DimarGency

DimarGency DimarGency is an agency to provides you standard digital services like Ad run, SEO, Web Development

কোন ব্রান্ড সৃষ্টির জন্য ফেসবুক মার্কেটিং এর বিকল্প নেই।কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং করবেন?**ফেসবুকে আপনার দৃঢ় অবস্থান এবং সম...
31/10/2022

কোন ব্রান্ড সৃষ্টির জন্য ফেসবুক মার্কেটিং এর বিকল্প নেই।
কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং করবেন?
**ফেসবুকে আপনার দৃঢ় অবস্থান এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে সম্পৃক্ততা আপনার পণ্য বিক্রির সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে তোলে। **
ফেসবুকে আপনার ব্যবসার প্রচার করার এত এত উপায় আছে যে, আপনি দ্বিধায় পরে যাবেন কোথা থেকে শুরু করবেন। তাই কিছু সহজ ধাঁপ অনুসরন করে ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রচার এবং প্রসার নিশ্চিত করতে পারবেন।
• আপনার একটি ব্র্যান্ড তৈরি করুন
• একটি ব্যবসায়িক ফেসবুক পেজ তৈরি করুন
• আপনার ফেসবুক পেইজ এর ডিজক্রিপশন বক্সে ব্র্যান্ড ও ব্যবসা
সম্পর্কে কিছু লিখুন
• ফেসবুক পেইজে প্রতিদিন পোস্ট করুন
• পোষ্ট এবং ফলোয়ার এর মধ্যে এনগেইজমেন্ট বাড়ান
• পেইজ ফলোয়ারদের ফ্রেন্ডদের এনগেইজ করুন
• ফেসবুক অ্যাড ট্রাই করুন
you've any question, feel free to knock inbox.

KGR (Keyword Golden Ratio) কি?KGR এমন একটি মেথড যেটার মাধ্যমে একটা কিওয়াড নিমিশেই সিলেক্ট করা যায়। আর এই ফর্মুলাটা আবিষ্...
24/08/2021

KGR (Keyword Golden Ratio) কি?

KGR এমন একটি মেথড যেটার মাধ্যমে একটা কিওয়াড নিমিশেই সিলেক্ট করা যায়। আর এই ফর্মুলাটা আবিষ্কারক হচ্ছে Niche Site Project এর CEO Doug Cunnington । এই পদ্ধতিটি কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই গুগোল এর প্রথম পজিশনে অরগানিক ভাবে আসতে পারবেন ।
কিভাবে বুঝবেন KGR কিওয়ার্ড কোনটি?

এতক্ষণ এই ফর্মুলাটা নিয়ে অনেক কিছুই বলা হলো কিন্তু কিভাবে এই ফর্মুলার মাধ্যমে আপনি কি ওয়ার্ড খুঁজে বের করবেন সে বিষয়টা নিয়ে এখন আলোচনা করব । KGR আর পদ্ধতিতে যদি আপনি কোন কিওয়ার্ড খুঁজে পেতে হয় তাহলে অবশ্যই আপনাকে লো সার্চ ভলিউম যুক্ত কিওয়ার্ড অথবা যেটা 5 থেকে 8 ওয়ার্ড যুক্ত Long Tail কীওয়ার্ড নিতে হবে । Search volume যত কম হবে KGR ততবেশি কাজ করবে। এক্সপার্টদের মতে ২৫০-৩০০ এর ভিতর রাখা উচিত।

https://prnt.sc/1qdhiqv

কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন ?
সর্বপ্রথম আপনাকে গুগলের সার্চ বক্সে টাইপ করতে হবে – allintitle:“Your Keyword” লিখে সার্চ করবেন।
ধরে নিচ্ছি আপনার আপনার কিওয়ার্ড – how do you use a ninja blender. এবার আপনি Google এর সার্চ বক্সে লিখুন – allintitle: how do you use a ninja blender | এবার একটু লক্ষ করে দেখুন Google আপনাকে কত গুলো রেজাল্ট দেখাচ্ছে।

https://prnt.sc/1qdhkx6

এখন আপনি দেখতে পারলেন গুগল আপনাকে এই কীওয়ার্ড টির জন্য Allintitle: যে ভ্যালুটা দেখাচ্ছে সেটা হচ্ছে Allintitle Value : (২০ ) । (allintitle:”Your Keyword” লিখে যতগুলো সার্চ রেজাল্ট Google থেকে পেয়েছেন, সেটা)/আপনার কিওয়ার্ডের মাসিক সার্চ ভলিউম।

এবার দেখুন ভাগফলের রেজাল্ট যদি 0.25 এর নিচে চলে আসে, তাহলে আপনার কিওয়ার্ড টি KGR ফর্মুলা নিয়ম অনুসারে আপনি এই কীওয়ার্ড টি আপনার ওয়েবসাইট জন্য নিতে পারেন.

আমাদের কিওয়ার্ডের (how do you use a ninja blender) সার্চ ভলিউম ছিল(90) Monthly | আমরা Allintitle: পেলাম 20 | Allintitle: ভ্যালু কে সার্চ ভলিউম এর ভ্যালু দিয়ে ভাগ করলে যে রেজাল্টটা পাবেন সেটাই হচ্ছে আপনার KGR Value |
ভাগফলের রেজাল্ট যদি 0.25 এর নিচে চলে আসে, আপনি এই কীওয়ার্ড আপনার নিস সাইটের জন্য বা অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন ।

https://prnt.sc/1qdhmnp

Captured with Lightshot

20/08/2021

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন পার্ট – ২ টেকনিক্যাল এসইও

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে নতুনদের জন্য পুর্নাংগ গাইডলাইন এর ২য় পর্ব এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের কাছে আপনার ওয়েবসাইটকে সপে দেয়ার পূর্বে কিছু টেকনিক্যাল কাজ করতে হবে।

SSL(Secure Socket Layer)
আপনার ওয়েবসাইট সিকিউরড কিনা তা চেক করুন। লিংকবারে বাম পাশে তালার মত দেখতে আইকন আছে কিনা দেখুন। এটা বর্তমান সময়ে হোষ্টিং কোম্পানিগুলো ফ্রি দিয়ে থাকে, ইন্সটল করে নিন।

