Zp Tv

Zp Tv Welcome to our page

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্সসরকারের দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ এক অবিস্মরণীয় অর্জন।বি...
19/04/2026

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স
সরকারের দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ এক অবিস্মরণীয় অর্জন।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম।
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার জন্য।

আপনারা জানেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ হয়েছে গতকাল। বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের রক্তস্নাত অধ্যায় অতিক্রম করে, গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিশ্ব রাজনীতির জন্যও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সেই সময় থেকেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো তাঁকে অবশ্যম্ভাবী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে এবং তাঁর নেতৃত্ব, ভিশন ও পলিসি নিয়ে বিস্তৃত ফিচার প্রকাশ করে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অর্জিত নিরঙ্কুশ বিজয়কে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকরা গণতন্ত্রের পুনরুত্থান ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বিশ্বের প্রায় সকল দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন, গণতান্ত্রিক সরকারের সাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে, তা দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।

আপনারা অবহিত আছেন যে, আমাকে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জনাব সালেহ শিবলী-কে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আজকের এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জনাব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব জনাব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রেস উইংয়ের সকল সম্মানিত সদস্যকে। ব্যক্তিগতভাবে একটি কথা না বললেই নয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে, গণমাধ্যমের সাংবাদিক ভাই-বোনদের কাছ থেকে যে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সেই টিমে আমার সাথে কাজ করা জনাব তারিকুল ইসলাম ও জনাব মাহবুব নাহিদ এখনও কাজ করছেন এবং এখানে উপস্থিত আছেন সেই টিমের আরো কেউ কেউ।

সামনের দিনগুলোতেও যে-কোনো ভুল-ত্রটি আপনারা যুক্তিসংগত সমালোচনার মাধ্যমে তুলে ধরবেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপে পাশে থাকবেন, এটিই আমাদের প্রত্যাশা। কারণ আপনাদের সহযোগিতা ও গঠনমূলক সমালোচনাই আমাদের সমৃদ্ধ করে। মুখপাত্র হিসেবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনা, রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা, এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় তাঁর গ্রহণ ও বাস্তবায়িত বিভিন্ন উদ্যোগকে একটি স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরা। উল্লেখ্য যে, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাগণ নিজ-নিজ দপ্তরসংক্রান্ত বিষয়ে যথারীতি বক্তব্য প্রদান করবেন এবং মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ তাঁদের নির্বাচনি এলাকা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বাভাবিকভাবেই মতামত তুলে ধরবেন। আমাদের দায়িত্ব মূলত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম ও জনগণের কল্যাণে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টাকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা।

ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময় এবং গত প্রায় দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বহুমুখী অপপ্রচারে লিপ্ত থাকলেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য সচেতন নাগরিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে শক্ত অবস্থান নিয়ে এসব মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এই জন্য গণতন্ত্রকামী জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা প্রত্যাশা করি, সামনের দিনগুলোতেও এই ইতিবাচক ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গও নিজ নিজ অবস্থান থেকে তথ্যভিত্তিক বক্তব্য তুলে ধরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন। আমরা ভেবেছিলাম, এই অল্প সময়ের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় সরকার যে সমস্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে, বিরোধী দল সেই কাজের জন্য সামগ্রিকভাবে সহযোগিতা করবে। কিন্তু আমরা দেখলাম, তারা সেটি না করে সংসদে হট্টগোল করা, রাজপথে আন্দোলনের হুমকি, গুজব-অপপ্রচার ছড়ানোসহ বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে, যা দেশের অগ্রযাত্রার পথে প্রতিবন্ধকতা।

গভীর আনন্দ ও গৌরবের বিষয়, যা, ইতোমধ্যে আপনারা জেনেছেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা জনাব তারেক রহমান এই বছর বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইম-এর বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সীমাহীন সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে। আজকে টাইম থেকে পাওয়া এই সম্মান আমাদের সকলের। এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি গণতন্ত্রের বিজয়, জনতার বিজয়, বাংলাদেশের বিজয়, আলহামদুলিল্লাহ।

উপস্থিত সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা
আমরা সবাই জানি, গতকাল বর্তমান সরকারের মেয়াদ দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই সরকার নির্বাচনের আগে ইশতেহারে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতিসমূহ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার দুর্বার গতিতে যেভাবে অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে, প্রতিটি সেক্টরে এবং গণমানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ১৮০ দিনের যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তা এক অবিস্মরণীয় অর্জন। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে গত দুই মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের ও প্রতিটি নাগরিকের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে যেসব কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তার মধ্যে ৬০টি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

