The Bayline Journal

The Bayline Journal Trends. News. Entertainment. Every Day!

শেখ ফরিদ হোসেন। উত্তরার স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি। উনারা মনে হয় বলেন ঢাকা উত্তর। এই লোকই দিয়াবাড়ি হাটের ইজারা নিয়েছেন ১৪ ...
28/05/2026

শেখ ফরিদ হোসেন। উত্তরার স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি। উনারা মনে হয় বলেন ঢাকা উত্তর।

এই লোকই দিয়াবাড়ি হাটের ইজারা নিয়েছেন ১৪ কোটি টাকা দিয়ে৷ হাটের কয়েকদিন আগে ঐ এলাকায় গিয়েছিলাম। দেখি উনি তদারকি করছেন। আমার পরিচিত একজন উনার সাথে পরিচিত। আলাপ করে বললেন ১০ কোটি টাকার বেশি নাকি বাজেট ছিলোনা উনার; জুনিয়ররা নিবে দেখে নাকি ১৪ কোটিতে নিয়ে রিস্ক নিয়েছেন। তা ভাই রিস্ক পোষাতে এই আকাম করবেন?

উনার ইজারার এলাকার বাইরেও অনেক খোলা জায়গা। গরু বেড়ে গেলে চাইলে ওখানেও হাটের বিস্তৃতি ঘটাতে পারতেন। তাতে বাঁশ টাশ প্যান্ডেল লাগাতে হতো আবার। উনি দেখলেন বাঁশ টাশ প্যান্ডেল গেড়ে টাকা নষ্ট করার কি দরকার? মেট্রো স্টেশনে যারা বসে বসুক না। আমার তো লাভই! এই হইলো একজন নেতার দেশের প্রতি কমিটমেন্ট। আবার মিডিয়ার সামনে মিথ্যা বললেন মেট্রোরেল স্টেশনও নাকি তার ওয়ার্ক অর্ডার এরিয়ায় পড়ে৷

ভেবেছিলাম দলের সুনামহানীর জন্য শৃঙ্খলাভঙ্গকারী হিসেবে একটা শাস্তি হলেও দেখবো৷ উল্টো আজকে মন্ত্রী এসে উনার সাফাই গাইলেন।

দেখেন ডিভাইডারের বাগানগুলোর কি অবস্থা করেছে। রোডের সাইড ওয়ালগুলো ভেঙ্গে ফেলেছে৷ মেট্রোর ফেন্স ক্ষতিগ্রস্থ৷ আর গু গোবরে সয়লাবে জনদূর্ভোগ তো বাদই দিলাম৷

যেহেতু আইনের বাইরে সে, তার দলও তার বিচার করবে না সেহেতু অন্তত পাবলিক শেমিং হলেও তারে করে গেলাম৷ ছি ছি ভাই ফরিদ হোসেন ভাই৷ আপনিও নাকি নেতা! লজ্জা লজ্জা!
Apu Nazrul

আমার মা তার সম্পূর্ণ ভালো একটা পা হারিয়েছিলো এই আদ্-দীন হাসপাতালের ভুল চিকিৎসার জন্য। সময়টা ২০১৫ সাল। পিত্তথলির পাথর এবং...
28/05/2026

