Gm Hasan

Gm Hasan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gm Hasan, Video Creator, Kalaroa.
(7)

মানবতার গল্প, সমাজের বাস্তবতা ও সচেতনতামূলক বিষয় নিয়ে কাজ করি। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। কাউকে অপমান করা নয়, সচেতনতা ছড়ানোই লক্ষ্য। ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

সন্তানের কান্নার মাঝেই পারিবারিক বিরোধ, ক্ষোভে যা বললেন এক ব্যক্তিভিডিওতে এক ব্যক্তিকে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। ...
05/08/2026

সন্তানের কান্নার মাঝেই পারিবারিক বিরোধ, ক্ষোভে যা বললেন এক ব্যক্তি

ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি অভিযোগ করেন, একটি ছোট শিশুর মা অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন। তার দাবি, এ ঘটনার কারণে মা সন্তানকে রেখে চলে যেতে চাইছেন, আর সেই সময় শিশুটি মায়ের জন্য কান্না করছিল।

ভিডিওতে তিনি আরও বলেন, এমন কাজের পরিণতি একদিন ভোগ করতেই হবে এবং এর দায় থেকে কেউ রেহাই পাবে না বলে মন্তব্য করেন।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এটি প্রথম ঘটনা নয়; এর আগেও একই ব্যক্তি একাধিকবার একই ধরনের ভুল করেছেন বলে তার অভিযোগ। তাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না—এমন নিশ্চয়তা নেই বলেও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

কথোপকথনের এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে আরও কিছু ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় ভিডিওতে একটি ছোট শিশুকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বারবার "মা" বলে ডাকতে শোনা যায়, যা ঘটনাটিকে আরও আবেগঘন করে তোলে।

উল্লেখ্য, ভিডিওতে উঠে আসা অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যও এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।

ব্ল্যাকমেইল ও ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক নারীর বক্তব্যএক নারী অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৭–৮ মাস আগে তিনি ত...
05/08/2026

ব্ল্যাকমেইল ও ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক নারীর বক্তব্য

এক নারী অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৭–৮ মাস আগে তিনি তার স্বামীকে আইনগতভাবে তালাক দেন। তার দাবি, তালাকের পরও সাবেক স্বামী তাদের দাম্পত্য জীবনের ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও ভিডিও নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখেন। এমনকি তার অজান্তে কিছু ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ওই ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তার কাছে টাকা দাবি করা হয়, পাসপোর্ট করে দেওয়ার চাপ দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন শর্ত মানতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়। তিনি এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, এসব ঘটনার কারণে তিনি নিজ গ্রামে যেতে পারছেন না, পরিবারের সদস্যদের মুখোমুখি হতে পারছেন না এবং সমাজের নানা অপবাদ ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তার আরও অভিযোগ, তার নাম ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, 'শাবনুর আক্তার', 'শাবনুর খান' ও 'সুজন খান' নামের যে আইডিগুলোর কথা প্রচার হচ্ছে, সেগুলোর কোনোটিই তার নয়।

তিনি বলেন, বৈবাহিক সম্পর্কের সময় স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তকে পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব ঘটনার কারণে তিনি সামাজিকভাবে চরম ক্ষতির শিকার হয়েছেন এবং নিজের সন্তানের কাছ থেকেও দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।

সবশেষে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো নারী একই ধরনের প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল বা ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অপব্যবহারের শিকার না হন।

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর পরামর্শ ও আনামিকা আক্তার জুঁইয়ের বক্তব্যভিডিওতে দেখা যায়, আদালত প্রাঙ্গণে এক আইনজীবী আনামিকা আ...
04/08/2026

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর পরামর্শ ও আনামিকা আক্তার জুঁইয়ের বক্তব্য

ভিডিওতে দেখা যায়, আদালত প্রাঙ্গণে এক আইনজীবী আনামিকা আক্তার জুঁইকে সাংবাদিকদের সামনে কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি জুঁইকে নির্দেশ দেন, অপ্রয়োজনীয় কোনো কথা না বলে শুধুমাত্র সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দিতে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগের ভাষাও বলে দেন, যেখানে উল্লেখ করতে বলেন যে, বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু পেজের মাধ্যমে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

