27/05/2026
The Mohadan Washington Times 24 bd com
পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রজেক্ট নির্মাণের প্রেক্ষাপট : সেই সাথে প্রাসঙ্গিক দু’টি কথা
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
২৬ মে ২০২৬,
অবশেষে বর্তমান বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ মনে হচ্ছে, এসময় যদি বি এম আব্বাস বেঁচে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের কতই না উপকার হতো। বি এম আব্বাস নিঃসন্দেহে বাংলাদেশে অতীত এবং বর্তমানের শ্রেষ্ঠ পানিবিশেষজ্ঞ ছিলেন। ১৯৮৮ সালে তার একটি তথ্যবহুল গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। বইটির নাম, ‘ ফারাক্কা ব্যারাজ ও বাংলাদেশ’। ১৬৮ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে তিনি ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ যে বাংলাদেশের ওপর কত ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তার ঐ পুস্তকে দেখা যায়, গঙ্গার পানি সমস্যাটি নতুন নয়। সেই পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এই সমস্যা নিয়ে তিনি এবং তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ভারতের পানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। ভারতের সাথে আলোচনার এক পর্যায়ে পাকিস্তানের তরফ থেকে বলা হয়েছিলো যে, যদি পাকিস্তানের অমত সত্ত্বেও ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয় তাহলে বোমা মেরে সেটিকে উড়িয়ে দেওয়া হবে। তখন পাকিস্তানের ক্ষমতায় ছিলেন প্রেসিডেন্ট জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খান। ফারাক্কা বাঁধের মূল নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। পাকিস্তান আমলে আর ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয়নি।
দ্বিতীয় পর্বে অর্থাৎ বাংলাদেশ পর্ব-১ এ বি এম আব্বাস দেখিয়েছেন যে, ফারাক্কা চালু হলে পদ্মাতীরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল শুকিয়ে যাবে। এই জন্য বিপুল তথ্য-উপাত্ত নিয়ে তিনি মুজিব সরকারের বিভিন্ন মহলে, এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকেও বাংলাদেশের ওপর ফারাক্কা ব্যারাজের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে আগাম জানিয়েছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক কিছুই জানেন না। কিন্তু বি এম আব্বাস আজ বেঁচে না থাকলেও সেই সময়কার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ আমলা আসাফুদ্দৌলা (সম্ভবত তখন জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন) আজও বেঁচে আছেন। তিনি জানেন, কীভাবে বি এম আব্বাস এবং আসাফুদ্দৌলা পরীক্ষামূলকভাবে হলেও ফারাক্কা বাঁধ চালুর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে অনুরোধ করেন যে, শুষ্ক মওসুমে ৪১ দিনের জন্য তিনি ট্রায়াল রান হিসাবে ফারাক্কা বাঁধ চালু করতে চান। বি এম আব্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে এই মর্মে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, ট্রায়াল রান বা পরীক্ষামূলক বললেও একবার যদি ভারত ফারাক্কা বাঁধ চালু করে তাহলে ৪১ দিন পর কেনো, আর কোনো দিনও সেটি বন্ধ করবে না। আজ কিছু বর্ণচোরা আওয়ামী লীগার শেখ মুজিবকে ভারতের ব্যাপারে আপোসহীন বলে চিত্রিত করার চেষ্টা করেন। তারা জেনে রাখুন, শেখ মুজিব বি এম আব্বাস, আসাফুদ্দৌলা প্রমুখ কারো কথায় কর্ণপাত করেননি। বরং তিনি যে ৪১ দিনের পরীক্ষামূলক ফারাক্কা চালুর ভারতীয় সিদ্ধান্তে একমত হন, সেটি বাংলাদেশ টিমের কাউকে জানাননি। সকলকে অন্ধকারে রেখে তিনি ৪১ দিনের ফারাক্কা চালুর সিদ্ধান্তে সায় দেন।
তার পরের কথা সকলেরই জানা। ১৯৭৫ সালে সেই যে, পরীক্ষামূলক চালুর নামে ফারাক্কা বাঁধ চালু হয়ে গেলো সেটি আর পরীক্ষামূলক রইলো না। সেই যে ফারাক্কা বাঁধ চালু হলো, আজও সেটি অব্যাহত রয়েছে।
শেখ মুজিব ফারাক্কা বাঁধ চালু করার অনুমতি দিয়ে বাংলাদেশের যে সর্বনাশ করেছেন, তার আংশিক পূরণ করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৭৭ সালে ভারতের সাথে সম্পাদিত প্রথম ফারাক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন রিয়ার এ্যাডমিরাল এমএইচ খান এবং ভারতের পক্ষে সই করেন তৎকালীন সেচমন্ত্রী সুরজিৎ সিং বার্নালা। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মোরারজি দেশাই। এই চুক্তিতে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন প্রশ্নে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে অধিক পরিমাণে পানি পায়।
