21/05/2026
শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণকাণ্ড বন্ধে কঠোর শাস্তির দাবি
সুধী,
আজ আমাদের সমাজে শিশু ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী কারা? আমার মতে, এরা হলো সেই তথাকথিত মদখোর শাহবাগী, গাজাখোর শাহবাগী গোষ্ঠী, সঙ্গে কিছু রাজনীতিবিদ এবং নামধারী সুশীল সমাজ।
কেন এরা দায়ী:
• নৈতিক অবক্ষয় ছড়ানো: এরা পশ্চিমা সংস্কৃতির নামে সমাজে অশ্লীলতা, মাদক ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনধারাকে প্রমোট করে। ফলে তরুণ সমাজ বিপথে যাচ্ছে। • বিচার বাধাগ্রস্ত করা: যখনই ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের জন্য ধর্মীয় আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়, এই গোষ্ঠীগুলোই সবার আগে রাস্তায় নেমে আসে। এরা ফাঁসির বিরোধিতা করে, মানবাধিকারের দোহাই দেয়। • অপরাধীদের পরোক্ষ প্রশ্রয়: কঠোর শাস্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এরা মূলত ধর্ষকদেরই সাহস যোগায়। অপরাধী জানে যে দেশে একটা শ্রেণি আছে যারা তাদের বাঁচাতে শাহবাগে আন্দোলন করবে।
ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত মৃত্যুদণ্ড। ইসলামী শরিয়া আইনেও ধর্ষকের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান আছে। কিন্তু যখনই আমরা এই আইন বাস্তবায়ন করতে চাই, তখনই এই মাদারবোর্ডের গোষ্ঠীগুলো আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
আমার দাবি:
যারা ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার ঠেকাতে শাহবাগে জড়ো হয়, যারা কুরআনের আইনের বিরুদ্ধে সত্তর হয়ে দাঁড়ায়, রাষ্ট্রের উচিত তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ধর্ষককে বাঁচাতে যারা মাঠে নামে, তারাও ধর্ষণের সহযোগী। তাদেরও সর্বোচ্চ শাস্তি, অর্থাৎ ফাঁসি হওয়া উচিত।
শিশুদের নিরাপত্তা দিতে হলে আগে সমাজ থেকে এই নৈতিকতাবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব শেষ করতে হবে। ধর্ষকের ফাঁসি নিশ্চিত করো, ধর্ষককে বাঁচাতে যারা নামে তাদেরও ফাঁসি দাও। তাহলেই সমাজে শান্তি ফিরবে।
ধন্যবাদ। the man☝️