m-Viral Reaction

m-Viral Reaction Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from m-Viral Reaction, Digital creator, Jessore.

20/06/2026
20/06/2026
19/06/2026

শুক্রবার জুম্মার দিনের লাইভে সবাইকে স্বাগতম বন্ধুরা

18/06/2026

২য় দিনের মতো লাইভে সবাইকে স্বাগতম ❤️

17/06/2026

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে স্বাগত 🥰

গল্পের শুরুতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি নরকের গেটে এসে পৌঁছান। কিন্তু টিকিট চেকার তার কপাল স্ক্যান করতেই অবাক হয়ে হাসেন, কা...
27/05/2026

গল্পের শুরুতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি নরকের গেটে এসে পৌঁছান। কিন্তু টিকিট চেকার তার কপাল স্ক্যান করতেই অবাক হয়ে হাসেন, কারণ ওই ব্যক্তি আসলে স্বর্গের যোগ্য! লোকটি নিজেই জানত না, সে শুধু ভিড় অনুসরণ করে ভুল করে এখানে চলে এসেছিল। চেকার তাকে একটি বিশেষ দরজা দেখিয়ে বলেন যে, সেটি দিয়ে গেলে সে সরাসরি স্বর্গে পৌঁছাবে।
​লোকটি ভিড় ঠেলে সেই দরজা খুলতেই ভেতর থেকে চমৎকার সোনালি আলো বেরিয়ে আসে। চারপাশের মানুষ অবাক ও ঈর্ষান্বিত চোখে তাকিয়ে থাকে, আর সে শান্তভাবে স্বর্গে প্রবেশ করে। এই দৃশ্য দেখে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাকি মানুষদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তারা ভাবে, ওই দরজাই বোধহয় মুক্তির আসল পথ। পাগলের মতো সবাই সেই দরজার দিকে ছুটে যায়। কিন্তু দরজা খুলতেই তারা দেখতে পায় এক ভয়ংকর আগুনের সাগর—সেটি আসলে নরকেরই আরেক রূপ। তারা বুঝতে পারে, অন্ধভাবে অন্যের দেখানো পথে হাঁটলে মুক্তি মেলে না। ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে তারা আবারও নিজেদের বিচারের অপেক্ষায় লাইনে ফিরে আসে।
​এরপর শুরু হয় কর্মের আসল হিসাব। এক ৮০ বছরের বৃদ্ধ লাইনে আসেন। তিনি জীবনে কাউকে সরাসরি হত্যা করেননি, তাই মনে মনে ভেবেছিলেন তার হয়তো কোনো শাস্তি হবে না। কিন্তু বিচারে তার আসল অপরাধ ধরা পড়ে। তিনি ছিলেন একজন বড় মাপের প্রতারক, যিনি টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে স্ক্যাম করে অসংখ্য মানুষের সারা জীবনের সঞ্চয় কেড়ে নিয়েছিলেন। তার এই ভয়ংকর প্রতারণার কারণে ৪৮ জন মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছিল। কর্মের নিয়ম অনুযায়ী, তার এই অদৃশ্য অপরাধের জন্য তাকে চরম শাস্তির সম্মুখীন হতে হয়।
​সবশেষে এক বৃদ্ধ দম্পতি সামনে আসেন। তারাও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে তারা সম্পূর্ণ নির্দোষ, কারণ তারা নিজেদের হাতে কোনো অপরাধ করেননি। কিন্তু কপাল স্ক্যান করার সাথে সাথেই তাদের অতীতের লুকানো কৃতকর্ম সামনে চলে আসে এবং কর্মের ফলস্বরূপ তাদেরও নরকে নিক্ষেপ করা হয়।
​গল্পের মূল বার্তা:
মানুষ যা করে, তাকে ঠিক সেই কাজেরই হিসাব দিতে হয়। নিজে সরাসরি কোনো ক্ষতি না করলেও, প্রতারণা বা অন্য উপায়ে মানুষের জীবন ধ্বংস করার ফল ভোগ করতেই হয়। অন্ধভাবে ভিড় অনুসরণ করে বা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে কর্মের হাত থেকে পালানোর কোনো উপায় নেই।

20/05/2026

মন্ত্রীর বাড়িতে ভূয়া পুলিশের রেড! সতর্ক থাকতে ও দুর্ঘটনা এড়াতে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন!

