Gopalgonj TV

Gopalgonj TV It is one the best Facebook TV Channel Page for Bangladeshi Citizen to get all kinds of news and entertainments.

আওয়ামী লীগ নেতারা সেদিন কে কোথায় ছিলেন জানেন কি ...?১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মম হত্যাযজ্ঞে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নি...
01/09/2026

আওয়ামী লীগ নেতারা সেদিন কে কোথায় ছিলেন জানেন কি ...?

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মম হত্যাযজ্ঞে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হবার পর মোশতাক আহমেদ নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন, এই পদে তিনি মাত্র ৮৩ দিন ছিলেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ইনডেমনিটি বিল পাশ করেন। তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান পরিবর্তন করে এর স্থলে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্টাইলে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান চালু করেন। এই সময় তিনি ‘বাংলাদেশ বেতার’ এই নাম পরিবর্তন করে ‘রেডিও বাংলাদেশ’ করেন ‘রেডিও পাকিস্তান’ এর অনুকরণে !

কোথায় ছিলেন সেদিন আ'লীগের বড় বড় নেতারা? কি ভূমিকা ছিল তাঁদের? তারই সামান্য জানানোর চেষ্টা করছি এই লেখাটিতে। স্রেফ দুই দলে বিভক্ত হয়ে পরেছিলেন তাঁরা। একদলে মীরজাফররা আর আরেক দলে মোহনলালরা।

খন্দকার মোশতাকের ৮৩ দিনের শাসনামলে সঙ্গী ছিলেন বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভার ২১ সদস্য। মোশতাকের উপরাষ্ট্রপতি হলেন মোহাম্মদউল্লাহ। আর মন্ত্রীসভার সদস্যরা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর, পরিকল্পনামন্ত্রী অধ্যাপক ইউসুফ আলী, অর্থমন্ত্রী ড. আজিজুর রহমান মল্লিক, শিক্ষামন্ত্রী ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল মান্নান, কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমিন, এলজিআরডি মন্ত্রী ফণিভূষণ মজুমদার, নৌপরিবহনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, গণপূর্ত ও গৃহায়নমন্ত্রী সোহরাব হোসেন।

প্রতিমন্ত্রীরা হলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী কেএম ওবায়দুর রহমান, ভূমি ও বিমান প্রতিমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, রেল ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম মঞ্জুর, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, শিল্প প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম চৌধুরী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডল, পশু ও মৎস্য প্রতিমন্ত্রী রিয়াজউদ্দিন আহমদ ভোলা মিয়া, যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ আলতাফ হোসেন ও মোমিনউদ্দিন আহমদ (বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভায় ছিলেন না) ও দেওয়ান ফরিদ গাজি।

মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী রাষ্ট্রপতি মোশতাকের প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা হয়েছিলেন মন্ত্রীর সমমর্যাদায়।

খন্দকার মোশতাক সরকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের পথ উন্মুক্ত করে দেন বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মহিউদ্দীন আহমদ বিশেষ দূত হয়ে। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৫ আগস্ট সংঘটিত হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহ আগে ৮ আগস্ট দেশে ফিরে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

বঙ্গবন্ধু সরকারের আরেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদউল্লাহর স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্রবর্তন হয়েছিল বাকশালব্যবস্থা। বাকশালব্যবস্থার অধীনে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি হলে মোহাম্মদউল্লাহ মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন। ১৫ আগস্টের পর মোশতাকের উপরাষ্ট্রপতি হন মোহাম্মদউল্লাহ এবং পরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।

মোশতাক জাতীয় সংসদ বহাল রেখেছিলেন, স্পিকার ছিলেন আবদুল মালেক উকিল। তিনি স্পিকার হওয়ার আগে ছিলেন বঙ্গবন্ধু সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্পিকার হিসেবে তিনি বিদেশে স্পিকারদের একটি সম্মেলনেও যোগ দেন।

বঙ্গবন্ধু সরকারের আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর মোশতাকেরও আইনমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি কুখ্যাত ইনডেমনিটি নামক বিলটির রচয়িতা।

মোশতাকের পতনের পর ফণিভূষণ মজুমদার, আবদুল মান্নান, আবদুল মোমিন, সোহরাব হোসেন, অধ্যাপক ইউসুফ আলী, আবদুল মালেক উকিল, আসাদুজ্জামান খান আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

মালেক উকিল আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন শেখ হাসিনা নেতৃত্বে আসার আগ পর্যন্ত।

অধ্যাপক ইউসুফ আলী মোশতাকের পরিকল্পনামন্ত্রী ছিলেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের (মিজান) সাধারণ সম্পাদক হন। পরে যোগ দেন জিয়ার মন্ত্রীসভায়। জিয়ার মৃত্যুর পর এরশাদেরও মন্ত্রী হন তিনি।

আবু সাঈদ চৌধুরী আ'লীগের রাজনীতিতে ফিরে না এলেও মহিউদ্দীন আহমদ ফিরে আসেন আওয়ামী লীগে। ১৯৮৩ সালের ৮ আগস্ট তিনি বহিষ্কার হলে বাকশাল গঠন করে তার চেয়ারম্যান হন। ১৯৯৩ সালে বাকশাল আ'লীগে অন্তর্ভুক্ত হলে তাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়।

