The Mohadan Muslim Hindu Press 24 bd. com

The Mohadan Muslim Hindu Press 24 bd. com Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor and publisher
Malgodam area Jamalpur
01716611342

The Mohadan Washington Times 24 bd. com রিপাবলিকানদের 'ঘৃণাভাষ্য': টেক্সাসে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হেনস্থার শিকার মুসলিমরা...
29/06/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com

রিপাবলিকানদের 'ঘৃণাভাষ্য': টেক্সাসে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হেনস্থার শিকার মুসলিমরা

২৯ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে মুসলিমদের লক্ষ্য করে তীব্র হচ্ছে বর্ণবাদ এবং ইসলামভীতি (ইসলামোফোবিয়া)। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিবিদদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও ঘৃণাভাষ্যের (হেট স্পিচ) জেরে সাধারণ মুসলিমদের দৈনন্দিন জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। স্কুল, শপিং মল, পার্ক কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়—সবখানেই প্রতিনিয়ত হেনস্থা ও হুমকির শিকার হতে হচ্ছে তাদের। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।



প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি টেক্সাসের রিপাবলিকান প্রাইমারি রান-অফ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইসলামভীতি চরম আকার ধারণ করে। রাজনীতিবিদদের দেওয়া এসব উসকানিমূলক বক্তব্য এখন সমাজের সাধারণ স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল মুসলিম শিক্ষার্থী যখন ক্যাম্পাসে নামাজ পড়ছিলেন, তখন এক ব্যক্তি তাদের সামনে গিয়ে পবিত্র কুরআন পুড়িয়ে দেয়। এছাড়া হিজাব বা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরার কারণে নারীদের প্রকাশ্যে মৌখিকভাবে আক্রমণ করার একাধিক ঘটনা ঘটেছে।



ডালাসের বাসিন্দা এবং 'ইসলামিক সেন্টার অব নর্থ আমেরিকা কাউন্সিল ফর সোশ্যাল জাস্টিস'-এর সদস্য নাইলা সৈয়দ জানান, স্কুলে তার দুই ছোট মেয়েকে ইসলাম-বিরোধী নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সহপাঠীরা তাদের মুখস্থ বুলি আউড়ে জিজ্ঞেস করছে—ইসলামে নারীদের ওপর নির্যাতন করা হয় কি না। একজন মা হিসেবে এই পরিস্থিতি তাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।



সম্প্রতি টেক্সাসে রিপাবলিকান পার্টির (GOP) অফিসিয়াল কনভেনশনে যোগ দেওয়া মুসলিম প্রতিনিধিদেরও চরম হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। তাদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, হয় খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করো, না হয় দেশ ছাড়ো। এমনকি রিপাবলিকানদের দলীয় ইশতেহারে 'ডোন্ট শরিয়াহ আওয়ার টেক্সাস' নামে একটি নীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার লক্ষ্য মূলত শরিয়াহ আইনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেক্সাসে শরিয়াহ আইন চালুর কোনো দূরবর্তী চেষ্টাও কেউ কখনো করেনি।



এদিকে, টেক্সাসের উগ্র ডানপন্থী কর্মকাণ্ডকে উসকে দিচ্ছেন খোদ আইনপ্রণেতারা। রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ন্যান্সি মেস এবং ব্র্যান্ডন গিল সোমালিয়া বা মুসলিম প্রধান দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন বন্ধের জন্য আইন আনার প্রস্তাব করেছেন। ব্র্যান্ডন গিল তার ভোটারদের কাছে পাঠানো এক ইমেইলের শিরোনাম দিয়েছেন—‘এখনই ইসলামিক অভিবাসন বন্ধ করুন, অন্যথায় আমাদের সন্তানদের মাশুল দিতে হবে।’ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, এখনই এটি না থামালে তার মেয়েসহ আমেরিকান শিশুদের বোরকা পরে স্কুলে যেতে হবে।



এই তীব্র বিদ্বেষের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে টেক্সাসের শিক্ষাব্যবস্থাতেও। টেক্সাস স্টেট বোর্ড অব এডুকেশন সম্প্রতি ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব এনেছে। যেখানে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব ও জুডিও-খ্রিস্টান সংস্কৃতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে এবং বিশ্ব সংস্কৃতি ও ইতিহাসে মুসলিম সভ্যতার অবদান সম্পর্কিত অধ্যায়গুলো বাদ বা সংকুচিত করা হচ্ছে।



পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টেক্সাসের একমাত্র দুই মুসলিম আইনপ্রণেতার একজন ডা. সুলেমান লালানি হাউজে একটি 'আন্তঃধর্মীয় ককাস' গঠন করেছেন। তিনি বলেন, "অজ্ঞতা থেকে ভয়ের জন্ম হয়, আর ভয় থেকে আসে ঘৃণা। আমাদের নিজেদের মধ্যে সংলাপ বাড়াতে হবে।" তবে অধিকার কর্মীদের মতে, কেবল মুসলিমদের ওপর এই বর্ণবাদ মোকাবিলার দায় চাপিয়ে দিলে চলবে না, সমাজ ও রাষ্ট্রের সব স্তর থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan London Times 24 bd. comপিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন ১১ জুন ২০২৬, Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury বৃদ্ধ ও অ...
10/06/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন

১১ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

বৃদ্ধ ও অসহায় পিতা-মাতার ভরণপোষণ নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও বেদনার সঙ্গে বলতে হয়, অনেক সন্তানই এই দায়িত্ব পালন করে না। শিক্ষিতদের মধ্যে এ প্রবণতাটি একটু বেশি দেখা যায়। শিক্ষিত ও উপযুক্ত সন্তান থেকেও অনেক শিক্ষিত ঘরের বৃদ্ধ ও অসহায় বাবা-মাকে আশ্রয় নিতে দেখা যায় বৃদ্ধাশ্রমে। উপার্জনক্ষম সন্তান থেকেও বৃদ্ধ বয়সে পিতা-মাতাকে যদি বৃদ্ধাশ্রমে দিন কাটাতে হয়, এর চেয়ে হৃদয়বিদারক ও নিষ্ঠুর আর কিছু হতে পারে না। সন্তানের উচিত বৃদ্ধ পিতা-মাতার দেখাশোনা ও ভরণপোষণ করা এবং তাদের সঙ্গ দেয়া।
আমরা জানি বৃদ্ধ বয়সে যাতে সন্তানের অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার না হন সে জন্য পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন হয়েছে। কোনো সন্তান যদি বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে বাধ্য করে বৃদ্ধাশ্রমে বা অন্য কোথাও বসবাস করতে, অথবা কোনো সন্তান যদি পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে এ আইনের অধীনে ভরণপোষণের জন্য আইনের আশ্রয় নিয়ে তাদের অধিকার আদায় করতে পারেন।

পিতা-মাতার ভরণপোষণের আইনটি একটি জনকল্যাণকর আইন। এ আইনের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, যেহতেু সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়, সেহেতু আইনটি প্রণয়ন করা হলো। কোনো সন্তান যদি কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করে, তাহলে তারা ভরণপোষণের জন্য এ আইনের অধীনে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তাদের অধিকার আদায় করতে পারবেন।

আইনে ভরণপোষণ প্রদানে সন্তান বলতে শুধু পুত্রকেই বোঝায়নি। কন্যাকেও বুঝিয়েছে। অথাৎ পিতা-মাতার ভরণপোষণের দায়িত্ব ছেলের একার নয়, বরং মেয়েরও। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা আনা হয়েছে। আর ভরণপোষণের দায়িত্ব শুধু কোনো বিশেষ সন্তান নেবে; তা নয় বরং সবাইকে নিতে হবে। তবে একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেরা আলোচনা করে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করবে। কোনো সন্তান পিতা-মাতাকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো বৃদ্ধাশ্রমে বা অন্য কোথাও একত্রে বা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবে না। প্রত্যেক সন্তানকেই তাদের পিতামাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে এবং চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। পিতা-মাতা একত্রে বা আলাদা বসবাস করলে প্রত্যেক সন্তানকে সাধ্যমতো তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে হবে। পিতা-মাতা যদি সন্তানের সাথে বসবাস না করেন, তাহলে তাদের প্রত্যেক নিজ নিজ উর্পাজন থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ দেবে।

