Orbit Times

Orbit Times শুধু একটা সাবস্ক্রাইব চাইলাম ||
please Subscribe my channel ||
https://youtube.com/?si=oAueKOFdKqGOxQ_P
(2)

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফেরত না দিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  ভারত সফরে যাবে...
16/08/2026

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে
জড়িতদের ফেরত না দিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাবেন না । ভারতের মুখের উপরে এমন জবাব সত্যিই বাংলাদেশে মনে হয় এই প্রথম !

15/08/2026

মাইনসে কি কয় ? আর বিদেশে থাইকা নেতারা কি কয় ?

রাজনীতির পরিচয়ের আড়ালে একজন কর্মজীবী মানুষ আশিকুর রহমান মিরাজ ভাই.!❤️রাজনীতি মানেই কি শুধু মিছিল, স্লোগান, পোস্টার আর ক্...
13/08/2026

রাজনীতির পরিচয়ের আড়ালে একজন কর্মজীবী মানুষ আশিকুর রহমান মিরাজ ভাই.!❤️

রাজনীতি মানেই কি শুধু মিছিল, স্লোগান, পোস্টার আর ক্ষমতার দৌড়? রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল পদে থাকা মানেই কি মানুষের শ্রম ও পেশাজীবন থেকে দূরে সরে যাওয়া?

সমাজের প্রচলিত এমন কিছু ধারণাকে নীরবে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন আশিকুর রহমান মিরাজ ভাই একজন অনার্স পাস করা শিক্ষিত মানুষ এবং একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলের একজন দায়িত্বশীল কর্মী।

তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় আছে, সাংগঠনিক দায়িত্ব আছে, মানুষের সঙ্গে পথচলা আছে। কিন্তু এসব পরিচয়ের আড়ালে তিনি নিজের কর্মপরিচয়কে হারিয়ে ফেলেননি। বরং নিজের হাতে কাজ করে, নিজের শ্রমে এবং হালাল উপার্জনের মাধ্যমে জীবনযাপন করার পথ বেছে নিয়েছেন।

ছবিগুলো যেন সেই গল্পই বলছে। কখনো তিনি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে মানুষের পাশে, আবার কখনো দেখা যাচ্ছে তাঁকে নিজের হাতে চা তৈরি করতে। একটি কেটলি, কয়েকটি কাপ, চায়ের দোকানের ছোট্ট পরিসর—দৃশ্যটি খুব সাধারণ। কিন্তু এই সাধারণ দৃশ্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ এক শিক্ষা। সম্মান শুধু পদে নয় শ্রমেও। মর্যাদা শুধু পরিচয়ে নয় হালাল উপার্জনেও।

আশিকুর রহমান মিরাজ ভাই একজন অনার্স পাস মানুষ। শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি তিনি বুঝেছেন, কোনো কাজই ছোট নয় যদি সেই কাজ হয় সৎ ও হালাল। নিজের যোগ্যতা ও রাজনৈতিক পরিচয়কে ব্যবহার করে আরাম-আয়েশের জীবন বেছে নেওয়ার পরিবর্তে তিনি শ্রমকে বেছে নিয়েছেন—এটাই তাঁর গল্পের সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«مَا أَكَلَ أَحَدٌ طَعَامًا قَطُّ خَيْرًا مِنْ أَنْ يَأْكُلَ مِنْ عَمَلِ يَدِهِ»

“কোনো মানুষ তার নিজের হাতের উপার্জনের চেয়ে উত্তম খাবার কখনো খায়নি।”
-সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ২০৭২

এই হাদিসের আলোকে দেখলে, নিজের হাতে তৈরি করা একটি সাধারণ কাপ চায়ের মূল্যও অনেক গভীর। সেখানে হয়তো বাহ্যিক চাকচিক্য নেই, কিন্তু আছে পরিশ্রমের ঘ্রাণ; আছে আত্মমর্যাদা; আছে হালাল রুজির প্রতি সম্মান।

আজকের সময়ে আমরা অনেক সময় মানুষের পেশাকে তার মর্যাদার মাপকাঠি বানিয়ে ফেলি। কেউ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হলে আমরা মনে করি, তাঁর হাতে আর শ্রমের কোনো কাজ মানায় না। কেউ উচ্চশিক্ষিত হলে মনে করি, সাধারণ কোনো কাজ করা তাঁর জন্য বেমানান।

