The Light Of Al Quran

The Light Of Al Quran Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Light Of Al Quran, Publisher, Khulna, Jessore.

বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানী এর লিস্টঃ----১.বলা হলো নিজে গিয়ে মেয়ে দেখতে,আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!২.বলা হলো মেয়ে ...
04/11/2021

বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানী এর লিস্টঃ----

১.বলা হলো নিজে গিয়ে মেয়ে দেখতে,আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!

২.বলা হলো মেয়ে দ্বীনদার কি না দেখতে,আর আমরা শুরু করলাম মেয়ে সুন্দর কি না দেখতে!

৩.বলা হলো ছেলের দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে,আর আমরা শুরু করলাম ছেলের টাকা-পয়সাকে প্রাধান্য দিতে!

৪.বলা হলো নিজের পছন্দ মতো মেয়ে দেখে বিয়ে করতে,আর আমরা শুরু করলাম অন্যের মন রাখতে !

৫.বলা হলো মেয়ের মতামত নিয়ে বিয়ে দিতে,আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিতে!

৬.বলা হলো কম খরচে বিয়ে করতে,আর আমরা শুরু করলাম আনুষ্ঠানিকতার নামে টাকা অপচয় করতে!

৭.বলা হলো মসজিদে বিয়ে করতে,আর আমরা শুরু করলাম সেন্টারে শুটিং করে বিয়ে করতে!

৮.বলা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করতে,আর আমরা শুরু করলাম নিজের স্বার্থের জন্য বিয়ে করতে!

৯.বলা হলো ছেলে পক্ষ ওয়ালীমা করে মানুষকে খাওয়াতে।আমরা শুরু করলাম মেয়ের বাবার উপর জুলুম করে খাইতে!

১০.বলা হলো স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করতে,আর আমরা শুরু করলাম যৌতুক নিতে!

১১.বলা হলো দ্রুত বিয়ে করতে,আমরা শুরু করলাম পিছিয়ে বিয়ে দিতে!

১২.বলা হলো বিয়েকে সহজ করতে,আমরা শুরু করলাম কঠিন করতে!

১৩.বলা হলো নতুন বউকে দেখে দু'আ করতে,আমরা শুরু করলাম হাতে টাকা ধরিয়ে দিতে!

১৪.বলা হলো স্বামীকে সম্মান করতে,আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে নিয়োজিত করতে!

১৫.বলা হলো স্ত্রীকে ভালোবাসতে,আমরা শুরু করলাম শালীর সাথে মিশতে!

১৬.বলা হলো স্ত্রীর সাথে সুন্দর করে কথা বলতে,আমরা শুরু করলাম দাসীর মতো আচরণ করতে!

১৭.বলা হলো দেবর থেকে দূরে থাকতে, আমরা শুরু করলাম দেবরের সাথে ফাজলামিতে মেতে উঠতে!

১৮.বলা হলো স্বামীর জন্য সাজতে,আমরা শুরু করলাম রাস্তার ছেলের কামনার বস্তু হতে!

১৯.বলা হলো স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে,আমরা শুরু করলাম তাকে নিয়ে বাজারে বেড়াতে!

২০. বলা হল সামর্থ্যহীন দ্বীনদার পুরুষগণ ফেতনা হতে বাঁচতে কলমা (ইজাব-কবুল) করে রাখবে, আর আমরা শুরু করলাম engagement / Registry ( হিন্দুয়ানী প্রথা) করে রাখতে।

আরো এইরকম হাজার ঘটনা আছে যা আমরা সব সময় উল্টো টা করেই থাকি। আমাদের কারনেই বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে,বিয়েতে বরকত কমে গেছে,সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে। দিন দিন বাড়ছে তালাকের সংখ্যা তার কারণ আমরা বিবাহে সুন্নাত থেকে সরে যাচ্ছি।

আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুক...
আল্লাহুম্মা আমিন

31/10/2021

বাচ্চাদের জন্য সহজ রুকইয়াহ ও নিরাপত্তাঃ

১. আসরের পর থেকে নিয়ে মাগরিবের ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত বাচ্চাদের নিয়ে বের হবেন না।

২. বাচ্চাদের রুমে (পুরো বাসাতেই রাখা ঠিক না) কোন প্রকাশমাণ প্রাণীর ছবি ও পুতুল রাখবেন না।

৩. ফজর ও মাগরিবের পর আয়াতুল কুরসি-১ বার, ইখলাস, ফালাক ও নাস ৩বার করে পড়ে ফুঁ দিবেন।

৪. রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস ১বার করে পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে শরীর মুছে দিবেন -৩বার।

৫. মাগরিবের ২০মিনিট পুর্বে দরজা ও জানালা বিসমিল্লাহ বলে বন্ধ করে দিবেন এবং মাগরিবের ১৫-২০ মিনিট পর খুলে দিতে পারবেন যদি প্রয়োজন হয়। খোলার সময় বিসমিল্লাহ বলে খুলবেন।

৬. মানুষ ও জ্বীনের বদনজর থেকে হিফাযত ও শিফার নিয়তে :- দুরুদে ইব্রাহিম (১বার), সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস (প্রতিটি ৭বার করে পড়বেন), দুরুদে ইব্রাহিম (১বার) পড়ে ডান কানে হালকা করে ফুঁ দিয়ে দিবেন এবং সমস্ত শরীরে ফুঁ দিয়ে দিবেন।

৭. পানি(উপরে উল্লেখিত সুরা ও আয়াত পড়ে পানি তৈরি করবেন) অল্প করে পান করাবেন এবং অল্প পানি দিয়ে মাথা, আইভ্রু, হাত ও‌ পায়ের তালুতে মাসেহ করে দিবেন(দিনে কমপক্ষে ৩বার)

৮. এই দুআটি সকাল-সন্ধ্যা ১/৩/৫/৭ বা এর বেশি বেজোড় সংখ্যকবার পড়ে ফুঁ দিবেন:-

أعُوذُ بِكَلِماَتِ اللهِ التاَّمَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطاَنٍ وَهاَمَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ

(আরবি উচ্চারন দেখে দু'আটি পড়ার চেষ্টা করবেন আগে ইনশাআল্লাহ)

'আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লিআম্মাতিন।'

অর্থ : আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামসমূহের মাধ্যমে শয়তানের সব আক্রমণ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। বিষধর প্রাণীর ও বদনজরকারীর অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।’ (বুখারি)
সোর্স: ইন্টারনেট

31/10/2021
30/10/2021

#গুরুত্বপূর্ন্য_৪টি_নফল_নামাজ_ও_তার_ফজিলতঃ

১।ইশরাক
২।চাশত
৩।তাহাজ্জুদ
৪।যাওয়াল

#ইশরাক_নামাজের_নিয়ম_ও_তার_ফজীলতঃ

ফজরের নামায পড়ার পর দুনিয়ার কাজকর্ম ও কথাবার্তা থেকে বিরত থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত স্বীয় নামাযের জায়গায় বা (পুরুষগণ) মসজিদে অন্যকোন জায়গায় বসে কুরআন তিলাওয়াত, যিকির-আযকার তাসবীহ-তাহলীল ইত্যাদিতে লিপ্ত থাকবেন।
অতঃপর সূর্যোদয়ের ১২/১৩ মিনিট পর সূর্য একটু উপরে উঠলে তখন ইশরাকের সময় হয়। ঐ সময় দুই রাক‘আত ইশরাকের নামায পড়লে এক হজ্ব ও এক উমরার সমান ছাওয়াব লাভ হবে বলে হাদীসে রয়েছে। (জামে তিরমিযী ১: ১৩০) এতব্যতীত আরো দুই রাক‘আতসহ মোট চার রাক‘আত পড়লে আল্লাহ তা‘আলা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার এদিনের সকল কাজের জিম্মাদার হয়ে যান বলে অপর হাদীসে উল্লেখ আছে। (জামি তিরমিযী, ১: ১০৮)।
অবশ্য যদি কেউ ফজরের নামাযের পর দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত হয়ে যায় এবং সূর্য ওঠার পর ইশরাক পড়ে, তাও জায়িয আছে। এতেও ইশরাক আদায় হবে।

