Sirat Nama

Sirat Nama Islamic Story video

দু'আ  কবুলের বিশেষ সময়:বিশেষভাবে যে সময়ে দোয়া কবুল হয়, সেগুলো হল-১. শবে কদর বা লাইলাতুল কদর (রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড়...
09/04/2026

দু'আ কবুলের বিশেষ সময়:

বিশেষভাবে যে সময়ে দোয়া কবুল হয়, সেগুলো হল-

১. শবে কদর বা লাইলাতুল কদর (রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক-অর্থাৎ একুশ তেইশ পচিশ সাতাশ ও উনত্রিশের রাত্রি; তন্মধ্যে একুশ ও সাতাশের রাত্রি আরও অধিক সম্ভাবনাময়)। (হাকেম)

২. আরাফার পুরো দিন (অর্থাৎ জিলহজ মাসের নয় তারিখ)। (তিরমিদি

৩. (পুরো) রমজান মাস। (বাযযার)

৪. জুমার রাত (বৃহস্পতি বার ও শুক্রবারের মধ্যবর্তী রাত)। (নবুল সর

৫. (পুরো) জুমার দিন। (বুখারী, মুসলিম)

৬. (দৈনিক) রাতের শেষ অর্ধেক। (মাজমাউয যাওয়ায়েদ)

৭. (দৈনিক) রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ। (মাজমাউয যাওয়ায়েদ)

৮. (দৈনিক) রাতের শেষ তৃতীয়াংশ। (মুসলিম, বুখারী)

৯. (দৈনিক) রাতের শেষ তৃতীয়াংশের মধ্যবর্তী সময়। (বুখারী)

১০. (দৈনিক) সেহরির সময়। (বুখারী)

৮. দন দোয়া কবুলের বিশেষ স দিন

১১. দোয়া কবুলের সর্বাধিক প্রত্যাশিত সময় হল জুমার দিন-দোয়া কবুলের 'বিশেষ সময়'। সময়টির ব্যাপারে বিভিন্ন বর্ণনায় নিম্নোক্ত মতামতগুলো পাওয়া যায়-

১. উক্ত সময়টি খতিব খুতবার জন্য মিম্বরে বসার পর থেকে জুমার নামায শেষ হওয়া পর্যন্ত। (মুসলিম, আবু দাউদ।

২. জুমার জামাত শুরু হওয়ার সময় থেকে সালাম ফেরানো পর্যন্ত। তিরমিযি, ইবনে মাজাহ)

৩. জুমার নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায়।
। ইবনে মাজাহ।

৪. কোনো-কোনো ওলামায়ে কেরাম বলেন, জুমার দিন আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। (তিরমিযি।

৫. কোনো-কোনো ওলামায়ে কেরাম বলেন, জুমার দিনের শেষ সময়টি (সূর্যাস্তের পূর্বের সময়)। (আবু দাউদ, নাসাঈ)

৬. কোনো-কোনো ওলামায়ে কেরাম বলেন, জুমার দিন সুবহে সাদেক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত।

৭. কোনো-কোনো ওলামায়ে কেরাম বলেন, জুমার দিন সূর্যোদয়ের পর।

৮. প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত আবু যর গিফারী রাযি.-এর অভিমত হল, জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ সময়টি ওই দিন সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকে এক হাত পরিমাণ ঢলে যাওয়া পর্যন্ত।

৯. হিসনে হাসিনের লেখক ইমাম জাযারি রহ. বলেন, আমার মতে, জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ সময়টি ইমাম জুমার নামাযে সূরা ফাতেহা শুরু করার পর থেকে আমীন বলা পর্যন্ত। (এ ক্ষেত্রে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত সকল হাদীসের উপর আমল হয়ে যায়। বিষয়টি আমি অন্যত্র স্পষ্ট করে দিয়েছি।

১০. ইমাম নববি রহ. বলেন, জুমার দিন দোয়া কবুলের 'বিশেষ সময়টি'র ব্যাপারে সঠিক অভিমত হল, সহীহ মুসলিমে হযরত আবু মুসা আশআরি রাযি. থেকে বর্ণিত, ওই সময়টি ইমাম খুতবার জন্য মিম্বরে বসার পর থেকে নামায শেষ হওয়া পর্যন্ত। এর বিপরীতে ভিন্ন কোনো মত গ্রহণ করার সুযোগ নেই (এটাই প্রথম অভিমত')।