আইনটি শুধু পিতা-মাতার ভরণপেষণ বিষয়েই সীমাবব্ধ থাকেনি। পিতা-মাতার অবর্তমানে দাদা-দাদী ও নানা-নানীর ভরণপোষণের ব্যাপারেও জোর দিয়েছে। পিতা-মাতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে পিতা-মাতার মতো ভরণপোষণ দিতে হবে।
আইনে কেউ অপরাধ করলে তা অবশ্যই আমলযোগ্য। এই আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলায় জামিনও পাওয়া যেতে পারে। মামলায় আপস-মীমাংসারও সুযোগ রয়েছে। অপরাধের অভিযোগ দায়ের ও বিচার হবে প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। অপরাধের লিখিত অভিযোগ পিতা-মাতাকেই দায়ের করতে হবে। অন্যথায় আদালত তা গ্রহণ করবেন না। আদালত সংশ্লিষ্ট অভিযোগ আপস নিস্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মেম্বার বা কাউন্সিলর কিংবা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে প্রেরণ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে উভয়পক্ষকে শুনানির সুযোগ দিয়ে তবেই নিস্পত্তি করতে হবে এবং তখনই তা উপযুক্ত আদালত কর্তৃক নিস্পত্তি হয়েছে বলে গণ্য হবে।

আইনে ভরণপোষণ অর্থ ক, খাওয়া-দাওয়া খ, বস্ত্র, গ, চিকিৎসা ঘ, বসবাসের সুযোগ-সুবিধা এবং সঙ্গ দেয়া। এ আইনের ৩ ধারা মতে, প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে নিজেরা আলোচনা করে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ধারায় আরও উল্লেখ আছে, সন্তান পিতা-মাতার একই সাথে এবং একই স্থানে বসবাস করতে হবে। পিতা-মাতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের কোনো বৃদ্ধ নিবাস বা অন্য কোনো স্থানে একত্রে বা আলাদা বসবাস করতে বাধ্য করা যাবে না। প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান ও পরিচর্যা করতে হবে। পিতা বা মাতা কিংবা উভয়ে সন্তান থেকে পৃথকভাবে বসবাস করলে সন্তানকে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে হবে। পিতা-মাতা সন্তানদের থেকে পৃথক বসবাস করলে সন্তান মাসিক বা বার্ষিক আয় থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ পিতা বা মাতা, ক্ষেত্র মতো উভয়কে দিতে হবে।

এ আইনের ৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, সন্তান পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ভরণপোষণ করবে। এ আইনের ৫ ধারা মোতাবেক পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করলে অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদন্ডের বিধান রয়েছে। ৫(২) ধারা মোতাবেক কোনো সন্তানের স্ত্রী বা ক্ষেত্রমতে স্বামী, পুত্র-কন্যা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় ব্যক্তি পিতা-মাতা বা দাদা-দাদী বা নানা-নানীর ভরণপোষণ করতে বাধা দিলে বা অসহযোগিতা করলে সে অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করেছে বলে গণ্য হবে এবং ওই দ-ে দ-িত হবে।

আইনের ৭ ধারা মোতাবেক পিতা-মাতার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে এ অপরাধের জন্য মামলা দায়ের করা যাবে। আইনে আপস মীমাংসার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশনের চেয়াম্যান, মেম্বার, কমিশনারদের আপস করে দেয়ার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এ আপস মীমাংসা আদালত কর্তৃক স্বীকৃতি দেয়ার বিধান আইনে রাখা হয়েছে।
মা-বাবা যখন বার্ধক্যে উপনীত হন, তখন তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব কার ওপর অর্পিত হবে; তা একটি যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন। এ প্রশ্নের যথাযথ উত্তর এ আইনে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। কার্যত সব পিতামাতাই সন্তানের মঙ্গল চান। কোনো পিতা-মাতাই সন্তানের বিরুদ্ধে যেতে চান না। কিন্তু পরিস্থিতি যদি সন্তানের বিরুদ্ধে যেতে বাধ্য করে, তাহলে সন্তানের বিরুদ্ধে না যেয়ে আর উপায় থাকে না।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Islami Bangla New York Times 24 bd . comপাকিস্তান-ভারত এআই ড্রোন যুদ্ধ: তুরস্কের 'কিজিলএলমা' বনাম মার্কিন 'ঘ...
23/05/2026