এরপর সাংবাদিক জুঁইয়ের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজের নাম আনামিকা আক্তার জুঁই বলে জানান।

সাংবাদিক যখন জানতে চান আদালতের বিষয়ে তার চাওয়া কী, তখন আইনজীবী ফিসফিস করে তাকে বলেন, "আমার সন্তানকে আমি চাই।" জুঁইও একই বক্তব্য দেন।

পরবর্তীতে সাংবাদিক জানতে চান, কেন সন্তানের জিম্মা তার কাছে থাকা উচিত। এ সময় আইনজীবী বলেন, প্রশ্নটি সহজভাবে করা উচিত, কারণ জুঁই হয়তো বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন না। এরপর তিনি জুঁইকে বলে দেন যে, তিনি যেন বলেন— তিনি একজন মা, তাই সন্তানকে ছেড়ে দিতে পারবেন না। এছাড়া তার বাবা-মা আছেন এবং তারা সবাই মিলে শিশুটিকে বড় করবেন। একই সঙ্গে আইনজীবী তাকে আরও বলতে বলেন যে, তিনি ওই যুবককে স্বামী হিসেবে মানেন না এবং তার দাবি অনুযায়ী ঘটনাটি জোরপূর্বক ঘটেছে।

পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে জুঁই বলেন, তিনি তার সন্তানকে নিজের কাছেই রাখতে চান। কারণ তিনি সন্তানের মা, তাই তাকে ফেলে দিতে পারবেন না। তিনি আরও বলেন, তার বাবা-মা আছেন এবং তারাই শিশুটিকে লালন-পালন করবেন।

এরপর নাগরিক টিভির সঙ্গে পূর্বের ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জুঁই দাবি করেন, তাদের বাসায় গিয়ে তার বাবাকে পুলিশের ভয় দেখানো হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পরিস্থিতিতে তাকে কিছু নির্দিষ্ট কথা বলতে বলা হয়েছিল।

আইনজীবী তখন জানতে চান, নাগরিক টিভির পক্ষ থেকে যা শেখানো হয়েছিল, তিনি কি তাই বলেছিলেন। জুঁই জবাবে বলেন, হ্যাঁ, তাকে সেভাবেই কথা বলতে বলা হয়েছিল এবং তা না বললে তার বাবাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

পরে সাংবাদিক জানতে চান, তাকে ঠিক কী বলতে শেখানো হয়েছিল। জুঁই বলেন, তাকে বিয়ে এবং স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সংক্রান্ত কিছু বক্তব্য বলতে বলা হয়েছিল।

সবশেষে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, তাকে কি বলতে বলা হয়েছিল যে তিনি বিয়ে করেছেন এবং ওই ব্যক্তি তার স্বামী। জুঁই এর উত্তরে "হ্যাঁ" বলেন। তবে তখন তিনি ঠিক কী বলেছিলেন—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তার তা মনে নেই।

তরুণীর দাবি অনুযায়ী, লিটন তাকে বিয়ে করার পর কিছুদিন একসঙ্গে সংসার করেন। এরপর তিনি তাকে রেখে চলে যান এবং দীর্ঘদিন তার ক...
04/08/2026

তরুণীর দাবি অনুযায়ী, লিটন তাকে বিয়ে করার পর কিছুদিন একসঙ্গে সংসার করেন। এরপর তিনি তাকে রেখে চলে যান এবং দীর্ঘদিন তার কোনো খোঁজখবর নেননি বলে অভিযোগ করেন ফাতেমা।

পরবর্তীতে লিটনের সঙ্গে যোগাযোগ করার উদ্দেশ্যে ফাতেমা একটি ফেক ফেসবুক আইডি খুলে তার সঙ্গে নতুন করে পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে জানা যায়। একপর্যায়ে দেখা করার কথা বলে লিটনকে ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলেন তিনি।

নির্ধারিত স্থানে দেখা করতে এলে স্থানীয় জনতার হাতে লিটন ধরা পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন উভয়ের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় ফাতেমা দাবি করেন, পাঁচ মাস আগে তাদের কাবিন সম্পন্ন হয়েছিল এবং বিয়ের পর কিছুদিন একসঙ্গে থাকার পর লিটন তাকে রেখে চলে যান। অন্যদিকে, উপস্থিত ব্যক্তিদের প্রশ্নের মুখে লিটন কোনো বক্তব্য দেননি।

