Mohammad Syeedur Rahman

Mohammad Syeedur Rahman Mohammad Syeedur Rahman

26/08/2025

পুরুষের সবচেয়ে বড় শত্রু তার নিজের নুনু। আর নারীর?

আপনার প্যান্টের ভেতরের অঙ্গটিই কি আপনার ব্রেনকে কন্ট্রোল করে? পুরুষের পতন কি তার নিজের রক্ত-মাংসে লেখা থাকে?
আর নারীর সর্বনাশ কি তার অফুরন্ত চাহিদার আগুনে?

আজ কোনো ভদ্রতার মুখোশ নয়, কোনো মিষ্টি কথার প্রলেপ নয়। আজ আমি, ফারহানা, সেই কদর্য, ভয়ংকর সত্যটা তুলে ধরব, যা আমাদের সমাজকে, সম্পর্কগুলোকে, আর আমাদের ভেতরকার সত্তাটাকে একটা অদৃশ্য ক্যান্সারের মতো কুরে কুরে খাচ্ছে।

ভয় পাবেন না, কারণ ভয় পেয়েই তো জীবনটা শেষ করে দিলেন। আজ মুখোমুখি হওয়ার দিন।

পুরুষ: আপনার সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক কি আপনার নিজের শরীরেই বাস করে?

চলুন, সমস্ত ভনিতা আর সামাজিকতার দেয়াল ভেঙে আজ কথা বলি। একজন পুরুষ হিসেবে, আপনার জীবনের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে বিধ্বংসী শত্রু কে? কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী? কোনো অশুভ শক্তি? নাকি আপনার ভাগ্য? না। আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু আপনারই শরীরের একটি অংশ। হ্যাঁ, আমি আপনার সেই অঙ্গটির কথাই বলছি, যাকে ঘিরে আপনার পৌরুষের অহংকার, আপনার ক্ষমতার দম্ভ, আপনার আদিম অস্তিত্বের জানান। আপনার ‘নুনু’। যে অঙ্গটি আপনাকে সৃষ্টির স্বর্গীয় ক্ষমতা দিয়েছে, সেই অঙ্গটিই যখন আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন সেটি আপনার জন্য নরকের দরজা খুলে দেয়।

একবার আপনার জীবনের দিকে ফিরে তাকান। কতগুলো সাজানো স্বপ্ন, কতগুলো সুন্দর সম্পর্ক, কতগুলো উজ্জ্বল সম্ভাবনা শুধু এক মুহূর্তের শারীরিক উন্মাদনার কাছে বলিদান দিয়েছেন? আপনার প্যান্টের ভেতরের সেই আদিম আগ্নেয়গিরি যখন জেগে ওঠে, তখন কি আপনার মস্তিষ্ক, আপনার বিবেক, আপনার বছরের পর বছর ধরে অর্জিত জ্ঞান আর সম্মান—সবকিছু এক মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় না?

আপনি একজন বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ মানুষ। আপনি জানেন কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল। আপনি আপনার স্ত্রী বা সঙ্গীকে ভালোবাসেন, তাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মূল্য বোঝেন। কিন্তু যখন এক মুহূর্তের জন্য আপনার চোখের সামনে অন্য কোনো শরীর ভেসে ওঠে, তখন আপনার ভেতরের সেই নিয়ন্ত্রণহীন জানোয়ারটা জেগে ওঠে। সেই জানোয়ার আপনার সমস্ত বিবেককে গলা টিপে হত্যা করে। সে আপনাকে বোঝায়, "এটাই জীবন। একবারই তো সুযোগ। উপভোগ করে নাও।" আর আপনি, একজন শক্তিশালী পুরুষ, সেই কয়েক ইঞ্চি মাংসের দাসের মতো তার নির্দেশ পালন করেন।

