DEAR BABU

DEAR BABU Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DEAR BABU, Sadarpur, Faridpur.

বিএনপির তথাকথিত অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা এখন প্রকাশ্যে গণভোটের বিপক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। এরাই মূলত বিএনপিকে জনগণ থেকে বিচ...
30/10/2025

বিএনপির তথাকথিত অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা এখন প্রকাশ্যে গণভোটের বিপক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। এরাই মূলত বিএনপিকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করার কাজটি অত্যন্ত সচেতনভাবে করে যাচ্ছে।

বিএনপি অবশেষে ‘না’ থেকে ‘হ্যাঁ’-এর পথে আসবে, কিন্তু তখন পর্যন্ত যা ক্ষতি হওয়ার, তা হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের মানুষ এখন কাঠামোগত পরিবর্তন চায় — কারণ গালভরা বুলি, আবেগময় বক্তৃতা আর ফাঁকা প্রতিশ্রুতি আমরা গত ৫৪ বছরে অনেক শুনেছি।

আমরা কোনো রাজনৈতিক ভণ্ডামিকে বিশ্বাস করি না। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা নিজেদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা হারিয়েছেন।

28/10/2025

অর্থ নেই মানে — স্বপ্নও ব্যয়বহুল,
হাসিও কিস্তিতে আসে,
জীবনটা যেন এক অসমাপ্ত বিল!

28/10/2025

দেশে দুই দলই শান্তিতে আছে —
এক দল বলে “আমরাই আসবো”,
আরেক দল বলে “ওরা যাইবে না!” 😅

16/10/2025

বুঝি না রে পোলাপান! 😤
সারাদিন ফেসবুকে “English” এ পোস্ট দেয়,
মুখে সারাক্ষণ — “Yo bro, what’s up? fr fr!!” 😎

কিন্তু রেজাল্টে দেখি ইংরেজিতেই সর্বনাশ! 💀
এত English English করতে গিয়া
শেষে বোর্ডেই লিখছে — “I am fail ☠️” 🤣

আর যারা একটা প্যারাগ্রাফ টেকনিক আর একটা অ্যাপ্লিকেশন টেকনিক করে পাশ করছ —
তোমাদের অভিনন্দন! 🎉

01/10/2025

“সারা জীবন আয়না মুছে গেলাম, ভেবেছিলাম আয়নাই দোষী।
শেষে বুঝলাম—ধুলো তো আয়নায় নয়, ছিল আমারই চেহারায়।
বাহিরকে বদলাতে বদলাতে ভিতরের ধুলো মুছতে ভুলে গেছি…”

ইন্টারিম সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যতের শিক্ষাসকল ব্যাংককে দেউলিয়ার হাত থেকে রক্ষা করাই ছিল বর্তমান ইন্টারিম সরকারের সবচেয়ে ...
01/10/2025

ইন্টারিম সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যতের শিক্ষা

সকল ব্যাংককে দেউলিয়ার হাত থেকে রক্ষা করাই ছিল বর্তমান ইন্টারিম সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও টালমাটাল রাষ্ট্রকে অন্তত তারা দাঁড়িয়ে রাখার চেষ্টা করেছে, যার ফলে সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধ এড়ানো গেছে। অনেকে হয়তো ইউনূস সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দেয়, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে।

কারণ, এই সরকারের সামনে যে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ ছিল—অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক বিভাজন, দুর্নীতির গভীর শিকড়, এবং জনগণের অসহযোগিতা—সেগুলো উপেক্ষা করে কোনো সরকারই প্রত্যাশার শিখরে উঠতে পারে না। প্রত্যাশা নিঃসন্দেহে ছিল অনেক, কিন্তু বাস্তবতা ছিল তার থেকেও কঠিন।

যে দেশে জনগণ নানাভাবে বিভক্ত, রাজনৈতিক দলে দলে টানাপোড়েন প্রবল, সেখানে ফেরেশতা নেমে এলেও রাষ্ট্র পরিচালনা করা সহজ নয়। স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর চাপ, জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সত্ত্বেও ইন্টারিম সরকার যেভাবে দাঁড়িয়ে আছে—তা বিস্ময় ছাড়া আর কিছু নয়। আজ হয়তো অনেকে তাদের অবদান বুঝতে পারছে না, কিন্তু যখন তারা চলে যাবে, তখনই টের পাওয়া যাবে প্রতিকূলতার মাঝেও দাঁড়িয়ে থাকার মূল্য।

