RSJ.Zunayed

RSJ.Zunayed সব কিছুই শুরু হয়ে সেস হবেই

Wellcome to my page
09/11/2022

Wellcome to my page

সব কিছুই শুরু হয়ে সেস হবেই

28/07/2019

ভালোবাসা তুমি কত রঙে রঙিন
কোথাও সাদা কোথাও কালো।
তবুও তোমায় সবাই বাসে ভালো।
কারো মনে তুমি সুখের ছোঁয়া
কারো আবার সিগারেটের ধোঁয়া।
কারো মনে তুমি স্বপ্ন আশা
তবুও তোমায় ডাকে সবাই ভালোবাসা।

18/03/2019

ঝগড়ার সময় আপনার বউ যদি বলে" থাকবো না আর এই বাড়িতে, চলে যাবো এই বাড়ি ছেড়ে"
তখন বুঝে নিতে হবে। সে আসলেই আপাততঃ এই বাড়িতে থাকতে চাইছে না। সে আপনার সাথে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে চায়। যেখানে শুধু আপনি আর সে। বাড়ি থেকে অনেক দূরে।
২. যদি বলে "আমার মতো মহিলা বলেই তোমার সংসার করছি, অন্য কেউ হলে সেই কবেই চলে যেত"
তখন বুঝতে হবে, আপনার প্রতি সে আরো অধিকার কাটতে চায়।আরো আপন করে আপনাকে পেতে চায়।সংসারটাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়।
৩. যদি বলে " এখন তো আমি পুরাতন হয়ে গেছি, আমাকে আর ভালো লাগবেনা"
তখন বুঝতে হবে, সে আবার নতুন করে আপনার ভালোবাসা চায়। সদ্য প্রেমিকের মতো সে সে আপনাকে আবার চায়।
৪.যদি বলে " এখন তো আর আমার কথা মনে থাকবেনা, নতুন নতুন মানুষের কথা মনে থাকবে।
তখন বুঝতে হবে, সে আপনার অনুপস্থিতি অনুভব করে। আপনার অনুপস্থিতি তার হৃদয় নাড়িয়ে দেয়। আপনাকে সময় অসময়ে কাছে চায়। আপনি কাজের ফাঁকে ফাঁকে তার খোঁজ নিবেন। সেই নতুনের মতো করে আবার ভালোবাসবেন।
৫.যদি বলে "এই বাড়িতে তো আমি দাসীবাঁদী, আমার কোনো অধিকার নেই এই বাড়িতে"
তখন বুঝতো হবে 'সে আপনার গোপন ডায়েরীটা পড়তে চায়,অধিকার কাটাতে চায়।
আর এখন " সে আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড চায়, মেসেঞ্জার দেখতে চায়। দাসীবাঁদীর মতো আপনার পোস্ট লাইক কমেন্ট দিতে তার আর ভাল লাগেনা।
৬ .যদি বলে " আমাকে যদি ভালো না লাগে, তাহলে ছেড়ে দাও আমাকে"
তখন বুঝতে হবে " আপনার তার প্রতি ভালবাসার কমতি পড়েছে, ভালবাসা দিয়ে আটকে রাখুন। একটু শক্ত করে হলেও জড়িয়ে ধরুন। পারলে একটু চুমু দিন।
৭. যদি বলে " তোমার মতো গাধাকে নিয়ে যে সংসার করছি, এটাই তোমার সাতজনমের ভাগ্য "
তখন বুঝতে হবে, সে আপনাকে আরো সাতজনম স্বামী হিসাবে চায়। কারণ গাধাকে খাটাতে সবাই আরাম পায়

07/02/2019

কেউ বই কিনে দেয়নি___
~ আসাদুজ্জামান আসাদ

কেউ বই কিনে দেয়নি,
কতগুলো বইমেলা কাটল,
কেউ বই কিনে দেয়নি।

সেতু নামের সেই বন্ধু তার শুটিং থামিয়ে বলেছিল প্রথম বইমেলার দিন একটা বই আমাকে কিনে দেবে।
তারপর, প্রথম -দ্বীতিয় কত মেলার দিন পার হলো, সেই বন্ধু আর ফিরে এলোনা।
এখনো প্রতিক্ষায় আছি।

রেল স্টেশনের বড় ভাই সুরুজ আলী বলেছিল, তুমি অপেক্ষা করো ছোট ভাই তোমাকে আমি একুশের বইমেলা দেখাতে নিয়ে যাব।
যেখানে স্টলের পরে স্টল লেখক আর বই খেলা করে।
আমি আর কত অপেক্ষা করব বড় ভাই?
অপেক্ষা করতে করতে ২০১৯ এর এই একুশের বইমেলা শেষ হলে তারপর তুমি আমাকে বইমেলা দেখাতে নিয়ে যাবে?