Canonical Issue
একটি ইউআরএল এর ৪ টি ভার্শন থাকে ( http,http://www,https,https://www ) ইউআরএল ডুপ্লিকেসি দূর করতে এই কোড টা ওয়ার্ডপ্রেসের ক্ষেত্রে header.php ফাইলে এবং র কোডেড ওয়েবসাইট এর head সেকশনে বসিয়ে দিন আর শপিফাই এ online store>themes>theme.liquid এর head অংশে বসিয়ে দিন।

404 Error
ওয়েব মাষ্টার এ সাইট্ম্যাপ এড করার পুর্বে এরর লিঙ্ক চেক করুন। ফ্রিতে 404 Error লিংক চেক করতে Check My Links গুগল ক্রোম এক্সটেনশন ইউস করুন।

robots.txt
ফাইলআছে কিনা চেক করুন https://yourDomain.com/robots.txt এই ভাবে করে। এই ফাইলটা জেনারেট করতে https://smallseotools.com/robots-txt-generator/ এই লিঙ্ককে যান অথবা নিচের কোড টি পেষ্ট করুন র-কোডেড এর ক্ষেত্রেও একি তবে /cgi-bin/ এর পরে দরকার নেই কারন এখানে অন্য অপশন গুলা থাকে না। অবশ্যই সিপেনেল থেকে public html সেকশনে নোটপেড আকারে আপ্লোড দিবেন।
# robots.txt file
User-agent: *
Disallow: /cgi-bin/ (এই পর্যন্ত ডিফল্ট পেয়ে যাবেন কিন্তু আপনি অন্য অপশন গুলাও অফ রাখতে পারেন )
Disallow: /wp-admin/
Disallow: /plugins/
Disallow: /themes/

শপিফাই এ একটি নতুন টেমপ্লেট ক্রিয়েট করুন- online store>themes> action>edit code>add a new template>robots.txt.liquid আর নিচের কোড পেষ্ট করুন –
# we use Shopify as our ecommerce platform
{%- comment -%}
# Caution! Please read https://help.shopify.com/.../promo.../seo/editing-robots-txt before proceeding to make changes to this file.
{% endcomment %}
{% for group in robots.default_groups %}
{{- group.user_agent -}}
{% for rule in group.rules %}
{{- rule -}}
{% endfor %}
{%- if group.sitemap != blank -%}
{{ group.sitemap }}
{%- endif -%}
{% endfor %}

Sitemap
এখান থেকে সাইট্ম্যাপ জেনারেট করুন https://smallseotools.com/xml-sitemap-generator/ rankmath দিয়েও অটো জেনারেট হয়। সাইট্ম্যাপ চেক করুন এই লিঙ্ক থেকে https://domain.com/sitemap.xml . public html সেকশনে এ sitemap.xml ফরমেটে ফাইল আপ্লোড করুন। শপিফাই এ আলাদা করে দরকার নেই।

301 redirection
যদি কোন ব্রোকেন লিঙ্ক বা ৪০৪ পেজ পান তাহলে তাকে rankmath দিয়ে 301 permanent redirection করে দিন হোমপেজ বা আপনার নির্দিষ্ট লিঙ্কে।

Indexation
ইদানিং পোষ্ট ইন্ডেক্স হতে চায় না বা খুব সময় নেয়। আপনি পারলে পোষ্টে ইন্টারনাল লিংক বাড়িয়ে দিন ও সোস্যাল শেয়ার করুন। আর google search console এর Url Inspection থেকে লিঙ্ক দিয়ে এন্টার দিন। তারপর request indexing বাটনে ক্লিক করুন।
ওয়েবমাষ্টার এ সাবমিট করার পুর্বে অনেকেরেই দেখা যায় ডামি পোষ্ট ইন্ডেক্স হয়ে যায় সেজন্য আগে অবশ্যই settings থেকে reading এ গিয়ে Search engine visibility তে টিক মার্ক দিয়ে রাখুন। আর হাবিজাবি ইউআরএল দূর করার জন্য settings>permalink>post name এ টিক দিন।
এবার এন্ডেক্স এর পালা। সার্চ করুন google search console. তারপর url prefix দিয়ে আপনার ডোমেইন নেম দিলে ওয়েবসাইট ভেরিফাই করতে বলবে। Meta code ওয়েবসাইটের heading সেকশনে রাখুন আর ভেরিফাই এ ক্লিক দিন।
এখন প্রোপার্টি এড হওয়ার পর বামপাশে sitemaps নামে একটা অপশন পাবেন, ক্লিক করে https://yourdomain.com/ এর পরে sitemap.xml লিখুন এবং সাবমিট করুন।
নতুনরা coverage থেকে excluded পেজ অপশন দেখে ভয় পায়, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, অগুলো আপনার দরকার নেই তাই নো টেনশন।
আপনার সাইট ইন্ডেক্স হয়েছে কিনা তা গুগলে সার্চ বারে চেক করুন এইভাবে- site:https://yourdomain.com/ দেখতে পাবেন কতগুলো পেজ ইন্ডেক্স হয়েছে। সবসময় সাইট ব্যাকাপ নেয়ার ট্রাই করবেন।

THE url shortener. Simple, reliable, fast. url.com

একটা অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে কত টাকা লাগে?অনেকেই ভাবে একটা অ্যাফিলিয়েট সাইট বানাতে হাজার হাজার টাকা ইনভেস্ট করতে হয়। আ...
20/08/2021

একটা অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে কত টাকা লাগে?
অনেকেই ভাবে একটা অ্যাফিলিয়েট সাইট বানাতে হাজার হাজার টাকা ইনভেস্ট করতে হয়। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। চাইলে খুব অল্প টাকা ইনভেস্ট করে এবং কিছু প্রয়োজনীয় স্কিল ডেভলপ করে একটা ভালো সাইট বানানো সম্ভব । আমার আজকের লেখাটিতে একটি অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে কত টাকা খরচ করতে হয়, সে সম্পর্কে জানাবো আপনাদের।

বিদ্রঃ আমি এখানে যা যা শেয়ার করেছি, সবই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আমার কথাগুলাই ফাইনাল এমন ভাবার কোনো কারণ নাই। আমি শুধু নিজে যেভাবে চিন্তা করি, কাজ করি, সেগুলাই শেয়ার করেছি।

