Fahim Alvi

Fahim	Alvi Exposing the untold truths behind real crime and dark reality—A space for exploring real-life incidents, social problems, and the hidden side of our society.

Real stories, honest observations, and thought-provoking perspectives.

📩
[email protected] I believe life is not just about ourselves. Helping people, understanding reality, and speaking honestly about what I see in the world matters to me. This space is where I share my thoughts, perspectives, and reflections.

গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচজনকে গ/লাকে/টে হ/ত্যা করা হয়েছে। নিহতরা ছিলেন এক প্রবাসীর স্ত্রী, ত...
09/05/2026

গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচজনকে গ/লাকে/টে হ/ত্যা করা হয়েছে। নিহতরা ছিলেন এক প্রবাসীর স্ত্রী, তাদের তিন সন্তান এবং শ্যালক; পরিবারটির বাড়ি গোপালগঞ্জে, আর তারা ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। শনিবার সকালে স্থানীয়রা রক্তাক্ত দেহগুলো দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে, আর পরিবারের কর্তা ফোরকান মিয়া নিখোঁজ আছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটা বাড়ি। এক রাত। আর তারপর পাঁচটা জীবন শেষ।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ভাড়া বাসার ভেতর থেকে যখন পাঁচজনের নিথর দেহ উদ্ধার হলো, তখন ঘটনাটা আর শুধু একটা “খবর” থাকল না — সেটা হয়ে গেল এক ভয়ংকর মানবিক ধস। সকালে বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রাই পুলিশকে খবর দেয়। পরে ওসি শাহিনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সবচেয়ে ভয়ংকর কথা হলো, এই ঘটনায় শুধু প্রাণ যায়নি — একটা পরিবার, একটা ঘর, আর একটা ভবিষ্যৎ একসাথে ভেঙে পড়েছে। নিহতদের মধ্যে ছিল শিশু, ছিল মা, ছিল পরিবার–ঘনিষ্ঠ আরও সদস্য। এমন মৃত্যু আমাদের মনে আবারও একই প্রশ্ন তোলে: একটা মানুষ, একটা পরিবার, আরেকটু নিরাপদ হতে পারল না কেন?

এটা শুধু হত্যাকাণ্ড না। এটা আমাদের সমাজের সেই অন্ধকার দিক, যেখানে ঘরের ভেতরেও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে মানুষ কোথায় যাবে? তদন্ত এখন চলছে, কিন্তু এই ঘটনার ভার শুধু পুলিশের কাঁধে না — আমাদের সবার কাঁধে। কারণ আজ যাদের বাড়ি, কাল সেটা কারও নিজেরও হতে পারে।

আপনার কী মনে হয় — এমন ভয়ংকর ঘটনা কেন বারবার ঘটছে?

একটা ছোট্ট গুজব, একটা অজানা সন্দেহ—আর দুই মিনিটের মধ্যে একজন মানুষ, এমনকি নির্দোষ, হারিয়ে যায় চিরতরে। মারধরটা এত দ্রুত শ...
05/05/2026

একটা ছোট্ট গুজব, একটা অজানা সন্দেহ—আর দুই মিনিটের মধ্যে একজন মানুষ, এমনকি নির্দোষ, হারিয়ে যায় চিরতরে। মারধরটা এত দ্রুত শুরু হয়, কেউ ভাবার সুযোগই পায় না।

তাহলে প্রশ্নটা উঠবেই—এই ভিড় কি সত্যি অপরাধি ধরতে নামে, নাকি নিজের ভয় আর অন্ধকারকে গোপন করতে ভিড়ের চাপ বাড়ায়?

বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রাম, কোথাও না কোথাও ডাক পড়ে—“ওই ছেলেটা চোর!” এরপরেই ফুলে ফেঁপে ওঠে ভিড়, কেউ মুখ ফিরিয়ে নেয়, কেউ আবার গলা ফাটিয়ে চিৎকার দেয়। একবার ঘটা মানে থামা নেই। গত বছর মাত্র তিন মাসে শুধু mob violence-এ ১২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর শেষ দুই বছরে এই সংখ্যাটা আরও ভয়ংকর হয়েছে। অনেক সময়, প্রমাণ থাকেই না—কেবল সন্দেহ। কেউ যদি নির্দোষ হয়, সেটা আদালত পর্যন্ত কখনই পৌঁছায় না। বিচার হয় লোকজনের হাতে, মুহূর্তের আগুনে।

এসব ঘটনা শুরুর আসল কারণ—আমাদের সত্য জানার রসালো আগ্রহ না; বরং আইন-শৃঙ্খলা আর বিচার ব্যবস্থার উপর মানুষের ভরসার সংকট। এখানে গুজব চলতে পারে অল্প সময়েই, কিন্তু সত্য আসতে আসে না। আর রাষ্ট্র, সমাজ—সবাই মাথা গুঁজে রাখে। যারা মারধর করে, তারা ভিড়ে মিশে যায়, কেউ দায় নেয় না, কেউ কুড়ায় না মনোস্তাপ।

একজন মানুষের মৃত্যু মানে শুধু তার হারানো নয়। তার পরিবার তছনছ হয়ে যায়, পাড়া-প্রতিবেশী চুপসে যায়, সবাই ভয় পায়—পরের বার হয়তো তারা হবে সেটা। অথচ এ শিশু, এ বৃদ্ধ, এ যুবক—এরা কখনোই অপরাধা ছিল না। এটা আসলে আমাদের সবার লজ্জা বয়ে আনে।

যখন মানুষ বিচারক হয়, সত্য আর মানবিকতা সবচেয়ে 먼저 মরে যায়।

আপনি কী ভাবেন—এভাবে গণপিটুনি কি কোনো বিচার প্রতিষ্ঠা করে, নাকি আমাদের সমাজকে আরও বেশি অন্ধকারে ডুবিয়ে দেয়?

আপনার হাতে থাকা মোবাইলটা কি খেয়াল করেছেন, কোথাও না কোথাও একটা অজানা শত্রু লুকিয়ে আছে?আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া মানে শুধু ছবি ...
27/04/2026

আপনার হাতে থাকা মোবাইলটা কি খেয়াল করেছেন, কোথাও না কোথাও একটা অজানা শত্রু লুকিয়ে আছে?

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া মানে শুধু ছবি আর গল্পের জায়গা না—এটা হয়ে গেছে মানসিক নির্যাতনের নতুন মাঠ। আপনি ভাবছেন, “আমার তো কিছু হয় না।” কিন্তু, যদি হঠাৎ করে আপনারই নাম, ছবি, বা পরিবার নিয়ে ঘৃ*ণা ছড়াতে শুরু করে কেউ?

গত সপ্তাহে আমার এক বন্ধু, সুন্দর, হাসিখুশি মেয়ে—একদিন সকালে দেখলাম, সব অ্যাকাউন্ট বন্ধ। প্রশ্ন করতেই জানলাম, রাতে দু’জন অজানা লোক তাকে এমনভাবে ট্রোল করেছে, এমন মন্তব্য করেছে, যা গলার নিচে পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। সব মানুষকে ভয় লাগে এখন তার—নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, কারও সাথে কথা বলে না। আপনি কি তাকে সাহায্য করতে পারেন? এমন ঘটনা কি আপনার ভাই, বোন, বা বন্ধুদের সঙ্গে ঘাটেনি?