আপনি ভাবেন, কেউ জানবে না। কিন্তু আপনি ভুলে যান, আপনার সবচেয়ে বড় বিচারক আপনি নিজেই। ক্ষণিকের উত্তেজনার পর যখন আপনি একা হন, তখন নিজের প্রতি যে ঘৃণা, যে আত্মগ্লানি অনুভব করেন, সেই নরকযন্ত্রণা থেকে আপনাকে কে মুক্তি দেবে? যে পুরুষ তার যৌন ইচ্ছাকে শাসন করতে পারে না, সে আসলে একজন ক্রীতদাস। তার শরীর তার কাছে একটা কারাগার। সে সারাজীবন শুধু তাৎক্ষণিক মুক্তির জন্য ছটফট করে, আর সেই মুক্তির লোভে সে তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সবকিছু—বিশ্বাস, ভালোবাসা, সম্মান, শান্তি—একে একে হারাতে থাকে।

ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীর বহু ক্ষমতাধর রাজা, জ্ঞানী ব্যক্তি, সফল মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে শুধু তাদের এই একটি দুর্বলতার কারণে। তাদের তলোয়ারের ধার, বুদ্ধির জোর—কোনোকিছুই তাদের কামনার আগুনের সামনে টিকতে পারেনি। আপনিও সেই একই ফাঁদে পা দিচ্ছেন না তো? আপনার জীবনের যত বিপর্যয়, যত অশান্তি, তার মূলে কি আপনার এই নিয়ন্ত্রণহীন শারীরিক ক্ষুধা দায়ী নয়? নিজেকে প্রশ্ন করুন। উত্তরটা যদি ভয়ঙ্কর হয়, তাহলে বুঝবেন, বিপদ সংকেত আপনার কানের পাশেই বাজছে। সময় থাকতে লাগামটা ধরুন, নইলে এই লাগামহীন ঘোড়া আপনাকে এমন জায়গায় আছড়ে ফেলবে, যেখান থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না।

নারী: আপনার অতৃপ্ত লোভই কি আপনার শরীরকে পণ্য বানিয়ে তুলেছে?

এবার নারীদের দিকে আসি। সমাজের চোখে আপনারা কোমল, মমতাময়ী, ভালোবাসার প্রতিমূর্তি। কিন্তু আপনার বুকের ভেতরের সেই গোপন কুঠুরিতে কী বাস করে? সেখানে কি ভালোবাসা আর মমতার পাশাপাশি এক অতৃপ্ত, ক্ষুধার্ত রাক্ষসী বাস করে না? যে রাক্ষসীর খিদে কখনো মেটে না? আর সেই রাক্ষসীর নাম হলো ‘লোভ’।

আপনার স্বামী বা সঙ্গী আপনাকে ভালোবাসে। সে তার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আপনার সব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করে। সে আপনাকে সম্মান দেয়, সময় দেয়, নিরাপত্তা দেয়। আপনার জীবনটা হয়তো অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। কিন্তু আপনার মন ভরে না। কারণ, আপনার চোখ নিজের প্লেটের দিকে নয়, অন্যের প্লেটের দিকে। ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে অন্যের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, বান্ধবীর নতুন ডায়মন্ডের নেকলেস, প্রতিবেশীর নতুন মডেলের গাড়ি—এই সবকিছু আপনার ভেতরের অতৃপ্তির আগুনে ঘি ঢালে। আপনার মনে হয়, "আমার যা আছে, তা যথেষ্ট নয়। আমার আরও চাই, আরও চাই, আরও চাই!"

এই ‘আরও চাই’ রোগটা এক ভয়ংকর মানসিক ক্যান্সার। এটা আপনার শান্তিকে কেড়ে নেয়, আপনার ঘুমকে নষ্ট করে দেয়। আপনার সঙ্গীর অক্লান্ত পরিশ্রম, তার ভালোবাসা, তার ত্যাগ—সবকিছু আপনার কাছে তুচ্ছ মনে হতে থাকে। আপনার চোখে তখন সে আর ভালোবাসার মানুষ থাকে না, হয়ে ওঠে আপনার অফুরন্ত চাহিদার জোগান দেওয়ার একটা মেশিন।

আমি ফারহানা বলছি, আমি নিজের চোখে দেখেছি কীভাবে এই সর্বনাশা লোভ একটা সাজানো সংসারকে ধ্বংস করে দেয়। যখন একজন নারীর স্বামী তার আকাশছোঁয়া চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, আর ঠিক সেই মুহূর্তে অন্য কোনো পুরুষ তার সামনে অর্থের ঝনঝনানি, ক্ষমতার হাতছানি আর বিলাসিতার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে হাজির হয়, তখন কী হয়?

তখন কিছু নারী তার নীতি, আদর্শ, সততা, এমনকি তার নিজের শরীরকেও বিসর্জন দিতে দ্বিধা করে না। যে শরীরটা ছিল ভালোবাসার মন্দির, সেই শরীরকেই সে তার লোভ মেটানোর জন্য সবচেয়ে সহজ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। সে এক পুরুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাসকে পায়ের নিচে পিষে অন্য পুরুষের অর্থে কেনা বিছানায় নিজেকে সঁপে দেয়। সে ভাবে, সে খুব চালাক। সে ভালোবাসা আর বিলাসিতা—দুটোই ভোগ করছে। কিন্তু সে আসলে নিজের আত্মাকেই একটু একটু করে বিক্রি করে দিচ্ছে।

এই ধরনের নারীরা ভুলে যায়, টাকা দিয়ে দামী অলংকার কেনা যায়, সম্মান নয়। টাকা দিয়ে বিলাসবহুল জীবন কেনা যায়, কিন্তু মানসিক শান্তি কেনা যায় না। যখন সেই অর্থদাতা পুরুষটি তাকে ব্যবহার করার পর ছুড়ে ফেলে দেয়, তখন সে না পায় সম্মান, না পায় ভালোবাসা। তার জন্য পড়ে থাকে শুধু একরাশ অনুশোচনা আর একাকীত্ব। যে নারী অল্পে তুষ্ট থাকতে জানে, যে তার সঙ্গীর পাশে থেকে শূন্য থেকে শিখরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, সেই প্রকৃত রানী। আর যে নারী অন্যের তৈরি প্রাসাদের লোভে নিজের কুঁড়েঘরের রাজাকে ছেড়ে যায়, তার ভাগ্য দাসী হওয়া ছাড়া আর কিছুই লেখা থাকে না।

এতক্ষণ ধরে যে দুটি ভয়ংকর শত্রুর কথা বললাম—পুরুষের নিয়ন্ত্রণহীন ‘নুনু’ আর নারীর অতৃপ্ত ‘লোভ’—এগুলোই আপনার জীবনের ৭০ শতাংশ সমস্যার মূল কারণ। বিশ্বাস হচ্ছে না?

একবার ভাবুন, যে পুরুষ তার যৌন ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিখে গেছে, সে কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করবে না। তার পরিবারে অশান্তি থাকবে না। সে তার সমস্ত শক্তি, মেধা আর সময় নিজের উন্নতিতে এবং পরিবারকে ভালোবাসায় ব্যয় করবে। তার জীবনে আসবে সফলতা, সম্মান আর মানসিক স্থিতি।

আর যে নারী তার লোভকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখে গেছে, সে তার সঙ্গীর অল্প আয়েও সুখী থাকবে। সে বাইরের চাকচিক্য দেখে হাহুতাশ করবে না। সে তার সঙ্গীর সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠবে, বোঝা নয়। তাদের সংসারে থাকবে বিশ্বাস, বোঝাপড়া আর অফুরন্ত ভালোবাসা।

বিষয়টা খুবই সরল। আপনার যুদ্ধটা বাইরের কারো সাথে নয়, আপনার যুদ্ধ আপনার নিজের ভেতরের এই পশুটার সাথে। পুরুষকে তার প্যান্টের ভেতরের পশুটাকে বশ করতে হবে, আর নারীকে তার বুকের ভেতরের পশুটাকে।

আজ রাতেই সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কি আপনার ভেতরের জানোয়ারটার দাস হয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন? নাকি তাকে শিকল পরিয়ে নিজের আত্মার অধিপতি হবেন?