একটি অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে ডোমেইন, হোস্টিং, ব্যাকআপ সলিউশন, লোগো, প্লাগিনস, ইমেজ, কন্টেন্ট, Plagiarism চেকার টুল ইত্যাদি অনেক কিছুরই প্রয়োজন পড়ে। তবে এখানে উল্লিখিত বেশিরভাগ জিনিসই অপশনাল।

আপনি চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন,আবার বাজেট কম থাকলে ব্যবহার না করলেও তেমন কোন ক্ষতি হবে না। কিছু কিছু জিনিসের আবার বিকল্প ফ্রি সমাধানও আছে। তবে একটি অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে যে দু’টো জিনিস অবশ্যই কিনতে হয়, তা হলো – ডোমেইন এবং হোস্টিং।

আপনি আর্টিকেল লেখা জানলেই ডোমেইন হোস্টিং কিনে অ্যাফলিয়েট মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারবেন। আমিও এভাবেই কাজ শুরু করেছিলাম। ডোমেইন হোস্টিং কিনে ফ্রি থিম দিয়ে সাইট বিল্ড করে আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করতাম।

চাইলে আপনিও এভাবেই কাজ শুরু করতে পারেন। অথবা বাজেট বেশী থাকলে অন্যান্য জিনিসেও টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন চাইলে। তাহলে আরও বেটার রেজাল্ট পাবেন।
সে যাই হোক, এখন চলুন বিস্তারিতভাবে সবগুলো জিনিসের খরচ সম্পর্কে জেনে নেই।

হোস্টিং

হোস্টিং কেনার জন্য তিন ধরনের অপশন আছে।
১. লো রেইঞ্জ
২. মিডিয়াম রেইঞ্জ এবং
৩. হাই রেইঞ্জ
প্রয়োজন অনুসারে আপনি দেশী কিংবা বিদেশি যেকোন কোম্পানি থেকে খুব সহজেই হোস্টিং কিনে নিতে পারেন।
ব্যাক্তিগতভাবে আমার মনে হয় লো রেইঞ্জের জন্য ভালো বাংলাদেশী হোস্টিং কোম্পানি হলো Exonhost. এই কোম্পানিটির সার্ভিস বেশ ভালো এবং একবছরের জন্য মাত্র ২২৫০ টাকা খরচ হবে আপনার। এরপর প্রতি বছর আপনাকে হোস্টিংটি রিনিউ করে নিতে হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে অন্যান্য বাংলাদেশী কোম্পানি থেকেও হোস্টিং সার্ভিস নিতে পারেন। কোম্পানিভেদে বিভিন্ন জায়গায় হোস্টিং এর দাম ভিন্নরকম হয়।
এছাড়াও বিদেশি কোম্পানির মধ্যে namecheap ভালো মনে হয় আমার কাছে। এখানে ১ম বছর মোটামুটি ১৩ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এটা হলো নেইম চিপে সর্বনিম্ন হোস্টিং সার্ভিস এর খরচ।
মিডিয়াম রেইঞ্জের হোস্টিং এর জন্য আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো SiteGround থেকে সার্ভিস নেয়ার জন্য। এখানে সর্বনিম্ন হোস্টিং প্যাকেজ এর সার্ভিসটি নিলে আপনার প্রতিবছর ৬০ ডলারের মতো খরচ পড়বে।
এছাড়াও আরও বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি আছে। ব্যাক্তিগতভাবে আমি আমার একটা সাইটের জন্য wpx hosting ব্যবহার করি। এই হোস্টিং সার্ভিসটি ব্যবহার করার জন্য আমাকে প্রতিবছর ২৫০ ডলার পে করতে হয়।
আমার মনে হয় যারা বিগিনার, তাদের হোস্টিং এর পেছনে এতো টাকা খরচ করার কোন মানেই হয় না। আমিও প্রথম নেইম চিপের সবচেয়ে কম রেইঞ্জের হোস্টিংটাই ব্যবহার করতাম। পরে যখন ধীরে ধীরে আমার সাইট থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আর্ন হতে শুরু করলো, তখন আমি আমার সাইটটি wpx হোস্টিং এ ট্রান্সফার করি।

ডোমেইন

অনেক কোম্পানিতে হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন ফ্রি দেয় একবছরের জন্য। আপনি চাইলে সেসকল কোম্পানি থেকে সার্ভিস নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার খরচ কম পড়বে। এছাড়াও চাইলে আলাদাভাবেও ডোমেইন কিনতে পারবেন।
Exonhost এ ডট কম ডোমেইন এর দাম ৭৫০ টাকা। আপনি যদি সেখান থেকে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস নেন, তাহলে আপনার তিন হাজার টাকার মতো খরচ পড়বে।
এছাড়াও নেইম চিপে ১৩ ডলারের হোস্টিং প্যাকেজটা ক্রয় করলে আপনি প্রথম বছরের জন্য ডোমেইন ফ্রি পাবেন। একবছর শেষ হলে এরপর প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ একটা খরচ দিয়ে ডোমেইন রিনিউ করে নিতে হবে। তাদের রিনিউয়াল ফি প্রায় ১৫ ডলার।
অপরদিকে সাইটগ্রাউন্ডে কোন এক অজানা কারনে ডোমেইনের দাম প্রচন্ড বেশী। তাদের ডট কম ডোমেইন এর দাম প্রায় বিশ ডলারের মতো! ব্যাক্তিগতভাবে এতো দাম দিয়ে ডোমেইন কেনার কোন যুক্তি দেখি না আমি।
আপনি যদি সাইট গ্রাউন্ডের হোস্টিং ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন, তাহলে আমি সাজেস্ট করবো সাইট গ্রাউন্ড থেকে হোস্টিং কিনতে এবং নেইম চিপ থেকে ডোমেইন নিতে। তাহলে আপনার খরচ অনেকটাই বেঁচে যাবে।
এছাড়াও wpx থেকে ডোমেইন নিলে প্রতিবছর ১৩ ডলারের মতো খরচ পড়বে।
অ্যাফলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনীয় ডোমেইন হোস্টিং এর খরচ তো জানলেন।এবং চলুন জেনে নেই আরও কিছু টুকিটাকি জিনিসের খরচ৷ আপনি চাইলে এগুলোর পেছনে টাকা ব্যয় করতে পারেন। আবার না করলেও সমস্যা নেই।

