Umme Habiba

Umme Habiba
Daily Online shoping

alhamdulillah  এর থেকে বেশি আর কি চায়😍
25/11/2025

alhamdulillah
এর থেকে বেশি আর কি চায়😍

23/11/2025

মেয়েদের হাতে মেহেদী না থাকলে হাত কখনো মানায় না কি সুন্দর ডিজাইন গুলে❤️

 # ভালোবাসার শক্তি    পর্ব:১কার শক্তি  বেশি কালোযাদু নাকি ভালোবাসার। জানতে হলে  # Umme Habiba   পেজ টি ফলো করে চোখ রাখুন...
21/11/2025

# ভালোবাসার শক্তি


পর্ব:১
কার শক্তি বেশি কালোযাদু নাকি ভালোবাসার। জানতে হলে # Umme Habiba পেজ টি ফলো করে চোখ রাখুন ভলোবাসার শক্তি গল্পের উপর।
‎ ভুল টুটি খমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
‎পর্ব : ১
‎দৌড়াতে দৌড়াতে মায়া যাচ্ছে। পড়নে লেহেঙ্গা। সাজ বিয়ের। হুম মায়া কাব্য কে ভালো বাসাে। আজ মায়ার বিয়ে। মায়া কাব্য কে ছাড়া অন্য কাওকে বিয়ে করতে পারবে না। কারণ কাব্যকে খুব ভালো বাসে মায়া।। মায়ার নিশ্বাস জুড়ে শুধু কাব্য আছে। আর কাব্য সে তো মায়া বলতে পাগল।
‎দৌড়ে রাস্তার উপর যেতেই একটা কালো রঙ এর মোটরসাইকেল এসে দাড়াতে মায়া তাতে উঠে পড়ে। মুহুর্তে মায়া কে নিয়ে পালিয়ে যায় কাব্য।
‎মায়ার পিছে দৌড়ে আসছিলো তার পরিবারের লোকজন কিন্তু তাদের ধরতে পারি নি।
‎ দুই ভায়ের এক বোন মায়া।
‎সুর্য আর রোদ মায়ার দুই ভাই।
‎রফিক মোল্লা মায়ার পিতা।
‎রফিক: এটা কি করলি মায়া। আমার মুখে এভাবে চুন কালি না দিলে পারতি। তোর ভালো চাওয়া কি আমার দোষ। গেলি গলি বেকার একটা ছেলের সাথে গেলি। আজ থেকে তোকে তেয্য সন্তান করলাম।
‎মায়ার মা সাইলা বেগম, এসব কি বলছ তুমি। ও বুঝে নি তাই এমন টা করেছে। ও যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক। ও য়ে আমার কলিজার টুকরা আমি কি করে ওকে তেয্য সন্তান করব। তুমি পারলেও আমি পারব না।
‎রফিক : চুপ থাকো তুমি। তোমাদের আদরে একটা বাদর তৈরি হইচে। ও যেনো কখনো আমাদের বাড়ির আঙিনায় পা না রাখে।
‎বলেই বুকে কষ্ট আর মনে হাজরও রাগ নিয়ে হন হন করে চলে গেলো।
‎সাইলা বেগম ওখনেই বসে কান্না করতে থাকল।
‎সুর্য মায়ার বড় ভাই।
‎সুর্য : তুই কাজটা ঠিক করলি না বনু।
‎রোদ : জানতাম এমন টায় হবে। তোমাদের সবাই কে আমি বলেছিলাম মেনে নাও। ও যাকে পছন্দ করে ওর সাথেই দাও। কিন্তু না তোমাদের একটাই কথা ও বেকার।
‎বনু তুই যেখানে থাক ভালো থাকিস।
‎রাত ১০ টা কাজি অফিসে বসে আছে মায়া আর কাব্য।
‎তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। সাথে কাব্যার বন্ধু আকাশ আছে।