একটাও দামি বই কিনতে পারিনি কখনো।
ভাল সব বই দেখিয়ে দেখিয়ে কিনেছে পয়সাওয়ালা ছেলেরা।
অসহায়ের মতো মেলার বাইরে দাড়িয়ে থেকে দেখেছি ভেতরের বই উৎসব।
হাজারো বই এর স্টলের মধ্যে নামি দামি সব লেখকেরা কত পাঠককে অটোগ্রাফ দিয়েছে, আমার দিকে তারা ফিরেও চায়নি।
সজীব আর লাম আশ্বাস দিয়ে বলেছিল, ভাই দেখেন আমরাই......
ওরা আজ ব্যাস্ত।
আমার পাওয়া হয়নি একটা বইও।
সেই বই মেলা, সেই লেখক সমাগম, সেই রঙিন উৎসব আমায় কেউ দেখাতে নিয়ে গেল না।

হাতের উপর হাত চেপে অন্যান্য শুভাকাঙ্খীরা বলেছিল,বইকে যেদিন সত্যিকারের ভালবাসবে,
সেদিন না চাইতেই তোমাকে বই কিনে দিয়ে যাব।
বই পড়ার জন্য আমি রাতের ঘুম হারাম করেছি, নিজের চোখে পরেছি মোটা চশমা, কাজ-কর্ম বাদ দিয়ে খাওয়ার টাকা জমিয়ে জমিয়ে কিনে এনেছি পছন্দের সব বই।
তবু কথা রাখেনি বন্ধুরা,
এখন তাদের কাছে শুধুই অবঙ্গা মাত্র।
এখনো তারা যেকোনো শুভাকাঙ্খী।

কেউ বই কিনে দেয়নি।
কতগুলো মেলার দিন কাটল.......
কেউ বই কিনে দেয় না।

28/11/2018

রাত বারোটা একচল্লিশ মিনিট, বন্ধু বাবু(ছেলে) ফোন দিয়েছে.

বাবু:হ্যালো..মিথুন, তুমি ঘুমাও নাকি?

আমি:হু

বাবু:ভাই, সুইটহার্ট বানানটা একটু বলে দিবা? আমার বাটনওয়ালা ফোনে ডিকশনারি নাই।

আমি:হু

বাবু:ভাই, বানানটা বলো প্লিজ।

আমি: S W E E T H E A R T

বাবু: থ্যাংকস ভাই, তুমি ঘুমাও

রাত একটা তেপ্পান্ন মিনিট, আবার বাবু কল দিয়েছে-

বাবু: ব্রাজিল কোন মহাদেশে বলতে পারবা?

আমি:হু

বাবু:ভাই দ্রুত বলো প্লিজ

আমি:হু..কী বললা বুঝিনাই

বাবু: ব্রাজিল কোন মহাদেশে।

আমি:আমেরিকা

এই হল আমার বন্ধু বাবুর সামান্য নমুনা সে ফোন কল দিয়ে জ্বালায় মেরে ফেলবে আমাকে। সেদিন খাবার মাঝে তার ফোন আসে, ফোনের ওপাশ থেকে সে বলতে লাগে -

বাবু:ভাই, অনামিকাকে একটা নীল শাড়ি গিফট করব এখন কথা হইল ছায়া, ব্লাউজ কী কালারের কিনলে ভাল হবে?

