Hatiya news

Hatiya news All update news.

বর্তমানে ট্রাম্পের অবস্থা।
08/04/2026

বর্তমানে ট্রাম্পের অবস্থা।

28/03/2026

হাতিয়ার বড় সমস্যা হলো নদী ভাংগন, সকল নেতাদের ইশতেহারে এটা রোধের প্রতিশ্রুতি ছিলো।

28/03/2026

অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনা।
#আর্জেন্টিনা
#বাংলাদেশ
#খেলাযোগা

28/03/2026
ভিজিএফ
17/03/2026

ভিজিএফ

সোনাদিয়া ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে হরিলুট: পলাতক চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক দলের পকেটে যাচ্ছে হাজারো কার্ড!সোনাদিয়া, হা...
17/03/2026

সোনাদিয়া ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে হরিলুট: পলাতক চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক দলের পকেটে যাচ্ছে হাজারো কার্ড!
সোনাদিয়া, হাতিয়া:
সোনাদিয়া ইউনিয়নে ইদ উপহার হিসেবে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ (১০ কেজি চাল) কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে প্যানেল চেয়ারম্যান নিজাম মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের হক কেড়ে নিয়ে পলাতক চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক দলের নামে কার্ড ভাগাভাগির এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট:
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সোনাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পলাতক থাকায় পরিষদের কার্যক্রম সচল রাখতে ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নিজাম মোল্লাকে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমান কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে তার ভূমিকা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগের মূল পয়েন্টসমূহ:
১. পলাতক চেয়ারম্যানের নামে বিশাল বরাদ্দ:
ইউনিয়নের জন্য মোট বরাদ্দকৃত ৮৩২০টি কার্ডের মধ্যে ২৪২০টি কার্ডই রাখা হয়েছে পলাতক চেয়ারম্যানের নামে। যিনি বর্তমানে দায়িত্বে নেই এবং পলাতক, তার নামে এত বিশাল সংখ্যক কার্ড কেন বরাদ্দ রাখা হলো? এই কার্ডগুলো আসলে কার কাছে যাবে এবং কারা ভোগ করবে, তা নিয়ে জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
২. রাজনৈতিক দলের নামে কার্ড ভাগাভাগি:
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, প্রকাশিত তালিকায় একটি নির্দিষ্ট দলের (বিএনপি) নামে ৩০০টি কার্ড বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। সরকারি ত্রাণ বা উপহার যেখানে সাধারণ দুস্থ মানুষের প্রাপ্য, সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের নামে কেন এই বিভাজন? যেখানে স্থানীয় সাংসদ আব্দুল হান্নান মাসউদের পক্ষ থেকে স্বচ্ছভাবে কার্ড বিতরণের নির্দেশ ও সহযোগিতার আশ্বাস রয়েছে, সেখানে প্যানেল চেয়ারম্যান কার ইশারায় এই দলীয় কোটা তৈরি করছেন?
৩. ওয়ার্ড ভিত্তিক বৈষম্য:
সাধারণ মেম্বারদের ওয়ার্ড ভিত্তিক যে কার্ড দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে এই বিশাল সংখ্যক (প্রায় ৩০০০) কার্ড প্যানেল চেয়ারম্যানের নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা সরাসরি দুর্নীতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটি প্রাপ্য বঞ্চিত মানুষের অধিকার হরণের শামিল

13/03/2026

মি. শামীম সাহেব হয়তো ভুলে গেছেন, হাতিয়ার মোহাম্মদ আলী একজন,ওনি তার জায়গা নেওয়ার জন্য, ওনার নেতা কর্মীদের দলে ভিড়িয়েছেন। ওনার আশা গুড়েবালি। হাতিয়ার সকল মামলা বাজদের নিয়ে ওনি বলে হাতিয়াকে সন্ত্রাস মুক্ত করবে। আসলে সন্ত্রাস কি? এটা ওনার জানা উচিত, গো হারা হারার পরও ওনি বলে ওনার পরিকল্পনা আছে। হাতিয়ার মানুষ পাঁচ বছর অপেক্ষার পর নেতা পরিবর্তন করবে। ঐ পযন্ত অপেক্ষা করেন। বিএনপিটাকে বুকে ধারণ করেন, তাহলে হাতিয়ার মানুষ আপনাকে ধারণ করবে। আপনার আশেপাশে ভুল মানুষ ভরা। যেটা ছিলো রাতুল সাহেবের। স্থানীয় নিবাচন সামনে ওখানেও আপনার দুরদশিতার কারণে বিএনপি গো হারা হারবে।

11/03/2026

স্বপ্ন দেখেন কিভাবে।

20/02/2026

চোখের পানি ধরে রাখা কষ্ট হচ্ছে।
মোল্লা নামের গোল্লা গুলোর কাজ।

সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা: এ কোন নৈতিকতা?আজকাল নতুন একটা কথা খুব শোনা যায় – “সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা”, “সমঝোতার ভিত্তিতে লেন...
20/02/2026

সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা: এ কোন নৈতিকতা?
আজকাল নতুন একটা কথা খুব শোনা যায় – “সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা”, “সমঝোতার ভিত্তিতে লেনদেন”, “সমঝোতার ভিত্তিতে সব হচ্ছে”।
কথা শুনলে মনে হয়, যেন সব ঠিকঠাক, কেউ কাউকে জোর করছে না, তাই এতে কোনো অন্যায় নেই।
অথচ বাস্তবতা কি তাই?
একজন মন্ত্রী যখন দাঁড়িয়ে বলেন, সড়কে চাঁদা বলতে তিনি কিছু দেখেন না, যেটুকু হচ্ছে তা নাকি “সমঝোতার ভিত্তিতে” – তখন প্রশ্ন জাগে, তিনি কি সত্যিই জানেন না, নাকি না জানার ভান করেন?
এই দেশে কি সত্যি সত্যি ট্রাক, বাস, পণ্যবাহী গাড়ি, ছোট ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ – সবাই নিঃচাপে, খুশিমনে “সমঝোতা” করে টাকা দেয়?

