Ahassn Habib

Ahassn Habib social worker

❤️আমার নিখোঁজ স্ত্রীকে ৪ বছর পর দুবাইয়ের একটা হোটেলে ৫০ বছরের লোকের সাথে দেখে অবাক হয়ে গেলাম। বিয়ের আটটা বছর খুব একটা খা...
14/06/2026

❤️আমার নিখোঁজ স্ত্রীকে ৪ বছর পর দুবাইয়ের একটা হোটেলে ৫০ বছরের লোকের সাথে দেখে অবাক হয়ে গেলাম।
বিয়ের আটটা বছর খুব একটা খারাপ কাটেনি। মধ্যবিত্তের টানাটানির সংসার হলেও ভেবেছিলাম বিশ্বাস আর ভালোবাসাটাই আসল। আমাদের একটা সন্তানও হলো। কিন্তু আট বছর এক ছাদের নিচে থাকার পর, আজ থেকে ঠিক চার বছর আগে হুট করেই একদিন নিখোঁজ হয়ে গেল আমার স্ত্রী লিলি।
​সেদিন থেকে আমার আকাশটা ভেঙে পড়েছিল। একটা মানুষ কীভাবে এভাবে হাওয়া হয়ে যেতে পারে? আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই বাঁকা চোখে তাকাত। কেউ কেউ বলতে শুরু করল—হয়তো লিলিকে কেউ মে** রে লা** শ গু*ম করে দিয়েছে। নিজের মনের ভেতর হাজারটা সন্দেহ আর ভ*য় নিয়ে আমি থানায় গেলাম, মা*মলা করলাম। বছরের পর বছর পুলিশের দরজায় কড়া নেড়েছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। সবাই যখন ধরে নিল সে আর দুনিয়াতে নেই, আমিও তখন এক বুক পাথর চাপা দিয়ে মেনে নিয়েছিলাম যে আমার স্ত্রী মৃ*ত।

​এদিকে ঘরে আমার ছোট সন্তান। ওর তো কোনো দোষ নেই, ওর একটা ভবিষ্যৎ আছে। মায়ের অভাব ঢাকতে না পারলেও ওর জীবনটা যেন নষ্ট না হয়, সেই তাগিদেই আজ থেকে এক বছর আগে সব ছেড়েছুড়ে দুবাই চলে আসি। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত খাটতাম শুধু সন্তানের মুখে দুটো ডাল-ভাত তুলে দেওয়ার জন্য।
​কিন্তু আজ... আজ ভাগ্য আমার সাথে যে খেলাটা খেলল, তার জন্য আমি বিন্দুমাত্র প্রস্তুত ছিলাম না।
​আজ ছুটির দিনে দুবাইয়ের ডাউনটাউনের একটা হোটেলের লবিতে বসেছিলাম। হঠাৎ মেইন গেট দিয়ে একটা জোড়া কাপল ভেতরে ঢুকল। ভালো করে নজর দিতেই আমার সারা শরীর জমে বরফ হয়ে গেল।
​সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার পরনে আধুনিক পশ্চিমা পোশাক, স্লিভলেস টপস আর শর্ট স্কার্ট। চোখে-মুখে চড়া মেকআপ। কিন্তু ওই মুখ, ওই চোখের চাহনি তো আমার চেনা! এ তো অন্য কেউ নয়, এ আমার স্ত্রী লিলি। যাকে চার বছর ধরে মৃ**ত ভেবে আমি চোখের জল ফেলেছি, সে আজ আমার চোখের সামনে জ্যান্ত দাঁড়িয়ে!

​তার পাশে একটা মাঝবয়সী, দেখতে বেশ খারাপ টাইপের লোক। লোকটার হাবভাব আর চোখের চাউনি দেখলেই বোঝা যায় সে মোটেও সুবিধাজনক কেউ না। কোনো ভদ্র লোক ওভাবে পাবলিক প্লেসে একটা মেয়ের কোমরে হাত দিয়ে টানতে পারে না। কিন্তু সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেলাম যখন দেখলাম, লিলি সেই লোকটার গায়ে ঢলে পড়ছে। যে মেয়েটা দেশে থাকতে ঘোমটা ছাড়া চলত না, সে আজ এই পরপুরুষের সাথে পশ্চিমা পোশাকে অবলীলায় হেসে হেসে গা ঘষাঘষি করছে।
​আমার মাথার ভেতর তখন র** ক্ত চড়ে গেছে। রাগ, ক্ষো*ভ আর অপ*মানে আমার হাত-পা কাঁপছিল। চিৎকার করে ওর নাম ধরে ডাকতে গিয়েও আমি থেমে গেলাম। চার বছর ধরে আমরা যাকে খুঁজে বেড়াচ্ছি, সে কোনো পাচা**রকারীর খপ্পরে পড়েনি, কেউ তাকে খু** ন করেনি। সে কি নিজের ইচ্ছায়, এই পর**কীয়া আর বিলাসের লোভে আমাদের আট বছরের সংসার আর নিজের দুধের বাচ্চাকে লা*থি মে*রে দুবাই চলে এসেছে?? আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

​তারা কাউন্টার থেকে চাবি নিয়ে লিফটের দিকে এগিয়ে গেল। আমি নিজের রাগটা কোনোমতে চেপে চো*রের মতো তাদের পিছু নিলাম। লিফট থেকে নেমে করিডোর ধরে হেঁটে তারা সরাসরি একটা রুমের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। লোকটা পকেট থেকে কার্ড বের করে লকটা খুলল। ভেতরে ঢোকার আগে) লিলি লোকটার দিকে তাকিয়ে একটা নোংরা হাসি দিল, তারপর দুজনে একসাথে রুমের ভেতর ঢুকে সরাসরি দরজাটা লক করে দিল।
​আমি সেই বন্ধ দরজার সামনে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। ভেতরে তখন আমার আট বছরের বিশ্বাস তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তাছে।, আর আমি বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁপছি। এখন আমার কী করা উচিত? দরজা ভে*ঙে ভেতরে ঢুকব, নাকি এই বিশ্বাসঘা*তকতার শেষ দেখে ছাড়ব?

