Sirat Nama

Sirat Nama Islamic Story video

15/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ্! বাংলাদেশের আকাশে হিজরি সফর মাসের চাঁদ উঠেছে। অতএব, আজ থেকে বাংলদেশে হিজরি সফর মাস শুরু হয়েছে। 🌙

সফর মাসের আইয়ামে বীজের রোজা :
◾১৩ সফর – ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার)
◾১৪ সফর – ২৯ জুলাই (বুধবার)
◾১৫ সফর – ৩০ জুলাই (বৃহঃবার)

— মাহমুদুল হাছান

15/07/2026

দুরুদ শরীফের অলৌকিক বরকত: একটি বাস্তব সত্য ঘটনা
​"চোখ থেকে পানি টপটপ করে ঝরছে আর লিখছি... এই লেখাটা লিখতেও আমার কান্না পাচ্ছে। যারা বলেন দুরুদ শরীফ কি আসলেই পরীক্ষিত আমল কি না, তাদের জন্য আজকের এই লেখাটা।"

​ সেই ২ সেকেন্ড এবং এক অলৌকিক রক্ষা
​আজকের ঘটনা। রুমে কারেন্টে ডিম সেদ্ধ করতে দিয়ে মাত্র কিছুক্ষণ ঘরে এসেছি, বড় জোর দুই মিনিট হবে। হুট করেই সাথে সাথে কারেন্ট চলে গেল। বাইরে গিয়ে দেখি অন্য একটা তার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে!
​আসলে ওই রুমটা অন্ধকার ছিল। পাশে যে অন্য একটা ত্রুটিপূর্ণ তার ছিল, সেটা আমি খেয়াল না করেই সুইচ দিয়ে চলে আসছিলাম।
​আমি শুধু একটা জিনিসই ভাবছি—যদি কারেন্ট টা না যেত আর আমি যদি ওই সময় কম্পিউটার চালাতাম, তবে হয়তো আমি কোন কিছুই টের পেতাম না। মনের ভুলে হুট করে কোনো একটা তারে হাত দিয়ে ফেলতাম... আর তখনই সব শেষ হয়ে যেত!
​মাত্র ২ সেকেন্ড! হ্যাঁ, মাত্র দুই সেকেন্ডের জন্য কারেন্ট গিয়েছিল। আর এই দুই সেকেন্ডের ভেতরেই আল্লাহ আমাকে বুঝিয়ে দিলেন যে বাইরে আমার জন্য কত বড় বিপদ অপেক্ষা করছিল।

​মুখে ছিল দুরুদ শরীফ
​আজ কেন জানি মনে হচ্ছিল সন্ধ্যা থেকে দুরুদ শরীফটা একটু বেশি বেশি করে পড়ি। অন্য কোনো কিছুতেই মন চাচ্ছিল না। এমনকি কম্পিউটার চালাতেও মন সায় দিচ্ছিল না। প্রতিদিন নিয়ম করে আম্মুকে একবার ফোন দিই, আজ সেটাও দেওয়া হয়নি।

​ঠিক সেই মুহূর্তেই আল্লাহ আমাকে এমন একটা ভয়াবহ বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দিলেন। আমার এখনো কান্না পাচ্ছে পুরো ঘটনাটা মনে করে।

​রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা
​আমল যে কীভাবে মানুষকে বাঁচিয়ে দেয়, কখন, কোথায়, কীভাবে কোন বিপদ থেকে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেন—তা কেউ বলতে পারে না।
​যারা বলেন, "দোয়া কবুল হয় না", তাদের জন্য আমার খুব আফসোস হয়। তারা কীভাবে বলেন যে এই রবের কাছে দোয়া কবুল হয় না? যে রব প্রতি মুহূর্তে আমাদের এভাবে আড়াল থেকে বাঁচিয়ে রাখছেন, তাঁর দয়াকে তারা কীভাবে অস্বীকার করেন?

