The Bayline Journal

The Bayline Journal Trends. News. Entertainment. Every Day!

30/07/2026

ডেভিড ইমন দেশে ঢুকেছে ৪ দিন আগে। সীমান্ত চোরাচালানের সাথে জড়িত একটা সিন্ডিকেটের সাথে তার চুক্তি ছিল ২০ হাজার রুপি। রাউন্ড পারাপার।
ঢুকবে, কাজ শেষে বের হয়ে যাবে।

সে ভাইরাল হওয়ার পর দেশে তাদের কিছু ব্যবসা সিন্ডিকেটের অন্যরা মেরে দেয়ার ধান্ধা করে। ভাইরাল হওয়া ডেভিড ইমন আর দেশে আসতে পারবে না, এই আশায় ব্যবসা মেরে দেয়ার সাহস করে তাদেরই ব্যবসা দেখা লোকজন।

সেটাকে ডীল করতে সশরীরে দেশে ঢুকে ইমন। কাজ শেষ করেই সে ফিরে যাচ্ছিল।

সে কেন ভারত হয়ে যাচ্ছিল, এটা নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন।

মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনের ভারতীয় নাগরিকত্ব আছে।

সে ভারতীয় পাসপোর্ট দিয়েই দুবাই, মালয়েশিয়া যাতায়াত করে।

মোবারক হোসেন ইমনের ভারতীয় পাসপোর্টে নাম হলো- আজাহার খান।
Islam

29/07/2026

Final call, and this one is for everyone who has Anupam Roy on repeat in their playlist.
Anupam Roy, the voice behind timeless songs like Ekla Ghore, Amar Moto, Eito Boro, and Bhalobasha Mane, which have quietly accompanied some of your most personal moments, is set to perform live in Dhaka on 1st August 2026 alongside Bangladesh's legendary rock band MILES.
The concert, One True Sound, is brought to you by Yamaha Music Bangladesh and Triple Time Communications. The songs you have carried with you deserve to be heard live—just once—in a room where everyone around you feels the same thing.
📍 Venue: United Convention Centre, Dhaka
📅 Date: 1st August 2026
🎟 Ticket Price: BDT 2,500 (inclusive of VAT, service charge, and all applicable fees)
Get your tickets now at www.tickettomorrow.com.bd

ছবিতে আপনারা যে মেশিনটি দেখতে পাচ্ছেন, এটার নাম ‘এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিন’। এই মেশিনটি ডাচ কোম্পানি ASM...
29/07/2026

ছবিতে আপনারা যে মেশিনটি দেখতে পাচ্ছেন, এটার নাম ‘এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিন’। এই মেশিনটি ডাচ কোম্পানি ASML এর তৈরী

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ কমার্স দাবি করেছে যে, ASML এর তৈরী এই মেশিনটির একটি ইউনিট চোরাই পথে চীনে পৌছেছে। যদিও ASML যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নাকচ করে দিয়েছে তবে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি নিয়ে জোড়ালো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু কেনো এই মেশিনটি এত গুরুত্বপূর্ণ.?

ডাচ ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ফিলিপস থেকে আলাদা হয়ে ১৯৮৪ সালে জন্ম নেওয়া ASML এর তৈরী এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিন, যা দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত মেমরি চিপের উপর সূক্ষ্মতম সার্কিট প্যাটার্ন প্রিন্ট করে। এর মধ্যে স্মার্টফোন, ডেটা সেন্টার এবং এআই অ্যাক্সিলারেটরে ব্যবহৃত চিপগুলোও অন্তর্ভুক্ত। বিশেষভাবে পাঁচ ন্যানোমিটার এবং তার নিচের চিপগুলো তৈরীর জন্য ASML এর মেশিনগুলোর বর্তমানে কোনো বিকল্প নেই।

