21/05/2026
চীন সরকার ইসলাম ধর্মকে " মানসিক ব্যাধি/ রোগ " উল্লেখ করার পরও বাংলাদেশের শাহবাগে ইনকিলাব জিন্দালাশ মঞ্চের কোন জনসভা দেখলাম না।দিল্লী না ঢাকা " এর মতো করে " দিল্লী না বেইজিং " স্লোগান ঢাকার রাস্তায় দেখলাম না। বাংলাদেশের পঙ্গপাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে ব্যস্ত , চীনের উইঘুর মুসলমান নিয়ে এদের মাথাব্যথা নই।
এরপরও একদল বলবে , রাগ করলা?
মায়ানমার রোহিঙ্গাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার পরও বাংলাদেশে জামায়াত ও হেফাজতের " রেঙ্গুন না ঢাকা" মিছিল দেখলাম না। সাদিক কায়েম , আসিফ ও নাহিদদের মায়ানমার অভিমুখে লংমার্চ নিয়ে যেতে দেখলাম না। ভারতের জন্য এক ইসলামি আইন আর চীন ও আমেরিকার জন্য আরেক ইসলামি আইন 😁 এরপরও জামায়াতের জিন্দা অলী শফিক , তথাকথিত ভারত বিদ্বেষী টাকলা ফুয়াদ , আসিফ নজরুল , সায়ান , ব্যারিস্টার শামীম ভণ্ডদের চিনতে কি আপনাদের কষ্ট হয়?
আজকাল আমি সত্য কইলেই দোষ হয়ে যায়। কিন্তু নির্বাচনের তিনদিন আগে ভোট ডাকাতির নির্বাচন করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি করলে দোষ হয় না। আমেরিকার সরকার মুসলমানদের জঙ্গি খেতাব দিয়েছে। এরপরও এই পঙ্গপালের দল পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিতে দিতে আমেরিকার কোলে শুয়ে পড়ে।
গত কয়েকমাস আগে আফগানিস্তানের হাসপাতালে হামলা করে পাকিস্তান ৪০০ নিরীহ মুসলমানকে হত্যা করলো। কিন্তু পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও করতে কোন মুসলমানকে দেখলাম না।অথচ এদের বাপ দাদারাই ২০০৩ সালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে স্লোগান দিয়েছে -
" বাংলা হবে আফগান , আমরা সবাই তালেবান।"
এত এত হাগার হাগার তালেবান যোদ্ধা কোথায় লুকিয়ে গেল পাকিস্তানী সমর্থকদের ভয়ে ?
এই দেশের তালেবান সমর্থক মুসলমানরাও বুঝে পাকিস্তান সমর্থক জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে এই দেশে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তানের মুসলমানদের পক্ষে স্লোগান
দিলে তাদের নিজ দেশেই তাদের বেলুচিস্তানের মুসলমানের মত জঙ্গী সাজিয়ে জামায়াতিরা মেরে ফেলবে।এই দেশে মুসলমানের হাতেও মুসলমান নিরাপদ নয়।
এরা ফ্রান্সের পণ্য বয়কট করে, ভারত বয়কট করে , ইসরায়েল বয়কট করে । কিন্তু যখনি আমেরিকা ও চীনের মুসলমান নির্যাতনের প্রসঙ্গ আসে তখন মুখ থেকে " জ্বী আব্বা " ও " জ্বী হুজুর " ছাড়া আর কিছুই বের হয় না।ভারতকে ৩০ কোটি মুসলমানকে এরা মুসলমান মনে না করে ভারতকে হিন্দুস্তান আখ্যা দেয়।
এরাই আবার ভারতের মুসলমানদের অধিকার নিয়ে খুব সরব। এদের ভাবখানা এমন যে , ভারতের সরকার মোদী নয় , বরং বাংলাদেশের পঙ্গপাল চালায়।ভারতে কিছু হলেই এদের পেছনের রাস্তা জ্বলতে জ্বলতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ করে উঠে। কিন্তু ঘরে কোরআন রাখা, রোযা রাখা , দাড়ি রাখা চীনে নিষিদ্ধ হলেও আজ পর্যন্ত এদের চীনের হাইকমিশন ঘেরাও করে জন্ম থেকে একটা মিছিল করতে দেখলাম না।ভারত বিরোধিতা পঙ্গপালের রাজনৈতিক ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। এজন্য কয়েক লক্ষ কোরআন শরীফ চীনের সেনারা সাগরে ফেলে দিলেও বাংলাদেশের ভেতরে চীন বিরোধী একটা বিক্ষোভ দেখলাম না।সাধে কি এদের আমরা ভণ্ড ও পঙ্গপাল বলি 😁
বাংলাদেশের পঙ্গপালের দল আমেরিকা ও চীনের সহায়তায় ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখলের স্বপ্ন দেখে। অর্থাৎ এরা মুসলমান নামধারী আমেরিকা ও পাকিস্তানের ভাড়াটিয়া গুণ্ডা ছাড়া আর কিছুই নয়।
মোল্লার দৌড় যেমন মসজিদ পর্যন্ত ঠিক তেমনি বাংলাদেশের মুসলমানদের দৌড় পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু ও মমতা পর্যন্ত। চীনে হাজার হাজার মসজিদের গম্বুজ , মিনার ও আরবী ক্যালিগ্রাফি ভেঙে ফেলার পরও এরা মুখে পাকিস্তানের কলা দিয়ে বসে আছে। এদের বড় ভাই পাকিস্তান আবার চীনের হিল্লা বিয়ে করা বউ। আমেরিকা পাকিস্তানকে বিয়ে করে তালাক দিলে চীন এক রাতের জন্য পাকিস্তানকে বউ হিসেবে হিল্লা বিয়ে করেছে। এজন্য বাসর রাত শুধুই মজা ভেবে বাংলাদেশের মুসলমানদের চীনের বিরুদ্ধে সেভাবে প্রতিবাদ নেই।দশ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিমদের বন্দি শিবিরে আটকে রেখে নির্যাতনের পরও আজ পর্যন্ত হেফাজত , জামায়াত , বিএনপি , বৈষম্য বিরোধীরা একেবারে জন্যও মুখ থেকে বের করেনি -
" বেইজিং না ঢাকা"
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম
২০-০৫-২০২৬