সরকারের দুই মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ-

১। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২,৫০০ নগদ টাকা সহায়তা করা হচ্ছে, যা নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের এক আন্তর্জাতিক রোল মডেল।

২। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দেশের কৃষক কৃষাণীর জন্য ১০টি সুবিধা ও নগদ অর্থায়ন সম্বলিত “কৃষক কার্ড” প্রচলন করা। ইতোমধ্যে প্রাথমিকভাবে ১০টি জেলার ২২ হাজারেরও বেশি প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষককে “কৃষক কার্ড” প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মৎস্য, প্রাণী সম্পদের সাথে যারা যুক্ত এবং খামারীরাও এই সুবিধা পাচ্ছেন।

৩। প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

৪। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায়, অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশসহ ১৬টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাই করে আবার সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে। সবচেয়ে বেশি গুম, খুন, মানবাধিকার হরণের শিকার দল হিসেবে বিএনপি এগুলো বাস্তবায়নে অঙ্গিকারবদ্ধ। এগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আরও পরামর্শ ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বিলেই উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের এ উদ্যোগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। জুলাই সনদে 'নোট অব ডিসেন্ট' সহ বিএনপি সম্মত হয়ে যেভাবে স্বাক্ষর করেছিল—সেই স্বাক্ষরিত জুলাই সনদকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশের মানুষের কাছে বিএনপি যে অঙ্গীকার করেছে এবং যে প্রতিশ্রুতির আলোকে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সবাই তা অক্ষরে-অক্ষরে পালনের জন্য দায়বদ্ধ।

৫। সারাদেশে ২০,০০০ কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় এই কাজ শুরু করা হয়েছে।

৬। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও সরকার জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। যেখানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে, তার বিপরীতে জনস্বার্থে ভর্তুকি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস থেকে ক্রয় করার উদ্যোগ, দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কুটনীতিতে তেলের সংস্থানকে প্রাধান্য এবং আন্তর্জাতিক দর-কষাকষিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান- এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলেই সামগ্রিকভাবে যে-কোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম যথেষ্ট কম।

৭। জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট মিটারিং-এর মাধ্যমে মোট ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সোলার বা সৌরশক্তি ব্যবহার করে ১০,০০০ (দশ হাজার) মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

৮। জ্বালানি নেওয়ার জন্য ফুয়েল কার্ড-এর পাইলটিং প্রজেক্ট ইতোমধ্যে চালু করা হয়েছে।

৯। সরকারের একটি অগ্রাধিকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা। প্রতিকূল বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে পবিত্র রমজান মাসে এবং এখনও অন্যান্য বছরের তুলনায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তারল্যসংকট থাকা সত্ত্বেও খাদ্যপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট তৈরি হয়নি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেছে।

১০। ৪, ৯০৮টি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন, এই কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপসনালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যা ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

১১। ঈদ-উল-ফিতরের সময় সারাদেশে অসহায় ও গরিবদের ত্রাণ ও উপহার বিতরণ করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ইসলামিক স্কলার ও অংশীজনদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে জাকাত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে দারিদ্র বিমোচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১২। শীষ্রই প্রবাসীদের জন্য “প্রবাসী কার্ড” চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১৩। বিগত সময়ের তুলনায় হজযাত্রার খরচ টিকিট প্রতি ১২,০০০ টাকা এ বছরেই কমানো হয়েছে। প্রথমবারের মত দেশের মাটিতেই “নুসুক হজ কার্ড” প্রদান করা হয়েছে।

১৪। দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

১৫। পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রাধান্য পাচ্ছে চিনিকল, রেশম ও পাটশিল্প।

১৬। স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যাবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরি শুরু করা হয়েছে।

১৭। সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অধিকতর শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একগুচ্ছ বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে রূপান্তর। এ লক্ষ্য অর্জনে খাতভিত্তিক স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

১৮। অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতা, পুনর্গঠন ও বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে নিতে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, এমপ্লয়েমেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

১৯। বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের জন্য ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০। গত প্রায় ১৮ বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে কোনো শ্রমিককে হাহাকার করতে হয়নি। শ্রমিক, মালিক, সরকার ও অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিত আলোচনার ভিত্তিতে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকিং সহায়তা প্রদান করে নিশ্চিত করা হয়েছে, সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের ঈদের আগেই তাঁদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাদি পরিশোধ করা হয়েছে।

