Paranormal Ghost Hunter

Paranormal Ghost Hunter We investigate haunted places that are known to people as abandoned place. Stay with us and enjoy horror experience in reality show.
(1)

We try to explore the real things and capture on live video all of the activities of unseen creatures. Join our Facebook Group: https://www.facebook.com/groups/916359562435275

Join our YouTube Channel: https://www.youtube.com/channel/UCDqTNptVvco1hVrQT1QO89A

15/02/2025

বর্তমানে জীনেরা এতই গোপনে থাকে যে তাদের এক্টিভিটি এখন আর বুঝা যায় না আগের মত

Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
15/02/2025

Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

15/02/2025

আসসালামু আলাইকুম শুভ সকাল

15/07/2022

#কারিন_জ্বীন
খলিফা আল-মাহদী'র (৭৭৫-৭৮৫ ইং) দরবারে এসে জনৈক ব্যক্তি নিজেকে নবী দাবি করলো। তার কাছে নাকি ওহী আসে! তখন লোকটির কাছে এর প্রমাণ চাওয়া হলো। সে বললো, আমি বলে দিতে পারবো তোমাদের কার হাতে কী আছে। অর্থাৎ তোমরা সবাই হাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু জিনিস রাখো। একটু পর এসে আমি বলে দিব তোমাদের হাতে কী আছে। এর মাধ্যমে প্রমাণ হবে যে আমার কাছে ওহী আসে। কেননা ওহী ছাড়া এমন খবর জানা সম্ভব নয়।
দরবারে উপস্থিত লোকেরা তাই করলো। একটু পর লোকটি এসে বলে দিলো কার হাতে কী আছে এবং কতো পরিমাণ আছে। সবাই আশ্চর্য হয়ে গেলো। এমন সময় দরবারে একজন আলিম এলেন। তিনি বললেন, এই লোকটি মিথ্যাবাদী।
তিনি আরো বললেন, এই লোকটি একজন যাদুকর। সবাই বললো, আপনি কীভাবে বুঝলেন?
তখন আলিম বললেন, আমি তোমাদের সামনে হাতে কলমে প্রমাণ দিচ্ছি। যদি এই লোক বলতে পারে আমার হাতে কী আছে, তাহলে আমিও মেনে নেব সে একজন সত্যিকারের নবী!
এরপর তিনি লোকটিকে দরবারের বাইরে যেতে বললেন। এদিকে ঐ আলিম কিছু সংখ্যক দিরহাম নিয়ে তার হাতে রাখলেন। কিছুক্ষণ পর লোকটি দরবারে ফিরে এলো। আলিম বললেন, এবার বলো আমার কাছে কী আছে?
লোকটি প্রশ্ন শুনে কয়েক মুহুর্তের জন্য মাথা নিচু করে রইলো। এরপর মাথা তুলে বললো, তিরিশ!
এবার আলিম তার হাত খুলে সবাইকে দেখালেন।
লোকেরা দেখলো সেখানে একশ'র বেশী দিরহাম আছে। সবাই জানতে চাইলো, এই মিথ্যাবাদী লোকটি একটু আগে কিভাবে বলে দিচ্ছিল?
সেই আলিম জবাব দিলেন, যখন তোমরা মুদ্রা গণনা করেছো, তখন তোমাদের সাথে থাকা কারিন জিনও গণনা করেছে। এরপর কারিন জ্বীন ঐ মিথ্যাবাদী লোকটির কারিন দ্বীনের কাছে গিয়ে এই খবর জানিয়ে দিয়েছে।