আমার মা তার সম্পূর্ণ ভালো একটা পা হারিয়েছিলো এই আদ্-দীন হাসপাতালের ভুল চিকিৎসার জন্য।
সময়টা ২০১৫ সাল। পিত্তথলির পাথর এবং জরায়ুর টিউমার অপারেশনের জন্য আমার মা কে ভর্তি করানো হয়েছিলো এই হাসপাতালে। তারা জরায়ুর অপারেশন করতে গিয়ে ভুলে বাম পায়ের রগ কেটে ফেলে। আমার মা সারারাত সারাদিন যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে কিন্তু ডাক্তাররা তারপরেও তাদের ভুল স্বীকার করে আমাদের কিছুই জানায়নি। রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে হাটু পর্যন্ত কালো হতে থাকে।
অবস্থার অবনতি দেখে তারা কোনো দায় না নিয়ে আমার মা কে রিলিজ করে দেয় মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে। সেখান থেকে ট্রান্সফার করে আগারগাঁও হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে আবার বাম পায়ের রগের অপারেশন করা হয়। অবস্থার কোনো উন্নতি না হয়ে বাম পা একেবারে কালো হয়ে যায়।
পরে মহাখালী মেট্রপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ডাক্তার বলে অনেক দেরি করে ফেলেছেন। বাম পা হাটু বরাবর কেটে ফেলতে হবে। আবার অপারেশন করে পা কেটে ফেলা হয়।
মাত্র একমাসের মধ্যে বড় বড় তিনটা অপারেশন করে এবং অনেক হাই পাওয়ারের মেডিসিন খেয়ে আমার মা শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ে। এবং আমার গরীব অসহায় বাবা জায়গা জমি বিক্রি করে একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে।
আমার মা সারাজীবন কষ্ট করেছেন আমাদের মানুষ করার জন্য।আমরা মানুষ হয়েছি। আমরা বড় হয়েছি। কিন্তু আমার সেই অসহায় মা আমাদের মাঝে আর নাই। তোমার জন্য কিছুই করতে পারি নাই মা। তুমি আমাকে ক্ষমা করো।
ক্ষমতার কাছে অসহায় হয়ে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে আমরা আমাদের নিয়তি মেনে নিয়েছি।

krystal mart Bangladesh

আজ বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ঘটনা যুক্ত হয়েছে। বিরল ‘অ্যালবিনো’ প্রজাতির একটি ...
28/05/2026

আজ বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ঘটনা যুক্ত হয়েছে। বিরল ‘অ্যালবিনো’ প্রজাতির একটি মহিষ ইতোমধ্যে ঢাকার মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় সংরক্ষণের জন্য আনা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মহিষটির শরীরে ‘মেলানিন’ নামক রঞ্জক পদার্থের স্বল্পতার কারণে এমন গোলাপি বর্ণের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। পৃথিবীব্যাপী এ ধরনের প্রাণী অত্যন্ত বিরল। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ১০ হাজার মহিষের মধ্যে মাত্র একটি এ ধরনের অ্যালবিনো বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নিতে পারে। ফলে এটি শুধু একটি বিরল প্রাণীই নয়, বরং গবেষণা, সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

প্রাণীটিকে নিরাপদভাবে সংরক্ষণ ও সঠিক পরিচর্যার জন্য ঢাকার মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মহিষটির জন্য বড় শেড প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও পরিচর্যার বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছি।

আমি বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও অবগত করেছি। তিনি এ ধরনের বিরল প্রাণী সংরক্ষণের উদ্যোগকে গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশনা দিয়েছেন এবং দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এছাড়া, মহিষটির ক্রেতা মনিরুজ্জামানকে তার পশুর ন্যায্য মূল্য প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি কোরবানির জন্য বিকল্প গরুরও ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে তিনি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ, প্রাণিসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস, বিরল এই অ্যালবিনো মহিষ শুধু দেশের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুই হবে না, ভবিষ্যৎ গবেষণা ও সংরক্ষণ কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মানুষ, প্রকৃতি ও প্রাণিসম্পদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।

Sultan Mahmud Tuku ফেসবুক প্রফাইল থেকে টেক্সট নেয়া
ছবি : এআই

এইযে হেসে হেসে কথা বলতেছে। সে একজন ফকিন্নি।টিকিট কাটার সময় পায় নাই এজন্য সে অন্যের কেনা সিটে বসে ঈদ করতে গ্রামে যাচ্ছে।দ...
28/05/2026

এইযে হেসে হেসে কথা বলতেছে। সে একজন ফকিন্নি।
টিকিট কাটার সময় পায় নাই এজন্য সে অন্যের কেনা সিটে বসে ঈদ করতে গ্রামে যাচ্ছে।
দেখতে যতোই স্মার্ট হোক। কথায় কথায় ইংরেজিতে বলুক সে আসলে একটা ফকিন্নি আর এটাই সত্য।
@জাকিয়া হোসেইন তৃষা

