Dhaka Details

Dhaka Details নান্দনিক কোন বাঁকে যে ছবি আঁকে - তাদের ?

14/09/2026
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয়   নেতার বিরুদ্ধে নোয়াখালী ক্লাবে সাবেক ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানা কে  লাঞ্ছিত ও লুটপাটের অভিযো...
14/09/2026

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে নোয়াখালী ক্লাবে সাবেক ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানা কে লাঞ্ছিত ও লুটপাটের অভিযোগ ||

13/09/2026

চাষীরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত আবদুল করিম ভূঁইয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৩নং চাষীরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক আবদুল করিম ভূঁইয়া।

ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা বর্তমানে জাতীয়তাবাদী যুবদলের হাল ধরে নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

স্থানীয় রাজনীতিতে দলের সংকটময় মুহূর্তে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় সর্বস্তরের কর্মীদের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত এক নাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাষীরহাট ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে একজন সৎ, যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিনের।

দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ওপর আস্থা রেখে বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।

এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাকেই দেখতে চান এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।

চাষীরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আবদুল করিম ভূঁইয়া সবসময় সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনাকালীন সংকট থেকে শুরু করে যেকোনো সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তরুণ ও যুবসমাজের মাঝেও তার রয়েছে এক বিশাল গ্রহণযোগ্যতা।

এলাকাবাসীর দাবি, চাষীরহাট ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন এবং মাদকমুক্ত আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আবদুল করিম ভূঁইয়ার মতো যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশা, দলের নীতি-নির্ধারকেরা সাধারণ জনগণের এই আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করে আসন্ন নির্বাচনে তাকে দলীয় প্রতীক ও সমর্থন প্রদান করবেন।

নিজের প্রার্থীতা প্রসঙ্গে আবদুল করিম ভূঁইয়া বলেন, "আমি ব্যক্তি স্বার্থে নয়, চাষীরহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাজনীতি করে আসছি। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত দলের আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে কাজ করেছি। দল যদি আমাকে মনোনীত করে এবং জনগণ যদি সুযোগ দেয়, তবে চাষীরহাট ইউনিয়নকে একটি জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।

" আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাষীরহাট ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ও হাট-বাজারে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন আবদুল করিম ভূঁইয়ার নাম আলোচিত হচ্ছে. নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারণা এবং সাধারণ জনগণের বিপুল সমর্থন তাকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে এই দক্ষ সংগঠক জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কতটা সফল হন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতার পদ স্থগিতনিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয়...
12/09/2026

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতার পদ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সুলতান জুয়েলের পদসহ দলীয় সব পদ স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সুলতান জুয়েলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদসহ দলীয় সব পর্যায়ের পদ নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি গাজী সুলতান জুয়েলের বিরুদ্ধে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

07/09/2026

আজমেরী হক বাঁধনকে ইতালিতে হেন:স্তা করা হয়। এসময় 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দিতে তাকে জোর করা হয়

নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপর এক যুবতীকে সাথে নিয়ে প্রথম ধাপ স্তন অপারেশন করেছিলেন রোজি আক্তার লিজা (৩১) নামের এক যু...
07/09/2026

নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপর এক যুবতীকে সাথে নিয়ে প্রথম ধাপ স্তন অপারেশন করেছিলেন রোজি আক্তার লিজা (৩১) নামের এক যুবতী। অপারেশনের কয়েক ঘন্টা পরে তার (লিজা) মৃত্যু হয়েছে। মৃত লিজা বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব হাওলাদারের (রব রাজ) মেয়ে।

