Dark Stories Of Student Politics In MMC

Dark Stories Of Student Politics In MMC Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dark Stories Of Student Politics In MMC, Record Label, Zinzira, Dhaka, Kalindi.

DSSP MMC-04২০২১ এর শেষে সামনে আমাদের প্রফ।এর মধ্যে হচ্ছে রুম এলটমেন্ট।ক্লাস আইটেম সব ফেলে  দিনের পর দিন রুমের পর রুম ঘুর...
02/10/2024

DSSP MMC-04

২০২১ এর শেষে সামনে আমাদের প্রফ।এর মধ্যে হচ্ছে রুম এলটমেন্ট।ক্লাস আইটেম সব ফেলে দিনের পর দিন রুমের পর রুম ঘুরছি। নাহ্,কোন রুমেই আমাদের জন্য জায়গা নেই।কারণ আমাদের প্রিয় বড় আপুরা আমাদের উঠতে দেবে না।তারা ফ্রিজ, মাইক্রোওভেন এমনকি ওয়াশিংমেশিনের জায়গায় আমাদের একটু জায়গা দিতে পারবেন না।এমন সময় ম্যাম সবাইকে কনফারেন্স রুমে ডেকে নিয়ে সব্বাইকে রুম এলটমেন্ট দিল। আমার পড়ল নতুন বিল্ডিংয়ের ২ তলায় কারিমা আপুর রুমে।আমি ওসব কিছু জানতাম না।রুমের দায়িত্বে থাকা আপুরা বলে, রুমে গিয়ে খোঁজ নিতে।যখন আমি রুমে খোঁজ নিতে গেলাম সেখানে তৃণা কারিমা আপু কেউ ছিল না। তাদের জুনিয়র বিডিএস-৭ এর একজন আপু ছিলেন। উনি নাম্বার রেখে পরে যোগাযোগ করবেন আপুরা আসলে এটা বলে দিলেন।ওইদিন আমার এমনিতেই প্রচন্ড পেট ব্যথা ছিল,কিন্তু দৌড়াদৌড়ি না করে রুম পাব না তাই বাধ্য হয়ে রুমে রুমে দৌড়িয়েছি।যা করতে বলে তাই করেছি।তৃণা আপু কলেজ থেকে ফেরার পর ডেকে নিয়ে যায় ওই রুমে।উল্লেখ্য, ওটা তৃণা আপুর রুম ছিল না,কারিমা আপুর ছিল।কিন্তু সে তখন বাসায় থাকায় হেনস্তা করার দায়িত্বটা তৃণা আপু নিয়েছিল।আমার দোষ এটাই ছিল যে আমি রুমের জন্য গিয়েছিলাম।তৃণা আপু রুমের ভিতর ডেকে দরজা বন্ধ করে ১৫-২০ মিনিট ধরে ইচ্ছামতো হেনস্তা করেছে।সাথে ওই ফারাহ আপুও ছিল।
তৃণা:তোমাকে এই রুমে আসতে কে বলেছে?
আমি:আপু,ম্যাম।
তৃণা:ম্যামের সাথে তোমার কিসের পিরিত যে ম্যাম তোমাকে রুম দিয়েছে।
আমি:(তার চোখ মুখ দেখেই আমার গলা শুকিয়ে গিয়েছে,ওই রূপ আমি কোনদিনও ভুলব না)তবু বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু কিছুই বলতে দেয়া হলো না একের পর এক বাজে কথা বলে ধমক, হুমকি দিয়ে বলে,'আপুর নাম বলো যে আপু পাঠিয়েছে তোমাকে। '
আমি বললাম, আমি তো আপুর নাম জানি না(উল্লেখ্য তখন আপুর নাম জিজ্ঞেস করাও একটা অনেক গর্হিত অপরাধ ছিল)।এরপর আবার বাজে কথা শুরু। এসব বলে বের করে দিল রুম থেকে, অত্যাচারীরা যেভাবে গুলি ধরে কথা আদায় করে ওভাবে আদায় করলো আমার মুখ থেকে যে,'আমি আর ওদের রুমে উঠার চেষ্টাও করবো না আর উনারা যে উঠতে দেয় নি এটা ম্যাম বা অন্য কাউকে বলবও না।'আমি কোনমতে ভয়ে কেঁপে এসব বলে বেঁচে ফিরলাম।আমি ওই দিনের ট্রমা মনে হয় কোনদিনও ভুলতে পারবো না।ওইদিন এত কান্না করেছি, এত্ত অসহায় লেগেছে-- এসব বলে বুঝানোর মতো না।পরে ওই রুমের বিডিএস এর ওদের জুনিয়র আপু বলল,ওদের অত্যাচারে নাকি উনিই রুম বদলে ফেলেছেন।
ওইদিন