॥দুই॥
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবে গৌড়া। চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় ৩০ বছরের জন্য। এই চুক্তিতে বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালের শহীদ জিয়ার চুক্তির চেয়ে অনেক কম পানি পায়। আমার কাছে ১৯৭৭ সালের চুক্তি এবং ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে ভারত এবং বাংলাদেশ কে কত পানি পাবে তার বিস্তারিত ও খুঁটিনাটি তথ্য আছে। আজকের আলোচনায় সেটি প্রাসঙ্গিক নয় বলে উল্লেখ করলাম না। এটুকু উল্লেখ করা দরকার যে, শহীদ জিয়ার চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ ছিলো। কিন্তু শেখ হাসিনার চুক্তিতে সেটিও বাদ দেওয়া হয়।
যাই হোক, ১৯৯৬ সালের চুক্তিটি বাংলাদেশের প্রতিকূলে স্বাক্ষরিত হলেও চুক্তি অনুযায়ী যতখানি পানি বাংলাদেশের পাওয়ার কথা ছিলো তার চেয়ে অনেক কম পানি পায়। এই ৩০ বছর ধরে কম পানি পাওয়ার ফলে বাংলাদেশের একটি অংশ মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এখন সরকারকে আগে থেকেই ভাবতে হবে যে, ৩০ বছর মেয়াদী ঐ চুক্তিটির কি নবায়ন হবে? নাকি নতুন করে চুক্তি হবে? নাকি আদতেই কোনো চুক্তি হবে না? ঐ দিকে বছরের পর বছর ধরে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে আছে। ফলে উত্তরবঙ্গের প্রায় সমগ্র অঞ্চল, বিশেষ করে গাইবান্ধা, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
গঙ্গা তথা পদ্মা এবং তিস্তা নিয়ে ভারত বাংলাদেশকে গ্রীষ্মকালে পানিতে শুকিয়ে মারা এবং বর্ষাকালে বন্যায় ভাসিয়ে দেওয়ার যে ভয়াবহ খেলা শুরু করেছে, তার পটভূমিতেই জনগণ দাবি উঠিয়েছিল, পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা প্রজেক্ট অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা হোক।
বি এম আব্বাস যে কতখানি দূরদর্শী ছিলেন, সেটি বোঝা যায় সেই ১৯৮৮ সালেই তার চিন্তা ধারায়। তখনই তিনি পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার ‘ফারাক্কা ব্যারাজ ও বাংলাদেশ’ পুস্তকের ১৬৬ ও ১৬৭ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, “গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র-দুটি নদীতেই ব্যারাজ নির্মাণের বিষয় অনেক দিন ধরে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক প্রকৌশলী সংস্থা দ্বারা এ দুটি প্রকল্পের কারিগরী ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা স্থাপিত হয়েছে। ব্যারাজ নির্মাণ করলে নদীর পানির উপরে বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পানি ব্যবহারের দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে ও নদীর পানি ব্যবহারের উপরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণের ফলে অনেক অকৃষিজাত সুবিধা হবে, তবে এর প্রধান উদ্দেশ্য কৃষির উন্নতি। গঙ্গা ব্যারাজ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল প্রায় ৩৮ লাখ একর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করবে। এ এলাকা সেচ, পানি নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ফলে খাদ্য শষ্য উৎপাদন বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে।” খেয়াল করুন এগুলি ১৯৮৮ সালের কথা।
॥তিন॥
এখন মে মাস শেষ হওয়ার পথে। সামনে আছে আর মাত্র ৬ মাস সময়। আগেই বলেছি, আগামী ১২ ডিসেম্বর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কী করবে? বাংলাদেশ কি চুক্তিটি নবায়ন করবে? যদি নবায়ন না করা হয় তাহলে ভারত ইচ্ছা মতো তার দিকে পানি অপসারণ করতে থাকবে। আর যদি চুক্তিটি নবায়ন করা হয় তাহলে এটির বাংলাদেশ বিধ্বংসী ধারাগুলো অব্যাহত থাকবে। পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করতে সময় লাগবে। এই সরকারই বলেছে যে, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ এবং চালু করতে সময় লাগবে ৭ বছর। এই মধ্যবর্তী সময় কী করা হবে?