#চাশত_নামাজের_নিয়ম_ও_তার_ফজীলতঃ
সূর্য যখন আকাশে এক চতুর্থাংশ ওপরে উঠে এবং সূর্যের তাপ প্রখর হয়, তখন থেকে দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত (৯টা থেকে ১১টার মধ্যে) চাশতের সময়।
তখন দুই, চার বা আট রাক‘আত নামায পড়বেন। একে চাশতের নামায বলে। হাদীস শরীফে আছে- চাশতের দুই রাক‘আত নামাযে শরীরের সর্বমোট ৩৬০টি জোড়ার সদকা আদায় হয়ে যায় এবং সমুদ্রের ফেনার সমান গুনাহ (সগীরা) হলেও মাফ হয়ে যায়।
অপর হাদীসে আছে- তার জন্য জান্নাতে একটি বালাখানা তৈরী করা হয়। এছাড়াও হাদীসে চাশতের নামাযের আরো অনেক ফজীলত বর্ণিত হয়েছে।

#তাহাজ্জুদ_নামাজের_নিয়ম_ও_তার_ফজীলতঃ
নফল নামাযসমুহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তাহাজ্জুদ নামায।
পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ হওয়ার পূর্বে এ নামায ফরজ ছিলো। পরবর্তীতে তা নফল গণ্য হয়।
এ নামায সম্পর্কে নবী কারীম (সা.) ইরশাদ করেন,
"ফরজ নামাযের পর শ্রেষ্ঠ নামায হলো রাতের নামায (তাহাজ্জুদ)।" (জামি তিরমিযী, ১ : ৯৯) শেষ রাতে ত্রিপ্রহরের সময় (সাহরীর সময়) থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত এ নামাযের সময়।
তবে দিনের কঠোর পরিশ্রমে যাদের শেষ রাতে ওঠা অনিশ্চিত হয়, তারা ইশার পর ঘুমানোর পূর্বে তাহাজ্জুদের নিয়তে ২/৪ রাকআত নামায পড়ে নিতে পারেন।
এরপর সম্ভব হলে আবার শেষ রাতে ওঠে তাহাজ্জুদ পড়বেন। আর তখন না ওঠতে পারলে প্রথম রাত্রির সেই নামাযের কারণে তাহাজ্জুদের ফজীলত থেকে একেবারে মাহরূম হবেন না আশাকরি।

#যাওয়াল_নামাজে_নিয়ম_ও_তার_ফজিলতঃ
'যাওয়ালের নামায' নামে একটি ফজীলতপুর্ণ নফল নামায রয়েছে। এ নামায দুপুরে সূর্য পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ার সাথে সাথে আদায় করতে হয়।
যেমন, নামাযের স্থায়ী সময়সূচি ক্যালেন্ডারে যোহরের যে শুরু ওয়াক্ত দেয়া হয়, সেটাই সূর্য ঢলার সময়। সেই সময় হওয়ার সাথে সাথে যাওয়ালের নামায হিসেবে চার রাক'আত নফল নামায পড়তে হয়।
এ সমযের নামাযের ফজীলত হলো, এ সময় আল্লাহ তা'আলা আসমানের সব দরজা খুলে দেন এবং আছানীর সাথে সব ইবাদত-বন্দেগী ও দু’আ কবুল হয়। (জামে তিরমিযী, হাদীস নং ৪৭৮)।