পুরুষদের জন্য: আপনার আসল পৌরুষ আপনার নিয়ন্ত্রণহীনতায় নয়, আপনার কঠোর আত্মনিয়ন্ত্রণে। আপনার শক্তি হাজারটা শরীর জয় করায় নয়, একটা মনকে আজীবন বিশ্বস্ত থাকায়।

নারীদের জন্য: আপনার আসল সৌন্দর্য দামী পোশাকে নয়, আপনার তৃপ্ত হাসিতে। আপনার আসল শক্তি অন্যের সম্পদে নয়, নিজের সঙ্গীর প্রতি अटूट (অটুট) বিশ্বাসে।

আমি ফারহানা, আপনাদের বিচার করতে আসিনি। এসেছি শুধু আয়নাটা তুলে ধরতে। সেই আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে যদি ভয় লাগে, যদি নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তাহলে জানবেন—এখনো সময় আছে। কাল সকালটা আপনার জন্য একটা নতুন সুযোগ। হয় নিজেকে বদলান, নয়তো এই আত্মবিধ্বংসী খেলায় তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। সিদ্ধান্ত আপনার।

, , , , , , , , ,

10/08/2025
এই ছবিটির শিরোনাম দিতে পারেননি কেউ। এমনকি, এর চিত্রগ্রাহক ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো'র ফটোগ্রাফার নিজেও, ছবিটির শিরোনাম-বিষয়ক প্...
17/07/2025

এই ছবিটির শিরোনাম দিতে পারেননি কেউ। এমনকি, এর চিত্রগ্রাহক ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো'র ফটোগ্রাফার নিজেও, ছবিটির শিরোনাম-বিষয়ক প্রশ্নে চুপ থেকেছেন চিরকাল। ছবির দু'জনের একজন─ মা, সোমায়েহ্‌ মেহরি, ২৯ বছর বয়সী তরুণী; অপরজন তাঁর কন্যা, ৩ বছর বয়সী─ রানা আফগানিপোর। দক্ষিণ ইরানের ব্যাম শহরে বাড়ি তাঁদের। খুব প্রিয়তম মানুষটি─ সোমায়েহ্‌'র স্বামী, রানা'র বাবা─ অ্যাসিড ছুঁড়ে মেরেছিলো স্ত্রী-কন্যার দেহে। চিরতরে চেহারার স্বাভাবিক রূপ হারিয়ে ফেললেন দু'জন মানুষ। আহ্!

বহু চেষ্টা শেষে, মা ও কন্যা, উভয়কেই বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হলেন চিকিৎসকেরা। সুস্থ হওয়ার পরে, এই ছবির দৃশ্যটিই ছিল তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ, হাসপাতালে। কন্যার মুখখানা দেখে, মায়ের বুকের ভিতরে কেমন ছিল ওসময়কার হৃৎপিণ্ডটির ধুকপুক? কেউই জানে না। জানে না, কন্যার ছোট্ট অন্তরটুকু ফেটে যাচ্ছিলো কিনা চিরচেনা মায়ের ওই রূপটুকু চোখে পড়তেই! ফটোগ্রাফার, ক্যামেরার আই-হোলে রেখেছিলেন তাঁর ঝাপসা চোখ। আশপাশ কাঁদছিলো নিশ্চুপে। ওসময়েই, পরস্পরের দিকে, একছুটে দৌড়ে গিয়েছিলেন কন্যা-জননী। বুকে-বুক মেখে, এই চুমুটি রেখেছিলেন তাঁরা, পৃথিবীর বুকে জমা। এই দৃশ্যের কী নাম দেবেন আপনি?