ASML সাধারণত সেমিকন্ডাক্টর ওয়েফারে খুব শার্প ডিজাইনের জন্য বিখ্যাত। এটাকে বলা হয় “ন্যানোমিটার নোড”— যা সবচেয়ে বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করে। এই ধরনের সূক্ষ্ম ডিজাইন প্রিন্ট করার জন্য ASML তৈরী এই মেশিনগুলোকে হাজার হাজার ছোট বড় প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে হয়। একটা ছোট্ট ভুল হলেই সবকিছু শেষ। একাজে কম্প্রোমাইজের কোনো সুযোগ থাকে না। অ্যালাইনমেন্ট, সিঙ্ক্রোনাইজেশন, স্পিড, টেম্পারেচার বা অন্যান্য প্যারামিটারে সামান্য বিচ্যুতিও প্রোডাকশন ক্যাপাসিটি কমিয়ে দেয় এবং পুরো প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। এই সমস্ত বিষয়বস্তুই এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিনগুলোকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পণ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ASML এর মেশিনগুলো সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে হাতেগোনা কয়েকটা কারণে। এর মধ্যে একটার কথা উপরেই বলেছি- ‘সূক্ষ্ম ডিজাইন বা ন্যানোমিটার নোড’

চিপের ন্যানোমিটার নোডের প্রস্তুতিকরণ অবাক করার মত। একাজে এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিন এক ধরণের লেজার ব্যবহার করে। সেই লেজার প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০ হাজার বার টিন ড্রপলেটের উপর আঘাত করতে করতে সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়ে প্রায় চল্লিশ গুণ বেশি উত্তপ্ত প্লাজমা তৈরি করে।

এই বিপুল প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে একটি এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিনের মূল্য প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার।

তবে চীনের হাতে যদি সত্যিই মেশিনটি পৌছে থাকে, তারমানে এই নয় যে তারা রাতারাতি এর রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফেলবে। কারণ, মেশিনগুলো অ্যাক্যুমুলেটেড অপারেটিভ এক্সপেরিয়েন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ নিয়মিত এর আপগ্রেডেশন ঘটে। এর চেয়ে বড় কথা, এই মেশিন একটি ইন্টিগ্রেটেড সিস্টেম। একটি সম্পূর্ণ কার্যকরী এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট লিথোগ্রাফি মেশিন নিজে থেকে একটিও অত্যাধুনিক চিপ তৈরি করতে পারে না তাই চীন যদি স্ক্যানার প্রোটোটাইপ তৈরিও করে তবুও সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে তাকে উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হবে।

এক্সট্রিম আল্ট্রাভায়োলেট সিস্টেমকে ক্রমাগত ক্যালিব্রেট ও অ্যাডজাস্ট করতে হয়। ক্রেতা দেশ বা প্রতিষ্ঠানকে ASML এর কাছ থেকে মেশিনটির স্পেয়ার পার্টস, সফটওয়্যার আপডেট এবং মেইন্টেন্যান্সের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের উপর নির্ভর করতে হয়।

ASML বিশ্বজুড়ে তার গ্রাহকদের ফ্যাবগুলোর ভেতরে প্রায় ১০ হাজার কাস্টমার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারের একটি দল তৈরী করেছে, যারা দিনরাত বারো ঘণ্টার শিফটে কাজ করেন।

ASML এর এই মেশিন শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে হস্তান্তর করা যায় না। একজন কাস্টমার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার প্রায় এক বছর ধরে প্রশিক্ষণ নেন এবং তাইওয়ান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে অবস্থিত ASML এর সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলিতে পর্যায়ক্রমে কাজ করার পরই তিনি কোনো মেশিনে কাজ করার অনুমতি পান।

সুতরাং, চীন মেশিনটি পেয়ে গেলেও অপারেশনাল রাখতে ভালোই হিমসিম খাবে।
Rahman

29/07/2026

যার নামেই কাঁপত চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড, সেই ডেভিড ইমন এবার আইনের জালে।

দাঁড়ি-গোঁফ কেটে পরিচয় গোপন করে ভারত পালানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি—মাঝপথেই গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। এই অভিযান আবারও দেখিয়ে দিল, প্রশাসন চাইলে যতই প্রভাবশালী বা দুর্ধর্ষ হোক না কেন, যে কোনো অপরাধীকেই আইনের আওতায় আনা সম্ভব।

DRF

আপনার বন্ধু বান্ধব কাউকে কি এমন লাল আলোর মাস্ক পরে ঘুমাইতে দেখসেন?আপনি কি জানেন, এখন বাজারে লাল আলোর মাস্ক, কম্বল, ইনফ্র...
29/07/2026

আপনার বন্ধু বান্ধব কাউকে কি এমন লাল আলোর মাস্ক পরে ঘুমাইতে দেখসেন?