#নিয়ত_কি_এবং_কিভাবে_করতে_হবে?
নিয়ত অর্থ হচ্ছে “কোন কাজ করতে ইচ্ছা করা” বা “সংকল্প করা”।
নিয়ত করতে হবে অন্তরে, মুখে উচ্চারণ করে না। এর জন্য কোনো দুয়া পড়তে হবেনা বা মুখে কোনো কিছু বলতে হবেনা।
নামায পড়ার জন্য আপনি কোন ওয়াক্তের কত রাকাত কি নামায (ফরয/সুন্নত/নফল) পড়ছেন অন্তরে শুধুমাত্র এই ধারণা বা ইচ্ছা থাকলেই নিয়ত করা হয়ে যাবে।
প্রত্যেক কাজের শুরুতে এইরকম অন্তরে নিয়ত করে নেওয়া “ফরয”।

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর, যা আমাদের জীবনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ১০০% সহায়ক। ১. প্রশ্...
18/10/2021

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর, যা আমাদের জীবনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ১০০% সহায়ক।

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।
২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।
৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।
৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।
৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।
৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।
৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।
৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।
৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।
১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷
১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।
১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।
১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।
১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।
১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।
১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।
১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।
১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।
১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।
২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।
২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।
২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।
২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।
২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।
২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…

এই নিয়মে দোআ কবুল হবেই ইনশাআল্লাহ!
18/10/2021

এই নিয়মে দোআ কবুল হবেই ইনশাআল্লাহ!

নামাজের জন্য আমরা যেন পবিত্র কা'বা, মদীনা, মসজিদ, মিনার এসবের ছবি সংবলিত জায়নামাজ ব্যবহার না করি। কারণপ্রথমত অনেক সময় অজ...
17/10/2021

নামাজের জন্য আমরা যেন পবিত্র কা'বা, মদীনা, মসজিদ, মিনার এসবের ছবি সংবলিত জায়নামাজ ব্যবহার না করি। কারণ

প্রথমত অনেক সময় অজান্তেই উক্ত ছবিতে পা পড়ে যায়। বেখেয়ালে তার উপর বসা হয়ে যায়। এতে পবিত্র স্থানগুলোর অমর্যাদা করা হয়। অসম্মান করা হয়। আর এই ভাবেই আমরা না বুঝে পবিত্র কা'বাকে অসম্মান করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে যাই যা ইহুদীদের অন্যতম লক্ষ।

দ্বিতীয়ত অনেক জায়নামাজে পবিত্র কা'বার ছবি মধ্যভাগে দেওয়া থাকে। আপনারা খেয়াল করে দেখবেন সিজদা দিতে গেলে অংকিত কা'বা থেকে একটু উপরে সিজদা দিতে হয়। অর্থাৎ যেখানে মুসলমানদের কা'বা সামনে রেখেই নামাজ আদায় করার কথা সেখানে পরিকল্পিতভাবে কা'বাকে পিছনে রেখে নামাজ আদায় করানো হচ্ছে। যা ইহুদীদের ষড়যন্ত্র নয় কি?

এভাবে চলতে থাকলে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের বিপরীতে আমরা আল্লাহ্‌র পবিত্র নিদর্শনাবলীকে অসম্মানের মাধ্যমে আল্লাহ্কে অসন্তুষ্ট করতেছি।
নামাজের মাধ্যমে সওয়াব নয় বরং অজান্তেই পাপের বোঝা ভারি করতেছি।

পরিশেষে কুরআন থেকে একটা আয়াত

■ ومن یعظم شعائر اللہ فانھا من تقوی القلوب ●

অর্থ - কেউ যদি আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে সম্মান করে তবে তা হবে তাঁর অন্তরের তাকওয়ার বহিঃপ্রকাশ (সুরা হজ-৩২)

তাই এ ধরণের ছবিওয়ালা জায়নামাজ গুলো আর না কিনে ফ্রেশ জায়নামাজ কিনবেন। আর এসকল পবিত্র নিদর্শনার জায়নামাজ যাদের বাসায় আছে সকলেই সতর্কতা অবলম্বন করে নামাজ আদায় করবেন। অন্যথায় এমন জায়নামাজ মাটিতে পুঁতে ফেলবেন।