এজন্য ঐ আলিম নিজে গণনা না করেই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মুদ্রা নিজের কাছে রেখেছিলেন। ফলে ঐ আলিমের সাথে থাকা কারিন জ্বীন সেগুলো গণনা করাতে পারেনি। তাই দরবারে আসা লোকটিও জানতে পারেনি ঐ আলিমের হাতে কতোগুলো মুদ্রা আছে।
এরপর মিথ্যাবাদী লোকটিকে গ্রেফতার করা হলো এবং তাকে প্রহার করা হলো। তখন লোকটি স্বীকার করলো সে ছিল একজন ভণ্ড ও যাদুকর।
পাঠক! প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন জিন নিযুক্ত থাকে। তার নাম কারিন। এই কারিন জ্বীন অন্য জ্বীনের কাছে গিয়ে আপনার ব্যাপারে সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিতে পারে। যেমন- জ্যোতিষী, গণক কিংবা যাদুকরের সাথে থাকা দ্বীনের কাছে গিয়ে তারা আপনার ব্যাপারে তথ্য জানিয়ে দেয়। তখন মনে হয় যেন ঐ লোক গায়েব জানে!
আজকাল আরেকটি বিষয়ের ব্যাপক প্রচলন দেখা যায়। এর নাম 'মিডিয়ামশিপ' (আল-ওয়াসাত) বা মধ্যস্থতা। এরা দাবি করে তারা বিভিন্ন আত্মার সঙ্গে আধ্যাত্মিক যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারে। এগুলো মিথ্যাচার ও যাদুটোনা। যদি কেউ বলে কিন্তু আমি তো আমার মৃত পিতার কণ্ঠ শুনলাম! তখন এর সঠিক উত্তর হচ্ছে, নাহ! আপনি আপনার পিতার সাথে থাকা কারিন জ্বীনের কণ্ঠ শুনেছেন!
একজন মানুষের মৃত্যু হলেও তার সাথে থাকা কারিন জ্বীনের মৃত্যু নাও হতে পারে। সে আরো কিছুদিন বেঁচে থাকতে পারে। তাই যদি আপনার মৃত পিতার সাথে থাকা কারিন জ্বীন আশেপাশে থাকে, তাহলে সে আপনার পিতার কণ্ঠ নকল করে কথা বলতে পারে। যেভাবে কোন জীবিত ব্যক্তির উপরে ভর করা জ্বীনও ঐ ব্যক্তির কন্ঠ ব্যবহার করে কথা বলতে পারে। তখন আক্রান্ত ব্যক্তির কণ্ঠ থেকে জ্বীনের কণ্ঠ পৃথক করার কোনো সুযোগ থাকে না। ভণ্ড ওঝা বা যাদুকরের সাথে যোগাযোগ করে কারিন জ্বীন আপনার মৃত পিতার ব্যাপারে এমন সব তথ্য জানিয়ে দিতে পারে যা ঐ জ্বীন জানে। কারণ সে ছিল আপনার পিতার সহচর। এই ঘটনাকেই অজ্ঞ লোকেরা মনে করে, এসব ওঝারা মৃত আত্মার সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম! কিন্তু এটা অসম্ভব। কারণ কুরআন ও সুন্নাহর দলিলের মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত, কোন মৃত ব্যক্তির আত্মা দুনিয়াতে ফিরে আসতে পারে না।
বই : হালাল হরর স্টোরিজ পৃ.৬৫-৬৬
সংকলন, অনুবাদ : সিফাত-ঈ-মুহাম্মদ
প্রকাশনায় : Bookmark Publication
মুদ্রিত মূল্য : ৩০০টাকা
পৃ. ২৩৮টি
--courtesy: Muhammad ashraful