আমি: তোমার যেটা ইচ্ছা সেটা কেনো।

বাবু:ধুর মিয়া, আমার কোন ইচ্ছা নাই। তুমি বলো।

আমি:ব্লাউজ নীল কালারের ই কেনো, আর ছায়া তোমার যেটা ভাল লাগে সেইটা, হোক লাল,বেগুনি, কমলা কিংবা গু কালার যাই হোক তুমি সেটাই কেনো।

বাবু: উম্মমাহ ভাই..রাখি এখন।

মিনিট পাঁচেক পর আবার ফোন দিল সে।

বাবু: ভাই, অনামিকা বিপদে পড়ছে ভাই। প্লিজ একটু হেল্প কর।

আমি: কী হইছে?

বাবু: ওর স্যার একাউন্টিং হোমাওয়ার্ক দিছে, "বিনামূল্যে পণ্য বিতরণ " এইটার জাবেদা পারেনা ও। প্লিজ জাবেদাটা বলো।

আমি: ও আচ্ছা।
" বিজ্ঞাপন হিসাব ডেবিট"
"ক্রয় হিসাব ক্রেডিট"

বাবু: আচ্ছা আচ্ছা...

তিন চারদিন পর আবার ফোন দিল সে, আমি তখন পরেরদিন সকালের এক্সামের জন্য জানপ্রাণ দিয়ে পড়তেছি এর মাঝে সে ফোন দিয়ে বলে -

বাবু: ভাই, আমার প্রেমটা বাচাঁও ভাই। অনামিকা আমার ভালবাসার পরীক্ষা নিতে চাচ্ছে, সে বলছে তাকে সত্যিই যদি ভালবাসি তাইলে আগামীকালের ভেতরে যেন বিয়ে করি নাইলে সে বিষ খাবে

আমি: হুর মিয়া, এসব চাপা মারছে। ডরাইও না, বিয়ে করার বয়স হইছে তোমার এখন? আর মাইয়্যার মুখ চিপলে তো দুধের গন্ধ বের হবে এখনো। এসব বাদ দাও,আমার কাল এক্সাম আছে এখন রাখি।

পরীক্ষা ভালই চলছিল, তৃতীয় পরীক্ষা দিয়ে বের হবার পরে হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আমাকে! আমার অপরাধ ছিল বাবু তার ফোন থেকে সবচেয়ে বেশিবার কল আমাকেই করেছিল! কিন্তু পুলিশওয়ালাদের আমি এটা বিশ্বাস করাতে পারিনি যে বাবুর পাতলা পায়খানা হলেও সে আমাকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করত "ভাই, কী ওষুধ খাব, স্যালাইন কী বাসায় বানিয়েই খাব"? এই কারনেই যে কললিস্টে আমাকে কল করার সংখ্যা বেশি। চেয়ারম্যানের মেয়েকে নিয়ে ভেগেছিল হারামজাদাটা। তিনদিন রিমান্ডে রাখা হয়েছিল আমাকে। এর মাঝে কয়েক হালি ডিম দিয়ে যত্নসহকারে আমাকে ডিম থেরাপি থেকে শুরু করে বাশকলসহ আরো নানাবিধ দেশীয় অত্যাচার আমার উপর দিয়ে চালানো হয়েছিল।কপাল ভাল এর মাঝে চেয়ারম্যানের মেয়ে আর বাবু ধরা পড়ে গেছে পুলিশের কাছে, ওরা স্বীকার করেছে আমার কোন হাত নেই ওদের বিয়েতে। অতঃপর ছাড়া পেয়ে দুদিন হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছি।

চিত হয়ে শুয়ে আছি আর ছোট ভাই গরম কাপড়ের স্যাকা দিচ্ছে, এমন সময় বাবুর ফোন।

বাবু:ভাই, অনামিকা তো এখনো ছোট তারপরেও সে চায় দ্রুত বেবী নিতে। ফ্যামিলি প্লানিং এর ব্যাপারটা একটু বুঝাইয়া বলবা আমারে?

