03/05/2025
বাংলাদেশে পাবলিক স্ফিয়ারে ইসলামবিদ্বেষ এবং আল্লাহ্ ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে নিয়ে কটূক্তির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। রাখাল রাহার ঘটনা এর সবচেয়ে জঘন্য উদাহরণ। যেখানে মহান আল্লাহ্কে নিয়ে প্রকাশ্যে অশ্লীল মন্তব্য করার পরও তাকে বিন্দুমাত্র জবাবদিহি করতে হয়নি।
কেবল গত কয়েক মাসেই এমন একাধিক ঘটনা ঘটেছে। অথচ এসবের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
হেফাযতে ইসলাম বাংলাদেশ আগামী শনিবার, ৩ মে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করেছে, যেখানে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলসহ বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করা হবে।
এই সমাবেশে ইসলাম অবমাননার বিষয়টিও জোরালোভাবে সামনে আনা উচিৎ। ২০১৩ সালে হেফাযতের ১৩ দফার মূল দুটো দাবি ছিল—
"শাহবাগ আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাস্তিক এবং রাসুল এর নামে কুৎসা রটনাকারী ব্লগার ও ইসলামবিদ্বেষীদের সব অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাস্তিদানের ব্যবস্থা করা।"
“আল্লাহ্, রাসূল ﷺ ও ইসলাম ধর্মের অবমাননার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন প্রণয়ন।”
অবমাননা বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতেই লংমার্চ হয়েছিল, এই দাবিতেই হয়েছিল ৫ মে ঢাকা অবরোধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শান ও মর্যাদার জন্যই সেই দিন লক্ষ লক্ষ মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন, শত শত মানুষ শাহাদাত বরণ করেছিলেন।
৫ই মে শাপলা চত্বর ম্যাসাকারের ১ যুগ পূর্তী। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হয়নি, শাপলা ম্যাসাকারেরও বিচার হয়নি, বরং অবমাননার ঘটনা বেড়েছে।
তাই ৩ মে'র মহাসমাবেশে ইসলাম অবমাননার বিষয়টি আবার জোরালোভাবে তুলে ধরা সময়ের চাহিদা, এবং ইতিহাসের দায়।
এই দাবি হেফাযতের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং জনসমর্থনের কেন্দ্রবিন্দু—এটা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
Asif Adnan