❤❤Happy New Year 2022 ❤❤
01/01/2022

❤❤Happy New Year 2022 ❤❤

নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, “আত-তামায়িমু শিরকুন” - তাবিজ হচ্ছে শিরক। এটা আল্লাহর নবীর কথা (হাদীস), কোনো আলেমের ফতোয়া না! ফত...
30/11/2021

নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, “আত-তামায়িমু শিরকুন” - তাবিজ হচ্ছে শিরক।

এটা আল্লাহর নবীর কথা (হাদীস), কোনো আলেমের ফতোয়া না! ফতোয়া হলে ভাবতেন মানুষের মত, ভুল-ত্রুটি হতে পারে। কিন্তু এটি কার কথা? নবী (সাঃ) এর কথা।

আচ্ছা কেউ যদি বলে, তাবিজ যার মধ্যে শিরক থাকবে সেটা শিরক, আর যেটা কুরানের দুয়া দিয়ে করা, কুরানের সুরা বা নবীর হাদীসের দুয়া দিয়ে করা, সেগুলোতে কোনো সমস্যা নেই। এটি কি আদৌ সঠিক?

একদম না। দেখুন, নবী (সাঃ) এগুলোর মাঝে কোনো পার্থক্য করেননি, যদি পার্থক্য করতেন তাহলে তিনি অবশ্যই বলে দিতেন, দেখো তোমরা কুরআন হাদীসের দুয়া দিয়ে তাবিজ করিও কোনো অসুবিধা নেই কিংবা বলে দিতেন, শিরকি কথা দিয়ে বা বুঝা যায়না এমন কথা বার্তা দিয়ে তাবিজ করিওনা।

এভাবে তিনি ভেঙ্গে দুইটাকে আলাদা করে বলতেন, কারণ তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে শরীয়ত স্পষ্ট করে মানুষের কাছে পোঁছে দেওয়ার জন্যই এসেছিলেন। কিন্তু তিনি এইরকম কোনো পার্থক্য করেন নি, সব তাবিজকেই শিরক বলেছেন। সুতরাং, তাবিজ তা যেকোনো রকমেরই হোকনা কেনো, আল্লাহর নবী বলেছেন - তাবিজ হচ্ছে শিরক সুতরাং শিরক।

আর বর্তমান সমাজে প্রচলিত যেই সকল কিতাবাদীতে চুরি ঠেকানো, ধন-সম্পদ বৃদ্ধি, রোগ বালাই থেকে মুক্তির জন্য যে সকল বইয়ে বিভিন্ন তদবীর পাওয়া যায় তার সবটাই শ্রেফ শিরক এবং শিরক..

ধর্মের নামে এভাবেই অধর্ম করে যাচ্ছে সমাজের তথাকথিত কিছু বড় হুজুরেরা....

16/09/2021

জারজ সন্তান চেনার উপায়!

ইমাম আবূ হানীফা (রহ.) সহ কয়েকজন ফিকাহবিদ মাঠে বসে ফিকহী আলোচনা করছেন। পাশেই কয়েকটা ছেলে বল খেলতেছিল।

ঘটনাক্রমেঃ খেলার বলটি ইমাম আবূ হানীফাদের মধ্যখানে এসে পড়ল। ছেলেগুলো কিংকর্তব্যবিমূঢ়! এটা তো চরম বেয়াদবী!
বলটি কে আনবে? কীভাবে আনবে? উনারা কী বলবে? এই ভেবে কাঁচুমাচু!

হঠাৎ একটি ছেলে লুঙ্গী উল্টিয়ে অহংকার ও উদ্যত ভাব প্রদর্শন করে বলটি নিয়ে আসল। অর্থাৎ সে এমনটি করে বুঝাতে চেয়েছে, মোল্লারা আর কী করবে? এদের সাথে বেয়াদবি করলেই বা আর কী!

তখন ইমাম আবূ হানীফা (র) বললেন...এই সন্তানটি জারজ। এবং জোর দিয়েই বলছেন, তোমরা খোঁজ নিয়ে দেখো। সাথীরা আশ্চর্য! খোঁজ নিয়ে দেখা গেলো, সত্যি সত্যিই ছেলেটি জারজ।

এবার সাথীরা প্রশ্ন করলেন হুজুর আপনি যা বলছেন তা সত্য, কিন্তু এত জোর দিয়ে বিষয়টি বললেন কীভাবে? আবূ হানীফার উত্তর- জারজ ছাড়া ওরাসাতুল আম্বিয়া তথা আলেমদের সাথে কেউ বেয়াদবী করতে পারে না, এটা আমি নিশ্চিত।

★সুত্রঃ (ইসলাহী খুতুবাত,
- বিচারপতি মুফতি তাকী উসমানী দাঃ বাঃ)