টুস করে ফোনকলটা কেটে ফোন অফ করে দিলাম। ডিম থেরাপির ব্যথা যে এখনো আছে।

লেখা:Borhan Uddin

05/10/2018

written by:- Ni Alif
-আব্বা আমার বিয়ে দিবেন কি না?
--কিহ্?
-বিবাহ, শাদি, ম্যারিজ, নিকাহ্…
--সকাল সকাল কি গাঞ্জায় ফুঁকেছিস?
-আব্বা আমি গাঞ্জা খাইনা।
--কিন্তু কথা শুনে তো তাই মনে হচ্ছে।
-অতো কথা বুঝিনা বিয়ে দিবেন কিনা বলেন।
--না দিবোনা।
-ক্যান দিবেন না?
--তোর রেজাল্ট যেন কি, এবার পাশ করছিস নাকি আবারো ফেল মারছিস?
-ফেল মারছি…
--পাশ করবি কবে?
-করবোনা…
--ক্যান?
-আমার ইচ্ছা…
--মানে?
-আমার ইচ্ছা আমি পাশ করবোনা, ফেল মারবো আবার পরিক্ষা দিবো। আবার ফেল মারবো, একসময় রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ শেষ হবে তখন আবার নতুন করে রেজিট্রেশন করে পরিক্ষা দিয়ে ফেল করবো এটাই আমার ইচ্ছা।
--ভালো রেজিস্ট্রেশনের টাকাটা নিজেই দিস।
-ওই আব্বা মাইন্ড করেন ক্যান সামনের বার সত্যি পাশ করুম আপনার কসম।
-কোথায় কোথায় যেন চাকরির ইন্টারভিউ দিলি চাকরির খবর কি?
-চাকরি হয় নাই…
--বাহ্ চাকরি নাই উনি বিয়ে করার জন্য পাগল হয়েছেন।
-আব্বা ইচ্ছা করলেই তো চাকরি করা যায় কিন্তু আমার এইম ইন লাইফ হলো বেকার থাকা। আমার টার্গেট ই হলো বেকার থাকা, চাকরি দিলেও করতাম না।
--স্যান্ডেলের বাড়ি খাইবা? সকাল সকাল মস্করা করো।
-সরি আব্বা তবে আমি বিবাহ করিতে চাই…
--সরি বাবা তোমার বিবাহ দিবোনা।
-ক্যান আব্বা?
--আমার ইচ্ছা, আমার টার্গেট হলো তোর বিবাহ দিমুনা তোরে আইবুড়া করে রাখুম।
-আব্বা আমার কথায় বুঝি মাইন্ড করছেন, বললাম তো মস্করা করেছি।
--আচ্ছা আগে চাকরি যোগাড় কর তারপর দেখা যাবে।
কি ভাই, কি ভাবছেন বিয়ে করার জন্য আলিফ পাগল হয়ে গেছে। মানছেনা মন কোলবালিশে পারছেনা গুরু আর এমন অবস্থা আমার? না ভাই তাহলে ভুল ভাবছেন। আসলে গার্লফ্রেন্ডের বাপে তার মেয়েকে বিবাহ দেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। আর তার মেয়ে আমাকে দৌঁড়ের উপর রেখেছেন। পাঁচ মিনিট পরপর ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করেঃ
--আলিফ কি করো?
ফোন রিসিভ করে বললামঃ
-বাবু টয়লেটে আছি।
--হ্যাঁ সারাদিন বসে ওটাই করো। চাকরি তো তোমার বাথরুমে এসে দিয়ে যাবে।
রাত তিনটার সময় কল দিয়ে জিজ্ঞাসা করেঃ
--আলিফ কি করো?
-বাবু ঘুমাচ্ছি…
--হুম ঘুমাও চাকরি তো তোমার স্বপ্নে এসে দিয়ে যাবে।
-চুপ করবি, রাত তিনটায় তোর দাদা চাকরি নিয়া বইসা রইছে না?
--কি বললা?
-না বাবু বসে থাকতে থাকতে একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলাম আমিতো অফিসের গেটের সামনে টুলে বসে আছি অফিস খুললেই চাকরি নিয়ে বাসা ফিরবো।
--আমার লগে মস্করা করছ সালা ফাজিল, খাচ্চর, ডুগডুগি আলি…
যাই হোক চাকরি একটা খুব বেশি জরুরি। বাথরুমে গেলে বদনায় পানি থাকা যতোখানি জরুরি চাকরি ঠিক ততোখানি জরুরি।
যাই হোক সেজেগুজে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আব্বাহুজুরের কাছে গেলাম টাকা নিতে চাকরির ইন্টারভিউ আছে। টাকা নিয়ে আব্বার দিকে সাদা খাম এগিয়ে দিলাম, আব্বা বললেনঃ
--এটা কি?
-আমি কি জানি, চিঠি টিঠি হবে হয়তো কে যেন দরজার সামনে রেখে গেছে।
আব্বাহুজুরকে খামটা দিয়ে রান্নাঘরে উঁকি দিয়ে আম্মাকে বললামঃ
-আম্মা সারাদিন রান্নাঘরে বসে কেকা ফেরদৌসির রেসিপি রাঁধলে হবে„ বলি নিজের স্বামির কীর্তিকলাপের দিকে একটু নজর রাখেন।
--কি আবোল তাবোল বলিস, তোর বাবার আবার কি হলো?
-পাশের বাসার সেলিনা আন্টি আব্বাকে লাভ লেটার আর ফটো পাঠিয়েছে।
--কি ফালতু কথা বলিস?
-জ্বী আমি আবার খাম খুলে চিঠিটা একটু পড়েছি। চিঠিতে লিখছে, তুমি আমার জ্বীন আমি তোমার পরী চলো মিলে দুজনে সাত আসমানে উড়ি।
আমি তোমার ময়ূর তুমি আবার বক, তোমায় দেখলে দিলটা করে ধুকপুক ধ্কধ্ক…
আম্মা পুরো কথা না শুনে বেলন হাতে আব্বার কাছে চলে গেলেন। আমি বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম। আসলে ফেসবুক থেকে পাশের বাসার আন্টির ফটো আমি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করেছি, আর চিঠিটা নিজে লিখেছি।
বাসা থেকে বের হতেই সেন্টুর সাথে দেখাঃ
--কিরে আলিফ কই যাস?
-চাকরির ইন্টারভিউ।
--ধূরো চাকরি তো হবেনা হুদাই সময় নষ্ট আমার সাথে চল মিটিং আছে বিরিয়ানির প্যাকেট সাথে দুশটাকা পাবি।
-কিসের মিটিং…
--ইলেকশন।
-কিসের ইলেকশন…
--অতো জেনে কি লাভ, টাকা পেলেই হলো।
-আপনি যান দেখি ইন্টারভিউ জলদি শেষ হলে যাবোনে…
ইন্টারভিউ রুমে যেই ব্যক্তিটি বসে আছেন তিনি প্রতিবারের মতো একজন টাকের মালিক। টাকের সাথে আমার সম্পর্কটা কেমন যেন দেখলেই থাবড়া মারতে ইচ্ছা করে। টাকওয়ালা ব্যক্তি আমার ফাইল টেবিলে রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেনঃ
--আচ্ছা আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন…
-স্যার আমি বাসার বাজার ভালো করতে পারি, টাকা মারার অভ্যেস মোটেও নেই। বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা করতে পারি। ছুটির দিন গাড়ি ধুতে পারি। এগুলো আমার শখ বলতে পারেন। চাকরি পেলে চাকরির পাশাপাশি ধরুন আপনার বাসার বাজার করা, বাচ্চাদের স্কুল পৌঁছানো নিয়ে আসা, আপনার গাড়ি ধোঁয়া করতে পারি।
--এতোদিন ঘুষ অফার করতে দেখেছি কিন্তু সার্ভিস অফার করতে প্রথম দেখলাম। কিন্তু আমি আনম্যারিড।
-স্যার আমি মালিশ ভালো করতে পারি।
--আপনি আসতে পারেন।
-স্যার প্লিজ, চাকরি না পেলে আব্বা আমার বিবাহ দিবেন না।
--আপনাকে আসতে বলেছি।
-স্যার দুমিনিট আপনার মাথা বানিয়ে দেই…
--মানে?
-মানে মালিশ করে দেই আমি সাথে করে খাঁটি সরিষার তেল এনেছি।
প্যান্টের পকেট থেকে সরিষার তেলের বোতলটা বের করে স্যারের দিকে এগিয়ে গেলাম। স্যার আমাকে তার দিকে এগিয়ে যেতে দেখে চেয়ার ছেড়ে উঠতে যাচ্ছিলেন কিন্তু তাকে উঠতে দিলাম না। জোর করে চেয়ারের মধ্যে ঠেসে ধরলাম। বোতল খুলে তার টাকে তেল ঢেলে মালিশ শুরু করলাম। বেচারা বাঁচার জন্য চিৎকার শুরু করছেন, তার চিৎকার শুনে দারোয়ান দৌঁড়ে এসেছে। বসের টাকে তবলা বাঁজানোর দৃশ্য দেখে দারোয়ান রীতিমতো ভিড়মি খেয়েছে। কি করা উচিত বুঝতে পারছেনা। আমার দিকে আসছিলো দিলাম ধমকঃ
-ব্যাটা কাছে আসলে কামড়ে দিবো।
পরিস্থিতি ঠিক না, লোকজন জড়ো হচ্ছে। দেরি করা যাবেনা নাহলে ধরে গনপিটুনি দিবে। পুলিশেও দিতে পারে। আচ্ছা টাকে জোর পূর্বক মালিশের জন্য কি শাস্তি হতে পারে?
আরেক পকেট থেকে দুটো ডিম বের করে স্যারের মাথায় থপাস শব্দে ভাঙ্গলাম। ডিমগুলো মনে হয় পঁচা ছিলো কেমন দুর্গন্ধ করছে। তারপর এক দৌঁড়ে বের হলাম, কেউ আটকানোর সাহস করলোনা। রিক্সাভাড়ার টাকায় তেল আর ডিম কিনেছিলাম তাই হেঁটে হেঁটে ফিরতে হচ্ছে। সেন্টু ভাইকে ফোন দিলামঃ
--হ্যালো…
-সেন্টু ভাই মিটিং কোন জায়গায়?
--আসবি?
-হ্যাঁ…
--না আসাই ভালো…
-কেন, আর এতো গ্যান্জাম কিসের। আছেন কোথায়?
--আমি টেবিলের নিচে লুকায় আছি। বিরিয়ানির প্যাকেটে কে যেন মরা ইন্দুর পাইছে। এখন মারামারি লাগছে। নেতাকে লাউ দিয়ে পিডাচ্ছে…
-লাউ দিয়ে পিডাচ্ছে কেন?
--নেতার মার্কা হলো লাউ। বিরাট বিরাট সাইজের লাউ কিনে আনছে মিটিং এ। এখন পাব্লিক ওই লাউ দিয়েই নেতার পেছনের দিকে পিডাচ্ছে। কয়েকটা লাউ পিডিয়ে ভেঙ্গে ফেলছে…
-তো আপনি লুকাচ্ছেন ক্যান, আপনার কিসের ভয়?
--নেতা সম্পর্কে আমার চাচা হবেন…
সেন্টু ভাই আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন এমন সময় চিৎকার শুনতে পেলাম, ফোনের ওপাশে সেন্টু ভাই চিল্লাচ্ছেনঃ
--পা ছাড়, ছাড় বলছি, ছেড়ে দে প্লিজ…