The Mohadan Islami Bangla New York Times 24 bd . com
পাকিস্তান-ভারত এআই ড্রোন যুদ্ধ: তুরস্কের 'কিজিলএলমা' বনাম মার্কিন 'ঘোস্ট ব্যাট'

২৩ মে ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

দক্ষিণ এশিয়ার আকাশসীমার সামরিক ভারসাম্যে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রথাগত যুদ্ধবিমানের চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত চালকহীন ড্রোন এবং 'লয়াল উইংম্যান' প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে এই অঞ্চলের দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ—পাকিস্তান ও ভারত। সম্প্রতি পাকিস্তানের তুরস্কের তৈরি 'বাইরাক্তার কিজিলএলমা' স্টেলথ ড্রোনের প্রতি গভীর আগ্রহ এবং ভারতের মার্কিন 'বোয়িং এমকিউ-২৮ ঘোস্ট ব্যাট' নিয়ে আলোচনা সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের এই এআই ড্রোন প্রতিযোগিতা আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধের কৌশল সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

তুরস্কের 'কিজিলএলমা' ড্রোনে পাকিস্তানের নজর

সম্প্রতি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ জহির আহমেদ বাবর সিধুর তুরস্ক সফর আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সেখানে তাকে তুরস্কের অত্যাধুনিক চালকহীন যুদ্ধবিমান 'বাইরাক্তার কিজিল এলমা'-এর পাশে দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল একটি সাধারণ সৌজন্য সফর ছিল না, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর ভূরাজনৈতিক বার্তা। পাকিস্তান মূলত তুরস্ক ও চীনের যৌথ প্রযুক্তির সাহায্যে নিজস্ব একটি এআই চালিত যুদ্ধবিমান ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চাইছে।

কিজিলএলমার সর্বোচ্চ গতি প্রায় ০.৯ মাক এবং এর যুদ্ধকালীন কার্যক্ষমতার ব্যাসার্ধ প্রায় ৫০০ নটিক্যাল মাইল। এটি প্রায় ১,৫০০ কেজি পর্যন্ত আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের সরঞ্জাম বহন করতে পারে।এতে রয়েছে 'মুরাদ' এইসা রাডার, যা শত্রুর রাডারকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে নিশানা বানাতে সক্ষম।

২০২৫ সালের নভেম্বরে এই ড্রোনটি জিপিএস-নিয়ন্ত্রিত 'গোকদোগান' ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে, যা ৬৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। চলতি বছরের (২০২৬) জানুয়ারি মাসে এই ড্রোনের সিরিয়াল প্রোডাকশন বা গণ-উৎপাদন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়া ১২টি কিজিলএলমা ড্রোন ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন করেছে।

ভারতের বাজি: মার্কিন বোয়িং 'এমকিউ-২৮ ঘোস্ট ব্যাট'

পাকিস্তানের এই প্রস্তুতির বিপরীতে ভারত সম্পূর্ণ পশ্চিমা প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। অস্ট্রেলিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা আলোচনার সূত্রে ভারত মার্কিন সংস্থা বোয়িং-এর তৈরি 'এমকিউ-২৮ ঘোস্ট ব্যাট' ড্রোনের ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল সঞ্জীব তালিয়ান এই ড্রোনটির প্রযুক্তি ও যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন।

এটি মূলত এফ-৩৫ এবং এফ/এ-১৮ এর মতো আধুনিক পশ্চিমা ফাইটার জেটের সাথে 'লয়াল উইংম্যান' হিসেবে একসাথে উড়ে মিশন সম্পন্ন করার জন্য তৈরি। এর সামনের অংশটি মিশন অনুযায়ী দ্রুত পরিবর্তন করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ বা ইলেকট্রনিক যুদ্ধের উপযোগী করা যায়।

২০২৫ সালের শেষের দিকের পরীক্ষায় এটি একটি এআইএম-১২০ আমরাম ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করেছে। এর ভবিষ্যৎ সংস্করণে ড্রোনের ভেতরেই অস্ত্র রাখার গোপন চেম্বার যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কেন এই এআই ড্রোন যুদ্ধ এত গুরুত্বপূর্ণ?