ভবিষ্যতের এমন এক পৃথিবীর কথা ভেবেছেন, যেখানে এক গ্লাস পানির দাম মানুষের জীবনের চেয়েও বেশি? আজ আপনাদের এমন এক শ্বাসরুদ্ধক...
19/05/2026

ভবিষ্যতের এমন এক পৃথিবীর কথা ভেবেছেন, যেখানে এক গ্লাস পানির দাম মানুষের জীবনের চেয়েও বেশি? আজ আপনাদের এমন এক শ্বাসরুদ্ধকর গল্পের কথা শোনাব।
​পৃথিবী পরিণত হয়েছে এক বিশাল শুষ্ক মরুভূমিতে। এখানে পানিই সবচেয়ে বড় সম্পদ। কেবল ধনীরাই এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় পানের বিলাসিতা দেখাতে পারে। আর যারা পানি চুরি করে তাদের কপালে জোটে রোদে শুকিয়ে যাওয়ার মতো কঠিন শাস্তি। খাঁচায় বন্দি তৃষ্ণার্ত মানুষের চোখে তখন শুধুই হতাশা।
​কিন্তু এই ভয়াবহ জগতেও নর্টন নামের সাদা চুলের এক মানুষের কোনো বিকার নেই। সে যেন এই কঠিন পরিবেশকে একদমই পরোয়া করে না। সে সোজা চলে যায় আন্ডারওয়ার্ল্ডের এক গোপন বাজারে। সেখানে গিয়ে সে এমন এক কাজ করে যা সাধারণ মানুষের সারাজীবনের আয়ের সমান। সে কিনে নেয় তাজা স্ট্রবেরি। শুধু তাই নয়, তার কাছে আছে দুই হাজার টন পানির সমমূল্যের সম্পদ। সেই বিশাল সম্পদ দিয়ে সে বারে বসে অর্ডার করে এক গ্লাস বরফ ঠান্ডা কোক।
​শান্তিতে সেই ঠান্ডা পানীয় উপভোগ করার আগেই বিপদ ঘনিয়ে আসে। কুখ্যাত বাউন্টি হান্টার দল 'আয়রন ট্রায়াঙ্গেল' তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে। শুরু হয় তুমুল লড়াই। চারজনের সাথে একা পেরে ওঠা নর্টনের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। সে যখন চরম বিপদে ঠিক তখনই এক রহস্যময়ী নারী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে।
​সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো লড়াইয়ের মাঝে নর্টনের হাত কেটে রক্ত পড়লেও তার সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সে নির্বিকারভাবে ক্ষতস্থান বেঁধে নেয়, যেন তার শরীরে কোনো ব্যথাই নেই! এরপর সেই রহস্যময়ী নারীর সাথে সে সেখান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যায়।
​কে এই নারী? আর নর্টনের শরীরে কেন কোনো ব্যথা নেই? গল্পের পরের অংশে কী হতে পারে বলে আপনার মনে হয়? কমেন্টে আপনার মতামত জানান!

বাসে ওঠার পর মেয়েটিকে দেখে অনেকেই নিজেদের সিট ছেড়ে দিল। সবাই একটু স্মার্ট সাজার চেষ্টা করছিল। কিন্তু মেয়েটি কারও আশেপাশে...
19/05/2026

বাসে ওঠার পর মেয়েটিকে দেখে অনেকেই নিজেদের সিট ছেড়ে দিল। সবাই একটু স্মার্ট সাজার চেষ্টা করছিল। কিন্তু মেয়েটি কারও আশেপাশেই বসল না। সে গিয়ে এমন এক জায়গায় দাঁড়াল যার পাশের সিটে একটা কুকুর বসে ছিল।
​মেয়েটি কুকুরটিকে নামতে বলল। কুকুরটি তো নামবেই না, উল্টো তাকে 'ব্যাড ডগ' বলায় রেগে গিয়ে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দিল। বাসের সবাই এই দৃশ্য দেখে হাসাহাসি করছিল। কেউ কেউ বলছিল ওখান থেকে কুকুরটিকে কেউ সরাতে পারবে না।
​কিন্তু মেয়েটিও ছাড়ার পাত্রী নয়। সে সরাসরি কুকুরের সিটেই বসে পড়ল। কুকুরটি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। ঠিক তখনই মেয়েটি উঠে দাঁড়িয়ে কুকুরটির দারুণ প্রশংসা করে এক বক্তৃতা দিয়ে দিল। আর তাতেই ঘটল আসল ম্যাজিক। প্রশংসা শুনে কুকুরটি চুপচাপ নিজের সিট ছেড়ে পেছনে চলে গেল।
​মেয়েটি এমন ভাব নিয়ে কুকুরের সিটে বসল যেন সে বড় কোনো যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। বাসের সবাই তো বটেই, এমনকি বাস ড্রাইভারও এই দৃশ্য দেখে একেবারে অবাক হয়ে গেল। সবার মুখের অবস্থা তখন দেখার মতো।
​সত্যিই, বুদ্ধির কাছে গায়ের জোর বা জেদ কিছুই না!

Address

Jessore
7420

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when m-Viral Reaction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share