সমঝোতা নাকি লুকানো জুলুম?
চলুন একটু সোজা উদাহরণ দেখি।

রাতের অন্ধকারে হাইওয়েতে গাড়ি আটকে “রেট ফিক্সড” – না দিলে হেনস্তা, মামলা, গাড়ি থামিয়ে রাখা।
হাটবাজারে ব্যবসায়ীকে বলে দেওয়া হয়, প্রতিদিন এত টাকা দিবেন, না দিলে দোকান থাকবে না।
এলাকার প্রভাবশালীরা “ডেভেলপমেন্ট ফান্ড” বা “কমিটি ফান্ড” নামে মাসে টাকা তোলেন, না দিলে নানা হয়রানি।
এইসব কি কোনও স্বাধীন “সমঝোতা”? নাকি জুলুমের অন্য নাম?
যখন এক পক্ষ শক্তিশালী, আরেক পক্ষ দুর্বল; এক পক্ষের হাতে ক্ষমতা, অস্ত্র, প্রভাব; আরেক পক্ষের হাতে শুধু দুঃশ্চিন্তা আর ভয়ের ঘাম – সেখানে যে চুক্তি হয়, তা আসলে চাপের চুক্তি, জুলুমের চুক্তি, নামমাত্র সমঝোতা।
যদি সবই সমঝোতা হয়, তবে হারাম কোথায়?
মন্ত্রীদের কথা যদি মেনে নেই – যেহেতু সবই “সমঝোতার ভিত্তিতে”, তাহলে তো যুক্তি দাঁড়ায়:ঘুষ জায়েজ, কারণ অফিসার কেউ বন্দুক ধরে ঘুষ চায় না, “সিস্টেমের কারণে” হয়, দু’পক্ষই নাকি রাজি।
সুদ জায়েজ, কারণ কেউ কাউকে জোর করছে না, “সিস্টেমের কারণে” ঋণ নিতে হয়।
ধর্ষণও একদিন কেউ বলে বসবে, “সমঝোতার ভিত্তিতে” হয়েছিল, প্রমাণ কোথায়?
এই ভয়ংকর মানসিকতা সমাজকে ভেতর থেকে পচিয়ে দিচ্ছে। যখন ক্ষমতাধররা অন্যায়ের ভাষা বদলে তাকে “সমঝোতা” বলে চালিয়ে দেন, তখন অপরাধ শুধু কাঠামোয় থাকে না, নৈতিকতার ভিতেও ঢুকে পড়ে। রাষ্ট্র তখন নিরপেক্ষ বিচারক নয়, বরং অন্যায়ের অঘোষিত অংশীদার হয়ে যায়।সিস্টেমের নাম করে পাপ বৈধ করা আমরা বারবার শুনি, “সিস্টেমই এমন”, “সিস্টেম চেঞ্জ করতে হবে”, “ব্যক্তিকে দোষ দিয়ে লাভ কী?”।
কিন্তু একই সঙ্গে যখন দায়িত্বশীল মানুষরা বলেন – “এটা তো সমঝোতার ব্যাপার”, তখন দুটি জিনিস ঘটে:সিস্টেম বদলানোর কথা মুখে থাকলেও কাজে আর আসে না।বহু দুর্নীতিকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়া হয়।ঘুষ, সুদ, চাঁদাবাজি – এগুলো শুধু ব্যক্তিগত পাপ নয়, এগুলো রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ব্যর্থতার প্রতীক। কিন্তু এই ব্যর্থতাকে “সমঝোতা” বলে ডেকে যখন পরিষ্কার করা হয়, তখন যারা ভুক্তভোগী, তাদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়, প্রতিবাদ দুর্বল হয়ে পড়ে।সত্যিকারের যোগ্যতা: সৎ, জ্ঞানী, আসক্তিমুক্তআজকে যদি জিজ্ঞেস করি – মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা কী?
শুধু দলীয় আনুগত্য?
শুধু টাকা আর পেশিশক্তি?
শুধু “কম্প্রোমাইজ” করার দক্ষতা?