​এটি একদম বাস্তব সত্য ঘটনা, কোনো বানানো গল্প নয়।
​লেখিকা: দুআ কবুলের গল্প
(Jannati Fragrance)





যে আমলগুলো আল্লাহ তাআলা জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির সুসংবাদ দিয়েছেনআল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু। তিন...
10/07/2026

যে আমলগুলো আল্লাহ তাআলা জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির সুসংবাদ দিয়েছেন

আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু। তিনি যেমন জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তির কথা জানিয়েছেন, তেমনি এমন অনেক নেক আমলের কথাও জানিয়েছেন, যেগুলো বান্দাকে তাঁর রহমতের ছায়ায় এনে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির সুসংবাদ দেয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর উম্মতকে এমন বহু আমলের কথা শিক্ষা দিয়েছেন, যেগুলোর ব্যাপারে তিনি বলেছেন— "আল্লাহ তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন", "সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না" অথবা "আগুন তাকে স্পর্শ করবে না"। এসব হাদিস একজন মুমিনকে আশা, সাহস ও নেক আমলের প্রতি গভীর আগ্রহ দান করে।

তবে মনে রাখতে হবে, এসব ফযিলত সেই ব্যক্তির জন্য, যে বিশুদ্ধ তাওহীদের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, ফরয ইবাদত আদায় করে, হারাম থেকে বেঁচে থাকে এবং আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আমল করে।

নিম্নে কয়েকটি সহিহ ও হাসান হাদিস তুলে ধরা হলো।

▪️১. একনিষ্ঠভাবে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

«إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، يَبْتَغِي بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ»

"যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলবে, আল্লাহ তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন।"
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ৪২৫; সহিহ মুসলিম, হাদিস ৩৩।

শিক্ষা: শুধু মুখে উচ্চারণ নয়; বিশুদ্ধ তাওহীদ, ইখলাস এবং সেই কালিমার দাবি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করাই এ হাদিসের উদ্দেশ্য।

▪️২. যোহরের আগে চার রাকাত ও পরে চার রাকাত সুন্নত

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

«مَنْ حَافَظَ عَلَى أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ قَبْلَ الظُّهْرِ، وَأَرْبَعٍ بَعْدَهَا، حَرَّمَهُ اللَّهُ عَلَى النَّارِ»

"যে ব্যক্তি যোহরের ফরযের আগে চার রাকাত এবং পরে চার রাকাত (সুন্নত) নিয়মিত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুনের ওপর হারাম করে দেবেন।"
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস ১১৬০; সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস ৪২৮।

শিক্ষা: সুন্নত নামাজের প্রতি যত্ন নেওয়া আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম।

▪️৩. আল্লাহর ভয়ে অশ্রু ঝরানো

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

«عَيْنَانِ لَا تَمَسُّهُمَا النَّارُ: عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ، وَعَيْنٌ بَاتَتْ تَحْرُسُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»

"দুটি চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না—একটি সেই চোখ, যা আল্লাহর ভয়ে অশ্রু ঝরিয়েছে; আর অন্যটি সেই চোখ, যা আল্লাহর পথে পাহারা দিতে জেগে থেকেছে।"
সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস ১৬৩৯ (হাসান)।

শিক্ষা: আল্লাহর ভয় অন্তরকে জীবিত রাখে এবং বান্দাকে গুনাহ থেকে দূরে রাখে।

▪️৪. ফজর ও আসরের নামাজ সংরক্ষণ করা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

«لَنْ يَلِجَ النَّارَ أَحَدٌ صَلَّى قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا»

"যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের আগে (ফজর) এবং সূর্যাস্তের আগে (আসর) নামাজ আদায় করবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।"
সহিহ মুসলিম, হাদিস ৬৩৪।

শিক্ষা: ফজর ও আসরের নামাজের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এগুলো হিফাজত করা ঈমানের দৃঢ়তার নিদর্শন।

▪️৫. তিন কন্যা বা তিন বোনের উত্তম লালন-পালন

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

«لَا يَكُونُ لِأَحَدٍ ثَلَاثُ بَنَاتٍ، أَوْ ثَلَاثُ أَخَوَاتٍ، فَيُحْسِنُ إِلَيْهِنَّ، كُنَّ لَهُ حِجَابًا مِنَ النَّارِ»

"যার তিনটি কন্যা অথবা তিনজন বোন থাকবে, আর সে তাদের প্রতি উত্তম আচরণ করবে, তাদের লালন-পালন করবে, তবে তারা তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে পর্দা হবে।"
সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস ১৯১২–১৯১৩; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস ৩৬৬৯।