আবদুল মান্নান ও আবদুল মোমিন দুজনেই ২০০২ সাল পর্যন্ত আ'লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। খন্দকার আসাদুজ্জামান আ'লীগে সক্রিয় ছিলেন। আব্দুল মোমিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী রেবেকা মোমিন নেত্রকোনা থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন।

মোশতাক মন্ত্রীসভার সদস্য দেওয়ান ফরিদ গাজী আ'লীগে ফিরে বেশ কয়েকবার এমপি হয়েছিলেন হবিগঞ্জ -১ আসন থেকে।

সৈয়দ আলতাফ হোসেন বাকশাল প্রবর্তনের পর (ন্যাপ মোজাফফর) থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরে মোশতাকের প্রতিমন্ত্রী। মোশতাকের পতনের পর আবার ন্যাপের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

মোমিনউদ্দিন আহমদ বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভায় না থাকলেও মোশতাক তাকে প্রতিমন্ত্রী করেন। পরে তিনি বিএনপি হয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।

রিয়াজউদ্দিন আহমদ ভোলা মিয়াও বিএনপি হয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী হন।

ডা. ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডলও জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী হন।

মোশতাকের প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধু সরকারের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী। তিনি সামরিক বাহিনীর সমর্থন আদায়ে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনি মোশতাকের সরকারের প্রতি সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে আনুগত্য প্রকাশ করতে খুব একটা দেরি হয়নি কেএম শফিউল্লাহ। বিমানবাহিনী প্রধান একে খন্দকার ও নৌবাহিনী প্রধান এমএইচ খানকে নিয়ে প্রথম দিনেই মোশতাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন তিনি। পরে অবশ্য কয়েক দিনের মধ্যেই কেএম শফিউল্লাহ ও একে খন্দকারকে যথাক্রমে জিয়াউর রহমান ও এমজি তায়েবের কাছে সেনা ও বিমানবাহিনী প্রধানের পদ ছেড়ে দিতে হয়।

এর কয়েকদিন পরই কেএম শফিউল্লাহ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়ে চলে যান বিদেশে। জিয়া ও এরশাদ সরকারের পুরোটা সময় তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। সেই কেএম শফিউল্লাহ পরে আ'লীগে যোগ দিয়ে ১৯৯৬ সালে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

একইভাবে একে খন্দকারও বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে দায়িত্ব নেন। প্রথমে অস্ট্রেলিয়া ও পরে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের দায়িত্ব পালন করেন। ফিরে এসে এরশাদ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কিছুদিন কাজ করে পরে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
এক সময় আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পান একে খন্দকার।

অন্যদিকে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে পরিবারসহ হত্যার পর ২৩ আগস্ট মোশতাক সরকার গ্রেপ্তার করে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান, শেখ আবদুল আজিজ, আবদুস সামাদ আজাদ, এম কোরবান আলী, আবদুল কুদ্দুস মাখন, হাশেম উদ্দিন পাহাড়িসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে।

৩ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে গ্রেপ্তার অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর জিল্লুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ এবং কয়েক দিনের ব্যবধানে আমির হোসেন আমু, গাজী গোলাম মোস্তফা, এমএ জলিল, এমএ মান্নান, সরদার আমজাদ হোসেন, নুরুল হক, এম শামসুদ্দোহা, এম মতিউর রহমানসহ বেশকিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার এড়াতে প্রতিবেশী ভারতে চলে যান আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, শেখ সেলিম, ওবায়দুল কাদের, ইসমত কাদির গামা, মো. নাসিম, মোস্তফা মহসিন মন্টু, শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, লতিফ সিদ্দিকী, পংকজ ভট্টাচার্য, ডা. এস এ মালেক, এসএম ইউসুফ, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, খোকা রায়, রবিউল মুক্তাদিরসহ তৎকালীন বাকশাল ও বর্তমান আ'লীগের অনেক নেতাকর্মী।

অঅন্যদিকে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বেশকিছু অনুসারীসহ মেঘালয়ে আশ্রয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ ও খুনিদের বিতাড়িত করার জন্য প্রতিরোধের ডাক দেন। শুরু করেন প্রতিরোধ যুদ্ধ যা স্থায়ী হয়েছিলো ৪ বছর। এতে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ১০৯ জন মুজিব সেনা।

তথ্যসূত্র: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড: ফ্যাক্টস এন্ড ডকুমেন্টস- অধ্যাপক আবু সাইদ।
মহাপুরুষ- এম আর আকতার মুকুল।
সাংবাদিক এবি সিদ্দিক এর ব্লগ।
জাসদের উত্থান ও পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি- মহিউদ্দীন আহমেদ।

