19/08/2023
সৃজনশীল পেশা ডিজিটাল ক্রিয়েটর
এ সময়ের জনপ্রিয় ও স্বাধীন পেশা হলো ডিজিটাল ক্রিয়েটর। এ পেশায় যোগ দেওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ফ্যাশন, সৌন্দর্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে গেমিং, শিল্প, ভিডিও, সংগীত, নকশা, এমনকি খাবার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল ক্রিয়েটর আছেন। কিন্তু ডিজিটাল ক্রিয়েটর বা কনটেন্ট ক্রিয়েটর মানে কী? বা কীভাবে একজন ডিজিটাল ক্রিয়েটর হওয়া যায়?
আপনি যখন ফেইসবুক বা টুইটারে স্ক্রোল করেন তখন অনেক ভিডিও সামনে আসে। আবার ইউটিউবে কিছু সার্চ করলেই অনেক চ্যানেল কিংবা ভিডিও পেয়ে যান। সহজ ভাষায় এসব ভিডিও কনটেন্ট যারা তৈরি করেন তারাই ডিজিটাল ক্রিয়েটর। ইন্টারনেটের কল্যাণে নিজেই নিজেদের সৃজনশীল দিক নিয়ে কনটেন্ট বানাচ্ছেন। আর এসব কনটেন্ট বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে উপার্জন করছেন।
ডিজিটাল ক্রিয়েটর ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ডিজিটাল ক্রিয়েটরের মধ্যে সামান্য পার্থক্য আছে। ক্রিয়েটর হলো এমন ব্যক্তি যারা কোনো পণ্য, ব্র্যান্ড বা পরিষেবা নিয়ে মিডিয়া, বিশেষত ডিজিটাল মিডিয়াতে প্রচারের কনটেন্ট তৈরি করে। পার্থক্য হলো ডিজিটাল ক্রিয়েটররা তাদের কনটেন্ট ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব বা টিকটকের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে। অন্যদিকে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিনের মতো অনলাইন ও অফলাইন মিডিয়ার জন্য কনটেন্ট লেখেন। পার্থক্য যাই হোক উভয়ের কাজ হলো কনটেন্ট তৈরি করা।
আপনি যত বেশি কনটেন্ট বানাবেন তত বেশি ভিজিটর পাবেন। আপনি যদি সেরা ক্রিয়েটর হতে চান তাহলে অবশ্যই নিয়মিতভাবে কনটেন্ট বানাতে হবে। হয়তো এটি স্বাধীন পেশা, কিন্তু তার মানে এই নয়- আপনার অনেক অবসর থাকবে। ফলোয়ারদের চোখের আড়াল না হয়ে নিয়মিত কনটেন্ট দিয়ে তাদের সঙ্গে থাকতে হবে।