শিক্ষা: কন্যাসন্তান আল্লাহর রহমত। তাদের সঠিকভাবে লালন-পালন জান্নাত লাভের একটি বড় মাধ্যম।

▪️৬. আল্লাহর পথে পাহারা (রিবাত)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

«عَيْنَانِ لَا تَمَسُّهُمَا النَّارُ: عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ، وَعَيْنٌ بَاتَتْ تَحْرُسُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»

"দুটি চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না—একটি আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে, আরেকটি আল্লাহর পথে পাহারা দিতে জেগে থেকেছে।"
সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস ১৬৩৯।

শিক্ষা: ইসলামের নিরাপত্তা ও মুসলিমদের রক্ষায় আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করা মহান ইবাদত।

▪️৭. আল্লাহর পথে একদিন রোজা রাখা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
«مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، بَعَّدَ اللَّهُ وَجْهَهُ عَنِ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا»

"যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তার মুখমণ্ডলকে জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে দেবেন।"
সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ২৮৪০; সহিহ মুসলিম, হাদিস ১১৫৩।

শিক্ষা: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা নফল ইবাদতের মর্যাদা অত্যন্ত মহান।

▪️৮. আন্তরিক ঈমানের সঙ্গে শাহাদাতের সাক্ষ্য দেওয়া

«مَنْ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ النَّارَ»

"যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সঙ্গে সাক্ষ্য দেবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন।"
সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৯।

শিক্ষা: তাওহীদই নাজাতের মূল ভিত্তি। তবে এই সাক্ষ্যের দাবি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করাও অপরিহার্য।

---সংকলনেঃ আইন উদ্দিন আইনী
:
Hadith - হাদিস

09/07/2026

⭕ জুম্মার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াতের ফজিলত।

হাদীস ০১
───────
◾>রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
"আদম (আঃ)-এর সৃষ্টি থেকে কিয়ামত হওয়া পর্যন্ত দাজ্জালের ফিতনাহ্ মতো বড় আর কোন ফিতনাহ নেই।"
─সহীহ মুসলিম (২৯৪৯) আল জামি (৫৫৮৮) মিশকাত (৫৪৬৯)

হাদীস ০২
───────
⭕জুম্মার দিনে কিয়ামত কায়িম হবে?
◾>রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"সূর্যোদয়ের সবদিনের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দিন হলো জুমু’আর দিন। এ দিনে আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। এ দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে (দুনিয়ায় পাঠিয়ে) দেয়া হয়েছে। আর (কিয়ামত) ও জুম্মার দিনেই ক্বায়িম হবে।"
─সহীহ্ঃ বুখারী, মুসলিম─(৮৫৪) তিরমিযী─(৪৮৮) আবু দাউদ, নাসায়ী─ (১৩৭৬) মিশকাত (১৩৫৬)

হাদীস ০২
───────
⭕জুম্মার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করা।
◾>রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
"যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়বে, তাঁর ঈমানের নূর এই জুম্মা থেকে আগামী জুম্মা পর্যন্ত চমকাইতে থাকবে।”
─ সহীহ: মিশকাত (২১৭৫)

হাদিস ০৪
-------------------
◾>রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
"যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুরা কাহাফের প্রথম দিক থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে,বা পড়বে, সে দাজ্জালের (ফিতনা) থেকে রক্ষা পাবে।”
─ সহীহ্: মুসলিম (৮০৯) তিরমিযি (২৮৮৬) মিশকাত, আবু দাউদ (৪৩২৩) রিয়াদুস সালেহীন (১০২১,১০২৮।

হাদীস ০৫
───────
◾ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"যে ব্যক্তি সুরা কাহাফ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন তাঁর জন্য এমন একটি নুর হবে, যা তাঁর অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আর যে ব্যক্তি তাঁর প্রথম (অন্য বর্ণনায় এসেছেঃ) শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তাঁর জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।"
─ সিলসিলায়ে সহীহা (২৬৫১)।

হাদীস ০৬
───────
>রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে কেয়ামতের দিন তাঁর পায়ের তলা থেকে আসমান পর্যন্ত নুর আলোকিত হবে। এবং এক জুম্মা থেকে আরেক জুমার মধ্যবর্তী যাবতীয় গুনাহ মাফ হবে।"
─ সহীহ: আত তারগিব (২৯৮)

