The Mohadan News bd 24. com

The Mohadan News bd 24. com Kazi Rafiqul Hasan
Editor

The Mohadan BBC Bangla news 24 bd. comশুভেন্দুকে ‘হত্যার ছক’, বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার ১Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chow...
31/07/2026

The Mohadan BBC Bangla news 24 bd. com
শুভেন্দুকে ‘হত্যার ছক’, বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার ১
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
1August 2026
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে হামিদ মন্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বর্ধমান জেলার রেনেসাঁ হাউসিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

তিনি জইশ-ই-মহম্মদের শাখা সংগঠন ‘হামিল সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠী’র সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, এদিন সকাল সাড়ে ৮টার নাগাদ বর্ধমান পুলিশ ও এসটিএফ অভিযান চালিয়ে হামিদ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় একজন পালিয়ে গেছে। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

হামিদের কাছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধি, সূচি, ভিআইপি মুভমেন্টের সমস্ত নথি পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

পুলিশ আরও জানায়, হামিদ পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিল। আইএসআই হ্যান্ডলার হিসাবে কাজ করছিল। নিয়মিত যোগাযোগ ছিল পাক গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে। তিনি শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির লাইভ লোকেশন কাশ্মীরে পাঠাচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ।

হামিদ মণ্ডলকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, শুধু তিনি নন, জইশের স্ক্যানারে আরও অনেকেই রয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাইও।

ঘটনাটিকে স্পর্শকাতর হিসেবে উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ভীষণ স্পর্শকাতর বিষয়। আমি কোনো মন্তব্য করব না। আগামীকাল এসটিএফ বিবৃতি দেবে। এটা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়।’

এর আগে মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী ব্যক্তিগত সহকারী ও বিমান বাহিনীতে কর্মরত প্রাক্তন আধিকারিক চন্দ্রনাথ রথকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই মামলার তদন্ত এখনো চলছে।
News publisher and Editorial

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington post 24 bd. comসাংবাদিক গ্রেফতার আর কত? গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কি কেবল কাগজে-কলমে?Nur A Azom Kazi R...
31/07/2026

The Mohadan Washington post 24 bd. com

সাংবাদিক গ্রেফতার আর কত? গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কি কেবল কাগজে-কলমে?
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
1 August 2026
দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করাই একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোনো দুর্নীতিবাজ সরকারি বা বেসরকারি কর্মকর্তা সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশিত হলেই সেই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে শুরু হয় নানামুখী চাপ, হয়রানি, মামলা এবং অনেক ক্ষেত্রে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া।

প্রশ্ন হলো?—সাংবাদিক কি অপরাধী, নাকি জনগণের জানার অধিকার প্রতিষ্ঠার একজন প্রতিনিধি?

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা, বিবেক, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। একইসঙ্গে প্রেস কাউন্সিল আইন, ১৯৭৪ গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি করেছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা অনুসরণ না করে সরাসরি ফৌজদারি মামলার পথ বেছে নিচ্ছে।

এটি শুধু একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়; এটি জনগণের তথ্য জানার অধিকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিকের কলমকে হাতকড়া পরানো যায় না। কারণ ইতিহাস স্বাক্ষী, সত্যকে বন্দী করা গেলেও সত্যকে পরাজিত করা যায় না। সংবাদপত্র সমাজের আয়না। আয়নায় নিজের মুখ দেখে যদি কেউ অসন্তুষ্ট হয়, তবে আয়না ভাঙলে মুখের দাগ মুছে যায় না।

বিশ্বের বহু গণতান্ত্রিক দেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে প্রথমে জবাবদিহিতা, ব্যাখ্যা চাওয়া, নোটিশ প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশেও সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলকে অধিক কার্যকর করার দাবি দীর্ঘদিনের।

প্রশ্ন উঠছে, কোনো সংবাদ যদি মিথ্যা হয়, তবে তার প্রতিকার কি আইনগত ব্যাখ্যা ও তথ্যপ্রমাণের মাধ্যমে হবে, নাকি সাংবাদিককে গ্রেফতার করে?

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হলেই যদি সাংবাদিককে হয়রানি করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিরুৎসাহিত হবে। এতে লাভবান হবে দুর্নীতিবাজ চক্র, ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাষ্ট্র ও জনগণ।
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan London Times 24 bd. comলেবানন-ইসরায়েল কাঠামো নিয়ে রুবিও-আউনের বৈঠক, কী কথা হলোNews publisher and Editorial N...
19/07/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
লেবানন-ইসরায়েল কাঠামো নিয়ে রুবিও-আউনের বৈঠক, কী কথা হলো
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
20 July 2026
যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত ত্রিপক্ষীয় (ট্রিল্যাটারাল) কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পরে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, রুবিও লেবাননের সরকারের ‘সাহসিকতা’ এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ত্রিপক্ষীয় এই কাঠামো বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়। পাশাপাশি লেবাননের শান্তি প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং দেশটির জনগণের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় ওয়াশিংটনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন রুবিও।

এর আগে চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।

প্রায় ২০ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম লেবাননের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে হোয়াইট হাউস সফর করছেন।
আগামী মঙ্গলবারের এই বৈঠকে আউন ও ট্রাম্পের প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington post 24 bd. comজর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা News publisher ...
09/07/2026

The Mohadan Washington post 24 bd. com
জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
News publisher and Editorial
Poet Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
10 July 2026
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে জর্ডানের আজরাক সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়।

তবে জর্ডান সরকার জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তারা আরও বলে, ‘মার্কিন আগ্রাসন’ পুনরাবৃত্তি হলে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এ বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Times 24 bd. com ৫৭ বছর পর মৃত মা-বাবার অস্তিত্বের প্রমাণ খোঁজার লড়াইভারতের প্রাক্তন সম্পাদকেরই ...
28/06/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com

৫৭ বছর পর মৃত মা-বাবার অস্তিত্বের প্রমাণ খোঁজার লড়াই
ভারতের প্রাক্তন সম্পাদকেরই এই দশা! সাধারণ মুসলিমদের তবে কী হবে?

২৮ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury



ভারতের সংখ্যালঘু ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর চলমান রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক নিপীড়ন এবার স্পর্শ করল খোদ দেশটির মূলধারার এক প্রবীণ অমুসলিম বুদ্ধিজীবীকে। ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর প্রাক্তন সম্পাদক আর. রাজাগোপালের ভোটার অধিকার কেড়ে নেওয়া এবং পাসপোর্ট আটকে দেওয়ার ঘটনায় দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ও সংখ্যালঘু মহলে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।



সচেতন মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রশ্ন তুলছেন—যিনি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যাঁর কলমে কাঁপত প্রশাসন, তাঁরই যদি আজ রাষ্ট্রীয় নথির মারপ্যাঁচে এই করুণ দশা হয়, তবে ভারতের কোটি কোটি সাধারণ ও প্রান্তিক মুসলিম, দলিত এবং পশ্চাৎপদ মানুষের পরিণতি কী হবে? তারা কীভাবে প্রমাণ করবেন নিজেদের নাগরিকত্ব?



দ্য ওয়্যার-ইন এর প্রতিবেদন মতে, ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। গত তিন দশক ধরে কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা আর. রাজাগোপাল। অথচ গত ২৭ মার্চ হঠাৎ করেই ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম কেটে দেয় নির্বাচন কমিশন। ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে পশ্চিমবঙ্গে যে প্রায় ২৭ লাখ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে, রাজাগোপাল সেই প্রক্রিয়ারই শিকার।



প্রশাসনের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর বা তাঁর প্রয়াত বাবার নামের কোনো ‘যৌক্তিক সূত্র’ মেলেনি। অথচ তাঁর বাবা ছিলেন একজন প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ এবং কেরালার গান্ধী স্মারক নিধির প্রাক্তন সম্পাদক। সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাঁর ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, যার ফলে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে পারেননি।



ভোটাধিকার কেড়েই ক্ষান্ত হয়নি প্রশাসন; আঘাত এসেছে তাঁর মৌলিক চলাফেরার স্বাধীনতার ওপর। গত ১৯ মার্চ তিনি তাঁর ২০ বছরের পুরোনো পাসপোর্টটি নবীকরণ করতে দিলে কলকাতা পুলিশ তাঁর ভেরিফিকেশন আটকে দেয়। এজেসি বোস রোডের সিকিউরিটি কন্ট্রোল অফিস থেকে তাঁর ফাইলের ওপর লিখে দেওয়া হয়—‘বাতিল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত’। ভোটার তালিকায় নাম নেই—এই অজুহাতে পাসপোর্ট অফিস থেকে তাঁকে নেতিবাচক রিপোর্ট দেওয়া হয়।



এর খেসারত হিসেবে, গত ১৭ এপ্রিল ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত থাকার বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও কেবল সক্রিয় পাসপোর্টের অভাবে দেশ ছাড়তে পারেননি এই প্রবীণ সাংবাদিক।



৫৭ বছর পর মৃত মা-বাবার অস্তিত্বের প্রমাণ খোঁজার লড়াই

ভারতে ৫৭ বছর ধরে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে বসবাস, পড়াশোনা ও সাংবাদিকতা করার পর আজ বৃদ্ধ বয়সে রাজাগোপালকে প্রমাণ করতে হচ্ছে যে তিনি ভারতীয় এবং তাঁর মা-বা সত্যিই এই পৃথিবীতে জন্মেছিলেন। ১৯৫৮-৫৯ সালের পুরোনো স্কুল রেজিস্টার বা ১৯৬৫ সালের কলেজের নথি খুঁজতে এখন তাঁকে কেরালার ধুলোবালি মাখা পুরোনো আর্কাইভে হন্যে হয়ে ঘুরতে হচ্ছে।



"যে দেশে আমি ৫৭ বছর ধরে নাগরিক হিসেবে সব দায়িত্ব পালন করলাম, আজ সেখানে আমার মা-বাবার অস্তিত্বের প্রমাণ জোগাড় করতে হচ্ছে। আমি ফুটবলের মতো এক অফিস থেকে অন্য অফিসে লাথি খাচ্ছি", বলেন আর. রাজাগোপাল।



সাধারণ মুসলিমদের তবে কী হবে?

এই ঘটনাটি ভারতের বর্তমান শাসনব্যবস্থার এক ভয়াবহ ও বৈষম্যমূলক রূপকে উলঙ্গ করে দিয়েছে। আসামের এনআরসি কিংবা সিএএ-র আতঙ্কের পটভূমিতে রাজাগোপালের এই অভিজ্ঞতা ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।



সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দ বলছেন, রাজাগোপালের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত, প্রভাবশালী এবং সম্পদশালী প্রবীণ সম্পাদকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে বন্ধু-বান্ধব ও আইনজীবীদের লাগিয়ে পুরোনো নথি খোঁজা বা ট্রাইব্যুনালে আপিল করা। কিন্তু ভারতের যে কোটি কোটি সাধারণ মুসলিম ও প্রান্তিক মানুষ নদীভাঙন, দারিদ্র্য আর অশিক্ষার কারণে নিজেদের নথিপত্র সযতনে রাখতে পারেননি, এই ‘নথি রাজনীতির’ খাঁড়া যখন তাদের ওপর পড়বে, তখন তাদের আশ্রয় কোথায় হবে? ডিটেনশন ক্যাম্প ছাড়া তাদের আর কী গতি থাকবে?



একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আমলাতন্ত্রকে অস্ত্র বানিয়ে নাগরিকদের যেভাবে ‘ফুটবল’ বানানো হচ্ছে, এবং এই পুরো অমানবিক প্রক্রিয়ার মুখে ভারতের তথাকথিত করপোরেট মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো যেভাবে মুখে কুলুপ এঁটেছে, তা ফ্যাসিবাদেরই এক বিপজ্জনক আলামত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Times 24 bd. comইরানে ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম নিষ্কাশনে যুক্তরাষ্ট্রের ‘তাড়াহুড়ো নেই’ ট্রাম্প ১৬ জুন...
16/06/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com
ইরানে ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম নিষ্কাশনে যুক্তরাষ্ট্রের ‘তাড়াহুড়ো নেই’ ট্রাম্প

১৬ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

ইরানের আক্রান্ত সামরিক ও কৌশলগত সাইটগুলোর নিচে মাটির গভীরে সমাহিত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিষ্কাশনের পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে ওয়াশিংটনের কোনো 'তাড়াহুড়ো নেই' বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।



হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, "আমরা যখন এই ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে পাব, তখনই তা ধ্বংস করে ফেলব। আমাদের মূল লক্ষ্য এটি দখল করা বা নিজেদের কাছে রাখা নয়, বরং এটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা।"



ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির এই মূল উপাদানটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো দীর্ঘমেয়াদি লোভ নেই উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও যোগ করেন, "আমাদের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ইউরেনিয়াম রয়েছে। তাই ইরানের মাটির নিচে থাকা এই উপাদানটি নিয়ে আমাদের কোনো বাড়তি আগ্রহ নেই, আমরা কেবল এটি নিশ্চিত করতে চাই যেন এটি আর কোনো হুমকির কারণ না হয়ে দাঁড়ায়।"



বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর সাম্প্রতিক হামলার পর সেখানে থাকা পারমাণবিক উপাদানগুলোর নিরাপত্তা এবং তা নিষ্কাশন নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, ট্রাম্পের এই বক্তব্য সেই উত্তেজনায় কিছুটা লাগাম টানতে পারে। তবে নিষ্কাশনের পর তা ধ্বংস করার এই মার্কিন ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন কোনো মোড় নেয় কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Times 24 bd comপদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রজেক্ট নির্মাণের প্রেক্ষাপট : সেই সাথে প্রাসঙ্গিক দু’টি ক...
27/05/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd com
পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রজেক্ট নির্মাণের প্রেক্ষাপট : সেই সাথে প্রাসঙ্গিক দু’টি কথা
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
২৬ মে ২০২৬,

অবশেষে বর্তমান বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ মনে হচ্ছে, এসময় যদি বি এম আব্বাস বেঁচে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের কতই না উপকার হতো। বি এম আব্বাস নিঃসন্দেহে বাংলাদেশে অতীত এবং বর্তমানের শ্রেষ্ঠ পানিবিশেষজ্ঞ ছিলেন। ১৯৮৮ সালে তার একটি তথ্যবহুল গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। বইটির নাম, ‘ ফারাক্কা ব্যারাজ ও বাংলাদেশ’। ১৬৮ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে তিনি ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ যে বাংলাদেশের ওপর কত ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তার ঐ পুস্তকে দেখা যায়, গঙ্গার পানি সমস্যাটি নতুন নয়। সেই পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এই সমস্যা নিয়ে তিনি এবং তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ভারতের পানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। ভারতের সাথে আলোচনার এক পর্যায়ে পাকিস্তানের তরফ থেকে বলা হয়েছিলো যে, যদি পাকিস্তানের অমত সত্ত্বেও ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয় তাহলে বোমা মেরে সেটিকে উড়িয়ে দেওয়া হবে। তখন পাকিস্তানের ক্ষমতায় ছিলেন প্রেসিডেন্ট জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খান। ফারাক্কা বাঁধের মূল নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। পাকিস্তান আমলে আর ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয়নি।

দ্বিতীয় পর্বে অর্থাৎ বাংলাদেশ পর্ব-১ এ বি এম আব্বাস দেখিয়েছেন যে, ফারাক্কা চালু হলে পদ্মাতীরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল শুকিয়ে যাবে। এই জন্য বিপুল তথ্য-উপাত্ত নিয়ে তিনি মুজিব সরকারের বিভিন্ন মহলে, এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকেও বাংলাদেশের ওপর ফারাক্কা ব্যারাজের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে আগাম জানিয়েছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক কিছুই জানেন না। কিন্তু বি এম আব্বাস আজ বেঁচে না থাকলেও সেই সময়কার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ আমলা আসাফুদ্দৌলা (সম্ভবত তখন জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন) আজও বেঁচে আছেন। তিনি জানেন, কীভাবে বি এম আব্বাস এবং আসাফুদ্দৌলা পরীক্ষামূলকভাবে হলেও ফারাক্কা বাঁধ চালুর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে অনুরোধ করেন যে, শুষ্ক মওসুমে ৪১ দিনের জন্য তিনি ট্রায়াল রান হিসাবে ফারাক্কা বাঁধ চালু করতে চান। বি এম আব্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে এই মর্মে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, ট্রায়াল রান বা পরীক্ষামূলক বললেও একবার যদি ভারত ফারাক্কা বাঁধ চালু করে তাহলে ৪১ দিন পর কেনো, আর কোনো দিনও সেটি বন্ধ করবে না। আজ কিছু বর্ণচোরা আওয়ামী লীগার শেখ মুজিবকে ভারতের ব্যাপারে আপোসহীন বলে চিত্রিত করার চেষ্টা করেন। তারা জেনে রাখুন, শেখ মুজিব বি এম আব্বাস, আসাফুদ্দৌলা প্রমুখ কারো কথায় কর্ণপাত করেননি। বরং তিনি যে ৪১ দিনের পরীক্ষামূলক ফারাক্কা চালুর ভারতীয় সিদ্ধান্তে একমত হন, সেটি বাংলাদেশ টিমের কাউকে জানাননি। সকলকে অন্ধকারে রেখে তিনি ৪১ দিনের ফারাক্কা চালুর সিদ্ধান্তে সায় দেন।
তার পরের কথা সকলেরই জানা। ১৯৭৫ সালে সেই যে, পরীক্ষামূলক চালুর নামে ফারাক্কা বাঁধ চালু হয়ে গেলো সেটি আর পরীক্ষামূলক রইলো না। সেই যে ফারাক্কা বাঁধ চালু হলো, আজও সেটি অব্যাহত রয়েছে।

শেখ মুজিব ফারাক্কা বাঁধ চালু করার অনুমতি দিয়ে বাংলাদেশের যে সর্বনাশ করেছেন, তার আংশিক পূরণ করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৭৭ সালে ভারতের সাথে সম্পাদিত প্রথম ফারাক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন রিয়ার এ্যাডমিরাল এমএইচ খান এবং ভারতের পক্ষে সই করেন তৎকালীন সেচমন্ত্রী সুরজিৎ সিং বার্নালা। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মোরারজি দেশাই। এই চুক্তিতে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন প্রশ্নে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে অধিক পরিমাণে পানি পায়।

॥দুই॥
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবে গৌড়া। চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় ৩০ বছরের জন্য। এই চুক্তিতে বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালের শহীদ জিয়ার চুক্তির চেয়ে অনেক কম পানি পায়। আমার কাছে ১৯৭৭ সালের চুক্তি এবং ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে ভারত এবং বাংলাদেশ কে কত পানি পাবে তার বিস্তারিত ও খুঁটিনাটি তথ্য আছে। আজকের আলোচনায় সেটি প্রাসঙ্গিক নয় বলে উল্লেখ করলাম না। এটুকু উল্লেখ করা দরকার যে, শহীদ জিয়ার চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ ছিলো। কিন্তু শেখ হাসিনার চুক্তিতে সেটিও বাদ দেওয়া হয়।

যাই হোক, ১৯৯৬ সালের চুক্তিটি বাংলাদেশের প্রতিকূলে স্বাক্ষরিত হলেও চুক্তি অনুযায়ী যতখানি পানি বাংলাদেশের পাওয়ার কথা ছিলো তার চেয়ে অনেক কম পানি পায়। এই ৩০ বছর ধরে কম পানি পাওয়ার ফলে বাংলাদেশের একটি অংশ মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এখন সরকারকে আগে থেকেই ভাবতে হবে যে, ৩০ বছর মেয়াদী ঐ চুক্তিটির কি নবায়ন হবে? নাকি নতুন করে চুক্তি হবে? নাকি আদতেই কোনো চুক্তি হবে না? ঐ দিকে বছরের পর বছর ধরে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে আছে। ফলে উত্তরবঙ্গের প্রায় সমগ্র অঞ্চল, বিশেষ করে গাইবান্ধা, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

গঙ্গা তথা পদ্মা এবং তিস্তা নিয়ে ভারত বাংলাদেশকে গ্রীষ্মকালে পানিতে শুকিয়ে মারা এবং বর্ষাকালে বন্যায় ভাসিয়ে দেওয়ার যে ভয়াবহ খেলা শুরু করেছে, তার পটভূমিতেই জনগণ দাবি উঠিয়েছিল, পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা প্রজেক্ট অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা হোক।
বি এম আব্বাস যে কতখানি দূরদর্শী ছিলেন, সেটি বোঝা যায় সেই ১৯৮৮ সালেই তার চিন্তা ধারায়। তখনই তিনি পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার ‘ফারাক্কা ব্যারাজ ও বাংলাদেশ’ পুস্তকের ১৬৬ ও ১৬৭ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, “গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র-দুটি নদীতেই ব্যারাজ নির্মাণের বিষয় অনেক দিন ধরে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক প্রকৌশলী সংস্থা দ্বারা এ দুটি প্রকল্পের কারিগরী ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা স্থাপিত হয়েছে। ব্যারাজ নির্মাণ করলে নদীর পানির উপরে বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পানি ব্যবহারের দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে ও নদীর পানি ব্যবহারের উপরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণের ফলে অনেক অকৃষিজাত সুবিধা হবে, তবে এর প্রধান উদ্দেশ্য কৃষির উন্নতি। গঙ্গা ব্যারাজ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল প্রায় ৩৮ লাখ একর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করবে। এ এলাকা সেচ, পানি নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ফলে খাদ্য শষ্য উৎপাদন বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে।” খেয়াল করুন এগুলি ১৯৮৮ সালের কথা।