ব‌ই: হিসনে হাসিন, পৃ;৫৬-৫৭

09/04/2026

ফর্সা মেয়ের দায়িত্ব নিলে:
বাঙালির মধ্যে চরম মাত্রার কালারিজম আছে।

বিয়ের জন্য, সব কিছুর আগে ফর্সা মেয়ের খোঁজ করার সময়:
যখন প্রশ্ন আসে সব বাদ দিয়ে ফর্সা মেয়েই প্রাধান্য দেয়া কেন?
তখন উল্টো উত্তর আসে; ফর্সা মেয়েরা কী অপরাধ করেছে, যে তাদের বিয়ে করা যাবে না?

এই দ্বিচারিতা: কালারিজম, নাকি সুবিধাবাদ?
- কুফু

অনেকেই বলে, "নফসকে তো কন্ট্রোল করতে পারছি না, ইবাদতে সেই স্বাদ পাচ্ছি না কেন?" এর উত্তর লুকিয়ে আছে 'রিয়াজাতুন নাফস' বা ...
08/04/2026

অনেকেই বলে, "নফসকে তো কন্ট্রোল করতে পারছি না, ইবাদতে সেই স্বাদ পাচ্ছি না কেন?" এর উত্তর লুকিয়ে আছে 'রিয়াজাতুন নাফস' বা আত্মার প্রশিক্ষণের গভীর দর্শনে।

'রিয়াজাত' শব্দের মূল অর্থ হলো, কোনো কিছু 'ভেঙে ফেলা'। আমাদের নফস জন্মগতভাবেই সস্তা আনন্দ আর গুনাহের গোলামি করতে অভ্যস্ত। একে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়াটি অনেকটা শিশুর 'দুধ ছাড়ানোর' মতো।

একটি শিশু যখন মায়ের দুধ খেতে অভ্যস্ত থাকে, সেটির অভাবেই সে ছটফট করে। কিন্তু যখন মা তাকে শক্ত খাবার বা অন্যান্য সুস্বাদু খাবারের স্বাদ চিনিয়ে দেন, তখন সে আর সেই দুধের দিকে ফিরেও তাকায় না।

নফসকেও ঠিক একইভাবে গুনাহের স্বাদ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। শুরুতে একটু ছটফটানি হবে, কিন্তু যখনই সে 'আল্লাহর ভালোবাসার' স্বাদ পেয়ে যাবে, তখন আগের সব গুনাহ তার কাছে তিতা বা বিস্বাদ মনে হবে।

নফস যখন শান্ত হয়, তখন প্রশ্ন আসে, "ইয়াকিন (দৃঢ় বিশ্বাস) কীভাবে আসবে?" এটি আসে কেবল 'হৃদয়ের পবিত্রতার' মাধ্যমে।

আপনার হৃদয়কে একটি আয়নার সাথে তুলনা করুন। আমরা যেমন আয়নাকে আমাদের নিঃশ্বাসের ভাপ থেকে বাঁচাই যেন তা ঝাপসা না হয়, ঠিক তেমনি হৃদয়কেও কুপ্রবৃত্তির ধোঁয়া থেকে রক্ষা করতে হয়। যখন আপনি সন্দেহজনক কাজগুলো ত্যাগ করবেন, তখন আপনার হৃদয়ের আয়নাটি পালিশ হতে থাকবে। যত বেশি পালিশ হবে, তত বেশি সেখানে পরকালের দৃশ্য স্পষ্ট হতে থাকবে।

একবার নবীজি ﷺ হযরত হারিসা (রা.)-কে তাঁর ঈমানের অবস্থা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছিলেন:

"ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার কাছে মনে হয় আমি যেন আমার রবের 'আরশ' চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি! আমি যেন দেখছি জান্নাতিরা একে অপরের সাথে দেখা করছে আর জাহান্নামিরা আর্তনাদ করছে।"