২১। দীর্ঘদিন পর আবারও খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। দুই দেশের অভূতপূর্ব যৌথ বিবৃতিতে উঠে এসেছে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও প্রবাসীদের জনকল্যাণ।

২২। বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজতে ইউরোপের ৭টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। দেশগুলো হলো— সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল, রাশিয়া।

২৩। দেশে বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর অংশ হিসেবে সরকার বিদেশে অধিক সংখ্যক জনশক্তি রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষ এবং আধা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ওপর গুরুত্ব প্রদান করে অভিবাসনের পরিমাণ এবং গুণমান উভয়ই বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এই লক্ষ্যে দেশজুড়ে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও কারিগরি শিক্ষায় বহুভাষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কারিকুলামে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

২৪। উত্তরবঙ্গকে অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির 'হাব' বা প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২৫। পে-পাল ও অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রম বাংলাদেশে শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২৬। দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে নারী ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিয়ে মোট কর্মীর ৮০ শতাংশই নারী থেকে নেওয়া হবে এবং এর মূল উদ্দেশ্য নারীর ক্ষমতায়ন।

২৭। সঠিক ও গুণগত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সারাদেশে হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

২৮। প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, অর্থাৎ পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হবার পর নতুন করে আর ভর্তি ফি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। লটারির পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের ভর্তি, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সকল স্তরের শিক্ষাবৃত্তির অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

২৯। বিদেশে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৩০। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯,০০০ ধর্মীয় শিক্ষক এবং শূন্য পদসমূহে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

৩১। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে। মহানগর পর্যায়ে উন্মুক্ত খেলার মাঠের সংস্থান করা হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

৩২। আবারও শুরু হয়েছে শিশু কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের প্রতিযোগিতা “নতুন কুঁড়ি”, প্রথমবারের মতো সংযুক্ত হচ্ছে ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত। জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ এবং দেশব্যাপী বইপড়াকে উৎসাহিত করার জন্য বেসরকারি খাতের সাথে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

৩৩। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে লার্নিং উইথ হ্যাপীনেস, কারিগরি শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি যুক্ত করে শিক্ষাক্রমকে সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩৪। মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩৫। স্পোর্টস কার্ড ও স্পোর্টস অ্যালাউন্স কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ইতোমধ্যে শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

৩৬। ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে, বনায়ন সৃজনের জন্য এরই মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়েছে। উৎপাদিত চারাগুলো চলতি বছর আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা হবে। এছাড়া শহরের মধ্যে থাকা খালের পাশে আধুনিক নেটিং ব্যবস্থা এবং হাঁটার রাস্তা তৈরি করা হবে।

৩৭। রাষ্ট্রীয় ভবন যমুনা ব্যবহার না করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুলশানে নিজের বাড়ি ব্যবহার করছেন, নিজের গাড়ি ব্যবহার করছেন, নিজ খরচে তেল ব্যবহার করছেন, যা রাষ্ট্রীয় ব্যয় হ্রাসের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

৩৮। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন, কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছেন, ভিভিআইপি প্রটোকল না নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্র্যাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন এনেছেন, তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের সময় বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করা হয়েছে। যেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন কেবল একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

৩৯। দালালদের হস্তক্ষেপ বন্ধের লক্ষ্যেই-নামজারি ও সেবাগ্রহীতাদের অনলাইন আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নগদ টাকা লেনদেনের সুযোগ বন্ধ করতে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ম্যাপ বা নকশা জালিয়াতি বন্ধ করতে সরকার এখন ডিজিটাল সার্ভের পাইলটিং পরিচালনা করছে। চালু হয়েছে ২৪/৭ হটলাইন।

৪০। পদ্মা অববাহিকার বিস্তৃত কৃষি অঞ্চলকে মরুকরণ থেকে রক্ষা করা এবং শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ হাতে নেওয়া হয়েছে।

৪১। এমপি-মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমছে।

৪২। পাটজাত পণ্যে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন সরকারি অফিস এবং বেসরকারি শিল্পখাতকে পাটজাত পণ্য ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

৪৩. ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

৪৪. দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, লক্ষ্য দ্রুততম সময়ে সারাদেশে প্রদান।