আশিকুর রহমান মিরাজ ভাই সেই ধারণার বিপরীতে দাঁড়িয়ে যেন বলছেন, শিক্ষা মানুষকে অহংকারী করার জন্য নয়, শিক্ষা মানুষকে মর্যাদাপূর্ণ করে তোলার জন্য। আর মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার অর্থ শ্রমকে তুচ্ছ করা নয় বরং সৎ শ্রমকে সম্মান করা।

রাজনীতি মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম হতে পারে। কিন্তু রাজনীতির পরিচয় যদি ব্যক্তিগত জীবিকা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের একমাত্র অবলম্বন হয়ে যায়, তাহলে সেখানে নানা প্রশ্নের জন্ম নিতে পারে।

অন্যদিকে একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি নিজের পেশা ও শ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাহলে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় এবং ব্যক্তিগত উপার্জনের মধ্যে একটি সুস্থ দূরত্ব বজায় থাকে।

এই জায়গাতেই আশিকুর রহমান মিরাজ ভায়ের জীবনযাপনের এই দৃশ্যটি একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন নেতৃত্ব দেওয়া যায়, আবার শ্রমও দেওয়া যায়। রাজনীতি করা যায়, আবার ব্যবসা বা পেশাও করা যায়। মানুষের জন্য কাজ করা যায়, আবার নিজের পরিবারের জন্য হালাল রুজিও উপার্জন করা যায়।

চায়ের দোকানের সেই কেটলিটি হয়তো খুব সাধারণ। কিন্তু সেটি যদি একজন শিক্ষিত ও রাজনৈতিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষের হালাল উপার্জনের মাধ্যম হয়, তাহলে সেই কেটলির মূল্য অনেক বড়। কারণ সেখানে শুধু চা ফুটছে না ফুটছে আত্মমর্যাদার গল্প। ফুটছে পরিশ্রমের গল্প। ফুটছে হালাল রুজির গল্প।

রাজনীতির পদ-পদবি একদিন থাকবে, একদিন থাকবে না। মানুষের পরিচয়ও সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের সততা, শ্রমের অভ্যাস এবং হালাল উপার্জনের মানসিকতা—এসবই তাঁর প্রকৃত সম্পদ। তাই আশিকুর রহমান মিরাজ ভায়ের এই ছবিগুলোকে শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মীর চা বানানোর দৃশ্য হিসেবে দেখলে ভুল হবে।

এটি হতে পারে আমাদের সমাজের জন্য একটি সুন্দর বার্তা, কাজ ছোট নয়, ছোট হলো অসৎ উপার্জন। শ্রম লজ্জার নয়, লজ্জা হলো শ্রমকে তুচ্ছ করা। পেশা মানুষের মর্যাদা কমায় না বরং পেশার সততা মানুষকে মর্যাদাবান করে।

আশিকুর রহমান মিরাজ ভাই তাই শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন; এই ছবিগুলোর মাধ্যমে তিনি যেন একজন শিক্ষিত, দায়িত্বশীল এবং শ্রমকে সম্মান করা মানুষের পরিচয়ও তুলে ধরেছেন।

রাজনীতির মঞ্চে তিনি একজন দায়িত্বশীল কর্মী,
শিক্ষার জগতে তিনি একজন অনার্স পাস মানুষ,
আর জীবনের বাস্তব মঞ্চে তিনি একজন পরিশ্রমী মানুষ, যিনি নিজের হাতে কাজ করে হালালভাবে উপার্জন করতে লজ্জা পান না।

আর সত্যি বলতে, যে হাত মানুষের জন্য কাজ করতে পারে, সে হাত চায়ের কেটলি ধরলেও ছোট হয়ে যায় না। বরং হালাল শ্রমে সেই হাতের মর্যাদা আরও বেড়ে যায়।

তৈয়িবী-গাজীপুর।

10/08/2026

সব জবাব একত্রে

এই দলটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেভাবে...!এই দল টা যখন 1996 থেকে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য  ওলামা-মাশায়...
07/08/2026

