Gopalgonj TV

Gopalgonj TV It is one the best Facebook TV Channel Page for Bangladeshi Citizen to get all kinds of news and entertainments.

এই বুড়ো লোকটিকে চিনেন?চেনার কথা নয়?চিনিয়ে দেই। উনি তৎকালীন পাকিস্তানি আর্মি ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের হাবিলদার পদে চাকরি ...
31/05/2026

এই বুড়ো লোকটিকে চিনেন?চেনার কথা নয়?চিনিয়ে দেই। উনি তৎকালীন পাকিস্তানি আর্মি ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের হাবিলদার পদে চাকরি করতেন।

উনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার অপরাধে রাজাকাররা তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়েছিলো।এটা শুনে যুদ্ধের ময়দান থেকে বাড়ী এসেছিলো স্ত্রী সন্তানের খবর নিতে।এসে দেখলো তাঁর স্ত্রী সতীত্ব বাচাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্বহত্যা করেছে। বাচ্চারা একজনও বেচে নেই।

পাহাড় সমান শোককে শক্তি করে বাড়ি ছেড়েছিলেন আর দেশ স্বাধীন করেই তবে বাড়ী ফিরেছিলেন।মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি পাঁচ হাজার মুক্তিযোদ্ধার এক দুধর্ষ গেরিলা বাহিনী গড়েছিলেন যারা বরিশাল, ঝালকাঠি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর আর বাগেরহাট এলাকায় দুর্দান্ত প্রতাপের সাথে যুদ্ধ করে পাকিস্তানী হানাদার আর তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের পরাভুত করেছে।

একদিন সম্মুখ যুদ্ধে একটা বুলেট লোকটার গালের একপাশ দিয়া ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেড়িয়ে যায়।আটটা দাঁত পড়ে গেল।ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিলো তবুও লোকটা যুদ্ধ থামায় নি,অজ্ঞান হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদাররা পরাজিত হয়ে পালিয়েছিলো।

এই বুড়ো লোকটির নাম হেমায়েত উদ্দিন। হেমায়েত বাহিনীর প্রধান বীর বিক্রম হেমায়েত উদ্দিন।

শুধু বাংলাদেশের না,সমগ্র মডার্ন মিলিটারি ইতিহাসের অন্যতম গেরিলা লিজেন্ড।২০১৬ সালের ২২ অক্টোবর এই লোকটা ঘুমিয়ে গেছে।অনন্ত ঘুম।কেউই মনে রাখেনি।এই মাটিতে এরকম আরো অনেক হেমায়েত ঘুমায়।তাতে কার কি আসে যায়??

সত্যটা কি জানেন এইটা হেমায়েতগো দেশ।এই দেশটা হেমায়েতরা আমাদের বেচে থাকার জন্য স্বাধীন করে দিয়ে গেছে। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা এভাবেই নীরবে নিভৃতে হারিয়ে যায় লোকচক্ষুর অন্তরালে.........

বিনম্র শ্রদ্ধা। পরপারে ভালো থাকুন 🙏❤️

শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুত্‍ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন। তার দুই ভাই ও চার বোন সহ মোট ছয় ভাই-বোন ছিল; এদের মধ...
31/05/2026

শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুত্‍ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন। তার দুই ভাই ও চার বোন সহ মোট ছয় ভাই-বোন ছিল; এদের মধ্যে মুজিব ছিলেন তৃতীয়। তার বড় বোন ফাতেমা বেগম, মেজ বোন আছিয়া বেগম, সেজ বোন হেলেন ও ছোট বোন লাইলী; তার ছোট ভাইয়ের নাম শেখ আবু নাসের।

আজ কোর্ট মসজিদের বড় হুজুর ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ ও খুতবা শেষে মোনাজাতের সময় হুজুর বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্য দোয...
28/05/2026

আজ কোর্ট মসজিদের বড় হুজুর ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ ও খুতবা শেষে মোনাজাতের সময় হুজুর বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্য দোয়া করলেন— Begum Khaleda Zia, Tarique Rahman এবং এমপি বাবরের নামও উল্লেখ করলেন।

কিন্তু গভীর কষ্টের বিষয় হলো, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা Sheikh Mujibur Rahman এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-এর নাম একবারও উচ্চারণ করা হলো না।