তথ্য সংগ্রহে : Anima Afrin

23/08/2026

·
♦️ মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে সৎ সরকার প্রধান ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া ও তার স্বামী জিয়াউর রহমান।এই কথাগুলো যাচাই না করলে আপনি হচ্ছেন জন্মান্ধ।
♦️ বেগম খালেদা জিয়া ৩৮ বছর একটানা সেনা ক্যান্টনমেন্টের ভেতর মইনুল রোডের বাসভবনে ছিলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে একজন সেনাপ্রধানের স্ত্রীর জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া বিরল। বাংলাদেশ ছাড়া ভারত , পাকিস্তান , নেপাল , ভুটান , শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ কোথাও এমন আরেকটি উদাহরণ নেই।
♦️ একজন সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গেলে সেনানিবাসের ভেতর সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৬ মাস সময় পাবেন।এর মধ্যেই তার পরিবারকে সেনানিবাস ছাড়তে হবে। বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের উপমহাদেশের " ক্যান্টনমেন্টস অ্যাক্ট" ও ক্যান্টনমেন্ট ল্যান্ড অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রুলস " এর বিরুদ্ধে গিয়ে বছরের পর বছর সেনানিবাসের ভেতরে বসে রাজনীতি করেছেন। এটা একটা অনৈতিক অপরাধ ও সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত কাজ।
♦️ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিলে কোন সেনাপ্রধানের পরিবার ক্যান্টনমেন্টের ভেতর থাকতে পারে না। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের জন্য ডিওএইচএস এর হাউজিং আছে।চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যু হলে সেনাবাহিনীর পরিবার সেনানিবাসের ভেতর সাময়িক লিজ পেতে পারেন।
👉১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার ১ টাকার বিনিময়ে খালেদা জিয়াকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই বাড়িটি লিজ দেয়।একটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করার দায়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের বিচার হওয়া উচিত।
♦️বেগম খালেদা জিয়াকে যখন বাড়িটি লিজ দেয়া হয় , তখন শর্ত ছিল এটি কেবল " আবাসিক " কাজে ব্যবহৃত হবে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় আইনের তোয়াক্কা না করে সেই বাড়িকে রাজনৈতিক কার্যালয় বানিয়ে ফেলেছেন। তিনি বাংলাদেশের বৃহত্তম একটি দলের প্রতিনিধিত্ব ওই বাড়ি থেকে করেছেন, যা একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। তাছাড়া বিচারপতি আব্দুস সাত্তার কোনপ্রকার মন্ত্রীসভার অনুমোদন ছাড়াই ওই বাড়িটি খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনের এটাও একটা সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
👉লিজের পুরো প্রক্রিয়াকে " বেআইনি ও আইন বহির্ভূত " উল্লেখ করে ২০০৯ সালে আদালত কর্তৃক খালেদা জিয়াকে সেই বাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেয় হাইকোর্ট। খালেদা জিয়াকে সেই বাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য এক বছরের সময় বেঁধে দেয় আদালত।এর পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করলেও আদালত সেই রায় বহাল রেখে বাড়িটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। খালেদা জিয়াকে বিনা নোটিশে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে এটা সম্পূর্ণ ডাহা মিথ্যা কথা।
♦️ সেনাবাহিনী জিয়াউর রহমানের বন্দুক দিয়ে দখল করা রাষ্ট্রক্ষমতার গদি নয়। সেনাবাহিনী একটি দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ।( Principal of Apolitical Military " অনুযায়ী , " পৃথিবীর কোন দেশের সেনানিবাসের ভেতর বসে আপনি কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না।"
ব্রিটিশদের " ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স ডিরেক্টিভ " অনুযায়ী, " সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় কোন সেনাসদস্য দলীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।"
আমাদের জিয়াউর রহমান এক্ষেত্রে তিন ডিগ্রি এগিয়ে ছিলেন। তিনি একসাথে সেনাবাহিনীর প্রধান, দেশের রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রেসিডেন্ট! এমন সব হাস্যকর রাজনৈতিক রসিকতা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া মিলে যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষের সাথে করে এসেছেন।
♦️ সেনাবাহিনীর সাথে একটি রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের গোপনীয়তা যুক্ত। তাই সেনাবাহিনীতে আপনার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সেনানিবাসের ভেতর আপনার থাকার সেভাবে নিয়ম নেই। সেনানিবাসের ভেতর " বহিরাগত প্রবেশাধিকার সম্পূর্ন সুরক্ষিত থাকে। জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর অফিসার ছিলেন , কিন্তু খালেদা , তারেক ও কোকো সেনাবাহিনীর কোন পর্যায়ের অফিসার ছিলেন ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাচ অ্যাক্ট এবং অন - বেস হাউজিং রুলস অনুযায়ী সেনাবাহিনীর কোন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার সেনানিবাসের ভেতর থেকে রাজনীতি করতে পারবে না। কিন্তু জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া উভয়েই বাংলাদেশের আইন বহির্ভূত কাজ করেছেন।
♦️ সেনানিবাসের ভেতর রাজনীতি করলে জীবনেও সেই দেশের সেনাবাহিনীর " চেইন অব কমান্ড " থাকে না। সেনানিবাস হচ্ছে একটি স্পেশাল লিগ্যাল ইনক্লেব বা বিশেষ আইনি অঞ্চল । এটা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় নয়।
♦️ ব্রিটিশ আমল থেকেই কোন বেসামরিক নাগরিকের সেনানিবাসে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি নেই। বেগম খালেদা জিয়া , তারেক ও কোকো কেউই সেনাবাহিনীর কর্মরত কর্মকর্তা ছিলেন না। বেগম খালেদা জিয়ার বাসা সেনানিবাসের ভেতরে হওয়ায় প্রতিদিন সাংবাদিক সহ হাজার হাজার বেসামরিক লোক " ক্যান্টনমেন্ট অ্যাক্ট " ভঙ্গ করে মঈনুল রোডের বাসায় যেতেন। এটি একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।
♦️ সামরিক এলাকার আবাসন নীতিমালা ভঙ্গ করে ওই বাড়ির ঠিকানায় " ড্যান্ডি ডাইং" এর হেড অফিস স্থাপন করা হয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবার সেনানিবাসকে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কার্যালয় বানিয়ে ফেলেছিলেন।
♦️ মঈনুল রোডের যে বাড়িতে খালেদা জিয়া থাকতেন তা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের জন্য সরকার নির্ধারিত বাড়ি।ফলে বেগম খালেদা জিয়া একজন বেসামরিক ব্যক্তি হিসেবে সেনাবাহিনীর কোয়াটার্স রুলস ভঙ্গ করেছেন।সেনা কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই খালেদা জিয়া মঈনুল রোডের বাড়িকে পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ করেছেন। এটা কিছুতেই তিনি করতে পারেন না।চির মনে রাখা উচিত ছিল - এটা তার পৈতৃক বাড়ি নয়।
♦️ বেগম খালেদা জিয়া একসাথে সরকারের ডবল - অ্যালোটম্যান্ট সুবিধা ভোগ করেছেন।এটা লিজ ও আবাসান নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ১৯৮২ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশানে আরেকটি বাড়ি বরাদ্দ দেয় সরকার। একজন মানুষের কয়টা বাড়ির উপহার দরকার হয়?
১৯৭১ সাল থেকে এই পর্যন্ত ১৮ জন সেনাপ্রধান তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন।এর মধ্যে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ওসমানী থেকে কোন সেনাবাহিনীর প্রধান ও তার পরিবার এই ধরনের অনৈতিক সুবিধা পায়নি। এমনকি সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি থাকার সময় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পর্যন্ত তার বউ রওশন এরশাদকে সেনানিবাসের মধ্যে একটি বাড়ি উপহার দেননি।
একটি দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ " বাংলাদেশ সেনাবাহিনী" কে জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মিলে রাজনৈতিক ও জাতীয় তামাশা বানিয়ে ফেলেছেন

বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমান পরিবারের চরিত্র হচ্ছে ফরমালিন ভরা। ক্ষমতা ও সামর্থ্য থাকার পরও নিজের স্বামীর হত্যাকারী এরশাদ থেকে গুলশানের বাড়িটি বুঝে নিয়েছিলেন খালেদা জিয়া।এতটুকুও অনুশোচনা ও লজ্জা ছিলো না।১০১ টাকা বাড়িভাড়ার জন্য খালেদা জিয়াকে আমরা হাউ মাউ করে কাঁদতে দেখেছি। ভাবখানা ছিল , এই গুলশানের বাড়ি তার ব্যক্তিগত বাড়ি! গুলশানের দেড় একর আয়তনের এই বাড়িটি খালেদা জিয়াকে দেয়া হয়েছিল মাত্র ১০১ টাকায়।
আমার আপত্তি গুলশানের বাড়ি নিয়ে নয়। একটা সরকার চাইলে তা দিতে পারে। আমার আপত্তির জায়গা হচ্ছে সেনানিবাসের ভেতর খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়।

এটা পৃথিবীর কোন সেনা আইনে ও ইতিহাসে আছে?

(অনলাইন সংগৃহীত)

🏠 "জেলখানা ঠিক করুক, আমি আসছি": শেখ হাসিনা।রুদ্র মুহম্মদ জাফর, আজকের কন্ঠ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হা...
05/07/2026

🏠 "জেলখানা ঠিক করুক, আমি আসছি": শেখ হাসিনা।

রুদ্র মুহম্মদ জাফর, আজকের কন্ঠ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বর্তমান বিএনপি সরকারকে ‘অবৈধ’ও ‘খুনী’ আখ্যা দিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন।

একই সাথে তিনি জুলাই মাসের হত্যাকাণ্ডের পরিসংখ্যানে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে জাতিসংঘকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া এক অডিও বার্তায় তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এবং নেতাকর্মীদের নিয়ে খুব শীঘ্রই দেশে ফেরার ঘোষণা দেন।

✅ জাতিসংঘ ও বিএনপি সরকারকে চ্যালেঞ্জ:

শেখ হাসিনা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “১৪০০ মৃত্যুর যে ভুয়া তথ্য জাতিসংঘ ও বর্তমান বিএনপি সরকার দিচ্ছে, আমি তা চ্যালেঞ্জ করছি। আমরা অলরেডি জাতিসংঘ মহাসচিব ও মানবাধিকার কমিশনকে চিঠি দিয়েছি। উত্তর দেওয়ার সাহস তাদের
নেই। তালিকায় থাকা অনেকেই জীবিত ফিরে এসেছে।

জালিয়াতি করে তালিকার সংখ্যা বাড়ানো
হয়েছে। শহীদ পরিবার হিসেবে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে, তাদের অনেকেও ভুয়া।”

✅ লাশ তুলে ফরেনসিক ও স্নাইপার তদন্তের হুলিয়া:

জুলাই মাসের নিহতের ঘটনাগুলোকে বিএনপি সরকারের সাজানো ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “বলা হচ্ছে বুকে গুলি লেগেছে, অথচ টি-শার্টে ছিদ্র নেই। তাহলে তাদের মারলো কে? আমি নির্দেশ দিচ্ছি, প্রত্যেকটি লাশ তুলে পুনরায় পোস্টমর্টেম ও ফরেনসিক করা হবে। তদন্ত করা হবে—স্নাইপার রাইফেল কারা এনেছিল এবং ওই ৭.৬২ বুলেট কারা ব্যবহার করেছিল। জনগণের ওপর গুলি চালানো খুনিদের ছাড় দেওয়া হবে না।”

✅ বিএনপি ক্যাডারদের লুটতরাজ ও আল্টিমেটাম:

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও সম্পদ লুটের বিষয়ে তিনি কড়া হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলে যারা

আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর জ্বালিয়েছে এবং সম্পদ লুট করেছে, তাদের প্রত্যেকের তালিকা করুন। লুটের মাল খুব দ্রুত তাদের বাড়িতে ফেরত দিতে হবে। সময় কিন্তু বেশি পাবেন না। অন্যের জিনিস লুট করলে নিজের সম্পদও থাকে না—এটা আল্লাহর বিচার। প্রত্যেকের কড়ায়-গণ্ডায় হিসেব নেওয়া হবে।”

✅ তারেক রহমানের সমালোচনা ও রাজনৈতিক নির্যাতন:

বিএনপি নেতা তারেক রহমানের তীব্র
সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মুচলেকা দিয়ে পালানো তারেক আজ আবার বিএনপি সরকারকে পেছন থেকে নিয়ন্ত্রণ করে অত্যাচার চালাচ্ছে। ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারিরা আজ ক্ষমতায় বসেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে, এমনকি আমাদের নারী কর্মীদেরও ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে অকথ্য নির্যাতন করা হচ্ছে। অনতিবিলম্বে সকল রাজবন্দির মুক্তি দিতে হবে।”

জেলখানা ও ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুতের ডাক: নিজের ফেরার ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, “আমি আসছিই। তারা জেলখানা ঠিক করুক, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত রাখুক।

আমি আমার মা-বাবা, ভাই সব হারিয়েছি। হারাবার আর কিছুই নেই। আমার শক্তি শুধু এদেশের মানুষ। তাদের অধিকার আদায়ের জন্য এবং এই খুনি বিএনপি সরকারকে হটাতে আমি ফিরে আসবো।”

✅ নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ: তিনি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার এবং বিএনপি সরকারের হাতে হওয়া সকল ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা প্রস্তুত করতে নির্দেশ দেন।

তিনি দাবি করেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন আওয়ামী লীগ দেখেছিল, বিএনপি সরকার তা নস্যাৎ করতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের  ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ থেকে ডা. এ. বি. এম. আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল কর...
25/06/2026

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ থেকে ডা. এ. বি. এম. আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদে দায়িত্ব পালনকালে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের ইতিহাসে ডা. এ. বি. এম. আবদুল্লাহ একটি সম্মানিত নাম। কয়েক দশক ধরে তিনি চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে অসংখ্য মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিকিৎসাবিষয়ক গ্রন্থ *Davidson's Principles and Practice of Medicine* এর লেখকদলের সদস্য হিসেবে তিনি বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। যারা মেডিকেলে পড়াশুনা করেন, তারা জানেন ডেভিডসন বইটি কতোটা গুরুত্বপূর্ণ একজন ডাক্তার এর জন্য!

এমন একজন বরেণ্য চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ দেশের চিকিৎসা ও শিক্ষাঙ্গনের জন্য উদ্বেগজনক। যারা সারাজীবন জ্ঞান, শিক্ষা ও মানবসেবায় নিজেদের উৎসর্গ করেছেন, তাদের সম্মান রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

একজন ডা. এ. বি. এম. আবদুল্লাহর সম্মান শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সম্মান নয়, এটি বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার সম্মানের সঙ্গেও জড়িত।

তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংগৃহীত।।

23/06/2026

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার পর সাত দশক পেরিয়ে আট দশকের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ‌। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান হওয়ার পর ঢাকায় মুসলিম লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতেন মাওলানা আকরাম খান ও খাজা নাজিমুদ্দিন।ফলে মোঘলটুলির ১৫০ নম্বর বাড়িতে নিজেদের রাজনৈতিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন সোহরাওয়ার্দী - আবুল হাশেম। কলকাতা থেকে এসে তরুণ নেতা শেখ মুজিব মুজিব তাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন। মাওলানা ভাসানী ও আওয়ামীলীগের শামসুল ইসলাম দুই দফায় উপনির্বাচনে মুসলিম লীগের প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়ার পরও পাকিস্তান সরকারের অবৈধ নির্বাচন কমিশন সেই নির্বাচনের ফলাফল অবৈধ ঘোষণা করেছিল। সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিব, আবুল হাশেম, মাওলানা ভাসানী ও শামসুল হকের কাছে নতুন একটি দল তৈরি করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলো না।আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার মাত্র ২ মাস আগে ১৯৪৯ সালের ২৪ এপ্রিল, ২৯ বছর বয়সী শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পাকিস্তান সরকার তাকে গ্রেফতার করে। আরেক নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর গণপরিষদ সদস্যপদ বাতিল করা হয়।