তবুও মানুষ বেঁচে থাকবে, বিলিয়ন বছর আরও বাঁচবে মানুষ। পৃথিবী আর কতো বিলিয়ন বছর পুরনো হলে পর, একজন পিতা তাঁর কন্যাকে বুকে লুকিয়ে রেখে আশ্বাসে বলবেন─ "আছি তো মা! আছি তো!" একজন স্ত্রী ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে থাকবেন না তাঁর স্বামীর সম্মুখে আর কতো বিলিয়ন বছর বয়স হলে মানবজাতির?

একজন মা তাঁর শিশুকন্যাকে ঘুমের ভিতরেই জড়িয়ে ধরে আছেন, অ্যাসিডে দগ্ধ। "ভয় লাগে মা?" পৃথিবী রে!

এরকম আরেকটি হৃদয়বিদারক দৃশ্য না-দেখুক পৃথিবী। মানুষ মানুষকে ভালোবাসুক। রানা, তুমি ভালো থেকো সোমায়েহ্‌'র বুকে। কী আসে যায় রূপে? এমন আর একটি চুমু মানুষ দিতে পারেনি পরস্পরকে মানবেতিহাসে। বড়ো মমতার চুমু। বড়ো দুঃখের চুমু।

#যে_দৃশ্যের_নাম_হয়_না

মেট্রোরেল এ কোন স্টেশনে নামলে:- ঢাকার ভিতরে সহজে কোথায় কোথায় যেতে পারবেন!এবং ভাড়া সংক্রান্ত তথ্য ✅১)  #উত্তরা_উত্তর_স্ট...
18/05/2025

মেট্রোরেল এ কোন স্টেশনে নামলে:- ঢাকার ভিতরে সহজে কোথায় কোথায় যেতে পারবেন!
এবং ভাড়া সংক্রান্ত তথ্য ✅

১) #উত্তরা_উত্তর_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট, টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলের ভাড়া ১০০ টাকা।

২) #উত্তরা_সেন্টার_স্টেশনে_নামলে:-Metro Station - (Uttara Center): সেক্টর ১৮, রাজউক উত্তরা মডেল টাউন, বউ বাজার, পঞ্চবটি, বোটক্লাব, বীরুলিয়া ব্রীজ, বীরুলিয়া ব্রীজ থেকে সাভার, আশুলিয়া। উত্তরা উত্তর থেকে সর্বনিম্ন ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

৩) #উত্তরা_দক্ষিণ_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Uttara South): ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, শান্তা-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ভবন, বৃন্দাবন বাজার, এয়ারপোর্ট, । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

৪) #পল্লবী_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Pallabi): মিরপুর ১২, মিরপুর ডিওএইচএস, মিরপুর সেনানিবাস, ইষ্টার্ন হাউজিং, আফতাব নগর হাউজিং, বিইউপি, কালসী মোড়,মুসলিম বাজার, ইসিবি চত্বর,রুপনগর,আবাসিক,দুয়ারিপাড়া,আরিফাবাদ।
উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা।মতিঝিল থেকে: ৮০ টাকা।

৫) #মিরপুর_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Mirpur 11): পূরবী সিনেমা হল, কালসী মোড়, আধুনিক,ইসিবি চত্বর, মিরপুর ১১, মিল্কভিটা,চলন্তিকা মোড়,শিয়াল বাড়ি,প্রশিকা, মিরপুর-১,৬,৭, চিড়িয়াখানা।
উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা।মতিঝিল থেকে: ৭০ টাকা।

৬) #মিরপুর_১০_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Mirpur- 10): মিরপুর গোল চক্কর, সেনপাড়া, পাশেই ফলপট্টিতে ব্যাংক জব প্রস্তুতির সেরা প্রতিষ্ঠান Turning Point Job Aid পেয়ে যাবেন। মিরপুর-১,২,BRTA, হোপ মার্কেট,শাহ আলী মার্কেট,চিড়িয়াখানা , হার্ট ফাউন্ডেশন, পাকা মসজিদ, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী, আমীনবাজার, সাভার, মিরপুর-১৩, ১৪, পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ভাষাণটেক, কচুক্ষেত, বনানী, বনানী থেকে উত্তরা বা মহাখালী অভিমূখের যেকোনো জায়গা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