যাদের অবদান ও ইতিহাসের সঙ্গে এই দেশ, এই উন্নয়ন এবং এমন সুন্দর ঈদগাহ মাঠের স্মৃতি জড়িয়ে আছে, তাদের এভাবে উপেক্ষা করা সত্যিই আমাকে ব্যথিত করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার তিন মেয়ে, রক্তের রাজনীতি আর এক নিষ্ঠুর নিয়তি!🌐 সেই পুরনো কথা: ব্রিটিশ পত্রিকার সেই কড়া ভবিষ্যদ্বাণী🔹 আজ থে...
21/05/2026

দক্ষিণ এশিয়ার তিন মেয়ে, রক্তের রাজনীতি আর এক নিষ্ঠুর নিয়তি!
🌐 সেই পুরনো কথা: ব্রিটিশ পত্রিকার সেই কড়া ভবিষ্যদ্বাণী
🔹 আজ থেকে ২০-২২ বছর আগের কথা। নাইন-ইলেভেনের পর পুরো দুনিয়া যখন উগ্রবাদের আতঙ্কে কাঁপছিল, তখন ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ আর ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর মতো বড় বড় ব্রিটিশ পত্রিকা একটা মারাত্মক কথা বলেছিল।

🔹 তারা লিখেছিল—দক্ষিণ এশিয়াকে যদি উগ্রবাদ আর ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হয়, তবে তিনজন ধর্মনিরপেক্ষ আর লড়াকু নারী নেত্রীর কোনো বিকল্প নেই। তারা হলেন আমাদের বাংলাদেশের শেখ হাসিনা, পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো আর ভারতের সোনিয়া গান্ধী। পশ্চিমা দুনিয়া ভাবত, এই তিন নারীই হচ্ছে এই অঞ্চলের শান্তির শেষ দেয়াল।

🔹 কিন্তু আজ দুই দশক পর পেছনে তাকালে বুকটা কেঁপে ওঠে। এই শান্তির দেয়াল হতে গিয়ে, উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে এই তিন শক্তিমান নারীকে কী নির্মম মূল্য চোকাতে হয়েছে, তা ভাবা যায় না!

💔 তিন নেত্রীর কপাল: রক্ত, খাঁচা আর নির্বাসন
কাগজে-কলমে লেখা সেই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবতার মাটিতে এসে একেকজনের জীবনে একেক রকম রূপ নিল:

💥 বেনজির ভুট্টো (রক্তে ভেজা বিদায়): পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত, আধুনিক বেনজির ছিলেন উগ্রবাদীদের এক নম্বর টার্গেট। তিনি নিজেই জানতেন তাকে মেরে ফেলা হবে, তাও মাঠ ছাড়েননি। ফলাফল? ২০০৭ সালের এক শীতের বিকেলে, রাওয়ালপিন্ডির জনসভা শেষে উগ্রবাদীদের বোমা আর গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গেল তার শরীর। বেনজিরের মৃত্যুর সাথে সাথেই পাকিস্তানের বুক থেকে শান্তির স্বপ্নটাও হারিয়ে গেল।

🛡️ সোনিয়া গান্ধী (অদৃশ্য খাঁচার জীবন): চোখের সামনে শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী আর স্বামী রাজীব গান্ধীকে উগ্রবাদীদের হাতে টুকরো টুকরো হতে দেখেছেন। সোনিয়া গান্ধী নিজে প্রধানমন্ত্রী না হলেও ভারতের ক্ষমতার আসল চাবিকাঠি ছিল তার হাতেই। উগ্রবাদীদের এত হুমকি ছিল যে, ভারতের ইতিহাসে তাকে সবচেয়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে (SPG Security) আটকে রাখা হয়েছিল। তিনি হয়তো বুলেটের হাত থেকে বেঁচে গেছেন, কিন্তু সারাটা জীবন তাকে কাটাতে হয়েছে এক অদৃশ্য খাঁচায়, প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর ভয় সাথে নিয়ে।