নবীজি ﷺ তখন বলেছিলেন: "তুমি সত্যকে চিনতে পেরেছ, এখন এতে অটল থাকো। সে এমন এক বান্দা যার অন্তরকে আল্লাহ ঈমানের নূর দিয়ে আলোকিত করেছেন।"

আপনার আধ্যাত্মিক পথ কি আজ ধুলোবালিতে ঢাকা? তবে দুটি কাজ করুন:

প্রথমত: নফসকে পাপাচার থেকে জোর করে 'দুধ ছাড়িয়ে' দিন।
দ্বিতীয়ত: নিজের আমলের ওপর 'গর্ব' না করে কেবল আল্লাহর দয়ার দিকে তাকিয়ে কলবকে পরিষ্কার রাখুন।

যখন বান্দা ও রবের মাঝখানের সব পর্দা সরে যাবে, তখন আপনি আপনার 'অন্তরের চোখ' দিয়ে সেই জগত অনুভব করতে পারবেন, যা সাধারণ মানুষ কখনও কল্পনাও করতে পারে না।

আল্লাহ আমাদের নফসকে পবিত্র করার তাওফিক দান করুন এবং আমাদের হৃদয়ে আল্লাহর মহব্বতের মিষ্টতা দান করুন। আমিন

© Salman Farsi
সূত্র: আদাবুন নফস --- হাকিম তিরমিযী রহ.

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে।

যতোবার বিমানে চড়ি, ততোবারই একই ভাবনা এসে ভর করে আমার মনে। একটা সুবিশাল আকৃতির ভীষণ ভারী জিনিস, এতোগুলো মানুষ, এতো এতো জি...
06/04/2026

যতোবার বিমানে চড়ি, ততোবারই একই ভাবনা এসে ভর করে আমার মনে। একটা সুবিশাল আকৃতির ভীষণ ভারী জিনিস, এতোগুলো মানুষ, এতো এতো জিনিসপাতি নিয়ে এই যে মাটি থেকে হাজার হাজার ফুট উঁচুতে, শূন্যের উপর কীভাবে যে ভেসে থাকে ভাবতে গেলে কোনো কূল পাই না।

আমি খুব ভালো করে জানি এর পেছনে দুর্দান্ত বিজ্ঞান কাজ করে। চার ধরণের বল প্রয়োগ বিমানকে আকাশে ভেসে থাকতে সাহায্য করে—লিফট, ড্র‍্যাগ, গ্র‍্যাভিটি ও থ্রাষ্ট। বিমানের প্রত্যেকটা অবকাঠামো—ইঞ্জিন, পাখা ইত্যাদি—এমনভাবে ডিজাইন করা যে—প্রত্যেকটাই বিমানের উড্ডয়ন এবং ভেসে থাকার সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।

এই সমস্তকিছু জানা এবং বোঝার পরও, বিমান যখন আমাকে নিয়ে হাজার হাজার ফুট উঁচুতে উঠে যায়, আমার মাথা থেকে যেন সমস্ত যুক্তি, সমস্ত বুঝ হারিয়ে গিয়ে কেবল একটা ব্যাপারই ঘুরতে থাকে মনে—How is this possible!

শত শত লোক, শত শত ভারী ভারী লাগেজ, বিমানের নিজস্ব বিশালাকৃতির দেহ—সমস্তটাই নিয়ে এই যে ভাবনাহীন ভেসে থাকা—আমার কাছে এই উত্তর আধুনিক যুগে বসেও এটাকে রূপকথার গল্পের মতোন আশ্চর্য ঘটনা বলে মনে হয়।

ছবিতে পৃথিবীর যে দৃশ্যটা দেখতে পাচ্ছেন, এটা কোনো গ্রাফিক্স কিংবা এআই জেনারেটেড ছবি নয়৷ নাসার দাবি, চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা করা তাদের নতুন নভোযান থেকে পৃথিবীর এই ছবিটি সদ্যই তোলা। সম্ভবত ছবিটার বয়স বড়জোর তিনদিন।

হাজার কয়েক ফুট উঁচুতে, চারশো থেকে পাঁচশো মানুষ নিয়ে ভেসে থাকা একটা বিমানে বসে, বিমান ভেসে থাকার যাবতীয় বিজ্ঞান সম্পর্কে জেনেও যেখানে আমার বিস্ময়ের ঘোর কাটে না, সেখানে এই যে সুবিশাল মহাশূন্যে পৃথিবীটা এভাবে ভেসে আছে কোটি কোটি বছর ধরে—এই ঘটনা কি আমার চোখে কম আশ্চর্যের? সুবহানাল্লাহ!