আপনি কি জানেন, এখন বাজারে লাল আলোর মাস্ক, কম্বল, ইনফ্রারেড সনা এবং যোগব্যায়ামের স্টুডিও পর্যন্ত পাওয়া যায়। দাবি করা হয়, এগুলো ত্বকের বয়স কমাবে, মাংসপেশির ব্যথা কমাবে এবং ঘুম ভালো করবে। আসলে কতটা সত্যি?

রেডিয়েশন আর কেমোথেরাপির কারণে ক্যানসার রোগীদের মুখের ভেতরে অনেক সময় রস ঝরা ভয়াবহ ঘা হয়। আমি জানি আপনাদের অনেকের আত্মীয় স্বজনের সাথে এমনটা হইতে আপনারা নিজ চোখেই দেখসেন।

লাল আলো দিয়া কি এই ঘা সারানো সম্ভব?

শুনতে কোনো ওয়েলনেস কোম্পানির বিজ্ঞাপনের মতো লাগতেসে, তাই না? কিন্তু লাল আলো নিয়া বিজ্ঞানীরা যেসব গবেষণা করতেসেন, সেগুলোর কিছু ফলাফল আসলেই অবাক করার মতো।

এই ঘায়ের কারণে রোগীরা ঠিকমতো খাইতে পারেন না। কারও কারও অবস্থা এত খারাপ হয় যে নল দিয়া খাবার দিতে হয়।

এখন গবেষকেরা দেখতেসেন, লাল বর্ণালির দিকে টিউন করা এলইডি রোগীর মুখের ভেতরে বসাইলে অর্ধেকের বেশি ক্ষেত্রে উপসর্গের উন্নতি হয়।

এই চিকিৎসাপদ্ধতির নাম “ফটোবায়োমডুলেশন” বা পিবিএম। এখানে লাল এবং ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার কইরে শরীরের কোষের কাজকর্মে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করা হয়।

ক্ষত দ্রুত সারানো অবশ্য এর সম্ভাব্য ব্যবহারের মাত্র একটা অংশ। চোখের ডাক্তাররা বয়সের কারণে চোখের ক্ষমতা কমে যাওয়ার চিকিৎসায় এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তনের চিকিৎসায় কিছুদিন ধরেই লাল আলো ব্যবহার করতেসেন।

এখন পিবিএম নিয়া আরও বড় বড় জায়গায় গবেষণা চলতেসে। যেমন, দুর্ঘটনাজনিত মস্তিষ্কের আঘাত, আলঝেইমার, পারকিনসন্স, এমনকি উদ্বেগ, বিষণ্নতা, মনোযোগের ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তা এবং পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেসের মতো মানসিক সমস্যাতেও এই চিকিৎসা কাজে লাগতে পারে কি না, সেইটা দেখা হইতেসে।

কিন্তু একটা আলো শরীরের ভেতরে গিয়া এত কিছু করবে ক্যামনে?

লাল এবং ইনফ্রারেড আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়। এই কারণে আলো টিস্যুর গভীরে ঢুকতে পারে। সেখানে আলোটা “সাইটোক্রোম সি অক্সিডেজ” নামে একটা প্রোটিন শোষণ করে।
এই প্রোটিন থাকে মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে। মাইটোকন্ড্রিয়াকে বলা যায় আমাদের কোষের পাওয়ার হাউস। খাবারের গ্লুকোজের শক্তিকে এটিপি নামের একটা অণুতে রূপান্তর করতে এই প্রোটিন সাহায্য করে। আর কোষের বেশির ভাগ জৈব রাসায়নিক কাজ চালানোর জ্বালানি হইলো এই এটিপি।