🎯 শেখ হাসিনা (১৯ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা): এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা আর সরাসরি লড়াইটা লড়েছেন শেখ হাসিনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ অন্তত ১৯ বার তাকে পুড়িয়ে, উড়িয়ে বা গুলি করে মারার চেষ্টা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন দিয়ে মানবঢাল বানিয়ে তাকে বাঁচিয়েছেন। ভারত আর পশ্চিমাদের চোখে তিনিই ছিলেন এ দেশের উগ্রবাদ দমনের ‘আয়রন লেডি’।

🇺🇸 ২০২৪: 'গণঅভ্যুত্থান' নাকি আমেরিকার সাজানো ছক?
🔹 কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে এসে পুরো সমীকরণটা এক রাতে উল্টে গেল। শুরুতে আমাদের অনেকের মনে হয়েছিল এটা বুঝি সাধারণ ছাত্র-জনতার একটা আবেগের গণঅভ্যুত্থান। আমরা অনেকেই আবেগে ভেসে রাস্তায় নেমে গিয়েছিলাম। কিন্তু আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে যখন এক এক করে ডালপালা মেলছে, তখন পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে—সেটা আসলে সাধারণ কোনো আন্দোলন ছিল না! এটা ছিল পুরোপুরি আমেরিকার সাজানো একটা 'কালার রেভ্যুলিউশন' (Color Revolution) বা ক্ষমতার নিখুঁত পালাবদল। সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে ওয়াশিংটন তার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।

🔹 আর এই ক্ষমতার পালাবদলের চড়া মূল্য এখন দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আমেরিকার কাছে একে একে দেশের অনেক কিছু নাকি ইতিমধ্যেই সঁপে দেওয়া হয়েছে:

সেন্টমার্টিন ও বন্দর: বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ আর সেন্টমার্টিন দ্বীপে মার্কিন আধিপত্যের যে বহু বছরের লোভ ছিল, সেটা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়।

গোয়েন্দা তথ্য ও GSOMIA চুক্তি: আমেরিকার বহুদিনের আবদার ছিল GSOMIA চুক্তিতে সই করা, যার মাধ্যমে দেশের ভেতরের সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সরাসরি তাদের হাতে চলে যায়। সাথে আছে ACSA/ARCA চুক্তি, যা দিয়ে তারা আমাদের বন্দর আর লজিস্টিক সুবিধা নিজেদের মতো ব্যবহার করতে পারবে। দেশের সার্বভৌমত্ব আজ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে!

📈 পপুলিজমের ফাঁদ আর শেখ হাসিনার সেই চিরচেনা 'কামব্যাক'
🔹 ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সত্য হলো—একটা সরকারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া যত সহজ, একটা দেশ চালানো তার চেয়ে হাজার গুণ কঠিন। ২০২৪-এর পর যারা ক্ষমতায় বসলো, আর যারা পেছনে থেকে পপুলিস্ট (জনতুষ্টিবাদী) রাজনীতি করছে, তারা দেশের অর্থনীতি আর শাসনব্যবস্থাকে এক চরম যাতাকলে পিষে ফেলেছে।

🔹 যে স্বৈরাচার বা স্বেচ্ছাচারিতার দোহাই দিয়ে আগের সরকারকে নামানো হলো, এখনকার অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা আর দলগুলো তার চেয়েও বেশি স্বেচ্ছাচারী আর অগোছালো হয়ে উঠেছে। মানুষের মনের ভেতরের সেই আবেগ এখন চরম হতাশায় রূপ নিয়েছে। দেশের এই ‘শাসনহীন শূন্যতা’ আর হাহাকারই এখন মানুষের মনে ‘অতীতের সেই ভালো দিনগুলোর’ প্রতি টান তৈরি করছে। আর রাজনীতিতে এই শূন্যতাই সবসময় মাইনাস হওয়া শক্তিকে হিরোর মতো ফিরিয়ে আনে।

🔹 ঠিক এই কারণেই আজ শেখ হাসিনা দিল্লির নিরাপদ আশ্রয়ে বসে বুক ফুলিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন আর হুংকার ছাড়ছেন—"আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশে ফিরব!" এই লড়াকু মানসিকতার ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে ইতিহাসের পাতায়:

🔥 সারভাইভার মেন্টালিটি: ১৯৭৫ সালে পুরো পরিবার হারানো আর ১৯ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা এই নারী দমে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি একজন জাত পলিটিক্যাল সারভাইভার। প্রতিপক্ষের ভুলের জন্য ওত পেতে থাকাটা তার মজ্জাগত।

🌍 ভূ-রাজনৈতিক ঢাল: দিল্লির সমর্থন তার পেছনে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান সরকারের এই চরম ব্যর্থতা আর আমেরিকার এই নগ্ন থাবা মূলত দিল্লির সেই পুরনো কথাকেই আন্তর্জাতিক মহলে সত্যি প্রমাণ করছে—যে, "শেখ হাসিনা ছাড়া এই দেশে স্থিতিশীলতা রাখার ক্ষমতা আর কারও নেই।"

⏳ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: উপমহাদেশে এটা নতুন কিছু নয়। ১৯৭৭ সালে ইমার্জেন্সি জারি করার অপরাধে ভারতের মানুষ ইন্দিরা গান্ধীকে লাথি মেরে ক্ষমতা থেকে তাড়িয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা আর কামড়াকামড়ির সুযোগ নিয়ে ঠিক ৩ বছরের মাথায় ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী আবার রাজার মতো ক্ষমতায় ফিরে এসেছিলেন। পাকিস্তানে বেনজির ভুট্টোও বারবার নির্বাসন থেকে হিরোর মতো ব্যাক করেছিলেন।

📌 শেষ কথাঃ
🔹 ২০০১ সালে ব্রিটিশ মিডিয়া যা বলেছিল, ২০২৪ সালের পর তার রূপ আজ সম্পূর্ণ অন্যরকম। লড়াইটা এখন আর ভেতরের কোনো উগ্রবাদ বনাম ধর্মনিরপেক্ষতার নয়; লড়াইটা এখন বিশ্ব মোড়লদের নিজেদের আধিপত্যের প্রক্সি ওয়ার।

🔹 বর্তমান ব্যবস্থার এই সস্তা পপুলিজম আর দেশ চালাতে না পারার ব্যর্থতা যদি সাধারণ মানুষকে ন্যূনতম শান্তি আর স্বস্তি দিতে না পারে, তবে শেখ হাসিনার এই "ফিরে আসার" ঘোষণা শুধু মুখের কথা হয়ে থাকবে না। এটা বাস্তবে রূপ নেওয়া এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ক্ষমতার খেলা কতটা রক্তক্ষয়ী আর ভবিষ্যৎ কতটা গোলমেলে—এই তিন মেয়ের গল্পই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

💬 আপনার কী মনে হয়? আমেরিকার এই কালার রেভ্যুলিউশন আর একের পর এক দাসত্বমূলক চুক্তি কি আমাদের চিরকালের জন্য পরনির্ভরশীল করে দিল? আর এই চরম ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর মতোই কি শেখ হাসিনার এক রাজকীয় প্রত্যাবর্তন আমরা দেখতে যাচ্ছি? আপনার মন কী বলে? কমেন্টে জানান। 👇

#রক্তেররাজনীতি #শেখহাসিনা #দক্ষিণএশিয়া #ভূরাজনীতি #কালাররেভ্যুলিউশন #বাস্তবতা

16/05/2026
রংপুরে কৃষিতে সাফল্য, জীবিকার অনিশ্চয়তায় মানুষ
16/05/2026

রংপুরে কৃষিতে সাফল্য, জীবিকার অনিশ্চয়তায় মানুষ

বর্তমান প্রজন্মদের জানা উচিতঃ "জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হতে চেয়েছিলেন।"সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন (বাংলাদেশের...
16/05/2026

বর্তমান প্রজন্মদের জানা উচিতঃ "জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হতে চেয়েছিলেন।"

সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের স্ত্রী) তখন আওয়ামী লীগের কনভেনর। অন্যদিকে চিফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিয়াউর রহমান তখনও রাজনৈতিক দল করেননি।