চলবে...

সুখের পরিনতি
পর্ব ০১
লেখক The Story Haven

আজকেই দ্বিতীয় পর্ব পোস্ট করা হবে সবাই পেজটি ফলো করে ছোট একটা কমেন্ট করবেন প্লিজ তাহলে দ্বিতীয় পর্ব পোস্ট করার সাথে সাথে নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন

😥দুনিয়াতে পর/কিয়ার ভয়াবহ ক্ষতি:পর/কীয়া (বিবাহিত ব্যক্তি বা বৈধ সম্পর্কের বাইরে অবৈধ প্রেম-ভালোবাসা ও যৌ/ন সম্পর্ক) শ...
14/06/2026

😥দুনিয়াতে পর/কিয়ার ভয়াবহ ক্ষতি:
পর/কীয়া (বিবাহিত ব্যক্তি বা বৈধ সম্পর্কের বাইরে অবৈধ প্রেম-ভালোবাসা ও যৌ/ন সম্পর্ক) শুধু একটি ব্যক্তিগত পাপ নয়; এটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর। ইসলাম মানুষের সম্মান, পরিবার ও বংশধারা রক্ষার জন্য পরকীয়া ও ব্যভিচারকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। আজকের যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অবাধ মেলামেশা এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে এই পাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ভয়াবহ পরিণতি আমরা চারদিকে দেখতে পাচ্ছি।

ইসলামে পর/কিয়ার অবস্থান
আল্লাহ তাআলা বলেন:
> "তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।"
— (সূরা আল-ইসরা ১৭:৩২)
লক্ষ্য করুন, আল্লাহ শুধু ব্যভিচার করতে নিষেধ করেননি; বরং এর কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ এমন সব কাজ, কথা, সম্পর্ক ও পরিস্থিতি থেকেও দূরে থাকতে বলেছেন যা মানুষকে পরকিয়ার দিকে নিয়ে যায়।
দুনিয়াতে পর/কিয়ার ভয়াবহ ক্ষতিসমূহ
১. সংসার ধ্বংস হয়ে যায়
পর/কিয়ার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো সুখী পরিবার ভেঙে যাওয়া। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়, ঝগড়া-বিবাদ বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ ঘটে।

ফলাফল:
তালাক বৃদ্ধি
পারি/বারিক অশান্তি
আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট হওয়া
সন্তানদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া

২. সন্তানদের মানসিক বিপর্যয়
বাবা-মায়ের পর/কীয়া ও বিচ্ছেদের সবচেয়ে বড় শিকার হয় সন্তানরা।
তারা ভোগে:
মানসিক হতাশা
নিরাপত্তাহীনতা
আত্মবিশ্বাসের অভাব
পড়াশোনায় অমনোযোগ
অপরাধপ্রবণতা ও নৈতিক অবক্ষয়
অনেক শিশু সারা জীবন বাবা-মায়ের ভুলের কষ্ট বয়ে বেড়ায়।

৩. সমাজে অবিশ্বাস ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়
যখন পর/কীয়া বাড়ে, তখন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস কমে যায়। স্বামী স্ত্রীর উপর, স্ত্রী স্বামীর উপর, এমনকি বন্ধু বন্ধুর উপরও সন্দেহ করতে শুরু করে।

এর ফলে:
সামাজিক বন্ধন দুর্বল হয়
পারিবারিক মূল্যবোধ নষ্ট হয়
অপরাধ বৃদ্ধি পায়

৪. খু*ন, আ*ত্ম'হ*ত্যা ও সহিংসতা বৃদ্ধি পায়
অনেক খু*ন, আ*ত্ম*হ*ত্যা, অ্যাসিড নিক্ষেপ, মারামারি ও পারিবারিক সহিংসতার পেছনে পর/কীয়া বড় কারণ হিসেবে কাজ করে।
ঈর্ষা, প্রতিশোধ ও অপমানবোধ মানুষকে ভয়ংকর অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।

৫. সম্মান ও মর্যাদা ধ্বংস হয়ে যায়
একজন মানুষের বহু বছরের সুনাম মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
পর/কীয়া প্রকাশ হয়ে গেলে:
পরিবার লজ্জিত হয়
সমাজে সম্মান কমে যায়
আত্মীয়-স্বজনের কাছে অপমানিত হতে হয়
কর্মক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে

৬. মানসিক শান্তি হারিয়ে যায়
পর/কীয়ায় জড়িত ব্যক্তি সাধারণত সবসময় ভয় ও দুশ্চিন্তায় থাকে।

যেমন:
সম্পর্ক প্রকাশ পাওয়ার ভয়
মিথ্যা বলার চাপ
অপরাধবোধ
পারিবারিক সংঘাত
ফলে হৃদয়ের প্রশান্তি নষ্ট হয়ে যায়।
৭. আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে যায়
পর/কীয়া এমন একটি পাপ যা মানুষের ঈমানকে দুর্বল করে দেয়।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
> "যখন কোনো ব্যক্তি ব্যভিচার করে, তখন তার থেকে ঈমান বের হয়ে যায় (অর্থাৎ ঈমানের পূর্ণতা ও নূর দূরে সরে যায়)।"
— সহীহ আল-বুখারী ও সহীহ মুসলিমের অর্থবোধক বর্ণনাসমূহের আলোকে

৮. দোয়া কবুলে বাধা সৃষ্টি হতে পারে
পাপাচার মানুষের হৃদয়কে কঠিন করে দেয় এবং আল্লাহর নৈকট্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। ফলে ইবাদতে স্বাদ কমে যায় এবং আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করার তাওফিকও কমে যায়।
পর/কিয়ার দিকে নিয়ে যায় যেসব বিষয়
পর্দাহীনতা
অবাধ নারী-পুরুষ মেলামেশা
অশ্লীল সিনেমা ও ভিডিও
সামাজিক মাধ্যমে গো*পন চ্যাট
অনিয়ন্ত্রিত দৃষ্টি
বৈবাহিক জীবনের অবহেলা
আল্লাহভীতির অভাব
পর/কিয়া থেকে বাঁচার উপায়