নাইট্রিক অক্সাইড নামের একধরনের বিক্রিয়াশীল অক্সিজেন অণু অনেক সময় সাইটোক্রোম সি অক্সিডেজকে নিষ্ক্রিয় কইরে ফেলে। লাল আলো সেই নিষ্ক্রিয় অণুগুলোকে আবার সক্রিয় করতে পারে।

এর ফলে সক্রিয় সাইটোক্রোম সি অক্সিডেজের সংখ্যা বাড়ে, এটিপি উৎপাদন বাড়ে এবং কোষ মেরামতের মতো কাজের জন্য বেশি শক্তি পায়। একই সঙ্গে কোষে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইমও বাড়ে, যেগুলো ক্ষতিকর বিক্রিয়াশীল অক্সিজেন অণুকে নিষ্ক্রিয় করে।

এইটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই ধরনের অক্সিজেন অণু শরীরের অন্যান্য জৈব অণুর ক্ষতি করতে পারে।

আমাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাইটোকন্ড্রিয়াও পুরোনো হয়। তখন ভুলবশত আরও বেশি বিক্রিয়াশীল অক্সিজেন অণু তৈরি হয় এবং বয়স্ক মানুষের শরীরে এটিপি উৎপাদন কমে যায়।
University College London-এর Institute of Ophthalmology-এর স্নায়ুবিজ্ঞানী Glen Jeffery দাবি করতেসেন, পিবিএম ব্যবহার কইরে বয়স বাড়ার এই প্রক্রিয়াটাকে কিছুটা “অ্যাডজাস্ট” করা সম্ভব হইতে পারে।

২০২০ সালে Professor Jeffery-সহ গবেষকেরা Journals of Gerontology-তে একটা প্রাথমিক গবেষণা প্রকাশ করেন। তারা দেখতে চাইসিলেন, চোখের রেটিনায় এই পদ্ধতিটা কাজ করে কি না।

রেটিনা নিয়া ওনার আগ্রহের কারণ ছিল, একজন মানুষের পুরো জীবনে সেখানে এটিপির পরিমাণ প্রায় ৭০% কমে যায়।

গবেষণায় দেখা যায়, ৪০ বছরের বেশি বয়সী স্বেচ্ছাসেবীদের রঙের পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা গড়ে ২০% উন্নত হইসে। কিন্তু এই ফলাফলকে ক্লিনিকের নিয়মিত চিকিৎসায় পরিণত করার আগে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

Professor Jeffery আরেকটা গবেষণায় অংশ নেন, যেইটা ২০২৪ সালে Journal of Biophotonics-এ প্রকাশিত হয়। সেখানে গবেষকেরা দেখতে চেয়েছেন, লাল আলো রক্তে গ্লুকোজ হঠাৎ বাইড়া যাওয়ার হার কমাতে পারে কি না।

অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে চিনিযুক্ত পানীয় পান করেন। তাদের অর্ধেকের পিঠে ১৫ মিনিট লাল আলো দেওয়া হয়, যাতে তারা চোখে দেখে বুঝতে না পারেন যে আসলে কী চিকিৎসা দেওয়া হইতেসে। বাকিদের কোনো আলো ছাড়াই নকল চিকিৎসা দেওয়া হয়।

যাদের লাল আলো দেওয়া হইসিলো, তাদের রক্তে গ্লুকোজের সর্বোচ্চ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ দলের তুলনায় ৭.৫% কম ছিল।

অংশগ্রহণকারীদের কেউ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন না। তারপরও ফলাফলটা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতির কোনো ব্যবহার থাকতে পারে।

দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া রোগীদের চিকিৎসাতেও লাল আলো ব্যবহার করার চেষ্টা চলতেসে।

University of Birmingham-এর নিউরোসার্জন David James Davies এবং তার সহকর্মীরা সিলিকনের মধ্যে এলইডি বসাইয়া একটা যন্ত্র তৈরি করতেসেন। ভবিষ্যতে রোগীর শরীরে এই যন্ত্র প্রতিস্থাপন করার পরিকল্পনা আছে। প্রযুক্তিটার পেটেন্টের জন্যও তারা আবেদন করসেন।