ঢাকার পান্থপথ গ্রীণ রোডের ইউনিহেলথ স্পেশালাইজড হাসপাতালে গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপারেশনের পর রবিবার (৬ সেপ্টম্বর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে লিজার মৃত্যু হয়েছে। ওইদিন বিকেলে পরিবারের সদস্যরা লাশ নিয়ে আসলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। পরবর্তীতে তড়িঘড়ি করে সন্ধ্যার মধ্যেই লিজাকে দাফন করা হয়েছে।
সরেজমিনে এলাকাবাসী ও মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোজি আক্তার লিজা মেয়ে হলেও ছেলেদের মতো আচিরণ করতো। ছেলেদের মতো চুল কাটাতো। তার (লিজা) বাড়িতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা জেমিনি ওরফে জেনিফা আক্তার নামের এক যুবতীর আনাগোনা ছিলো। ওই যুবতীকে সে (লিজা) স্ত্রী হিসেবে মনে করতো। এমনকি ওই যুবতীও লিজাকে তার স্বামী হিসেবে দেখাশোনা করতো। স্থানীয়রা ধারনা করছেন, লিজার সাথে জেনিফার সমকামিতার সম্পর্ক ছিলো।
সূত্রমতে, গত প্রায় তিনবছর পূর্বে একই সম্পর্কে লিজা তার আপন ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছিলো। পরবর্তীতে তারা পূনরায় বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর জেনিফার সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিজার পরিচয় হয়। এরপর থেকে জেনিফা প্রায়ই লিজাদের বাড়িতে এসে মাসের পর মাস একসাথে বসবাস করতো। বিষয়টি লিজার বাবা ও মা জানলেও জেনিফা কৌশলে তাদের আপন করে নেয়ায় তারা মুখ বুঝে সব সহ্য করে গেছেন।
মৃত রোজীর বাবা আব্দুর রব হাওলাদার বলেন, সে (জেনিফা) যে স্বাক্ষর করবে, তার স্বাক্ষরে যে অপারেশন হবে সে বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। এমনকি লিজার নাম যে সরফরাজ রাখা হয়েছে তা আজই কেবল জেনেছি। তিনি আরো বলেন, লিজা অপারেশন করে পুরুষ হয়ে জেনিফাকে বিয়ে করবে এমনটা ওর (লিজা) মায়ের কাছে শুনেছি।
মৃত লিজার মা ফজিলা বেগম বলেন, আমার মেয়ে লিজা ছোট বেলা থেকেই কোন ছেলেকে পছন্দ করতোনা। তাকে জোরকরে দুইবার বিয়ে দেয়া হয়েছিলো। কোনখানেই সে (লিজা) সংসার করেনি। ছেলেদের সাথে সঙ্গ দেয়া কিংবা ঘর সংসার করার কোন মনমানসিকতাই তার ছিলোনা।
বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখে ওই হাসপাতালসহ জেন্ডার পরিবর্তনের অপারেশনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সচেতন নাগরিকরা জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এমপি চিকিৎসা শেষে দেশে ফে...
05/09/2026

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এমপি চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর আজ অগ্রজ এই রাজনীতিবিদকে দেখতে যান সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লা বুলু ও ঢাকা মহানগর যুবদল নেতা মাসুদ রানা।

“যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা”বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সা...
31/08/2026

“যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা”

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নতুন এ দলটিকে সংগঠিত করে এর রূপকার হয়েছিলেন। তিনি ’৭৫-এর আগস্ট-পরবর্তী সংকটময় দশা থেকে দেশের রাজনীতি, সমাজ, অন্যতম প্রতিষ্ঠান সামরিক বাহিনীকে সুশৃঙ্খল করা এবং সরকার ও রাষ্ট্র প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে নেওয়া এবং নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশকে একটা সুস্থ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের যথার্থ উন্নয়নের ধারায় সুস্থিতি দেওয়ার লক্ষ্যে একটা অসাধারণ উদ্ভাবনমূলক ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শ সুপ্রতিষ্ঠার টেকসই ভিত্তিভূমি তৈরি করতে তাঁর জীবনের শেষ দিনটি অবধি প্রচ- লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাঁর সেই ভূমিকাই বিএনপিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম সেরা রাজনৈতিক দলের মর্যাদা দান করেছে।