৪৫. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। জনবান্ধব পুলিশ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৪৬. ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস এবং নারীদের জন্য নিরাপদ বিশেষায়িত পিংক বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৪৭. জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধনের একটি খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে, এর ফলে নদী দখল ও দূষণ ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে; এই আইনের অধীনে নদী দখলদারদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।

৪৮. বিদ্যুৎ ও অর্থ অপচয় রোধে রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিত করা হয়েছিল। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সব ধরনের সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য ১১ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। লাইট কম ব্যবহার করে, দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের পর্দার জানালার সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্য সবাইকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি চালানোর নির্দেশনাও রয়েছে।

৪৯. প্রথমবারের মতো এনটিআরসি-র মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ নিয়োগে পরীক্ষার মেধাভিত্তিক নিয়োগ হতে যাচ্ছে।

৫০. দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির সক্ষমতা বাড়াতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। ২০২৯ সালে দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে। আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে আগামী মাসে।

৫১. ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ও ভিন্ন স্থানে ব্যাবসা পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

৫২. বিএনপি ঐতিহাসিকভাবে বাক্‌স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সরকারের লক্ষ্য একটি উদার ও গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ করা, যেখানে কোনো মত, বিশ্বাস বা পরিচয় অবমূল্যায়িত হবে না। মুক্ত ও নিরাপদ মতপ্রকাশ, স্বাধীন গণমাধ্যম এবং বাধাহীন চিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে গত দুই মাসে এর কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। সরকার, এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও মিথ্যা অপপ্রচার ও অশালীন আচরণ করছেন অনেকেই, যা নজিরবিহীন। সর্বোচ্চ বাক্‌স্বাধীনতার এই সময়ে সবাই মুক্ত ও নিরাপদ মতপ্রকাশ করছেন, এমনকি একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী হীন রাজনৈতিক স্বার্থে এর অপব্যবহারও করছে। তবুও অটুট রয়েছে বহুমত ও কণ্ঠের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা।

৫৩. বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৫৪. ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন করা হয়েছে।

৫৫. চলন্ত ট্রেনের যাত্রীদের সুবিধার জন্য ফ্রি ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিকায়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২৩৩৬টি কারিগরি ও ৮২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই ফাই চালু করা হবে।

৫৬. সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যেখানে প্রবাসীদের জনকল্যাণ, দূতাবাস এবং মিশনগুলাকে বাণিজ্যের প্রচার, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৈদেশিক জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ তৈরি অন্যতম অগ্রাধিকার।

৫৭. পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বের সকল দেশের সাথে সম্পর্ক শক্তিশালী এবং স্বাভাবিক করা হচ্ছে। জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক, পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ সুবিধা, শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ দ্বিপাক্ষিক সম্ভাবনার দুয়ার খোলা হচ্ছে।

৫৮. বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশের সঙ্গে সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।

৫৯. উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন রোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

৬০. মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষনাপত্র অনুযায়ী মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিএনপির ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। আপনারা জানেন, বিএনপি সেই রাজনৈতিক দল, আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম, খুনের শিকার হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, আমাদের ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার এই দল নিয়ে যেকোনো অপপ্রচার, প্রোপ্যাগান্ডা রাজনৈতিক হীন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। গত দুই মাসে সরকার মানবাধিকার রক্ষায় যে রেকর্ড তৈরি করেছে তা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।

আপনারা জানেন, দেশের সরকার, রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলেছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এখন দেশের মানুষের সেই আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছেন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছেন, ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছেন, যা এক অনন্য অর্জন। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস থাকলেই আমরা আরো ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, ইনশাআল্লাহ।❤️

পাবলিক পরীক্ষায় নীরব বহিষ্কারের নিয়ম বাদ : শিক্ষামন্ত্রীএসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ...
19/04/2026

পাবলিক পরীক্ষায় নীরব বহিষ্কারের নিয়ম বাদ : শিক্ষামন্ত্রী
এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ এড়াতে ‘নীরব বহিষ্কারের’ নিয়ম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে আসন্ন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। মতবিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়, বোর্ড, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সরাসরি ও জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মতবিনিময় সভার এক পর্যায়ে নীরব বহিষ্কারের বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সর্ব সম্মতিতে ‘নীরব বহিষ্কার’ এর পুরনো ধারা রহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো বিধিতে আনডিউ কিছু থাকতে পারে না। ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেও এমন বিধান নেই। মূলত বোর্ডের ১৯৬১ সালের নীতিমালায় এ ধারাটি যুক্ত রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পরীক্ষাকেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই।