১. আল্লাহভীতি অর্জন করা
মনে রাখতে হবে, মানুষ না দেখলেও আল্লাহ সবকিছু দেখছেন।
২. দৃষ্টি সংযত রাখা

আল্লাহ তাআলা পুরুষ ও নারী উভয়কেই দৃষ্টি নত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

৩. সামাজিক মাধ্যমে সতর্ক থাকা

অপ্রয়োজনীয় চ্যাট, ইনবক্সে ঘনিষ্ঠতা এবং গোপন যোগাযোগ থেকে দূরে থাকতে হবে।

৪. স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মজবুত করা

পারস্পরিক ভালোবাসা, সম্মান, সময় দেওয়া এবং খোলামেলা আলোচনা বৈবাহিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।

৫. নিয়মিত ইবাদত করা

নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির ও দোয়া মানুষকে পাপ থেকে রক্ষা করে।

উপসংহার
পর)কীয়া কখনো সুখ, শান্তি বা কল্যাণ বয়ে আনে না। এটি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। ইসলাম মানুষের সম্মান, পরিবার ও সমাজকে রক্ষা করার জন্য পরকিয়াকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। তাই আসুন, আমরা নিজেদের দৃষ্টি, মন ও চরিত্রকে পবিত্র রাখি, বৈধ সম্পর্ককে সম্মান করি এবং আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলি।
> "যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।"
— (সূরা আত-তালাক ৬৫:২-৩)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে পরকিয়া ও সকল অশ্লীলতা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

হাদিসে বলা এই ১০টি সংকেত দেখলে বুঝবেন আল্লাহর সাহায্য ও সফলতা খুব নিকটে!অনেকেই জানতে চান, আল্লাহ তাআলা কোনো বান্দার প্রত...
13/06/2026

হাদিসে বলা এই ১০টি সংকেত দেখলে বুঝবেন আল্লাহর সাহায্য ও সফলতা খুব নিকটে!

অনেকেই জানতে চান, আল্লাহ তাআলা কোনো বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হলে বা তার জন্য কল্যাণ ও সফলতার দরজা খুলতে চাইলে কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়? কুরআন ও সহিহ হাদিসে এমন কিছু আলামতের কথা এসেছে, যা একজন মুমিনের জন্য সুসংবাদ হতে পারে।

১. তাওবা ও ইস্তিগফারের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাওয়া

যে ব্যক্তি বারবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, এটি তার জন্য কল্যাণের লক্ষণ।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করবে, আল্লাহ তার সব সংকট থেকে বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিযিক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।"
— সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫১৮

২. নামাজের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হওয়া

নামাজ মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন কোনো বান্দার অন্তরে নামাজের প্রতি টান সৃষ্টি হয়, এটি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের নিদর্শন।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"আমার চোখের শীতলতা রাখা হয়েছে নামাজে।"
— সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ৩৯৪০

৩. গুনাহের পর অন্তরে অনুশোচনা জাগা

পাপ করার পর যদি হৃদয় কষ্ট পায় এবং তাওবার ইচ্ছা জাগে, এটি ঈমানের জীবন্ত থাকার প্রমাণ।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমার নেক কাজ যদি তোমাকে আনন্দ দেয় এবং তোমার গুনাহ তোমাকে কষ্ট দেয়, তবে তুমি মুমিন।"
— মুসনাদ আহমদ, হাদিস: ২২৩৮৬

৪. দোয়ার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়া

আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তখন তাকে দোয়ার তাওফিক দেন।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"দোয়াই হলো ইবাদত।"
— সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৯৬৯

৫. সৎ মানুষের সঙ্গ লাভ করা

ভালো বন্ধু ও নেককারদের সান্নিধ্য আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের ওপর থাকে।"
— সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৮৩৩

৬. কুরআন তিলাওয়াত ও বুঝার আগ্রহ সৃষ্টি হওয়া

কুরআনের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় হওয়া সফলতার অন্যতম লক্ষণ।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়।"
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২৭

৭. বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করতে পারা

পরীক্ষার সময় ধৈর্য মুমিনের মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যাকে আল্লাহ কল্যাণ দিতে চান, তাকে তিনি পরীক্ষায় ফেলেন।"
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৬৪৫

৮. মানুষের উপকার করার সুযোগ পাওয়া

মানুষের কল্যাণে কাজ করা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয়।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"মানুষের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় সেই ব্যক্তি, যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে।"
— আল-মুজামুল আওসাত, তাবারানি

৯. দুনিয়ার চেয়ে আখিরাতের চিন্তা বৃদ্ধি পাওয়া

যখন আখিরাতের প্রস্তুতি মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এটি হৃদয়ের হিদায়াতের লক্ষণ।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যার চিন্তার কেন্দ্র হবে আখিরাত, আল্লাহ তার অন্তরকে সমৃদ্ধ করে দেবেন।"
— সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪১০৫

১০. আল্লাহর প্রতি দৃঢ় আশা ও উত্তম ধারণা রাখা

সফলতার সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে আশাবাদী থাকা।

রাসূল ﷺ বলেছেন যে, আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আমার বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমন আচরণ করি।"
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৪০৫; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬৭৫

গুরুত্বপূর্ণ কথা

তবে মনে রাখতে হবে, এই আলামতগুলো সফলতার নিশ্চিত ঘোষণা নয়, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে কল্যাণের সম্ভাব্য সুসংবাদ। প্রকৃত সফলতা হলো ঈমানের উপর অটল থাকা, নেক আমল করা এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আল্লাহর আনুগত্যে অবিচল থাকা।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এমন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার দরজা খুলে দেওয়া হয়। আমিন।

যে তিনটি দোয়া জুম্মার দিনে কখনো ফেরত যায় নামানুষ ভাবে- “আমার দোয়া কি কবুল হবে?"ইমাম হাসান আল-বাসরী (রহ.) বলেন- জুম্মা...
12/06/2026

যে তিনটি দোয়া জুম্মার দিনে কখনো ফেরত যায় না

মানুষ ভাবে- “আমার দোয়া কি কবুল হবে?"