এই অন্ধকারটা আসলেই গভীর। মানুষ ‘সোশ্যাল’ হওয়ার নামে বেঁচে আছে কিবোর্ডের পেছনে—কেউ কাউকে অপমান করতে, ছোট করতে, মানসিকভাবে মারতে প্রস্তুত। এতোদিন ভাবতাম শুধু রাস্তায় অপরাধ হয়; এখন দেখি, ফোনটা হাতে নিলেই আরেকটা যুদ্ধ শুরু হয়।

ভাবুন তো, আপনার প্রিয় মানুষটা আজ হাসছে, কাল যদি কিছু বাজে মন্তব্য তাকে দুঃখের দিকে ঠেলে দেয়—তখন কি আপনি পাশে থাকতে পারবেন?

একটা অদৃশ্য আঘাত! যেটা কাউকে এক নিমেষে নিস্তব্ধ করে দিতে পারে। আমরা কি সত্যিই এতটা নির্মম হয়ে গেছি?

জীবনটা কেউ একা হারায় না, সবসময় কে যেন ঘৃণা ছুড়ে দিয়ে তাকে আরও কোণঠাসা করে দেয়।

আপনার চারপাশে কি এমন ঘটনা ঘটেছে? কখনো কি আপনি নিজে কিংবা কেউ আপনাকে অনলাইনে আঘাত করেছে? আপনার সত্যটা কমেন্টে লিখুন। এভাবেই সেই অন্ধকারের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু হবে—থাকবেন তো পাশে?

ইতালি যাব বলে লিবিয়ায় জিম্মি — তারপর সমুদ্রে লা*শ!স্বপ্ন দেখেছিলেন ইউরোপের। টাকা জোগাড় করে ভেসেছিলেন লিবিয়া পর্যন্ত। কিন...
24/04/2026

ইতালি যাব বলে লিবিয়ায় জিম্মি — তারপর সমুদ্রে লা*শ!

স্বপ্ন দেখেছিলেন ইউরোপের। টাকা জোগাড় করে ভেসেছিলেন লিবিয়া পর্যন্ত। কিন্তু পৌঁছানোর পর শুরু হয় আরেক জাহান্নাম। মানবপাচারকারীরা জিম্মি করে টাকা আদায় করে। যার পরিশোধ করতে পারে না, তার ঠিকানা হয় ভূমধ্যসাগরের নীল জলরাশি।

শুধু এই মাসেই কত বাংলাদেশি যুবক হারিয়েছে জীবন? পরিবারগুলো গ্রামে বসে এখনো ফোনের দিকে তাকিয়ে আছে। “পৌঁছে গেছো?” — যে মেসেজটি আর কখনো আসবে না।

প্রশ্ন হলো: টাকা, স্বপ্ন আর মর্যাদা—এই তিনের কোনটির জন্য আমরা একে অপরের জীবন এত সহজে বাজি রাখি?

#অবৈধঅভিবাসন #মানবপাচার #বাংলাদেশ #ভূমধ্যসাগর #স্বপ্নভঙ্গ

১০ বছর ধরে যে প্রশ্নের কোনো উত্তর ছিল না, আজ সেই প্রশ্নের প্রথম আভাস।কিন্তু সত্যি কি ন্যায়বিচার হবে?২০১৬ থেকে ২০২৬:২০১৬ ...
23/04/2026

১০ বছর ধরে যে প্রশ্নের কোনো উত্তর ছিল না, আজ সেই প্রশ্নের প্রথম আভাস।

কিন্তু সত্যি কি ন্যায়বিচার হবে?

২০১৬ থেকে ২০২৬:

২০১৬ সালের কোনো এক বিকেলে কুমিল্লার অলিগলিতে নিখোঁজ হয় তনু। পরের দিন মিলে তার লা..*। রহস্যের জাল এতটাই ঘন ছিল, থানার ফাইল থেকে স্টেশন রোডের চায়ের দোকান—সব জায়গায় শুধু ফিসফাসানি।

“ওকে শেষবার সেনা কর্মকর্তার গাড়িতে দেখা গেছে।”

কিন্তু প্রমাণ? না। সাক্ষী? নিশ্চুপ। ক্ষমতার দেয়াল এত উঁচু ছিল, তনুর পরিবার শুধু চোখের জল ফেলেছে বছরজুড়ে।

তারপর নীরবতা। দশ বছরের নীরবতা।

২০২৬, ২০-২২ এপ্রিল। রাতের খবরে বাজপাখির চোখে পড়ে যায়—তনু হ*ত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার। নাম: সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান। আদালত দিয়েছে তিন দিনের রিমান্ড।

দশ বছর পর পুলিশ হাতে তুলেছে এক সাবেক সেনা সদস্যকে।

প্রশ্নটা এখন শুধু নয়—কী লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি?