১৯৭২-১৯৭৪ সময়ের আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৯৭৫-এর জানুয়ারি থেকে একদলীয় বাকশাল সরকারের আমলে দেশবাসীর অর্থনৈতিক দুর্দশা চরমে পৌঁছে। ’৭৫-এর আগস্টে সেনাবাহিনীর একটা ক্ষুদ্র অংশের সমর্থনে বাকশাল সরকারের কয়েকজন নেতার চক্রান্তে যে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে সেসব ‘ব্যর্থ-রাষ্ট্র’সুলভ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে বাংলাদেশকে একটা গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন তৎপরতার ব্যাপক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার সংগ্রামে অবদান রেখেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সেই রাষ্ট্রিক ক্রিয়াকর্মের সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে তিনি এই বিএনপি সংগঠিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। ’৭১-এর সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ’৭৫-এর মধ্যভাগে জাতির চরম দুর্দশার দিনে রাষ্ট্রটিকে সঠিক শৃঙ্খলার পথে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আবার হাল ধরেছিলেন দেশবাসীর সমর্থনে। সেই মুক্তিযুদ্ধ প্রারম্ভকালে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে দখলদার বর্বর পাক বাহিনীর বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ ধ্বংসের লক্ষ্যে পরিচালিত বর্বর আক্রমণের বিরুদ্ধে মেজর জিয়া তাঁর অধীন প্রায় ৩০০ বাঙালি সেনার কমান্ডার-রূপে বিদ্রোহ করে দেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। সেই সামরিক অফিসার জিয়াউর রহমান কালক্রমে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী-প্রধান, প্রেসিডেন্ট এবং রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিলেন, একজন সফল রাষ্ট্রনায়কে পরিণত করতে পেরেছিলেন নিজেকে। বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন সাফল্য দৃশ্যমান তার আসল রূপকার সত্তর দশকের মধ্যভাগ থেকে শেষ ভাগ এবং আশির প্রথম ভাগের রাষ্ট্রনেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

এ দেশের রাজনীতির ওয়াকিবহাল মানুষমাত্রই উপলব্ধি করে থাকবেন এবং করবেন, যত মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) প্রতিষ্ঠা করা হয়ে থাক না কেন, দেশের সব রাজনৈতিক দলকে বিলুপ্ত করে এবং সব সংবাদপত্র অবলুপ্ত করে চারটি মাত্র শতভাগ-সরকারি মালিকানাধীন দৈনিক পত্রিকা চালু রেখে যে ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল তা এ দেশে ও বহির্বিশ্বে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। সুযোগের-অপেক্ষায় থাকা বাকশাল সরকারের ক্ষমতালোভী ও চক্রান্তকারী অংশ খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে এবং সামরিক বাহিনীর একটা বিভ্রান্ত-অংশ (ছয় মেজর ও ১১ জুনিয়র অফিসারের যৌথ নেতৃত্বে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের সহায়তা-লাভের মাধ্যমে)-কে ব্যবহার করে এ অঞ্চলের একটি কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী এ ষড়যন্ত্রের পেছনে মূল মদদদাতা হিসেবে কাজ করে। তাদের পেছনে ‘বিশ্বমোড়ল’-খ্যাত একটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার সমর্থন ছিল বলে যৌক্তিক তথ্য-উপাত্ত-সংবলিত অভিযোগ পাওয়া যায়।

’৭৫-এর মধ্য-আগস্ট থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ অবধি নানা ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের একপর্যায়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ভোরে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হন এবং নতুন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের অধীনে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। বস্তুত সেনাপ্রধান ও এক নম্বর উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসকরূপে দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হন। জেনারেল জিয়া তখন থেকেই কার্যত রাষ্ট্রের প্রধান নীতিনির্ধারকে পরিণত হয়েছিলেন। বস্তুত সামরিক বাহিনীর ভিতরে এবং জনগণের মধ্যে জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে বড় নেতা হওয়ার আস্থা সৃষ্টি হয়েছিল Ñ’৭১ সাল থেকে সেই সময় অবধি তাঁর দেশপ্রেমমূলক কর্মকান্ডের বহিঃপ্রকাশ দেশ-জনতা প্রত্যক্ষ করেছিল। তারপর অচিরেই তখনকার বাস্তবতায় বিকল্পহীন পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হন এবং তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুরো সামরিক শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেন। সে প্রক্রিয়ার সময় জিয়াউর রহমান প্রথম দিকে একবার রাজনীতি না করে পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর সংগঠিত শক্তির কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি সেনাছাউনিতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তখন দেখলেন, দেশের সামরিক বাহিনীর ক্যান্টনমেন্টগুলোয় তখনো ‘তথাকথিত বিপ্লবের নামে’ নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কা ছাড়াও রাজনৈতিক পরিম-লে শক্তিশালী কোনো রাজনৈতিক দল নেই বা যারা আছে তারা দেশবাসীর আস্থা অর্জনে সক্ষম নয়।