না, একজন মন্ত্রী হওয়ার আগে অন্তত তিনটি গুণ লাগবেই:তিনি ভালো মানুষ হবেন – মানে, ন্যূনতম নৈতিকতা থাকবে।তিনি জানবেন – আইন, অর্থনীতি, সমাজ, ধর্ম – অন্তত মৌলিক ধারণা ও বোধ থাকবে।তিনি মাদক ও অসৎ আসক্তি থেকে মুক্ত থাকবেন – চরিত্রগতভাবে দাঁড়াতে পারবেন অন্যায়ের বিপরীতে।এই দেশে কি ভালো মানুষ নেই? জ্ঞানী, সৎ, মাদকাসক্ত নয় – এমন কেউ নেই? আছে, অবশ্যই আছে। তাহলে কেন বারবার এমন মানুষ ক্ষমতায় আসে, যারা রাস্তায় চাঁদাবাজি দেখে না, ঘুষের গন্ধ পায় না, সুদের যন্ত্রণাকে “সিস্টেম” বলে এড়িয়ে যায়?বিএনপি, আওয়ামী লীগ, ও “জুলাই যোদ্ধা”“জুলাই যোদ্ধা”রা এখনও আছে – যারা সবসময় ক্ষমতার গরম হাওয়া দেখে দলে ঢুকে পড়ে, আবার হাওয়া বদলালে স্লোগান বদলে ফেলে। তারা কখনোই আদর্শের রাজনীতি করে না, করে সুবিধার রাজনীতি। দল বদলায়, ভাষা বদলায়, কিন্তু চরিত্র বদলায় না।বিএনপি কি দেউলিয়া দল? এক কথায়: না।এই দেশে এখনও বহু মানুষ আছে, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায়।এখনও বহু কর্মী আছে, যারা জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়।তবে কোনো দলই টিকে থাকবে না, যদি তারা ভালো মানুষ, জ্ঞানী মানুষ, সাহসী মানুষকে সামনে না আনে, আর “জুলাই যোদ্ধা”দের দিয়ে রাজনীতি চালাতে থাকে।আমাদের করণীয়: নীরবতা ভাঙা, যুক্তি তোলাসামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে সব বদলানো সম্ভব না, কিন্তু এটা পরিবর্তনের একটি শুরু। তাই কিছু কাজ আমাদের করতেই হবে।“সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা” – এই ভাষাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করতে হবে।যে মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধি অন্যায়কে নরম ভাষায় বৈধ করতে চান, তাদের বক্তব্যের বিরোধিতা করতে হবে যুক্তি দিয়ে, তথ্য দিয়ে।দল, ব্যক্তি, আইডল – কারও অন্ধ অনুসারী না হয়ে, নীতির অনুসারী হতে হবে।সৎ, জ্ঞানী, আসক্তিমুক্ত মানুষকে রাজনীতিতে আসতে উৎসাহ দিতে হবে, দল নির্বিশেষে।আসল প্রশ্ন খুব সোজা: আমরা কী চাই?এমন একটা দেশ, যেখানে অন্যায়কে নতুন নামে ডেকে হালাল বানানো হবে?নাকি এমন একটা দেশ, যেখানে দুর্বল মানুষের কান্নাকে “সমঝোতা” বলে থামিয়ে দেওয়া হবে না?নীরব থাকলে “সমঝোতার ভিত্তিতে অন্যায়” একদিন আইনের চোখেও স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কথা বলতে হবে, লিখতে হবে, জিজ্ঞেস করতে হবে – “মন্ত্রী সাহেব, আপনি যা দেখেন না, আমরা প্রতিদিন তা বয়ে বেড়াই।”