‎ আকাশ : দোস্ত শেষ মেষ তোদের ভালোবাসা পুণ্যতা পেলো। মায়া কে দেখে রাখিস। কিন্তু এবার কি করবি কোথায় যাবি কিছু ভাবলি।
‎কাব্য: আমি ওকে নিয়ে আমার বাসায় যাব। যা হওয়ার হবে। মায়ার হাত ধরে বলে।
‎তা শুনে মায়ার চোখে পানি এলো।
‎মায়া কে হাত ধরে টান দিতেই, মায়া একটু নড়ল না।
‎কাব্য: কি হলো চলো?
‎মায়া: কিন্তু বাসার সবাই যদি না মানে আমাকে যদি তারায় দেয়। বলে কান্না করতে থাকে।
‎কাব্য : মায়ার হাত দুটো ধরে, তাকে এক টানে বুকের মাঝে নিয়ে বলে পাগলি আমি আছি না। আর তাড়ায় দিবে মানে। তুমি আমার সাথে থাকবে। বলেই কাব্য হাত ধরে মায়া কে নিয়ে কাজি অফিস থেকে বের হলো। বাড়ির উদ্দেশ্যে।
‎কাব্য আর মায়া বাড়ির দড়জার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
‎কবিতা এসে দরজা খুলতেই,
‎কবিতা : ভাইয়া এটা কে রে। বউ সাজে। আর তুই পানন্জাবি কোথায় পেলি বাসা থেকে তো শাট পেন্ট পড়ে গিছিলি। আর তোর গলায় ফুলের মালা কেনো?
‎কাব্য: এটা তোর ভাবি মায়া।
‎কবিতা: হা হা হা... ভাবি... হা হা হা জোকস টা সুন্দর ছিলো। নিশ্চয়ই তোরা পাংক ভিডিও করছিস। ইস.... ছোট বলে বোকা বানাতে চাইছিস। দেখলি কেমন ধরে ফেললাম।
‎কাব্য: মজা কেনো করব। পাংক ভিডিও করলে তো ক্যামেরা দেখতে পেতি।
‎কবিতা : তার মানে সত্যি..... বলে চোখ বড় বড় করে চিৎকার দিয়ে বলে ও মা.... ওমা দেখো ভাইয়া কি করেছে।
‎কবিতার কথা শুনে রজিনা বেগম রান্না ঘর থেকে বলে...
‎আজও আজও আমার মারামারি লাগিয়েছে। বড় হইচে কিন্তু টম জেরির মতো সভাব যায় নি। দাড়া আসছি, দুটা মিলে আমাকে জালিয়ে মারল। বলতে বলতে আসছে..
‎এসেই কাব্য দেখে থেমে গেলো।
‎কাব্য এই মেয়েটা কে।
‎কাব্য: তোমাদের বউমা মায়া।
‎মায়া : আসসালামু আলাইকুম।
‎রজিনা বেগম : লজ্জা করে না তোমার আমার ছেলে কে ভুলিয়ে ভালিয়ে বিয়ে করেছ।এখন সালাম দিতে আসছে।
‎মায়া চোখের পানি ফেলছে কথা গুলো শুনে।
‎কাব্য: ওকে কিছু বলবে না। ওর কোনো দেষ নেই।
‎রজিনা : হ্যা হ্যা সবই বুঝি জানি, কার দোষ আছে আর নাই।
‎বাইরে চিল্লা পাল্লা শুনে কাব্যের বাবা কবির সাহেব এসে বলে
‎কি হয়েছেটা কি এত শোরগোল কেনো। এই তোমাদের জন্য কি শান্তি তে ঘুমাতেও পারব না। বলতে বলতে চশমা মুছতে মুছতে আসছে।
‎এসে চশমা চোখে দিয়ে শামনে তাকিয়ে, কাব্য আর মায়া কে বর বউ সাজে দেখে চশমা খুলে মুঝতে মুছতে বলে, ইদানীং চোখে সমস্যা টা বেশি হয়েছে কি ভুল ভাল দেখি। বলে চশমা টা চোখে দিতেই, ভালো করে দেখলো না এটা তো কাব্যই।কিন্তু বিয়ের সাজে কেনো আর মেয়েটা কে মনে মনে বলে।