॥তিন॥
এখন মে মাস শেষ হওয়ার পথে। সামনে আছে আর মাত্র ৬ মাস সময়। আগেই বলেছি, আগামী ১২ ডিসেম্বর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কী করবে? বাংলাদেশ কি চুক্তিটি নবায়ন করবে? যদি নবায়ন না করা হয় তাহলে ভারত ইচ্ছা মতো তার দিকে পানি অপসারণ করতে থাকবে। আর যদি চুক্তিটি নবায়ন করা হয় তাহলে এটির বাংলাদেশ বিধ্বংসী ধারাগুলো অব্যাহত থাকবে। পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করতে সময় লাগবে। এই সরকারই বলেছে যে, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ এবং চালু করতে সময় লাগবে ৭ বছর। এই মধ্যবর্তী সময় কী করা হবে?

কী করা হবে? সে সম্পর্কে কিছু বলার আগে আমাদের দেখতে হবে, বিগত ৩০ বছর তথা বিগত ৫০ বছরে পদ্মা বা গঙ্গার পানির অবস্থাটি কী? এ সম্পর্কে আমেরিকার কেন্টাকিতে অবস্থিত জেফার্সন কমিউনিটি এবং টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যাপক আহাদ চৌধুরী বলেন, রাজশাহীর গোদাগাড়ী অঞ্চলের মাটিকাটা ইউনিয়নের অধিবাসীদের রিপোর্ট মোতাবেক ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পূর্বে পদ্মা নদীর গভীরতা ছিলো বর্ষাকালে ১০০ ফুট এবং শুষ্ক মওসুমে ৬০ ফুট। এর ১৮ বছর পর ২০১৫ সালে বর্ষাকালে গভীরতা কমে হয় মাত্র ১৫ ফুট। আর শুষ্ক মওসুমে যেটুকু পানি থাকে সেটাকে হাঁটু পানি বললেও ভুল হবে না। এই এলাকায় যেটিকে বরেন্দ্র এলাকা বলা হয়, সেটি এক সময় ছিলো অনেক উর্বরা। এখন সেটি বন্ধ্যা অঞ্চলে পরিণত হতে চলেছে। বাংলাদেশের এই ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে যে ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর উজানের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে তাদের দিকে পানি প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়া থেকে সেকথা বলাই বাহুল্য। আজ আমি পানি প্রাপ্তির টেকনিক্যাল এবং অন্যান্য খুঁটিনাটি তথ্যে গেলাম না। কারণ, আগামী দিনে এ সম্পর্কে অনেক লেখালেখি করতে হবে বলে মনে হচ্ছে।

॥চার॥
সেদিন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে যে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে তার নাম হলো ‘পদ্মা ব্যারাজ’। এর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক জনসভায় বলেছেন যে, তার সরকার তিস্তা ব্যারাজও নির্মাণ করবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে সাধুবাদ। তবে এখানে ছোট্ট একটি কথা আছে। বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই তিস্তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তিস্তা ব্যারাজ নয়, বরং তিস্তা প্রকল্পের ওপর একাধিক স্টাডি করেছে। সেই প্রকল্প নিয়ে চীনের সাথেও অনেক আলাপ-আলোচনা হয়েছে। চীন এই প্রকল্পটিতে শুধুমাত্র অর্থায়ন নয়, বরং তারাই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিপুল আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিস্তায় শুধুমাত্র ব্যারাজ নয়, বরং তিস্তাকে ঘিরে ঐ অঞ্চলে একটি বিশাল এবং বিস্তীর্ণ জনপদ গড়ে তোলার আগ্রহও তারা প্রকাশ করেছে। তিস্তা প্রকল্পের কাজ অনেক আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ভারত যেমন বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে শুরু করে যে কোনো বড় প্রজেক্টে বাগড়া দেয়, তেমনি তিস্তা প্রজেক্টেও চীনা জুজুর ভয় দেখিয়ে প্রকল্পের শুরুটা থামিয়ে দিয়েছে।

যে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের কথা ঘোষণা করেন, ঐ সভায় আরো ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তিস্তা প্রকল্প শুরুর আগে চীনের সাথে যেমন কথা হবে, তেমনি ভারতের সাথেও কথা হবে। এটি ঠিক বোঝা গেলো না যে, ভারতের সাথে কথা বলার কী প্রয়োজন আছে। পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের ব্যাপারে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী যেমন বলেছেন যে, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্য কারো সাথে আলোচনা করবে না। কারণ, এটি বাংলাদেশের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা মনে করি, তিস্তা প্রজেক্টের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