13/08/2021

"আর এই সঙ্গে তারা এমন সব জিনিসের অনুসরণ করাতে মেতে ওঠে, যেগুলো শয়তানরা পেশ করতো সুলাইমানী রাজত্বের নামে। অথচ সুলাইমান কোন দিন কুফরী করেনি। কুফরী করেছে সেই শয়তানরা, যারা লোকদেরকে যাদু শেখাতো। তারা ব্যবিলনে দুই ফেরেশতা হারূত ও মারূতের ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছিল তা আয়ত্ব করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। অথচ তারা(ফেরেশতারা) যখনই কাউকে এর শিক্ষা দিতো, তাকে পরিষ্কার ভাষায় এই বলে সতর্ক করে দিতোঃ দেখো, আমরা নিছক একটি পরীক্ষা মাত্র, তুমি কুফরীতে লিপ্ত হয়ো না। এরপরও তারা তাদের থেকে এমন জিনিস শিখতো, যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা এনে দিতো। একথা সুস্পষ্ট, আল্লাহর হুকুম ছাড়া এ উপায়ে তারা কাউকেও ক্ষতি করতে পারতো না। কিন্তু এ সত্ত্বেও তারা এমন জিনিস শিখতো যা তাদের নিজেদের জন্য লাভজনক ছিল না বরং ছিল ক্ষতিকর। তারা ভালো করেই জানতো, এর ক্রেতার জন্য আখেরাতে কোন অংশ নেই। কতই না নিকৃষ্ট জিনিসের বিনিময়ে তারা বিকিয়ে দিল নিজেদের জীবন!হায়, যদি তারা একথা জানতো!"
-
(আল ক্বোরআন- 2:102)

02/08/2021

লম্বা শ্বাস নিয়ে দম বন্ধ করে নিন এবার বলটি ঘুরতে থাকা অবস্থায় কতবার পূর্ণ ঘূর্ণন হল তা গণনা করুন এবং নিচের গ্রাফ হতে নিজেই আপনার ফুসফুসের অবস্থা পরীক্ষা করে নিন

30/07/2021

-রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই (৮)টি আমল করার চেষ্টা করি।

❏ -গুরুত্বপূর্ণ আমল গুলো হলো- ❏

(১) দুই হাতের তালু একত্রে মিলিয়ে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে তাতে ফুঁ দিবে : তারপর দুই হাতের তালু দ্বারা দেহের যতোটা অংশ সম্ভব মাসেহ করবে। মাসেহ আরম্ভ করবে মাথা, মুখমণ্ডল ও দেহের সামনের দিক থেকে। (এভাবে ৩ বার করবে।)

__________(বুখারি-৫০১৭)।

(২) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেছেন,
যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসী পড়বে শয়তান সারা রাত তার নিকটে যাবে না।

__________(বুখারি-২৩১১)।

(৩) রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন,
যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত (আ-মানার রাসূলু–) তেলাওয়াত করবে এটা তার জন্য যথেষ্ট হবে ।

__________(বুখারি- ৪০০৮)।

(৪) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেছেন,
রাতে (কুল ইয়া আইয়্যু হাল কা-ফিরুন) (অর্থাৎ সূরা কা-ফিরুন) পাঠ করা শির্ক থেকে মুক্তি পেতে উপকারী।

__________(সহীহ তারগীব-৬০২)।

(৫) একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার সাহাবাদের বললেন, তোমাদের কেউ কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অসমর্থ হবে? এতে সকলকে বিষয়টি ভারী মনে হলো। বলল, একাজ আমাদের মধ্যে কে পারবে, হে আল্লাহর রাসূল?! তিনি বললেন, সূরা ইখলাস হল এক তৃতীয়াংশ কুরআন।

__________(বুখারী- ৫০১৫)

(৬) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গালের নীচে রাখতেন, তারপর এ দো‘য়া টি বলতেন।

ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺑِﺎﺳْﻤِﻚَ ﺃَﻣُﻮﺕُ ﻭَﺃَﺣْﻴَﺎ

(আল্লাহুম্মা বিস্মিকা আমূতু ওয়া আহ্ইয়া)।

❛হে আল্লাহ্! আপনার নাম নিয়েই আমি মরছি (ঘুমাচ্ছি) এবং আপনার নাম নিয়েই জীবিত (জাগ্রত) হবো❜।