‎এর পর জোরে বলে কাব্য এসব কি।
‎ আমি যা দেখছি তা কি সত্যি।
‎কাব্য: মাথা নিচু করে চুপ....
‎কবির সাহেব: চুপ না থেকো বলো এটা কি সত্যি।
‎রগী সুরে।
‎কাব্য: জ্বি, আমি বিয়ে করেছি। ওর নাম মায়া। ওকে বাসা থেকে জোর করে বিয়ে দিতে ছিলো তাই আমরা পালিয়ে বিয়ে করেছি। এছাড়া আমার কোনো উপায় ছিলো না।
‎রজিনা বেগম : এই তোমার ছেলেকে বলো সে কাজ করে নাকি বিয়ে যে করছে বউকে খাওয়াবে। সে নিজেই তো আমাদের ঘারের উপর বসে খায়। আবার আর একটা কে আনছে।
‎কাব্য : তোমরা মাফ করে দাও। আমি মানছি আমি ভুল করেছি কিন্তু এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিলো না।
‎মায়া এখনো কান্না করছে।
‎ কবির: চুপ... এখনই বের হয়ে যাও আমার বাসা থেকে তোমাদের মুখ আর দেখতে চায় না।
‎আর কখনো আমার বাড়ির আঙ্গিনায় যেনো না দেখি।
‎কাব্য: মাফ করে দাও। তোমরা তাড়িয়ে দিলে আমরা কোথায় যাব।
‎কবির : আমি কারওর কোনো কথা শুনতে চায় না চলে যাও আমার চোখের সামনে থেকে। যে সন্তান আমার মুখে চুন কালি মাখিয়োেছে তাকে কখনো দেখতে চায়,না। আর এই অলক্ষি মেয়ে কে আমি দেখতে চায় না। আমার ছেলের মাথাটা খেয়েছে।
‎এবার কাব্য রেগে বলে
‎কব্য: বললাম তো, ওর কোনো দোষ নেই তারপরও কেনো বার বার ওর দোষ দিচ্ছো তোমরা। তোমাদের এটায় তো সমস্যা আমি বেকার, বউ কে খাওয়াব কি। বেশ আমি চলে যাচ্ছি আর নিজে কাজ করে খাওয়াব। আমি যা খাব ও তাই খাবে। থাকব না এই বাড়িতে।
‎মায়ার হাত ধরে বলে চলো চলে যায়। কিন্তু মায়া এক পাও নড়ে না। কি হলো চলো।
‎মায়া না আমি কোথাও যাব না বলে কান্না করতে থাকে।
‎কাব্য: যে বাড়িতে আমার বউয়ের দাম নেই, যেখানে আমার বউ অলক্ষি সেখানে আমারও দাম নেই আমিও অলক্ষি। অলক্ষি হয়ে তাদের জিবনে কষ্ট বয়ে আনতে চায় না। চলো।
‎এবার ময়া একঝটকায় কাব্যর হাত টা ছাড়িয়ে নিয়ে দৌড়ে তার মা কে জিড়িয়ে ধরে।
‎রজিনা বেগেম মায়াকে নিজ থেকে ছাড়িয়ে জোড়ে একটা থাপ্পড় মারে মায়া কে টাল সামলাতে না পেরে কিচুটা দুরে গিয়ে পড়ে.....
‎চলবে......
‎কপি করা নিষিদ্ধ।
লেখক: উম্মে হাবিবা
#ভালোবাসারশক্তি

Address

Ishwardi
Ishurdi
6622

Telephone

+8801317302506

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umme Habiba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Umme Habiba :

Share