অদ্ভুত একটা দেশে বাস করি।ভেতরের লোকটা যেই সিটে বসে আছে, ওই সিটের টিকেট কাটসে বাইরে যে দাঁড়িয়ে,সে।বাইরের লোকটা গেইট দিয়ে ...
28/05/2026

অদ্ভুত একটা দেশে বাস করি।
ভেতরের লোকটা যেই সিটে বসে আছে, ওই সিটের টিকেট কাটসে বাইরে যে দাঁড়িয়ে,সে।
বাইরের লোকটা গেইট দিয়ে উঠতে পারতেছে না দেখে কতবার যে ভেতরের লোককে জানালা খুকতে বললো হিসাব নাই।
অথচ ভিতরে বসা লোকটা একবার তাকিয়ে আর তাকাচ্ছে না।বাইরের লোকটা জানালায় ধাক্কা দিয়ে জানালা ভেঙ্গে ফেলার উপক্রম,তবুও ভেতরের লোক না শোনার ভান ধরে বসে আছে!

অথচ,সিট টা ভাইরের লোকটার।
ভেতরের লোকটা জানে যে ভীড় ঠেলে এই লোক ভিতরে ঢুকতে পারবে না,তাই নির্লজ্জ বেহায়ার মতো সিট দখল করেই বসে আছে!

কি পরিমাণ নীচু আর বেহায়ার মতো কাজ ভাবতে পারবন!

আরেক লোক দেখলাম ৮ টা টিকেট কাটছেন।কিন্তু তার সিটে অন্য লোকজন দিব্বি বসে আছে।কেউ জানালা পর্যন্ত খুলতেছে না!

আমরা সবাই দেশের উন্নয়ন না হওয়ার পিছে বারবার সরকার,প্রশাসন এদের দোষ দেই।
বাস্তবতা হইলো,জাতি হিসেবে আমরা নিজেরাই মারাত্মক ছোটলোক আর বেহায়া।তাই আমাদের উন্নয়ন এর "উ' ও হয় না,হবেও না।
Khan Fahim

27/05/2026

আদ দ্বীন হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ১৫টির মতো শিশু ছিলো। সুস্থ সবল সদ্য জন্ম নেওয়া ০-২দিনের শিশু। এদেরকে অনেককেই আজ বা কাল রিলিজ করার কথা ছিলো।

অভিভাবকদের ভাষ্যমতে, রাত ১২টার পর থেকেই প্রতিটি শিশুই প্রচণ্ড কান্না করতে থাকে। থামছিলোই না। পাশাপাশি শিশুদের মায়েরাও অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুরো ওয়ার্ড জুড়ে কান্নাকাটি শুরু হয়ে যায়। একেরপর এক শিশু বমি করা শুরু করে। এসময় ওয়ার্ডে নাকি নার্সদেরকে পাওয়া যায়নি। তাঁরা ওয়ার্ডের বাইরে নিশ্চিন্তে মোবাইল টিপছিলো।

যেহেতু এই হাসপাতালে রাতের বেলা রোগীর পুরুষ স্বজনদেরকে কেবিনে এলাউ করে না। তাই দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা এই নারীগুলো ঠিক কী করবে বুঝতে পারছিলো না।

এভাবেই ছটফট করতে থাকা শিশুগুলো ওয়ার্ডেই ছিলো। নার্সরা নিজ গরজে শিশুদেরকে আইসিউতে নেয়নি। বাচ্চাগুলো শরীর ছেড়ে দেয়। পুরুষ স্বজনেরা চলে এলে নিজ নিজ বাচ্চাদেরকে নিয়ে আইসিউতে ছুটে গেলে এবং ভোরের দিকে একের পর এক শিশু মারা যায়।

এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৫জন শিশুর মৃত্যু কনফার্ম করেছেন। কিন্তু রোগীর স্বজনদের মতে ১২টি শিশু মারা গিয়েছে। তারা অনুমান করছে রুমে গ্যাস লিকেজ বা বায়ূ দূষিত কিছু একটা ঘটেছে। সেটা তদন্ত করলেই জানা যাবে।