বিপ্লবের সম্ভাবনা ও ২০২৪-এর শিক্ষা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যে আন্দোলন ও বিপ্লবের ফলশ্রুতি সবসময় প্রত্যাশিত হয় না। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ জাতিকে স্বাধীনতা দিয়েছে, কিন্তু তার পরবর্তী সামরিক অভ্যুত্থান, স্বৈরশাসন এবং বারবারের রাজনৈতিক সংঘাত দেশকে বারবার পেছনে ঠেলে দিয়েছে।

২০২৪ সালের অভিজ্ঞতা থেকে জনগণ নতুন শিক্ষা নিয়েছে। তখনকার আন্দোলনে যারা জুলাই মাসে যোদ্ধার মতো রাস্তায় নেমেছিল, তারাও দেখেছে—অস্থিরতা ও রক্তক্ষয় কেবল ধ্বংস ডেকে আনে, উন্নতি নয়। তাই ভবিষ্যতে হয়তো আর কোনোদিন তারা এ ধরনের বিপ্লবে অংশগ্রহণ করবে না।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশে আর কোনোদিন বড় ধরনের বিপ্লব হবে না। জনগণ বুঝে গেছে—রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়ার পথ হলো প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, নীতিকে স্থিতিশীল করা, আর রাজনৈতিক নেতৃত্বকে জবাবদিহির মধ্যে আনা। সশস্ত্র সংঘর্ষ বা হঠাৎ উত্থান–পতনের মধ্যে নয়।

ইন্টারিম সরকারকে নিছক ব্যর্থ বলে দাগিয়ে দেওয়া তাই ন্যায্য নয়। বাস্তবতার কঠিন মাটিতে দাঁড়িয়ে তারা অন্তত রাষ্ট্রটিকে টিকিয়ে রেখেছে। এটি হয়তো চোখে পড়ছে না এখন, কিন্তু ইতিহাস একদিন তাদের এই ভূমিকার মূল্যায়ন করবে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—অরাজকতা নয়, স্থিতিশীলতা; বিপ্লব নয়, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারই রাষ্ট্রকে বাঁচাতে পারে।

**“বাংলাদেশের অর্ধশতাব্দীর ইতিহাসে ফখরুদ্দিনের শাসন এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়। তাঁর স্বল্পকালীন ক্ষমতার সময়ে মানুষ অন্যায় করা...
28/09/2025

**“বাংলাদেশের অর্ধশতাব্দীর ইতিহাসে ফখরুদ্দিনের শাসন এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়। তাঁর স্বল্পকালীন ক্ষমতার সময়ে মানুষ অন্যায় করার আগে অন্তত তিনবার ভেবেছিল, দুর্নীতিবাজদের মুখ শুকিয়ে গিয়েছিল। তিনি যেন এক মুহূর্তের জন্য হলেও এই জাতিকে আয়না দেখিয়েছিলেন—কেমন হতে পারত এই দেশ, যদি লোভ আর দুর্নীতিকে শিকল পরানো যেত।

তাঁর আগমন ছিল এক কঠোর বার্তা: ক্ষমতার জৌলুস নয়, বরং ন্যায়ের ভীতি মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। রাজনীতিবিদরা কসম করেছিল, মুচলেকা দিয়েছিল, প্রতিজ্ঞা করেছিল—কখনো আর অন্যায় করবে না। অনেকে কাবার শপথ করে সৎ হওয়ার অঙ্গীকার করেছিল। সাধারণ মানুষও তাঁর জন্য দোয়া করেছিল, কারণ তারা প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রে শৃঙ্খলার আভাস পেয়েছিল।

কিন্তু বিদায়ের পর ইতিহাস আবার আগের গতিতে ফিরে যায়। প্রতিশ্রুতিগুলো ভঙ্গ হয়, শপথগুলো বিস্মৃত হয়। দুর্নীতি ও অবিচার আবার সমাজের শিরায় রক্তের মতো প্রবাহিত হতে থাকে। যেন সত্যের শাসন কেবল এক ক্ষণিকের ঝলকানি ছিল, আর তারপর আবার অন্ধকার নেমে এলো।