__________(বুখারি- ৬৩২৪)।

(৭) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) হযরত আলী এবং ফতেমা (রাঃ)- কে বলেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিবো না যা তোমাদের জন্য খাদেম অপেক্ষাও উত্তম হবে? যখন তোমরা তোমাদের বিছানায় যাবে, তখন তোমরা (৩৩) বার সুবহানাল্লাহ, (৩৩) বার আলহামদুলিল্লাহ্, এবং (৩৪) বার আল্লাহু আকবার বলবে, তা খাদেম অপেক্ষাও তোমাদের জন্য উত্তম হবে।

__________(বুখারী- ৩৭০৫)।

(৮) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেন,
যে ব্যাক্তি প্রত্যেক রাতে তাবারকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক (সূরা মূলক) পাঠ করবে এর মাধ্যমে মহিয়ান আল্লাহ্ তাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।

__________(নাসাই- শাইখ আলবানি (রঃ) হাদিসটাকে হাসান সহিহ বলেছেন এছাড়াও তিরমিজি-২৮৯০)।

➤ আল্লাহ্ পাক আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফীক দিন আমীন।

23/06/2021

#জ্বীনের_জানাযা (সত্য ঘটনা)
"১৯৪৭ এর পরপরই এ ঘটনাটি ঘটে।হাজি সাহেব নামক একজন লোক একটি জনবিরল এলাকায় বসবাস করতেন।ওখানে একটি মসজিদ তৈরি হওয়ায় উনি সেখানেই চাকরি নিয়ে ইমাম হন।এবং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।তার বয়ান,তাফসির,তেলাওয়াত অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠে।মসজিদটা অনেক ছোট হওয়ায় উনি প্রায়ই বাইরে একটি জায়গায় বয়ান সহ নানান উপদেশ এবং শিক্ষামূলক বয়ান করতেন।জায়গাটি ছিলো সবুজে ঘেরা!!এখানে লোকজন তাদের গরু ছাগল চড়াতেন!!চারদিকে অসংখ্য গাছের মধ্যে একটি অনেক প্রাচিন বিশাল গাছের নিচেই চলতো হাজি সাহেব এর বয়ান!!!দূর দূরান্ত হতে লোকজন আসতেন।আসলে এলাকা এবং আশেপাশের এলাকায় এমন জ্ঞানী লোক কেউই ছিলো না।একমাত্র ব্যতিক্রম হাজি সাহেব।তুমুল জনপ্রিয় ছিলেন।এতোটাই জনপ্রিয় হয়েছিলেন যে লোকেরা মৃত্যুর পর ওসিয়ত করিয়ে যেতেন যেন তাদের জানায়া হাজি সাহেব পড়িয়ে দেন!!!
প্রচন্ডরকম শীতের একটি রাত!হাজি সাহেব এশার নামাজ পড়ে ঘুমানোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন।এমন সময় তার দরজায় করাঘাত করা হলো!উনি দরজা খুলে তিনজন লোককে দাড়িয়ে থাকতে দেখতে পান।এদের একজন সুন্দর করে সালাম দেন এবং উনি কেমন আছেন জানতে চান।লোকটা সাদা ফকফকে জুব্বা পরিহিত এবং চেহারায় নূর আছে!!লম্বা দাড়ি!!হাজি সাহেব সালাম এবং প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাদের আসার কারন জানতে চান এবং ভিতরে আসতে বলেন!!অপরিচিত লোকেরা ভেতরে প্রবেশে অনীহা প্রকাশ করে বলেন "আসলে আজকে আমার ভাইয়ের ইন্তেকাল হয়েছে। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী জানাযাটা হাজি সাহেব কে পড়িয়ে দিতে হবে!!কারন আমার ভাইটা আপনার খুবই ভক্ত ছিলেন আপনাকে মারাত্মক পছন্দ করতেন!আপনার বয়ানের নকল আমাদের শোনাতেন!!