⭕ সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত উচ্চারণসহ তুলে ধরা হলো।

১. اَلۡحَمۡدُ لِلّٰہِ الَّذِیۡۤ اَنۡزَلَ عَلٰی عَبۡدِہِ الۡکِتٰبَ وَلَمۡ یَجۡعَلۡ لَّہٗ عِوَجًا
উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লা-হিল্লাজী আনজালা আলা-‘আবদিহিল কিতা-বা ওয়ালাম ইয়াজআল্লাহু ‘ইওয়াজা।

২. قَیِّمًا لِّیُنۡذِرَ بَاۡسًا شَدِیۡدًا مِّنۡ لَّدُنۡہُ وَیُبَشِّرَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ الَّذِیۡنَ یَعۡمَلُوۡنَ الصّٰلِحٰتِ اَنَّ لَہُمۡ اَجۡرًا حَسَنًا
উচ্চারণ: ক্বইয়িমাল লিইউনজিরা বা’ছান শাদীদাম মিল্লাদুনহু ওয়া ইউবাশশিরাল মু’মিনিনাল্লাজীনা ইয়া‘মালুনাস ছলিহাতি আন্না লাহুম আজরন হাছানা।’

৩. مَّاکِثِیۡنَ فِیۡہِ اَبَدًا
উচ্চারণ: মা-কিছীনা ফী'হি আবাদা।’

৪. وَّیُنۡذِرَ الَّذِیۡنَ قَالُوا اتَّخَذَ اللّٰہُ وَلَدًا
উচ্চারণ: ওয়া ইউনজিরল্লাজীনা ক্বলুত্তাখাযাল্লাহু ওয়ালাদা।

৫. مَا لَہُمۡ بِہٖ مِنۡ عِلۡمٍ وَّلَا لِاٰبَآئِہِمۡ ؕ کَبُرَتۡ کَلِمَۃً تَخۡرُجُ مِنۡ اَفۡوَاہِہِمۡ ؕ اِنۡ یَّقُوۡلُوۡنَ اِلَّا کَذِبًا
উচ্চারন: মা-লাহুম বিহী মিন ইলমিওঁ ওয়ালা- লিআবা য়িহিম কাবুরত কালিমাতান তাখরুজু মিন আফওয়া-হিহিম ইয়ঁইয়াকুলূনা ইল্লা-কাজিবা।


৬. فَلَعَلَّکَ بَاخِعٌ نَّفۡسَکَ عَلٰۤی اٰثَارِہِمۡ اِنۡ لَّمۡ یُؤۡمِنُوۡا بِہٰذَا الۡحَدِیۡثِ اَسَفًا
উচ্চারণ: ফালা‘আল্লাকা বা-খি‘উন্নাফছাকা আলা আ-ছা-রিহিম ইল্লাম ইউ’মিনূ বিহা-জাল হাদীছি আছাফা।

৭. اِنَّا جَعَلۡنَا مَا عَلَی الۡاَرۡضِ زِیۡنَۃً لَّہَا لِنَبۡلُوَہُمۡ اَیُّہُمۡ اَحۡسَنُ عَمَلًا উচ্চারণ: ইন্না-জা‘আলনা- মা-‘আলাল আরদি ঝীনাতাল্লাহা- লিনাবলুওয়াহুম আইয়ুহুম আহ্ছানু আমালা।


৮. وَاِنَّا لَجٰعِلُوۡنَ مَا عَلَیۡہَا صَعِیۡدًا جُرُزًا
উচ্চারণ: ওয়া ইন্না- লাজা-ইলুনা মা-আলাইহা-ছয়িদান জুরুজা।


৯. اَمۡ حَسِبۡتَ اَنَّ اَصۡحٰبَ الۡکَہۡفِ وَالرَّقِیۡمِ ۙ کَانُوۡا مِنۡ اٰیٰتِنَا عَجَبًا উচ্চারণ: আম হাছিবতা আন্না আসহা-বাল কাহফি ওয়ার রক্বীমি কা-নূ মিন আ-ইয়াতিনা আজাবা।

