Tafsir

Tafsir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tafsir, Record Label, Sarwar Sir office, Narayankul Vandari Bazar Teacher’s lane., Gazipur.

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মহান আল্লাহ তায়ালা স্বীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন হে মুহাম্মাদ তুমি কি...
28/03/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মহান আল্লাহ তায়ালা স্বীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন হে মুহাম্মাদ তুমি কি ঐ লোকটিকে দেখছ যে কর্ম ফল দিবসকে অবিশ্বাস করে সেতো ঐ ব্যক্তি যে ইয়াতীমকে ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেয় এবং অভাব গ্ৰস্তকে খাদ্য দানে উৎসাহ প্রদান করে না যেমন আল্লাহতালা অন্য এক জায়গায় বলেন,

না কখন ই নয় বস্তুত তোমরা পিতৃহীন দের সম্মান করনা এবং তোমরা অভাবগ্রস্তদের খাদ্যদানে পরস্পরকে উৎসাহিত করো না ( সূরা ফাজর ৮৯:১৭-১৮ ) অর্থাৎ ওই ভিক্ষুক যার প্রয়োজন মিটানোর জন্য যা দরকার তার কোন কিছুই নেই এরপর আল্লাহ তায়ালা বলেন,

সুতরাং দুর্ভোগ ঐ সালাত আদায় কারীদের যারা নিজেদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন অর্থাৎ সর্বনাশ রয়েছে ওইসব মুনাফিকদের যৌন যারা লোক দেখানো সালাত আদায় করে কিন্তু মনোনিবেশ সহকারে সালাত আদায় করে না অর্থাৎ লোক দেখানোই তাদের সালাত আদায়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য ইবন আব্বাস রাঃ এ অর্থ ই করেছেন ( ২৪/৬৩২ ) তিনি এ অর্থ ও করেছেন যে নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় না করে ওয়াক্ত পার করে শেষ সময়ে আদায় করে মাসরুক রহঃ এবং আবুয যুহা রহঃ এ কথা বলেছেন ( তাবারী ২৪/৬৩১ ) আতা ইবন দীনার রহঃ বলেন আল্লাহর শুকরিয়া যে তিনি বলেছেন, বলেননি ( কুযতুবী ২০/২১২ ) অর্থাৎ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন, তারা সালাতের ব্যাপারে উদাসীন থাকে সালাতের মধ্যে গাফিল বা উদাসীন থাকে এরুপ কথা বলেননি,

আবার এ শব্দেই এ অর্থে ও রয়েছে যে সালাত আদায়কারীদের জন্য সর্বনাশ রয়েছে যারা সব সময় শেষ ওয়াক্তেও সালাত আদায় করে অথবা আরকান আহকাম আদায়ের ব্যাপারে মনোযোগ দেয় না আয়াতের অর্থের দিকেও খেয়াল করে না অথবা রুকু সাজদাহর ব্যাপারে উদাসীনতার পরিচয় দেয় এসব কিছু যার মধ্যে রয়েছে সে নিঃসন্দেহে দুর্ভাগা যার মধ্যে এসব অন্যায় যত বেশি রয়েছে সে তত বেশি সর্বনাশের মধ্যে পতিত হয়েছে সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে রয়েছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

ওটা মুনাফিকের সালাত ওটা মুনাফিকের সালাত ওটা মুনাফিকের সালাত যে সূর্যের প্রতীক্ষায় বসে থাকে সূর্য যতক্ষণ না শাইতানের দুই শিংয়ের মাঝে পৌঁছে তখন সে দাঁড়িয়ে চারটি ঠোকর মারে তাতে সে আল্লাহর স্মরণ খুব কমই করে ( ফাতহুল বারী ৬/৩৮৬ , মুসলিম ১/৪৩৪ ) এখানে আসরের সালাতকে বুঝানো হয়েছে এ সালাতকে সালাতুল উসতা বা মধ্য বতী সালাত বলে হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে উল্লিখিত ব্যক্তি মাকরূহ সময়ে উঠে দাঁড়ায় এবং কাকের মত ঠোকর দেয় তাতে আরকান আহকাম রুকু সাজদাহ ইত্যাদি যথাযথভাবে পালন করা হয় না এবং আল্লাহর স্মরণ খুব কম থাকে সে সালাতে শুধু এজন্যই দাঁড়ায় যে লোকেরা তাতে সালাত আদায়কারী বলবে তাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রাজি খুশির আশা খুব কমই থাকে এর অর্থ হলো সে যেন সালাত ই আদায় করলনা লোক দেখানো সালাত আদায় করা না করা এক ই কথা ঐ মুনাফিকদের সম্পর্কে আল্লাহতালা বলেন,,