কাউকে টানা হিঁচড়ার মতো শব্দ শুনতে পেলাম। মনে হয় সেন্টু ভাইকে টেনে হিঁচড়ে বের করেছে। দশ সেকেন্ডের নিরবতার পর ফোনের ওপাশে সেন্টুর আর্তনাথ আর কোনকিছু দিয়ে পিডানোর শব্দ কানে আসতে লাগলো।
বাসায় ফেরা সম্ভব না কেননা বের হওয়ার সময় আব্বা আম্মার ঝগড়া লাগিয়ে এসেছি। তার রিয়েকশন হবে নিশ্চই। রাত আটটা পর্যন্ত ব্রিজের উপর পা দুলিয়ে বসে থাকলাম। হঠাৎ ফোনটা বাঁজতে শুরু করলোঃ
-হ্যালো রাত্রি বাবু…
--কোথায় তুই?
-কেন?
--আমার সাথে দেখা কর এক্ষুনি…
-তুই তুকারি করছো কেন?
--আসতে বলছি আয়।
রাত্রির বাসার গেইট দিয়ে ঢোকার সাহস আমার নেই, রাত্রির বাবা পিটিয়ে হাড় ছাতু বানিয়ে ফেলবে। বাসার পাশ দিয়ে বিরাট আমগাছ, আমাগাছের ডাল রাত্রির জানালা পর্যন্ত যায়। কোন মতে গাছে উঠে জানালার সামনে গিয়ে নক করলামঃ
--কে?
-রাত্রি বাবু আমি জানালা খোল…
জানালা খুলে রাত্রি টাশকি খেয়ে গেলো।
--তুমি এখানে কেন?
-তো গেইট দিয়ে যাবো নাকি তোমার বাবা পিটিয়ে……
কথাটা শেষ হওয়ার আগেই রাত্রির বাবার কন্ঠ শুনতে পেলামঃ
--গাছের উপড়ে কে রে?
নিচে তাকিয়ে দেখি রাত্রির বাবা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি আবারো বললেনঃ
--গাছের উপড়ে কে?
-কেউ না আব্বা… পাখি পাখি…
--পাখি না কাউয়া সেটা তো দেখতেই পাচ্ছি, নিচে নাম।
-না নামবোনা, নামলে আপনি মারবেন।
--মারবোনা নাম তুই…
-আপনি মারবেন আমি জানি…
--নামবি তুই?
-আগে আল্লাহর কিরা কন মারবেন না…
রাত্রি বাবা কিছু না বলে গাছের নিচ থেকে চলে গেলেন। তাড়াতড়ি করে পালানোর জন্য গাছের অর্ধেক নেমে এসেছি এমন সময় দেখে রাত্রির আব্বা বিরাট বাঁশ নিয়ে আসছেন। উপায় না দেখে আবারো উপরের দিকে উঠতে শুরু করলাম। বেশিদূর উঠতে পারলাম না। কে যেন বাঁশ দিয়ে গুঁতো দিলো।
-উরিম্মা আব্বা আমি কিন্তু আপনার হবু মেয়ে জামাই, এভাবে টর্চার করা কি ঠিক হচ্ছে।
--তুই নাম একবার তারপর তোর জামাই হওয়ার ইচ্ছা পূরন করতেছি।
কথাটা বলে আবারো বাঁশ দিয়ে গুঁতো দিলেন।
-উরিম্মা… আব্বা আপনি আরেকবার যদি গুঁতো মারেন আমি কিন্তু থুতু দিবো… থু থু ওয়াক থু থু থু…… নিচে থুতু ফেলা শুরু করলাম…
--ওই থুতু দিবিনা খবরদার আমি কিন্তু ইট দিয়া ঢিল মারবো।
রাত্রিকে ডাক দিলামঃ
-রাত্রি তোমারে আজ পর্যন্ত যতো শোপিস, মগ গিফ্ট করছি দাও তো…
--কেন কি করবা?
-নিচে তোমার আব্বারে ঢিল মারমু…
--ছিহ্… উনি আমার বাবা হন। যাও কথা নাই তোমার সাথে বলেই দরজাটা জানালাটা বন্ধ করে দিলো…
আল্লাহ্ এবারের মতো আমারে বাঁচাও…

