28/06/2026
কী একজন প্রধানমন্ত্রী পেলাম, ভাই! 🇧🇩
নিজের কাঁধে কোনো কৃতিত্ব নিলেন না, বরং সব অর্জনের কৃতিত্ব দিলেন দেশের জনগণকে। এটাই তো প্রকৃত নেতৃত্ব, Leadership of the People! 🫡
ডায়াসে উঠে বক্তব্য শুরু করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রতিটি কথায় ফুটে উঠেছিল বিনয়, দায়িত্ববোধ এবং দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা।
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন,
> "মাননীয় স্পিকার, আমি আজ কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত। এই সংসদ কক্ষে প্রবেশ করার পর সরকারি ও বিরোধী দলের সব সদস্য যেভাবে আমার সাম্প্রতিক বিদেশ সফরকে মূল্যায়ন করেছেন এবং দেশের অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে বলে মত দিয়েছেন, সে জন্য আমি সবার প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।"
এরপর তিনি তুলে ধরেন তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল কথা:
"বাংলাদেশ ফার্স্ট।"
তিনি বলেন,
> "এই দেশের মানুষ আমাদের এ চেয়ারে বসিয়েছেন তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আমাদের একটাই মূলমন্ত্র, 'বাংলাদেশ ফার্স্ট'। আমি যেখানে গেছি, যাই করেছি, সব সময় দেশের মানুষের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি। জনগণের অধিকার রক্ষা করা ছাড়া আমার আর কোনো দ্বিতীয় লক্ষ্য নেই।"
এরপর আসে সেই মুহূর্ত, যা অনেকের কাছে নেতৃত্বের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন,
> "এখানে আমার বা আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই। এই সফরে যদি কোনো বড় অর্জন বা সাফল্য এসে থাকে, তবে তা আমার একার নয়। এই অর্জন দেশের মানুষের, এই অর্জন পুরো বাংলাদেশের।"
নিজের কৃতিত্ব দেশের মানুষের নামে উৎসর্গ করার পাশাপাশি তিনি বিরোধী দলসহ সংসদের সব সদস্যকেও ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন,
> "মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের প্রতিটি সদস্য দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করার জন্য আমাকে সমর্থন ও উৎসাহ দিয়েছেন। আমি তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সম্মান জানাই।"
এমন দৃশ্য রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যায় না। যখন দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।
নেতৃত্ব এমনই হওয়া উচিত, যেখানে ব্যক্তিগত অহংকার নয়, দেশের মানুষ ও দেশের স্বার্থই সর্বোচ্চ স্থান পায়। 🇧🇩
"বাংলাদেশ আগে, ব্যক্তিস্বার্থ পরে।" ❤️