হে আল্লাহ সকল মুসলমানদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমাদের আপনি হেফাজত করুন।
আমিন 🤲

💜 ফজর থেকে চাশতের সময় পর্যন্ত যিকিরের সমতুল্য একটি যিকির 💜জুয়াইরিয়া (রা:) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, একদিন রাসূল (সা:) ফজরে...
17/10/2021

💜 ফজর থেকে চাশতের সময় পর্যন্ত যিকিরের সমতুল্য একটি যিকির 💜
জুয়াইরিয়া (রা:) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, একদিন রাসূল (সা:) ফজরের নামায শেষে আমার ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন। তখন আমি জায়নামাজে আল্লাহর যিকিরে লিপ্ত ছিলাম। তিনি চাশতের সময় আমার ঘরে ফিরে এলেন। তখনও আমি জায়নামাজে ছিলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, জুয়াইরিয়া! আমি যাওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এভাবেই ওজিফা আদায়ে মশগুল ছিলে? আমি বললাম, হ্যা। তিনি আমাকে বললেন, আমি তোমার কাছ থেকে যাওয়ার পর চারটি বাক্য তিনবার বলেছি। যদি এগুলোকে ওজন করা হয় তবে তোমার কৃত সমস্ত ওজিফার চেয়ে এগুলোই বেশি ভারি হবে। আর তা হলো:
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী আদাদা খালক্বিহী ওয়া রিদ্বা নাফসিহী ওয়া যিনাতা আরশিহী ওয়া মিদাদা কালিমাতিহী। (৩ বার)
অর্থ: আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমপরিমাণ, তাঁর নিজের সন্তুষ্টির সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি সমপরিমাণ।
(সহীহ মুসলিম ২৭২৬)

আপনি মেয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ আপনার অপরাধ নয়। কিন্তু স্বাধীনতা চর্চার অজুহাতে আপনার প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস ...
16/10/2021

আপনি মেয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ আপনার অপরাধ নয়। কিন্তু স্বাধীনতা চর্চার অজুহাতে আপনার প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস বানিয়ে ফেলছেন নাতো!
আপনি মেয়ে, ঘরের বাহিরে বের হওয়া আপনার অপরাধ নয়, কিন্তু অধুনিকতার ফাঁদে পরে নিজের প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস বানিয়ে ফেলছেন নাতো!
আপনিকি জানেন?
‘দাইয়ুস’ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
আর দাইয়ুস হলেন তিনি, যিনি পরিবারের লোকদের অশ্লীলতা (পর্দা না করা, অবৈধ সম্পকে জাড়ানো ইত্যাদি) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে উদাসীন।
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, "যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।" (সূরা নুর, ২৪:১৯)

আরেকটু সময় থাকলে হাদিসগুলো পড়ে নিবেন-

"দাইয়ুস" এমন ব্যক্তি যে তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়। (মুসনাদে আহমাদ, নাসাঈ)

"দাইয়ূস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫, সহীহুল জামেঃ ৩০৫২)

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "তিন ব্যক্তির প্রতি মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন দৃষ্টি দিবেন না (রহমতের দৃষ্টিতে দেখবেন না), পিতা মাতার অবাধ্য (সন্তান), পুরুষের বেশধারী নারী এবং দায়ূছ (স্ত্রীকে বেপর্দা ও পরপুরুষের সঙ্গে মিশতে দেয়া স্বামী যে স্ত্রী কন্যার পাপাচারে যে ঘৃণাবোধ করেনা।) আর তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা – পিতা মাতার অবাধ্য (সন্তান), মাদকাসক্ত ব্যক্তি (যে মদ্যপ তাওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করে) এবং দানকৃত বস্তুর খোঁটা দানকারী ব্যক্তি (দান করার পর যে দানের উল্লেখ করে গঞ্জনা দেয়।)" (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ২৫৬২)

Address

Khulna
Jessore
7461

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Light Of Al Quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category