Your Shyon Chondro

Your Shyon Chondro Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Your Shyon Chondro, Digital creator, স্বপ্নপুরী, Dinajpur.
(1)

ইউটিউব:- Chayasarathi bangla

নতুন ভাবে ফিরছে, সাথে এক অবয়ব কে নিয়ে ।
তৈরি হচ্ছে অডিও বুকস রোমাঞ্চকর কিছু জনরা নিয়ে
শুধু সময়ের অপেক্ষা 🗣️🎧
- চোখ রাখুন - " Chayasarathi Bangla "

11/06/2025

- গল্প অডিও বুক করার প্রস্তুতি চলছে

05/06/2025

Big shout out to my newest top fans! Kamrun Nahar Koli, সুজন আহমেদ, Sanaullah Sabbir, Nafis Shahrier Abir, Jannati Js, Monira Parven

পরিবর্তনই পৃথিবীর নিয়ম 🙂🌼
04/06/2025

পরিবর্তনই পৃথিবীর নিয়ম 🙂🌼

লোমহর্ষক ভৌতিক ছোট গল্প ----নতুন ফ্ল্যাটে উঠার পর থেকেই, প্রতি রাতে দিয়া ঘুমের মধ্যে প্রায় অনুভব করে কেউ যেনো থাকে কানে ...
01/05/2025

লোমহর্ষক ভৌতিক ছোট গল্প ----

নতুন ফ্ল্যাটে উঠার পর থেকেই, প্রতি রাতে দিয়া ঘুমের মধ্যে প্রায় অনুভব করে কেউ যেনো থাকে কানে ফিস ফিস করে বলে " দিয়া উঠে এসো, বাগানে ঐ জিনিসটা নিবে না "। এমন কথা শুনে দিয়া ভয়ে আর ঘুমাতে পারে না। ব্যাপারটা তার মাকে জানায়। পরের দিন রাতে দিয়ার মা দিয়ার সঙ্গে থাকবে ব্যাপারটা আসলেই সত্যি নাকি মিথ্যে এই সত্যতা জানার জন্য। রাত যতো গভীর হয় ততোই দিয়ার রুমে অদ্ভুত রকমের বাচ্চাদের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে দিয়ার মা। এটা দেখে ভয়ে শিউরে ওঠেন। মেয়ে কে হাতে দিয়ে বার বার ধাক্কাধাক্কি করছে কিন্তু দিয়া তার কোনো সাড়াশব্দ নেই! যেনো বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। হঠাৎই ডিম লাইটের আলোতে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন দিয়ার মা, একজন বুড়ো লোক দেওয়াল ভেদ করে তাদের দিকে এগিয়ে আসছে একদম দিয়ার মার পাশে এসে দাঁড়ায়। এটা দেখে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে ধড়ফড়িয়ে উঠেন বসেন দিয়ার মা আর তখনেই দিয়ার মায়ের মাথাটা ঘুরিয়ে দেন ঐ বুড়ো লোকটা। দিয়ার মা কোনো শব্দ কিংবা চিৎকার দিবেন তার কোনোটার সময়ে হয়ে উঠেনি বরং তার আগেই ঘারটা মটকে ঘুড়িয়ে দিলো ঐ বুড়ো লোকটা।
এদিকে দিয়া ঘুমে সেই এখই কথোপকথন শুনতে পেয়ে প্রচণ্ড ভয়ে ধড়ফড়িয়ে উঠে বসে। আর তখনেই দিয়ার নজরে পরে তার মায়ের দিকে, দেখে মায়ের মাথাটা উল্টোদিকে ঘুরিয়ে আছে। ভয়ে জোরে চিৎকার দিয়ে উঠে দিয়া। ঠিক তখনেই কালো একটা ছায়া দিয়ার সামনেই দৃশ্যমান ঘটে, আর মুহূর্তের মধ্যে কালো ছায়াটা ধোঁয়াশার মতো হয়ে দিয়ার মুখে ঢুকে পড়ে। দিয়া নিজের মধ্যে থাকে না। চোখ জোড়া তার রক্তজবার মতো হয়ে ওঠে। ফর্সা শরীরটা মুহূর্তের মধ্যে কালো কুচকুচে, ভয়ংকর বীভৎস চেহারা রূপ ধারন করে। দু'হাতে দিয়া মায়ের দেহটা উঠিয়ে নিয়ে দেয়াল ভেদ করে ঢুকে পরে। পরের দিন দিয়ার রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকাতে দিয়ার বাবা সিকিউরিটি কে দিয়ে দরজাটা ভেঙে রুমে প্রবেশ করতেই তিনি ভয়ে আৎকে উঠেন। দেখেন পুরো রুমটা রক্তে মাখামাখি অবস্থা। স্ত্রী সন্তান কাউকে তিনি রুমে পাননি বরং দেয়ালে শুধু চার-পাঁচটে ছোট ছোট বাচ্চাদের রক্তাক্ত হাতের স্পর্শ দেখতে পান।