সন্দেহবাতিকেরা এসে বলবে, পৃথিবী সহ মহাশূন্যের যাবতীয় গ্রহ আর নক্ষত্রেরা ভেসে থাকে, কারণ এর পেছনে পদার্থবিজ্ঞানের এই এই ল কাজ করে।

আলবৎ!

তা তো কেউ অস্বীকার করেনি কোনোকালে।

বিমান আকাশে ভেসে থাকে, কারণ বিমানকে ভাসিয়ে রাখার জন্য বিজ্ঞানের যে মেকানিজম দরকার, বাতাসকে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, অভিকর্ষজ বলকে যেভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার তা খুবই সুনিপুণভাবে করা হয়েছে।

এই যে মেকানিজমটা, এটা কারা করেছে?

নিশ্চয় বিজ্ঞানীগণ। রক্ত মাংশের একদল মানুষ। কিছু বুদ্ধিমান সত্ত্বা।

চারশো থেকে পাঁচশো মানুষ নিয়ে একটা জিনিস নির্বিঘ্নে শূন্যে ভেসে থাকবে—এই মেকানিজমটা তৈরিতে যদি বুদ্ধিমান সত্ত্বার উপস্থিতি অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে, মহাশূন্যের এই যে লক্ষ কোটি গ্রহ আর নক্ষত্র, অজানা মহাশূন্যের এরকম আরও অপার বিস্ময় যেখানে লুকিয়ে আছে, সেই মহাবিশ্ব তৈরিতে কোনো বুদ্ধিমান সত্ত্বার কোনো ইশারা থাকবে না—তা কি কোনো যুক্তির মাঝে পড়ে?

এই যে পৃথিবীটা এভাবে ভেসে আছে মহাশূন্যে এবং প্রতিনিয়ত ঘুরছে—এটার পেছনে একটা মেকানিজম আছে যেটাকে আমরা বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান বলে জানি। এই পদার্থবিজ্ঞানের যে ল বা কানুন, এই কানুন তো সেই বুদ্ধিমান সত্ত্বারই তৈরি, যিনি এই সকল গ্রহ নক্ষত্রদের এভাবে শূন্যের উপর ভাসিয়ে রাখতে চেয়েছেন, যেমনভাবে মানুষ রপ্ত করেছে শূন্যের উপর বিমান ভাসিয়ে রাখার কলাকৌশল।

আমি এইসব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি আর রবের সৃষ্টির মহিমা দেখে সিজদাবনত হয় আমার অন্তর। সুবহানাল্লাহ! এই কারণেই, কুরআনের বহু বহু জায়গায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা চাঁদ, সূর্য, পৃথিবী, গ্রহ আর নক্ষত্রদের সৃষ্টির আলোচনা টেনেছেন৷ কোনো উপমা দিতে গেলেই তিনি বলেছেন—‘ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব।’ ‘তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান এবং যমিন।’

আসমানে লুকিয়ে আছে আমার রবের অপূর্ব সব রহস্য! সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!