DSSP MMC-01(আমার বন্ধু এই গ্রুপে নেই তাই তার পক্ষ থেকে আমি পোস্টটি শেয়ার করছি) আমি মেহেদী হাসান, ময়মনসিংহ মেডিকেলের সাব...
03/05/2020

DSSP MMC-01

(আমার বন্ধু এই গ্রুপে নেই তাই তার পক্ষ থেকে আমি পোস্টটি শেয়ার করছি)
আমি মেহেদী হাসান, ময়মনসিংহ মেডিকেলের সাবেক ম-৫৮, বর্তমানে বুয়েট'২০। অনেক কিছু বুঝে আর অনেক কিছু না বুঝেই হোস্টেলে উঠেছিলাম। র‍্যাগিং আর পলিটিকাল কালচারের কথা সবাই জানে, সেসব ট্রমার কথা আর নাই বলি। হোস্টেলে ওঠার আগেই শুনলাম হোস্টেল থেকে বোন্স কিনতে হবে, তাও বেশ চড়া দামে। ব্যাচমেট ওয়াসিক আরিফের (sh'16) সাথে শেয়ারে বোন্স নিলাম প্রায় ৪৫ হাজার টাকায়, আমার শেয়ারের প্রায় সাড়ে ২২ হাজার টাকা আমি প্রায় সাথে সাথেই দিয়ে দিই ঝামেলা এড়ানোর জন্য।ঝামেলাটা লাগে আমি বুয়েটে চান্স পাওয়ার পর যখন হোস্টেল ছেড়ে চলে আসি। ওয়াসিক মাইগ্রেশনে সোহরাওয়ার্দীতে চলে যাওয়ার পর ম-৫৭'র রুবাইয়াত রাইম ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে আমার বোন্স সেটটা ম-৫৮'র শামিমের রুমে রাখার ব্যবস্থা করি।তারপর একদিন বিডিএস-৭ এর সানজিদ শামীমের রুমে থেকে ম-৫৭'র এক ভাইয়ের মাধ্যমে বোন্স সেটটা শামীমের কাছ থেকে নিয়ে যায়। এরপর রাইম ভাই একাধিকবার সানজিদের কাছে বোন্স সেট ফেরত দিতে বলে অথবা টাকা ফেরত দিতে বলে বাট সানজিদ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং শেষমেষ সে এ উত্তর দেয় যে রাইম ভাই যেন আমাকে জানায় যে সানজিদ আমার টাকা মেরে দিয়েছে। এ ব্যাপারে মমেকের আরও অনেক সিনিয়রের সাথে যোগাযোগ করেও ব্যার্থ হই এবং শেষমেষ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাসানের সাথেও দেখা করি এবং জিনিসটা জানাই। হাসান বিষয়টা দেখার আশ্বাস দেয় কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোন সুরাহা হয়নি।মমেকের বোন্স সিন্ডিকেট কত পুরনো তা আমি জানিনা তবে আমার সাথে যে আচরণটা হল, তা এই এস্টাব্লিশমেন্টের ভন্ডামিই তুলে ধরে। সানজিদকে আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমার ক্ষোভটা বয়েজ হোস্টেলের এই এস্টাব্লিশমেন্টের উপর। আশা করি মেডিকেল হোস্টেলের রাজনৈতিক সন্ত্রাস ভেঙে যাবে। একই সাথে ভেঙে যাবে বোন্স সিন্ডিকেট। টাকা ফেরত পাওয়ার আশা রাখি না। যদি কোন এক্সট্রা বোন্স সেট উদ্ধার হয়, তা যেন বোন্স লাইব্রেরিতে ডোনেট করে দেয়া হয়।

( ছবিতে সানজিদ)

Address

Zinzira, Dhaka
Kalindi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dark Stories Of Student Politics In MMC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category