এ সময়ে একদিন রাতে জোহরা তাজউদ্দিনের ধানমন্ডির বাসায় যান জিয়াউর রহমান। এবং জিয়াউর রহমান সেদিন জোহরা তাজউদ্দিনকে যা বলেন তা ছিল এমনই, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আমি আওয়ামী লীগের বাইরে যেতে চাই না। বরং আপনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট থাকুন আমি আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি হই। এবং দেশে নির্বাচন দিয়ে দেই। আওয়ামী লীগই তো নির্বাচনে জিতে আসবে। আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমি দেশের প্রেসিডেন্ট থাকব।
জোহরা তাজউদ্দিন তার উত্তরে বলেছিলেন, দেখুন জিয়া আওয়ামী লীগ এইভাবে সরকারে যাবে না, এই পথে রাজনীতিও করবে না। বরং আপনি আপনার পথে যান, আমরা আমাদের পথে হাঁটি।

জিয়াউর রহমান তার উত্তরে বলেছিলেন, ভাবী আপনি তো জানেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এ দেশে রাজনৈতিক দল করতে হলে রাজাকার, আলবদরদের নিয়ে করতে হবে। এবং আপনারা না এলে আমাকে তাই করতে হবে। আপনি একটু চিন্তা করেন। আমি আগামী সপ্তাহে আবার আসব।

পরের সপ্তাহেও এক রাতে জিয়াউর রহমান গিয়েছিলেন, এবং জোহরা তাজউদ্দিন তাঁকে একই উত্তর দিয়েছিলেন।

জোহরা তাজউদ্দিনের কাছে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় বসে এই ঘটনা শোনার পরে কৌতূহল বশত তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন তিনি জিয়াউর রহমানকে ওভাবে মুখের ওপর না বলে দিয়েছিলেন। এবং জিয়াউর রহমানের প্রস্তাব শুনলে কি, দেশে রাজাকার আলবদরদের উত্থান কমত না?

জোহরা তাজউদ্দিনকে যারা কাছের থেকে জানেন— সকলেই জানেন অত্যন্ত রাশভারী মানুষ ছিলেন। আবার খুবই স্নেহপ্রবণ মানুষও ছিলেন। তিনি অত্যন্ত স্নেহের কণ্ঠে উত্তর দেন, দেখ আওয়ামী লীগকে কখনও কনভেনশনাল মুসলিম লীগ (মুসলিম লীগের একটি অংশ যারা দলের সঙ্গে বেঈমানি করে কনভেনশন ডেকে একটি মুসলিম লীগ বানিয়ে আইয়ুব খানের সঙ্গে গিয়েছিল । তাই ওই মুসলিম লীগকে বলা হতো কনভেনশনাল মুসলিম লীগ) বানানো যায় না। আওয়ামী লীগ জন-মানুষের দল। এটা কর্মীদের দল। এই দল কখনও সামরিক শাসনের অংশ হয় না। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা হত্যা সহ অসংখ্য হত্যার ভেতর দিয়ে যারা রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটিয়েছে, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ যোগ দিলে আর বাংলাদেশ থাকে না। বাঙালি জাতিও থাকে না।

পরবর্তীতে বিষয়গুলো আরও উপলব্ধি করার অনেক সুযোগ ও তথ্য দীর্ঘ সময় ধরে পেয়েছি। সে অন্য প্রসঙ্গ। তবে জিয়াউর রহমান তাঁর প্রথম উদ্যোগে ব্যর্থ হলেও তিনি যে খুবই বুদ্ধিমান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বুঝতেন— তা তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপে বোঝা যায়। জিয়াউর রহমান সামরিক বাহিনীর মানুষ হলেও রাজনৈতিক দল বোঝার অবশ্য একটা যৌক্তিক কারণ ছিল। যেহেতু সার্ভিসে তাঁর দায়িত্বের মধ্যে ছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে জানা।

যাহোক, আওয়ামী লীগকে সরকারি দল না বানাতে পারলেও তিনি এই সত্য বুঝেছিলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখলে ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে সরকার আসবে তা বেশিদিন টিকবে না। এবং প্রকৃত বৈধতাও পাবে না।

