Andhakar Zone

Andhakar Zone Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Andhakar Zone, Digital creator, Habiganj Sadar.

আমি অই সময় বড় হয়েছি যখন ব্রিজ বানানোর জন্য বাচ্চাদের মাথা ব্যবহার করা হতো 🥴🥴
05/03/2026

আমি অই সময় বড় হয়েছি যখন ব্রিজ বানানোর জন্য বাচ্চাদের মাথা ব্যবহার করা হতো 🥴🥴

অ্যামেরিকা তাঁদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। যু*দ্ধের প্রথম দিন ট্রাম্প বলেছিল - রেজিম (সরকার) উৎখাত করারই এই হামলার ম...
03/03/2026

অ্যামেরিকা তাঁদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। যু*দ্ধের প্রথম দিন ট্রাম্প বলেছিল

- রেজিম (সরকার) উৎখাত করারই এই হামলার মূল উদ্দেশ্য।

এদিকে আজকে অ্যামেরিকান ডিফেন্স সেক্রেটারি বলেছে

- এটা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ওদের পা**র**মাণবিক এবং মিসা*ইল প্রজেক্ট ধ্বং*স করা।

কিছুক্ষণ আগে ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেছে

- যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে।

অর্থাৎ অ্যামেরিকা বুঝে গেছে- চাইলেও ইরানে সরকার উৎখাত করা সম্ভব না। কুয়েতে তিনটা বিমান আজ বিধ্বস্ত হবার পর অ্যামেরিকা বলেছে- কুয়েতিরা নাকি 'ফ্রেন্ডলি ফায়ারে' ভুল করে বিমান তিনটা ধ্বং*স করেছে! 🤣

এফ-১৫ বিমান নিয়ে অ্যামেরিকানরা অনেক গর্ব করে। এখন এই বিমান তো কেউ ফ্রি দিলেও কিনবে না। কারন ইরানের কাছে এর চাইতেও ভালো প্রযুক্তি আছে। যা দিয়ে এফ-১৫ বিমান একের পর এক বিধ্বস্ত করা যায় প্রকাশ্য দিবালোকে। এত বড় ক্ষতি অ্যামেরিকা কীভাবে মেনে নেবে? তাই মিথ্যা গল্প সাজাতে হয়েছে।

এদিকে খোদ ই*জ*রা*ই*লের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান। আইরন ডোম নিয়ে যাদের অনেক গর্ব। সেই গর্বও চূর্ণবিচূর্ণ করে দিচ্ছে ই**রানের মিসা*ইলগুলো। হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ছুটে এসেও আ**ঘাত করতে পারছে।

কাতারের গ্যাস রিফাইনারি ফ্যাসিলিটি আজকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটি টিকেই আছে এর উপর। অ্যামেরিকা সহ পৃথিবীর দেশে দেশে তেল এবং গ্যাসের দাম হুহু করে বাড়ছে। আজকে ট্রাম্প আক্ষেপ করে বলেছে

- ইংল্যান্ড আমাদের সাথে হা**মলায় যোগ দেয় নাই। আমি এই জন্য 'স্যার কেইরের (ইংলেদের প্রধানমন্ত্রীর) উপর বিরক্ত।

এই কথা শুনে অবশ্য ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বসে থাকেনি। সোজা বলে দিয়েছে

- ইংল্যান্ড নিজ থেকে কোন হামলায় অংশ নেবে না।

অর্থাৎ পশ্চিমা দেশগুলোর মাঝেও বিভাজন শুরু হয়েছে। এদিকে এক সৌদি কর্তা বলেছে -

- অ্যামেরিকা ই*জা*রা*ই*লকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে। আর আমরা ইরানের আঘাতে জর্জরিত হচ্ছি।

অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের সরকারগুলোও আস্তে আস্তে অ্যামেরিকার উপর বিরক্ত হচ্ছে। আজকের রাতটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন গতকাল রাত আর আজকে পুরো দিনে ইরান বেশ খানিকটা এগিয়ে ছিল এই যু**দ্ধে। এখন দেখার বিষয় অ্যামেরিকা কীভাবে এর প্রতি*শো*ধ নেয়।

তবে একটা বিষয় বলতেই হচ্ছে- ই**রানের সরকার যদি উৎখাত করতে না পারে। এই যু*দ্ধে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার পরাজয় হিসেবে দেখা হবে।

তাই তিন দিনের মাথায় ওরা যু**দ্ধের উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে বলেছে- পা**র**মাণবিক ও মিসাই**ল প্রযুক্তি ধ্বং**স করতে যায়। সরকার উৎখাত ওদের উদ্দেশ্য না। মানে ওরা পরাজিত হয়েছে, এটা যেন কেউ মনে না করে!