কী করা হবে? সে সম্পর্কে কিছু বলার আগে আমাদের দেখতে হবে, বিগত ৩০ বছর তথা বিগত ৫০ বছরে পদ্মা বা গঙ্গার পানির অবস্থাটি কী? এ সম্পর্কে আমেরিকার কেন্টাকিতে অবস্থিত জেফার্সন কমিউনিটি এবং টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যাপক আহাদ চৌধুরী বলেন, রাজশাহীর গোদাগাড়ী অঞ্চলের মাটিকাটা ইউনিয়নের অধিবাসীদের রিপোর্ট মোতাবেক ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পূর্বে পদ্মা নদীর গভীরতা ছিলো বর্ষাকালে ১০০ ফুট এবং শুষ্ক মওসুমে ৬০ ফুট। এর ১৮ বছর পর ২০১৫ সালে বর্ষাকালে গভীরতা কমে হয় মাত্র ১৫ ফুট। আর শুষ্ক মওসুমে যেটুকু পানি থাকে সেটাকে হাঁটু পানি বললেও ভুল হবে না। এই এলাকায় যেটিকে বরেন্দ্র এলাকা বলা হয়, সেটি এক সময় ছিলো অনেক উর্বরা। এখন সেটি বন্ধ্যা অঞ্চলে পরিণত হতে চলেছে। বাংলাদেশের এই ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে যে ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর উজানের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে তাদের দিকে পানি প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়া থেকে সেকথা বলাই বাহুল্য। আজ আমি পানি প্রাপ্তির টেকনিক্যাল এবং অন্যান্য খুঁটিনাটি তথ্যে গেলাম না। কারণ, আগামী দিনে এ সম্পর্কে অনেক লেখালেখি করতে হবে বলে মনে হচ্ছে।
॥চার॥
সেদিন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে যে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে তার নাম হলো ‘পদ্মা ব্যারাজ’। এর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক জনসভায় বলেছেন যে, তার সরকার তিস্তা ব্যারাজও নির্মাণ করবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে সাধুবাদ। তবে এখানে ছোট্ট একটি কথা আছে। বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই তিস্তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তিস্তা ব্যারাজ নয়, বরং তিস্তা প্রকল্পের ওপর একাধিক স্টাডি করেছে। সেই প্রকল্প নিয়ে চীনের সাথেও অনেক আলাপ-আলোচনা হয়েছে। চীন এই প্রকল্পটিতে শুধুমাত্র অর্থায়ন নয়, বরং তারাই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিপুল আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিস্তায় শুধুমাত্র ব্যারাজ নয়, বরং তিস্তাকে ঘিরে ঐ অঞ্চলে একটি বিশাল এবং বিস্তীর্ণ জনপদ গড়ে তোলার আগ্রহও তারা প্রকাশ করেছে। তিস্তা প্রকল্পের কাজ অনেক আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ভারত যেমন বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে শুরু করে যে কোনো বড় প্রজেক্টে বাগড়া দেয়, তেমনি তিস্তা প্রজেক্টেও চীনা জুজুর ভয় দেখিয়ে প্রকল্পের শুরুটা থামিয়ে দিয়েছে।
যে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের কথা ঘোষণা করেন, ঐ সভায় আরো ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তিস্তা প্রকল্প শুরুর আগে চীনের সাথে যেমন কথা হবে, তেমনি ভারতের সাথেও কথা হবে। এটি ঠিক বোঝা গেলো না যে, ভারতের সাথে কথা বলার কী প্রয়োজন আছে। পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের ব্যাপারে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী যেমন বলেছেন যে, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্য কারো সাথে আলোচনা করবে না। কারণ, এটি বাংলাদেশের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা মনে করি, তিস্তা প্রজেক্টের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
দেশে আজ গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে বলে জনগণের বিশ^াস। পদ্মা ব্যারাজের ব্যাপারে একটি অতি সংক্ষিপ্ত আইডিয়া দেওয়া হয়েছে। প্রথম কিস্তি এবং দ্বিতীয় কিস্তির অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে ব্যারাজের বিস্তারিত বিবরণ জনগণকে জানানো হয়নি। এমনকি পার্লামেন্টের সামনেও পেশ করা হয়নি।
পার্লামেন্টের আগামী সেশন অর্থাৎ যেটি ৭ জুন শুরু হবে, সেটি হবে বাজেট সেশন। এই সেশনে পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা প্রজেক্ট সম্পর্কে আলোচনার সুযোগ রাখা সরকারের জন্যই ভালো হবে। কারণ, সেক্ষেত্রে জনগণ ভাববে যে এই সরকার কোনো কিছুই জনগণকে অন্ধকারে রেখে করে না।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor