21/05/2026
হাবিপ্রবি শিবির সভাপতি রেজওয়ানুল হক এক ফেসবুক পোষ্টে বলেন,
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি ক্যাম্পাসকে প্রতিনিয়ত চরম সহিংসতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ঠুনকো বিষয়কে কেন্দ্র করে বারবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, ক্যাম্পাসে প্রতিনিয়ত চলছে অস্ত্রের ঝনঝনানি, রক্তাক্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এমনকি আজ একজন সম্মানিত শিক্ষকও এই সহিংসতার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত গাড়ি এবং হলের সম্পদ। এদিকে দীর্ঘসময় রাস্তা বন্ধ থাকায়, যাত্রী দূর্ভোগও ছিল তীব্র।
দুঃখজনক বিষয় হলো, এই সংঘাতগুলোর অগ্রভাগে দেখা যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি ছাত্রসংগঠনের নেতাদের। অথচ ছাত্রনেতাদের মূল দায়িত্ব ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় যেকোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা। কিন্তু তারা তা না করে উল্টো 'মব' তৈরি করছেন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে উস্কে দিচ্ছেন। ছাত্রনেতাদের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের আরও অনেক বেশি দায়িত্ববান হওয়া উচিত।
সবচেয়ে কনসার্নিং হচ্ছে- এখনো নিষিদ্ধ সংগঠনের কিছু 'প্রেতাত্মা' ক্যাম্পাসে সক্রিয় রয়েছে, যারা পরিকল্পিতভাবে এই সংঘাতগুলো জিইয়ে রাখছে। যারা পেছন থেকে এই উস্কানি দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলব, একটু অতীতে ফিরে তাকান এবং নিজেদের পরিণতির কথা চিন্তা করুন।
প্রশাসন অতিদ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করলে, ক্যাম্পাসে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কখনোই বন্ধ হবে না। অবিলম্বে ক্যাম্পাসে শান্তি ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা দাবি করছি।