Orbit Times

Orbit Times শুধু একটা সাবস্ক্রাইব চাইলাম ||
please Subscribe my channel ||
https://youtube.com/?si=oAueKOFdKqGOxQ_P
(2)

কথা সত্য
12/05/2026

কথা সত্য

আমার আজকের কথাগুলো কে কিভাবে গ্রহণ করবেন জানি না। কেউ হয়তো সহমত হবেন, কেউ ভিন্নমত পোষণ করবেন। তবুও বাস্তবতার কিছু দৃশ্য,...
10/05/2026

আমার আজকের কথাগুলো কে কিভাবে গ্রহণ করবেন জানি না। কেউ হয়তো সহমত হবেন, কেউ ভিন্নমত পোষণ করবেন। তবুও বাস্তবতার কিছু দৃশ্য, কিছু সফলতা কিংবা কিছু ব্যর্থতা মানুষকে বারবার ভাবিয়ে তোলে। সময়ের পরিক্রমায় কিছু ঘটনা মানুষের চিন্তার জগতকে নাড়িয়ে দেয়। আর সেই ভাবনা থেকেই আজ কিছু কথা বলতে ইচ্ছে হলো।
একজন মানুষ তার জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে কী কী প্রয়োজন ! সেটা একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়। তবুও জীবনের কিছু জটিল মোড়ে এসে মানুষকে অভিজ্ঞদের কাছ থেকেও শিখতে হয়, বুঝতে হয়, উপলব্ধি করতে হয়। কারণ জীবন শুধু আবেগের নাম নয়; জীবন হলো অভিজ্ঞতা, ধৈর্য, সংগ্রাম ও আত্মবিশ্বাসের এক দীর্ঘ পথচলা।
সে ক্ষেত্রে একজন মানুষের জন্য প্রয়োজন জনসম্পৃক্ততা, আত্মবিশ্বাস, নিষ্ঠা, ধৈর্য, সাহসিকতা, দূরদর্শিতা এবং আদম্য ইচ্ছাশক্তি। তবে সব কিছুর মাঝেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো “সততা”। কারণ সততা এমন এক শক্তি, যা মানুষকে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে দেয়। অর্থ, ক্ষমতা কিংবা জনপ্রিয়তা সাময়িকভাবে মানুষকে সামনে আনতে পারে; কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী সম্মান এনে দেয় কেবল সততা ও চরিত্র।
আল্লাহ তাআলা বলেন ( إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الصَّادِقِينَ )
“নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্যবাদীদের ভালোবাসেন।” সূরা আত-তাওবা : ১১৯
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ
“তোমরা সত্যবাদিতা অবলম্বন করো। কারণ সত্যবাদিতা মানুষকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে।” সহীহ মুসলিম।
কর্মক্ষেত্রে সততার কোনো বিকল্প নেই। একজন মানুষ যখন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়, তখন তার সফলতার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তারই একটি আলোচিত উদাহরণ দেখিয়েছে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা থালাপতি বিজয়। শুরু থেকেই রাজনৈতিক মাঠে তার তেমন সরব উপস্থিতি ছিল না। রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ইতিহাসও ছিল না। কিন্তু দল গঠনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ব্যাপক জনসমর্থন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের জন্য একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।
খুবই ইন্টারেস্টিং বিষয়, তাই না?কীভাবে সম্ভব হলো?
অথচ আমাদের দেশে নতুন-পুরাতন শত শত রাজনৈতিক দল রয়েছে। কিন্তু ঘুরেফিরে ক্ষমতার চেয়ার সীমাবদ্ধ থাকে কয়েকটি দলের মাঝেই। প্রশ্ন হলো তা কেন হয়?
আল্লাহ তাআলা বলেন ( وَأَنْ لَيْسَ لِلْإِنسَانِ إِلَّا مَا سَعَىٰ )
“মানুষের জন্য তাই রয়েছে, যার জন্য সে চেষ্টা করে।” সূরা আন-নাজম : ৩৯
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ إِذَا عَمِلَ أَحَدُكُمْ عَمَلًا أَنْ يُتْقِنَهُ
“তোমাদের কেউ যখন কোনো কাজ করে, আল্লাহ ভালোবাসেন সে যেন তা সুন্দরভাবে ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।” বায়হাকী।
আজ যেভাবে তিনি সফলতার মুখ দেখতে পেরেছেন, তার পেছনে আমার জানামতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাহসিকতা, জনমত এবং সর্বোপরি “ঐক্য”। এলাকা ভিত্তিক কমিউনিটি শক্তি ছিল তার অন্যতম বড় ভিত্তি। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি মানুষের মাঝে ঐক্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। কোনো ধরনের বিক্ষিপ্ততা তাকে দুর্বল করতে পারেনি। তিনি যেমন অন্যদের গুরুত্ব দিয়েছেন, তেমনি অন্যরাও তাকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে। পারস্পরিক সম্মানবোধ ও আস্থার জায়গাটাই তাকে দ্রুত সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।
আল্লাহ তাআলা বলেন ( وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا )
“তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” সূরা আলে ইমরান : ১০৩
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন يَدُ اللَّهِ مَعَ الْجَمَاعَةِ
আল্লাহর সাহায্য জামাআতের (ঐক্যের) সাথে থাকে।” সুনান তিরমিযী।