হাতিয়ার নিরব বিপ্লব: আবদুল হান্নান মাসুদের উত্থান ৫০ বছরের উন্নয়ন-বঞ্চিত হাতিয়া আজ এক নতুন স্বপ্নের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। দী...
04/02/2026

হাতিয়ার নিরব বিপ্লব:
আবদুল হান্নান মাসুদের উত্থান ৫০ বছরের উন্নয়ন-বঞ্চিত হাতিয়া আজ এক নতুন স্বপ্নের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। দীর্ঘকাল ধরে অবহেলা, অনুন্নয়ন আর প্রতিশ্রুতির ভেলায় ভেসে চলা এই দ্বীপের মানুষ বারবার দেখেছে কথা, কিন্তু পায়নি কাজের নিশ্চয়তা। তাই যখন একজন মানুষ সুযোগ পেয়ে বাস্তব পরিবর্তনের চেষ্টা শুরু করলেন, হাতিয়াবাসী তাকে দ্রুতই নিজের মানুষ হিসেবে গ্রহণ করলো। তিনি আবদুল হান্নান মাসুদ।

অঘোষিত এমপি:
মানুষের হৃদয়ের ম্যান্ডেটবর্তমান প্রেক্ষাপটে ১২ তারিখ যেন হাতিয়ার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকে গ্রাম থেকে হাট-বাজার, চায়ের দোকান থেকে ঘরের আঙিনা—সব জায়গায় একটি কথাই ঘুরে ফিরে আসছে: “মাসুদ ভাই তো এখন হাতিয়ার অঘোষিত এমপি।”
এটা কোনো সরকারি পদ নয়, কোনো গদি নয়, এটি মানুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাসের সম্মানসূচক উপাধি।
যে রাজনীতি মানুষের পাশে দাঁড়ায়, যে নেতৃত্ব মানুষের কষ্ট বুঝে মাঠে নেমে কাজ করে—মানুষ সেই নেতাকেই মনের এমপি বানিয়ে ফেলে।কাজের মাধ্যমে মানুষের মনে জায়গাহাতিয়াবাসী বহুদিন ধরে দেখেছে:উন্নয়নের নামে কাগজে-কলমে পরিকল্পনা, কিন্তু বাস্তবে পরিবর্তনের অভাবনির্বাচন এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা, কিন্তু নির্বাচন শেষ হলেই সেই প্রতিশ্রুতির মৃত্যুঅবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর কর্মসংস্থানে স্থবিরতাএই প্রেক্ষাপটে আবদুল হান্নান মাসুদের উদ্যোগ মানুষকে আলাদা আশা দেখিয়েছে। তিনি যখন সুযোগ পেয়েছেন, তখন নিজের অবস্থানকে প্রভাব খাটানোর উপায় না বানিয়ে, মানুষের দরজা পর্যন্ত গিয়েছেন, সমস্যা শুনেছেন, সমাধানের চেষ্টা করেছেন।
হাতিয়ার সাধারণ মানুষ তাই মনে করছে: “৫০ বছরে কেউ যা করে নাই, মাসুদ ভাই চেষ্টা করছে অন্তত পথ দেখানোর।”এই বাস্তব কাজ, সরাসরি মানুষের সাথে যোগাযোগ আর সহজ-সরল ব্যবহারই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।১২ তারিখ: ফলাফলের দিন, আশার দিনহাতিয়ার মানুষ এখন ১২ তারিখকে সামনে রেখে চুপচাপ এক নিরব বিপ্লবের স্বপ্ন দেখছে। এই বিপ্লবের কোনো অস্ত্র নেই, নেই হট্টগোল; আছে শুধু ভোট, বিশ্বাস আর পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা।
অনেকেই মনে করছেন, ১২ তারিখে প্রকাশ পাবে হাতিয়ার মানুষের আসল রায়—কে আসলে তাদের পাশে ছিল, কে শুধু দূর থেকে কথা বলেছে।নিরব বিপ্লব মানে:দীর্ঘদিনের ক্ষোভকে শান্তভাবে, গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রকাশ করাভয় নয়, আশা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়াব্যক্তিস্বার্থ নয়, পুরো হাতিয়ার ভবিষ্যৎ ভেবে ভোট দেওয়াসুযোগ হাতছাড়া করার সময় নয়হাতিয়ার মানুষ জানে—এমন সুযোগ বারবার আসে না।
একজন পরীক্ষিত, মাঠের মানুষ সামনে আছে, কাজের নমুনা সামনে আছে, মানুষের সাথে সরাসরি সম্পর্ক সামনে আছে।
এই মুহূর্তে নির্লিপ্ত থাকা মানে শুধু একজন মানুষকে হারানো নয়; বরং একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে পিছিয়ে দেওয়া।তাই এখন সবচেয়ে জরুরি:সচেতন থাকাসঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াযোগ্য মানুষকে সামনে আনাহাতিয়ার ৫০ বছরের বঞ্চনা একদিনে দূর হবে না, কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই পরিবর্তনের প্রথম ধাপটা আজই শুরু হতে পারে।
এই সুযোগ হাত ছাড়া করলে হয়তো ফের আফসোসই লেখা থাকবে আগামী প্রজন্মের কপালে।হাতিয়া আজ চুপচাপ, কিন্তু প্রস্তুত—একটি নিরব বিপ্লবের, একটি নতুন সূচনার, আর একজন মানুষের হাতে ভর করে নিজের ভাগ্য বদলে দেওয়ার।

Address

Sabinaakter459236@gmail. Com
Hatiya
3890

Telephone

+8801575103720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hatiya news posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hatiya news:

Share