৭) #কাজীপাড়া_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Kazipara): কাজীপাড়া, বেগম রোকেয়া সরণী, ইটাখোলা বাজার, পূর্ব মনিপুর, বৌবাজার, সাততারা মসজিদ রোড এবং এর আশেপাশে। উত্তরা দিয়া বাড়ি থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

৮) #শেওড়াপাড়া_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Shewrapara): শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, এবং এর আশেপাশে। ভাড়া: ৫০ টাকা। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

৯) #আগারগাঁও_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Agergaon) : আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস, বিসিএস কম্পিউটার সিটি, চক্ষু হাসপাতাল, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, শ্যামলী, জাপান গার্ডেন সিটি, টেকনিক্যাল , গাবতলী, শিশু হাসপাতাল, শিশু মেলা, তালতলা এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

(১০) #বিজয়_সরণী_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Bijoy Sarani): বিজয় সরণী, জাতীয় সংসদ,নব থিয়েটার, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, শাহীন স্কুল ও কলেজ, তেজগাঁও এয়ার পোর্ট, শাহীন বাগ, নাখালপাড়া এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৪০ টাকা।

(১১) #ফার্মগেট_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Farmgate) : ফার্মগেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি -২৭, ২৮, লালমাটিয়া, তেজগাঁও কলেজ, বিজ্ঞান কলেজ, হলিক্রস কলেজ এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৭০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

(১২) #কাওরান_বাজার_স্টেশনে_নামলে:-( Metro Station - Kawran Bazar) : কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বসুন্ধরা সিটি, পান্থপথ, স্কয়ার হাসপাতাল, বিআরবি হাসপাতাল, ধানমন্ডি -৩২, কলাবাগান এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

(১৩) #শাহবাগ_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Shahbagh) : শাহবাগ জাদুঘর, পিজি হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, রমনা পার্ক, সাইন্স ল্যাব, সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ, ল্যাবএইড হাসপাতাল এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

১৪) #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Dhaka University) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট, শহিদ মিনার, শিশু একাডেমী, আজিমপুর, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, নিউ মার্কেট, চক বাজার। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

(১৫) #বাংলাদেশ_সচিবালয়_স্টেশনে_নামলে:-(Metro Station - Bangladesh Secretariat) : সচিবালয়, প্রেস ক্লাব, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, পল্টন, বিজয়নগর, মিন্টু রোড, বেইলী রোড, ভিকারুননিসা স্কুল, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া : ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

(১৬) #মতিঝিল_স্টেশনে_নামলে:-( Metro Station - Motijheel) : মতিঝিল, দিলকুশা, কমলাপুর , বঙ্গভবন , বাংলাদেশ ব্যাংক, নটরডেম কলেজ, আরামবাগ, ফকিরাপুল এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ১০০/- টাকা।

#সময়সূচি #ভাড়া

জনস্বার্থে পোস্ট ভালো লাগলে লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।
©

11/05/2025
11/05/2025

একজনকে ঠ'কি'য়ে আজ যে আপনার কাছে এসেছে... কাল সে আপনাকে ঠ'কি'য়ে অন্য আরেকজনের কাছে যাবে, এটাই স্বাভাবিক চিত্র;

ঐ যে কথায় আছে না, “ ই'জ্জ'ত যায় না ধু'ইলে, আর খা'ইসলত যায় না ম'ই'লে!” অর্থাৎ যার যেই স্বভাব তার সেই স্বভাব কখনোই পরিবর্তন হবে না, ভেতরে ভেতরে মানুষটা একই রকম থেকে যাবে সারাজীবন, উপরে উপরে হয়তো ভালো হয়ে যাওয়ার অ'ভিনয় করবে, কিন্ত ভালো আর তাদের হয়ে উঠা হবে না কোনো দিন, এই অ'মানুষ গুলো আ'মৃ'ত্যুও নিজেদের সংশোধন করার বিন্দুমাত্র চিন্তাভাবনাও করবে না, কারণ! তারা মনেই করে না কাউকে ঠ'কি'য়ে তারা পা'প করছে, এটা তাদের উচিত নয়, তাদের নিজেদেরকে সংশোধন করা প্রয়োজন;