তখন জিয়াউর রহমান বাধ্য হয়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের রাজনীতি প্রবর্তন করেন। এর আগে ১৯৭৬ ও ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সুদীর্ঘ সময়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের কর্মকান্ডে প্রকৃত গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী একটা কর্মমুখী রাজনীতি চালুর তৎপরতার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক আলোচনা বৈঠক চালান। সেসব বৈঠকে দেশের মূল সমস্যাগুলোর অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়। তাঁর সঙ্গে তখনকার ন্যাপ (ভাসানী), বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, জাতীয় দল, জাতীয় গণমুক্তি ইউনিয়ন, জাতীয় জনতা পার্টি (কোরেশী গ্রুপ), গণআজাদী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শের বুদ্ধিজীবীরা অবিরাম বৈঠক করেছেন, চমৎকার মুক্ত আলোচনার সেসব সভায় দেশের নতুন রাজনীতির একটা সংগঠিত রূপদানের পক্ষে বক্তব্য প্রাধান্য পেয়েছে।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে দেশের গণমানুষের ইস্পাতকঠিন গণঐক্যের ওপরে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছিল‘সুদৃঢ় এবং অভেদ্য জাতীয় ঐক্যবোধ এবং জাতীয় অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা না থাকলে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও নয়া-উপনিবেশবাদের গ্রাস থেকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করা দুঃসাধ্য।’ এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে ৩১টি দফায় রয়েছে‘ঐক্যবদ্ধ অগ্রগতির অমোঘ দাবি : উৎপাদনের রাজনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্র’, ‘জাতীয়তাবাদভিত্তিক ইস্পাতকঠিন গণঐক্য’, ‘সার্বভৌমত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দ্রুত উন্নয়নের মাধ্যম : স্থিতিশীল গণতন্ত্র’, ‘বিলুপ্ত মানবিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবন’, ‘স্থিতিশীল গণতন্ত্রের রূপরেখা, প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার, নির্বাচিত ও সার্বভৌম আইন পরিষদের মাধ্যমে সজীব ও সক্রিয় গণঅংশীদারি কায়েম’, ‘স্থানীয় এলাকা সরকার ও বিকেন্দ্রীভূত রাজনৈতিক ক্ষমতা’, ‘সামাজিক ন্যায়বিচারের অর্থনীতি’, ‘জাতিগঠন, সমাজসেবা ও উপার্জনমুখী কার্যক্রমে যুবশক্তির সদ্ব্যবহার’, ‘জাতীয় পররাষ্ট্রনীতির উপাদান ও লক্ষ্য : স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক প্রীতি ও সখ্য’ ইত্যাদি। এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বিক বিষয়াবলি স্থান পেয়েছে। বিএনপিকে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একটি শক্তিশালী জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়ে গেছেন তার শুরুতেই। তাই তো এত আঘাতের পর আঘাতেও বিএনপি টিকে আছে দেশের নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে। ভবিষ্যতেও দেশ ও দেশবাসীর সার্বিক মুক্তির লড়াইয়ে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই দল, রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার দল প্রচ- শক্তিতে থাকবে রাজপথে। এবং গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জনযুদ্ধের ময়দানে, আবার সরকার পরিচালনার জনপ্রতিনিধিত্ব করার জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেএকটা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা সুষ্ঠু, জনগণের প্রকৃত ভোটের নির্বাচন কায়েমের লড়াইয়ে।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
রমনা রেস্তোরাঁয় এক অনারম্বর সংবাদ সম্মেলনে
ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
-বিএনপি'র শুভযাত্রা ঘোষণা করেন।