২০২১ সালে মগবাজার আদ দ্বীনে আমার মেয়ে জন্ম নিয়েছিলো। সেদিন একটি পোস্ট করে বলেছিলাম, আমার শত্রুও যেন মগবাজার আদ দ্বীন হাসপাতালে বাচ্চা ডেলিভারির জন্য না যায়।

৯৯.৯৯% মহিলা স্ট্যাফ দ্বারা পরিচালিত এই অসভ্য হাসপাতালের স্যাটা ভেঙ্গে যদি সভ্য না করেন। আইনের আওতায় না আনেন, জেলের ভাত না খাওয়ান। তাহলে এমন ঘটনা সামনেও ঘটবে।
@অন্তর মাশঊদ

টাকা দিয়ে কি সুখ কেনা যায়?বাম পাশের মানুষটি প্রয়াত লতিফুর রহমান। তিনি ট্রান্সকম গ্রুপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন, য...
27/05/2026

টাকা দিয়ে কি সুখ কেনা যায়?

বাম পাশের মানুষটি প্রয়াত লতিফুর রহমান। তিনি ট্রান্সকম গ্রুপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন, যা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। তিনি বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি সংবাদপত্র—দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার-এর মূল প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক ছিলেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফুড চেইন পিৎজা হাট, কেএফসি এবং কোমল পানীয় পেপসি ও ফিলিপসের ফ্র্যাঞ্চাইজি চালু হয়। ২০১২ সালে ব্যবসায়িক সততা ও নৈতিকতার জন্য তিনি বিশ্বখ্যাত ‘ওসলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। যা ব্যবসায়ের অস্কার নামে পরিচিত।

মাঝের জন - প্রয়াত ফারাজ আইয়াজ হোসেন ছিলেন লতিফুর রহমানের নাতি যিনি ২০১৬ সালের ১ জুলাই ঢাকার গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জ*ঙ্গি হামলায় নি*হত হন।

ডানের জনকে সবাই চেনেন - প্রয়াত শাজনীন তাসনিম রহমান প্রয়াত লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে। ১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল ঢাকার গুলশানে নিজ বাড়িতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি এক নৃ*শংস অপরাধের শিকার হয়ে মৃ*ত্যুবরণ করেন। তৎকালীন সময়ে এই ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। মূলত তাকে নিয়ে ইদানীং অনেকেই লিখছেন, আপনারা জানেন তাই ডিটেইলস এ গেলাম না।

লতিফুর রহমান - বাংলাদেশের বিজনেস টাইকুন। তার টোটাল সম্পত্তির বর্তমান হিসাবে না যাই। এত অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়া অবস্থায় তাকে তার কন্যার এমন মৃ*ত্যুর মুখোমুখি হতে হয় তা কোন বাবাই চাইবেন না। ১৯ বছর ধরে তিনি ন্যায় বিচারের জন্য আদালতের দারস্থ ছিলেন। শেষ পর্যন্ত যে বিচার‍টা হলো তাতে তিনি সন্তুষ্ট নিশ্চয়ই ছিলেন না। সন্তান হারানো বাবাকে আসলে কোন কিছু দিয়ে সন্তুষ্ট করা যায় কি? কন্যার এমন পরিণতির পর এই অর্থ সম্পদ কি তাকে সুখ দিতে পেরেছিলো?

আদরের নাতী ফারাজকেও হামলায় প্রা*ণ দিতে হলো। একটা মানুষ যার চারিদিকে সফলতা, অর্থের ছড়াছড়ি। বেঁচে থাকতে থাকতে আল্লাহ তাকে দুইটা নি*র্মমতার সাক্ষী করে দিলেন। আল্লাহ তাকে অনেক কিছু যেমন দিয়েছেন - তেমন সবচেয়ে মুল্যবান কিছু কেড়েও নিলেন।

কন্যার মৃ*ত্যুর পর আরো ২২ বছর এবং নাতীর মৃ*ত্যুর পর আরো ৪ বছর বেঁচে ছিলেন। আমি ভাবি, এই বেঁচে থাকাটা তার জন্য কেমন ছিলো। তার টাকা কি তাকে সুখি রেখেছিলো?