থিম

থিম দু’রকমের হয়। পেইড এবং প্রিমিয়াম। আপনি খরচ করতে না চাইলে ফ্রি থিম দিয়েও খুব চমৎকার একটি সাইট তৈরী করে ফেলতে পারবেন। ফ্রি থিমের মধ্যে kadence থিম বেশ ভালো। এছাড়াও আরও অনেক ভালো ভালো ফ্রি থিম আছে। Astra থিমটি তাদের মধ্যে অন্যতম।
পেইড থিমের দাম অনেক কিছুর ওপর ডিপেন্ড করে ভিন্নরকম হয়। ব্যাক্তিগতভাবে আমার কাছে ইনকাম স্কুলের থিম Acabado খুব ভালো লাগে। এটা আমি ব্যবহার করি। এটার বার্ষিক খরচ ৬৭ ডলারের মতো। আর সারাজীবনের জন্য কিনতে চাইলে ১৮০ বা ১৯০ ডলারের মতো খরচ পড়বে।
এছাড়াও আপনি চাইলে Divi থিমও নিতে পারেন। এটার দাম বছরে ৮৯ ডলার করে পড়বে। এছাড়াও আরও কম কিংবা বেশী দামের নানান রকম থিম আছে। প্রয়োজন এবং পছন্দ অনুসারে আপনি যেকোন থিম চ্যুজ করতে পারেন।
৫০ -৬০ ডলারের মধ্যে বেশ ভালো ভালো পেইড থিম পাওয়া যায়। আমি আপনাদের সাজেস্ট করবো অ্যাফলিয়েট সাইটের জন্য থিম চ্যুজ করার ক্ষেত্রে অনেক ফিচার আছে, এমন থিম চ্যুজ না করতে। কারন বেশী জটিল থিম ব্যবহার করলে সাইট অনেক সময় স্লো হয়ে যায়।

ব্যাকআপ সলিউশন

একটা ওয়েবসাইটের ব্যাকআপ রাখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ। ব্যাকআপ না থাকলে আপনি হুট করেই নানান বিপদে পড়ে যেতে পারেন। দূর্ঘটনায় আপনার পরিশ্রমে গড়া ওয়েবসাইটের সমস্ত ডেটা হারিয়ে যেতে পারে একদম চিরতরে।
আর এজন্য একটা ওয়েবসাইটের সেইফটির জন্য ব্যাকআপ রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। ব্যাকআপ রাখার জন্য ফ্রি এবং পেইড দু’ধরনের সলিউশনই আছে। ফ্রি সলিউশনগুলো তেমন একটা ভালো মনে হয়নি। আর পেইড সলিউশনগুলোর খরচ এতোই কম, যে আমি সাজেস্ট করবো আপনাকে ব্যাকআপ রাখার জন্য পেইড সার্ভিসটাই নিয়ে নিতে।
আমি ব্যাকআপ রাখার জন্য Manage WP নামের একটা থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করি। তাদের পেইড সার্ভিসটি নিতে হলে প্রতিমাসে মাত্র ২ ডলার খরচ করতে হবে। আপনি যদি আপনার সাইট নিয়ে অনেক বেশি সিরিয়াস হন, তাহলে আমি রেকমেন্ড করবো অবশ্যই একটা পেইড ব্যাকআপ সলিউশন ব্যবহার করুন।

লোগো

শুরুর দিকে আপনি লোগো ছাড়াও সাইট ব্যবহার করতে পারবেন।এছাড়াও চাইলে খুব সহজেই ফ্রিতে লোগো বানাতে পারেন আপনার সাইটের জন্য। ক্যানভা দিয়ে অল্প সময়ে নানান রকম ইউনিক ডিজাইনের লোগো ফ্রিতেই তৈরী করা সম্ভব।
এছাড়াও আপনি চাইলে প্রফেশনাল ডিজাইনার দিয়েও লোগো তৈরী করে নিতে পারেন।ডিজাইনার, কাজ ও চাহিদা ভেদে বিভিন্ন জায়গায় লোগো তৈরীর খরচ ভিন্নরকম হয়ে থাকে। একটি লোগোর জন্য অনেকে পাঁচ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ ডলার পর্যন্তও খরচ করে থাকে।
ফাইভার থেকে ডিজাইনার হায়ার করে লোগো তৈরি করা যায়। এছাড়া লোকাল ডিজাইনার দিয়েও লোগো তৈরী করে নিতে পারবেন আপনি। আমি বাংলাদেশী একজন ডিজাইনার দিয়ে লোগো তৈরী করেছিলাম। আমার খরচ পড়েছিল ২৫০০ টাকা।
এখন লোগো তৈরীর জন্য খরচ করবেন নাকি করবেন না, এটা সম্পূর্নই আপনার ওপর ডিপেন্ড করে।

প্লাগিনস

প্লাগিনস ব্যবহার করাও বাধ্যতামূলক না। আপনি চাইলে এটা স্কিপ করতে পারেন। আমি আমার কাজ সহজ করা এবং সময় বাঁচানোর জন্য link whisper নামে একটা প্লাগিন ব্যবহার করি। এটা দিয়ে মূলত আর্টিকেলগুলোতে ইন্টারনাল লিঙ্ক করা যায়। বড় সাইটের আর্টিকেলগুলোতে ইন্টারনাল লিঙ্ক করার জন্য এ প্লাগিনটা খুবই উপকারী। তবে নতুন সাইটের জন্য এটা ব্যবহার করার দরকার নেই।
এছাড়াও Short Pixel নামের একটা প্লাগিন ব্যবহার করি আমি। এটা দিয়ে মূলত ইমেজ অপ্টিমাইজ করা যায়। এই প্লগিনটি আপনার ওয়েবসাইটে আপলোডকৃত ইমেজকে অটো অপ্টিমাইজ করে দেয়। বেশ ভালো একটা প্লাগিন।
এটার একটা ফ্রি ভার্সনও আছে। বাট ফ্রি ভার্সনটা দিয়ে লিমিটেড সংখ্যক ইমেজ অপ্টিমাইজ করা যায়। অপরদিকে পেইড ভার্সন দিয়ে প্রচুর সংখ্যক ইমেজ অপ্টিমাইজ করা সম্ভব। মান্থলি চার ডলার খরচ করে ১০,০০০ ছবি অপ্টিমাইজ করতে পারবেন আপনি এটা দিয়ে।
এছাড়াও তাদের আর একটা সিস্টেম আছে। সেখানে আপনি ১০ ডলার খরচ করে ১৫০০০ ছবি অপ্টিমাইজ করার ক্রেডিট কিনতে পারবেন। এবং এটার কোন মান্থলি লিমিট নেই।আপনি যখন ইচ্ছে, এটা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আপনি যদি সাইটে ezoic ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এধরনের কোন প্লাগিন ব্যবহার করার দরকার নেই। এটা ইমেজকে অটো অপ্টিমাইজ করে।