এখন ঠিক সেই দিকগুলো আমাদের দেশের ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে একবার ভেবে দেখুন তো! কল্পনা করা যায়?
আমি যেহেতু মুসলিম, তাই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্বাভাবিকভাবেই ইসলামপন্থী দলগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দেব। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি—একসময় বাংলাদেশে ইসলামী ধারার রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সীমিত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে বিভক্ত হতে হতে অসংখ্য দল ও উপদলে রূপ নিয়েছে। কত দল, কত সংগঠন, তার যেন শেষ নেই। সংগঠনের নাম লিখতে গেলে হয়তো কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু তালিকা শেষ হবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন ( وَلَا تَنَازَعُوا فَتَفْشَلُوا وَتَذْهَبَ رِيحُكُمْ )
“তোমরা পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হয়ো না, তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং তোমাদের শক্তি বিলীন হয়ে যাবে।” সূরা আল-আনফাল : ৪৬
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন الْمُؤْمِنُ لِلْمُؤْمِنِ كَالْبُنْيَانِ يَشُدُّ بَعْضُهُ بَعْضًا
“এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য প্রাচীরসদৃশ; এক অংশ অন্য অংশকে শক্তিশালী করে।” সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলো কেন আজও কাঙ্ক্ষিত সফলতার মুখ দেখতে পারলো না? কমতিটা কোথায়? কেন এত বিক্ষিপ্ততা? কেন এই বিচ্ছিন্নতা?
কখনো কি আমরা গভীরভাবে আত্মসমালোচনা করেছি? আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি হলো যখনই কোনো সমস্যা এসেছে, তখন সেটার সমাধান করার পরিবর্তে নতুন দল গঠন করাটাই যেন সহজ সমাধান মনে করা হয়েছে। নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, চেয়ারম্যান হওয়ার আকাঙ্ক্ষা, শীর্ষস্থানে থাকার ইচ্ছা ,
এসব বিষয় ধীরে ধীরে ইসলামী রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তির জন্ম দিয়েছে।
ফলে যুগের পর যুগ ধরে অনৈক্য চলছেই। আর যারা এই অনৈক্য দূর করতে এগিয়ে এসেছে, তাদেরকেই অনেক সময় সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ জনহিতকর কোনো কাজ নিয়ে এগিয়ে এলেও তাকে উৎসাহ না দিয়ে বরং কঠোর সমালোচনার মাধ্যমে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
দুঃখজনক হলেও সত্য—আমরা সমালোচনা করতে যতটা পারদর্শী, সহযোগিতা করতে ততটা পারিনি। আমরা বিভক্ত হতে শিখেছি, কিন্তু এক হতে শিখিনি। আমরা নেতৃত্ব চাই, কিন্তু নেতৃত্বকে সহযোগিতা করতে শিখিনি। এসব কারণই আজ ইসলামী রাজনৈতিক অঙ্গনে বিচ্ছিন্নতা ও দুর্বলতার অন্যতম বড় কারণ।
আল্লাহ তাআলা বলেন ( إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ )
নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই।” সূরা আল-হুজুরাত : ১০
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
لَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَبَاغَضُوا وَلَا تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا
“তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, বিদ্বেষ পোষণ করো না, সম্পর্ক ছিন্ন করো না; বরং আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে থাকো।” সহীহ মুসলিম।
তাই আমি মনে করি—আমাদের দেশের ইসলামী দলগুলোর উচিত সব জায়গা থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করা। অন্তত থালাপতি বিজয়-এর রাজনৈতিক উত্থান, তার জনসম্পৃক্ততা, ঐক্য ধরে রাখার কৌশল এবং সফলতার পেছনের কারণগুলো নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা। কারণ সফলতার জন্য শুধু আবেগ নয়; প্রয়োজন ঐক্য, পারস্পরিক সম্মান, সাংগঠনিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের সততা এবং মানুষের আস্থা অর্জন।
আল্লাহ তাআলা বলেন ( وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ )
“তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো।” সূরা আল-মায়িদা : ২
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন الْمُؤْمِنُ مِرْآةُ الْمُؤْمِنِ
“এক মুমিন অপর মুমিনের আয়না স্বরূপ।” সুনান আবু দাউদ।
হয়তো যেদিন ব্যক্তি-স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে উম্মাহর স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে, যেদিন বিভক্তির পরিবর্তে ঐক্যের রাজনীতি শুরু হবে, সেদিনই ইসলামী রাজনৈতিক অঙ্গনে সত্যিকারের শক্তি ফিরে আসবে। আর ঐক্য ফিরে এলে সফলতাও একদিন দরজায় কড়া নাড়বেই, ইনশাআল্লাহ।
— তৈয়িবী, গাজীপুর।