এক দশক আগেও দক্ষিণ এশিয়ার বিমান বাহিনীর শক্তি মাপা হতো কার কতটি যুদ্ধবিমানের স্কোয়াড্রন আছে তা দিয়ে। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে সেই ধারণা বদলে গেছে।চালকহীন হওয়ায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ শত্রু সীমানায় এই ড্রোন গুলো অনায়াসে ব্যবহার করা যাবে, ফলে কোনো পাইলটের জীবন বিপন্ন হবে না।প্রথাগত যুদ্ধবিমানের তুলনায় এই ড্রোনগুলোর উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম, যা দ্রুত বিমান বাহিনীর শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

কেবল ভারত-পাকিস্তান নয়, এই দুই ড্রোনের লড়াই আসলে বৈশ্বিক অস্ত্র বাজারের সমীকরণও বদলে দিচ্ছে। একদিকে তুরস্কের কম খরচে কার্যকর প্রযুক্তি, অন্যদিকে আমেরিকার দীর্ঘস্থায়ী ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।এখন পর্যন্ত ভারত বা পাকিস্তান—কোনো দেশই এই ড্রোনগুলো ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে পর্দার আড়ালে দুই দেশের সামরিক প্রস্তুতি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আলোচনা দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনের যুদ্ধ কেবল পাইলট এবং প্রথাগত ফাইটার জেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দক্ষিণ এশিয়ার পরবর্তী আকাশযুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ থাকবে সেই দেশের হাতে, যার এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইকোসিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হবে।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Bangla Times 24 bd. comতামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন থালাপতি বিজয়প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬,...
10/05/2026

The Mohadan Bangla Times 24 bd. com
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন থালাপতি বিজয়

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, update Time 12 am
ভারতের তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘ ছয় দশকের দ্রাবিড় আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে অভিনেতা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া সি জোসেফ বিজয় ইতিহাস গড়লেন। রোববার (১০ মে) সকালে চেন্নাইয়ের এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তামিলাগা ভেট্টিরি কাঝাগাম (টিভিকে) প্রধান শপথ নিয়েছেন।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিনোদন জগত থেকে রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা এই নেতার হাত ধরেই ১৯৬৭ সালের পর প্রথমবার কোনো অ-দ্রাবিড় (ডিএমকে বা এআইএডিএমকে বহির্ভূত) মুখ্যমন্ত্রী পেলো রাজ্যটি।

এর আগে, গত মাসের বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে বিজয়ের দল। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮টি আসনের ‘ম্যাজিক ফিগার’ স্পর্শ করতে গত চারদিন তুমুল রাজনৈতিক নাটকীয়তা চলে। এই সময়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে চার দফা বৈঠক এবং সম্ভাব্য মিত্রদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে সক্ষম হন এই নেতা।

গত শনিবার রাজ্যপালের কাছে দেওয়া সমর্থনপত্রে বিজয় জানান, টিভিকের নিজস্ব বিধায়কদের পাশাপাশি কংগ্রেসের পাঁচজন, ভিসিকের দুইজন, সিপিআইর দুইজন, সিপিআইএমের দুইজন এবং আইইউএমএলের দুইজন বিধায়ক তাকে সমর্থন দিচ্ছেন। বিজয় নিজে দুটি আসন থেকে জয়ী হওয়ায় একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে, ফলে বর্তমানে এই জোটের মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০ জনে।

১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম তামিলনাড়ুর শাসনভার এমন কোনো দলের হাতে গেল যারা রাজ্যের প্রধান দুই দ্রাবিড় শিবিরের সদস্য নয়। বিজয়ের এই ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে গোটা চেন্নাই জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তার সমর্থকরা এই জয়কে তামিল রাজনীতির এক ‘নতুন সূর্যোদয়’ হিসেবে অভিহিত করছেন। শপথ গ্রহণ শেষে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয় এখন রাজ্য পরিচালনায় তার নতুন মন্ত্রিসভা এবং কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবেন।

শপথগ্রহণের পর আগামী বুধবারের (১৩ মে) মধ্যে তাকে বিধানসভায় নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে।

এর আগে, এদিন সকালে বিজয়ের এই ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চেন্নাই পৌঁছান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর কংগ্রেসই প্রথম দল হিসেবে বিজয়কে সমর্থন জানিয়েছিল।

এদিকে চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তার অগণিত ভক্ত ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে বইছে উৎসবের আমেজ।