ইমেজ

ইমেজ কালেক্ট করার জন্য আপনি চাইলে ফ্রি কিংবা পেইড যেকোন অপশন চ্যুজ করতে পারবেন। unsplash.com, pexels.com সহ আরও অনেক সাইটেই ফ্রিতে স্টক ইমেজ পাওয়া যায়। তবে ফ্রি ইমেজগুলোর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, অনেকসময় পছন্দমতো মানসম্মত ছবি পাওয়া যায় না, এটাই সমস্যা।
এক্ষেত্রে আপনি পছন্দমতো আনলিমিটেড ছবি ব্যবহার করতে চাইলে পেইড সার্ভিসের সহায়তা নিতে পারেন। আমি ব্যাক্তিগতভাবে পছন্দমতো ইমেজ সংগ্রহের জন্য ক্যানভা প্রো ভার্সন ব্যবহার করি। তাদের খুব সুন্দর ইমেজ লাইব্রেরির কালেকশন আছে, যা অন্য অনেক দামী ইমেজ লাইব্রেরীর সাব্সক্রিপশনের থেকেও বেটার।
আর এর জন্য প্রতিমাসে মাত্র ১৩ ডলার খরচ করতে হয়। পার্সোনালি ক্যানভা আমার খুবই পছন্দ। আপনি চাইলে ক্যানভা ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা অন্য কোন ইমেজ লাইব্রেরির সার্ভিসও নিতে পারেন। সম্পূর্নটাই আপনার ইচ্ছা।

কন্টেন্ট

কন্টেন্ট অ্যাফলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস। আপনি যদি কন্টেন্ট লিখতে পারেন, তাহলে এক্ষেত্রে কোন খরচই পড়বে না আপনার। তবে লিখতে না পারলে প্রফেশনাল রাইটারের সাহায্য নিতে হবে।
বিভিন্ন রাইটার কিংবা এজেন্সির প্রাইস ভিন্নরকম।আপনি চাইলে অনেক ফেসবুক গ্রুপ থেকে খুব সহজেই কম প্রাইসে রাইটার হায়ার করতে পারবেন।প্রতি হাজার ওয়ার্ডে ৩০০- ৫০০ টাকা চার্জ করে তারা।
তবে এক্ষেত্রে দেখা যায় বেশিরভাগ রাইটাররাই ভালো সার্ভিস দেয় না, কারন তারা অনভিজ্ঞ ও বিগিনার থাকে। ফলে আর্টিকেল লেখার কলাকৌশল কেমনভাবে রপ্ত করতে পারে না। এধরনের রাইটারদের থেকে সার্ভিস নেয়ার সময় আপনাকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে।
তাদের আর্টিকেল কোয়ালিটি যাচাই বাছাই করতে হবে। নতুবা ঠকে যাবার সম্ভাবনাই বেশি। একটু ভালো রাইটার দিয়ে আর্টিকেল লেখাতে চাইলে প্রতি হাজার শব্দের জন্য আপনার প্রায় ১০০০-১৫০০ টাকার মতো খরচ পড়বে। এছাড়া বাইরের দেশে অনেকেই প্রচুর দামে আর্টিকেল লিখে থাকে।
অনেকে প্রতিটি আর্টিকেলের জন্য ১০০ ডলার পর্যন্ত চার্জ করে থাকে। আপনি আপনার সুবিধামতো লো কিংবা মিডিয়াম রেঞ্জের রাইটার দিয়ে আর্টিকেল লিখিয়ে নিতে পারেন৷ তবে সবচেয়ে বেস্ট হবে যদি আপনি নিজেই আর্টিকেল লেখাটা রপ্ত করে ফেলতে পারেন, কিংবা আর্টিকেল লেখার ব্যাপারটা বুঝে নিতে পারেন।
এটা বেশ কাজে দিবে আপনার জন্য। রাইটার আপনাকে ভালো কন্টেন্ট দিচ্ছে নাকি বাজে কন্টেন্ট দিচ্ছে, সেটাও সহজে ধরতে পারবেন।

PLAGIARISM

Plagiarism চেক করার জন্য আমি CopyScape নামের একটা পেইড টুল ব্যবহার করি। অসম্ভব রকমের ভালো একটা টুল।ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি এই টুলটা সবার কাছেই থাকা দরকার।দামও খুব কম। এটা নরমালি ক্রেডিট হিসেবে ব্যবহার করার যায়। পাঁচ ডলারের বিনিময়ে পাঁচ ডলারের ক্রেডিট কিনতে পারবেন।
এক্ষেত্রে ১০০০ শব্দের আর্টিকেল চেক করার জন্য আপনার ১০ থেকে ১২ সেন্টের ক্রেডিট খরচ হবে। মাত্র পাঁচ ডলারের বিনিময়ে আপনি ৩০-৪০ হাজার শব্দের Plagiarism চেক করতে পারবেন। খুবই কম খরচ এটার।
তো একটা অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে এবং ম্যানেজ করতে মোটামোটি এই জিনিসগুলোরই প্রয়োজন পড়ে। আর খরচের হিসাব তো দিয়েই দিলাম। তবে আপনি যদি একদম কম খরচে শুরু করতে চান, তাহলে আমি বলবো ১১০০ টাকা খরচ করে আপনি একটা অ্যাফলিয়েট সাইট মেন্টেইন করতে পারবেন।
এই ১১০০ টাকার হিসাবটা হলো এরকম –
নেইম চিপ থেকে সবচেয়ে কমদামি স্টেলার হোস্টিংসটা ১৩ ডলার দিয়ে কিনে নেবেন। প্রথম বছরের জন্য ফ্রি ডোমেইন পেয়ে যাবেন। আর নিজের নিজের সাইটের কন্টেন্ট নিজেই লিখে ফেলবেন। তাহলেই হলো!