তাই এ নীতিমালা এখন প্রযোজ্য নয়। দ্রুত সময়ে নীতিমালা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে পরীক্ষা দেবে, মানসিক চাপ তৈরি হবে এমন কোনো বিধিনিষেধ পরীক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

এদিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা কেন্দ্র সচিবদের কাছে নীরব বহিষ্কারের ধারা বাতিল করে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬-এর ‘অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯’ বাতিল করা হলো।

‘অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯: কোনো পরীক্ষার্থীকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ্যে বহিষ্কার করলে যদি আইন শৃঙ্খলার অবনতি হবার আশংকা থাকে অথবা কক্ষ প্রত্যবেক্ষকসহ পরীক্ষা সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার সম্ভাবনা থাকে; কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রেই নীরব বহিষ্কার করা যাবে। তবে বিষয়/পত্রের পরীক্ষা শেষে প্রত্যবেক্ষকের সুস্পষ্ট বিবরণসহ গোপনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করে উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে। (উত্তরপত্রের OMR-এর প্রথম অংশ আলাদা করা যাবে না)।’

উল্লেখিত অনুচ্ছেদটি এই বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ হতে বাতিল বলে গণ্য হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনীতির এক চেনা নাম লায়লা শাহ্। প্রবাসের রাজপথ থেকে শুরু করে দলের ...
15/04/2026

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনীতির এক চেনা নাম লায়লা শাহ্। প্রবাসের রাজপথ থেকে শুরু করে দলের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি তাকে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে এক আস্থাশীল ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির শক্তিশালী মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তিনি।

*তৃণমূল থেকে প্রবাস: রাজপথের লড়াকু সৈনিক লায়লা শাহ্**

ZPD News ঢাকা,১৫ এপ্রিল ২০২৬ইং
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন লায়লা শাহ্। বিশেষ করে ইতালির মাটিতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ইতালি শাখার প্রতিষ্ঠাতা কমিটির **সহ-সভাপতি** হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ সময় প্রবাসে দলকে সুসংগঠিত করার পুরস্কারস্বরূপ ২০১৫ সালে তিনি ইতালি বিএনপির নির্বাচিত কমিটির **সহ-সভাপতি** হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৫ সালের প্রেক্ষাপটে ইতালি শাখা মহিলা দলের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক কমিটিতে তিনি **আহ্বায়ক পদপ্রার্থী** হিসেবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা তাকে এই পদের জন্য যোগ্যতম দাবিদার করে তুলেছে।

*সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা**
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে লায়লা শাহ্-এর নাম এখন তৃণমূলের মুখে মুখে। দলের দুঃসময়ে প্রবাস থেকে রাজপথের আন্দোলনে সমর্থন জোগানো এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ বাস্তবায়নে তাঁর ত্যাগকে মূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা।

লায়লা শাহ্-কে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চান দেশ ও প্রবাসে ছড়িয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মী। তাদের মতে, লায়লা শাহ্-এর মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব সংসদে গেলে প্রবাসীদের সমস্যা যেমন জোরালোভাবে উত্থাপিত হবে, তেমনি নারী অধিকার রক্ষায়ও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

> "লায়লা শাহ্ শুধু একজন নেত্রী নন, তিনি আমাদের দুঃসময়ের সাথী। ইতালির রাজপথ থেকে শুরু করে ঢাকার কেন্দ্রীয় রাজনীতি—সবখানেই তাঁর পদচারণা স্বচ্ছ। আমরা চাই আসন্ন নির্বাচনে দল তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করুক।"
>

রাজনীতির কঠিন পরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হওয়া লায়লা শাহ্ এখন সময়ের দাবি। দলের হাইকমান্ড তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতা বিবেচনা করে তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা তৃণমূলের। লায়লা শাহ্-এর এই অগ্রযাত্রা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরও বেগবান করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আসন্ন আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী **শাহ্ মোহাম্মদ ইব...
15/04/2026

আসন্ন আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী **শাহ্ মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া*