১০. اِذۡ اَوَی الۡفِتۡیَۃُ اِلَی الۡكَهۡفِ فَقَالُوۡا رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَۃً وَّ هَیِّیٴۡ لَنَا مِنۡ اَمۡرِنَا رَشَدًا
উচ্চারণ: ইজ আ-ওয়াল ফিতইয়াতু ইলাল কাহফি ফাকা-লূ রব্বানা আ-তিনা- মিল্লাদুনকা রহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা- মিন আমরিনা- রশাদা।

আলহামদুলিল্লাহ
আমিন 🤲

09/07/2026

সূরা আরাফে নতুন একটা ব্যাপার নিয়ে জানলাম। ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে, আখিরাতের পরিণাম হবে বাইনারি, হয় জান্নাত নয় জা*হান্নাম।

অথচ এই সূরার মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন— না, জান্নাত আর জা*হান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা জায়গা আছে। জায়গাটার নাম আরাফ!

এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নামকরণ। "আরাফ" হবে তাদের জন্য, যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যে জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে! আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যে জা*হান্নামে যেতে হবে। এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি!

এই আরাফবাসি সবসময়ই আশায় থাকবে যে, তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়।

এই আরাফ ছাড়াও হাশরের (The Day Of Judgement) আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা। আর সেটা হলো কান্তারা!

আমরা মনে করি, কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি। ভুল! পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়। পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা।

হাশরের দিনে বিশ্বাসীদের বিচার হবে দু-বার। এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে। আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে। জি ঠিকই শুনেছেন।

পূর্বের বিচার হবে- "স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার।"

আর পরের বিচার হবে- "বান্দার হক নষ্ট করার বিচার।"

আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে, সেই জায়গাটির নামই হলো— "কান্তারা।" আল-কান্তারাহ হলো- সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত। বিশ্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে। এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন।
‎ ‎
কল্পনা করুন! একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ তে, জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে, অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না! কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ। উল্টো তাকে জা*হান্নামে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন?

প্রিয় রাসূল (ﷺ) অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে। "মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা কি জানো, কে আসল দেউলিয়া?”

সাহাবারা (রা.) উত্তর দেন, “যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?”

রাসূল (ﷺ) বললেন, “না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি– যেই ব্যক্তি কি*য়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে। অথচ সে দেখতে পাবে যে, সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে! কারণ জীবদ্দশায় সে অন্যদের গা*লি দিয়ে বেড়াতো। অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো। অন্যের র*ক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো। আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে দিয়ে দিতে হচ্ছে!

শুধু তাই না! যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে, তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে জা*হান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।”

তাই বলছি, আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি আপনার মুখের ভাষার মাধ্যমে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য একটাই কথা—
দেখা হবে বন্ধু!
দেখা হবে কান্তারায়!
‎ ‎
▪️রেফারেন্স :
১. (সূরা আল-আরাফ : ৪৬)
২. (সহীহ্ বুখারী : ২৪৪০)
৩. (সহীহ্ মুসলিম : ২৫৮১)

লেখা : সামিউল হক

08/07/2026

সর্বনিম্ন ১১ দিন বা সর্বোচ্চ ৪১ দিন টানা আমলটি করুন, একটা পজেটিভ রেজাল্ট আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে।

প্রতিদিন এশার নামাজ আদায় করে একান্ত নির্জনে বসে ১০০১ বার আল্লাহর গুণবাচক এই পবিত্র নামটি পাঠ করুন। নাম: يَا وَدُودُ (ইয়া ওয়াদূদু) — হে পরম প্রেমময়।

এবং সাথে সাথেই পবিত্র কুরআনে বর্ণিত
এই দোয়াটি পাঠ করুন।

দোয়া টি—رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

এরপর মুনাজাত দিয়ে দোয়া করুন, আশাবাদী ১১ বা ৪১ দিনের মধ্যেই আপনার বিয়ের ফয়সালা হবে রবের পক্ষ থেকে ইনশা আল্লাহ।