এর আগে, গত চারদিনে বিজয় চারবার রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। শুরুতে সংখ্যার হিসাবে সন্তুষ্ট না হলেও শেষ পর্যন্ত জোটসঙ্গীদের সংহতি নিয়ে রাজভবনে যান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে টিভিকের জ্যেষ্ঠ নেতা কে এ সেনগোট্টাইয়ান এবং আধভ অর্জুনা ছিলেন। এবারের নির্বাচনে ডিএমকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে কংগ্রেস টিভিকে’কে সমর্থন জানানোয় রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যায়।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury . . ... ... .. . ..... Editor
The Mohadan Arob News 24 bd. com

The Daily Mohadan Times ইরানের নতুন প্রস্তাবেও অসন্তুষ্ট ট্রাম্প, চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশThe Mohadan London News 24 bd. ...
02/05/2026

The Daily Mohadan Times
ইরানের নতুন প্রস্তাবেও অসন্তুষ্ট ট্রাম্প, চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ
The Mohadan London News 24 bd. com
০১ মে ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনা নিরসনে দেশটির দেয়া সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতা প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, তেহরানের পক্ষ থেকে আসা প্রস্তাবটি তার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।



ট্রাম্প বলেন, "তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবে আমি সন্তুষ্ট নই।" তবে ইরান ঠিক কোন কোন শর্ত দিয়েছে বা কোন বিষয়ে তার আপত্তি রয়েছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।



সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব বর্তমানে অত্যন্ত অগোছালো এবং বিচ্ছিন্ন। সেখানে অন্তত দুই থেকে তিনটি ভিন্ন মতাদর্শের গ্রুপ রয়েছে যারা একে অপরের সাথে একমত হতে পারছে না। তারা সবাই চুক্তি করতে চাইলেও নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার কারণে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।"


তিনি আরও যোগ করেন যে, তেহরান সমঝোতার জন্য কিছুটা অগ্রসর হলেও তারা শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়া এবং ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan BBC Bangla News 24 bd. comমার্কিন অবরোধের চেষ্টা ব্যর্থ, বন্দরে পৌঁছাল ইরানি জাহাজThe Daily Washington Times...
24/04/2026

The Mohadan BBC Bangla News 24 bd. com
মার্কিন অবরোধের চেষ্টা ব্যর্থ, বন্দরে পৌঁছাল ইরানি জাহাজ
The Daily Washington Times
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
মার্কিন অবরোধের চেষ্টা ব্যর্থ, বন্দরে পৌঁছাল ইরানি
ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জব্দ করার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে হরমুজ প্রণালি হয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজ। চালবাহী ওই জাহাজটিকে মার্কিন বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং এর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সরাসরি পাহারার দায়িত্ব পালন করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনী ওমান সাগরে জাহাজটিকে বাধা দেওয়ার এবং সেটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে ইরানি বাহিনীর সময়োচিত হস্তক্ষেপ ও বিশেষ নিরাপত্তার কারণে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

চালবাহী ওই জাহাজটি বর্তমানে অবরোধের মুখে থাকা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে নির্ধারিত বন্দরে নোঙর করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনাকে আঞ্চলিক জলসীমায় চলমান উত্তেজনার একটি অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান অভিমুখে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে অবরোধের ডাক দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরীসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে।

এছাড়া সেন্টকমের তথ্যমতে, আরও একটি বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে আসছে এবং ইতিমধ্যে তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে।

উভয় দেশের মধ্যে বিরাজমান এই অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে আইআরজিসি-র এই পদক্ষেপকে নিজেদের সমুদ্রসীমা ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোতে যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি এবং মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan London Times 24 bd.comমার্কিন নৌ-অবরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে হরমুজে ফিরছে তেলবাহী জাহাজThe Daily Washington post ...
15/04/2026