জীবনের শেষ কালে ঢাকার আলিশান বাড়ি ছেড়ে কুমিল্লায় তার পৈত্রিক বাড়িতে ছিলেন এবং নিরবে নিভৃতে ফারাজের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীর দিন নিজেও চলে গেলেন। রেখে গেলেন ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ। যা নিয়ে কাড়াকাড়িতে পরবর্তীতে তার ছেলে মেয়েরা ভাই বোনের সম্পর্ক ভুলে আদালত পর্যন্ত গিয়েছে। একমাত্র ছেলে ছিলো ডিভোর্সি ও নি:সন্তান। তার লা*শ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খু*ন করা হয়েছে অভিযোগ তুলে ছোট বোন বড় বোনের নামে হ*ত্যা মামলা করেছিলো। ব্যাপারটা এমন দিকে গড়ায় যে ভাইয়ের লা*শ কবর থেকে তুলে ফেলার পর্যায়ে চলে যায়। সব কিছুর পেছনের কারণ এই অর্থ সম্পদের ভাগাভাগি।

লতিফুর রহমান কি এতসব অর্থ সম্পদ গড়েছিলেন এসবের জন্য? নাকি সুখের জন্য?

এত এত অর্থের মালিক - কত আয়েশি জীবন। এদেরকে দেখে আমরা সাধারণ মানুষ টাকার পেছনে ছুটি। লাক্সারি লাইফ আমাদের স্বপ্ন হয়ে উঠে। poor but happy নাকি rich but sad দুইটার মধ্যে একটা চুজ করতে দিলে আমরা হাসতে হাসতে rich+sad চুজ করি। কাঁদলে টাকার গাট্টির উপর বসে কাঁদবো এমন ই একটা চিন্তা।

তবে লতিফুর রহমানকে আল্লাহ যদি আরেকটা চান্স দিয়ে বলতেন দুইটার মধ্যে একটা লাইফ চুজ করো। তাহলে উনি হয়ত বলতেন poor but happy. কারণ টাকা দিয়ে তো তিনি সুখ পান নাই...

সুখ কোন পন্য না, যেটা আপনি টাকা দিয়ে কিনবেন। এটা সৃষ্টিকর্তার এমন দান যা একটা রাস্তার পাগলের মনে থাকে কিন্তু কোনো একজন ধনীর পুরো জীবনেও থাকে না।
©আয়শা রুবাইয়াত শশী

তথ্যসূত্র : চ্যাটজিপিটি / ইন্টারনেট

এই নারী মিথ‍্যাবাদী, তার বিরুদ্ধে যৌণ নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা ছিল, ইঞ্জিনিয়ার আবুল খায়ের এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নির্দোষ।...
26/05/2026

এই নারী মিথ‍্যাবাদী, তার বিরুদ্ধে যৌণ নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা ছিল, ইঞ্জিনিয়ার আবুল খায়ের এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নির্দোষ।

ঘটনা কুমিল্লার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের, সেখানে কর্মরত এই নারী তার বিরুদ্ধে তার স‍্যার আবুল খা‍য়েরের বিরুদ্ধে যৌণ নিপিড়নের অভিযোগে এনেছিল, সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল, সবাই আবুল খায়েরকে গালাগাল করছিল, তার সম্মানহানি করেছিল।

কিন্তু আসল ঘটনা ভিন্ন।

বিষয়টি হচ্ছে, অধিদপ্তরের একটি টেন্ডার পাশ হয়েছিল কয়েকদিন আগে, এই নারী কর্মকর্তাটি তার প্রকৌশলী স‍্যারের কক্ষে যেয়ে সেই লিস্ট স‍্যারের কাছে চেয়েছিল, কিন্তু তিনি দেন নি। তিনি বলেছিলেন এটা আপনার নেয়ার বা দেখার এখতিয়ার নেই। এই বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল, উচ্চ বাচ‍্যও হয়েছিল। সেখানে আরো লোকজনও ছিল।