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে নতুনদের জন্য পুর্নাংগ গাইডলাইন- OnPage SEO, Part-1যারা ভাবছেন নিজের একটা ব্লগ খুলবেন বা ক...
19/08/2021

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে নতুনদের জন্য পুর্নাংগ গাইডলাইন- OnPage SEO, Part-1
যারা ভাবছেন নিজের একটা ব্লগ খুলবেন বা ক্লায়েন্ট সার্ভিস দিবেন তাদের কিছুটা হলেও কাজে আসবে। না বুঝেই অনেকে কাজ শুরু করে দেয়। অনেকে আবার চিন্তা করে ইনভেস্ট করে লস হবে বা অনেকেই চায় আমি এসইও শিখব কিন্তু কোন ডোমেন বা হোষ্টিং কিনতে চাই না। সেটা কি হয়? আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে যায় তাদের দিয়ে শুধু ডজন খানেক ডোমেন হোষ্টিং কিনায় কিন্তু পরে যে সেটা নিয়ে আগাতে হবে তার কোন খেয়াল রাখেন না। কেননা অনেকেই নতুন বিধায় উৎসাহের সহিত ডোমেন হোষ্টিং কিনে ফেলে রাখে, আর্টিকেল আর দেওয়া হয় না। ফলস্বরুপ, হাজার হাজার টাকা কামানোর মোটিভেশন হতাশায় রুপ নেয়। কাজেই, আমার মনে হয় নিউবিদের টিমওয়ার্ক করা উচিত, কিভাবে? কয়েকজন মিলে শুধুমাত্র একটি ডোমেন-হোষ্টিং কিনলে দুটি লাভ হতে পারে-
১) টাকা লস হওয়ার ভয় কম থাকবে
২) ফ্রিতে প্রেক্টিস করার সাইটের প্রতিও কম ঝুকবে এবং ভাল মত সি-পেনেলসহ ওয়ার্ডপ্রেস ও এসইও প্রেক্টিস করতে পারবে।
Niche Selection-
আসলে মুলকথা হল- সবাই ডোমেন হোষ্টিং কিনতে পারলেও আর্টিকেল দেবার মত ধৈর্য আর সাহস সবার থাকে না। প্রতিটি কন্টেন্ট কম করে হলেও ১০০০ শব্দের হওয়া চাই। আর যদি রাইটারকে দিয়ে লিখিয়ে নেওয়ার সামর্থ না থাকে তাহলে নিজে লিখেও টাকা কামানোর পর্যায়ে যাওয়াটা সত্যিই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আমার জানামতে, এডসেন্স এপ্লাই করতেও মিনিমাম ৪০ হাজার ওয়ার্ড সাথে ভাল মানের ভিজিটর লাগে, আর আমাজন এফিলিয়েট তো ৬ মাসের আগে করাটা একটু রিস্কির ব্যাপার স্যাপার। যাইহোক আমরা মুল আলোচনায় আসতে পারি।
আগেই বলে রাখি নিশ সিলেকশন একটা বড় ব্যাপার। তারপর ডোমেইন হোষ্টিং কিনবেন। চেষ্টা করবেন নিশ কিওার্ড যাতে ডোমেইন নেমে রাখা যায়। অবশ্যই পারশিয়াল ম্যাচ ডোমেইন কিনবেন, ইএমডি(এক্সাট্ম্যাচ ডোমেইন) নয়। কোন নিশ চয়েস করতে পারেন- বিউটি, কিচেন, স্পোর্টস, টুলস, গার্ডেনিং, ইলেক্ট্রনিক্স আরো অনেক আছে আমাজন থেকে দেখে নিতে পারেন।
Domain hosting-
এখন ভাবছেন ডোমেন নেম পাব কোথায়? https://leandomainsearch.com/, https://sedo.com/ , https://www.namemesh.com/ , এই ওয়েবসাইটে চলে যান অনেক সুন্দর সুন্দর কিওার্ডের ডোমেন পাবেন, যত শর্ট তত এসইও ফ্রেন্ডলি হবে। ১-৬ ক্যারেক্টারের মধ্যে পাবেন না তবে ৭-১০ ক্যারেক্টারের নিতে পারলে বেস্ট হবে। আপনার নিশ কিওার্ড দিয়ে সার্চ করুন। ৩ টাই খুব ভাল তবে sedo তে পার্কিং ডোমেইন হিউজ আপনি শুধু একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিলেই ভাল ভাল নেম জেনারেট করতে পারবেন।
প্রথমেই, ডোমেইন হোষ্টিং এর কথায় আসি। এটা নিয়ে নিউবিরা খুব ঝামেলায় থাকে। অনেকেরই মাষ্টার কার্ড থাকে না। সেইক্ষেত্রে, বাংলাদেশি হোষ্টিং প্রোভাইডারদের কাছ থেকে হোষ্টিং কিনতে পারেন, আর থাকলে ইন্টারন্যাশনাল https://www.namecheap.com/ , https://hostinger.com/, https://siteground.com/ থেকে কিনতে পারেন। এদের মধ্যে নেমচিপ খুব সস্তায় কিনতে পাবেন আর সাপোর্ট ও খুব ভাল তবে মাঝে মাঝে সাইট ডাউন থাকতে পারে, তবে আমি পাইনি কখনও। আর বাংলাদেশি Exhonhost ভাল সার্ভিস দেয় অনেকের কাছেই শুনি, এর সুবিধা বিকাশে পে করা যায়। আমি এখানে কোন কোম্পানিরই এফিলিয়েট করি না বলে রাখছি জাষ্ট জানানোর জন্য উল্ল্যেখ করলাম। ২৫০০-৩০০০ টাকার মধ্যেই মোটামোটি ভালমানের পেয়ে যাবেন। তবে লাভ বেশি ব্ল্যাক-ফ্রাইডে উপলক্ষ্যে কিনলে(নভেম্বর মাসের শেষের দিকে)।
এই পর্যায়ে এসে কিওার্ড রিসার্চ করবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এটাতে ভুল হলে পুরাই হতাশ। লো-কম্পিটিটিভ কিওার্ড বাছাই করুন। তবে অবশ্যই আগে ওয়েবসাইটের ক্যাটাগরিগুলো ঠিক করুন, নিশ রিলেটেড কি কি ক্যাটাগরি রাখা যায় তার আইডিয়ার জন্য গুগল সার্চ করুন, দেখুন অন্যরা কি কি রেখেছে। সেই সাথে ওয়েবসাইট ডিজাইনিং টা সেরে ফেলুন, ডিজাইন করতে ভালই সময় লাগে।
Pages:
কি কি পেজ অবশ্যই রাখবেন- ১) Contact ২) About ৩) Terms & conditions ৪) Privacy policy ৫) DMCA
Tools:
অনেকেই নতুন অবস্থায় টুলস কিনে টাকা নষ্ট করতে চান না। তাই আপনি যেকল টুলস ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন- whatsmyserp, ubersuggest (এই দুইটা কিওার্ড বের করার জন্য )seoquack, moz(এটা দিয়েও কিওার্ড বের করা যায় সাথে এর মেট্রিক্সও চেক করা যায় যা অন্য ফ্রি টুলসগুলো দিয়ে সম্ভব না), এই গুগল এক্সটেনশন গুলা ইন্সটল করে নিন। আর পেইড হলে ahref's and SEMrush নিন। ahref's টূলস্ টা খুবই মজার এটা দিয়ে সব কিছু বের করতে পারবেন।
গ্রুপ বাই কিনতে পারেন https://digitavision.com/ অর https://groupbuyseotools.xyz/ এখান থেকে নিতে পারেন। আমার ব্যবহার করে ভাল লাগছে।
Keyword Selection Process:
এখন গুগলে যান আর লিখুন google usa, যেহেতু অধিকাংশ মার্কেটার এই দেশকেই টারগেট করে সেজন্য। আপনি যেহেতু নতুন তাই কিওার্ড নিয়ে আইডিয়া নাও থাকতে পারে। তাই একটা চুরির কাজ করুন, ঠিক চুরি না অন্যকে এনালাইসিস করা। আপনার নিশ কিওার্ড লিখে গুগল সার্চ করুন, যাদের ওয়েবসাইট আসবে তাদের প্রত্যেককে moz অথবা ubersuggest এ ডোমেইন এনালাইসিস পোর্শন এ ইউআরএল পুশ করুন(কাটাগরি রিলেটেড লিংক দিবেন তাহলে সহজ হবে)। দেখেবেন হাজার হাজার কিওার্ড, দেখে পাগল হয়ে যাবেন না। কিছু ম্যাট্রিক্স ফলো করতে হবে।
তো কি কি দেখবেন? কিওার্ডের সার্চ ভলিউম, ডিফিকাল্টি(KD) আর CPC। ahref's দিয়ে রিসার্চ করলে (০-৫) কেডি নিবেন আর সার্চ ভলিউম ১০-৫০০০ নিয়ে নিতে পারেন। আর moz এর ক্ষেত্রে KD