লেখাঃ Mubarak Hossain Dp
সংগৃহীত

30/04/2025
- নিজের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেললেই, জীবনের সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়। 🙂❤️‍🩹
29/04/2025

- নিজের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেললেই, জীবনের সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়।
🙂❤️‍🩹

সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই গ্রামের সবার কানে দুঃসংবাদটি পৌঁছে গেলো। দুই দিন নিখোঁজ থাকা গ্রামের সব চেয়ে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর...
23/04/2025

সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই গ্রামের সবার কানে দুঃসংবাদটি পৌঁছে গেলো।

দুই দিন নিখোঁজ থাকা গ্রামের সব চেয়ে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যাক্তি রইস উদ্দিন ওরফে বড় মিয়ার লাশ শাপলা দিঘিতে ভেসে উঠেছে। দিঘির চারপাশে শত শত লোকের ভীড়। তাদের সবার মুখে ভয় ও আতংক।

যেই বড় মিয়ার ভয়ে গ্রামবাসী তটস্থ থাকতো, যার কথার বাইরে গ্রামের কাক পক্ষীও ডাকতো না, সেই লোকটির এহেন মৃত্যু নিশ্চয়ই কোনো ভয়াবহতার আলামত। এই চিন্তায় অনেকের হাত পা কাঁপতে শুরু করলো।

গঞ্জের থানায় খবর দেয়া হয়েছিলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ চলে আসবে।

নিঝুমকান্দি গ্রামে গত ৩৬ বছরে একবারের জন্যও পুলিশ আসেনি। আসার দরকারও হয়নি। কারণ এই গ্রামে রইস উদ্দিন মিয়াই ছিলেন আদালত এবং বিচারপতি। গ্রামের সব ধরনের বিচারকার্য, মীমাংসা, কেনা-বেঁচা, বিয়ে-শাদী থেকে শুরু করে সব কিছুই রইস উদ্দিনের কথা মতো হতো।

কেউ কখনোই রইস উদ্দিনের কথার বাইরে কিংবা রায়ের বাইরে কথা বলতো না। অবশ্য কথা বলার সাহস এবং সাধ্য কারো ছিলোও না। গ্রামের অর্ধেকের বেশি জমিজমার মালিকই রইস উদ্দিন মিয়া। তিনি এই নিঝুমকান্দি গ্রামের অঘোষিত জমিদার বটে।

সকাল ৯ টার দিকে দু'জন কনস্টেবল সহ একজন পুলিশ কর্মকর্তা গাড়ি নিয়ে চলে এলেন। কর্মকর্তার নাম হেলাল। বয়স ৫০ এর কাছাকাছি। কাঁচাপাকা চুল-দাড়ি আর স্ফীত ভুড়িতে লোকটাকে অদ্ভুত লাগছিলো।

গাড়ি থেকে নেমেই লোকটা হাসি হাসিমুখে পিক করে একদলা পানের পিক ফেললো। কী অদ্ভুত!!
একটা লোক মারা গেছে, আর উনি হাসছেন!!!
এ কেমন পুলিশ?

আঙুলে লেগে থাকা চুন গুলো গাড়ির দরজায় মুছে ফেলে হাসি হাসি মুখে হেলাল সাহেব বলে উঠলেন "জন্মিলে মরিতে হইবে, এই জগতের দায়।"

সবাই অবাক হয়ে হেলাল সাহেবকে দেখছেন। হেলাল সাহেব নির্বিকার। হয়তো শত শত লাশ দেখে হেলালের এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। তার নির্দেশে দিঘির স্বচ্ছ পানি থেকে বড় মিয়ার লাশ দিঘির ঘাটে তোলা হলো।

পানিতে অনেক সময় থাকার কারণে বড় মিয়ার লাশ টা ফুলে ফেঁপে উঠেছে। দূর্গন্ধও আছে। হেলাল সাহেব নির্বিকার ভঙ্গিতে লাশ টাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলছেন।