05/04/2026

05/04/2026
🤲🤲🤲
04/04/2026

🤲🤲🤲

ইচ্ছা পূরণের সালাতকেই সালাতুল হাজত বলা হয়!সালাতুল হাজত পড়ার নিয়মঃ" কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ'রসন্তষ্টির উদ্...
04/04/2026

ইচ্ছা পূরণের সালাতকেই সালাতুল হাজত বলা হয়!
সালাতুল হাজত পড়ার নিয়মঃ
" কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ'র
সন্তষ্টির উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে
“সালাতুল হাজত” বলা হয়"
[ইবনু মাজাহঃ হা/১৩৮৫]
কখন পড়বেনঃ
কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা
শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো দুশ্চিন্তা
দেখা দিলে এ নামাজ পড়তে হয়!
নিষিদ্ধ সময়ঃ
সালাতুল হাজত নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ব্যাতীত
যেকোনো সময়েই পড়তে পারেন!
নিয়মঃ
নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।
হাজতের নিয়তে অন্যান্য নামাজের মতোই
দু-রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন!
করণিয়ঃ
--সালাতুল 'হাজত' নামাজের আলাদা কোনো নিয়ম নেই।
স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে
দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে।
নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার হামদ ও ছানা
(প্রসংসা) এবং নবী করিম সা. এর ওপর
দরুদ শরিফ পাঠ করে নিজের মনের কথা
ব্যক্ত করে আল্লাহর নিকট দোয়া করবে!!
এই দোয়া পড়বেন মুনাজাতে ইনশাআল্লাহঃ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
[রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল
আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্কিনা আজাবানা নার]
অথবাঃ
الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ
لَا تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلَّا غَفَرْتَهُ وَلَا هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهُ وَلَا حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلَّا قَضَيْتَهَا
يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: লাইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম, সুবহানাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, আছআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক; ওয়াআজা-ইমা মাগফিরাতিক, ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি
বিররিউ ওয়াসাতা মিন কুল্লি ইছমিন লা তাদাঅলি- জাম্বান ইল্লা গাফারতাহুওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়ালা হাজাতান হিয়া লাকা রিজান- ইল্লা কাজাইতাহা ইয়া আর হামার রাহিমীন।
[তিরমিজি, মিশকাতঃ হা/৮৭৩,
আবু দাউদঃ ১৩১৯; সালাত অধ্যায়-২]
নিজে পড়ুন আর শেয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ দিন।

ইবলিস যেমন ভুল করেছিলো, তেমনি আদমও ভুল করেছিলেন। দুজনই ভুল করার পর আল্লাহর কাছে দু’আ করেছিলেন, আল্লাহ আদমকে (আঃ) মাফ করল...
02/04/2026

ইবলিস যেমন ভুল করেছিলো, তেমনি আদমও ভুল করেছিলেন। দুজনই ভুল করার পর আল্লাহর কাছে দু’আ করেছিলেন, আল্লাহ আদমকে (আঃ) মাফ করলেও ইবলিসকে মাফ করেননি। আল্লাহ ইবলিসকে আদেশ দেন আদমকে (আঃ) সিজদাহ করার জন্য। কিন্তু সে সিজদাহ না করে উল্টো যুক্তি দেখিয়েছিলো। আল্লাহ ইবলিসের অহংকার দেখে বলেছিলেন,
“তুই জান্নাত থেকে নেমে যা। এখানে তোর অহংকার দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। অতএব তুই বেরিয়ে যা, তুই লাঞ্চিতদের দলভুক্ত।” [সূরা আল-আরাফ ৭:১৩]

ইবলিশও আল্লাহর কাছে দু’আ করেছিলো। দেখুন তার দু’আর ভাষা- “হে আমার রব! তাহলে আমাকে অবকাশ দিন কিয়ামত পর্যন্ত।” [সূরা আল-হিজর ১৫:৩৬]

আল্লাহ ইবলিসের দু’আ কবুল করে বললেন-
“আচ্ছা, তোকে অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত হলে।” [সূরা সা’দ ৩৮:৪০]

ইবলিস কিন্তু নাস্তিক না, সে আল্লাহকে অবিশ্বাস করেনি, সে বরং আল্লাহকে ‘বিশ্বাস’ করে। তার দু’আর ভাষায় দেখুন সে আল্লাহকে বলছে ‘রাব্বী- হে আমার রব’। আল্লাহকে ‘রব’ বলে স্বীকার করা সত্ত্বেও সে কাফির। কারণ, আল্লাহকে বিশ্বাস করলেও সে আল্লাহর আদেশ অমান্য করেছে। তাহলে আমি-আপনি কিভাবে মনে করি, আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করেছি বলেই আমরা নিশ্চিন্ত। আমরাও কি ইবলিসের মতো আল্লাহকে বিশ্বাস করেও আল্লাহর অবাধ্য হচ্ছি না?