The Mohadan London Times 24 bd.com
মার্কিন নৌ-অবরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে হরমুজে ফিরছে তেলবাহী জাহাজ
The Daily Washington post
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কঠোর নৌ-অবরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে হরমুজ প্রণালিতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা তেলবাহী জাহাজ ‘রিচ স্টারি’।
শিপিং তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পারস্য উপসাগর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলেও বুধবার জাহাজটি পুনরায় হরমুজ প্রণালিতে ফিরে আসে। গত রোববার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোতে এই নৌ-অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, অবরোধ কার্যকর হওয়ার প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনো জাহাজই মার্কিন বেষ্টনী অতিক্রম করতে পারেনি। অন্তত ছয়টি জাহাজ মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ মেনে পুনরায় ইরানি বন্দরে ফিরে গেছে।

মঙ্গলবার ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানের চাবাহার বন্দর থেকে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার বের হওয়ার চেষ্টা করলে একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার সেগুলোকে বাধা দেয়। চীনের মালিকানাধীন ‘রিচ স্টারি’ জাহাজটি গত মঙ্গলবার এই জলপথ অতিক্রমের চেষ্টা করা আটটি জাহাজের মধ্যে অন্যতম ছিল, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

সাংহাই সুয়ানরুন শিপিং কোম্পানির মালিকানাধীন এই মাঝারি পাল্লার ট্যাংকারটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দর থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার ব্যারেল মিথানল বোঝাই করেছিল। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের কারণে জাহাজটি এবং এর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান উভয়ই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

অন্যদিকে এলএসইজি-র তথ্য অনুযায়ী, ‘অ্যালিসিয়া’ নামক আরও একটি বড় তেলবাহী ট্যাংকার বুধবার হরমুজ প্রণালি হয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করছে। প্রায় ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল বহনে সক্ষম এই খালি জাহাজটি বৃহস্পতিবার ইরাক থেকে পণ্য বোঝাই করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্তমান এই নৌ-অবরোধ বিশ্বজুড়ে জাহাজ মালিক, তেল কোম্পানি এবং যুদ্ধ ঝুঁকি বিমাকারীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা তৈরি করেছে। শিল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৩০টিরও বেশি জাহাজ যাতায়াত করত।

বর্তমানে সেই সংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে। হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর এই কঠোর অবস্থানের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা যেমন হুমকির মুখে পড়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদী সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Mohadan Times

The Mohadan Muslim Times 24 bd.comযুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় যে বিষয়গুলো অমীমাংসিত রয়ে গেছেThe Daily M...
11/04/2026

The Mohadan Muslim Times 24 bd.com
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় যে বিষয়গুলো অমীমাংসিত রয়ে গেছে
The Daily Mohadan Times
১১ এপ্রিল ২০২৬,
New publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ কূটনীতিকরা। দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে এই আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। তবে এই শান্তি প্রক্রিয়ায় এখনো বেশ কিছু অমীমাংসিত এবং জটিল বিষয় বা ‘স্টিকিং পয়েন্ট’ রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আল জাজিরার কূটনৈতিক সম্পাদক জেমস বেস।



আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষই যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে একমত হলেও বেশ কিছু মৌলিক ইস্যুতে এখনো মতবিরোধ কাটেনি।



আলোচনার মূল বাধাগুলো:



১. নিরাপত্তা গ্যারান্টি: ইরান তাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি চায়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব ও প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কঠোর শর্তারোপ করছে।



২. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অর্থনৈতিক অবরোধ বা নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা তোলার বিষয়ে ‘ধীরে চলো’ নীতি অবলম্বন করছে।



৩. আঞ্চলিক স্বার্থ: ইরাক, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে দেশ দুটির বিপরীতমুখী অবস্থান আলোচনার টেবিলে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উভয় পক্ষই নিজ নিজ প্রভাববলয় বজায় রাখতে মরিয়া।



আল জাজিরার জেমস বেস বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, যদিও দুই দেশ টেবিলে বসেছে, যা একটি বড় অগ্রগতি; কিন্তু কয়েক দশকের অবিশ্বাস রাতারাতি দূর হওয়া কঠিন। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দুই দেশের সরকারই প্রবল চাপের মুখে রয়েছে, যা সমঝোতার পথকে পিচ্ছিল করে তুলছে।



কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই প্রচেষ্টা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসতে পারে। তবে চুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা পেতে আরও কয়েক দফা আলোচনার প্রয়োজন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদের এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের দিকে—সেখান থেকে কোনো ‘ব্রেক-থ্রু’ আসে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan Washington Times 24 bd.com