Search for and register available domain names in seconds.

দক্ষতাই হলো ফ্রিল্যান্সিং প্রফেশনের মূল চাবিকাঠিপ্রযুক্তির কল্যাণে আজকে আমরা উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি আ...
19/08/2021

দক্ষতাই হলো ফ্রিল্যান্সিং প্রফেশনের মূল চাবিকাঠি

প্রযুক্তির কল্যাণে আজকে আমরা উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি আর দেশে বসেই বিদেশের নামি-দামি কোম্পানি সঙ্গে কাজ করতে পারছি। সেইসঙ্গে খুব ভালো মানের সম্মানীও পাওয়া যাচ্ছে। আর এই সমস্ত কিছুর পিছনে যে প্রফেশন উল্লেখ্য যোগ্য তা হলো ফ্রিল্যান্সিং।
ফ্রিল্যান্সিং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত পেশা, যার মাধ্যমে একজন দক্ষ লোক যেকোনো জায়গা থেকে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। আমাদের শিক্ষিত সমাজ অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ৬-৭ বছর আগেও তেমন দেখিনি।
কিন্তু বর্তমানে এখন এটা সম্মানজনক পেশায় পরিণত হচ্ছে। সঠিক ধারণা ও জ্ঞান থাকলে যে কেউ তৈরি করে নিতে পারে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। আপনি যদি অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা করে থাকেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। কঠোর পরিশ্রম, কাজের যোগ্যতা এবং ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা। এ বিষয়গুলো নিয়ে একটু ভালোভাবে আলোচনা করা যাক।

কঠোর পরিশ্রম

পরিশ্রম সাফল্যর চাবি কাঠি এ কথা সবার জানা আছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনাকে ঠিক এই কাজটিই করতে হবে। মানে সফলতার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে দ্বিতীয় সুযোগ বলে কিছু নেই। একটু অলসতার কারণে কাজ একটু খারাপ হয়েছে, এসব বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়া হবে না। কারণ অনেক অভিজ্ঞ লোক বসে রয়েছে নির্ভুলভাবে কাজ করে দেয়ার জন্য। সেক্ষেত্রে আপনার ক্লায়েন্ট অভিজ্ঞদের মধ্য থেকে কাউকে সুযোগ দিবে। কারণ আপনি তার আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।
আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটের একজন প্রতিযোগী। আবার মাঝে মাঝে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সারকে টানা ১৫ ঘণ্টার বেশিও কাজ করতে হয়। এই ধরনের চাপের মধ্যে কাজ করার মনোবল থাকতে হবে।

যোগ্যতা

ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্লায়েন্টরা “মনে হয় পারবো” এ ধরনের মতবাদে বিশ্বাসী নয়। আপনার কাছে তারা দুইটি উত্তর শুনতে চাইবে, “হ্যাঁ” অথবা “না”। হ্যাঁ উত্তর আপনি তখনই দিতে পারবেন, যখন আপনার যোগ্যতায় কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং আপনি আত্মবিশ্বাসী হবেন।
ব্যক্তিগত মত থেকে যোগ্যতা প্রসঙ্গে যদি বলতে যাই, তাহলে বলতে হবে কম্পিউটারের সঙ্গে জড়িত এ রকম কিছু সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করাই ভালো। কারণ এতে করে আপনি আপনার মেধা সারা বিশ্বে সহজেই তুলে ধরতে পারবেন।
আমাদের দেশে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখান থেকে আপনি কম্পিউটার বিষয়ে ভালো দক্ষতা অর্জন করার সুযোগ রাখেন। তবে অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, একটি প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র পথপ্রদর্শকের ভূমিকা রাখে, চলতে হবে আপনাকে নিজের যোগ্যতাতেই। এছাড়াও গুগল থেকে বিভিন্ন বিষয় বিষয়ে সার্চ করে আপনি আপনার দক্ষতা বাড়াতে পারেন।