ইবলিসের মতো নিকৃষ্ট শয়তানেরও দু’আ আল্লাহ কবুল করেছেন। আমরাও কি আশা করবো না, আমাদের দু’আগুলোও আল্লাহ কবুল করবেন? আদমকে (আলাইহিস সালাম) আল্লাহ বলেন, জান্নাতের একটি গাছের কাছে না যেতে। কিন্তু আদম (আলাইহিস সালাম) শয়তানের প্ররোচণায় পড়ে আল্লাহর এই নিষেধাজ্ঞা (Prohibition) অমান্য করেন। তারপর আল্লাহ আদম-হাওয়াকে (আলাইহাস সালাম) জান্নাত থেকে নেমে যাবার আদেশ দেন।

আল্লাহ ইবলিসকে জান্নাত থেকে বের করে দেন, আদমকেও (আলাইহিস সালাম) জান্নাত থেকে বের করে দেন। দুজনই ভুল করেছিলেন। এখন দেখুন, অপরাধ করার পর ইবলিসের রি-অ্যাকশন কী ছিলো...
“হে আমার রব! আপনি যেহেতু আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তাই আমিও পৃথিবীতে সবাইকে নানান সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করবো এবং সবাইকে পথভ্রষ্ট করবো।” [সূরা হিজর ১৫:৩৯]

ইবলিস পাপ করার পর পাপের বোঝা নিজের উপর না নিয়ে সে উল্টো আল্লাহকে অভিযুক্ত করছে- ‘আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন’। তার কী অহংকার!

অন্যদিকে আদম-হাওয়া (আলাইহাস সালাম) ভুল করার পর তিনি কিভাবে রি-অ্যাক্ট করছেন দেখুন...
“হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি। আর এখন আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন, আমাদেরকে দয়া না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হবো।” [সূরা আল-আরাফ ৭:২৩]

আদম-হাওয়ার (আলাইহাস সালাম) দু’আর মধ্যে আছে বিনয় আর ইবলিসের দু’আর মধ্যেই আছে অহংকার। বিনয়ীর বিনয়কে আল্লাহ সম্মান দিয়েছেন, তাঁর মর্যাদাকে আল্লাহ উন্নীত করেন আর অহংকারীর অহংকারকে আল্লাহ পতন ঘটান; যেমনটা ইবলিসের হয়েছে। আদম-হাওয়া (আলাইহাস সালাম) ভুল করেছেন, ইবলিস পাপ করেছে এখন আমরাও গুনাহ করে যাচ্ছি। তাহলে সবাই যদি ভুল করে তাহলে আদম (আলাইহিস সালাম) আর ইবলিসের মধ্যে পার্থক্য কী?

নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুব সুন্দর একটা জবাব দেন, “প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তাওবাকারী।” জামে আত-তিরমিজি: ২৪৯৯ (হাদিসটি হাসান বা গ্রহণযোগ্য)

তারমানে এই জায়গায় আদম (আলাইহিস সালাম) আর ইবলিসের মধ্যে পার্থক্য। আদম (আলাইহিস সালাম) তাওবা করেছেন, ইবলিস তাওবা তো করেনি, উল্টো আল্লাহকে অভিযুক্ত বানিয়েছে। তাহলে আমরা কার মতো রি-অ্যাক্ট করবো? ইবলিসের মতো নাকি আদমের (আলাইহিস সালাম) মতো?