এরপর মেয়েটি রুম থেকে বের হয়ে যায়

রুমের বাইরে থেকে বেশ জোরে শোরে চিৎকার করে কথা বলতে থাকে

কিছুক্ষণ পর সে তার স্বামী, ভাই ও আরো কিছু আত্মীয় স্বজন ডেকে অফিসে নিয়ে আসে, এবং সেই যৌণ নির্যাতনের অভিযোগ আনে। তাদেরই একজন ভিডিও করে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় এবং মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

এখন সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, প্রকৌশলীর অফিস থেকে সে ঝগড়া করতে করতে বের হয় এবং অফিসের দরজায় দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক ভাবে চিত্কার চেঁচামেচি করে কথা বলছে, আঙুল উঁচু করে স‍্যারকে শাশাচ্ছে। এখানে যৌণ নির্যাতনের কোন বিষয় তার কথায় ছিল না।

কিন্তু পরবর্তীতে সে মিথ্যা অভিযোগ এনে একজন নিরাপরাধ মানুষকে পরিবার ও সমাজের সামনে হেয় করে ফেললো।

এসব লোকদের শাস্তি হওয়া উচিত।

এদের কারণে সত‍্য ঘটনাগুলোও মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে।
©

আয়াতুল কুরসীর Symmetrical form:Symmetry বলতে বোঝায় — কোনো জিনিসের দুই পাশ বা বিভিন্ন অংশ এমনভাবে সাজানো থাকা, যাতে তারা ...
26/05/2026

আয়াতুল কুরসীর Symmetrical form:

Symmetry বলতে বোঝায় — কোনো জিনিসের দুই পাশ বা বিভিন্ন অংশ এমনভাবে সাজানো থাকা, যাতে তারা একে অপরের মতো বা সমান দেখায়। এটাকে Ring composition বা Mirror composition নামে ও ডাকা হয়।
যেমন, একটি বৃত্ত — সব দিক থেকেই সমান।
_গণিতে symmetry মানে হলো, কোনো আকারকে ভাঁজ করলে বা ঘোরালে তার অংশগুলো একে অপরের সাথে মিলে যায়।

ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا
(A)هُوَ ٱلۡحَيُّ ٱلۡقَيُّومُۚ -তিনি চিরঞ্জীব ও চিরন্তন সত্ত্বা
(B)لَا تَأۡخُذُهُۥ سِنَةٞ وَلَا نَوۡمٞۚ -তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা।
(C)لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ- আসমান এবং জমিনের মধ্যে যা কিছু আছে সবই তার।
(D) مَن ذَا ٱلَّذِي يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦۚ - কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে?
(E)يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيهِمۡ - মানুষের সামনে যা কিছু আছে, তা তিনি অবগত আছেন।
(E') وَمَا خَلۡفَهُمۡۖ- এবং যা কিছু অগোচরে আছে, তাও তিনি জানেন।
(D')وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيۡءٖ مِّنۡ عِلۡمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَۚ একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা।
(C') وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ - তার আসন আসমান ও যমীন ব্যাপী হয়ে আছে
(B') وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ - এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ তাকে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত করেনা।
(A')وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡعَظِيمُ - তিনিই সর্বোচ্চ, মহীয়ান
Rahman

৭১ বছর বয়সী বৃদ্ধা মেয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে মাকে ব্যাগ ভর্তি তরকারি আর মাছ দিয়েছিলো মেয়ে। সে ব্যাগ নিয়েই ফ...
26/05/2026

৭১ বছর বয়সী বৃদ্ধা মেয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে মাকে ব্যাগ ভর্তি তরকারি আর মাছ দিয়েছিলো মেয়ে। সে ব্যাগ নিয়েই ফিরছিলেন বৃদ্ধা।

রাস্তায় দেখা হয় তরিকুলের (২০) সাথে। সে বৃদ্ধাকে দেখে বলে, আপনার কষ্ট হচ্ছে। ব্যাগগুলো আমাকে দিন। বৃদ্ধাও ব্যাগ তাকে দিয়ে পেছন পেছন হাটতে থাকে।

একটি নির্জন মাঠের কাছে আসতেই তরিকুল বৃদ্ধাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে, মাঠে ফেলে যায়। এটি চুয়াডাঙ্গার ঘটনা।

এরকম একটি জঘন্য একটি ঘটনার নিউজে ২৯ হাজার হাহা রিয়েক্ট।

'একাত্তরকে চু *দে দিয়েছে রে।'
'সেঞ্চুরিটা করতে দিলো না।'
'টেস্ট কেমন? মজা পাইছস?'