🔴 আওয়ামীলীগ গঠন করার জন্য কোন অডিটরিয়াম পাওয়া যাচ্ছিলো না। সামনে এগিয়ে এলেন কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনের মালিক কাজী হুমায়ূন রশীদ।আড়াইশো থেকে তিনশো লোকের উপস্থিতিতে জেলে বন্দী শেখ মুজিবকে ছাড়াই মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও ইয়ার মোহাম্মদ খানের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে জন্ম নিলো আওয়ামীলীগ।সেই সঙ্গে পুরো পাকিস্তানে " নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ" এর সভাপতি করা হলো হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে। আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক।জেলে বন্দী তরুণ শেখ মুজিবকে করা হলো আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রোজ গার্ডেনের সেই সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলার বাঘ খ্যাত শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

🔴১৯৫৪ এর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় ২৩৭ টি আসনের মধ্যে ২২৩ টি আসন পায় যুক্তফ্রন্ট।তার মধ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ পেয়েছিল ১৪৩ টি আসন।১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ সালে আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামীলীগ গঠন করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের জন্য আওয়ামীলীগে যোগদানের পথ খুলে যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দেখলে দেখতে পাবেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র জন্মের আগেই আওয়ামীলীগ বাংলাদেশ শব্দটির ব্যবহার শুরু করেছে। দলের নাম রাখা হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

🔴১৯৫২ সালে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক অসুস্থ হয়ে পড়লে এই দলটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।১৯৫৩ সালে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিব।১৯৬৬ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান সরকারের সমবায় ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।১৯৫৬-১৯৫৭ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান সরকারের শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রী ছিলেন।আওয়ামীলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ১৯৫৭ সালে মার্কিনীদের সাথে পাকিস্তান সরকারের সিয়েটো ও সেন্টো সামরিক চুক্তির বিরোধিতা করেন মাওলানা ভাসানী। প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী তাতে রাজি হননি।এই বিরোধের জের ধরে টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে ভোটাভুটিতে হেরে যান মাওলানা ভাসানী। এরপর আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইয়ার মোহাম্মদ খানকে নিয়ে মাওলানা ভাসানী গড়ে তুলেন ন্যাপ।যার ফলে আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ। তখনও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান।দলে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন বিকল্পই ছিলো না।

🔴১৯৬৪ সালে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মারা গেলে মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি থেকে পুরোপুরি সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৬ দফা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মোড় পরিবর্তন করে দেয়।ওই বছর মার্চ মাসে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন বাঙালির প্রাণের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেন তাজউদ্দীন আহমদ।
আওয়ামীলীগের এই দুই নেতার হাত ধরেই জন্ম নেয় ৫৬ হাজার বর্গমাইলের স্বাধীন বাংলাদেশ।

🔴 বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বর্তমান বয়স ৭৭বছর।
২৩ জুন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর ৭৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।এই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্মের মাত্র ২ বছর আগে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার বর্তমান বয়স এখন ৭৯ বছর।১৯৮১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতে নির্বাসিত থাকা অবস্থায় সর্বসম্মতিক্রমে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করার জন্য ১৯৭৫ সালে শেখ হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পুরো পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।একই ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র দুই মাস পর জেলখানায় আওয়ামীলীগের জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।তার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ।১৯৭৭ সালে এই আওয়ামীলীগ যখন তীব্র ভাঙনের মুখে তখন ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসে এই দলটিকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন আওয়ামীলীগের আহবায়কের দায়িত্ব নেওয়া সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন। স্বামীর রক্তাক্ত জামা বুকে জড়িয়ে তিনি আওয়ামীলীগকে পুনরায় সংগঠিত করেছিলেন।২০০৭-২০০৮ সালে শেখ হাসিনা যখন দীর্ঘ ১১ মাস কারাগারে বন্দী ছিলেন তখন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে জিল্লুর রহমান আওয়ামীলীগকে প্রাণ দিয়েছিলেন।সেই আওয়ামীলীগে অক্সিজেন সরবরাহ করেছিলেন সৎ ও জনপ্রিয় নেতা সৈয়দ আশরাফ। আওয়ামীলীগ শত দুর্যোগে ও পথ হারায়নি , তাই আওয়ামীলীগের গত ৭৭ বছরের ইতিহাস।

🔴১৯৪৯ সালে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার পর তারা ১৯৫২ সালে বাংলাকে মাতৃভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দেয়।একুশ বছর পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কোর ৩০ তম অধিবেশন বাংলা ভাষাকে "ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ " এর স্বীকৃতি আদায় করে দিন।১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ভুমিধস বিজয়ের পর থেকেই আওয়ামীলীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে সকল ধর্মের মানুষের জন্য অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল।এই দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দু'জনেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামীলীগের মত এত রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকারের ইতিহাস আর কোন রাজনৈতিক দলের নেই।
আওয়ামীলীগের মত এত নির্মম ট্রাজেডি পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোন রাজনৈতিক দলের নেই। আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতির ফার্স নয় , বরং আওয়ামীলীগ হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি। এই বাস্তবতা বুঝতে না পারার জন্য স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন হয়ে গিয়েছিল।এই বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়ায় জিয়া ও এরশাদ স্বৈরশাসনের অবসান হয়েছে।এই বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ডাকাতির নির্বাচন করে প্রধানমন্ত্রী হয়ে খালেদা জিয়া দুই মাসও গদিতে টিকতে পারেননি।এই বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন দিয়ে খালেদা জিয়া আর সেই নির্বাচন করে যেতে পারেননি।এই বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়ায় মাত্র দুই বছরে জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে হাস্যকর আন্দোলন হয়ে গেছে। মানুষ এই আন্দোলনকে উপহাস করে এখনি বলতে শুরু করে দিয়েছে ,