ইবলিস বনাম আদম (আলাইহিস সালাম)

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

বাথরুমে একটি মেয়ে ও একটি হিন্দু ছেলের অন্তরঙ্গ ক্লিপ সোস্যাল মিডিয়ায় বার বার ঘুরছে আজকে। সম্ভাবত এই রোজার সময় ধারনকৃত হত...
01/04/2026

বাথরুমে একটি মেয়ে ও একটি হিন্দু ছেলের অন্তরঙ্গ ক্লিপ সোস্যাল মিডিয়ায় বার বার ঘুরছে আজকে। সম্ভাবত এই রোজার সময় ধারনকৃত হতে পারে। একটি হিজাব পরা নারী ও এক যুবকের এই দৃশ্য অনেককে হতবাগ করছে। অনেকেই মেয়েটাকে দোষারোপ করছেন কেউ কেউ এক সাথে দুজনকে কিংবা সমাজকে দোষারোপ করছেন।

আপনার ফিলোসোফি আমার সাথে মিলবেনা কিন্তু আমি যা খেয়াল করেছি এইখানে যে নারীটা তাদের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ছেড়েছে তিনিই বা কম অপরাধী কিসের? উনার কি সেই অধিকার আছে? ভিডিও দেখে অনেকেই মজা নিচ্ছে কেউ কেউ টুনটুনি ঘাটাঘাটি করছেন হাত বুলিয়ে!

আসলে এইসব সামাজিক ব্যাধি! এই নারীটা ভূল করেছে কিংবা ঘটনার আদ্যোপান্ত এখনো ক্লিয়ার নয়।
তারা সেচ্ছায় এইসব করেছে সেইটা প্রমানিত কিন্তু এখন যে সোস্যাল বুলিংয়ের স্বীকার হয়ে যদি আত্মহত্যা বা অন্য পথ বেছে নেয় তখন কি করবেন? তার পরিবার কিংবা বাচ্ছা থাকতে পারে! তারাতো বলেনি বা জানেনা এইসব কিছুই! এখন জানছে তাইনা?

আমি জানিনা নারীটা কিংবা ছেলেটার বর্তমান কি অবস্থা কিন্তু এইটা জানি আমরা সবাই পাপী! সুযোগের অভাবে সবাই সাধু! মডেল প্রভার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাই সে নষ্ট! অন্যের টা হয়নি তাই সে সাধু!!

প্রতিটা মানুষের শারীরিক চাহিদা থাকে ব্যাক্তিগত জীবন থাকে। কারো চাহিদা বেশি কারো কম। এই ভিডিও দেখে যারা মজা নিয়েছেন তারাই বা কম কিসের?

তবে পাবলিক প্লেসে টয়লেটের এই অবস্থা সত্যিই বিভ্রান্ত করেছে আমাকে জানিনা তাদের মধ্যে কি সম্পর্ক বা এই রোজার মাসেই বা এমন করতে গেলো কেনো। নারীটা যথেষ্ট সুন্দরী শিক্ষিত ও ভালো কোন ফ্যামিলির বল মনে হয়েছে।

যদি দোষ দিতেই হয় আমরা সবাই দোষী আমাদের সিষ্টেম দোষী। একটা মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পরেও তার অনেক ব্যাপার থাকে, শারীরিক চাহিদা থাকে তা ঠিকটাক পূরন হচ্ছে কিনা আমরা ৯০% পরিবার আর জানতে চাইনা। অনেক সময় কপালের দোষ বা ভাগ্যের উপর চাপিয়ে দিই। কিন্তু শরীরের ক্ষুদা বড্ড মারাত্মক!!

ফল হিসেবে অতিরিক্ত চাহিদা কিংবা অবহেলা মানুষকে অনেক সময় হিতাহিত জ্ঞান শূন্য করে এইসব কিছু করতে নূন্যতম বাধাগ্রস্থ করেনা।

আমি বিয়ে করি যখন আমার বয়স ১৭। আর ১৯ বছর বয়সে আমার একটা মেয়ে হয়। বিষয়টা আলোচনায় আসলেই বামপাড়া জ্বলে ওঠে, যেমনটা এ...
01/04/2026