ইমাম হাসান আল-বাসরী (রহ.) বলেন- জুম্মার দিনে এমন কিছু দোয়া আছে, যা ফেরেশতারা আকাশে তুলে নেয়- খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।

জুম্মার দিন দোয়া কবুলের দিন।

কিন্তু আমরা অনেকেই জানিই না-

কোন দোয়াগুলো এই দিনে বিশেষভাবে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়।

ইমাম হাসান আল-বাসরী (রহ.) এর বর্ণনা অনুযায়ী বোঝা যায়- যে ব্যক্তি জুম্মার দিনে আন্তরিকতা নিয়ে দোয়া করে, তার দোয়ায় আল্লাহর দরবারে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।

আজ সেই তিনটি দোয়া জেনে নিন- যা জুম্মার দিনে পড়লে অন্তর নরম হয়, দুশ্চিন্তা হালকা হয়, আর তাকদিরেও পরিবর্তনের দরজা খুলে যেতে পারে ইনশাআল্লাহ।

১. “হাসবুনাল্লাহ” – ভয় ও দুশ্চিন্তা কেটে যায়

দোয়া:

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

বাংলা উচ্চারণ:

হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিআ'মাল ওয়াকীল

অর্থ:

“আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বোত্তম অভিভাবক।”

রেফারেন্স:

ইবরাহিম (আ.) এবং সাহাবীরা এই দোয়া পড়েই আল্লাহর সাহায্যে কঠিন বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়েছিলেন।

– সহীহ বুখারী: ৪৫৬৩

জুম্মার দিনে করণীয়:

আসরের নামাজের পর শান্তভাবে, গভীর তাওয়াক্কুল রেখে কমপক্ষে ৭ বার এই দোয়াটি পড়ুন। প্রতিবার পড়ার সময় মনে মনে নিজের সব ভয়, দুশ্চিন্তা ও চিন্তার বোঝা

আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।

২. “ইয়া রহমানু, ইয়া রহীম” – আল্লাহর বিশেষ দয়া নামানোর -

দোয়া

দোয়া:

يَا رَحْمَنُ يَا رَحِيمُ

বাংলা উচ্চারণ:

ইয়া রহমানু, ইয়া রহীমু

অর্থ:

“হে পরম দয়ালু, হে অতিশয় দয়ালু।”

রেফারেন্স:

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন-

“আমার দয়া সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে।”

- সূরা আল-আরাফ: ১৫৬

ইমাম নববী (রহ.) বলেন-

জুম্মার দিন রহমত ও দয়ার দোয়া অন্যান্য দিনের তুলনায় দ্রুত কবুল হওয়ার আশাবাদ থাকে।

জুম্মার দিনে করণীয়:

জুমার দিনের আগে, বিশেষ করে জোহরের আগের সময় কমপক্ষে ১০০ বার এই দোয়াটি পড়ুন। মনকে নরম করে, নিজের গোনাহ, দুর্বলতা আর অভাবের কথা স্মরণ করে আল্লাহর দয়া ভিক্ষা চান।

৩. “আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা...” — হালাল ও বরকতময়

রিজিকের দোয়া

দোয়া:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ رِزْقًا طَيِّبًا

বাংলা উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা রিযক্বান তয়্যিবান

অর্থ:

“হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে হালাল ও বরকতময় রিজিক চাই।"

রেফারেন্স:

– সুনান ইবনে মাজাহ: ৯২৫

ইমাম সুয়ূতী (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে—

রিজিকের জন্য সবচেয়ে পরীক্ষিত দোয়াগুলোর মধ্যে এ দোয়াটি অন্যতম।

জুম্মার দিনে করণীয়:

ফজরের নামাজের পর ৭ বার

এবং জুমার নামাজের আগে ১১ বার পড়ুন।

শুধু টাকা-পয়সা নয়, হালাল, পরিশুদ্ধ, শান্তি ও কৃতজ্ঞতা আনে এমন রিজিকের জন্য দোয়া করুন।

জুম্মার দিন - "দিনের রাজা”

এই দিনের দোয়া সহজে ফেরত যায় না।

যে বান্দা এদিন দোয়া ছেড়ে দেয়, সে যেন নিজের জন্য খোলা দরজাটা নিজেই বন্ধ করে দেয়।

শেষ কথা

জুম্মার দিন এমন এক দিন-

যেদিন অন্তর থেকে বের হওয়া আর্জি সরাসরি আসমানের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়ে।

আজ যদি আপনি শুধু অভিযোগ না করে, এই তিনটি দোয়া দিয়ে জুম্মার দিনকে ধরেন, আর জীবনের আমলগুলোকে গুছিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন- তাহলে খুব সম্ভব, আপনার জীবনের আকাশেও বরকতের মেঘ জমতে শুরু করবে ইনশাআল্লাহ।

কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়ছে?
12/06/2026

কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়ছে?