দেশে আজ গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে বলে জনগণের বিশ^াস। পদ্মা ব্যারাজের ব্যাপারে একটি অতি সংক্ষিপ্ত আইডিয়া দেওয়া হয়েছে। প্রথম কিস্তি এবং দ্বিতীয় কিস্তির অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে ব্যারাজের বিস্তারিত বিবরণ জনগণকে জানানো হয়নি। এমনকি পার্লামেন্টের সামনেও পেশ করা হয়নি।

পার্লামেন্টের আগামী সেশন অর্থাৎ যেটি ৭ জুন শুরু হবে, সেটি হবে বাজেট সেশন। এই সেশনে পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা প্রজেক্ট সম্পর্কে আলোচনার সুযোগ রাখা সরকারের জন্যই ভালো হবে। কারণ, সেক্ষেত্রে জনগণ ভাববে যে এই সরকার কোনো কিছুই জনগণকে অন্ধকারে রেখে করে না।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan London Times 24 bd. comহরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন নিয়ম: পার হতে লাগবে বিশেষ অনুমতি প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬updat...
11/05/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন নিয়ম: পার হতে লাগবে বিশেষ অনুমতি
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬
update Time 9.50 Pm
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরালো করতে নতুন কঠোর নিয়ম জারি করেছে ইরান। এখন থেকে এই জলপথ ব্যবহারকারী প্রতিটি নৌযানকে তেহরানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ‘সম্মতিপত্র’ বা পারমিট নিতে হবে এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ টোল পরিশোধ করতে হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ে। মাঝে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় এই রুটটি পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

নৌচলাচল বিষয়ক বিশ্বখ্যাত জার্নাল ‘লয়েড’স লিস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ (পিজিএসএ) গঠন করে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো চালু করেছে। নতুন নিয়মে কোনো জাহাজ এই প্রণালি পাড়ি দিতে চাইলে তাদের ৪০টিরও বেশি তথ্য সম্বলিত একটি ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ ফর্ম পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:

জাহাজের মালিকানা ও বিমা সংক্রান্ত তথ্য।

ক্রু এবং পরিবাহিত পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ।

যাত্রার শুরু এবং চূড়ান্ত গন্তব্যের তথ্য।

যাচাই-বাছাই শেষে তেহরান সবুজ সংকেত দিলে তবেই জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাবে। তবে টোলের পরিমাণ ঠিক কত হবে, সে বিষয়ে ইরান এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো একে ‘সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে দেখছে। পিজিএসএ-এর পক্ষ থেকে জাহাজগুলোকে ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ফরমে কোনো ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার পূর্ণ দায় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে।

শনিবার (৯ মে) এক ইরানি সামরিক কর্মকর্তা সাফ জানিয়েছেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তাদের জন্য এই রুট ব্যবহার করা আরও কঠিন হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এখন থেকে সব নৌযানকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই অঞ্চল পাড়ি দিতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওমান ও ইরান সীমান্তবর্তী এই সরু জলপথটি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। ইরানের এই নতুন নিয়ম বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এবং দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Mohadan Express

The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.comমার্কিন প্রতিনিধিরা পৌঁছানোর আগেই পাকিস্তান ত্যাগ করল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীThe Da...
25/04/2026

The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.com
মার্কিন প্রতিনিধিরা পৌঁছানোর আগেই পাকিস্তান ত্যাগ করল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
The Daily Mohadan Times
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে পৌঁছানোর আগেই ইসলামাবাদ সফর শেষ করে দেশ ত্যাগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দিনভর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

সফরকালে তিনি শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ও ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরসহ পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শেহবাজ শরিফ আলোচনাকে উষ্ণ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, দুই নেতার বৈঠক প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং এতে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সংলাপ ও কূটনীতির গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়।

এর আগে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইসলামাবাদে একটি মোটর শোভাযাত্রার ছবি প্রকাশ করে জানায়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানী ত্যাগ করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল শনিবার পাকিস্তানে পৌঁছাবে। ওই দলে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার।

তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক ত্রিদেশীয় সফরের অংশ হিসেবেই ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন আব্বাস আরাঘচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan London Times 24 bd. com

Address

Jamalpur Sadar Upazila

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Mohadan News bd 24. com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share