গভীর সত্যিটা অন্য জায়গায়

আমরা সবাই জানি, বাংলাদেশে সাধারণ খুনের মামলা নিষ্পত্তি হতে গড়ে কত বছর লাগে। কিন্তু সেনাবাহিনীর কেউ জড়িত থাকলে... ওই কেস চিরতরে অন্ধকারে চাপা পড়ে যায়।

তনু হ*ত্যায় প্রথমবার সেনা সদস্য গ্রেপ্তার—এটা কেবল একটা মামলার খবর নয়। এটা ক্ষমতার দুর্গে প্রথম ফাটল। এটা দেখানোর চেষ্টা যে ১০ বছর পর হলেও, কেউ না কেউ হিসাব চাইছে।

কিন্তু কেন এত দেরি? কেন প্রমাণগুলো এতদিন অদৃশ্য ছিল? আর সাবেক এই সেনা সদস্যের সঙ্গে তনুর সম্পর্কটা আসলে কী ছিল?

এই প্রশ্নের উত্তর রিমান্ডে বেরোবে কি? না কি আবারও ফাইল গুম হয়ে যাবে?

তনু কারও বোন ছিল। কারও মেয়ে ছিল। দশ বছর ধরে তার পরিবার রাত জেগেছে—কবে ধরা পড়ে খুনি, কবে মিলবে ন্যায়।

আজ প্রথমবার তারা আশার আলো দেখছে। কিন্তু আমরা সবাই জানি, আদালতের তিন দিনের রিমান্ড আর পুলিশের জেরার পরও যদি আসামি মুচকি হেসে বেরিয়ে আসে, তাহলে সেই ক্ষোভ কত বড় হবে।

আমার মনে হয়, তনুর মতো অগণিত তনু এখনো অন্ধকারে। কারণ ক্ষমতার আঙুল সবার চোখে আঙুল দিতে পারে।

“১০ বছর আগে যারা হ/*ত্যা করেছিল, আজ তাদের একজন ধরা পড়েছে। কিন্তু বাকিরা কে? আর সেই উত্তর যদি কখনো না আসে—তবে এই গ্রেপ্তারের কী দাম?”

তুমি কী মনে করো?
এই মামলা শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার পাবে, নাকি আবারও চাপা পড়ে যাবে? কমেন্টে জানাও।

সব দিকে দেখতেছিলাম সবাই পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেকটাই ভয়ে ছিল যে কি হবে কিভাবে পরীক্ষা দিবে, আর আমি পরীক্ষার তিন দিন আগে C...
21/04/2026

সব দিকে দেখতেছিলাম সবাই পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেকটাই ভয়ে ছিল যে কি হবে কিভাবে পরীক্ষা দিবে, আর আমি পরীক্ষার তিন দিন আগে Come back দিয়ে দিছি। মানে কোন টেনশেন ছাড়া পরীক্ষার হলে গেছি না কোন ভয় ছিল না কোন Feelings ছিলো Just লিখব যা পারি৷ তাই বলতেছি:
Stop stressing over what might go wrong—walk in, give your best, and let your calm do the talking.