আমি বিয়ে করি যখন আমার বয়স ১৭। আর ১৯ বছর বয়সে আমার একটা মেয়ে হয়। বিষয়টা আলোচনায় আসলেই বামপাড়া জ্বলে ওঠে, যেমনটা এখন দেখছি।
আমার মনে আছে, একদিন আহলিয়ার সাথে ট্রুথ ডেয়ার খেলছিলাম, আমি ট্রুথ নিলে আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়ঃ আমি কি কখনো কোনো মেয়েকে, প্রয়োজনে হলেও, টাচ করেছি কিনা? চিন্তা করা ছাড়াই উত্তর দিয়েছিলাম, না করা হয় নাই।
একদম ওপেনলি বলি, আমি ছাড়া এগুলো লিখে কাউন্টার দেওয়ারও কেউ আছে বলে মনে হয় না। আমি অন্য কোন মেয়ের সাথে জড়ানোর আগেই বিবাহ করেছি, এজন্য যার সাথে বিবাহ করেছি আমার জীবনের সকল কিছু তার সাথেই। আর ঠিক পশ্চিমা বিশ্ব আর এদেশের বামরা এটা চায়না।
তারা চায়, আপনি ছোটবেলা থেকেই নানা সম্পর্কে জড়ান, বিভিন্ন পাপে লিপ্ত হন, আর সেটাকে নরমালইজ করার জন্য যত কালচারাল বিষয় আছে, সব আপনার সামনে তারা দাঁড় করিয়ে রেখেছে। তারা বাল্যবিবাহ নামে একটা অযৌক্তিক বিষয়কেও দাঁড় করিয়ে রেখেছে।
তারা বলতে চায়, বাল্যবিবাহ করলে মেয়েদের শারীরিক ক্ষতি এবং বাচ্চা হওয়ার সময় জীবনের ঝুঁকি থাকে, কিন্তু আমার আহলিয়ার যখন বেবি হয়, পুরো হাসপাতাল খরচ, ওষুধ, বাচ্চার জিনিস, সব মিলিয়ে মাত্র ৭ হাজার টাকায় হয়ে যায়। দুপুর ১টায় হাসপাতালে ভর্তি করি, মাগরিবের সময় বাচ্চা দুনিয়ায় আসে। পরের দিন সকালে সুস্থভাবে বাসায় ফিরে আসি। জীবনে এত সহজ কিছু আমি দেখিনি, সবই আল্লাহর রহমত।
এবং আমি স্টিল হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে হ্যাপি মানুষ, তোমাদের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আমি হ্যাপি মানুষ। আমার জীবনে কোন দুঃখ নেই বলেই আমি জুলাইকে এতটা ধারণ করতে পারি। এটা আমার সাথে যারা ওঠাবসা করে তারা খুব ভালো বলতে পারবে। আমার একটা পরীর মত সুন্দর ছোট বাবু আছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে আলহামদুলিল্লাহ বলার মত একটা আহলিয়া আছে।
পরিবারগুলোর এগুলো বুঝা উচিত এবং দ্রুত নিজের সন্তানদেরকে বিবাহ করিয়ে দেওয়া উচিত। ইনকাম কখনোই ফ্যাক্টর না।

31/03/2026

হযরত হাসান বসরী (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করা হল,আপনার ধার্মিকতার গোপন সূত্র কী???

তিনি বললেনঃ- আমি চারটি ব্যপারে অনুধাবন করেছি,সেগুলো হলঃ-

১/আমি জানি আমার রিজিক আর কাউকেই দেয়া হবে না, এজন্য আমার হৃদয় তৃপ্ত হয়ে গেছে।

২/আমি জানি, আমার করণীয় (ইবাদত) আর কেউ করে দিতে পারবে না, তাই আমি নিজেই সেগুলো করা শুরু করেছি।

৩/আমি জানি, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, এজন্য আমি গুণাহ করতে লজ্জিত বোধ করি।

৪/ আমি জানি,মৃত্যু আমার জন্য অপেক্ষা করছে,এজন্য আমি আল্লাহর সাথে দেখা করার জন্য নিজকে তৈরী করতে শুরু করেছি।

আল্লাহ আমাদের বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন..।
আমিন....।


(C)❤️

Address

Feni
3900

Opening Hours

Monday 09:00 - 08:00
Tuesday 09:00 - 08:00
Wednesday 09:00 - 08:00
Thursday 09:00 - 08:00
Saturday 09:00 - 08:00
Sunday 09:00 - 08:00

Telephone

+8801521498585

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sirat Nama posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sirat Nama:

Share