কমেন্ট সেকশনে এমন হাজার হাজার সস্তা, কুরুচিকর জোক্স। আমার নিজেরই শরীর গুলিয়ে যাচ্ছিলো কমেন্টস দেখে। মানুষ এতটা নিষ্ঠুর কীভাবে হয়? তাদের ঘরে কী মা নেই?

একজন বৃদ্ধা নারী। যার মেনোপজ হয়েছে হয়তো দুই দশকেরও আগে। এই বৃদ্ধার জন্য ধর্ষণ অত্যন্ত যন্ত্রনাদায়ক হতে পারে। উনার ভ্যাজাইনাল টিস্যুগুলো ছিঁড়ে মারাত্মক ব্লিডিং হতে পারে। যার কারণে মৃত্যুও হতে পারে।

আমার কষ্ট হয়। ভয়ংকর কষ্ট হয়।
এমন একটা দেশে বাস করি, যেখানে কোন নারী-শিশু ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরও মানুষ ধর্ষককে নয়, ধর্ষিতাকে জাজ করে। তার পোশাক বিচার করে, বয়স বিচার করে, চেহারা বিচার করে। যেন একজন নারী “ধর্ষণের যোগ্য” কি না, সেটারই হিসাব চলে!

এই সমাজে আমরা নারীদের নিরাপত্তা দেবো কীভাবে?

একজন বৃদ্ধাকে ধর্ষণ তোদের কাছে ধর্ষণ মনে হচ্ছে না? তোরা হাসছিস? নোংরা জোক্স করছিস?
ছবির এই লোকটাকে আমি চিনিনা। দেখেন উনার পকেট ছেঁড়া। খুব সম্ভবত এলাকার কোন দোকানদার হবে।

উনাদের এলাকার অসুস্থ পাগলীকে তিন চারজন মিলে গণধর্ষণ করেছে। রাতের আঁধারে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সিসিক্যামেরায় বন্দি হয়ে যায়। নগ্ন অবস্থায় পাগলীটাকে ফেলে চলে যায় ধর্ষকেরা ।

এই মুরুব্বী পাগলীর রাস্তায় পড়ে থাকা ছেঁড়া ময়লা কাপড়টি দেখিয়ে আফসোস করে বলছিলেন -

'এই দেশে বিচার না হলে আমরা কোথায় যাবো বলেন? এই জঘন্য কাজটা আমাদের মতো কোন পুরুষই করছে না? পুরুষ নামে সে কলঙ্ক। পশুর চেয়েও অধম। এদের সর্বোচ্চ বিচার যেটা, ফাঁসি হোক।'

লোকটার মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটি কথাই উনি অন্তর থেকে অনুভব করে বলেছেন। ঐ পাগলীর জায়গায় নিজের ঘরের নারীদেরকে কল্পনা করে বলেছেন। জামা ছিঁড়ে গিয়েছে সেদিকে খেয়াল নেই। পরিবারের জন্য, পরিবারকে নিরাপদ রাখার বাঁচতেছেন। উনিও কারো বাপ, ভাই, স্বামী, সন্তান।

আর তোরাও কারো বাপ-ভাই-স্বামী-সন্তান! যারা কীনা একজন বৃদ্ধা ধর্ষণ হয়েছে তা দেখে আনন্দ-উল্লাস জোক্সে মেতে উঠিস। ওয়াক থুঃ

- অন্তর মাশঊদ

সোহাগ ভাই সম্পর্কে আপনারা আরো যা জানেন না:-সোহাগ ভাইয়ের ঢাকায় নিজস্ব কোন ফ্ল্যাট নাই।অবাক হচ্ছেন? আমিও হয়েছিলাম।ভাই এখনও...
26/05/2026