⚛️প্রায় পনেরো বছর পর হঠাৎ একদিন হোটেলের লবিতে দেখা হয়ে গেল আমার এক পুরনো বন্ধুর সাথে। শৈশবের সেই মৃদুভাষী, ভদ্র, শান্ত ছ...
11/06/2026

⚛️প্রায় পনেরো বছর পর হঠাৎ একদিন হোটেলের লবিতে দেখা হয়ে গেল আমার এক পুরনো বন্ধুর সাথে। শৈশবের সেই মৃদুভাষী, ভদ্র, শান্ত ছেলেটি, যে খুব সাধারণ জীবন যাপন করত, আজও সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। চেহারায় বিনয়ের ছাপ, পরনে সাধারণ পোশাক, চালচলনে নেই কোনো বাহুল্য।

কুশল বিনিময়ের পর আমি বললাম, "চল, তোকে আমার গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেই।"

⚛️আসলে বন্ধুকে গাড়িতে তুলতে চাওয়ার পিছনে আমার একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। আমার দামি মার্সিডিজ গাড়িটা ওকে দেখানো! বন্ধু দেখুক, আমি কত সফল, কত বড়লোক হয়েছি! কিন্তু সে বিনয়ের সাথে জানাল, “না, থাক, আমি আমার গাড়িতেই চলে যাব।”

পার্কিং লটে দুজন পাশাপাশি হেঁটে এলাম। বন্ধুর গাড়িটা একেবারেই সাধারণ। মনে মনে হাসলাম, ও এখনও এমন পুরোনো মডেলের গাড়ি চালায়!

⚛️সপ্তাহখানেক পরে ওকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানালাম। ও পরিবার সহ এলো। ওর স্ত্রী, দুই সন্তান, সবাই এতটাই নম্র আর মার্জিত যে দেখে অবাক হলাম। সাজ-পোশাকে কোনো আড়ম্বর নেই, কিন্তু একটা প্রশান্তি, একটা শান্ত সৌন্দর্য লেগে আছে চোখেমুখে!

সেই রাতে কথার ফাঁকে ফাঁকে আমি বন্ধুকে বুঝিয়ে দিলাম আমার অভিজাত জীবন, দামি গাড়ি বাড়ি, আসবাবপত্র, আমার লাক্সারিয়াস লাইফ স্টাইল, অফিসের বিদেশ ভ্রমণ, লেটেস্ট ট্রেন্ড আর ফ্যাশনের প্রতি ঝোঁক, কত হাই ক্লাস লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ!

⚛️সত্যি কথা বলতে, আমি যেন আমার আভিজাত্য ওকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাইছিলাম। মোবাইলে একটার পর একটা ছবি দেখাচ্ছিলাম, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে আমার অফিসের বিজনেস ডিলের প্রসঙ্গ তুলছিলাম।

কিন্তু ও যেন এসব নিয়ে খুব একটা উৎসাহী না। বরং ওর মুখে তখন অন্য এক আলো! শৈশবের স্কুল, পুরোনো বন্ধু, প্রিয় স্যারদের কথা, কতদিন কার খোঁজ নেওয়া হয় না, কতজন এখন আর বেঁচে নেই —এসব মনে করে ওর চোখের কোণে একটুখানি অশ্রুও দেখা গেল।

⚛️আমি বিরক্তি গোপন না করে বলেই ফেললাম, “শুধু পুরোনো স্মৃতি আর নীতিকথা মনে করে থাকলে জীবনে এগোনো যায় না!”

ডিনারের পরে ওরা চলে গেল। আমি ভাবলাম, এবার নিশ্চয় ও বুঝতে পারল, কে কতদূর এগিয়েছে!

কয়েক সপ্তাহ পর ফোন এলো বন্ধুর কাছ থেকে। বলল, "আগামীকাল দুপুরে ফ্রি আছো? সবাই মিলে আমার বাড়িতে বেড়াতে আসো।”

⚛️সেদিন আমার স্ত্রী আমার বাল্য বন্ধুটির ওপর বেশ বিরক্ত হয়েছিল। ওকে তাই অনেকটা জোর করে রাজি করিয়ে গেলাম বন্ধুর বাসায়।

গিয়ে দেখি, সবকিছু গোছানো, পরিপাটি, কিন্তু একদম সাধারণ। দামি আসবাব নেই, ঝকমকে কিছু নেই, তবু কি যে শান্ত আর আপন একটা পরিবেশ! যেন একটা মমতার ঘ্রাণ চারপাশে ভেসে বেড়াচ্ছে।

⚛️টেবিলের উপর চোখ পড়তেই দেখি, আমার কোম্পানির পাঠানো একটা সুন্দর গিফট বক্স!

আমি বিস্মিত হয়ে বললাম, “এই কোম্পানিতে তো আমি চাকরি করি! তুই এটা কোথায় পেলি?”

ও হেসে বলল, “ডেভিড পাঠিয়েছে।”

আমি থমকে গিয়ে বললাম, “কোন ডেভিড? ডেভিড থমসন?”

সে মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ, ডেভিড আমার পুরোনো বন্ধু। আমরা বহুদিন ধরেই আমরা একসাথে ব্যবসা করি।”

⚛️আমি যেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! এই মানুষটাই আমাদের কোম্পানির ৭০% এর মালিক! যার নামে আমরা সম্মানে মাথা নিচু করি, সেই ডেভিড থমসনের পার্টনার — এই আমার সেই ছোটবেলার সাধারণ বন্ধু!

আমি যেন মুহূর্তেই ভেতরে ভেতরে খুব ছোট হয়ে গেলাম। যে মানুষটিকে আমি আমার দামি জিনিসপত্র দেখিয়ে মুগ্ধ করতে চেয়েছি, সে তো নিজেই আমার চাকরিদাতার বন্ধু। এমনকি কোম্পানির বেশিরভাগ মালিকানাও তার!

⚛️আমার অহংকার, দম্ভ, গর্ব সব যেন এক নিমেষে ধুলায় মিশে গেল। গাড়িতে ফিরে স্ত্রীর দিকে তাকালাম। দেখলাম, সেও চুপচাপ। আমাদের মুখে কোনো কথা নেই, কিন্তু মনের মধ্যে চলছে অনেক কিছু!

