসা।

💕মন ছুঁয়ে যাওয়া নতুন নতুন গল্প পড়তে পেইজটি ফলো করে রাখুন,

22/08/2023

গল্পটি দয়া করে সবাই পড়বেন,,,,,,,

শীতকাল পড়েছে সব বন্ধু মিলে প্ল্যান করেছে ঘুরতে যাবে! চাঁদা ৫০০০ হাজার টাকা করে।

আমি হঠাৎ বলে উঠলাম,

আমার কাজ আছে রে এবার তোরা যা আমি যেতে পারবো না!

তাদের ভেতর থেকে এক বন্ধু বলে উঠলো, শালা ফকিন্নীর বাচ্চা! সব প্ল্যান নষ্ট করে দেস।

আমি মুচকি হেসে তাদের মধ্যে থেকে চলে আসলাম।

তাদের আর বললাম না,

যার বাবার সাপ্তাহিক আয় ১২৫০ টাকা, সে কিভাবে ৫০০০ হাজার টাকায় ঘুরতে যেতে পারে।

পড়াশোনা শেষ বিদায় অনুষ্ঠান করবে! এবার আর না করলাম না।

এক বন্ধুকে ডেকে নিয়ে বললাম ভাই, বিরিয়ানির প্যাকেটটা কি বাড়ি নিতে দিবি?

সে চিৎকার করে বলে উঠলো,

শালা ফকিন্নীর বাচ্চা জীবনে প্রথম কোন একটা কাজে অংশ নিলি তাও বিরিয়ানির প্যাকেট বাড়ি নিতে হবে?

আমি মুচকি হেসে চলে আসলাম। যে বাবা পুরো মাসের হাত খরচ বাঁচিয়ে বিদায় অনুষ্ঠান করার জন্য টাকা দিলো, সে বাবার সাথে সুখ ভাগ করতে না পারলে আমি আবার কিসের সন্তান।

পরীক্ষা চলে এসেছে, সব বন্ধুরা নতুন জামা কাপড় কিনে নিয়েছে।

আমি আব্বাকে বললাম,

আব্বা, আপনার গত ঈদের জুতা জোড়া আমাকে বের করে দিবেন?

আমি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছি,, আব্বা চোখের পলক ফেলছেন না! আমি আর পিছনে তাকালাম না।

আচ্ছা, পলক পড়ার সাথে কি আব্বার চোখের নোলা জল গড়িয়ে পড়বে?

পরীক্ষা শেষ! প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে!

সবাই ভিজে, ভিজে বাড়ি চলে যাচ্ছে।

আমি বাস স্টপে নামতেই দেখি আমার ১২৫০ টাকায় সাপ্তাহিক বেতনে কাজ করা বাবাটা ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

পথে যেতে যেতে আব্বাকে বললাম,

আব্বা আপনাকে একটা কথা বলবো রাখবেন?

আব্বা মুচকি হাসি দিলো।

আমি বললাম, পরের জন্মে আপনি আমার সন্তান হয়ে জন্মায়েন। এ জন্মে তো আর আপনার ঋণ শোধ করতে পারবো না! তাই পরের জন্মে সন্তান হয়ে ঋণ শোধ করে দিয়েন।

আব্বা হঠাৎ আমার হাত ধরে আমাকে থামিয়ে দিলেন। আমি চোখ ইশারায় জানতে চাইলাম কি হয়েছে?

আব্বা বললেন সামনে গর্ত পশ্চিম দিক দিয়ে চলো!

কিছু দূর যেতেই আব্বাকে আবার বললাম,

আব্বা আমি সিদ্ধান্ত বদলেছি!

আব্বা বললেন কিসের সিদ্ধান্ত?

আমি বললাম পরের জন্মে আপনাকে সন্তান বানানোর সিদ্ধান্ত!

আব্বা বললেন তাহলে কি সিদ্ধান্ত নিলে?