09/05/2026

test

03/05/2026

বর্তমান সংবিধানের বিরোধীতা সবচাইতে বেশী করেছে বিএনপি। আর এখন কি বলে.?
রাজনীতি এক আজীব জিনিস।🤭 অন্তত একবার করে সবাই ভিডিওটা দেখেন শুনেন৷🤔পরে মন্তব্যের ঘরে একটা খোঁচা মেরে যান.!
#রাজনীতি #সংসদ #বাংলাদেশের

02/05/2026

না জানি আবার কখন কয়া হালায় ! আল্লাহ জানেন !

আদর্শিক স্বকীয়তা ও সুলতানুল ওয়ায়েযীন:আদর্শ এক দুর্ভেদ্য দুর্গের নাম, যার প্রাচীরে ফাটল ধরলে ব্যক্তিত্বের স্বকীয়তা ধূলিসা...
28/04/2026

আদর্শিক স্বকীয়তা ও সুলতানুল ওয়ায়েযীন:
আদর্শ এক দুর্ভেদ্য দুর্গের নাম, যার প্রাচীরে ফাটল ধরলে ব্যক্তিত্বের স্বকীয়তা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। কওমি মানহাজের যে শাশ্বত ধারা, তা নিজস্ব আভিজাত্যে ভাস্বর; সেখানে বন্ধুত্বের খাতীরে ভিন্নতর রাজনৈতিক দর্শনের সাথে সহাবস্থান থাকলেও বিলীন হওয়ার সুযোগ নেই।

একজন দেশবরেণ্য আলেম যখন ‘সুলতানুল ওয়ায়েযীন’ হয়ে ওঠেন, তখন তার প্রতিটি পদক্ষেপ হয় প্রজ্ঞার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ। কারো পক্ষ নিয়ে কথা বলা মানেই তার সমগ্র আদর্শকে আলিঙ্গন করা নয়, বরং এটি একটি মহানুভবতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। যুগে যুগে মনীষীগণ আদর্শিক বিচ্যুতি রুখতে বিভাজনের যে রেখা টেনেছেন, তা কোনো সংকীর্ণতা নয়—বরং শেকড়কে সুরক্ষিত রাখার এক শৈল্পিক লড়াই।