এই দলটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেভাবে...!
এই দল টা যখন 1996 থেকে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য ওলামা-মাশায়েখ ঐক্য করে ইসলামী আন্দোলন শুরু করেন তখন এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন হাফেজ্জী হুজুর আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেব মুফতি আমিনী সাহেব মাওলানা আজিজুল হক সাহেব
এবং চরমোনাই পীর ফজলুল করিম সাহেব
এই দলের নীতি ছিল দুই তিন বছর পরবর্তী নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে
প্রথম মুরব্বি হিসেবে হাফিজি হুজুর কে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তার দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরে মুরুব্বী হিসেবে চরমোনাই পীর ফজলুল করিম সাহেব কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর তিনি এ দায়িত্ব পেয়ে দলের ভিতরে কাটছাট করে নিজের ক্ষমতা নিজের মনগড়া প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন।
তখনই দল থেকে একে একে সবাই সরে যান
আবার ভেঙে যায়। তখন উনি একা এখান থেকে প্রতিষ্ঠা ওনাদের দল।
তাই ওনাদের কাছ থেকে শুনতে পাবেন অনেক সময় বলে যে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেব ওনাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা।
কিন্তু মূলত দলটি হয়েছে এভাবে সেটা অনেকেই জানেনা।
যেমনটি বর্তমান কওমি অঙ্গন এর ভিতরে দেখতে পারছেন দল ও ক্ষমতার জন্য তারা দুর্নীতি ও মিথ্যাচার কায়েম রেখেছে
ঠিক একই কায়দায় চরমোনাই পীর এই দলটিকে নিজের করে নেন।
*******
চরমোনাইর সাথে ১৯৯৯-২০০১ সালে কেন শাইখুল হাদীসও মুফতী আমিনীসহ কারো ঐক্য হয়নি।
এবং ওদের সাথে কেয়ামত পর্যন্তও কেন ঐক্য হবে না

ইতিহাস থেকে একটা লেখা খুজে বের করলাম।
আপনি পড়ে আশ্চার্য হবেন।

ইসলামী দলগুলোর ঐক্যঃ কপি পোস্ট,,, Coppy
___________________________________________
২০০৫/০৬ সালে ফরিদাবাদ মাদরাসায় আমাদেরকে আবূ দাঊদ শরীফ, প্রথম খণ্ড পড়াতেন, হযরতুল আল্লাম মুফতী আবূ সাঈদ সাহেব হাফিজাহুল্লাহ্ ৷ বছরের মাঝামাঝি সময়ে হুযূর টানা দু'দিন দরসে রাজনৈতিক আলাপ করলেন ৷ আমরা তো অবাক ! কারণ, হুযূর সাধারণত দরসের বাইরে তেমন কথা বলেন না ৷ কিন্তু দু'দিনের হুযূরের সে আলোচনা থেকে অনেক অজানা তথ্য জানা হল ৷

মূল আলোচনা ছিল ইসলামী দলগুলোর ঐক্য নিয়ে ৷ সম্ভবত ২০০৪ সালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে খতীব আল্লামা ওবায়দুল হক রহ. এর সভাপতিত্বে "জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন" হয় ৷ উদ্দেশ্য ছিল ইসলামী দলগুলোর ঐক্যের পথ বের করা ৷ সেখানে দেশের খ্যাতনামা শীর্ষ আলেমগণ উপস্থিত ছিলেন ৷ শায়খুল হাদীস, মুফতী আমিনী, চরমোনাই পীর সাহেব রহিমাহুমুল্লাহ্ সকলেই ঐ সম্মেলনে যোগদান করেছিলেন ৷ (আমি যেহেতু ২০০১ সাল থেকে নিয়মিত পেপার পত্রিকা বিশেষ করে ইনকিলাবের পাঠক ছিলাম ৷ তাই সমকালীন ইসলামী রাজনীতির বাহ্যিক অনেক কিছু তখনও জানতাম, বুঝতাম ৷)
সেদিন উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে খতীব ওবায়দুল হক রহ.কে ঐক্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সর্বসম্মত দায়িত্ব প্রদান করা হয় ৷

কিন্তু সে প্রচেষ্টা কে বা কাদের কারণে ব্যর্থ হয় ? হযরত মুফতী আবূ সাঈদ হাফিজাহুল্লাহ্ এর যবানে তার বিস্তারিত বর্ণনা ছিল ৷