হঠাৎ মনে পড়ল আমাদের স্কুলের সেই প্রিয় স্যার বলতেন, "যে নদী যত গভীর, তার বয়ে চলার শব্দ তত কম।” আজ মর্মে মর্মে উপলব্ধি করলাম কথাটার মানে। যাদের হৃদয়, মানসিকতা আর আত্মবিশ্বাস গভীর, তারা কখনও বড় বড় কথা বলে না, বাহারি জিনিস দেখিয়ে বড় হওয়ার চেষ্টা করে না। তারা নীরবে বয়ে চলে, কিন্তু তাদের গভীরতায় সত্যিকারের আভিজাত্য প্রকাশ পায়।
লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপদেশ,বিশেষ করে নারীদের জন্য,,,,,,,১। মেয়েরা শরীরের কাপড় চেঞ্জ করার সময় অবশ্যই "বিসমিল্লাহ" বলে ন...
11/06/2026

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপদেশ,বিশেষ করে নারীদের জন্য,,,,,,,

১। মেয়েরা শরীরের কাপড় চেঞ্জ করার সময় অবশ্যই "বিসমিল্লাহ" বলে নিবেন। নইলে আশেপাশে থাকা ফেরেশতারা লজ্জা পেয়ে চলে যাবে এবং জ্বীনরা আপনার সব দেখে ফেলবে।

২। আপনি যখন ওয়াশরুমে যাবেন, যাওয়ার আগে অবশ্যই দোয়া পড়ে নিবেন। তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আপনার ও জ্বীনদের মধ্যে একটি পর্দা তৈরী করে দেবে। এতে করে খবিশ জ্বীন গুলো আপনাকে ইভটিজিং করতে পারবেনা।

৩। কোথাও কিছু ফেলার আগে বিসমিল্লাহ বলে ফেলবেন। এতে অন্যান্য সৃষ্টির কোনো অসুবিধা হবেনা।

৪। বাহিরে যাওয়ার সময় ঘরে থাকা ফেরেশতাদের সালাম দিয়ে বের হবেন ও দোয়া পরে বের হবেন।যেসব ফেরেশতারা আপনার অনুপস্থিতি তে আপনার ঘরটি পাহারা দিলেন ঘরে এসে তাদের আবারো সালাম দিন। এটা ভদ্রতা।

৫। বেশি বেশি সালাম দেওয়ার অভ্যাস করুন। ছোটদের আগে সালাম দিন। তারা উৎসাহিত হবে।

৬। আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে বাচ্চাদেরকে ছোট থেকে মসজিদে পাঠানোর অভ্যাস করুন। দাঁড়িয়ে পানি খেতে দিবেন না বাচ্চাদের, তারা ছোট থেকেই শিখবে। আপনি নিজেও দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া বন্ধ করুন। বসে খাবেন। এটা সুন্নাহ।

৭। ডান কাত হয়ে ঘুমাবেন। এটা সুন্নাহ ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ঘুমের আগে অবশ্যই ৩ কুল পড়ে ঘুমাবেন। এটা আপনাকে সারারাত বদ মানুষ ও জ্বীন থেকে হেফাজত করবে, ইন শা' আল্লাহ্।

৮। প্রতিরাতে অবশ্যই সুরা মুলক পড়ে ঘুমাবেন। এটা আপনার কবরের জীবনের সাথী, আপনাকে কবরের আযাব থেকে বাঁচাবে ইন শা' আল্লাহ্।

৯। ঘুমের আগে প্রতিদিন বিছানা ঝাড়েন অথচ এটা সুন্নত মনে করে ঝাড়লেই পেয়ে যাচ্ছেন সওয়াব!
অনুরূপ ভাবে কাপড় পড়ার আগে অবশ্যই একটু ঝেড়ে নিবেন এটা সুন্নাহ এবং কাপড়ে কোনো পোকামাকড় থাকলেও আপনার ক্ষতি করতে পারবেনা।

১০। খিলখিল করে হাসা বন্ধ করুন। মুচকি হাসবেন। এটাই সুন্নাহ!

১১। রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসী পড়ে ঘুমাবেন এতে করে শয়তান আপনার নিকট আসতে পারবে না। ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, এবং ৩৪ বার আল্লাহ আকবর পড়ে নিবেন।

১২। রাতে ওযু করে ঘুমাবেন এতে করে সারা রাত একজন ফেরেশতা আপনার জন্য দোয়া করতে থাকবে।

১৩। ঘুমানোর আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে এবং আপনি নিজে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে ঘুমাবেন।

১৪। রাতে ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ত করে ঘুমাবেন আপনি যদি ঘুমের কারনে নাও উঠতে পারেন তারপরও তাহজ্জুদ এর সওয়াব পেয়ে যাবেন।

১৫।মানুষকে বিপদে এবং গরিবদের যতটুকু পারেন সাহায্য করুন এতে করে আল্লাহর রহমতে আপনার বিপদে আল্লাহর সাহায্য পাবেন।

১৬। পরিশেষে মনের ভিতর কোনো লোভ,হিংসা, অহংকার রাখবেন না
এগুলো নেক আমল ধ্বংস করে দেয়।

জীবন এখন দেখা যায়, ছোয়া যায় না.🥀জাপানে প্রতি দশ জনে এক জন একাকি মৃত্যু বরণ করে। একটি রুমে মরে পচে গলে গন্ধ বের হলে লোকে ...
09/06/2026

জীবন এখন দেখা যায়, ছোয়া যায় না.🥀
জাপানে প্রতি দশ জনে এক জন একাকি মৃত্যু বরণ করে। একটি রুমে মরে পচে গলে গন্ধ বের হলে লোকে জানতে পারে এই ঘরে একাকী বাস করা বৃদ্ধটি মারা গেছে! পোকা মাকড় মশা মাছিতে ভরপুর এসব মৃত দেহ পরিষ্কারের জন্য জাপানে গড়ে উঠেছে সাফাই নামক অসংখ্য কোম্পানি।
মৃত্যুর আগে অনেক বৃদ্ধ এসব কোম্পানীর সাথে চুক্তি করে রাখেন যাতে তারা মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করবে।

