16/07/2024
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে তৎকালীন পাকিস্তানি সরকারের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন করেছিল, যুদ্ধ করেছিল তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা। আর যারা তৎকালীন সরকারকে(পাকিস্তানি) সহায়তা করেছিল এবং মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করেছিল তারাই রাজাকার।
তাহলে আজ স্বাধীনতার প্রায় ৫৩ বছর পর কোটা সংস্কার আন্দোলনের আন্দোলনকারীদের উপর যারা হামলা করছে রাজাকার তো তারাই।
হামলাকারীরা কোন প্রশাসনের লোক.....? তাদের এই হামলা দ্বায়িত্ব দিল কে বা কারা.....? এই হামলা কি রাষ্ট্রের আইনানুযায়ী বৈধ.....?
এরা কারা, যারা কিনা প্রসাশনের লোকের সামনেই আইন হাতে তুলে নিচ্ছে তাহলে কি ঐ সকল লাঠিয়াল বাহিনির কাছে সাধারণ মানুষ তো বটেই প্রসাশনও জিম্মি.....?
বাংলাদেশে একজন খারাপ মানুষ ও পাওয়া যাবে না যে কিনা একজন মুক্তিযোদ্ধা কে সন্মান করে না।অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের আসল হিরো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যে আন্দোলন করছে সেটা সবার কাছে গ্রহনযোগ্য নাও হতে পারে কিন্তু তার মানে কি তাঁরা রাজাকার....? কারো মতের মিল না হলেই কি সে রাজাকার....? ভুলে গেলে চলবেনা, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু এই ছাত্রসমাজের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যে আন্দোলন করছে সে আন্দোলনে আপনি আশ্বাস দিতে পারতেন তাদের সাথে বসতে পারতেন।
যারা আন্দোলন করছে তারা কি এদেশের সন্তান নয়....?
আপনিই কি তাদের অভিভাবক নও.....? আপনি তাদেট পাশে না দারালে তারা কর কাছে যাবে, কে তাদের আশ্বাস দিবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আপনি তাদের সাথে অভিভাবকসুলভ আচরন তো করলেন ই না তাদের পরোক্ষভাবে রাজাকার বানিয়ে দিলেন। এদেশে মেধার মূল্যায়ন না হওয়ার কারনে বছরে হাজার হাজার মেধাবী বিদেশে পারি জমায়।এই অপসংস্কৃতি যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে দেশের মেধাবী তরুন সমাজ দেশ নিয়ে কোন চিন্তা করবে না। এক সময় দেশ মেধা শুন্য হয়ে যাবে। পাকিস্তান যেভাবে বাংলাদেশকে মেধা শুন্য করার জন্য রাতের আধারে এদেশের মেধাবীদের উপর আক্রমণ করেছিল ঠিক তেমনি ভাবে আমরা নিজেরাই নিজেদের মেধাবী শুন্য একটা জাতি উপহার দেওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করছি।
কাজেই, সময় থাকতে এ বিষয় নিয়ে চিন্তা করুন।
কারন, সময় গেলে সাধন হবে না.......