নিশ্চয়ই মুনাফিকরা আল্লাহর সাথে প্রতারণা করে এবং তিনিও তাদেরকে ঐ প্রতারণা প্রত্যা পর্ণ করেছেন এবং যখন তারা সালাতের জন্য দন্ডায়মান হয় তখন লোকদেরকে দেখানোর জন্য আলস্য ভরে দন্ডায়মান হয়ে থাকে এবং আল্লাহকে খুব কমই স্মরণ করে থাকে ( সূরা নিসা,৪:১৪২ ) অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলেন, ইমাম আহমাদ রহঃ আমর ইবন মুররাহ রহঃ থেকে বলেন যে তিনি বলেছেন আমরা একদা আবূ উবাইদার রহঃ সাথে উপবিষ্ট ছিলাম যখন লোকেরা তার সাথে লোকদেখানো আমল করার ব্যাপারে আলোচনা করেছিলেন আবূ ইয়াজিদ রহঃ নামের এক ব্যক্তি বললেন আমি আবদুল্লাহ ইবন আমরকে রাঃ বলতে শুনেছি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি চায় যে সে যা আমল করেছে মানুষ তা শুনুক আল্লাহ সুবহানাওয়া তায়ালা যিনি তাঁর সমস্ত সৃষ্টি সম্পর্কে অবহিত আছেন তিনি তা শুনতে পান এবং ঐ ব্যক্তিকে অপদস্থ করেন ও হেয় করেন ( আহমাদ ২/২১২ )

কিন্তু যারা শুধু আল্লাহর উদ্দেশ্যই উত্তম কাজ করে কিন্তু লোকেরা তা জেনে যায় এবং আমলকারীও যদি তার জেনে খুশি হয় তাহলে ওই আমলকে লোক দেখানো আমল বলে গণ্য করা যাবে না এরপর আল্লাহ তাআলা বলেন, অর্থাৎ তারা আল্লাহর খুশির জন্য ইবাদাত করেনা এবং তাঁর সৃষ্টির সাথে ও ভাল ব্যবহার করেনা তারা ছোটখাটো জিনিস অপরকে ধার দেয় না যা থেকে তারা উপকার লাভ করতে পারে যদিও ওই সমস্ত জিনিস যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থায় ই ফেরত দেয়ার সম্ভাবনা থাকে ওই সমস্ত লোকেরা যাকাত প্রদান কিংবা দান সাদাকাহ করার ব্যাপারেও অন্তত কৃপণ অথচ এই সমস্ত কাজের মাধ্যমেই সে আল্লাহর নৈকট্য লাভে সক্ষম হতে পারত আল মাসূদী রহঃ সালামাহ রহঃ ইবন খুহাইল রহঃ থেকে তিনি আবূ উবাইদিন রহঃ থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি ইবন মাসউদ কে রাঃ আল মাঊন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন উহা হল সাধারন ব্যবহার্য জিনিস যা একজন অন্যজনকে দিয়ে থাকে যেমন কুঠার, পাতিল, বালতি এবং এ ধরনের অন্যান্য জিনিস ( তাবারী ২৪/৬৩৯ )

