23/12/2021
্ব / #৪র্থ_দিনঃ
১৫-১১-২০২০
ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে আংকেলের সাথে নাস্তা করতে করতে কিছু সময় গল্প করলাম। তিনি আমাকে উপহার স্বরূপ কিছু টাকা দিলেন। তারপর তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে #গাংনী বাস স্টান্ড থেকে হাটা শুরু করি।আমার দেখা যতগুলো উপজেলা আছে তার মধ্যে #গাংনী_পরিষ্কার_পরিচ্ছন্ন_উপজেলা। হাঁটতে হাঁটতে #কুষ্টিয়া_মেহেরপুর হাইওয়ে ধরে #জোড়পুকুরিয়া_বাজারে পৌছালাম। সেখানে একটা হোটেলে লুচি দেখে ঢুকে পড়লাম। লুচি আর মিষ্টি খেয়ে আবার হাটা শুরু করলাম। রাস্তার অবস্থা খুব একটা সুবিধার না। অনেক ভাঙাচোরা ও সরু। অনেক বড় বড় গাড়ি চলে রাস্তায়। পথচারীদের হাঁটার মতো জায়গা নেই রাস্তার পাশে। বড়ো গাড়ি সাইট দিয়ে দিয়ে হাঁটতে কষ্ট হয়ে গেল। হাঁটতে হাঁটতে #তেরাইল_জোড়পুকুরিয়া_ডিগ্রী_কলেজের সামনে এসে একটা গাছের নিচে বসে কিছু সময় বিশ্রাম নিলাম। সেখানে একজন মধ্যবয়সী কৃষক আসলো এবং সে তার সহজ সরল মনে আমাকে জিজ্ঞেস করলো তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি খুব ক্লান্ত তুমিতো এই গ্রামের লোক না। কার বাসায় বেড়াতে এসেছো? আমি তাকে সব কিছু বললাম।কিন্তু সে বিশ্বাস করলো না। সে আমার পাসে এসে বসে একটা বিড়ি ধরালো আর বললো আমি লেখা পড়া জানিনা তোমার গেঞ্জিতে যা লেখা আছে পড়ে শুনায়। আমি পড়ে শুনালাম। তার পরে সে আমাকে বললো আমি বুঝতে পারছি তুমি #গোয়েন্দার লোক। তদন্ত করতে এসেছো। আমার অনেক কাজ আছে আমি গেলাম। তুমি সাবধানে থেকো। জমানা ভালো না। সে আর আমাকে কোনো কথা বলার সুযোগে না দিয়ে দ্রুত উঠে চলে গেলো। আমি কিছু সময় বসে আবারও হাটা শুরু করলাম। #তেরাইল_বাজার পার হয়ে হাটতে হাটতে এক অজানা নদীর সেতু পার হয়ে কিছুটা সামনে গিয়ে একটা বড় #দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেলাম। একটা ট্রাক পেছন থেকে এসে প্রায় আমার গা ঘেসে চলে গেলো। আমার সাইটে সামান্য একটু যায়গা ছিল। একেবারে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলাম আল্লাহর ইচ্ছায়।তারপর হাঁটতে হাঁটতে #বামুন্দি_বাজারে গিয়ে একটা ছোট হোটেলে মুরগির মাংস দিয়ে দুপুরের খাবার সেরে আবার হাটা শুরু করে #মেহেরপুর_কুষ্টিয়া হাইওয়ে পথ ধরে #মিরপুর বাস স্টান্ড হয়ে #নোয়াপাড়া_বাজার পৌঁছায়ে হাটা বাদ দিলাম। কিছুই করার ছিল না। এতো অন্ধকার আবার রাস্তার সাইডে যায়গা নেই হাটার জন্য। দূরত্ব ছিল ৪৪ কিঃ মিঃ। ্বে এতো পথ কয়েক বার হেটেছি। কিন্তু আজকের মতো কষ্ট আগে কখনো হয়নি। কারণ হাইওয়ে রাস্তা অনেক গাড়ি চলে সেই তুলনায় রাস্তা সরু। তারপরে আবার সাইডে যায়গা নেই। কয়েক বার #দুর্ঘটনার হাত থেকে বাচিছি। রাতে সি এন জি করে #কুষ্টিয়া_সদরে এসে একটা হোটেলে উঠলাম। ফ্রেশ হয়ে বাইরে কিছু সময় হাঁটাচলা করে খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম।
#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ যারা বাস বা ট্রাক চালোক তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই দয়া করে বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাবেন না। সবার জীবণের মূল্য আছে। আপনার মা,বাবা,ভাই, বোন,সহধর্মিণী ও সন্তানরাও রাস্তায় চলাচল করে। এটা মনে করে গাড়ি চালাবেন।