# # **আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
# # # **ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাবাসীর দোয়া ও সমর্থন প্রার্থী**
নম্রতা, সততা আর সেবার মানসিকতা নিয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চান—
# # # **শাহ্ মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া**
**চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী**
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ।
# # # **কেন তাকে প্রয়োজন?**
* **উন্নয়নের অঙ্গীকার:** আধুনিক ও স্মার্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা বিনির্মাণে কাজ করা।
* **জনসেবা:** সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সব সময় আপসহীন।
* **তারুণ্যের শক্তি:** নতুন প্রজন্মের চিন্তা-চেতনা নিয়ে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন।
* **সুশাসন:** স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা পরিষদ গঠন।
> "আপনার একটি মূল্যবান ভোট ও দোয়া হতে পারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আগামীর সমৃদ্ধির চাবিকাঠি।"
>
**প্রচারে:**
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সর্বস্তরের আপামর জনসাধারণ।

বিএনপি নেতা-কর্মীরা দলের পদে থেকেও মব ইস্যূতে সালাউদ্দিন আহমেদকে প্রশ্নের মুখোমুখি করতে পারে,সড়ক খাতে বেহাল দশার জন্য সড়...
15/04/2026

বিএনপি নেতা-কর্মীরা দলের পদে থেকেও মব ইস্যূতে সালাউদ্দিন আহমেদকে প্রশ্নের মুখোমুখি করতে পারে,সড়ক খাতে বেহাল দশার জন্য সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউলকে নাজেহাল করে দিতে পারে।

বিএনপি এক্টিভেস্টরা চাইলেই একটা ভূল বুঝাবুঝির কারণে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির মতো নেতাকে অদৃশ্য কাঠগড়ায় দাঁড় করতে পারে,এহসানুল হক মিলনের বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারে।

কারণ বিএনপি নেতা-কর্মীরা নিজেদের নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে বিএনপি করে না,বিএনপি এক্টিভেস্টরা টাকা দিয়ে পালিত হয়ে কারো গোলামি করে না;তারা শুধু দেশের জন্য বিএনপিতেই বারবার আস্থা রাখেন।

উপরোক্ত যেসব নেতাদের নাম বলেছি,তারা কেউই উড়ে এসে জুড়ে বসেন না-ই;এসব মন্ত্রীরা নিজেদের জীবনের সর্বোচ্চটুকু এ-ই বিএনপির জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন।

এসব অবিসংবাদিত নেতাদেরও বিএনপি কর্মীরা প্রশ্নের মুখোমুখি করতে পারে অথচ শফিকুর রহমানের এক চুম্মাচাটির বিরুদ্ধে কথা বলবে এমন একটা কর্মী জামায়াতে না-ই।

যে-ই শিশির মনির ভোটের আগে বাঘের মতো গর্জন দিয়ে কাপুরুষের মতো ৪০ হাজার ভোটে পরাজিত হয়ে এখনো হম্বিতম্বি করে যাচ্ছে,সে-ই শিশির মনিরের বিরুদ্ধে একটা লাইন লিখবে এমন একটা এক্টিভেস্ট জামায়াতে না-ই।

কারণ শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে কথা বললে ইবনে সিনা কিংবা ইসলামি ব্যাংকে চাকুরী হবে না,শিশির মনিরের বিরুদ্ধে লিখলে মাস শেষে মানুষের যাকাতের টাকার ভাগবাটোয়ারা একাউন্টে ডুকবে না।

আর আওয়ামী লীগ সে-তো আরো একধাপ উপরে,শেখ হাসিনা গত ১৭ বছর ভোট চুরি করে ক্ষমতায় ছিলো;এটা স্বীকার করার মতো সৎ সাহস কোনো আওয়ামী লীগারের না-ই।

মোটাদাগে এখানেই বাংলাদেশের সবগুলো দলের নেতাকর্মীদের সাথে বিএনপি নেতা-কর্মীদের পার্থক্য আর এটাই বিএনপির সৌন্দর্য।

এ-ই বিএনপিকে যারা সকাল-বিকাল নিঃশেষ করার হুমকি দিচ্ছেন,তাদের জানিয়ে রাখছি বিএনপিকে হাজার বছর টিকিয়ে রাখার জন্য বিএনপির তৃনমূল নেতা-কর্মী তথা বাংলাদেশের মানুষই যথেষ্ট.......