🎤 তাফসীরে, মুহাম্মাদ তামিল
সূরা আল মাঊন, সম্পূর্ণ তাফসীর

🎙️ আলোচনায়, মুহাম্মাদ তামিল

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মানব সন্তানকে ক্লেশের মধ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে,সর্বশক্তিমান আল্লাহ এখানে নিরাপত্তা পূর্ণ শান্...
27/03/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মানব সন্তানকে ক্লেশের মধ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে,
সর্বশক্তিমান আল্লাহ এখানে নিরাপত্তা পূর্ণ শান্তির শহর মাক্কা মুআযযমার শপথ করেছেন শাবিব ইবন বিশর রহঃ ইকরিমাহ রহঃ হতে তিনি ইবন আব্বাস রাঃ হতে বর্ণনা করেন যে,হে মুহাম্মাদ এই শহরে যুদ্ধ করা তোমার জন্য অনুমোদন দেওয়া হল ( কুরতুবী ২০/৬০,দুররুল মানসুর ৮/৫১৮ ) সাঈদ ইবন যুবাইর রহঃ আবূ সালিহ রহঃ আতিয়াহ রহঃ যাহহাক রহঃ কাতাদাহ রহঃ সুদ্দী রহঃ এবং ইবন যায়িদ ও রহঃ অনুরুপ বর্ণণা করেছেন ( কুরতুবী ২০/৬০,দুররুল মানসুর ৮/৫১৮ ) হাসান বাসরী রহঃ বলেন

আল্লাহ তাআলা শুধু ঘন্টা খানেকের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাক্কায় যুদ্ধ করার অনুমতি দিয়েছিলেন দুররুল মানসুর ৮/৫১৮ উপরোক্ত মনিষীগণ যেসব বক্তব্য রেখেছেন তার ওই অনুমোদন পাওয়া যায় সবার কাছে গ্রহণীয় একটি সহিহ হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করার দিন থেকে এই শহরকে মক্কা পবিত্র করেছেন অতএব আল্লাহর অনুমোদন ক্রমে এর শহরটি বিচার দিবস পর্যন্ত পবিত্র থাকবে এর গাছ এর লতাপাতা এবং ঘাস সমূহ কখনো কর্তন করবে না একমাত্র এক ঘন্টার জন্য এখানে যুদ্ধ করার জন্য আমাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল আজকেই আবার এর পবিত্রতা বহাল করা হয়েছে যেমনটি গতকাল ছিল

অত এব এখানে যারা উপস্থিত আছো তারা তাদের কাছে এ খবর পৌঁছে দিবে যারা এখানে উপস্থিত নেই ( ফাতহুল বারী ৪/৫৬ ) অন্য একটি হাদিসে আছে যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এখানে মক্কায় যুদ্ধবিগ্রহের বৈধতা সম্বন্ধে কেহ আমার যুদ্ধকে যুক্তি হিসেবে পেশ করলে তাকে বলে দিতে হবে আল্লাহ তাআলা তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য অনুমতি দিয়েছেন তোমাদের জন্য দেননি ( ফাতহুল বারী ১/২৩৮ ) আল্লাহ তাআলা বলেন মুজাহিদ রহঃ আবূ সালিহ রহঃ কাতাদাহ রহঃ যাহহাক রহঃ হাসান বাসরী রহঃ খুসাইফ রহঃ শুরাহবিল ইবন সাদ রহঃ এবং অন্যান্যরা বলেন যে জন্মদাতা বলতে আদমকে আঃ এবং মানব জাতি হল আদম সন্তান ( কুরতুবী ২০/৬১,দুররুল মানসুর ৮/৫১৯,তাবারী ২৪/৪৩২ ) এই উক্তিটি উত্তম বলে অনুভূত হচ্ছে কেননা এর পূর্বে মক্কা ভূমির শপথ করা হয়েছে যা সমস্ত যমীন ও বস্তি সমূহের জননী অতঃপর মাক্কার অধিবাসীদের শপথ করা হয়েছে অর্থাৎ মানুষের মূল বা শিকড় আদম আঃ এবং তার সন্তানদের শপথ করা হয়েছে আবূ ইমরান রহঃ বলেন যে এখানে ইবরাহীম আঃ এবং তার সন্তানদের কথা বলা হয়েছে