শান্তিতে মরা কত গুরুত্বপূর্ণ একটু খেয়াল করে দেখুন! আধুনিক সমাজে সবচেয়ে বড় সমস্যা একাকীত্ব! বিয়ে করেও একা না করেও একা! টাকা পয়সা বাড়ি গাড়ি সব আছে শুধু একাকীত্ব গোছানোর মানুষ নেই। ছোট বেলায় আমরা দেখতাম মানুষ মানুষে কত একটা মেলামেশা ছিলো! এখন কিছু নেই! ঈদ কোরবানেও এখন আর সেই আমেজ নেই! শহরের কথা কি আর বলবো! কাছে থেকেও যেনো অচেনা!
এক রিক্সা চালককে একটি লোক বলছে,,,ভাই এখানে থেকে ওখানে কত কাছে চোখে দেখা যায়, তুমি এতো ভাড়া বলছো কেনো! রিক্সা চালক বললো, 'দেখা গেলে কি সবকিছুকে কাছে বলা যায়! চাঁদও তো দেখা যায় কিন্তু কত দূরে....!'
সত্যি ভাই মনে হচ্ছে খুব কাছাকাছি আছি কিন্তু সবাই কাছে থেকেও অনেক দূরে সরে গেছি আমরা!

ফেসবুক খুললেই সব আপন বন্ধুরা নীল হয়ে জ্বলজ্বল করছে কিন্তু খবর নেওয়া হয় না, কারণ এমন খবর নিয়ে কি হবে! যে খবরে গায়ের গন্ধ পাওয়া যায় না!

পৃথিবী হাতে মুঠোয় চলে আসছে কিন্তু হাতের দৈর্ঘ্য এতো বেশী যে প্লেন দিয়েও এপাশ থেকে ওপাশ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! আমি এখন সমাজে একাকী মরে যাওয়া বাবাগুলোকে দেখি! যারা মরে যাওয়ার খবরে তার সন্তানরা দেশে আসতে পারে না.... । ইউরোপ, আমেরিকার কোন দেশ থেকে ভিডিও কলে বাবার শেষকৃত্য দেখে জন্মদাতার বিদায় অবলোকন করে! জীবন এখন দেখা যায় কিন্তু ছোঁয়া যায় না!.....🥀

পুরুষের স্পর্শ ছাড়া নারী কখনো ন'ষ্ট হয় না আর নারীর স্পর্শ ছাড়া পুরুষ কখনো চ'রি'ত্র'হী'ন হয় না, তাই নারী কিংবা পুরুষ কোন ...
09/06/2026

পুরুষের স্পর্শ ছাড়া নারী কখনো ন'ষ্ট হয় না আর নারীর স্পর্শ ছাড়া পুরুষ কখনো চ'রি'ত্র'হী'ন হয় না, তাই নারী কিংবা পুরুষ কোন জাতি-ই খা'রা'প নয়, খা'রা'প আসলে মানুষটি হয়;

আপনার প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা যদি আপনাকে ঠ'কি'য়ে অন্য কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে, তবে তার জন্য সমস্ত নারী কিংবা পুরুষ জাতিকে তুলে ক'টা'ক্ষ করবেন না, অ'ন্যা'য় একজন করেছে পুরো জাতি নয়, তাই আপনার কোনো রাইট নেই পুরো জাতিকে তুলে কথা শোনানোর;

আপনার স্বামী বা স্ত্রী যদি প'র'কি'য়া করে থাকে তবে আপনার স্বামী বা স্ত্রী'কে একা দো'ষ দিবেন না, কিংবা যার সাথে প'র'কি'য়া করছে সব দো'ষ একা তাকেও দিতে যাবেন না, প'র'কি'য়া'য় লিপ্ত দুজনেই সমান ভাবে দো'ষী, কথায় আছে না-- এক হাতে কখনো তালি বাজে না, তাই দুজনেই সমান ভাবে অ'প'রা'ধী, কাউকেই ছেড়ে দিলে হবে না, দু'জনেরই যথাযথ শা'স্তি'র ব্যবস্থা করা জ'রু'রী;

চ'রি'ত্র'হী'ন পুরুষ ও ন'ষ্টা মেয়ে মানুষ গুলোর কারণে দিন দিন ভালো মানুষ ও পরিবার গুলো প্র'তা'রি'ত হচ্ছে, বাবা-মা'র কৃ'তকর্মের জন্য অনেক ছেলে-মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অ'ন্ধ'কা'রে চলে যাচ্ছে, লো'ক'ল'জ্জা'র ভ'য়ে! নিজেদের মান সম্মান অ'ক্ষু'ন্ন রাখতে! প'র'কি'য়া'র কথা প্রকাশ্য দিবালোকে আনতে না পেরে, নী'র'বে নি'ভৃ'তে সইতে সইতে ত'ছ'ন'ছ হয়ে যাচ্ছে বহু সম্ভ্রান্ত পরিবার;

আমাদের সুন্দর সাজানো-গোছানো পরিবার গুলোকে ধ্বং'স করছে কিছু মা'নুষরূ'পী জা'নো'য়া'র ও তাদের পরিবার, আমাদের সুন্দর সম্পর্কগুলো ন'ষ্ট করছে কিছু অ'সুন্দর হৃদয়ের মানুষ, নিজের স্বা'র্থ চ'রি'তা'র্থ করার জন্য অন্যের ক্ষ'তি করায় কিছু অ'মানুষ সিদ্ধহস্ত। স্ত্রী লাগে? না স্বামী লাগে? নাকি অন্য কোনো সম্পর্ক? তাতে এদের কিছু যায় আসে না, আসলে চ'রি'ত্র'হী'ন'রা কখনো কিছু গড়তে জানে না, এরা শুধু ভা'ঙ্গ'তে জানে, তাই এদের আর যাইহোক কখনো বিয়ের ব'ন্ধ'নে আ'ব'দ্ধ হওয়া উচিত নয়;