বেচারা আজকে মারা গেল।সব একেবারে তৈরি করা আছে আপনি গিয়ে শুধু জানাযাটা পড়াবেন!!হাজি সাহেব এতোক্ষণ ধরে তাদেরকে লক্ষ্য করছিলেন।তারা সংখ্যায় তিনজন!দেখতে প্রায় একই রকম এবং একজনই কেবল কথা বলছেন বাকি দুজন একেবারেই চুপ হয়ে দাড়িয়ে আছে এবং ভীষণ অবাক হয়ে তাকে দেখছে মনে হয় অনেক বিস্মিত হচ্ছে!!! সবশুনে হাজি সাহেব বললেন " আচ্ছা আপনার ভাই কে আমি চিনি??উত্তরে লোকটা বললো "সেটা জানি না।তবে ও আপনাকে চিনতো!ও আপনাকে পুরোনো ঘর থেকে অনুসরণ করে আসছিলো!!এটা শুনে হাজি সাহেব আরো অবাক হন।পুরোনো ঘরে উনি সবসময়ই একা থাকেন!এবং এখানেই উনি তার জ্ঞানের চর্চা করেন!!!তবু হাজি সাহেব তৈরি হওয়ার সময় চেয়ে নেন এবং তৈরি হয়ে তাদের সাথে এই প্রচন্ড শীতে বেরিয়ে যান!!!
তারা বিনাবাক্য ব্যয়ে পুরোটা পথ পারি দিচ্ছিলো!!এবং তাদের গতির কাছে হাজি সাহেব পিছিয়ে পড়ছিলেন!!তবে একসময় তারা খানাখন্দভরা একটি পাহাড়ি এলাকার দিকে চলতে থাকা হাজি সাহেব তাদের কে থামিয়ে দিয়ে বললেন" আমার মনে হয় আপনারা পথ হারিয়েছেন! এদিকে কোনই জনবসতি নেই!!এটা দূর্গম এবং জনবিরল এলাকা!!আমাকে বলুন কোন জায়গায় যাবেন আমি পথ বাতলে দিবো!!এবার লোকটা বেশ বিরক্ত হলো!!জবাবে হাজি সাহেব কে বললো "এ আদমজাত সন্তান!!ভয়ের কিছু নেই!! আমরা এখানেই বসবাস করি" আমরা সঠিক পথেই আছি!!আদমজাত কথাটা শুনেই হাজিসাব সব বুঝে নিলেন!!উনি কাদের পাল্লায় পড়েছেন!!!
তারা একেবারে সরু একটি খাদে নেমে পড়েন!!সেখানেই একটি বেশ লম্বা বড়সড় লাশ রাখা দেখতে পান হাজি সাহেব। উনি এসবে খেয়াল না করেই দ্রুত জানাযা পড়িয়ে দেন!!এবং শেষ করা মাত্র ওই লোকটা পাশে এসে দাড়ান!!এবার আবারো সালাম দিয়ে বলতে থাকেন"আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনি আমার ভাইয়ের জানাযা পড়িয়ে তার শেষ ইচ্ছে পূরন করলেন! বেশকিছু কয়লা নিয়ে হাজি সাহেব এর দিকে এগিয়ে বলেন "এই নিন আপনার সম্মানি" ভয়ার্ত হাজি সাহেব বেশ ছোট একটি কয়লা তুলে নেন।এবং লোকটি বলেন আপনি বুদ্ধিমান লোক এতোক্ষণে টের পেয়েছেন আমরা জ্বীন।আমরা মুসলমান জ্বীন!!আপনি অযথা ভয় পাচ্ছেন!!আমরা আপনার কোনই ক্ষতি করবো না।তবে আপনাকে আমরা আর বাসায় পৌঁছাতে পারছি নাহ
এ দূর্গম পথটা আপনাকে একাই যেতে হবে।আমরা অনেক দূরে যাবো তো!!আপনি চলে যান আমাদের অনেক দূরে যেতে হবে!!!ভয়ার্ত হাজি সাহেব রাওনা হন পেছন হতে আল্লাহ হাফেজ আওয়াজে ফিরে তাকাতেই দেখেন পুরো এলাকায় কেউই নেই!!এবার কেনই জানি ভয়ে একেবারে চিমসে যান!!এবং বেহুশ হয়ে সেখানেই পড়ে যান!!!
হুশ হওয়ায় নিজেকে তার বিছানায় পান।এবং এসব স্রেফ একটা স্বপ্নই মনে করেন।জামার পকেটে কিছুর উপস্থিতি অনুভব করে হাত দেন এবং একটি হিরার টুকরো বের করে আনেন!!!
এদিকে হাজি সাহেব এর রুমে একজন খাদেম এসে চমকে যান এবং বলতে থাকেন "আলহামদুলিল্লাহ হাজি সাহেব টানা ৩ দিন পর হুশে ফিরলেন!!!