ইমাম ইবন জারীর রহঃ এবং ইবন আবী হাতিম রহঃ বলেন যে এখানে সাধারণভাবে সকল পিতা এবং সকল সন্তানদের কথা বলা হয়েছে ( তাবারী ২৪/৪৩৩ ) অতঃপর আল্লাহ সুবহানাহু বলেন আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি ক্লেশের মধ্যে দিয়ে ইবন আবী নাযিহ রহঃ এবং যুরাইজ রহঃ আতা রহঃ থেকে তিনি ইবন আব্বাস রাঃ থেকে কাবাদ শব্দ সম্পর্কে বলেন যে মানুষকে কষ্টকর পরিস্থিতিতে সৃষ্টি করা হয়েছে তা কি তোমরা লক্ষ্য করো না অতঃপর তিনি তার জন্মের সময়ের যন্ত্রণা বয়ঃ বৃদ্ধির সাথে দাঁত গজানো ইত্যাদি উল্লেখ করেন ( তাবারী ২৪/৪৩৪ ) আল্লাহ তায়ালা আর ও বলেন

তার জননী তাকে গর্ভে ধারণ করে কষ্টের সাথে এবং প্রসব করে কষ্টের সাথে ( সূরা আহকাফ ৪৬:১৫ ) মা সন্তানকে দুধ পান করানোর এবং লালন-পালন করায় ও কঠিন কষ্ট স্বীকার করেছেন কাতাদাহ রহঃ বলেন যে ভাবার্থ হচ্ছে কঠিন অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন ইকরিমাহ রহঃ বলেন যে ভাবার্থ হল কঠিন অবস্থায় এবং দীর্ঘ সময়ে সৃষ্টি করা হয়েছে ( দুররুল মানসুর ৮/৫২০ )

আল্লাহর রাহমাত ও নিআমাতরাজী দ্বারা মানুষ পরিব্যপ্ত
মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেন তারা কি মনে করে যে তাদের উপর কেহ ক্ষমতা বান হবে না এর ভাবার্থে হাসান বাসরী রহঃ বলেন তারা ধারণা করে যে তাদের ধন-সম্পদ নিতে কেহ সক্ষম নয় কাতাদাহ রহঃ বলেন তারা কি মনে করে যে তাদের উপর কারো কর্তৃত্ব নেই তারা কি জিজ্ঞাসিত হবে না যে তারা কোথাও থেকে ধন-সম্পদ উপার্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে ( তাবারী ২৪/৪৩৬ ) নিঃসন্দেহে তাদের উপর আল্লাহর কর্তৃত্ব রয়েছে এবং আল্লাহ তাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান অতঃপর বলা হয়েছে আদম সন্তানরা বলে বেড়ায় আমরা বহু ধন-সম্পদ খরচ করে ফেলেছি মুজাহিদ রহঃ হাসান রহঃ কাতাদাহ রহঃ সুদ্দী রহঃ এবং অন্যান্যরা বলেন যে এর অর্থ হচ্ছে আদম সন্তান বলে বেড়ায় যে সে অনেক সম্পদ ব্যয় করছে ( তাবারী ২৪/৪৩৬ ) আল্লাহ বলেন তারা কি মনে করেছে যে তাদেরকে কেহ দেখছে না অর্থাৎ তারা কি নিজেদেরকে আল্লাহর দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য মনে করে

এরপর মহান আল্লাহ বলেন আমি কি মানুষকে দেখার জন্য দুটি চক্ষু তাদের প্রদান করিনি মনের কথা প্রকাশ করার জন্য কি আমি তাদেরকে জিব্বা দেইনি কথা বলার জন্য পানাহারের জন্য চেহারা ও মুখ মন্ডলের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কি আমি তাদেরকে দুটি ওষ্ট প্রদান করিনি

ভালো মন্দের পার্থক্য নির্ণয় করার ক্ষমতা ও আল্লাহ প্রদত্ত নিআমত,
আল্লাহ তাআলা বলেন আমি তাদেরকে ভাল মন্দ দুটি পথ ই দেখিয়েছি সুফিয়ান শাওরী রহঃ আসিম রহঃ হতে তিনি জিরর রহঃ হতে তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাঃ হতে বর্ণনা করেন যে আয়াতে বর্ণিত পথ দুটি হচ্ছে ভাল পথ ও খারাপ পথ ( তাবারী ৪৩৭ ) এক ই কথা বলেছেন আলী রাঃ ইবন আব্বাস রাঃ মুজাহিদ রহঃ ইকরিমাহ রহঃ আবূ ওয়াইল রহঃ আবূ সালিহ রহঃ মুহাম্মাদ ইবন কাব রহঃ যাহহাক রহঃ আতা আল খুরাসানী রহঃ এবং অন্যান্যরা ( তাবারী ২৪/৪৩৭-৩৮ ,দুররুল মানসুর ৮/৫২১-২২ ) যেমন মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিলিত শত্রু বিন্দু হতে তাকে পরীক্ষা করার জন্য এজন্য আমি তাকে করেছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ আমি তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি হয় সে কৃতজ্ঞ হবে না হয় সে অকৃতজ্ঞ হবে ( সূরা ইনসান ৭৬: ২-৩ )