দোকানদারের বক্তব্য (সাজানো ও গুছিয়ে লেখা):একটি দোকানে ঘটে যাওয়া ঘটনায় দোকানদার এক নারীকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করেন যে,...
04/08/2026

দোকানদারের বক্তব্য (সাজানো ও গুছিয়ে লেখা):

একটি দোকানে ঘটে যাওয়া ঘটনায় দোকানদার এক নারীকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করেন যে, তিনি মূল্য পরিশোধে অসঙ্গতি করেছেন। দোকানদারের দাবি, ওই নারীর কাছে দোকানের ৫,০২০ টাকা পাওনা রয়েছে এবং তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

কথোপকথনের একপর্যায়ে দোকানদার বলেন, তিনি অতিরিক্ত কিছু দাবি করছেন না; বরং প্রকৃত পাওনা টাকাই চাইছেন। এরপর তিনি ওই নারীকে তার পরিচিত একজনকে—যাকে তিনি বারবার "বয়ফ্রেন্ড" বলে উল্লেখ করেন—ফোন করতে বলেন এবং তাকে ঘটনাস্থলে আসতে অনুরোধ জানান।

দোকানদার আরও দাবি করেন, ফোনে কথা শেষ হলে মোবাইলটি তার কাছে দিতে হবে, যাতে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে কথা বলতে পারেন। এ সময় তিনি একাধিকবার নারীকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেন যে, "মেয়ে মানুষ পারে না এমন কাজ খুব কমই আছে।" পাশাপাশি তিনি বলেন, যদি একই পরিস্থিতিতে কোনো পুরুষ থাকতেন, তাহলে বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখা হতো—এমন মন্তব্যও করেন।

ভিডিওতে দোকানদারকে আরও বলতে শোনা যায়, তিনি ফোনের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি মীমাংসা করার আহ্বান জানাচ্ছেন।

একটি ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনায় এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, তাকে অন্যায়ভাবে গালিগালাজ করা হয়েছে। তার ভাষ...
03/08/2026

একটি ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনায় এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, তাকে অন্যায়ভাবে গালিগালাজ করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভাড়ার পরিমাণ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেন যে, তিনি নির্ধারিত ভাড়াই দেবেন এবং অন্য যাত্রীদের কাছেও বিষয়টি যাচাই করার অনুরোধ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ভাড়া নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে চালক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাকে অশালীন ভাষায় অপমান করেন। পরে আরও একজন ব্যক্তি এসে তাকে কটূক্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রচণ্ড উত্তেজিত হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে হুমকিমূলক ও অত্যন্ত অশালীন মন্তব্য করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তিও উত্তেজিত পরিবেশে পাল্টাপাল্টি অশোভন মন্তব্য করতে থাকেন। ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চারপাশে ভিড় ও হইচই সৃষ্টি হয়।

রাজধানীর কলাবাগানে মর্মান্তিক পারিবারিক ট্র্যাজেডিভালোবেসে শুরু হয়েছিল তাদের সংসার। দাম্পত্য জীবনে একবার বিচ্ছেদ হলেও দ...
03/08/2026

রাজধানীর কলাবাগানে মর্মান্তিক পারিবারিক ট্র্যাজেডি

ভালোবেসে শুরু হয়েছিল তাদের সংসার। দাম্পত্য জীবনে একবার বিচ্ছেদ হলেও দুই পরিবারের উদ্যোগে আবারও নতুন করে সংসার শুরু করেন মাদারীপুরের শিপন ও শরীয়তপুরের ফারজানা। কিন্তু সেই সম্পর্কের টানাপোড়েন আর শেষ পর্যন্ত থামেনি।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায়।

পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরে শিপন তার শ্বশুরবাড়ি, কলাবাগানে যান। রাতের দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন ফারজানার মা ফিরোজা বেগম।

অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিপন ধারালো অ স্ত্র দিয়ে স্ত্রী ফারজানা ও শাশুড়ি ফিরোজা বেগমকে আ ঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই ফারজানার মৃ ত্যু হয়। গুরুতর আ হত ফিরোজা বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মা রা যান।