নিজের নীতিতে অটল থেকে অন্যের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা যদি শরয়ী মানদণ্ডে সঠিক হয়, তবে লোকনিন্দার তুচ্ছ অনুযোগ সেখানে অর্থহীন। সুলতানুল ওয়ায়েযীন যেন সেই সত্যেরই প্রতিচ্ছবি—যিনি প্রমাণ করেছেন যে, সৌজন্যের সাগরে ভাসলেও নিজের আদর্শিক তরীটি কখনোই ভুল ঘাটে ভেড়ান না। স্বকীয়তা আর উদারতার এই অপূর্ব মেলবন্ধনই একজন প্রকৃত রাহবারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

তৈয়িবী-গাজীপুর।


#আইয়ুবী

হৃদয়ে দেশপ্রেম, কর্মে সাহসিকতা: এক অদম্য পথিকের আখ্যানদেশ ও জাতির ভাগ্যাকাশে পরিবর্তনের সূর্যোদয় ঘটাতে রাজকীয় মুকুট কিংব...
27/04/2026

হৃদয়ে দেশপ্রেম, কর্মে সাহসিকতা: এক অদম্য পথিকের আখ্যান
দেশ ও জাতির ভাগ্যাকাশে পরিবর্তনের সূর্যোদয় ঘটাতে রাজকীয় মুকুট কিংবা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মসনদ সবসময় অপরিহার্য নয়। জনকল্যাণের ব্রত যার হৃদয়ে প্রোথিত, তার জন্য কোনো বিশেষ দলের তকমা কিংবা সংসদীয় আসনের বাধ্যবাধকতা থাকে না। প্রয়োজন কেবল অটল সততা, ইস্পাতকঠিন মনোবল আর দেশমাতৃকার প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। আলোচ্য স্থিরচিত্রটি সেই চিরায়ত সত্যেরই এক জীবন্ত প্রতিফলন।
ছবিটিতে আমরা এমন এক ব্যক্তিত্বকে দেখি, যিনি প্রতিকূলতার পাহাড় ডিঙিয়েও আজ স্বমহিমায় ভাস্বর। রাজনীতির মারপ্যাঁচে হয়তো তাকে বিজয়ের মালা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, হয়তো অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তাকে রাখা হয়েছে নীতিনির্ধারণী কক্ষের বাইরে; কিন্তু গণমানুষের হৃদয়ে তার আসন আজ অটুট। ভাবলে অবাক হতে হয়, যে মানুষটি ক্ষমতার কেন্দ্রে না থেকেও কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে দেশের হয়ে এমন বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারেন, তিনি যদি আজ সংসদের পবিত্র আসনে আসীন থাকতেন, তবে জাতি হয়তো এক অভূতপূর্ব জাগরণের সাক্ষী হতো।
সংসদ পেত এক বজ্রকণ্ঠ, জাতি পেত এক নির্ভীক দিশারি। তার মতো একজন অকুতভয় নেতার উপস্থিতি আমাদের জাতীয় জীবনের বন্ধ জানলাগুলো খুলে দিতে পারত, উন্মোচিত হতো সম্ভাবনার নতুন কোনো দিগন্ত। ক্ষমতার মোহে নয়, বরং কর্তব্যের টানে যারা পথ চলেন, ইতিহাস তাদের কখনও বিস্মৃত হয় না। এই ছবি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে—নেতৃত্ব কেবল ভোটে জেতার নাম নয়, নেতৃত্ব হলো মানুষের আস্থা ও বিশ্বস্ততার প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকা।
সত্য ও ন্যায়ের এই অভিযাত্রা একদিন তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবেই, কারণ সাহসের কোনো বিকল্প নেই এবং প্রকৃত দেশপ্রেম কখনও পরাজিত হয় না।

বিবেকের আড়চোখ: দ্বিমুখী নৈতিকতার ব্যবচ্ছেদবাংলার আকাশ-বাতাস যেন আজ এক অদ্ভুত নিরবতার চাদরে ঢাকা। যে সমাজ একসময় অন্যায়ের ...
27/04/2026

বিবেকের আড়চোখ: দ্বিমুখী নৈতিকতার ব্যবচ্ছেদ
বাংলার আকাশ-বাতাস যেন আজ এক অদ্ভুত নিরবতার চাদরে ঢাকা। যে সমাজ একসময় অন্যায়ের প্রতিবাদে প্রকম্পিত হতো, সেই সমাজ আজ বেছে বেছে নিরবতা পালন করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে তথাকথিত 'সুশীল সমাজ'—সবার মাঝেই এক রহস্যময় নির্লিপ্ততা। প্রশ্ন জাগে, এই নিরবতা কি সম্মতির লক্ষণ, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো গভীর স্বার্থের হিসাব?