সোহাগ ভাই সম্পর্কে আপনারা আরো যা জানেন না:
-সোহাগ ভাইয়ের ঢাকায় নিজস্ব কোন ফ্ল্যাট নাই।অবাক হচ্ছেন? আমিও হয়েছিলাম।ভাই এখনও ভাড়া বাসায় থাকেন।

-সোহাগ ভাইয়ের মাথার দাম ৫০০০ কোটি টাকার উপরে।মানে ভাইয়ের স্ট্যাব্লিশড কোম্পানি সবগুলো একত্রে করলে 'হেড ভ্যালু' এমনই আসবে।একটা বিজনেস রিপোর্টে দেখেছিলাম এটা।

-সোহাগ ভাইয়ের ঢাকায় কেনা কোনো জমি,প্লটও নাই।যেই লোকের মাথার দাম ৫০০০ কোটি টাকার উপরে,তার ঢাকায় কোনো স্থায়ী জমিজমা নাই।কেমনে সম্ভব?
সম্পত্তির নেশা সবার থাকে না বৎস।ইসলামে এটাকে যুহদ চর্চা বলে।

-সোহাগ ভাই পরিপূর্ণ দ্বীনের উপরে ওঠা ২০১৫ সালের হজ্জ করার পর।এরপর থেকে পুরো পরিবারসহ দ্বীনের উপরে উঠে গেছেন মা শা আল্লাহ্।
সেবার হজ্জ সফরে ভাইয়ের সঙ্গী ছিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
উত্থানের আওয়াজ পাচ্ছেন?

-সোহাগ ভাই দাওয়াত ও তাবলীগের নিয়মিত সাথী।ইজতেমার ময়দানে বিদেশী মেহমানদের খিদমতে আমাদের স্টুডেন্টদের যে জামাত থাকে,সোহাগ ভাই তার জিম্মাদার।

-এপর্যন্ত বৃহৎ সব দাতব্য সংস্থার যাকাত,ত্রান ইত্যাদি সহায়তামূলক কর্মকাণ্ডে একজন ব্যক্তিকে সবসময় প্রথম সারিতে দেখা যায়।তিনি কে?
সোহাগ ভাই।

-টঙ্গীর টিনশেড মসজিদে আমাদের ছাত্রদের যখন জোর হয়,তখন আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেহনতের হালত বলি।তখন বিশ্ববিদ্যালয় না হয়েও সেই মজমায় নিজেদের কারগুজারি শোনা যায় একটা প্রতিষ্ঠানের।সেটা 'অন্যরকম গ্রুপ'
কারগুজারি শোনান সোহাগ ভাই।
অন্যরকম গ্রুপের সকল এমপ্লয়ির জন্য তাবলীগের ৩ দিন,১ চিল্লা,৩ চিল্লা লাগানোটা এক প্রকার রীতি হয়ে উঠেছে।সবকিছুই যে গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহাগ ভাইয়ের কারণেই হয়েছে,তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
একজন সংশয়মনা সোহাগ ভাই কিভাবে এমন দাঈ,যুহদ চর্চাকারী সোহাগ ভাই হয়ে উঠলে জানতে চান?

এক কথায় যদি উত্তর দেই তো-

"উলামায়ে কেরামের সোহবত ও জীবনের সকল স্তরে উলামায়ে কেরামের পরামর্শে চলার দ্বারা"

সুতরাং শিখেন কিছু।সফল হন।

ভাইয়ের কাছে যদি প্রশ্ন করা হয় 'আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি?'

ভাই সরলমনে উত্তর দেন-
"যত বেশি মানুষকে নিয়ে পারা যায় জান্নাতে যাওয়া!"

জীবনের মাকসাদ এবার বুঝতে পারলেন?

ভাইয়ের জীবনে সফল হওয়ার মূলমন্ত্র ওটা।যদিও কিছু বিষয়ে এখনও দূর্বলতা আছে ওনার।তবুও আমরা নেক ধারনা ও দুআ রাখি।

আল্লাহ তায়ালা ভাইসহ আমাদের সকলকে দ্বীনের জন্য ক্ববুল করে নিন
আমিন।

~Najmul Huda Tanjeem

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Bayline Journal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share