এক স্বজন জানান, ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তিনি ফারজানাকে মৃ ত এবং ফিরোজা বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেশীদের ভাষ্য, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ থাকলেও এমন মর্মান্তিক পরিণতি কেউ কল্পনাও করেননি।

ঘটনার পর রবিবার সকালে এক বছরের শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে শিপন কলাবাগান থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক কলহের জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ঘিরে শিক্ষক ও দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সম্পর্কের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্...
03/08/2026

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ঘিরে শিক্ষক ও দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সম্পর্কের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও প্রাইভেট শিক্ষক জালিলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পড়াতেন। শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে সেই সম্পর্ক ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয় বলে অভিযোগ ওঠে।
শিক্ষার্থীর বক্তব্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিক্ষক তাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এর আগেও তাকে টিসি দেওয়া হয়েছিল বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, একজন শিক্ষকের প্রতি সমাজের প্রত্যাশা শুধু পাঠদান নয়; নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

বরিশালের বাকেরগঞ্জের বাসিন্দা পরিচয় দেওয়া মোসাম্মৎ মারজিয়া নামে এক তরুণী অভিযোগ করেছেন, রিমন নামে এক যুবক দীর্ঘদিন প্রেম...
02/08/2026

বরিশালের বাকেরগঞ্জের বাসিন্দা পরিচয় দেওয়া মোসাম্মৎ মারজিয়া নামে এক তরুণী অভিযোগ করেছেন, রিমন নামে এক যুবক দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন।
তার দাবি, গত শুক্রবার ওই যুবক তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে প্রথমে একটি বাসায় এবং পরে নিজের বাড়িতে রাখেন। এ সময় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মারজিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, পরে তিনি যুবকের বাড়িতে এসে দেখেন ঘরে তালা ঝুলছে এবং পরিবারের সদস্যরা সেখানে নেই। তার অভিযোগ, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সবাই বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, যুবকের পরিবারের সদস্যরা সম্পর্কের বিষয়ে অবগত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ওই যুবকের সঙ্গে বিয়ের দাবি জানিয়ে বলেন, অন্যথায় তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন।
প্রশ্নোত্তরের একপর্যায়ে তাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হলে মারজিয়া জানান, তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করবেন।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত যুবক বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া

লক্ষ্মীপুরের একটি ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিজেকে আরাফাত পরিচয় দে...
02/08/2026

লক্ষ্মীপুরের একটি ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিজেকে আরাফাত পরিচয় দেওয়া এক যুবক দাবি করেন, প্রায় দেড় বছর আগে সীমা নামের এক তরুণীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তিনি বিয়ের এফিডেভিটসহ কিছু কাগজপত্রও দেখান।
ভিডিওতে সাংবাদিক সীমাকে একাধিক প্রশ্ন করেন। সাংবাদিকের দাবি অনুযায়ী, স্বামী থাকা সত্ত্বেও তিনি অন্য এক যুবকের সঙ্গে ঘর ছেড়ে চলে এসেছেন। তবে সীমা জানান, ওই নতুন যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি।
সাংবাদিক জানতে চান, তিনি আগের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চান, নাকি নতুন সম্পর্কের দিকে এগোতে চান। এ সময় সীমা কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাননি। তিনি শুধু বলেন, তিনি কথা বলতে পারছেন না।
আলাপচারিতায় সীমা আরও জানান, তার বাবা বেঁচে নেই এবং তিনি বর্তমানে পড়াশোনা করছেন না।
ভিডিওতে সাংবাদিক আরাফাতের দেখানো বিয়ের এফিডেভিটের কাগজও উল্লেখ করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, যদি আগের বিয়ের নথি থাকে, তাহলে অন্য একজনের সঙ্গে চলে যাওয়ার কারণ কী।
তবে ভিডিওতে সীমা এসব অভিযোগের বিস্তারিত জবাব দেননি। ফলে ঘটনাটির পূর্ণ সত্যতা, পারিবারিক বিরোধের কারণ বা আইনি অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

Address

Kalaroa

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gm Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share