আমি বললাম, পরের জন্মেও আমি আপনার সন্তান হয়েই থাকতে চাই। আপনার ঋণ কখনো শোধ করতে চাই না।

এই পৃথিবীতে আপনি ছাড়া আমাকে কেউ আগলে রাখতে পারবে না।
Collect:
#তরিকুল ইসলাম

💕মন ছুঁয়ে যাও

" তোর স্ত্রী তো মেডিকেলে চান্স পেলো। কিছুদিন পর দেখবি ডাক্তারের সাথে প'রকীয়ায় জড়িয়েছে  "গ্যারেজ থেকে বাড়ি ফিরতে লোকজনের ...
12/08/2023

" তোর স্ত্রী তো মেডিকেলে চান্স পেলো। কিছুদিন পর দেখবি ডাক্তারের সাথে প'রকীয়ায় জড়িয়েছে "

গ্যারেজ থেকে বাড়ি ফিরতে লোকজনের মুখে এমন কথা শুনে আমি হতভম্ব হয়ে বাড়িতে গেলাম। আমার স্ত্রী সীতুকে বললাম

" তুমি মেডিকেলে চান্স পাইছো? "

সীতু আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো " হ্যা।ঢাকা মেডিকেলে চান্স পাইছি "

সেই রাতে আমাদের আনন্দের বাঁধ রইলো না।সারারাত বাড়িতে দু'জন মিলে নাচগান করে কাটালাম।

আমার বাসা রংপুরে।সীতুকে ঢাকায় রেখে আসতে আমার ভিষণ কষ্ট হতে লাগলো।কিন্তু উপায় নেই! সীতুকে পড়াশোনার জন্য সেখানেই থাকতে হবে।বাড়ি ফিরতেই লোকজন বলাবলি শুরু করলো

" বউকে একা ঢাকা শহরে রেখে এলি? ওই বউয়ের আশা আর নাই। মেয়ে মানুষের উপর বিশ্বাস নাই "

লোকজনের এমন কথায় আমি বিন্দুমাত্র কান দিলাম না। সীতুকে আমি বিশ্বাস করি,ভালোবাসি। ও কখনো আমাকে কষ্ট দিবে না এটা আমি মনপ্রাণে বিশ্বাস করি।

সমস্যাটা হলো কিছুদিন পরে।সীতু আমার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিলো। আমি ফোন করলে বলে ব্যস্ত আছি।আমার মনের ভেতরটা ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে।

তার তিন-চারদিনের মাথায় সীতু ফোন করে বললো

" এই কয়েকদিন অনেক ব্যস্ত ছিলাম গো।কয়েকটা টিউশনি জোগাড় করেছি। এতে আমাদের সংসার চলে যাবে।আমাদের বিয়ের জন্য তো তুমি পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে সংসার সামলাতে শুরু করলে। তুমি ঢাকায় চলে আসো।টিউশনি করিয়ে আমি সংসারের টাকা জোগাড় করতে পারবো।তুমি আবার পড়াশোনা শুরু করো।এতোদিন তুমি আমার পড়াশোনা চালিয়েছো এবার আমি তোমার পড়াশোনার খরচ চালাবো "

আমি চোখের জল মুছে বললাম " পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে তোমাকে বিয়ে করাটা ছিলো আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ এক সিদ্ধান্ত।অনেক ভালোবাসি পিচ্চি বউ "

সীতু মুচকি হেসে বললো " আমি এখন বড় হয়ে গেছি।

03/08/2023

প্রেম করে পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি এক বাবার বেদনাদায়ক চিঠি✍️📩
মা'রে!
শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না।
যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে আমার নিজের মা হারানোর ব্যাথাটা'ই ভুলে গিয়েছিলাম।
তোর মাও তোকে মা ছাড়া
অন্য নামে কখনো ডাকেনি।
বিদ্যালয়ে প্রথম দিন,
শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন।
তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে
তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম।
আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো..
তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি।
হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি...!
ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিলো,
কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি।
আমি তখন ভেতরে বসে রবের কাছে প্রার্থনা
করছিলাম আর ভাবছিলাম,
আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না।
অপরদিকে,
তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ
যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি।
আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব...!
জানিস মা তুই,
তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস.....!
কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে....
মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন ঠিকই অন্যের ঘরে চলে যাবে..
তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে,,
বাবাদের_ভালবাসা_শামুকের_খোলসের_মতো
মা-রে! বাবাদের বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা কিন্তু
খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা,
তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে।
জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে।
কিন্তু কি করবো বল________???
তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা না করেই প্রেম করিস।
কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস, সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি, কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর_প্রেমে_পরেছিলাম।
তাই এতকিছু লিখলাম।
আমি জানি মা,,, তোদের_মতো _সব_সন্তানদের_একটা_প্রশ্ন ??
বাবারা কেন তোদের ভালো লাগাটাকে সহজে মানতে চায় না।
উত্তরটা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো, তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তরটা পেয়ে যাবি..,,
তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না!

Address

Dinajpur To Dhaka Road
Dinajpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NoT to SaY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share