সঠিক পথে চলার জন্য উৎসাহ প্রদান,
আল্লাহ তাআলা বলেন অর্থাৎ ওরা মুক্তি ও কল্যাণের পথে চলেনি কেন তারপর মানুষকে সতর্ক করতে গিয়ে বলা হচ্ছে তোমরা কি জানো আকাবা কি?কোন গোলামকে মুক্ত করা অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাদ্য দান করা মুসনাদ আহমাদে আবূ হুরাইরাহ রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি কোন মুমিন গোলামকে মুক্ত করে আল্লাহতালা ওই গোলামের প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বিনিময়ে তার প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দান করে থাকেন এমনকি হাতের বিনিময়ে হাত পায়ের বিনিময়ে পা এবং লজ্জাস্থানের বিনিময়ে লজ্জাস্থান

আলী ইবন হুসাইন রহঃ এ হাদীসটি শোনার পর এ হাদীসের বর্ণনাকারী সাঈদ ইবন মারজানাকে রহঃ জিজ্ঞেস করেন আপনি কি স্বয়ং আবূ হুরাইরাহর রাঃ মুখে এ হাদীসটি শুনেছেন তিনি উত্তরে বললেন হ্যাঁ তখন আলী ইবন হুসাইন রহঃ তার গোলাম মুতাররিফকে ডেকে বলেন যাও তুমি আল্লাহর নামে মুক্ত ( আহমদ ২/৪২২, ফাতহুল বারী ৫/১৭৪,১১/৬০৮ , মুসলিম ২/১১৪৭ ,তিরমিযী ৫/১৪৪ ,নাসাঈ ৩/১৬৮ )

মুসনাদ আহমাদে আমর ইবন আবাসাহ রাঃ হতে বর্ণিত আছে নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি আল্লাহর যিকরের উদ্দেশে মাসজিদ তৈরী করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে ঘর বানিয়ে দেন আর যে ব্যক্তি কোন মুসলিম দাস কে মুক্ত করে আল্লাহ মুক্তকারীর ফিদাইয়া মুক্তিপণ হিসেবে গণ্য করে থাকে জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দান করে থাকেন যে ব্যক্তি দ্বীনি আমল করা অবস্থায় বার্ধক্য উপনীত হয় তাকে কিয়ামতের দিন নূর দেওয়া হবে ( আহমাদ ৪/৩৮৬ ) অন্য এক রিওয়ায়াতে ইমাম আহমাদ রহঃ আবূ উমামাহ রহঃ হতে তিনি আমর ইবন আবাসাহ রহঃ হতে বর্ণনা করেন যে আস সুলাইম রহঃ তাকে বলেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছেন এমন একটি হাদিস কোনরকম কমানো বাড়ানো ছাড়া আমাদেরকে বর্ণনা করুন তখন আমর রাঃ বলেন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি

মুসলিম থাকা অবস্থায় যার তিনটি সন্তান জন্ম লাভ করে এবং সাবালক বালেগ হওয়ার পূর্বে যদি তারা মারা যায় তাহলে আল্লাহর তরফ থেকে তার প্রতি করুনা করে তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে ধূসর বর্ণ ধারণ করে বিচার দিবসে আল্লাহ তা'আলা তা আলোকিত করবেন যে ব্যাক্তি জিহাদের মাঠে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি তীর ও নিক্ষেপ করে এবং তা যদি শত্রু পর্যন্ত পৌঁছে তা শত্রুকে আঘাত করুক কিংবা না করুক সে একটি দাস মুক্ত করার সাওয়াব প্রাপ্ত হবে যদি কোন ব্যক্তি একজন মুসলিম দাসকে মুক্ত করে তাহলে আল্লাহ তা'আলা মুক্তিপ্রাপ্ত দাসের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের জন্য মুক্তকারীর প্রতি অংগ প্রত্যঙ্গ জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন

যদি কোন ব্যক্তি জিহাদ করার জন্য আল্লাহর উদ্দেশ্য দুটি পশু প্রস্তুত করে রাখে তাহলে জান্নাতের যে আটটি দরজা রয়েছে তার যে কোনোটি দিয়ে প্রবেশ করার জন্য আল্লাহতালা তাকে অনুমতি দিবেন ( আহমাদ ৪/৩৮৬ ) ইমাম আহমাদ এই হাদীসটি বিভিন্ন বর্ণনা দ্বারা থেকে লিপিবদ্ধ করেছেন এবং এর প্রতিটি সনদ উত্তম ও মযবূত সমস্ত প্রশংসাই একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার জন্য,

এটা ও আবার ঐ শিশু যে ইয়াতীম বা পিতৃহীন হয়েছে আর তার সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে যেমন মুসনাদ আহমাদে সালমান ইবন আমির রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন মিসকীনকে সাদাকাহ দেয়া হল শুধু একটি সাদাকা আর আত্মীয় স্বজনকে সাদাকাহ করলে একই সাথে দুটি কাজের সাওয়াব পাওয়া যায় একটি হল সাদাকার সাওয়াব এবং আর একটি হল আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার সাওয়াব

ইমাম তিরমিযী রহঃ এবং ইমাম নাসাঈ রহঃ এই হাদীসটি লিপিবদ্ধ করেছেন এবং এর বর্ণনা দ্বারা সঠিক ( আহমাদ ৪/২১৪ ,তিরমিযী ৩/৩২৪,নাসাঈ ৫/৯২ ) ইবন আব্বাস রাঃ হতে এর অর্থ করেছেন এমন মিসকীন যে ধূলালুন্ঠিত পথের উপর পড়ে আছে বাড়িঘর নেই বিছানাপত্র নেই ( তাবারী ২৪/৪৪৪) এছাড়া যার ক্ষুধার জ্বালায় পেট মাটির সাথে লেগে আছে যে নিজের গৃহ হতে দূরে রয়েছে যে মুসাফির,ফকীর মিসকীন পর মুখাপেক্ষী ঝনী কপর্দকহীন খবরা খবর নেওয়ার মতো যার কেহ নেই যার পরিবার সদস্য অনেক অথচ সম্পদ কিছুই নেই এ সময় প্রায় একই অর্থবোধক তদুপরি এই ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সেইসব কাজের জন্য আল্লাহর কাছে বিনিময়ে প্রত্যাশা করে সেই পুরস্কৃত হবে যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন অর্থাৎ যারা বিশ্বাসী হয়ে পরকাল কামনা করে এবং ওর জন্য যথাযথ চেষ্টা করে তাদের প্রচেষ্টা সমূহ আল্লাহর কাছে গৃহীত হবে ( সূরা ইসরা,১৭:১৯ )

মুমিন পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেহ সৎ কাজ করবে তাকে আমি নিশ্চয়ই আনন্দময় জীবন দান করব ( সূরা নাহুল ১৬:৯৭ ) যেমন মহান আল্লাহ তায়ালার বলেন এবং পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে মুমিন হয়ে সৎ কাজ করে তারা দাখিল হবে জানাতে সেখানে তাদের দেওয়া হবে অপরিমিত জীবনোপকরণ ( সূরা গাফির,৪০:৪০ ) তারপর তাদের আরো বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ তাবারাকা তায়ালা বলেন তারা লোকদের দুঃখ কষ্ট সহ্য করার এবং তাদের প্রতি পরস্পর সহানুভূতি এবং অনুগ্রহ করার জন্য একে অপরকে নাসীহাত করে যেমন হাদিসে রয়েছে অনুগ্রহকারী ব্যক্তিকে আল্লাহতালা অনুগ্রহ করবেন তোমরা পৃথিবীবাসীদের প্রতি অনুগ্রহ কর যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন ( আবূ দাউদ ৫/২৩১ )