(১) হুযূর বলেন, খতীব সাহেবের প্রতিনিধি হয়ে আমিসহ আলেমদের একটি প্রতিনিধিদল প্রথমে রামপুরা জামিআ কারিমিয়ায় চরমোনাই পীর সাহেবের কাছে যাই ৷ তিনি শর্ত দিলেন, “শায়খ আর আমিনীকে আগে চার দলীয় জোট ছাড়তে হবে ৷"
উপস্থিত আলেমগণ বললেন, হুযূর ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে শর্ত না দিলে ভাল হয় ৷
পীর সাহেব বললেন, নারী নেতৃত্ব হারাম, না ছাড়লে ঐক্য হবে না ৷
আবূ সাঈদ সাহেব বললেন, হুযূর! গণতন্ত্রও তো হারাম, ঠেকায় পড়ে করছেন না ?
পীর সাহেব চরমোনাই তখন গরম হয়ে বললেন, গণতন্ত্র হারাম আপনাকে কে বলেছে ? গণতন্ত্র সম্পূর্ণ জায়েয ৷

(তখন হুযূর আমাদেরকে বললেন, দেখছেন ! যিনি গণতন্ত্রকে জায়েয বলেন, তিনি আবার নারী নেতৃত্বকে হারাম বলেন, অথচ যে যুক্তিতে গণতন্ত্র জায়েয, ঐ যুক্তিতে তো নারী নেতৃত্বও জায়েয হয় ৷)

পীর সাহেবের অনড় অবস্থান দেখে প্রতিনিধি দল খতীব সাহেবের পরামর্শে শায়খুল হাদীস ও মুফতী আমিনী রহিমাহুমাল্লাহ্ এর কাছে যান ৷ তাঁদের উভয়ের বক্তব্য ছিল, “ঠিক আছে বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে আমরা চার দলীয় জোট ছাড়তে রাজি ৷"

(২) এবার প্রতিনিধি দল আবার রামপুরা কারিমিয়ায় পীর সাহেব চরমোনাইয়ের কাছে এসে জানান যে, তাঁরা উভয়ে ঐক্যের স্বার্থে চারদল ছাড়তে রাজি আছেন ৷

পীর সাহেব চরমোনাই রহ. তখন নতুন শর্ত দিলেন যে, “ঐক্য হতে হলে নেতৃত্ব ইসলামী শাসনতন্ত্রের হাতে থাকতে হবে ৷" সবাই যতই বুঝালেন, সবাই মিলে যাকে আমীর বানাবে, তিনিই আমীর হবেন, কিন্তু পীর সাহেব এ শর্তেও অনড় ৷

প্রতিনিধিদল আবার গেলেন শায়খুল হাদীস রহ. এর কাছে ৷ গিয়ে পীর সাহেবের শর্ত জানালেন ৷ সবাইকে অবাক করে দিয়ে শায়খুল হাদীস রহ. বললেন, “ঐক্যের স্বার্থে ফজলুল করীম সাহেবকে আমীর মানতে আমার অসুবিধা নাই, আপনারা আমিনীর কাছে যান ৷"

সবাই আমিনী রহ. এর কাছে গেলে তিনিও শায়খের কথায় একমত পোষণ করেন ৷

(৩) এবার প্রতিনিধিদল আবার কারিমিয়ায় পীর সাহেবের কাছে এসে শায়খ ও আমিনীর অনাপত্তি জানালে পীর চরমোনাই এবার নতুন শর্ত দেন ৷ “ঐক্য হলে আমিনী মহাসচিব হতে পারবে না ৷"
সবাই ঐক্যের স্বার্থে এমন শর্ত না দেয়ার অনুরোধ করলেও তিনি সাফ জানিয়ে দেন ৷ আমিনী মহাসচিব হলে ঐক্য হবে না ৷
এবার প্রতিনিধিদল শায়খের কাছে গেলে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানের পদ আমি ছেড়ে দিতে পারব ৷ কিন্তু আমিনী মহাসচিব হবে না, এ কথা আমি বলতে পারব না ৷"

প্রতিনিধিদল সে প্রস্তাব নিয়ে আর মরহুম আমিনী রহ. এর কাছে যাননি ৷

সে সময়ের ঐক্য প্রচেষ্টা এভাবেই ব্যর্থ হয় ৷

ঐ সময় দাওরায়ে হাদীসের ক্লাসে আমার সহপাঠি হিসাবে মুফতী আবূ সাঈদ হাফিজাহুল্লাহ্ এর বক্তব্যগুলো সরাসরি শুনেছেন, ততকালীন গাজীপুর জেলা ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি, পরবর্তীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজীপুর জেলা সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়রপ্রার্থী জনাব মাওলানা নাসির উদ্দীন ভাই ৷