ফখরুদ্দিনের সময়কাল তাই শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায় নয়—এটি আমাদের সামষ্টিক ব্যর্থতার আয়না। আমরা দেখেছিলাম, পরিবর্তন সম্ভব; কিন্তু আমরা সেই পরিবর্তনকে ধরে রাখতে পারিনি। তাই প্রশ্ন থেকে যায়—আমরা কি আসলেই পরিবর্তন চাই, নাকি সাময়িক ভয়ের পর আবার পুরনো অভ্যাসেই ফিরে যাই? হয়তো এ দেশের মানুষকে এই দুষ্টচক্রে ঘুরতেই হবে, কিয়ামত পর্যন্ত।”**

জীবন সুন্দর, সহজ,শুধু বাঁচতে জানতে হয়, যে কোনো শোক তিন থেকে চারদিন থাকে তারপর সবই অভ্যেস....ভালোবাসা যেমন অভ্যাসের মতো, ...
22/09/2025

জীবন সুন্দর, সহজ,শুধু বাঁচতে জানতে হয়, যে কোনো শোক তিন থেকে চারদিন থাকে তারপর সবই অভ্যেস....
ভালোবাসা যেমন অভ্যাসের মতো, তেমনই শোক দুঃখ ব্যথাকেও অভ্যাস করে ফেলতে হয় তাহলেই মানুষ আবার ফিরে পাওয়ার একটা লড়াই শুরু করতে পারে।

18/09/2025

আমে*রিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল ব্রিটেনের সাথে কিন্তু স্বাধীনতার পর আমেরিকা আর ব্রিটেনের মধ্যে যেই বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তা আজও বিদ্যমান।

যেই জার্মানিকে আমে*রিকা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় বো*মা মেরে তামা তামা বানিয়ে ফেলেছিল তারাই এখন আমে*রিকার অন্যতম মিত্র দেশ।

দুই দেশের মধ্যে ডিফেন্স প্যাক্ট আয়রন ক্ল্যাড। এসব যুদ্ধের জন্য ব্রিটেন যেমন কোনোদিন আমেরিকার কাছে ক্ষমা চায়নি, আমে*রিকাও তেমন জার্মানির কাছে ক্ষমা চায়নি।

ঠিক জাপানের ক্ষেত্রেও সেইম

যেই জাপানে আমেরিকা দুই পারমাণবিক মেরে লক্ষ লক্ষ মানুষ মেরে ফেলছে সেই জাপানের সাথে আমে*রিকার সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো।

এদিকে জাত ভাই, প্রকৃত বন্ধু পাকিস্তানকে সৌদি চিনতে পারলেও বাংলাদেশ চিনতে পারে নাই।

সৌদি পাকিস্তানের সাথে যুগের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তিটা করছে। এই চুক্তি ইস*রায়েলকে থ্রেড হিসেবে যথেষ্ট কাজ করবে।

মানে সৌদি কিংবা পাকিস্তানে কেউ হামলা করলে সৌদি-পাকিস্তান যৌথভাবে সেই দেশকে হামলা করবে।

কিন্তু বাংলাদেশ কেন পাকিস্তানকে
চিনতে পারে নাই?

হিসাব সুজা , বাঙালি দিল্লির দাসত্ব ছাড়তে রাজি না!

তাছাড়া বাঙালির কাছে ৭১ চেতনা গুরুত্বপূর্ণ!
আর এই চেতনাও দিল্লির ন্যারেটিভ।

তাছাড়া বাংলাদেশ যদি দেশের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতো তাহলে পাকিস্তানকে কাছে টানতো!

তবে অপেক্ষা করেন ,আগামী বিশ্ব নেতৃত্ব দিবে এশিয়ার দেশ পাকিস্তান,ইরান,চীন, তুরস্কসহ মিডেলইস্টের কয়েকটা দেশ।

সবচেয়ে বড় একটা ধর্ম যুদ্ধও হতে পারে ভারত,ইস*রায়েলের সাথে।

অলরেডি ই*রায়েল তুরস্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।
কারণ তারা সাইপ্রাসকে অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে!