অন্য এক হাদীসে রয়েছে যে ব্যক্তি অনুগ্রহ করে না তার প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করার হয় না ( মুসলিম ৪/১৮০৯ ) সুনান আবূ দাউদে আবদুল্লাহ ইবন আমর রাঃ হতে বর্ণিত হয়েছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের প্রতি অনুগ্রহ করে না এবং আমাদের বড়দের অধিকার স্বীকার করে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় ( আবূ দাউদ ৫/২৩১ ) এরপর আল্লাহ বলেন এসব লোক তারাই যাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে

বাম হাতে আমলনামা প্রাপ্ত দের অবস্থা,
এরপর আল্লাহ বলেন আর আমার আয়াতকে যারা মিথ্যা বলে অবিশ্বাস করেছে তাদের বাম হাতে আমলনামা দেওয়া হবে তারা আগুন পরিবেষ্টিত হবে ঐ অগ্নি হতে কোন দিন মুক্তি পাবে না এবং অব্যাহতি ও মিলবে না ওই আগুনের দরজা দিয়ে তাদের বের হওয়ার পথ অবরুদ্ধ থাকবে কাতাদাহ রহঃ বলেন যে এর ভাবার্থ হচ্ছে তারমধ্যে কোন জানালা থাকবে না ছিদ্র থাকবে না কোন আলো থাকবে না সে জায়গা হতে কখনো বের হওয়া সম্ভব হবে না ( তাবারী ২৪/৪৪৭ )

🎤 আলোচনায় তাফসীরে মুহাম্মাদ তামিল
সূরা বালাদ এর সম্পূর্ণ তাফসীর, মহান আল্লাহ তায়ালা সবাইকেই বুঝার তৌফিক দান করুন আমীন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এ সূরায় মহা মহিমান্বিত আল্লাহর তিনটি গুণ বিবৃত হয়েছে অর্থাৎ তিনি হলেন পালনকর্তা শাহানশাহ এ...
26/03/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

এ সূরায় মহা মহিমান্বিত আল্লাহর তিনটি গুণ বিবৃত হয়েছে অর্থাৎ তিনি হলেন পালনকর্তা শাহানশাহ এবং মাবূদ বা পূজনীয় সব কিছু তিনিই সৃষ্টি করেছেন সবই তাঁর মালিকানাধীন এবং সবাই তাঁর আনুগত্য করছে তিনি তাঁর প্রিয় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নির্দেশ দিচ্ছেন হে নাবী তুমি বলে দাও আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের মানুষের অধিপতির এবং মানুষের মাবূদের পশ্চাদাপসরণকারীর অনিষ্টতা হতে যে মানুষের অন্তর সমূহে কুমন্ত্রণা ও প্ররোচনা দিয়ে থাকে তা সে জিন হোক অথবা মানুষ হোক অর্থাৎ যারা

অন্যায় ও খারাপ কাজকে সৌন্দর্য মন্ডিত করে মানুষের চোখের সামনে হাযির করে পথভ্রষ্ট এবং বিভ্রান্ত করার কাজে অতুলনীয় এমন কাজ নেই যা করতে তারা এতটুকু দ্বিধাবোধ করে আল্লাহর অনুগ্রহ প্রাপ্ত ব্যক্তিরাই শুধু তাদের অনিষ্টতা হতে রক্ষা পেতে পারে সহীহ হাদীসে রয়েছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমাদের মধ্যে এমন লোক নেই যার সাথে একজন করে সাইতান না রয়েছে সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার সাথেও কি শাইতান রয়েছে উত্তরে তিনি বললেন হ্যাঁ আমার সঙ্গেও