নাসির ভাইয়ের চেহারা ঐ দু'দিন একদম কালো ছিল ৷ কিন্তু হুযূরের কোন কথার ভুল ধরতে দেখিনি ৷

(যেহেতু ১৪ বছর পর লিখেছি তাই, আমার লেখায় কোন ভুল তথ্য থাকলে আশা করি নাসির ভাই শোধরে দিবেন)

ইদানিং আবার ঐক্য নিয়ে মাঠ গরম ৷ অবাস্তব ও অবান্তর সব ঐক্যের মূলনীতি নামক মূলানীতিতে একরাশ ক্ষোভ, ঘৃণা, অহংকার আর নেতৃত্বের লোভই ফুটে উঠেছে ৷ এসব প্রশস্ত দিল ও বিচক্ষণতাপূর্ণ কোন রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় বহন করে না ৷

তাই আমি হলফ করে বললেও আশা করি হানেছ হবো না ৷ ১৯৯৯/২০০১ থেকে যা দেখে আসতেছি, ঐ দলের সাথে অন্য ইসলামী দলগুলোর ঐক্য কেয়ামত পর্যন্তও হবে না ৷
তৈয়িবী-গাজীপুর।

04/08/2026

বিএনপি আঘাত করলে না হয় বুঝতাম তারা বড় দল কিছুই করতে পারবে না এনসিপি। কিন্তু সামান্য এই স্বৈরাচারের দোসরকে যদি উচিৎ শিক্ষা দিতে না পারে এনসিপি, তাহলে ঘরে চুড়ি পরে বসে থাকেন।

এক্কেবারে উচিৎ কাম অইছে ।
01/08/2026

এক্কেবারে উচিৎ কাম অইছে ।

আওয়ামিলীগের সময়কার হারুনের ভাতের হোটেলে যেতেন, নিক্সন চৌধুরীসহ আওয়ামিলীগ নেতাদের খা'ট কাঁপিয়েছেন, এখন নতুন পরিচয়ে সামনে ...
29/07/2026

আওয়ামিলীগের সময়কার হারুনের ভাতের হোটেলে যেতেন, নিক্সন চৌধুরীসহ আওয়ামিলীগ নেতাদের খা'ট কাঁপিয়েছেন, এখন নতুন পরিচয়ে সামনে এসে অসহায় সাজার চেষ্টা চলছে৷
তিনি একমাত্র হলিউডে অভিনয় করা উভয় লি'ঙ্গের তারকা। অথচ দেশের বাজারে তার অভিনীত কোনো নাটক ও সিনেমা নাই। তার গাড়ি নাকি এতো দামী যা সব রাস্তায় চলে না। বনানীতে বিলাসবহুল বাসায় থাকেন কিন্তু তার টাকার উৎস কি?
বাটাম দিলেই সব বলবে এই আওয়ামী হ'নি'ট্র্যা'পা'র।
elias hossain

25/07/2026
Anm Ehsanul Hoque Milon স্যার.! আপনি আপনার নীতিতে অনড় থাকবেন আশা করি। আজে বাজে মানুষের বিরোপ কথায় কিচ্ছু যায় আসে না। কথা...
15/07/2026

Anm Ehsanul Hoque Milon
স্যার.! আপনি আপনার নীতিতে অনড় থাকবেন আশা করি। আজে বাজে মানুষের বিরোপ কথায় কিচ্ছু যায় আসে না। কথায় আছে না সৎ কাজে শত বাধা। ভাল কাজ করতে গেলে সাভাবিক ভাবেই একটু আধটু ঝড়ের সম্মুখীন হবেন। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই।

দেশের শিক্ষার মান ও সুন্দর পরিবেশ ফরিয়ে আনতে গেলেই টিকটকার আর কিছু টুকাইরা আকে বাজে কতজা বলবেই। তবে সে কথা বলাটাও বন্ধ করতে হলে অবশ্যই শিক্ষাব্ধব করে পরো শিক্ষা ডিপার্টমেন্ট কে সাজাতে হবে।

বিগত সময়ের অকেজো লোকদের কে ছাটাই করতে হবে। সৎ ও নীতিবাদ শিক্ষিত মার্জিত ব্যক্তিদের দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে সাজানো সময়ের দাবী।

তৈয়িবী-গাজীপুর

Address

Dhaka
Gazipur
1704

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Orbit Times posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Orbit Times:

Shortcuts

Share