05/07/2026
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অফ-দ্য-বল ভায়োলেন্ট কন্ডাক্টের জন্য ফিফার “গোল্ডেন বয়” লিও মেসি সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। সেই লাল কার্ডের শাস্তি হিসেবে তাকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। প্রথম ম্যাচ ছিল আর্মেনিয়ার বিপক্ষে, আর বাকি দুই ম্যাচ বহাল থাকার কথা ছিল বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে।
কিন্তু নজিরবিহীন এক সিদ্ধান্তে ফিফা নতুন এক ধারণা দাঁড় করায় - “সাসপেন্ডেড সাসপেনশন”। অর্থাৎ, “ঠিক আছে, তোমার নিষেধাজ্ঞাটাই আমরা স্থগিত করে দিলাম, তাই তুমি বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ খেলতে পারবে।” ফলে মেসি শুধু আর্মেনিয়ার বিপক্ষের ম্যাচটি মিস করেন এবং এরপর বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি পেয়ে যান।
এই সিদ্ধান্তের পর সমালোচক ও ফুটবল বিশ্লেষকরা প্রকাশ্যেই অভিযোগ তোলেন যে, ফিফা বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার জন্য খেলাটির পেশাদারিত্ব ও ন্যায়পরায়ণতাকে ক্ষুণ্ন করেছে। বিরোধীদের দাবি ছিল, মেসিকে একজন “অর্থনৈতিক ইঞ্জিন” হিসেবে দেখা হয়েছে, কারণ তার অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের স্ট্রিমিং, দর্শকসংখ্যা এবং টিকিট বিক্রিতে বড় ধরনের আর্থিক প্রভাব ফেলতে পারত।
এর পরপরই খবর প্রকাশিত হয় যে, পর্তুগালের বিশ্বকাপ গ্রুপে থাকা কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল মূল তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার দাবিতে বিষয়টি Court of Arbitration for Sport (CAS)-এ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছিল।
শেষ পর্যন্ত ফিফার সেই সিদ্ধান্তই বহাল থাকে এবং মেসি টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ থেকেই মাঠে নামার সুযোগ পান।
এটাই প্রমাণ যে, ফিফা সবসময় শুধু মেসিকেই বিশেষ সুবিধা দেয়, আর রোনালদোকেই সবসময় অবিচারের শিকার বানায়। এরকম অবিচারের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করে এরা একেকজন ফেরেশতা সম মানুষ। কেন মেসিকে এরকম সুবিধা দেয়? হুয়াই?
এখন পুরো লেখায় মেসির জায়গায় রোনালদো পরেন।
©️