অথচ এই জুনেই ট্রাম্প ই*রান আ*ক্র*মণ করে বলেছিল- ই**রা*নের পা**রমা**ণবিক প্রযুক্তি সম্পূর্ণ ধ্বং**স করা হয়েছে। তাহলে এখন আসলে কী ধ্বং**স করতে চাইছে?

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যে অবস্থা, তাতে এই যু**দ্ধে যদি ই**রা**ন আর কয়েকদিন টিকে থাকতে পারে। তাহলে এখন তো অ্যামেরিকার বিমানগুলো গ্রীসে গিয়ে পালাচ্ছে। এরপর মধ্যপ্রাচ্য থেকে অ্যামেরিকাকে পালাতে হয় কিনা, সেটাই দেখার বিষয়।🤧

আগামী সোমবার আমেরিকার সঙ্গে ইরানের আলোচনার তারিখ ছিলো। তার আগেই প্রতারণার সঙ্গে সুপ্রিম লিডার খামেনি, প্রেসিডেন্ট, সেনাপ...
01/03/2026

আগামী সোমবার আমেরিকার সঙ্গে ইরানের আলোচনার তারিখ ছিলো।

তার আগেই প্রতারণার সঙ্গে সুপ্রিম লিডার খামেনি, প্রেসিডেন্ট, সেনাপ্রধান সহ ইরানের সকল শীর্ষ নেতা ও সামরিক কমান্ডারদের হত্যার জন্য আগাম হামলা করলেও তা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।

এবার ইরান গতবারের কথা মাথায় রেখে তৈরি ছিলো।

চীন ও রাশিয়ার দেয়া আগাম গোয়েন্দা সতর্কীকরণের ফলে সবাইকেই সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।

ইসরাইল ও আমেরিকার অব্যাহত বিমান ও মিসাইল হামলার জবাবে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে অবস্থিত আমেরিকান‌ সামরিক ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এবার আমেরিকা ও ইসরাইলের সাইবার হামলা এবং ইলেকট্রনিক জ্যামিং ইরানের উপর গতবারের মতো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

ইরানের নিজস্ব চেষ্টার পাশাপাশি চীন ও রাশিয়ার সাইবার ও ইলেকট্রনিক জ্যামিং ডিফেন্স সিস্টেম ভালো কাজ করেছে।

ভেনিজুয়েলার পর গ্রীনল্যান্ড আর সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদ দখল করে চীন আর রাশিয়াকে সব জায়গা থেকে ঘাড় ধরে বের দেবার বিষয়টা তাদের খুব একটা পছন্দ হয়নি।

একারণে এইবার নজীরবিহীন গতিতে চীন আর‌ রাশিয়া ইরানকে অস্ত্র আর ডিফেন্স টেকনোলজি সরবরাহ করেছে।

ইরান সীমান্ত থেকে রাশিয়ার সীমান্ত ৪৫০ কিলোমিটার দূরে। মাঝখানে বিশাল একটা লেক যার নাম কাসপিয়ান সাগর।

ফলে অন্য কোনো দেশের উপরে না গিয়েও বিমানে করে সরাসরি রাশিয়া থেকে ইরানে সাপ্লাই পাঠানো সম্ভব।

চীন যেহেতু রাশিয়ার সীমান্তে তাই চীনের পক্ষেও বিমানে‌ করে ইরানে জিনিসপত্র পাঠানো সম্ভব;

ঠিক যেভাবে রাশিয়াকে হারানোর জন্য রুশ-আফগান‌ যুদ্ধের সময় আমেরিকা পাকিস্তান থেকে আফগানিস্তানে জিনিসপত্র পাঠাতো।

কাতারের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ১.১ বিলিয়ন ডলার দামের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি মার্কিন রাডার সিস্টেম এফপি ১৩২ ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান।

এই রাডার সিস্টেমের মিসাইল সনাক্ত করার রেঞ্জ বা আওতা ছিলো ৫০০০ কিলোমিটার।

আমেরিকা ও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড, আয়রণ ডোম, ডেভিডস স্লিং এগুলো এই রাডার সিস্টেমের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিলো।