05/06/2018

বাসর রাতে যখন বউ আমার কাছে বললো,
"আজ আমি আপনার কাছে একটা জিনিস চাইবো,বলুন দিবেন? "
তখন আমি আমার সদ্য বিয়ে করা বউয়ের হাত দুটো ধরে বললাম,
"একটা কেন? হাজার টা চাও আমি না করবো না। "
বউ লজ্জা পেয়ে বললো,
"আমার হাজার টা লাগবে না, ঐ একটা জিনিস ই লাগবে..!!"
বউয়ের হাতদুটো আমার বুকের মাঝে নিয়ে বললাম,
"তুমি চাইলে সূর্য এনে দিবো দরকার পড়লে চাঁদটাও এনে দিবো,
তুমি চাইলে একশ টাকার এনার্জি বালব লস দিয়ে পঞ্চাশ টাকায় বিক্রি করবো,
তুমি চাইলে বিখ্যাত সিংগার মাহফুজ রহমানের গানগুলোও শিখে ফেলবো,
তুমি চাইলে হিরো আলমের মতো তোমায় প্রপোজ করবো,
তুমি চাইলে শীতের দিনে বরফ জলে গোসল করবো,
তুমি চাইলে সিগারেটের বদলে বিড়ি টানা ধরবো,
তুমি চাইলে,,তুমি চাইলে,, তোমার বদলে আমার শালী'কে পিটাবো"
"বলো? শুধু একবার বলো?
কি চাও তুমি?"
দেখলাম বউয়ের চোখ হতে পানি পড়ছে।
বউয়ের চোখে পানি দেখে আমার কলিজা টা মোচড় দিয়ে উঠলো।
দূর কি সব বলে ফেললাম আবেগে? বউ বোধহয় এসব চাইনা আমার কাছে।
বউ এর চাইতেও মূল্যবান কিছু চাইবে আমার কাছে..!!
ভাবলাম বউয়ের কান্না থামানোর জন্য একট কবিতা শুনাবো নাকি ?
আবার পরক্ষণেই মনে পড়লো,
আমার কবিতা শুনে এ পর্যন্ত একটা মেয়ে তো দূরের কথা,
আমার বাড়ির কুকুর ও টাসকি খেয়ে ঘেউঘেউ করে উঠে !!
জীবনে অনেক শখ ছিলো,অনেক বড় একজন কবি হবো।
আমার কবিতা সারা বাংলার মানুষের মুখে মুখে থাকবে।
যেখানেই যাবো সেখানেই সবাই দলে দলে আমার অটোগ্রাফ নিতে আসবে।
বিশেষ করে মেয়েরা..!!
তাইতো কলেজে থাকাকালীন একটা মেয়েকে এক সপ্তাহ ধরে ভেবে ছয় লাইনের একটা কবিতা লিখে পাঠিয়েছিলাম।
কবিতা টা ছিলো এরকম,
"তুমি আমার জান,
তুমি আমার প্রাণ,
তোমায় না দেখলে,
বুকে লাগে টান,
ভেবো না তোমায় লিখছি,
যা দেখার গতকাল রাতেই দেখছি"
এরপর টানা ছয় দিন আমাকে জেলে থাকতে হয়েছিলো।
হ্যা। সেই মেয়েটি আমার নামে মানহানির মামলা করেছিলো।
মনে মনে আল্লাহ কে ধন্যবাদ দিয়েছিলাম।
ভাগ্যিস কবিতা টা ছয় লাইনের ছিলো বলে..!!
কবিতার বদলে হাত দিয়ে বউয়ের চোখের পানি,নাকের পানি মুছে দিতে দিতে বললাম,
"বউ তুমি খুশি হওনি? কি চাও বলো? গাড়ি, বাড়ি,টাকা, গহনা? "
বউ কান্না করতে করতে আমার হাত ধরে বললো,
"আমার এইসব কিচ্ছু লাগবে না?
বউয়ের কান্নায় আমিও কান্না করতে করতে বললাম,
"তাহলে? কি লাগবে? বলো বউ তোমার কি লাগবে?
বউ বললো,
"আগে বলুন দিবেন?"
বললাম,
"অবশ্যই দিবো,তোমাকে দিবো না তো আর কাকে দিবো,আজ হতে আমার সবকিছুই তো তোমার..! "
দেখলাম বউ আমার দিকে মুচকি একটা হাসি দিলো।
বউয়ের এমন হাসি দেখে খুশির চোটে বউকে জড়িয়ে ধরতে যাবো এমন সময় বউ বলে উঠলো,
"আমার বাড়ি,গাড়ি,টাকা, গহনা এসব কিছুই লাগবে না, আমার শুধু আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড টা লাগবে, বলুন দিবেন?"
"ফেসবুকের পাসওয়ার্ড..!!"
"হ্যা, পাসওয়ার্ড,, দিবেন না? "
আমতা আমতা করে বলতে লাগলাম,
"তোর মত বউয়ের চাইতে,
কাজের বেটি জরিনা ভালো,
এমন কথা শুনার চাইতে,
স্ট্রোক করে মরা ভালো"
পরের দিন সকালে দেশের সকল নিউজ পেপারে খবরে ভরে গেলো,
"বাসর ঘরে স্বামীর কাছে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চাওয়ার ফলে স্ট্রোক করে স্বামীর মৃত্যু "

#ফেসবুক_পাসওয়ার্ড

#ফিরোজ

just saw.....
15/07/2017

just saw.....

my friend @
08/03/2017

my friend @

hiiiii.......
25/08/2015

hiiiii.......

Address

Sayestagonj
Habiganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RSJ.Zunayed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category