ইংরেজিতে দক্ষতা

ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকা আবশ্যক। যেহেতু ফ্রিল্যান্সিংয়ে বেশিরভাগ ক্লায়েন্ট বিদেশি, সেহেতু তাদের সঙ্গে ইংরেজিতেই আপনাকে কথোপকথন করতে হবে। ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা না করতে পারলে আপনি কোন কাজই সফলভাবে করতে পারবেন না। কারণ আপনি তার কাজের দরকারি জিনিসগুলো বুঝতে পারবেন না। ইংরেজিতে কথা বলতে এবং লিখতে, দুটোতেই আপনাকে পারদর্শী হতে হবে।
সাধারণত একজন সফল ফ্রিল্যান্সার একটা সময় পরে উদ্যোক্তা হতে পারে। কারণ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে একজন উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সকল বৈশিষ্ট্য লাগে। আর এই যোগ্যতা তার মধ্যে তৈরি হয়ে যায়। তাই একজন দক্ষলোক ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ খুব সহজেই তৈরি করে নিতে পারেন।

19/08/2021

এভারগ্রীন নিস্ আইডিয়া।
শুরুর দিকে নিস্ সিলেক্ট করা আসলেই অনেক দ্বিধা কাজ করে থাকে। আর নতুনদের ক্ষেত্রে তো এইটা বিশাল মধুৰ সমস্যা। তাই আমি আজ কিছু নিস্ দিচ্ছি যেগুলাকে এভারগ্রীন বলা হয়ে থাকে। এভারগ্রিন বলা হয় এইজন্য যে, এই নিস্গুলাতে মানুষ বছরের পর বছর সার্চ করে থাকে। আপনারা যারা নতুন তাদের জন্য এই নিস্ আইডিয়াটি বেশ কাজে দিবে।
চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক;
১) Anti-Aging
২) Antiquing
৩) Anxiety
৪) Astronomy
৫) Babysitting
৬) Bedroom Furniture styles
৭) Backpacking
৮) Fishing
৯) Bird Training/Train, Your Bird, to Talk
১০) Boating & Sailing
১১) Bowling
১২) Boxing
১৩) Camping and Hiking
১৪) Ceramics
১৫) Computer parts
১৬) Computer tips and tricks
১৭) Cleaning services
১৮) Cooking/Recipes
১৯) Classic Cars
২০) Copywriting
২১) Decorating
২২) Digital Illustration
২৩) Digital marketing
২৪) Dog Training
২৫) Gardening
২৬) Employment Skills
২৭) Golf
২৮) Hair Loss
২৯) Horse Racing
৩০) Horses Training
৩১) How to Be Confident
৩২) How to spend money wisely
৩৩) How to be in Budget
৩৪) How to Get Rid of Panic Attacks
৩৫) Hunting
৩৬) Hypnosis
৩৭) Insurance
৩৮) Invest in Gold
৩৯) Innovative ideas
৪০) Jobs Finder
৪১) Knitting:
৪২) Landscaping
৪৩) Living (Art of Living)
৪৪) Life insurances
৪৫) Learn To Dance
৪৬) Life Coaching
৪৭) Low Fat Recipes
৪৮) Magic Tricks
৪৯) Marketing skills
৫০) Money making skills
৫১) Movies list
৫২) Mobile technologies
৫৩) Motherhood
৫৪) Food
৫৫) Pottery
৫৬) Photography
৫৭) People lifestyles
৫৮) Beauty tips
৫৯) Rafting
৬০) Scuba Diving
৬১) Skateboarding
৬২) Skiing
৬৩) Snorkelling
৬৪) Snowboarding
৬৫) Stop Smoking
৬৬) Surfing
৬৭) Stop Snoring
৬৮) Technology
৬৯) Swimming
৭০) Stock markets
৭১) Tracking Skills
৭২) Tennis
৭৩) Volleyball
৭৪) Weight Loss
৭৫) Woodworking
৭৬) Weight Training
৭৭) Wrestling
৭৮) Yoga
৭৯) Games
আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে একটা কথা আছে যে YMYL (Your Money Your Life) সাইট থেকে দূরে থাকা। YMYL নিশ গুলা হচ্ছে Insurance, Health, Medicine, Finance, News and Current events তো এইগুলা ছাড়া অন্য নিস্ এ আপনি সহজেই সিলেক্ট করে শুরু করে দিতে পারেন ,আর এইগুলা যদি সিলেক্ট করে থাকেন তাহলে E.A.T এর দিকে বিশেষ নজর দিবেন।
Collected from Yaqub Nipu

16/08/2021

আসুন জেনে রাখি কোন কোম্পানি কোন দেশের? হয়তো ভবিষ্যৎ এ কাজে আসবে!
➡ *Micromax* is an *Indian company*.
➡ *IBall* is an *Indian company*.
➡ *HCL* is an *Indian company*.
➡ *Intex* is an *Indian company*.
➡ *Karbonn* is an *Indian company*.
➡ *Lava* is an *Indian company*.
➡ *Virgin* is an *Indian company*.
➡ *Videocon* is an *Indian company*.
➡ *XOLO* is an *Indian company*.
============================
➡ *Lenovo* is a *Chinese company*.
➡ *Asus* is a *Chinese company*.
➡ *Coolpad* is a *Chinese company*.
➡ *Gionee* is a *Chinese company*.
➡ *Huawei* is a *Chinese company*.
➡ *Vivo* is a *Chinese company*.
➡ *OPPO* is a *Chinese Company*.
============================
➡ *Acer* is a *Taiwanese company*.
➡ *HTC* is a *Taiwanese company*.
============================
➡ *Dell* is an *American company*.
➡ *Apple* is an *American company*.
➡ *HP* is an *American company*.
➡ *Motorola* is an *American company*.
➡ *Microsoft* is an *American company*.
============================
➡ *BlackBerry* is a *Canadian company*.
============================
➡ *Sony* is a *Japanese company*.
➡ *Toshiba* is a *Japanese company*.
➡ *Panasonic* is a *Japanese company*.
============================
➡ *Philips* is a *Netherlands company*.
============================
➡ *Samsung* is a *South Korean company*.
➡ *LG* is a *South Korean company*.
============================
➡ *Nokia* is a *Finland company*.
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।

Address

Postogola
Gandaria
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DimarGency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DimarGency:

Share