" জুলাই হচ্ছে লুঙ্গির তলায় লুকিয়ে থাকা গুপ্ত শিবির আন্দোলন।"

🔴 বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ বিএনপি ও জামায়াতের মতো উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন রাজনৈতিক দল নয়। আওয়ামীলীগ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফান্ডামেন্টাল পলিটিকাল ফোর্স। দীর্ঘ ৭৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে এই দলটির। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে জন্ম দেয়নি, বরং বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে জন্ম দিয়েছে আওয়ামীলীগ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির ট্রাজিক হিরো ও ড্রাইভেন পার্টি।তাই যতবারই এই দলের নেতাদের হত্যা করে এই দলটি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হয়ছে ততবারই বাংলা ও বাঙালির সিমপ্যাথি ওয়েব আওয়ামীলীগের পক্ষে এসে দাঁড়িয়েছে। শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয় যদি কোনদিন একটিবারের জন্যও মনযোগ দিয়ে লুসিড ড্রিম পড়েন , তবে নির্দ্বিধায় স্বীকার করে নিবেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির ফিনিক্স পাখি। ষড়যন্ত্রের দেয়াল ভেঙে চুরমার করে দিয়ে বারবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য এই দলটিকে পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে ফিনিক্স পার্টি বলা হয়। নেতৃত্বশূন্যতা থেকেও বারবার যে দলটি বাংলাদেশের ইতিহাসে উঠে দাঁড়িয়েছে তার নাম বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

🔴 বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে বলা হয় " আর্কিটেক অফ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিবারেশন" । বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ভাষার নকশাকার হচ্ছে আওয়ামীলীগ।এই দলটিকে বলা হয় গ্রাসরুটস লেড মাস পার্টি।জনগণকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার এমন যাদুকরী ক্ষমতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন রাজনৈতিক দলের নেই। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের এই লেখাগুলো বারবার পড়া উচিত। আওয়ামীলীগ ফুলশয্যার পার্টি নয় , এটি বাংলাদেশের রাজনীতির " ব্লাড সোকড পার্টি" । শুধু জয় বাংলা স্লোগান দিলেই আওয়ামীলীগ করা যায় না, দল ও দেশের জন্য হাসতে হাসতে জীবন দিতে পারার শিক্ষাটাই হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। এজন্য বারবার প্রাণঘাতী আঘাতের পরও বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে ইমোশনাল পলিটিকাল ক্যাপিটাল এর মালিক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রতিটি ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা নাম আওয়ামীলীগ। পৃথিবীর এই কোন অপশক্তি এই দলটিকে মানুষের হৃদয় থেকে মুছতে পারে না। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যতবার এক্সিসটেনশিয়াল ক্রাইসিসে পড়বা ততবার বাংলাদেশের মানুষ " জয় বাংলা " বলে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে যাবে।এটাই বাংলাদেশের ইতিহাস। ব্যানড এনটিটি দিয়ে কেউ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ বা মুছতে পারবে না। জনগণের হৃদয়ে যে নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে যায় তা ব্যানড এনটিটি তথা নিষিদ্ধের তোয়াক্কা অতীতেও করেনি , ভবিষ্যতেও করবে না। সময়ের সাহসী বিপ্লবীরাই আওয়ামীলীগ করে।তাই আওয়ামীলীগের মৃত্যু নেই।

🔴 রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ হওয়ার পর পলিটিকাল এনালিস্ট দেবাশীষ দা আমাকে বলেছিলেন , " আওয়ামীলীগের কোমর সোজা করে দাঁড়াতে নূন্যতম তিন বছর লাগবে ‌।" সেদিন দেবাশীষ দার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলেছিলাম, "আমি খুব সাধারণ মানুষ। রাজনীতির এত কঠিন জিওপলিটিক্স আমি বুঝি না।"

ইতিহাসে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যতবার নিষিদ্ধ হয়েছে ততবার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা আবার ফিরে এসেছে। এজন্যই কার্ল তার বিখ্যাত গ্রন্থ " দ্য এইটিন্থ ব্রুমায়ার অফ লুই বোনাপার্ট" গ্রন্থে স্পষ্ট করে বলে গেছেন -

" History repeats itself."