03/07/2026

কুরআনে থাকা সুরা ‘আদ দোহা’ এমন একটা সুরা যেটাকে নিয়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা, দিস্তার পর দিস্তা লেখা সম্ভব। এই সুরার চাইতে অধিক অনুপ্রেরণাদায়ক, অধিক স্বস্তিময় আর কোনো সুরা কুরআনে আছে কী না আমার জানা নেই। সুরাটির প্রত্যেকটা আয়াত হৃদয়ে তোলপাড় তোলে।

তবে, এই সুরার সাত নম্বর আয়াতটাই আমাকে অনেকবেশি স্পর্শ করে যায় যেখানে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলছেন—

وَوَجَدَكَ ضَآلًّا فَهَدٰي ۪

‘তিনি আপনাকে পেয়েছিলেন পথহারা অবস্থায়; অতঃপর তিনি আপনাকে পথ দেখালেন।’

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কথাটা বলেছিলেন নবিজি সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। তাফসিরে এসেছে, নবিজির জন্য এই ‘পথহারা অবস্থা’ ছিল শরিয়তের জ্ঞান বা বিধানবিহীন অবস্থা। অর্থাৎ, নবিজির নবুয়ত লাভের আগের সময়কে ইঙ্গিত করে আল্লাহ বলেছেন—‘আপনার কাছে শরিয়তের কোনো জ্ঞান ছিল না৷ তারপর আমি আপনাকে সেই জ্ঞান দান করেছি।’

তবে, যদি আমরা নিজেদের জীবনে এই আয়াতকে ভাবি, আমরা কীভাবে পড়ব অথবা বুঝব এই আয়াতকে?

জীবনের ভেলায় আমরা কতোবারই তো আল্লাহর পথ হারিয়ে ফেলি, তাই না? কতো কতো উসিলায় যে আমরা আল্লাহকে ভুলে বসি, ডুবে যাই আল্লাহর নাফরমানিতে তার কোনো সীমা পরিসীমা নেই।

কিন্তু দেখুন, তারপরও কতো কতো উসিলার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পুনরায় আমাদেরকে তাঁর দিকে টেনে নেন। ছোট-বড়, ক্ষুদ্র-মাঝারি কতো ঘটনাকে উপলক্ষ বানিয়ে তিনি আমাদেরকে ফেরত আনেন হিদায়াতের রাস্তায়।

হয়তো-বা হতাশ আছেন। দ্বীন দুনিয়া কিছুই ভালো লাগছে না। দেখা গেল এমন একজন মানুষের সাক্ষাৎ পেয়ে গেলেন যার সাথে আধ ঘণ্টা কথা বলে আপনার ভেতর থেকে হতাশা উঁবে গেছে।

সালাতের ব্যাপারে অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। আলমেসি করে মসজিদে যাওয়া হচ্ছে না অনেকদিন। তারপর, স্ক্রল করতে করতে একদিন এমন একটা লেখা চোখে পড়ল যা পড়ে আপনি ভেতর থেকে একটা ধাক্কা খেলেন। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন তড়িঘড়ি—‘নাহ, আজ থেকে আর এক ওয়াক্ত সালাতও কাযা করা চলবে না।’

হারাম রিলেশানশীপ থেকে বের হতে পারছেন না৷ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। একদিন কুরআনের এমন একটা আয়াত আপনার চোখের সামনে পড়ল যেটা আপনাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল ভাবনার সাগরে৷ এতোদিন যে কঠিন সিদ্ধান্তটা নিতে আপনার ভীষণ বেগ পেতে হচ্ছিল, এই ঘটনার পর যেন সেটা নেওয়ার অদম্য সাহস পেলেন ভেতর থেকে। আপনি তাকে সাথে সাথে জানিয়ে দিলেন যে—হারাম সম্পর্কে আপনি আর থাকতে পারছেন না।

জীবনের চলতি পথে, এই যে এতো এতো উসিলায়, এতো এতো ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাতে তিনি যে আমাদের তাঁর দিকে ডেকে নেন, তাঁর কাছে টেনে নেন, নিভৃতে বসে সেই কথা কি আমরা কখনো ভেবেছি?