এই যে যাকে ছেড়ে সে আপনার কাছে এসেছে... কি ভাবছেন! তার সাথে ঝগড়াঝাটি করে কিংবা
তার কোনো দোষে অথবা দু'জনার মধ্যে কোনো ভুল বুঝাবুঝি'র কারণে তাকে ছেড়ে আপনার কাছে এসেছে? যদি এমনটা ভেবে থাকেন তবে আপনি বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন, কেননা কম বেশি সব সম্পর্কেই ঝগড়াঝাটি, মনোমালিন্য এটা সেটা লেগেই থাকে, তাই বলে প্রকৃত ভালোবাসা মানুষটি কখনোই ছেড়ে যায় না, তারা ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারে না, এইসব সামান্য বিষয় গুলোকে কেন্দ্র করে ছেড়ে যায় আসলে তারা, প্রকৃত ভালোবাসা উপলব্ধি-ই করতে পারেনি যারা, ছেড়ে যায় আসলে তারা, যাদের স্বভাবটাই নিত্যনতুন ডালে গিয়ে বসা, প্রকৃত ভালোবাসা'র মানুষ গুলো থেকে যাওয়ার জন্য আ'প্রাণ চে'ষ্টা করে, ছেড়ে যাওয়ার জন্য কখনোই অ'জু'হা'ত দাঁড় করায় না;

এই ধরনের মানুষ রুপি অ'মানুষ গুলো কখনোই কারো জীবনে পুরোপুরি ভাবে থেকে যেতে আসে না... সাবান, শ্যাম্পু কিংবা যেকোনো খাবার দাবারের প্যাকেটে যেমন এক্সপায়ার ডেট দেওয়া থাকে এই অ'মানুষ গুলোও আমার আপনার জীবনে তেমন ভাবেই জড়িয়ে থাকে, একজনের প্রতি মোহ কেটে যাওয়ার পর আপনার কাছে এসেছে, আপনার প্রতিও যেদিন তার মো'হ কেটে যাবে... সেদিন সে নতুন ঠিকানা খুঁজবে, মোদ্দা কথা হচ্ছে-- ঠ'কা'নো যাদের স্বভাব, এক ডালে বসে থাকা তাদের কম্য নয়;

মানুষের মু'খো'শ পরে থাকা এসব অ'মা'নু'ষ গুলো থেকে সাবধানে থাকুন... জীবনে এমন অ'মা'নু'ষ গুলো কখনোই আসার সুযোগ দিবেন না, যে অন্য কাউকে ঠ'কি'য়ে আপনার কাছে এসেছে, সে আপনাকে ঠ'কি'য়ে অন্যজনের কাছে যাবে-ই যাবে, এর অন্যথা কিচ্ছু হবে না, বিশ্বাস করুন এর অন্যথা কিচ্ছু হবেনা ;

ঠ'কা'নো যাদের স্বভাব... কোনো দিন পূরণ হবে না তাদের প্রিয়জনের অ'ভাব,
তাই সময় থাকতে বুঝতে শিখুন, নিজেকে নিজে বাঁ'চিয়ে রাখুন, আ'বেগে বাঁ'চতে গিয়ে নিজেকে নিজে ডি'প্রে'শ'নে'র সাগরে ডু'বিয়ে দিবেন না, দরকার প্রয়োজনে একা থাকুন তবুও এই অ'মা'নু'ষ গুলো'র সাথে জীবনের পথটা হাঁটতে যাবেন না, মনে রাখবেন! ঠ'ক'বা'জে'র সাথে এক সাথে থাকার চেয়ে জীবনে একা থাকাই শ্রেয়।

"ঠ'কা'নো যাদের স্বভাব কোনো দিন পূরণ হবে না তাদের প্রিয়.🌼🙂

Address

Fulbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Syeedur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share