তার ব্যাখা দিতে গিয়ে তিনি প্রথমবার ট্রাজেডি ও দ্বিতীয়বার ফার্স শব্দটি উল্লেখ করেছেন। এজন্য আওয়ামীলীগকে তাদের ঐতিহাসিক অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। জার্মান দার্শনিক ও ঐতিহাসিক হেগেল মনে করতেন , " ইতিহাসের সব বড় বড় ঘটনা ও চরিত্র যেন দুইবার ফিরে আসে।" তার সুত্র ধরেই কার্ল মার্কস ট্রাজেডি ও ফার্স এর কথা বলে গেছেন ‌। তাই রাজনৈতিক ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারলে আওয়ামীলীগ প্রকৃতির নিয়মেই সাইক্লোন হয়ে ফিরে আসবে।

সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম ভাইয়ের ওয়াল থেকে নেওয়া।
২২-০৬-২০২৬।

গোপালগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।গোপালগঞ...
19/06/2026

গোপালগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের কোনো ভোটার ভোটার নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন বা নির্বাচন অফিসের সেবা নিতে গিয়ে প্রতারণা, হয়রানি বা অনিয়মের শিকার হয়ে থাকলে দ্রুত আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার তথ্য ও পরিচয় গোপন রাখা হবে।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন হোন, সত্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। 🇧🇩✍️

গোপালগঞ্জে আইসিইউ উদ্বোধনঃ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ উদ্বোধন, স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজ...
14/06/2026

গোপালগঞ্জে আইসিইউ উদ্বোধনঃ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ উদ্বোধন, স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।

রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে দেশের ১০টি জেলার ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ উদ্বোধন করেন। পরে ডা. কে এম বাবর গোপালগঞ্জের আইসিইউর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, আধুনিক আইসিইউ চালুর মাধ্যমে সংকটাপন্ন রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা এখন জেলাতেই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, পূর্বে আর্থিক অনিয়ম ও নিম্নমানের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের কারণে এ সেবা দীর্ঘদিন কার্যকর ছিল না।

14/06/2026

ফিরে দেখা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রহমানের টুঙ্গিপাড়ায় নৌকার পক্ষে মিছিল।

এই বুড়ো লোকটিকে চিনেন?চেনার কথা নয়?চিনিয়ে দেই। উনি তৎকালীন পাকিস্তানি আর্মি ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের হাবিলদার পদে চাকরি ...
31/05/2026

এই বুড়ো লোকটিকে চিনেন?চেনার কথা নয়?চিনিয়ে দেই। উনি তৎকালীন পাকিস্তানি আর্মি ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের হাবিলদার পদে চাকরি করতেন।

উনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার অপরাধে রাজাকাররা তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়েছিলো।এটা শুনে যুদ্ধের ময়দান থেকে বাড়ী এসেছিলো স্ত্রী সন্তানের খবর নিতে।এসে দেখলো তাঁর স্ত্রী সতীত্ব বাচাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্বহত্যা করেছে। বাচ্চারা একজনও বেচে নেই।

পাহাড় সমান শোককে শক্তি করে বাড়ি ছেড়েছিলেন আর দেশ স্বাধীন করেই তবে বাড়ী ফিরেছিলেন।মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি পাঁচ হাজার মুক্তিযোদ্ধার এক দুধর্ষ গেরিলা বাহিনী গড়েছিলেন যারা বরিশাল, ঝালকাঠি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর আর বাগেরহাট এলাকায় দুর্দান্ত প্রতাপের সাথে যুদ্ধ করে পাকিস্তানী হানাদার আর তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের পরাভুত করেছে।

একদিন সম্মুখ যুদ্ধে একটা বুলেট লোকটার গালের একপাশ দিয়া ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেড়িয়ে যায়।আটটা দাঁত পড়ে গেল।ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিলো তবুও লোকটা যুদ্ধ থামায় নি,অজ্ঞান হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদাররা পরাজিত হয়ে পালিয়েছিলো।

এই বুড়ো লোকটির নাম হেমায়েত উদ্দিন। হেমায়েত বাহিনীর প্রধান বীর বিক্রম হেমায়েত উদ্দিন।

শুধু বাংলাদেশের না,সমগ্র মডার্ন মিলিটারি ইতিহাসের অন্যতম গেরিলা লিজেন্ড।২০১৬ সালের ২২ অক্টোবর এই লোকটা ঘুমিয়ে গেছে।অনন্ত ঘুম।কেউই মনে রাখেনি।এই মাটিতে এরকম আরো অনেক হেমায়েত ঘুমায়।তাতে কার কি আসে যায়??

সত্যটা কি জানেন এইটা হেমায়েতগো দেশ।এই দেশটা হেমায়েতরা আমাদের বেচে থাকার জন্য স্বাধীন করে দিয়ে গেছে। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা এভাবেই নীরবে নিভৃতে হারিয়ে যায় লোকচক্ষুর অন্তরালে.........

বিনম্র শ্রদ্ধা। পরপারে ভালো থাকুন 🙏❤️

শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুত্‍ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন। তার দুই ভাই ও চার বোন সহ মোট ছয় ভাই-বোন ছিল; এদের মধ...
31/05/2026

শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুত্‍ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন। তার দুই ভাই ও চার বোন সহ মোট ছয় ভাই-বোন ছিল; এদের মধ্যে মুজিব ছিলেন তৃতীয়। তার বড় বোন ফাতেমা বেগম, মেজ বোন আছিয়া বেগম, সেজ বোন হেলেন ও ছোট বোন লাইলী; তার ছোট ভাইয়ের নাম শেখ আবু নাসের।

Address

Kalibari More
Gopalganj
8100

Telephone

+8801842339306

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gopalgonj TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Gopalgonj TV:

Shortcuts

Share