আয়াতটা এবার আরেকবার পড়ুন—

‘তিনি আপনাকে পেয়েছিলেন পথহারা অবস্থায়; অতঃপর তিনি আপনাকে পথ দেখালেন।’

আহা, কতোবার আমরা পথ হারাই। আর কতো কতো বার যে তিনি পরম মমতায়, অপরিসীম দয়া আর অনিঃশেষ ভালোবাসা দিয়ে কাছে ডেকে নেন 💛

উপমহা‌দে‌শে ইসলা‌মের আসল কাজ মওদু‌দিই কর‌ছে! বাকী সব ধান্ধাবা‌জ! সাইয়েদ আতা উল্লাহ শাহ বুখারী রহ.ভাবুন তো একবার!একজন মা...
03/07/2026

উপমহা‌দে‌শে ইসলা‌মের আসল কাজ মওদু‌দিই কর‌ছে! বাকী সব ধান্ধাবা‌জ! সাইয়েদ আতা উল্লাহ শাহ বুখারী রহ.

ভাবুন তো একবার!
একজন মানুষ সারাজীবন বক্তৃতা দিলেন। ময়দান কাঁপালেন। কিন্তু মৃত্যুর আগে এসে নিজেই বলছেন, এসবের কী ফায়দা?
ইনি হলেন উপমহাদেশের অগ্নিঝরা বক্তা, সাইয়েদ আতা উল্লাহ শাহ বুখারী রহ.।

এক মজলিস শেষে তার কাছে বসা ছিলেন আরেক নেতা, মিয়াঁ তুফাইল মুহাম্মদ রহ.। তিনি বললেন, শাহ সাহেব, আপনার বক্তৃতা দারুণ।

শাহ সাহেব ব্যথা নিয়ে হাসলেন। বললেন, ভাই, মানুষ নারায়ে তাকবীর দিয়ে বাড়ি গিয়ে ঘুমায়। ইসলাম দুই কদমও আগায় না।

তখন মিয়াঁ তুফাইল সাহেব বললেন তার মনের সবচেয়ে বড় কনফিউশনের কথা।
হুজুর, আপনাদের কথা শুনে মনে হয় সব ছেড়ে আপনাদের দলে যাই। আবার লাহোরের মাওলানা মওদুদী রহ.-এর বই পড়লে মনে হয়, মুসলমানদের সব দলই আসল রাস্তা হারিয়ে ফেলেছে। সমাধান শুধু তার কাছেই আছে।

আপনি জানেন এরপর কী হলো?

শাহ বুখারী রহ. রাগ করলেন না। তর্ক করলেন না। তিনি সোজা হয়ে বসে, কাঁপা গলায় বললেন মাত্র একটা লাইন:

উকিল সাহেব, খোদার কসম। আসল কাজ তো ওই লাহোরের লাল মওদুদীই বলে গেছেন। বাকি সব পেটের ধান্দা। হিম্মত থাকলে তার কাছেই যান।

একজন কট্টর বিরোধী আলেম। মৃত্যুর আগে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে বলে গেলেন, আসল কাজটা ওই লোকটাই করছে।

এই একটা বাক্য শুনে মিয়াঁ তুফাইল রহ.-এর সব সন্দেহ শেষ। তিনি বুঝে গেলেন, কার পথে চলতে হবে।

সূত্র: মুশাহাদাত, পৃষ্ঠা: ৫৬

যারা আজ মওদুদী রহ.-কে গালি দেন, তারা কি শাহ বুখারী রহ.-এর চেয়ে বড় আলেম?
যারা তার বই ছুঁয়েও দেখেননি, তারা কি মিয়াঁ তুফাইল রহ.-এর চেয়ে বেশি বুঝেন?

ঘৃণা না, একবার বইটা হাতে নিন।
তাফহীমুল কুরআন বা ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন দিয়ে শুরু করুন।

নিজে পড়ুন। নিজে বুঝুন। তারপর রায় দিন।

হয়তো আপনারও ভুল ভেঙে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

03/07/2026

খুবই সহজ কিন্তু মনে করে আমলটা করে নিলে অনেক বেশি লাভবান হওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ।

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মাগরিব ও ফজর সালাত শেষ করে চলে যাওয়ার পূর্বে এবং পা দু’টিকে গুটিয়ে ‌‎নেয়ার পূর্বে এই দুয়াটি ১০ বার পাঠ করবে:

‎لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

“লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল ‎হামদু ইয়ুহ্য়ি ওয়া ইয়মীতু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর”

অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মাবূদ নেই, তিনি একক তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব ও ক্ষমতার অধিকারী তিনিই, সকল প্রশংসার মালিক তিনি। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু দান করেন। তিনি সকল বস্তুর উপর মহাক্ষমতাবান।

তাহলে আল্লাহ তার ‎জন্য প্রত্যকটির বিনিময়ে:

(১) লিখে দিবেন জান্নাত আবশ্যককারী ১০টি নেকী

(২) মোচন করবেন ১০টি ধ্বংসকারী গুনাহ

(৩) বৃদ্ধি করবেন ১০টি ‎মর্যাদা

(৪) ‎১০ জন ঈমানদার কৃতদাস মুক্ত করার সমপরিমাণ ছোয়াব দেয়া হবে।‎ (এই কথাটুকু তিরমিযী, নাসাঈ ও সহীহ ইবনে হিব্বানের বর্ণনায় আছে)

(৫) সেই দিন তাকে সব ধরণের অপছন্দনীয় বস্তু থেকে রক্ষা করা হবে

(৬) নিরাপদ রাখা হবে ‎বিতাড়িত শয়তান থেকে। (ফজরের পর পড়লে সারা দিন এবং মাগরিবের পর পড়লে সারা রাত)
অন্য বর্ণনা মোতাবেক: আল্লাহ তার জন্য একদল সশস্ত্র ফেরেশতা প্রেরণ করবেন যারা তাকে সকাল পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট ‌‎থেকে পাহারা দিবেন।‎

(৭) শির্ক ব্যতীত কোন গুনাহ তাকে স্পর্শ করার ‎সুযোগ পাবে না।

(৮) সে হবে ঐ দিন মানুষের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমলকারী।
তবে ঐ ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে তার চেয়ে উত্তম হবে অর্থাৎ তার চেয়ে বেশীবার পাঠ করবে।”‎

‎(মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী, নাসাঈ সুনানে কুবরা, ইবনে হিব্বান) এ হাদিসটি বেশ কয়েকজন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে।‎
সহীহ তারগীব ও তারহীব- আলবানী, হা/ ৪৭৩, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৬, ৪৭৭।
#সংগৃহীত

22/06/2026

এক ব্যক্তি নাপিতের দোকানে চুল কাটাতে গেল। চুল কাটার সময় নাপিত বলল : আমি আল্লাহকে মানি না।

লোকটি জিজ্ঞেস করল : কেন?

নাপিত বলল : রাস্তায় বের হয়ে দেখুন— কত অসহায়, কষ্টে থাকা মানুষ! যদি আল্লাহ থাকতেন, তাহলে মানুষের এমন অবস্থা হতো না।

চুল কেটে লোকটি বাইরে বের হলো। কিছু দূরে গিয়ে সে দেখল— একজন মানুষের চুল খুব এলোমেলো ও অগোছালো।

সে আবার নাপিতের কাছে ফিরে এসে বলল : এই পৃথিবীতে কোনো নাপিত নেই।

নাপিত অবাক হয়ে বলল : আমি তো আছি!

লোকটি বলল : না, নাপিত থাকলে ওই লোকটার চুল এমন এলোমেলো হতো না।

নাপিত বলল : সমস্যা হলো, মানুষ নাপিতের কাছে আসে না।

তখন লোকটি বলল : ঠিক তেমনি, আল্লাহ তো আছেন— কিন্তু মানুষ আল্লাহর দিকে ফিরে আসে না। যদি মানুষ আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তাহলে অবশ্যই তাদের অবস্থা ভালো হবে।

সুতরাং, আল্লাহ সবসময় আছেন— আমাদের উচিত তাঁর দিকে ফিরে আসা, তাঁর উপর ভরসা করা এবং তাঁর নির্দেশ মেনে চলা।

— উমায়ের কোব্বাদি (হাফি.)

Address

Feni
3900

Opening Hours

Monday 09:00 - 08:00
Tuesday 09:00 - 08:00
Wednesday 09:00 - 08:00
Thursday 09:00 - 08:00
Saturday 09:00 - 08:00
Sunday 09:00 - 08:00

Telephone

+8801521498585

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sirat Nama posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sirat Nama:

Shortcuts

Share