03/09/2026
মনে আছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ১০৪ বছর বয়সী বৃদ্ধ আসকার মন্ডলের কথা,বয়ষ্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নাম করে বৃদ্ধের ১৩ শতাংশ ভিটেমাটির জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নেয় স্থানীয় মেম্বার আরশাদ মাজি।অভি/যোগ ছিল, সেই জমি গোপনে বি/ক্রি করে মেম্বার নিজের নিবার্চনী খরচ মিটিয়েছেন।পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বয়স্ক ভাতার কার্ডের ছলে জমি লিখে নেওয়া সেই বৃদ্ধ আর নে/ই, ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন।
জানা গেছে বয়ষ্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মেম্বার আরশাদ মাজি তাকে সঙ্গে নিয়ে যান।এরপর তার ছবি ও টিপসই নেন । এর কিছুদিন পর বৃদ্ধ জানতে পারেন, তার জমি রেজিস্ট্রি হয়ে গেছে। ততদিনে সব শেষ। তখন তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন এ জায়গা ছাড়া তাদের আর কোন জমি নেই। এখন এই বাড়ি থেকে তাদের উঠিয়ে দিলে তাকে রাস্তায় থাকতে হবে। তার কোন সন্তা/ন ও নেই।
তাই সহজ সরল মানুষটি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বুক ভরা আক্ষেপ ও ন্যায়বিচারের আশায় মানুষের ধারে ধারে ঘুরছেন মৃ/ত্যু র যাতে আগে অন্তত নিজের জমির অধিকার টুকু ফিরে পান সেই আশায়।
মেম্বারের জা/লিয়াতি ও প্রতা/রণার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর বৃদ্ধা ও তার পরিবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনের কাছে সুবিচারের দাবি জানিয়েছিলেন। তবে কোনো আইনি সমাধান পাওয়ার আগেই মানসিক কষ্ট ও অসুস্থতায় ভুগছিলেন বৃদ্ধা। শেষ পর্যন্ত কোনো বিচার না দেখেই তিনি মা/রা যান। সহজ সরল ভাবে মানুষকে বিশ্বাস করে সে আজ সব হারিয়ে একবুক কষ্ট নিয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন।
বৃদ্ধার মৃ/ত্যুর পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মাঝে চরম ক্ষো/ভের সৃষ্টি হয়েছে। মেম্বারের এই জা/লি/য়াতির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে তার বি/রুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বৃদ্ধার পরিবারকে তাদের প্রাপ্য সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সংগৃহীত