যে কারণে ১৯৭৯’র সংসদ নির্বাচনের আগে জিয়াউর রহমান যখন খবর পান— আওয়ামী লীগ নেতারা বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করে গোয়ালন্দের পথে মানিকগঞ্জ হয়ে ফেরার সময় সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধে যান। এবং সেখানে সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন জাতীয় স্মৃতি সৌধ স্পর্শ করিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিজ্ঞা করান, তারা নির্বাচনে যাবার সিদ্ধান্ত নেবে না। ওই সময়ে সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন আওয়ামী লীগের কনভেনর ছিলেন না, সহসভাপতি ছিলেন। কিন্তু দলে তাঁর প্রভাব ছিল অনেক বেশি। তিনি এই শপথ করিয়েছিলেন, সে কথাও তাঁর কাছ থেকে নিশ্চিত করার সুযোগ হয়েছিল।

সাংবাদিক এম আর আকতার মুকুল ও দাউদ খান মজলিশ সে সময়ে জিয়াউর রহমানের সরকারে কাজ করেন। এম আর আকতার মুকুল ব্যক্তিগত আলোচনায় বলেন, নির্বাচনে যাবার প্রশ্নে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং শুরু হবার আগেই জিয়াউর রহমান ওই ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং মনিটর করার দায়িত্ব দেন দাউদ খান মজলিশকে। এবং সেখানে প্রতিদিন কী সিদ্ধান্ত হয় তা প্রতিদিনই তাকে জানাতে নির্দেশ দেন। দাউদ খান মজলিশ ওইভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতটা ঘনিষ্ঠ ছিলেন না যতটা ছিলেন এম আর আকতার মুকুল। তাই দাউদ খান মজলিশ তাঁর বন্ধু এম আর আকতার মুকুলের শরণাপন্ন হন।

আওয়ামী লীগের ওই ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং-এ প্রথম দিকে সকলেই নির্বাচনে না যাবার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু তখনকার আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারী ও বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে হঠাৎ জনপ্রিয় হয়ে ওঠা নেতা আব্দুর রাজ্জাক তৃতীয় দিনের সভায় দলকে নির্বাচনে যাবার পক্ষে সিদ্ধান্ত পাস করাতে সমর্থ হন।

কেন আব্দুর রাজ্জাক একাজ করেছিলেন, সে প্রসঙ্গ লিখতে গেলে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর কেরানীগঞ্জের এমপি বোরহান উদ্দিন গগনের বাসা থেকে আব্দুর রাজ্জাকের গ্রেফতার হওয়া থেকে শুরু করে ১৯৮৪-তে আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ভাঙা অবধি যাবতীয় কর্মকাণ্ড লিখতে হয়। সে আরেক সপ্তকাণ্ড রামায়ণ।

যাহোক, এম আর আকতার মুকুল যখন দ্রুত বের হয়ে এসে দাউদ খান মজলিশকে এই খবর দেন। দাউদ খান মজলিশ তখন এম আর আকতার মুকুলকে গাড়িতে তুলে নিয়ে জিয়াউর রহমানের কাছে যান। তারা গিয়ে দেখেন জিয়াউর রহমান রুমের এ মাথা ও মাথা পায়চারি করছেন। এম আর আকতার মুকুলের ভাষায়, দাউদের মুখ থেকে ওই খবর শোনার পরে তিনি পায়চারি থামিয়ে স্থির হন। এর পরে তিনি তার চরমপত্রের ভাষায় বলেন, “ঘাম ছাইড়্যা তাঁর জ্বর গেল।”

তবে বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসের দিকে তাকালে বলা যায়, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ নির্বাচন করেছিলেন, ওই নির্বাচনের পরে তিনি ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলেন মাত্র ১৭ মাস কয়েক দিন। খালেদা জিয়া ১৯৯৬-তে আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে নির্বাচন করেছিলেন, ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলেন মাত্র ১২ দিন। ২০০৭ এর ২২ ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএনপি দেশকে ভিন্ন যাত্রায় ঠেলে দেয়।

স্বদেশ রায়
সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক,
সম্পাদক, সারাক্ষণ

স্পিডবোটে যাত্রী পরিবহনের জন্য কি.মি. প্রতি এবং নৌরুট ভিত্তিক জনপ্রতি যাত্রীভাড়া পুনঃনির্ধারণ করা প্রসঙ্গে।
13/05/2026

স্পিডবোটে যাত্রী পরিবহনের জন্য কি.মি. প্রতি এবং নৌরুট ভিত্তিক জনপ্রতি যাত্রীভাড়া পুনঃনির্ধারণ করা প্রসঙ্গে।