এদিকে কাতারে হামলা করছে, সিরিয়ার জেলনি বিড়া*লটার সাথে ইস*রায়েল শান্তি চুক্তি করছে।

মানে সিরিয়া এখন ইস*রায়েলের নিয়ন্ত্রণে।

ইয়েমেন, লেবানন ,ইরান ,ইরাক,প্যালেস্টাইনে তো হামলা দুদিন পরপরই করছে।

তাদের এখন টার্গেট হবে ইরান,পাকিস্তান, সৌদি,তুরস্ককে দুর্বল করা।

এদিকে ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানের সাথে লাগতে যাবে না।

কারণ পাকিস্তান এখন অর্থনীতি দিয়ে এগিয়ে যাবে।

সামরিক শক্তি দিয়ে তো এশিয়ার মধ্যে চীনের পরের অবস্থানে।

তবে বাংলাদেশের উচিত,পূর্বের শত্রুতা ভুলে গিয়ে পাকিস্তানের সাথে ভালো সম্পর্ক করা ,জাস্ট থ্রেড হিসেবে।

তবে দিল্লি পাকিস্তান প্রশ্নে আমি সবসময় পাকিস্তানের পক্ষে।

কারণ যে পাকিস্তানকে শেখ মুজিব,জিয়াউর রহমান ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখছে।

সেখানে আমি ঘৃণা চোখে দেখার প্রশ্নই আসে না!!!

কোর’আন বোঝার ব্যর্থতা, ইসলাম বোঝার ব্যর্থতা........যে কোর'আন পড়ে মানুষ হাফেজ হয়, মাওলানা হয়, মোফাসসের হয়, সেই কোর'আন পড়ে...
18/09/2025