শাইতান রয়েছে কিন্তু আল্লাহ তাআলা ওই শাইতানের মুকাবিলায় আমাকে সাহায্য করছেন কাজেই আমি নিরাপদ থাকি ফলে সে আমাকে সৎ আমল ও কল্যাণের শিক্ষা দেয় ( মুসলিম ২১৬৭ ) সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে আনাস রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইতিকাফে থাকা অবস্থায় উম্মুল মুমিনীন সাফিয়া রাঃ তার সাথে রাতের বেলায় দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি ফিরে যাবার সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকেন পথে দুজন আনসারীর সাথে দেখা হল তারা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাঁর স্ত্রীকে দেখে দ্রুত গতিতে হেঁটে যাচ্ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে থামালেন এবং বললেন জেনে রেখো যে আমার সাথে যে মহিলাটি রয়েছেন তিনি আমার স্ত্রী সাফিয়া বিনতে হুইয়াই রাঃ তখন আনসারী দুজন বললেন আল্লাহ পবিত্র হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা আমাদেরকে বলার প্রয়োজনই বা কি ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন মানুষের রক্ত প্রবাহের মত শাইতান ঘুরাফিরা করে থাকে সুতরাং আমি আশঙ্কা করছিলাম যে শাইতান তোমাদের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে দিতে পারে ( ফাতহুল বারী ৪/৩২৬ )

সাঈদ ইবন যুবাইর রহঃ ইবন আব্বাস রাঃ হতে এ আয়াত সম্পর্কে বলেন যে শাইতান আদম সন্তানের মনে তার থাবা বসিয়ে রাখে মানুষ যখনই অন্যমনস্ক থাকে কিংবা বেখেয়াল থাকে তখনই শাইতান কুমন্ত্রণা দিতে শুরু করে আর যখনই মানুষ আল্লাহকে স্মরণ করে তখন সে পশ্চাদাপসরণ করে ( তাবায়ী ২৪/৭০৯ ) মুজাহিদ রহঃ এবং কাতাদাহ ও রহঃ অনুরুপ মন্তব্য করেছেন ( তাবায়ী ২৪/৭১০ ) সুখ শান্তি এবং দুঃখ কষ্টের সময় এবং অতি সুখের সময়ও শাইতান মানুষের মনে ছিদ্র করতে চায় অর্থাৎ তাকে পথভ্রষ্ট ও বিভ্রান্ত করতে চেষ্টা করে এ সময়ে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করে তাহলে শাইতান পালিয়ে যায় ( তাবায়ী ২৪/৭১০ )

ইবন আব্বাস রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে শাইতানকে মানুষ যেখানে প্রশ্রয় দেয় সেখানে সে মানুষকে অন্যায় অপকর্ম শিক্ষা দেয় তারপর কেটে পড়ে ( তাবায়ী ২৪/৭১০ ) আর এরপর মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন আর এমনিভাবেই আমি প্রত্যেক নবীর জন্য বহু শয়তানকে শত্রুরূপে সৃষ্টি করেছি তাদের কত মানুষ শয়তানের মধ্য হতে এবং কত জিন শাইতানের মধ্যে হতে হয়ে থাকে এরা একে অন্যকে কতকগুলি মনমুগ্ধকর ধোকা পূর্ণ ও প্রতারণাময় কথা দ্বারা প্ররোচিত করে থাকে ( সূরা আন,আম ৬:১১২ )

মুসনাদ আহমাদে ইবন আব্বাস রাঃ হতে আছে যে একটি লোক নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মনে এমন সব চিন্তা আসে যেগুলো প্রকাশ করার চেয়ে আকাশ থেকে পড়ে যাওয়াই আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় সুতরাং এই অবস্থায় আমি কি করবো নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উত্তরে বললেন তুমি বলবে, আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান আল্লাহ তাআলার জন্যই সমস্ত প্রশংসা যিনি শাইতানের প্রতারণা কে ওয়াসওয়াসা অর্থাৎ শুধু কু মন্ত্রণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন বাস্তবে কাজে পরিণত করেননি ( আহমাদ ১/২৩৫ আবূ দাউদ ৫/৩৩৬, নাসাঈ ৬/১৭১০ )

🎤 তাফসীরে মুহাম্মদ তামিল,
সম্পূর্ণ তাফসীর

Address

Sarwar Sir Office, Narayankul Vandari Bazar Teacher’s Lane.
Gazipur
1721

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tafsir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category