18/03/2026

ক্যামেরার সামনে আসতে লজ্জা লাগে? তবুও YouTube বা Instagram থেকে ইনকাম করতে চান?
আজ দিচ্ছি 100% FREE AI Faceless Creator Pack। 👇

কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আপনার দামি ক্যামেরা, লাইটিং বা মাইক কিছুই লাগবে না। স্মার্টফোন আর এই ফ্রি টুলসগুলো দিয়েই আপনি পুরো একটি প্রফেশনাল চ্যানেল মেইনটেইন করতে পারবেন। চলুন দেখে নিই কোন টুলের কী কাজ এবং কীভাবে এগুলো ব্যবহার করবে:
- Content Research & Ideas
ভিডিও বানানোর আগে জানতে হবে মানুষ আসলে কী দেখতে চায়। এর জন্য Perplexity ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে একদম কারেন্ট ট্রেন্ডিং টপিক এবং মানুষ কী লিখে সার্চ করছে, তার ডিটেইলস বের করে দিবে।
এরপর আপনার পুরো কাজের পাইপলাইন গুছিয়ে রাখার জন্য Notion ব্যবহার করুন। এখানে আপনি Ideas → Script → Video → Posted এই ফরমেটে একটি বোর্ড বানিয়ে আপনার সব কাজ ট্র্যাক করতে পারবেন।
- Scripting & Hooks
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার মেইন সিক্রেট হলো স্ক্রিপ্ট এবং হুক। এর জন্য DeepSeek বা Qwen ব্যবহার করুন। এরা অসাধারণ সব স্ক্রিপ্ট লিখে দিতে পারে।
এখানে একটি দারুণ Prompt দেওয়া হলো, যেটা আপনি কপি-পেস্ট করে ব্যবহার করতে পারেন:
Act as an expert YouTube Shorts scriptwriter who specializes in viral faceless content. I am creating a 60-second video about [Insert Your Topic, e.g., Hidden AI Tools for Students]. Write a highly engaging, fast-paced script. Start with a strong, curiosity-driven hook in the first 3 seconds. Keep the sentences punchy and conversational. Include visual cues in brackets [like this] to tell me exactly what kind of background video or image I should show on the screen. End with a subtle call to action.
- Visuals & Scenes
যেহেতু আপনি নিজের মুখ দেখাবে্ন না, তাই আপনাকে ভিডিওর ভিজ্যুয়াল হতে হবে আই-ক্যাচি।
প্রথমে Nano Banana 2 ব্যবহার করে আপনাকে স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী সুন্দর সুন্দর base images বা সিন জেনারেট করে নিন।
এরপর সেই স্থির ছবিগুলোকে অ্যানিমেট করার জন্য বা সরাসরি text-to-video বানানোর জন্য Wan Video অথবা Grok ব্যবহার করুন। এগুলো আপনার ছবিগুলোতে রিয়েলিস্টিক মোশন এনে দিবে।
- Voiceover & Audio
নিজের ভয়েস দিতে না চাইলে কোনো সমস্যা নেই। Voicebox ব্যবহার করে একদম মানুষের মতো শোনায় এমন AI voiceover জেনারেট করে নিন। চেষ্টা করবে্ন আপনার সব ভিডিওতে একই ক্যারেক্টারের ভয়েস রাখতে, এতে চ্যানেলের একটি কনসিস্টেন্সি থাকবে।
ভয়েসওভারের পিছনে একটি সুন্দর background track লাগানোর জন্য Suno বা Udio ব্যবহার ক্রুন। এগুলো দিয়ে আপনি একদম রয়্যালটি ফ্রি অরিজিনাল মিউজিক বানাতে পারবেন।
- Editing & Packaging
সব ম্যাটেরিয়াল রেডি হয়ে গেলে CapCut এ চলে যা্ন। ভিডিও ক্লিপ, ভয়েসওভার এবং মিউজিক একসাথে জুড়ে দিন। CapCut এর সবচেয়ে বেস্ট ফিচার হলো এর auto-caption। এক ক্লিকেই স্ক্রিনে সুন্দর পপ-আপ ক্যাপশন বসিয়ে নিন এবং Shorts/Reels ফরমেটে এক্সপোর্ট করুন।
চ্যানেলের লোগো, ব্যানার এবং ভিডিওর থাম্বনেইল ডিজাইনের জন্য Canva ব্যবহার করুন। এখানে হাজার হাজার ফ্রি টেমপ্লেট আছে, জাস্ট ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করে প্রফেশনাল ডিজাইন বানিয়ে ফেলুন।
- Publishing & Monetization
রোজ একই সময়ে ভিডিও আপলোড করা একটু ঝামেলার। তাই Buffer ব্যবহার করুন। এখানে ভিডিওগুলো শিডিউল করে রাখলে, এরা অটোমেটিক আপনার সব সোশ্যাল মিডিয়াতে (যেখানে যেখানে সাপোর্ট করে) আপলোড করে দিবে।
চ্যানেল একটু গ্রো করলে ইনকামের জন্য শুধু অ্যাডের আশায় বসে থেকো না। Gumroad এ আপনি বিভিন্ন faceless digital products (যেমন: ইবুক, টেমপ্লেট, চেকলিস্ট) বানিয়ে ফ্রিতে সেল করতে পা্রেন।
আর লং-টার্মে অডিয়েন্স ধরে রাখার জন্য Substack ব্যবহার করে একটি email list তৈরি করতে পারো, যেন আপনার ফ্যানরা সবসময় আপনার সাথেই কানেক্টেড থাকে।