বর্তমানে দুর্ঘটনায় মারাত্মক মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডের আঘাত পাইলে ডাক্তারদের হাতে খুব বেশি বিকল্প থাকে না। আহত জায়গায় চাপ কমানোর জন্য অনেক সময় অস্ত্রোপচার কইরে মাথার খুলি বা মেরুদণ্ডের কিছু অংশ সরাইতে হয়।

Mr Davies-এর কাছে লাল আলোর চিকিৎসা নতুন একটা সম্ভাবনা। তবে যন্ত্রটা এখনো মানুষের শরীরে ব্যবহারের পর্যায় থেইকা অনেক দূরে। শিগগিরই শূকরের ওপর পরীক্ষা করা হবে।

ধারণাটা হইলো, দুর্ঘটনার পরে কয়েক দিন ধইরে মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডে কোষ মৃত্যুর একটা ঢেউ চলে। সরাসরি মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডে অল্প সময়ের জন্য লাল আলো দিলে এই কোষ মৃত্যুর গতি কমানো সম্ভব হইতে পারে।

আলোটা স্নায়ুকোষের বিপাকীয় কার্যক্রম স্থিতিশীল করতে পারে। একই সঙ্গে মাইটোকন্ড্রিয়া থেইকা এমন সংকেত বাড়াইতে পারে, যেগুলো পরে জিনকে কোষের বৃদ্ধি এবং মেরামতে সাহায্য করতে বলে।

Mr Davies-এর মতে, কোষের কালচার এবং ইঁদুরের ওপর চালানো পরীক্ষায় কোষের মৃত্যু ২০% বা তার বেশি কমতে দেখা গেছে।

এই ২০% শুনতে হয়তো খুব বেশি মনে হইতেসে না। কিন্তু Mr Davies বলতেসেন, বাস্তবে এই পার্থক্যের অর্থ হইতে পারে, একজন মানুষকে সারা জীবন হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হবে, নাকি তিনি লাঠি ভর দিয়া হাঁটতে পারবেন।

মস্তিষ্কের অন্যান্য রোগেও পিবিএম কাজে লাগতে পারে বলে আশা করা হইতেসে। পারকিনসন্স এবং আলঝেইমার, দুইটার সঙ্গেই অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের সম্পর্ক আছে। লাল আলো এই চাপ কমাতে পারলে, প্রচলিত ওষুধে যাদের কাজ হয় না, তাদের কিছুটা উপকার হইতে পারে। তবে এই গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

অস্ত্রোপচারের পর রোগীর ব্যথা কমানো এবং ক্ষত দ্রুত সারানোর ক্ষেত্রেও লাল আলো সহায়ক হইতে পারে। ফিজিওথেরাপিতে পিবিএম প্রদাহ কমায় এবং রক্ত চলাচল বাড়ায়। এর ফলে টেন্ডন, মাংসপেশি এবং গাঁটের আঘাতের ব্যথা কমতে পারে।

Professor Jeffery বলতেসেন, লাল আলোর জৈবিক উপকার আছে শুনে আমাদের খুব বেশি অবাক হওয়ার কথা না। মানুষ সূর্যের আলোর নিচেই বিবর্তিত হইসে।

কিন্তু আধুনিক জীবন আমাদের শরীর যেই ধরনের আলো পায়, সেইটা বদলাইয়া দিসে। জানালার কাচ অনেক সময় ইনফ্রারেড আলো আটকে দেয়। আবার অফিসের এলইডি বাতিতে তুলনামূলক বেশি নীল আলো থাকে।

Professor Jeffery মনে করেন, এর স্বাস্থ্যগত প্রভাব থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই প্রভাব কত দূর পর্যন্ত যায়, বিজ্ঞানীরা এখনো জানেন না।

আর বিজ্ঞান যেইখানে “হইতে পারে” বলতেসে, ওয়েলনেস ইন্ডাস্ট্রি সেইখানে ইতিমধ্যেই “অবশ্যই কাজ করে” টাইপ ব্যবসা শুরু কইরে দিসে।