প্রায় ৫ মিনিট পর বলে উঠলেন, "গলা টিইপ্পা মারা হইছে মনে হইতাছে। একটা কানও কাইটা নেয়া হইছে। এই কানের জন্য তো দিঘিতে আবার সার্চিং চালানো লাগবো। হয়তো যেই বেটা মারছে, সে সাথে করে কানটা নিয়েও যাইবার পারে।"

এই বলে আবার একটা পান মুখে দেন হেলাল সাহেব।

এরপর উঠে দাঁড়িয়ে গলা উঁচু করে সবাই কে উদ্দেশ্য করে বললেন, "এই গ্রাম থেকে আমার অনুমতি না নিয়া আগামী ১ মাসের মধ্যে কেউ বাইরে যাইবার পারব না। এর মধ্যে তদন্ত শেষ করুম ইনশাল্লাহ। যে ই মাইরা থাকো না কেন, এই হেলালের কাছ থাইকা বাঁচন নাই। কি কথা ক্লিয়ার?"

সবাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে হেলালের তর্জন গর্জন শুনছিলো। আর মনে মনে দোয়া ইউনুস পড়ছিলো। দুপুর নাগাদ বড় মিয়ার লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য গঞ্জে নিয়ে যাওয়া হলো।

পরের দিন বাদ আসর বড় মিয়ার জানাজা আর দাফন সম্পন্ন হলো। তার একমাত্র পুত্র সন্তান সাজ্জাদ আমেরিকা প্রবাসী। তাই সে বাবার মরা মুখটাও দেখতে পারলো না। ওই ছেলে ছাড়া বড় মিয়ার পরিবারে আপন কেউ নেই বললেই চলে৷ যদিও কর্মচারী, চাকরবাকর মিলিয়ে বড় মিয়ার বাড়িতে প্রতিদিন মোট ৫৩ জন লোক থাকতো।

ওইদিন নিঝুমকান্দি গ্রামের সন্ধ্যাটা কেমন জানি নীরব আর রহস্যময় ছিল।

"বড় মিয়ার মত ক্ষমতাশালী আর দাপুটে মানুষটাকে কে বা কারা এমন নিষ্ঠুরতার সাথে খুন করলো?" --- এই প্রশ্নই গ্রামের ছেলে-বুড়ো সবার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো।

সবাই অপেক্ষা করছিলো নতুন এক ভোরের, যেখানে এই মৃত্যুর রহস্য সমাধান করে হাসিমুখে কথা বলবেন পানখোর পুলিশ কর্মকর্তা হেলাল সাহেব।
.........চলবে.........

শাপলা_দিঘির_রহস্য
্ব
লেখা_Tariqul Islam Tariq

দৃশ্যটি এশিয়া মহাদেশেরই একটি দেশের। দেশটির নাম জাপান । সে দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ হয়। আন্তর্জাতিক খেলায় নিজ দেশ ...
17/04/2025

দৃশ্যটি এশিয়া মহাদেশেরই একটি দেশের। দেশটির নাম জাপান । সে দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ হয়। আন্তর্জাতিক খেলায় নিজ দেশ বাজেভাবে হারলেও লাথি মেরে কেউ স্টেডিয়ামের চেয়ার ভাঙ্গে না। সে দেশের প্রাইমারী লেভেলের ছাত্র-ছাত্রীদের হোমওয়ার্ক থাকে রোবট বানানো।

আমাদের দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ তো দূরের কথা, ঢাকার ঐতিহ্য বুড়িগঙ্গা নদীই মাছ চাষের জন্য অনুপযোগী। আমাদের গায়ে বীরের রক্ত টগবগ করে; সুতরাং দেশ হারলে স্টেডিয়ামের দু-চারটা চেয়ার আমরা ভাঙতেই পারি। সম্ভব হলে সাকিব তামিমকে স্টেডিয়ামে বসেই খেলা শিখিয়ে আসি আমরা।

প্রাইমারী লেভেলে আমরা হোমওয়ার্ক হিসেবে পেয়েছি হাতের লেখা সুন্দর করার দায়িত্ব। এস.এস.সি, এইস.এস.সিতে ভাগ্য খুব ভাল হলে বাড়ির কাজ হিসেবে পেয়েছি বোতলের দৈর্ঘ্য, প্রস্ত বের করার দায়িত্ব। বোতলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ মাপতে মাপতে হয়ত একদিন আমাদের মধ্যেই কেউ বোতলের আয়তন বের করা শিখবে। কিন্তু বিল গেটস, স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গের মতো কাউকে তৈরী করতে হলে
তো সেই মানের ভিত্তি চাই।

আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তি ঠিক এই জায়গাতে। আমাদের ভাল কোন ভিত্তি নেই, দিকনির্দেশনা নেই। আমরা বুয়েটে পড়ে হচ্ছি পুলিশ অফিসার, মানবিকে পড়ে হচ্ছি ব্যাংক অফিসার। পাঠ্য বিষয় এবং জবের মধ্যে যেখানে থাকসে বিস্তর ফারাক।

আমরা ঠিক জানি না কিসের জন্য আমরা হাসিমুখে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত। আমরা জানি না রাতের পর রাত, আমরা কেন পড়ার টেবিলে কাটাই।
গ্রাফ থেকে মান বের করি বা এ্যাসাইনমেন্ট তৈরী করি। আমরা ঠিক জানিনা কেন আমরা বৈমানিক হতে চাই, ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, ডাক্তার হতে চাই।
আমরা জানিনা এই বিশাল পৃথিবীতে আমাদের অবস্থানটা ঠিক কোথায়???
জানি না ঠিক কিসের জন্য আগামীদিন আমরা ঘুম থেকে উঠব!.......

আমরা চাকুরীর পরিক্ষার জন্য মুখস্ত করি জাপানের মুদ্রার নাম কি?
অথচ জানার দরকার ছিল জাপান কেন আজ পৃথিবী সেরা।
আমরা মুখস্থ করি বাঘের ডাককে কি বলে? যেখানে জানার দরকার ছিল সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় আমাদের করনীয় কী?

ইংরেজী সাহিত্যে পড়াশুনা শেষ করেও আমরা বাংলা সাহিত্যের সন্ধি মুখস্ত করতে গিয়ে মুখস্ত করি পাগল+আমি=পাগলামী।
বাংলা সাহিত্যের নিগূঢ়তম রহস্য গুলো নখদর্পণে থাকার পরেও মাস্টার্স শেষ করে আমরা মুখস্ত করি ইংলিশের পার্টস অফ স্পিস।

আমরা মুখস্ত করি কোন রাজার শালার নাম কি? ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তক কে? চাঁদ কোন দেশের উপনিবেশ ???

© সংগৃহীত

এই ছবিটা একটু আগে fb তে যখন দেখলাম, তখন কেন জানি এক সেকেন্ডের জন্য ব্রেন স্টপ হয়ে গিয়েছিলো।হয়তো আমার পুরা HSC লাইফ এইভাব...
11/04/2025

এই ছবিটা একটু আগে fb তে যখন দেখলাম, তখন কেন জানি এক সেকেন্ডের জন্য ব্রেন স্টপ হয়ে গিয়েছিলো।হয়তো আমার পুরা HSC লাইফ এইভাবেই প্রতিটা দিন কেটেছে ভেবেই ফ্ল্যাশব্যাক হয়েছিলো এক সেকেন্ডের।ছবিটার ছেলেটার ড্রেস দেখে মনে হচ্ছে নটরডেমের।যে ক্লান্ত হায়ার ম্যাথ এর S U Ahmed স্যারের বই পড়তে পড়তে।হয়ত সামনে কুইজ/পরীক্ষা তাই যাওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে পড়তে গিয়ে সুবিশাল সিলেবাস আর পরীক্ষায় ভালো না করার অনিশ্চয়তায় ক্লান্ত হয়ে কিছুক্ষণের জন্য বইটা মাথায় দিয়ে একটু বিশ্রাম নিচ্ছিলো।বা ক্লাস শেষে মেট্রোতে পরের দিনের পড়া করতে গিয়ে বইয়ের দিকে তাকিয়ে সে ভেবেছে আমার মতোই,এত Sin,Cos,Tan এর ফর্মুলার মধ্যে আমার নিজের জীবনই না হারিয়ে যায়,তবুও হয়না শেষ সিলেবাস।
To this Demian boy যার শার্টের নিচে পরা উদ্ভাসের টিশার্টে লেখা "চলো স্বপ্ন ছুঁই" এর স্বপ্ন শব্দটা দৃশ্যমান,
আশা করি আল্লাহ তোমাকে এই কষ্টের দিনগুলো পার করে তোমার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিক।
I know he'll probably never see this but still কেন জানি মনে হলো তাই মাঝরাতে এত কিছু লেখলাম!
,©Monwar Mesbah

সংগৃহীত

🥹
10/04/2025

🥹

Address

স্বপ্নপুরী
Dinajpur
PSMSHYON

Telephone

+8801885243635

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Your Shyon Chondro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Your Shyon Chondro:

Share