জাসাস সোনাইমুড়ী উপজেলার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন আনোয়ার বারী পিন্টুবিশেষ প্রতিনিধি:জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস...
31/08/2026

জাসাস সোনাইমুড়ী উপজেলার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন আনোয়ার বারী পিন্টু

বিশেষ প্রতিনিধি:
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) নোয়াখালী জেলা শাখার আওতাধীন জাসাস সোনাইমুড়ী উপজেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ১নং জয়াগ ইউনিয়নের বাসিন্দা ও লেখক ও সাংবাদিক আনোয়ার বারী পিন্টু সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি নোয়াখালী জেলা জাসাস এর সহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ছাত্ররাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন ।

আনোয়ার বারী পিন্টু মূলত নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী অঞ্চলভিত্তিক সাংবাদিকতা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে ফ্রিল্যান্স কলামিস্ট ও বিশ্লেষক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। স্থানীয় সাংবাদিকতা, প্রেস ক্লাবের নেতৃত্ব এবং জাতীয় গণমাধ্যমে নিয়মিত কলাম লেখার মাধ্যমে তিনি গত কয়েক বছর ধরে বেশ পরিচিত মুখ।

তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতায় অত্যন্ত সক্রিয় এবং সোনাইমুড়ী প্রেস ক্লাবের নেতৃত্বের সাথে যুক্ত। ২০১৮ সালে গঠিত সোনাইমুড়ী প্রেস ক্লাবের কমিটিতে তিনি দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অধিকার ও আন্দোলন: স্থানীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা এবং তাঁদের সুরক্ষায় তিনি বরাবরই সোচ্চার। বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা হুমকির প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে ও প্রতিবাদ সভায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

সোনাইমুড়ী উপজেলা জাসাস এর ঘোষিত ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রনজিৎ দাস শেখর এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ মনজুর হোসেন। কমিটিতে আনোয়ার বারী পিন্টু ছাড়াও সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল কাইয়ুম (সিনিয়র সহ-সভাপতি), মোঃ নুরুল ইসলাম ও মোঃ কামাল।

কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ওমর ফারুক সুমন; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নূরুল হুদা রিংকু, মোশারফ হোসেন ও শাহাজান মোল্লা। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্বপন ভূঁইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ রাসেল, প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ সোহাগ, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ আব্দুল্লাহ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে বেলাল হোসেন, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে জাবেদ এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাইফুর রহমান (শুভ)।

জাসাস সোনাইমুড়ী উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ার পর সাংবাদিক আনোয়ার বারী পিন্টু সংগঠনের জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি জানান, অর্পিত এই দায়িত্বের মাধ্যমে আগামী দিনে সোনাইমুড়ী উপজেলা জাসাসের সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে তিনি কাজ করে যাবেন।

সোনাইমুড়ী উপজেলা জাসাস কমিটি ঘোষণা নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনাইমুড়ী উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর ক...
30/08/2026

সোনাইমুড়ী উপজেলা জাসাস কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনাইমুড়ী উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে রনজিত দাশ শেখর আহবায়ক সিনিয়র সহ সভাপতি আবদুল কাইয়ুম, সহ সভাপতি আনোয়ার বারী পিন্টু ও সদস্য সচিব করা হয়েছে মঞ্জুর হোসাইন কে। নোয়াখালী জেলা জাসাস এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর স্বাক্ষরে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটি ঘোষণার পর এক শুভেচ্ছা বার্তায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সোনাইমুড়ী চাটখিল ১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকে সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

জাসাস নেতারা আশা প্রকাশ করেন, মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় এর সুযোগ্য ও দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় সোনাইমুড়ী উপজেলা জাসাস অতীতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, সুসংগঠিত এবং গতিশীল হয়ে উঠবে।

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করে এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের কাজের স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka Details posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dhaka Details:

Shortcuts

Share