- Fahim Alvi

13/04/2026

বাংলাদেশে টিনএজ গ্যাং বাড়ছে

এক বছরে এমন কিছু বেড়েছে, যেটা প্রতিটা পরিবারের ভয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।আর সবচেয়ে কষ্টের কথা হলো—এই ভয় এখন আর শুধু খবরের শিরোনাম...
13/04/2026

এক বছরে এমন কিছু বেড়েছে, যেটা প্রতিটা পরিবারের ভয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
আর সবচেয়ে কষ্টের কথা হলো—এই ভয় এখন আর শুধু খবরের শিরোনামে নেই, ঘরের ভেতর ঢুকে পড়েছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ২০২৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৭৮৬ জন নারী ও মেয়ে ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৫১৬। অর্থাৎ এক বছরে বৃদ্ধি ৫২.৩%। ভুক্তভোগীদের বড় অংশই ছিল মেয়ে শিশু।

মানে, ভয়টা শুধু বাড়ছে না—এটা আরও কাছাকাছি চলে আসছে।
একজন মেয়ে স্কুলে যাচ্ছে।
একজন মা বাজারে যাচ্ছে।
একজন ছাত্রী বাসায় ফিরছে।
আর পরিবারের মাথায় একটাই চিন্তা—আজ সে নিরাপদে ফিরবে তো?

এটাই সবচেয়ে কষ্টের বাস্তবতা।
অপরাধ শুধু ঘটছে না।
অপরাধের পরও মানুষের মনে হচ্ছে, কিছুই বদলাবে না।
আর এই “কিছুই হবে না” ভাবটাই পরিস্থিতিকে আরও ভয়ংকর করে তুলছে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই—
ভুক্তভোগী বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা কেন বাড়ছে না?

কারণ এটা শুধু একটি অপরাধের গল্প না।
এটা একটা সমাজের ভেঙে পড়া আস্থার গল্প।
এটা নারীর চলাফেরা, পরিবারের নিশ্চিন্তি, আর শিশুর নিরাপদ শৈশবের ওপর চাপা পড়া ভয়।

এই ভয় আর কতদিন চলবে?
মন্তব্যে এক কথায় লিখুন—সমস্যা কোথায়: আইন, বিচার, নাকি সমাজের নীরবতা?

Disclaimer
"এই কনটেন্টটি জনসচেতনতার জন্য। এখানে উল্লেখিত তথ্য বাস্তব রিপোর্ট থেকে নেওয়া—কারণ এই সত্যটা লুকিয়ে রাখলে সমস্যাটা আরও বড় হবে।”

ঢাকায় বের হওয়া এখন শুধু যাতায়াত না — অনেকের কাছে এটা একটা ঝুঁকির হিসাব।কারণ ভয়টা আর শুধু রাতে না। দিনেও। নিজের পাড়াতেও। ...
12/04/2026

ঢাকায় বের হওয়া এখন শুধু যাতায়াত না — অনেকের কাছে এটা একটা ঝুঁকির হিসাব।
কারণ ভয়টা আর শুধু রাতে না। দিনেও। নিজের পাড়াতেও। নিজের রাস্তাতেও।

একটা প্রশ্ন আছে, যার উত্তর মানুষ এখনো খুঁজছে —
পুলিশের তালিকায় যদি মোহাম্মদপুরেই ২০৫ জন সক্রিয় মগার নাম থাকে, তারপরও কেন মগিং থামছে না?

সর্বশেষ প্রকাশিত রিপোর্টগুলো বলছে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ঢাকায় ২৪৮টি ডাকাতি আর ১২১টি খুন নথিভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে মাসে ৪০-এর বেশি ডাকাতি আর ২০-এর বেশি খুন। এটাই ঢাকার বাস্তবতা হয়ে উঠছে — কাগজে নয়, রাস্তায়।

আর সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গাটা হলো মোহাম্মদপুর।
সেখানে মগিং এখন আর অন্ধকারের ভেতর লুকিয়ে নেই। দিনদুপুরে, ব্যস্ত রাস্তায়, মানুষের সামনে — ছিনতাই, হামলা, ছুরিকাঘাত; এসব ঘটনাই এখন নিয়মিত শিরোনাম। এমনকি সম্প্রতি একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাও সেখানে মগিংয়ের শিকার হয়েছেন।