তাদের সব ধরণের মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মিলেও আমেরিকার এই মহামূল্যবান রাডার সিস্টেমটিকে ইরানের বিশাল মিসাইল বহরের হামলা থেকে বাঁচাতে পারলোনা।

ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র বহরের হামলার ফলে আরো ধ্বংস হয়েছে বাহরাইনের জুফেয়ার এলাকায় অবস্থিত পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি‌ ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড এবং মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর।‌

সেখানে তাদের নৌবাহিনীর জাহাজ মেরামত কারখানাও ছিলো।

আইআরজিসি জেনারেল ইবরাহিম জাব্বারি বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জানা উচিত, আজকে আমরা যে মিসাইলগুলো ছুঁড়েছি, সেগুলো আমাদের বহু পুরনো মডেলের মজুদ।

নতুন এমন জিনিস ছুঁড়বো, যা তারা আগে দেখেনি।

মূলতঃ পুরাতন মিসাইল ছুড়ে আমেরিকা ও ইসরাইলের মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের ইন্টারসেপ্টরের মজুদ শেষ করার পরেই হাইপারসনিক মিসাইল ছুড়বে ইরান।

তবে পুরানো মডেলের মিসাইলের অত্যন্ত বিশাল বহরগুলোই পুরোপুরি আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা আমেরিকান ও ইসরাইলের ঘাটিগুলো।

তাদের ধারণা ছিল গতবারের হামলায় ইরানের অধিকাংশ মিসাইল সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিখ্যাত সাংবাদিক ও বিশ্লেষক আব্দুল বারী আতওয়ানের‌ মতে, শুধু বিমান হামলা করে ইরানের সরকার পরিবর্তন করা অসম্ভব।

সামরিকায়িত রাষ্ট্র ইরান আয়তনের দিক থেকে (৬,৩৬,৩৭২ বর্গ মাইল) ইরাকের প্রায় ৪ গুণ এবং আফগানিস্তানের সোয়া ২ গুণ।

ইরানের শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ হচ্ছে গেরিলা যুদ্ধের উপযোগী দুর্গম পার্বত্য এলাকা।

আফগানিস্তানের প্রায় ৭৫% এলাকাও দুর্গম পার্বত্য এলাকা বলে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে বহিরাগত শক্তিশালী দেশগুলো বারবার চরম বিপদে পড়েছে।

তার উপর আমেরিকাকে খেদানো ও চরম ইস রাইল বিরোধী দেশ আফগানিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে ইরানের অবস্থান, যারা আগ্রাসী ইসরাইলের সঙ্গে ধর্মযুদ্ধের জন্য অস্থির হয়ে আছে।

যদি স্থলপথে অভিযান শুরু হয়, তাহলে আমেরিকা- ভিয়েতনাম যুদ্ধ (১৯৫৫-১৯৭৫) এবং আমেরিকা- আফগানিস্তান যুদ্ধের (২০০১-২০২১) চাইতেও বহুগুন মারাত্মক অবস্থা এবং দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধ আমেরিকা ও ইসরাইলের জন্য অপেক্ষা করছে।

অনেকেই মনে করছেন ইরানের টিকে থাকার কোনো আশা নেই।

এটা আফগানিস্তান যুদ্ধের শুরুতেও‌ অনেকেই মনে করেছিলেন।

সেই সময় ২০০১ সালে তালেবান সরকারের পতন হলেও তীব্র গেরিলা যুদ্ধ চলেছিলো‌ ২০ বছর।

শেষ পর্যন্ত সুপার পাওয়ার হিসেবে পরিচিত আমেরিকাসহ ৩০ টা দেশের ন্যাটো সামরিক বাহিনী তড়িঘড়ি করে ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যায়।

সুতরাং, আদর্শিক রাষ্ট্রে সরকারের সাময়িক পতন বা শীর্ষ নেতার মৃত্যু মানে যুদ্ধের শেষ না বরং সূচনা মাত্র।

--------------------------------------------------------------------

01/03/2026

সৌদির যুবরাজ মরে না কেন 😡😡

28/03/2025

Earthquake 🥹

20/03/2025

শহরের জনপ্রিয় মোমো-ফ্যাক্টরির ফ্রিজারে কুকুরের মাথা ! মোমোর পুরে তারই কিমা?
বিস্তারিত কমেন্টে

