30/07/2026
ছবির মেয়েটার নাম অনামিকা জুঁই। এখন বর্তমান বয়স ১৩।
ওর মা সৌদি আরবে চাকরি করে আর বাবা অটোরিকশা চালক।
এই যে অনামিকার কোলে যেই বাচ্চাটাকে দেখতে পাচ্ছেন এটা ওর বাচ্চা। হ্যাঁ, এই মেয়েটার নিজের বাচ্চা। এই বাচ্চার বয়স ৭ মাস।
অনামিকার বয়স যখন ১২ তখন ফেসবুকের মাধ্যমে ২২ বছরের শাকিল নামের একটা ছেলের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর প্রেম, এরপর বাসা থাকা পা*লিয়ে গিয়ে বিয়ে করে৷ তারপর হয় এই বাচ্চাটা।
তো বাচ্চা হওয়ার পর অনামিকার শাশুড়ি আর জামাই বাসা থেকে বের করে দেয়। বাচ্চাটাকে তাদের কাছে রেখে।
এমনকি বাচ্চা যেন কোনোদিন মায়ের কাছে ফিরতে না পারে, সেজন্য আদালতে গার্ডিয়ানশিপ-এর মামলাও ঠুকে দেয় ওই পরিবার!
উপায় না দেখে মেয়েটি যায় লিগ্যাল এইডে।
ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার নিজেই প্রথম দেখে বিশ্বাস করতে পারেননি যে, এই বাচ্চা মেয়েটারও একটি বাচ্চা আছে!🙂
অবশেষে লিগ্যাল এইড ও চকবাজার থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে আড়াই মাস পর ৭ মাসের বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে দেয়া হয়।
এখন কথা হইলো, মা-বাপরা ঘরে বসে করেটা কী?!
১১ বছরের বাচ্চা মাইয়া পলাইয়া গেলো, ১ সপ্তাহ গায়েব থাকলো তারা নাকি "মান-সম্মানের ভয়ে" পুলিশে যান নাই! এই ফালতু মান-সম্মানের চক্করে পইড়া দুইটা বাচ্চার জীবন বরবাদ হইতে দিলেন?
পেটের দায়ে মা বিদেশে, বাপ গাড়ি চালায় বুঝলাম। কিন্তু মেয়ে মোবাইলে কার সাথে প্রেম পারতাছে, কার সাথে ভাগতাছে এই খেয়ালটা কে রাখবে? প্রতিবেশী?
সন্তান জন্ম দেওয়া আর তাকে সুসন্তান হিসেবে বড় করে তোলার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। শুধু মুখের ভাত আর হাতে একটা স্মার্টফোন তুলে দিলেই মা-বাবার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
সোশ্যাল মিডিয়ার এই
যুগে নিজের বাচ্চার ওপর
নজর না রাখলে
এমন ন*র*কই দেখতে হবে।