আজ যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের প্রাঙ্গণ কোনো শিক্ষার্থীর আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে, যখন তাদের মরদেহের পাশে মেলে করুণ চিরকুট—তখন আমাদের তথাকথিত 'হলুদ মিডিয়া'র কলম যেন হঠাৎ বিষণ্ণ হয়ে পড়ে। তাদের ক্যামেরার লেন্স ঝাপসা হয়ে যায়। কিন্তু এই একই ঘটনা যদি কোনো কওমী মাদরাসার আঙিনায় ঘটত, তবে দৃশ্যপট হতো ভিন্ন। তিলকে তাল করে তোলার সেই চিরচেনা দৌড়ঝাঁপ, টকশো’র টেবিলে তুখোড় বিতর্ক আর মাদরাসা শিক্ষার মূলে কুঠারাঘাত করার যে উন্মাদনা আমরা দেখি, তা আজ কোথায়?

অপরাধ তো অপরাধই। কোনো নির্দিষ্ট পোশাক বা প্রতিষ্ঠানের তকমা অপরাধকে মহিমান্বিত কিংবা কলঙ্কিত করতে পারে না। সত্যনিষ্ঠ হওয়া একজন কলমজীবীর পরম ধর্ম। অথচ বাংলাদেশের মিডিয়াপাড়ায় আজ যেন উল্টো স্রোত বইছে। নিজেদের ঘরের বিষাক্ত সাপগুলো যখন ঘরের খুঁটি কাটছে, তখন তারা অন্যের ঘরের ইঁদুর তাড়ানোর সস্তা বাহাদুরি নিয়ে ব্যস্ত।

মুনিরার চিরকুটে লেখা সেই আকুতি কিংবা অবন্তিকার বিচার চাওয়ার শেষ চিৎকার কি আমাদের বিবেককে বিন্দুমাত্র নাড়া দেয় না? নাকি আমাদের সংবেদনশীলতাও এখন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে? সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক কিংবা কওমী মাদরাসা—প্রতিটি শিক্ষার্থীই এই দেশের সম্পদ। বৈষম্যমূলক এই কঠোরতা আর সিলেক্টিভ নিরবতা একটি সমাজকে পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

সময় এসেছে আয়নার সামনে দাঁড়ানোর। নিজের ঘরের আবর্জনা পরিষ্কার না করে অন্যের আঙিনায় আঙুল তোলা যে ভণ্ডামি, তা আজ স্পষ্ট। পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ আর সুবিধাবাদী নিরবতা ভেঙে আমাদের বলতে হবে—অন্যায় যেখানেই হোক, তার বিচার চাই। ন্যায়বিচারের পাল্লা যেন কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মতাদর্শের ভারে হেলে না পড়ে, এটাই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।
#জগন্নাথ

©তৈয়িবী-গাজীপুর

অতি সাম্প্রতিক একটা বিষয় খুব আলোচিত হচ্ছে। তা হলো আল্লামা ওলিপুরী হাফিযাহুল্লাহর একটা ভিডিও কে কেন্দ্র করে। তাহল রাজনৈতি...
26/04/2026