এখানেই আসল সত্যটা খুব কষ্টের।
মগিং শুধু টাকা নেয় না।
এটা মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা কেড়ে নেয়।
মানুষ কোথায় যাবে, কখন যাবে, কী হাতে নেবে — সবকিছু ভয় ঠিক করে দেয়। ভয় যখন রুটিন হয়ে যায়, তখন শহরটা ধীরে ধীরে জীবিত থাকে, কিন্তু নিরাপদ থাকে না।

সবচেয়ে বড় আঘাতটা এখানেই —
ঢাকার মানুষ এখন আর শুধু কাজ, পড়াশোনা, বা বাজারের জন্য বের হয় না।
অনেকে বের হয় ফিরে আসতে পারবে তো? এই প্রশ্নটা মাথায় নিয়ে।
এটাই সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতা।
শহর আছে। রাস্তা আছে। কিন্তু নিরাপত্তা নেই।

আপনার চোখে ঢাকায় কোন এলাকা এখন সবচেয়ে অনিরাপদ?
কমেন্টে জায়গার নাম লিখুন — কারণ চুপ থাকলে এই ভয় আরও বড় হয়।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেলেন, তারপর...?কল্পনা করুন।  আপনার মা বা বোন জ্বরে কাঁপছে।  রাতে ভোলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেল...
11/04/2026

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেলেন, তারপর...?

কল্পনা করুন।
আপনার মা বা বোন জ্বরে কাঁপছে।
রাতে ভোলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।
চিকিৎসা পাবে, সুস্থ হয়ে ফিরবে — এটাই তো ভরসা।

কিন্তু সেই ভরসা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল ৭ এপ্রিল।

হাসপাতালের তৃতীয় তলায়।
রোগীকে ওষুধ দেওয়ার নাম করে একজন তাকে আলাদা ঘরে নিয়ে গেল।
তারপর যা ঘটল, সেটা বলতে গেলেও গা শিউরে ওঠে।
ধ/র্ষ/ণ।

অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
কিন্তু প্রশ্নটা থেকেই যায় —

হাসপাতাল কি এখনও নিরাপদ?

যে জায়গায় আমরা সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করি, সেখানে যদি চিকিৎসকের পোশাক পরে কেউ এমন অন্ধকার কাজ করে, তাহলে আমরা আর কাকে বিশ্বাস করব?
যে স্টাফের হাতে আমাদের প্রিয়জনের জীবন তুলে দিই, সেখানে যদি নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে এই সমাজটা কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

এই ঘটনা শুধু একটা খবর না।
এটা আমাদের চারপাশের বাস্তবতা।
আজ ভোলায়, কাল হয়তো আপনার শহরের হাসপাতালে।

আমরা যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাই, তখন ভয় পাই না।
কিন্তু এখন থেকে ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে?

এই অন্ধকারটা আর লুকিয়ে রাখা যাবে না।

আপনার কী মনে হয়?
হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে, নাকি আমাদেরই কিছু করতে হবে?

কমেন্টে বলুন।
আপনার মা-বোন-মেয়ের নিরাপত্তার কথা ভেবে একটা কথাও লিখুন।
শেয়ার করুন।
যতজন জানবে, ততজন সতর্ক হবে।

#ভোলা #হাসপাতাল #নারিনিরাপত্তা

Disclaimer:
এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, জাগো নিউজসহ একাধিক নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিশ ইতিমধ্যে আটক করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এই পোস্টের উদ্দেশ্য শুধু সচেতনতা তৈরি করা। কোনো ধরনের অপপ্রচার বা ব্যক্তিগত আক্রমণের উদ্দেশ্য নয়।

09/04/2026

বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় ১১ জন...!

Address

Alipur, Chittagong
Hathazari
4330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fahim Alvi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share