কোর’আন বোঝার ব্যর্থতা, ইসলাম বোঝার ব্যর্থতা........যে কোর'আন পড়ে মানুষ হাফেজ হয়, মাওলানা হয়, মোফাসসের হয়, সেই কোর'আন পড়েই মানুষ নাস্তিক হয়, ইসলামবিদ্বেষীও হয়। যে কোর'আন পড়ে মানুষ সুন্নি হয়, সেই কোর'আন পড়েই মানুষ শিয়া হয়। যে কোর'আন পড়ে মানুষ সুফি হয়, সেই কোর'আন পড়েই মানুষ জঙ্গি হয়। যে কোর'আন পড়ে মানুষ জামাতে ইসলামী হয়, সেই কোর'আন পড়েই মানুষ চরমোনাই হয়। যে কোর'আন পড়ে মানুষ আইএস হয়, সেই কোর'আন পড়েই মানুষ আল কায়েদা হয়। যে কোর'আন পড়ে মানুষ মডারেট মুসলিম হয়, সেই কোর'আন পড়েই মানুষ মৌলবাদী মুসলিম হয়।
সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায়, কোর'আন যদি শিয়া মাজহাবকে সমর্থন করে তাহলে সুন্নি মাজহাব পথভ্রষ্ট। একইভাবে কোর'আন সুফিবাদকে সমর্থন করলে জঙ্গিবাদ পথভ্রষ্ট, জঙ্গিবাদকে সমর্থন করলে সুফিবাদ পথভ্রষ্ট। কোর'আন মতে জামাতে ইসলামী সঠিক হল চরমোনাই পীরের দল পথভ্রষ্ট। কওমী মাদ্রাসা সঠিক হলে আলেয়া মাদ্রাসা পথভ্রষ্ট। আইএস প্রকৃত জেহাদী হলে আল কায়েদা পথভ্রষ্ট, আল কায়েদা প্রকৃত জেহাদী হলে আইএস পথভ্রষ্ট। মডারেট মুসলিমরা সঠিক পথে থাকলে মৌলবাদীরা ইসলামে নেই, মৌলবাদীরা ইসলামে থাকলে মডারেটরা ইসলামে নেই।
কিন্তু আমরা জানি, প্রতিটি ফেরকা-মাজহাব থেকে দল-উপদল, জনগোষ্ঠী- সকলেই নিজেদের স্বপক্ষে কমবেশি কোর'আনের আয়াত উপস্থাপন করতে সক্ষম। তার মানে কি কোর'আন মতে সকলেই সঠিক পথে আছে? কখনই না।
আসলে তারা কেউই প্রকৃত অর্থে কোর'আনের ধারক নয়। কোর'আন বুঝতে হলে ইসলাম সম্পর্কে যে সামগ্রিক ধারণা (আকীদা) থাকা লাগে, তা তাদের নেই। অন্ধের হাতি দেখার গল্প আমরা সকলেই জানি। তাদের অবস্থা ওই অন্ধদের মতো। যে হাতির পা ধরেছে, সে ভাবছে হাতি খাম্বার মতো, যে লেজ ধরেছে সে ভাবছে রশির মতো, যে কান ধরেছে সে ভাবছে কুলার মতো। সকলেই নিজেদের হাত দিয়ে স্পর্শ করেই কিন্তু কথাগুলো বলছে এবং তাদের অবস্থান থেকে তারা যে সিদ্ধান্ত দিচ্ছে তা মিথ্যে নয়। কিন্তু এও তো বিশ্বাসযোগ্য নয় যে, হাতি একইসাথে দেখতে খাম্বার মতো, রশির মতো ও কুলার মতো।
মুসলিমদের অবস্থা হয়েছে তেমন। তারা কোর'আন থেকেই নিজেদের স্বপক্ষে রেফারেন্স দিচ্ছেন, আপাতদৃষ্টে তাদের কথাকে মিথ্যা বলার কোনোই যৌক্তিকতা নেই, কিন্তু সম্পূর্ণ হাতিকে যিনি এক দৃষ্টিতে দেখতে সক্ষম, ইসলাম সম্পর্কে যার সম্যক ধারণা আছে, তিনি জানেন- যদিও সকলেই নিজেদেরকে খাটি ইসলামী ভেবে আত্মপ্রসাদ লাভ করছে, প্রকৃতপক্ষে তারা কেউই সঠিক পথে নেই, কারণ ইসলাম সম্পর্কে তাদের কোনো সম্যক ধারণাই নেই।
অনেকে বলবেন- এত বড় কথা! ইসলামের এত বড় পণ্ডিত হয়ে গেছো যে, সমগ্র মুসলিম জাতিকে আকীদা শেখাচ্ছো? কোন মাদ্রাসায় পড়েছো? কয় পারা কোর'আন মুখস্থ? তাদের জন্য বলে রাখি- আমি নিজেকে পণ্ডিত দাবি করি না, আমার জ্ঞানের যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা আছে এবং আমি কখনও মাদ্রাসায় পড়ি নি। তথাপি আমি যা বলছি তা সম্পূর্ণ সত্য বলছি, যা চোখে দেখা বস্তুর মতো সত্য।
লাল রং দেখতে কেমন? আপনি যদি জীবনেও লাল রং না দেখে থাকেন তাহলে এ প্রশ্নের উত্তর কোন বই-পুস্তক পড়েই শিখতে পারবেন না। যত বড়ই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুন তারা আপনাকে লাল রং বলে বোঝাতে পারবে না, লিখে বোঝাতে পারবে না। আপনি লাল রং এর উপর পি.এইচ.ডি করে বের হবেন কিন্তু যেহেতু আপনি জীবনে কখনও লাল রং দেখেন নি, তাই তখনও যদি আপনাকে লাল রং দেখানো হয়, আপনি চিনবেন না। অন্যদিকে যে ব্যক্তি লাল রং দেখেছে, সে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না পড়েই লাল রং চিনতে পারবে।
পাহাড় দেখার জন্য খালি চোখই যথেষ্ট, যদি সে চোখে দৃষ্টিশক্তি থাকে। কেউ যদি পাহাড় দেখার জন্য বিবর্ধক কাচ নিয়ে পাহাড়ের গায়ে ঠেকিয়ে দেখার চেষ্টা করে, সে যে দৃশ্য পাবে তাকে পাহাড় বলা যায় না। কারণ, তখন পাহাড়ের গাযের অতি ক্ষুদ্র বালুকণা বৃহৎ আকারে দেখা যাবে, ওই বালুকণাকেই মনে হবে সুউচ্চ পাহাড়। প্রকৃত পাহাড় তার দৃষ্টির ধারণক্ষমতার বাইরেই থেকে যাবে। সে পাহাড়ের সবচেয়ে কাছে গিয়েও পাহাড় দেখার স্বাদ থেকে বঞ্চিত হবে। আমাদের আলেম-মাওলানা ও ইসলামের পণ্ডিতরা খালি চোখে পাহাড় দেখা ছেড়েছেন হাজার বছর আগেই। তারা এখন আধুনিক থেকে আধুনিকতম বিবর্ধক কাচ ব্যবহার করে পাহাড় দেখার প্রতিযোগিতা চালাচ্ছেন। বালুকণাকেই পাহাড় ভেবে আত্মপ্রসাদ লাভ করছেন।
আল্লাহর অসীম করুণা যে, তিনি আমার চোখের সামনে থেকে বিবর্ধক কাচ সরিয়ে খালি চোখে ইসলাম দেখার সুযোগ দিয়েছেন।

Address

Sadarpur
Faridpur
7820

Telephone

+8801874106106

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DEAR BABU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DEAR BABU:

Share