27/05/2026
অন্ধের দেশে আয়নার কোন মূল্য নেই ।
একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তোলা কোন নৈতিকতা, প্রতিবাদিতা, শিক্ষা বা আদর্শের মধ্যে পড়ে না।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কখনো একদিনে গড়ে ওঠে না, আবার একদিনের আবেগে তার মূল্যও বিচার করা যায় না। হাজারো শিক্ষার্থী, অভিভাবকের আস্থা, বছরের পর বছর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, ভালো ফলাফল ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমেই একটি প্রতিষ্ঠান সমাজে সম্মান অর্জন করে।
আজ যারা ব্রাইট School & College নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা একবার ভেবে দেখুন—যদি এই প্রতিষ্ঠান সত্যিই খারাপ হতো, তাহলে কি বছরের পর বছর ৪-৫ হাজার শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করত? অভিভাবকরা কি তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ এমন একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিতেন? এখান থেকে প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী জিপিএ-৫, বৃত্তি, মেডিকেল, বুয়েট, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সফলতার স্বাক্ষর রাখছে—এসব কি হঠাৎ করেই সম্ভব হয়েছে?
ভালো ফলাফল, শৃঙ্খলা ও সফলতার পেছনে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম, নিয়মনীতি ও দায়িত্ববোধ কাজ করে। একজন প্রকৃত শিক্ষক কখনো শিক্ষার্থীর ক্ষতি চান না; বরং অনেক সময় কঠোরতার আড়ালেও থাকে ভবিষ্যৎ সুন্দর করার গভীর চেষ্টা।
হ্যাঁ, কোনো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত, ন্যায়বিচারও হওয়া উচিত। কিন্তু তদন্তের আগেই অপপ্রচার, আবেগ ও উসকানির মাধ্যমে একজন শিক্ষক ও একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সম্মান নষ্ট করা কোনো সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে না।
অন্ধের দেশে আয়নার মূল্য যেমন সবাই বুঝতে পারে না, তেমনি সমাজে কিছু মানুষ সত্য, শৃঙ্খলা, যোগ্যতা ও একজন নিবেদিত মানুষের ত্যাগের মূল্যও বুঝতে পারে না। সময়ই একদিন সত্য প্রকাশ করবে—ইনশাআল্লাহ।
মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, আমাদের প্রিয় লিটন স্যার দ্রুত পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার আগের চেয়েও বেশি সম্মান, শক্তি ও সাহস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে ফিরে আসুন। আল্লাহ সত্যকে বিজয়ী করুন এবং সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।