11/06/2026
আওয়ামীলীগকে যে কারণে ক্ষমা করা উচিত না।
তার কারণ হলো এরা দেশের মানুষকে অনাবরত হুমকি ধমকি ব্যাতিত পজিটিভ রাজনীতি করতে জানে না।
নিজের অপরাধের জন্য আত্মোপলব্ধি, অনুশোচনা বা লজ্জিত হওয়া কি তা তারা জানে না।
উল্টো নিজেদের করা অপরাধের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তাদের পতনের জন্য অন্যের ষড়যন্ত্র তত্ত্বকে সামনে আনে।
আওয়ামীলীগ সূচনালগ্ন থেকে কোনদিন পজিটিভ সৃষ্টিশীল ও উদার ডেমোক্রেটিক রাজনীতি করেনি।
দলটি সব সময় আতঙ্কবাদী, মাফিয়াতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলো।
দলের নামটি দেখেন - আওয়ামী শব্দটি উর্দু ভাষার শব্দ, আবার লীগ ইংরেজি ভাষা থেকে নিলো।
আবার একি নামে পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলও আছে।
দলের স্লোগান দেখেন।
জয় বাংলা!
আবার বলে এটি মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত!
বাংলা হলো ভাষা, জয় বাংলা মানে কি বাংলাদেশ বা বাংলাদেশী বুঝায়?
বাংলা মানে তো পশ্চিমবঙ্গও বুঝায়?
জয় বাংলাদেশ কেন করা হলো না?
আবার দেখেন স্বাধীনতা দিবে বলে কি দিলো?
একদলীয় বাকশাল-রক্ষীবাহিনী- ব্যাংক ডাকাত-কম্বলচোর দিলো। যার স্বীকৃতি আবার মুজিব নিজেই দিলো! হাসিনার পিয়নের ৪০০ কোটির মত!
মুজিব বাকশাল গঠন করে সকল দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করলো! বিনিময়ে কি ঘটলা - মুজিবের দলেই বিদ্রোহ শুরু হলো সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে জাসদ গঠিত হলো।
মুজিব রক্ষী বাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার জাসদ নেতাকর্মীকে হত্যা করলো। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের প্রয়োজনীতা ও প্রেক্ষাপট তৈরি হলো। তার দলের অন্যতম খন্দকার মোশতাক মুজিবকে স্বপরিবারে (জয় বাংলা) করে দেয়ার অন্যতম মাস্টার মাইন্ড ছিলো।
তারপর ৬ বছর তাদের রাজনীতি নাই সব পালিয়ে গেছে ঠিক এখনকার মত, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া ১৯৭৭ সালে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করলেন। লীগ সহ সকল রাজনৈতিক দল পুনরায় রাজনীতির সুযোগ পাইলো।
সে সুযোগে ১৯৮১ সালের ১৭ মে হাসিনা দেশে আসে, আসার ১৩ দিনের মাথায় শহীদ জিয়া খুন হয়।
খুনি হাসিনা তার সেদিনই ভারতের সীমান্তে বোরকা পড়ে পালিয়েছে দিল্লি।
এই আওয়ামীরা অনেক কান্নাকাটি করে ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর ১ম বারের মত স্বাধীন দেশে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে কি করলো?
আবারো নৈরাজ্য সন্ত্রাস উপহার দিলো, তারপর ২০০৬ সালে আবার তত্বাবধায়কের প্রধানকে ইস্যু করে দেশে ১/১১ র প্রেক্ষাপট তৈরি করে আবার লন্ডন পালালো হাসিনা।
সেখান থেকে মইন - ফখরুদ্দিনকে সেইফ এক্সিট দিতে রাজি হয়ে ২০০৮ এর ছলচাতুরীর নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেই ২০০৯ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ৫৭ দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারকে হত্যা করলো বিডিআরকে উসকে দিয়ে।
তারপর তো সবই জানেন কিভাবে দেশের গণতন্ত্র হরণ করে ২০১৪ 'র একতরফা, ২০১৮ 'র রাতের নির্বাচন, ২০২৪ এর ড্যামি নির্বাচন করলো।
পরে আবার ২৪ এর ৫ আগস্ট জাতির রোষানলে পড়ে পালালো লেজ গুটিয়ে।
তাহলে আপনারা বলেন এরা ডেমোক্রেটিক রাজনীতি কবে করেছে?
এখনো প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে, ভয় ভীতি দেখাচ্ছে
আমি মনে করি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের সুযোগ দেয়া উচিত না, যেহেতু তারা ক্ষমা চাইবে না।
খুনি হাসিনাসহ '২৪ এর গনহত্যাকারী আসাদুজ্জামান, কাউয়া কাদের, আনিসুর রহমানদের পক্ষে সাফাই গাইছে, জুলাইকে গালি দিচ্ছে, ষড়যন্ত্র বলছে, তাই এদের কোন ক্ষমা নাই।
এদের ক্ষমা করলে জাতি আমাদেরও ক্ষমা করবে না, কারণ এখনো রক্তের দাগ ও ক্ষতচিহ্ন শুকাইনি।
- এম. বোরহান উদ্দিন রতন।