http://Webinarkit.com (এআই দিয়ে ওয়েবিনার তৈরি ও ম্যানেজ করতে)http://Yoinkit.ai (যেকোনো কনটেন্টকে ভাইরাল কনটেন্টে রূপান্ত...
18/03/2026

http://Webinarkit.com (এআই দিয়ে ওয়েবিনার তৈরি ও ম্যানেজ করতে)
http://Yoinkit.ai (যেকোনো কনটেন্টকে ভাইরাল কনটেন্টে রূপান্তর করতে)
http://Sociableai.io (ভাইরাল কমেন্ট জেনারেট করতে)
http://Adcreative.ai (বিজ্ঞাপনের জন্য পারফেক্ট ক্রিয়েটিভ বানাতে)
http://Canva.com (যেকোনো কিছু প্রফেশনালি ডিজাইন করতে)
http://Brandbutler.ai (পারফেক্ট ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি তৈরি করতে)
http://askcoachken.com (এআই রিলেশনশিপ কোচের পরামর্শ নিতে)
http://Resumeenhance.com (রেজ্যুমে আপগ্রেড করে পারফেক্ট বানাতে)
http://V0.dev (ফ্রন্টএন্ড মকআপ জেনারেট করতে)
http://Suno.com (এআই দিয়ে মিউজিক তৈরি করতে)
http://Perplexity.ai (যেকোনো কিছুর সমাধান করতে)
http://Ranked.ai (গুগল, চ্যাটজিপিটি, ক্লডে র‍্যাংক বাড়াতে)
http://Replit.com (কোড লিখতে এবং রান করাতে)
http://Skysnail.io (পারফেক্ট ইউটিউব থাম্বনেইল তৈরি করতে)
http://Soundraw.io (কয়েক সেকেন্ডে মিউজিক প্রডিউস করতে)
http://Threadmaster.ai (ভাইরাল ফেসবুক পোস্ট তৈরি করতে)
http://Submagic.co (লং ভিডিও থেকে শর্টস বানাতে)
http://Hellowarrant.com (জরিমানা এড়াতে মার্কেটিং কমপ্লায়েন্স মেইনটেইন করতে)
http://Gemini.google.com (সেরা এআই দিয়ে ফটো এডিট করতে)
http://Fastread.io (সহজে ইবুক তৈরি করতে)
http://Bibley.io (এআই দিয়ে বাইবেল স্টাডি করতে)
http://Manus.im (অ্যাডভান্সড এআই এজেন্ট রান করাতে)
http://Heygen.com (প্রফেশনাল এআই অ্যাভাটার তৈরি করতে)

Generate AI videos from your ideas using HeyGen. Input text, image, or audio to create complete videos with narration, captions, visuals, and animations.

Address

Kalibari More
Gopalganj
8100

Telephone

+8801842339306

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gopalgonj TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Gopalgonj TV:

Share