যদি কখনো এমন কারো সাথে আপনার বিয়ে হয়েও যায় আর আপনি বিয়ের যত মাস কিংবা বছর পরেই জানুন না কেনো, মানুষটিকে শু'ধরানোর চেষ্টা কিংবা কোনোদিন সে নিশ্চয়ই নিজের ভু'ল বুঝতে পেরে নিজেকে শু'ধরে নিয়ে আপনার কাছেই ফিরে আসবে, এসব বা'জে চিন্তা মাথায় এনে অ'সু'স্থ সম্পর্ক ঝুলিয়ে রেখে, একটু একটু করে নিজেকে মা'ন'সি'ক রো'গী না বানিয়ে তাকে ছেড়ে দিন, নতুন করে কাউকে বিশ্বাস করতে না পারলে দরকার প্রয়োজনে একা থাকুন, তবুও চ'রি'ত্র'হী'ন বা চ'রি'ত্র'হী'না'র সাথে থাকার নি'ম্ন মা'ন'সি'ক'তা জ'লা'ঞ্জ'লি দিন এবং এদেরকে শু'ধরানো বৃ'থা চেষ্টাও ছেড়ে দিন, কারণ! পৃথিবীর সবাই শু'ধরালেও চ'রি'ত্র'হী'ন'রা কখনো কোনোদিন শু'ধরায় না, মনে রাখবেন! চ'রি'ত্র'হী'ন'দের শু'ধরানো অ'সম্ভব।

✴️একটা মেয়ের স্তন পুরুষের জন্য যে কত অমূল্য রত্ন—রত্নখচিত স্বপ্নের মুকুট, যার গভীরতা কোনো নারী কখনো পুরোপুরি উপলব্ধি কর...
08/06/2026

✴️একটা মেয়ের স্তন পুরুষের জন্য যে কত অমূল্য রত্ন—রত্নখচিত স্বপ্নের মুকুট, যার গভীরতা কোনো নারী কখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারবে না, যেন নিজের ছায়ায় অন্ধ। এই স্তন বিশ্বের প্রথম খাদ্য, শিশুর ঠোঁটে মাতৃদুগ্ধের চন্দনচ্ছটা অমৃতসম ঝরনা, জন্মের প্রথম আলোয় জ্বলন্ত। কিন্তু উৎস? পুরুষের বীর্যের অগ্নিবিন্দু—বজ্রকঠিন স্ফুলিঙ্গ, সৃষ্টির আদি আগুন। সুতরাং পুরুষই আদি স্রষ্টা, অগ্নিময়। তবু নারী ধরিত্রী, কোমল ✴️কৃষ্ণচূড়া মাটি—যেখানে ফসল ফুটে, ফল থেকে বীজ, বীজ থেকে বীর্যের চক্র। নারীই আদি, চিরন্তন মহাসাগর। যেন মুরগি-ডিমের অমীমাংসিত গান, চিরকালের দোলা।
✴️আমিই ঘোষণা করছি: স্তন বিশ্বের প্রথম খাদ্য, কিন্তু খাদ্য নয়—প্রেমের প্রথম তারা, আকাশে জ্বলে অন্ধকারকে ছিঁড়ে। শিশু মায়ের পবিত্র স্তনে জগতের সর্বোচ্চ সুখের স্বাদ পায়, অমৃতের স্রোত গ্রহণ করে যা দেহ-মনকে পূর্ণ করে। প্রেমিক নারীর স্তনে খুঁজে পায় পরমানন্দের নীলকমল, হৃদয় গলিয়ে দেয়। এ সুখ নারী কভু বুঝিবে না—শিশুর জন্য দুধ অতুলনীয় পুষ্টি, প্রেমিকের জন্য স্তন সর্বোচ্চ আনন্দের দ্বার, যেখানে পুরুষত্বের অগ্নি সূর্যের তেজে গর্জে ওঠে। নরম মাংসের বালিশ—পুরুষের পুরুষত্বের অগ্নি সূর্যের তেজের ন্যায় গর্জন করে, নারীর যোনিকে নিস্তেজ করে দেয় অথচ জাগিয়ে তোলে। সেখানে জগতের সর্বোচ্চ প্রাণ আলোকিত হয়ে ওঠে, যেন তারা থেকে নক্ষত্রের জন্ম। আলোকিত যোনি পুরুষের অগ্নিকে অন্ধকারে মিলিয়ে দেয়, গভীরতায় ডুবিয়ে।
✴️প্রকৃতির এ দ্বৈত নৃত্য—আলো ও অন্ধকার, অগ্নি ও সমুদ্র—একমাত্র মহান আল্লাহ তা’আলা ছাড়া কেহ জানে না, যিনি সৃষ্টির রহস্যের চাবিকাঠি। এককথায়: স্তন ও যোনি—সর্বোচ্চ খাদ্য, আলোর প্রতীক, সর্বোচ্চ কামের প্রতীক। কাম জন্মে অন্ধকারে, অন্ধকারই প্রকাশের প্রথম কবিতা, প্রথম ভাষা। স্তন প্রেমিককে টানে কাছে, রাগ গলিয়ে দেয় নরমতায়। নরম মাংসের বালিশ পুরুষের অগ্নি। নারীর যোনি পুরুষত্বহীন মহাসাগর, গভীরতা অসীম, শেষহীন। যদিও যোনি মহাসাগর, স্তন তবু মহাসমুদ্র—যার অতলে লুকানো জগতের সকল অমৃত, আর হলাহল বিষ, প্রেমের মধু আর ধ্বংসের ছাই। এখানেই মিলিত: প্রেম, কাম, খাদ্য, ধ্বংস—এককথায়, সর্বস্ব।

✴️✴️❤️✴️✴️✴️❣️✴️✴️✴
゚ #সংগৃহীত

Address

Gaffargaon

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahassn Habib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahassn Habib:

Share