অতি সাম্প্রতিক একটা বিষয় খুব আলোচিত হচ্ছে। তা হলো আল্লামা ওলিপুরী হাফিযাহুল্লাহর একটা ভিডিও কে কেন্দ্র করে। তাহল রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমে সেতুবন্ধন হওয়ার উদ্দেশ্য যেন অন্য মত বা ভ্রান্থ মতের কোন কর্মী বা সমর্থক সঠিক মতের অধীকারী হয় সঠিক পথে পরিচালিত হয়। সে উদ্দেশ্যেই মূলত তাদের সাথে ঐক্য করা।অথচ ঐক্য গঠনের সময় বলাই হয়েছে তাদের আদর্শ তাদের আমাদের আদর্শ আমাদের। আদর্শিক বিষয় যার যার বিষয়। ঐক্যের মাধ্যমে যেহেতু আজও পর্যন্ত অন্য মতের কোন ব্যক্তি বা কর্মী সঠিক পথে আসে নাই। তার মানে এই ঐক্যের দ্বারায় কোন লাভ নাই। বরং হক পথের লোকেরাই সেই পথে ধাবিত হয়ে গেছে। অথচ এই ঐক্যের সময়ও মাত্র কছু দিল হল। যদিও নাম উল্যেখ করা হয়নি তথাপিও কৌশলে ইশারা ইঙ্গীতে বিকেএম কেই বুঝানো হয়েছে।
মানে বিকেএম জামাতের সাথে নির্বাচনি ঐক্যের মাধ্যমে কওমী ঘরানার অনেই জামাতের সাথে অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেছেন। কিন্তু কোন জামাতের কর্মী বা সমর্থক কেহ কওমী দলের সাথে অন্তর্ভূক্ত হয় নাই। উনার যৌক্তিকতার নিরীখে বলতে চেয়েছেন তাহলে জামাতের সাথে ঐক্য রাখা যাবে না মানে তাদের সাথে ঐক্যে থাকা মানে বাতেলকেই সাপোর্ট করা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি বিকেএমের বেলায় এমন যৌক্তিকতার বক্তব্য আসতে পারে তাহলে বিএনপির সাথেও জমিয়তের জোট হয়েছে। তাদের কে অন্যান্ন ইসলামীক ছোট দল বড় সংগঠন সহ সবাই সাপোর্ট দিয়েছে। হেফাযতে ইসলামের নেতারা তো প্রকাশ্যেই তাদের পক্ষে কাজ করেছেন। যদিও হেফাযতে ইসলাম রাজনৈতিক দল না। তাহলে বিএনপির কয়জন নেতা বা কর্মী হেফাযত জমিয়ত হয়ে গেছে.? তাদের কয়জন পূর্ণ ইসলামের অধীকারী হয়েছে.? অথচ বিএনপির সাথে জমিয়ত ও ইসলামী ঐক্যজোটের জোট সেই ২০০১ সন থেকে আজ পর্যন্ত বিগত ২৫ বছর যাবত রয়েছে। এই দীর্ঘ দিনের জোট বদ্ধতায় একজন বিএনপির কর্মী বা সমর্থক ইসলামী দলে আসে নাই।জমিয়ত ও হেফাযত হয়ে যায় নাই। বিকেমের বেলায় এত যুক্তি কিন্তু অন্যের বেলায় যুক্তি হারিয়ে যায় কেন.?
এসব যুক্তির পিছনে কওমী ঘরানায় বিকেএমের বিরোধী পক্ষটা যেভাবে উঠে পড়ে লেগেছে তাতে একটা বিষয় নিয়ে খুব আশ্চর্য হই, তাহলো বিগত ফ্যাসিস্ট আমলেও একটা উদ্দেশ্য ছিল যে মামুন ঠেকাও মামুন ঠেকাও। ঠিক এখনও সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। মানে দেশে এত এত মুরুব্বী আলেম থাকতে মামুন সাব কে মানুষ এত প্রাধান্য দিবে কেন.? উনি কেন সবার মধ্যমনি হয়ে যাবেন.? রাজনৈতিক অঙ্গনের ইসলামী মুখপত্রের ভূমিকায় চলে যাবেন কেন.? যেভাবেই হউক উনারে ঠেকাও। মনে হচ্ছে যেন বিভিন্ন বিভ্রান্থিকর মন্তব্যে মামুন সাবকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দূতে হেনস্থা করা যায়। নির্নবাচন পরবর্তী সব মন্তব্য গুলোকে পর্যালোচনা করলে প্রতিফল এই একটা দাঁড়ায়।

19/04/2026

Address

Dhaka
Gazipur
1704

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Orbit Times posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Orbit Times:

Share