The Mohadan London Times 24 bd.comট্রাম্পের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ বনাম ইরানের সংযম, শেষ হাসি কার?The Daily Washington po...
07/04/2026

The Mohadan London Times 24 bd.com
ট্রাম্পের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ বনাম ইরানের সংযম, শেষ হাসি কার?
The Daily Washington post
০৭ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, ইরানের সাধারণ নাগরিকরাই নাকি তাদের দেশে আরও মার্কিন হামলা চান, যাতে তারা ‘স্বাধীনতা’ অর্জন করতে পারেন। তবে এই বক্তব্যকে তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ইরানি জনগণের প্রকৃত মতামতকে উপেক্ষা করে একটি বিভ্রান্তিকর চিত্র উপস্থাপন করছে।



চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান বরাবরই সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়ে আসছে। দেশটির নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কোনো চাপের মুখে বা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে আরোপিত শর্ত মেনে নেবে না। বরং একটি স্থায়ী, ন্যায়সঙ্গত এবং পারস্পরিক সম্মানজনক সমঝোতাকেই তারা একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ হিসেবে বিবেচনা করছে, যেখানে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা থাকবে।



হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা তেহরান কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরান বলেছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা সর্বদা প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই ধরনের বক্তব্যকে তারা বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে, যা উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।



হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা বর্তমানে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইরান জানিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয়। বরং আন্তর্জাতিক আইন এবং সার্বভৌম অধিকারের ভিত্তিতে এর ব্যবহার নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন। বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব পক্ষকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তারা মত দিয়েছে।



ইরানের অবস্থান আরও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, তারা যুদ্ধ চায় না, বরং শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান করছে। দেশটির মতে, তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপের কারণেই তারা নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় বাধ্য হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা কূটনৈতিক সংলাপের পথ খোলা রেখেছে, যাতে আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হয়।



ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমার প্রেক্ষিতে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো ধরনের চাপ বা হুমকির মুখে তারা সিদ্ধান্ত নেবে না। তাদের দাবি, প্রকৃত সমঝোতা চাইলে অবশ্যই আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং সংঘাতের জন্য ন্যায়সঙ্গত শর্ত ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। ইরানের এই অবস্থান তাদের কূটনৈতিক স্বনির্ভরতা ও আত্মমর্যাদার প্রতিফলন বলে বিশ্লেষকদের মত।



বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই কৌশল শুধু প্রতিক্রিয়া নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা। তারা মনে করছেন, চাপের মুখে না ঝুঁকে সংলাপ ও আলোচনার আহ্বান জানানো ইরানের অবস্থানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের সংযম ও সংলাপই উত্তেজনা প্রশমনের একমাত্র কার্যকর পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Mohadan Times

At BD, we seek to usher in a new era of healthcare by bringing medical products, capabilities and solutions to every corner of the world.

The Mohadan Sangram News 24 bd.comমধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ঐক্যবদ্ধ চীন-রাশিয়া: জাতিসংঘে বড় পদক্ষেপের ঘোষণাThe Is...
05/04/2026

The Mohadan Sangram News 24 bd.com
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ঐক্যবদ্ধ চীন-রাশিয়া: জাতিসংঘে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা
The Islami world news 24
০৫ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনে এবং লোহিত সাগরসহ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাশিয়ার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে চীন। রোববার রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ফোনালাপকালে ওয়াং ই স্পষ্ট করে বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করতে বেইজিং প্রস্তুত। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা কাটাতে এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই দেশই অভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।



চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ হলো দ্রুততম সময়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো সংকট নিরসনে চীন সবসময় সংলাপ এবং রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষপাতি।রাজনৈতিক ফোরাম



উল্লেখ্য, আগামী সপ্তাহে বাহরাইনের পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হতে পারে, যার মূল লক্ষ্য থাকবে হরমুজ প্রণালীর বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই ভোটের আগেই বিশ্ব রাজনীতির এই দুই পরাশক্তির এমন অবস্থান বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Washington Times

At BD, we seek to usher in a new era of healthcare by bringing medical products, capabilities and solutions to every corner of the world.

Address

Jamalpur Sadar Upazila
2000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Mohadan Muslim Hindu Press 24 bd. com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share