এখন বাজারে লাল আলোর মাস্ক, কম্বল, ইনফ্রারেড সনা এবং যোগব্যায়ামের স্টুডিও পর্যন্ত পাওয়া যায়। দাবি করা হয়, এগুলো ত্বক তরুণ করবে, মাংসপেশির ব্যথা কমাবে এবং ঘুম ভালো করবে।
এর মধ্যে কিছু জিনিস আসলেই কাজ করতে পারে।

কিন্তু সমস্যা দুইটা।

প্রথমত, বাণিজ্যিক স্বার্থের কারণে অনেক গবেষণার ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হইসে। অনেক গবেষণায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা খুবই কম ছিল, আবার যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ দলও ব্যবহার করা হয় নাই।

দ্বিতীয়ত, এই চিকিৎসাগুলোর অনেকগুলোতেই সঠিক ডোজের দিকে মনোযোগ দেওয়া হয় না।
আলোর উৎস শরীর থেইকা কত দূরে, ঠিক কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য ব্যবহার করা হচ্ছে, যন্ত্রটা কত ভোল্টেজে চলছে এবং কতক্ষণ আলো দেওয়া হচ্ছে, সবকিছুই ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হইলো, বেশি সময় লাল আলোর নিচে থাকলেই বেশি উপকার হবে, বিষয়টা এমন না।

অতিরিক্ত আলো কোষের বিপাকীয় কার্যক্রমে একধরনের “ট্রাফিক জ্যাম” তৈরি করতে পারে। তখন উল্টো এটিপি উৎপাদন কমে যাইতে পারে।

তাই সুস্থ মানুষের জন্য Professor Jeffery-এর পরামর্শ বেশ মজার। উনি বলতেসেন, একটা কুকুর কিনেন। তাইলে দিনে কয়েকবার অন্তত ২০ মিনিট কইরে বাইরে যাইতে হবে, আর শরীরের যতটুকু লাল আলো দরকার, সেইটা সূর্যের আলো থেইকাই পায়া যাবেন।

কাজেই লাল আলোর চিকিৎসা একেবারে ভুয়া কিছু না। এর পেছনে বাস্তব বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া এবং আশাব্যঞ্জক গবেষণা আছে। কিন্তু বাজারে যেই সব যন্ত্র বিক্রি হইতেসে, তার প্রত্যেকটা একইভাবে কাজ করবে, এইটা ধইরা নেওয়ার কোনো কারণ নাই।

লাল আলো কাজে লাগতে পারে। কিন্তু ঠিক কোন রোগে, কতটুকু আলো, কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে এবং কতক্ষণ ব্যবহার করতে হবে, সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর না জাইনা নিজের শরীরকে ওয়েলনেস কোম্পানির পরীক্ষাগার বানানো ঠিক হবে না।

তথ্যসূত্র: “The surprising benefits of red light”, The Economist, London, Vol. 460, Iss. 9509, 25 July 2026, pp. 71-72.
Chowdhury

মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দেয়াল ধসে নি'হত ২, আ'হত ৮
28/07/2026

মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দেয়াল ধসে নি'হত ২, আ'হত ৮

At least two people were killed and eight others were injured after the boundary wall of Mirpur University College colla...
28/07/2026

At least two people were killed and eight others were injured after the boundary wall of Mirpur University College collapsed onto a queue of people waiting to buy subsidized products from the Trading Corporation of Bangladesh (TCB) in the capital's Mirpur on Tuesday afternoon.
The incident occurred at around 1:30 p.m., when a large section of the college's boundary wall suddenly gave way, crushing several people standing in line beside the wall.
Police said the injured were rescued immediately and taken to different hospitals for treatment. Many of the victims suffered severe injuries, including crushed limbs and facial injuries.
https://shorturl.at/Y6gee

মিরপুরে টিসিবির লাইনে দাঁড়িয়ে দেয়াল চাপায় নি'হ'ত ২

সামনের যে ছেলেটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত, ওর নাম তাহসিন।মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় তাহসিন হ...
28/07/2026

সামনের যে ছেলেটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত, ওর নাম তাহসিন।

মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় তাহসিন হারিয়েছে তার বড় বোন তাসনিয়াকে।

তাহসিনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল একটি হিলিং সেশনে। সেদিন কাঁদতে কাঁদতে ও বলেছিল সেই দিনের কথা। তাহসিন তখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত, তাসনিয়া ছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তারা ছিল স্কুলের দুটি ভিন্ন ভবনে, দুটি আলাদা শ্রেণিকক্ষে।
যুদ্ধবিমানটি আছড়ে পড়ে তাসনিয়ার ভবনে। বিস্ফোরণের পর তাহসিন প্রাণপণে খেলার মাঠ পেরিয়ে বোনকে খুঁজতে ছুটে যায়। অপরিচিত ব্যক্তির কাছে শুনে ছোট্ট হাতে স্যালাইন আর পানি জোগাড় করে দাঁড়িয়ে থাকে এই বিশ্বাসে সে হয়তো বোনকে বাঁচাতে পারবে।

হিলিং প্রোগ্রামের এক আর্ট থেরাপি সেশনে সবাইকে তাদের প্রিয় মানুষকে চিঠি লিখতে বলা হলে তাহসিন বাংলিশে লিখেছিল—

"Amar kosto onek. Ami amar priyo bonke hariye felechi. She mara geche. Oke ami onek onek miss kori. O amar best friend. Oke ami hariye felechi..."

সেই চিঠি দেখে তাহসিনের সাথে সাথে সেদিন আমরা সবাই কেঁদেছি। এরপর চিঠিটি কাগজের নৌকা বানিয়ে পানিতে ভাসিয়ে দেয় তাহসিন। (চিঠির ফোনে তোলা একটি ছবি কমেন্ট বক্সে)

কয়েক দিন আগেও মাইলস্টোনে তাহসিনের সঙ্গে আমার দেখা। বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রথমেই আমি ওকে খুঁজেছিলাম।
শান্ত তাহসিন। শান্ত দুটি চোখ।
হয়তো ও হাসে, বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে, বাসায় কোনো মজার কার্টুন দেখে, কিংবা বাবা-মায়ের সঙ্গে খাবার টেবিলে। কিন্তু আমি কখনও সেই হাসিটা দেখিনি। আমার মনে পড়ে শুধু সেই ছোট্ট হাত দুটো, আর মনে পড়ে বোনকে লেখা সেই চিঠির কথা।

আজ তাহসিনকে হাসতে দেখে হঠাৎ করেই আমার পৃথিবীটা হেসে উঠলো।
পৃথিবীর সকল শিশু হাসুক, বাঁচুক নিরাপদে!

Jannat Ferdous Lucky

27/07/2026

Customers Angry Reaction On the Insurance Company Goes Viral

নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যা...
26/07/2026

নরমালি সুইসাইড করা লোকজনের প্রতি কোনো sympathy/empathy কাজ করে না আমার।কিন্তু গতকাল আমার ডিপার্টমেন্টের(বুয়েট মেকানিক্যাল) ইমিডিয়েট জুনিয়র সুইসাইড করলো, এই ঘটনা আমি নিজে ফিল করতে পারতেছি। যদিও ওর সাথে সরাসরি পরিচয় ছিল না কিন্তু সে কোন ধরনের মেন্টাল সিচুয়েশনের মধ্যে দিয়ে গেছে এটা ফিল করতে পারতেছি।

BUET কে অনেকে Land of Living বলে কিন্তু আমার কাছে এটা Land of Depressed Souls।বেশিরভাগ ছেলেপেলের চোখেমুখে হতাশা খেয়াল করলেই বুঝা যায়।ফাস্ট ইয়ারের ছেলেদের চোখেমুখে যে আনন্দ থাকে তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না।

এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে বের হতে পারেনি।খুব বেশি বাকি ছিল এমনও না। ১/২ টার্ম আরেকটু ধৈর্য ধরলেই হয়তো হয়ে যেত।বুয়েটে যারা একবার পিছিয়ে পড়ে তাদের জন্য বুয়েট লিটারেলি একটা জাহান্নাম।একটা পরীক্ষা না দিতে পারলে / ল্যাগ খাইলে সেটা আবার এক্সাম দিলে ৪ এর মধ্যে ৩ এর বেশি পাওয়ার অপশন নাই।
এই ছেলেটা ব্যাচের সাথে থিসিসও নিতে পারেনি।থিসিস নেওয়ার জন্য মিনিমাম ক্রেডিট বেশ কিছু ডিপার্টমেন্টে কয়েক ক্রেডিট কম থাকলেও কন্সিডার করে কিন্তু মেকানিক্যালে ০.২৫ ক্রেডিট কম থাকলেও দেয়নি এমনও শুনেছি।ব্যাচের সাথে থিসিস না পেলে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পার্টনার ছাড়া একা থিসিস করতে হয়।কোনো স্যার ল্যাগারদের প্রতি কোনো সিম্প্যাথী দেখায় না। পদে পদে অপদস্ত হওয়ার সব বন্দোবস্ত বুয়েট করে রাখছে।

মেন্টালি স্ট্রং না থাকলে এই ফেইজ পার করে পাশ করে বের হওয়া বেশ কঠিন।জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতে যাদের হয় তারা কি রকম মেন্টাল কন্ডিশনের মধ্যে দিয়ে যায় তা সরাসরি এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও ফিল করতে পারি।এই সিচুয়েশনে যারা পড়ে তাদের সেল্ফ কনফিডেন্স পুরো ধ্বংস হয়ে যায়।এমন না যে তারা স্টুডেন্ট হিসেবে খারাপ কিন্ত নিজের প্রতি কনফিডেন্স ধ্বংস হয়ে গেলে সেই মানুষের বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়।বুয়েটে চান্স পাওয়া প্রায় সবার উপরই পরিবারের এক্সপেকটেশন অনেক হাই থাকে।ফলে এই সিচুয়েশনে পরিবারের কারো সাথেও সে নিজের দুঃখ-কষ্ট শেয়ার করতে পারে না।

এই সিচুয়েশনে ফেস করা স্টুডেন্টের সংখ্যা টেন পার্সেন্টও হবে না হয়তো। বুয়েটের টিচাররা সবাই ডিপার্টমেন্টের টপার ছিল।তাই তারাও এই ক্যাটাগরির স্টুডেন্টদের সাফারিংস ফিল করতে পারে না।আল্টিমেটলি যখন বন্ধুবান্ধবরা হল থেকে বের হয়ে যায় সবাই, ফ্যামিলির সামনে দেওয়ার মত কোনো সদুত্তর থাকে না, টিচারদের থেকেও কোনো মেন্টাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না তখন যারা একটু ইন্ট্রোভার্ট তাদের দুনিয়া একদম সংকীর্ণ হয়ে আসে। বুয়েটে যারা আসে তাদের প্রায় সবারই জীবনে কখনো ফেইলুর হ্যান্ডেল করার এক্সপেরিয়েন্স থাকে না।ইন্টার পর্যন্ত সব কাপায় এসে বুয়েটে ভর্তি হয়ে যখন পিছায়ে যায় তখন যেই সাইকোলজিক্যাল ট্রমার লুপে একবার আটকে যায়, তার জন্য সেখান থেকে নিস্তার পাওয়া বেশ দূরূহ।

ছেলেটা প্র্যাকটিসিং না এমনও না, সে সুইসাইড করার আফটার ইফেক্ট ভালোভাবেই জানতো কিন্তু এত রাজ্যের হতাশায় হয়তো নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি।

সুইসাইড করা কাপুরুষের কাজ।জীবনে পিছায় পড়লে আবার লড়াই করে ঘুড়ে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখতে হবে।জুনিয়রদের প্রতি অনুরোধ কারোর যদি এমন চিন্তাভাবনা মাথায় আসে ক্লোজ সিনিয়রদের সাথে একটু বসিস।গল্প করিস দেখবি হালকা হয়ে যাবি।আমাকেও নক দিতে পারিস যেকোনো সময়।বুয়েটে গিয়ে একসাথে চা খেতে খেতে গল্প করে আসবো।হয়তো কিছু সুপরামর্শও দিতে পারবো।

Sheikh Asif Ahmed

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Bayline Journal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share