✏️✏️নারী নষ্ট হয় তিলে তিলে।💔🔲নারী মাকে দেখে মা হওয়া শিখে,শাশুড়িকে দেখে শাশুড়ি হওয়া শিখে।👉কথা গুলো সবার জন্য নয়,এটা সমাজে...
17/03/2025

✏️✏️নারী নষ্ট হয় তিলে তিলে।💔
🔲নারী মাকে দেখে মা হওয়া শিখে,শাশুড়িকে দেখে শাশুড়ি হওয়া শিখে।
👉কথা গুলো সবার জন্য নয়,এটা সমাজের বিশাল এক অংশ নারীদের জন্য।

🖊️একটা মেয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শশুরবাড়িতে পা রাখে।মেয়েটা নিজের বাবা মা ভাই বোন নিজের সকল স্বত্বা ত্যাগ করে আসে তার স্বামীর ঘরে।
শুরু থেকেই কোন মেয়ে শশুড়বাড়িতে এসে বেয়াদবি করেনা।স্বামী সহ শশুরবাড়ির সবার কাছে তার এতটুকুই চাওয়া থাকে সবাই যেনো তাকে একটু আদুরে গলায় কথা বলে,তার ছোট ছোট চেষ্টাকে এপ্রিশিয়েট করে।

আর এই আশায় সে নিজেকে উজার করে সকলের জন্য খাবার বানায়,ঘর সাজায়,উৎসব পাবনে নিজের পরিবার ছেড়ে তাদের সাথে সময় কাটায়,একটা সময় তাদেরকে বংশধর দিতে নিজের জীবন বাজি রাখে।

নিজের নিজেস্ব পরিবার পরিবেশ ছেড়ে মেয়েটা একটা নতুন পরিবেশ,নতুন পরিবারে আসে খাপ খাইয়ে নিতে চেষ্টা করে।
কিন্তু ছেলের পরিবার মেয়েটার এই চেষ্টাকে মূল্য দিতে জানেনা।বেশিরভাগ পরিবার শুরু থেকেই বাড়ির বউটাকে ডমিনেট করতে শুরু করে।
কাজে কথায় চলা ফেরায় উঠতে বসতে ভুল ধরতে শুরু করে।কিছু হলেই মেয়েটার বাড়ির লোক তুলে কথা শোনায়।অসম্মান করে।
একদিন দুদিন তিনদিন।মেয়েটা ভাবে হয়ত তারই ভুল,কিন্তু ধীরে ধীরে মেয়েটাও বুঝে যায় আসলে তার ভুল থাকুক বা না থাকুক তাকে দাবিয়ে রাখার এটা একটা কৌশল।
একটা সময় এই কৌশল মেয়েটাও শিখে যায়।সে তার সকল চেষ্টা শেষ করে দেয়।
শুরু করে প্রতিদ্বন্দ্বীতা।নীরবে আর কতই সহ্য করবে।শুরু করে প্রতি উত্তর।
মেয়েটাও একসময় শশুরবাড়িরতে প্রতিবাদী কণ্ঠে কথা বলা শুরু করে।
আর যেদিন সে মেয়েটা তার সরল মন ছেড়ে কঠিন হয়ে যায়,সেই দিন ওই মানুষ গুলোই তাকে বেয়াদব এর আখ্যা দেয়।আর কিছু ক্ষেত্রে মাঝে ভুক্তভোগী হয় ওই পরিবারে নিজের ছেলে।সে না পারে পরিবারকে ভুল বলতে,না পারে নিজের স্ত্রীর ভুল ধরতে।ফলাফল ছেলেটার বিবাহিত জীবন নষ্ট হয়।

যাদের কঠোর আচরনে মেয়েটা এমন হয়ে ঊঠলো তারাই তখন বলে মেয়েটা আমাদের সাথে থাকতে চায়ান।আমাদের সাথে খারাপ আচরন করে।

অথচ চিত্রটা অন্যরকম হতে পারতো।
মেয়েটাকে একটু আদুরে ভাবে সবাই মিলে বুঝিয়ে রাখলে সংসারের পরিবেশ টা কতই না সুন্দর হতো।
একটা মেয়ে তার সব ছেড়ে আপনাদের কাছে এসেছে।তার জন্য সবাই মিলে একটু স্যাক্রিফাইস করে তাকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করলে সেও আপনাদের মনের মতো হয়ে ঊঠবে।
কোন মেয়ে খারাপ বউ হওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে শ্বশুর বাড়ি তে আসে না, পরিস্থিতি তাদের কে বাদদ করে।

Address

Habiganj Sadar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Andhakar Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share