ZPD News সত্যের সন্ধানে আগামীর পথে
14/04/2026

ZPD News
সত্যের সন্ধানে আগামীর পথে

*শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা ও আগামীর অঙ্গীকার: শাহ্ মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া**বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক...
14/04/2026

*শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা ও আগামীর অঙ্গীকার: শাহ্ মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া**

বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে **চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহ্ মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া**।
নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের আগমনে সদর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি এক বার্তায় বলেন, "পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্যের প্রতীক। নতুন বছরের নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মানুষের জীবন। অতীতের সকল গ্লানি মুছে ফেলে আমরা যেন একটি উন্নত ও আধুনিক সদর উপজেলা গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারি।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনসাধারণের সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। নববর্ষের এই শুভক্ষণে তিনি উপজেলার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখার আহ্বান জানান এবং সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন। সদর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই তরুণ ও নিষ্ঠাবান সমাজসেবক।

জনাব মাহিদুর রহমানের  বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাযুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বারবার নির্বাচিত বিএনপির আন্তর্জাতিক বি...
14/04/2026

জনাব মাহিদুর রহমানের
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বারবার নির্বাচিত বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব **মাহিদুর রহমান** দেশবাসী ও প্রবাসীদের বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বরত এই বর্ষীয়ান নেতা এক বার্তায় উল্লেখ করেন যে, বাংলা নববর্ষ বাঙালির জাতীয় জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন বছরের আগমনে সকল জরাজীর্ণতা ও গ্লানি মুছে গিয়ে দেশে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বিশেষভাবে প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান এবং সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

 # # **বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ড. এনামুল হক চৌধুরী**পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক ...
14/04/2026

# # **বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ড. এনামুল হক চৌধুরী**

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা **ড. এনামুল হক চৌধুরী**।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন বছরের আগমনে সকল জরাজীর্ণতা ও গ্লানি মুছে গিয়ে দেশ ও জাতির জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও অনাবিল শান্তি নেমে আসুক—এটাই প্রত্যাশা। তিনি দেশের প্রতিটি মানুষের মঙ্গল কামনা করেন এবং নতুন বছরে গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

13/04/2026

সকলকে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এর প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। নববর্ষের এই ক্ষণে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো এই প্রত্যয় ব্যক্ত করি। নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

#সবারআগেবাংলাদেশ #নববর্ষ১৪৩৩
#চট্টগ্রাম

* বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ আজ পহেলা বৈশাখ। বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সংস্কৃতির ধারক হিসেবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত...
13/04/2026

* বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

আজ পহেলা বৈশাখ। বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সংস্কৃতির ধারক হিসেবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানাচ্ছে সমগ্র দেশ। এই শুভ ক্ষণে *

*জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটি** দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নতুন বছরের এই নব উদ্দীপনা যেন দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করে।

২. নেতৃত্বের বার্তা ও দিকনির্দেশনা
নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেছেন:

* **চেয়ারম্যানের আহ্বান:**
জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত চেয়ারম্যান **জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া** তার বার্তায় শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নববর্ষের এই চেতনা যেন প্রতিটি কর্মীর মনে দেশপ্রেম এবং ত্যাগের স্পৃহা জাগিয়ে তোলে।

* **সাংগঠনিক তৎপরতা:** সংগঠনের মহাসচিব **মোঃ সারোয়ার হোসেন রুবেল** মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে তৃণমূল পর্যন্ত এই উৎসবকে ঘিরে সাংগঠনিক সংহতি বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

# # # ৩. পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি
জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নববর্ষ উপলক্ষে নিম্নোক্ত কার্যক্রমগুলো হাইলাইট করা হয়েছে:

* **শুভেচ্ছা বিনিময়:** কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যদের মধ্যে নববর্ষের শুভেচ্ছা কার্ড ও ডিজিটাল ব্যানার বিনিময়।

* **জনসংযোগ:** সাধারণ মানুষের সাথে পহেলা বৈশাখের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পৌঁছে দেওয়া।

* **সাংস্কৃতিক সংহতি:** বাঙালি ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে দেশীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করার অঙ্গীকার।

# # # ৪. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
নতুন বছরে জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটি আরও গতিশীল হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

চেয়ারম্যান **জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া** এবং মহাসচিব **মোঃ সারোয়ার হোসেন রুবেল**-এর সুযোগ্য নেতৃত্বে সংগঠনটি তরুণদের অধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রচার ও প্রকাশনা
জেড পি ডি নিউজ

Address

Gazipur
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zp Tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category