30/03/2026
"মতুয়া" শব্দের সাথে ধর্ম যুক্ত করলেই আমাদের নমঃশুদ্রের ঘরের সন্তানেরাই সবার প্রথমে তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠে।যুক্তি,তথ্য,প্রমান ছাড়া কমেন্টতো করেই, সাথে বিশ্রি ভাষায় গালাগালি দিয়ে যায় বিনা মূল্যে।
যদিও ওরা বোঝেনা ওদের মন্তব্যের মূল্য আমার কাছে কত টুকু!!!!!
আমি মতুয়া সৈনিকদের একটুখানি আশ্বস্ত করতে চাই,দেখুন;
পলাশীর প্রান্তে যখন ব্রিটিশদের সাথে যুদ্ধ শুরু হয় সিরাজউদ্দৌলা তখন পরাজিত হয়েছিল নিজ মানুষের ষড়যন্ত্রের কাছে।পরবর্তীতে এই মির্জাফর গুলোর করুন পরিনতি কারোই অজানা নয়।
আবার লক্ষ্য করুন,১৯৭১ সালে যে মুক্তি যুদ্ধ সংগঠিত হল সেখানেও এই নিজ দেশের মানুষ গুলোই স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ঘৃন্য,জঘন্য,প্রানঘাতী,ধর্ষনকারী রাজাকার,আলবদর তকমা গায়ে লাগালো।যদিও তাদের পরাজয় ঘটেছিল মাত্র ৯ মাসে।
ইতিহাস ঘেটে আমরা দেখলাম ব্যক্তি বা দেশ বা ধর্মের স্বাধীনতার প্রথম বাঁধা প্রদানকারী তার নিকটস্ত বিশ্বস্ত মানুষ গুলোই।কিছু মানুষ জন্মায় তার স্বাধীনতা অপরের হাতে তুলে দিয়ে বিভৎস আনন্দে নিজেদের পতন ঘটানোর জন্য।
ব্রিটিশরা,পাকিস্তানিরা অথবা সূর্য কান্ত মজুমদারেরা অথবা তার নায়েবেরা পেশি শক্তি দিয়ে কিছুদিন রাজত্ব কায়েম করলেও দিন শেষে এদের করুন পরাজয় ঘটেছে এটাতো কারোই অজানা থাকার কথা নয়।
সুতরাং এই যে নিজ মানুষ গুলো সবার প্রথমে যে বিরোধী শক্তি হয়ে দাঁড়ায় এটা আপনাকে পরাজিত করতে নয়,বরংচ আপনার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী ও দৃঢ় করতেই আপনার খুব সন্নিকটেই এরা জন্মায়,এরা বেড়ে ওঠে।
আপনার অবস্থানে আপনাকে দৃঢ় থাকতে হবে এটা ভেবেই যে,আপনি একজন সংস্কারপন্থী,আপনি একজন বিপ্লবী,আপনি একজন ক্ষনজন্মা,আপনি একজন গুরুচাঁদ সৈনিক।
কলমাস্ত্রে-
কোনো এক হরিভক্ত(বরুণ বিশ্বাস).............জয় শ্রীহরি............