25/05/2021

#যাদুকরের_শাস্তি
(মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হুজুরের বই থেকে উনার অনুমতি নিয়ে এখানে দিলাম)
ব্ল্যাক ম্যাজিক:
ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো।
-আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
-শায়খ! আমি অনেক বড় গুনাহ করে ফেলেছি। আল্লাহ তা'আলা কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
-কেনো ক্ষমা করবেন না, অবশ্যই ক্ষমা করবেন। নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল অতি দয়ালু।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু(যুমারঃ ৫৩)।
- কিন্তু আমার গুনাহটা অনেক বড় আর গুরুতর। আল্লাহ কিছুতেই আমাকে ক্ষমা করবেন না।
- না বোন! আপনি এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
(নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া আর (সব) পাপ তিনি যাক ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে সে ঘোরতর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (নিসাঃ১১৬)
-আমি সাত-সাতবার হজ করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও কা'বাঘর নিজ চোখে দেখতে পাইনি।
শায়খঃ ইয়াল্লাহ! ইয়া রাব!
মহিলাঃ আমি হেরেমে প্রবেশ করার পর তাওয়াফ কারীদেরকে দেখি, কিন্তু কা'বাঘর দেখতে পাই না। এমনকি একজন আমার হাত ধরে কা'বা শরী ছুঁইয়েও দেখিয়েছি। আমি হাত দিয়ে কা'বা ধরতে পেরেছি। কিন্তু কা'বা আমার সামনে দৃশ্যমান হয়নি।
শায়খঃ তাহলে তো দেখা যাচ্ছে আপনার পাপটা সত্যিই গুরুতর। বলুনতো কি এমন পাপ করেছেন? নিশ্চিত হয়ে বলুন, যাতে আমার বুঝতে সুবিধা নয়।
মহিলাঃ আমি অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পরও অনেকবার হয়েছে। আমি ঠিক বলতে পারছি না, কোন পাপের কারনে আমার এই অবস্থা হয়েছে।
শায়খঃ অসম্ভব! এটা ছাড়াও অন্য কোনো পাপ আছে। শুধু অশ্লীলতার জন্য এমনটা ঘটতে পারে না। আপনি ভেঙে বলুন। আপনি কী করেছেন?
মহিলাঃ সত্যি কথা বলতে কি, আমি একজন নার্স। আমার গোপনে সম্পর্ক ছিলো একদল ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোজাদু) চর্চাকারীদের সাথে। তারা নানাভাবে জাদুচর্চা করতো। তারা শবসাধনা করতো।
জাদুকরের শিখিয়ে দেয়া নিয়মানুযায়ী, হাসপাতালের হিমাগারে চুরি করে প্রবেশ করতাম। শবগুলো মুখে 'বিশেষ কাজ" করে মুখগুলো সেলাই করে দিতাম। শবগুলোকে এই অবস্থাতেই দাফন করা হতো। এই ন্যাক্কারজনক কাজ অসংখ্যবার করেছি।
শায়খঃ এমন কাজ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাদুবিদ্যা তো শিরক।
নিশ্চয়ই শিরক বড় পাপ (লুকমানঃ১৩)
দুই সপ্তাহ পরে, ইক্বরা অনুষ্ঠানে একটা ফোন আসলো।
-আসসালামু আলাইকুম
- ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
- হ্যালো শায়খ! দু' সপ্তাহ আগে একজন মহিলা ফোন করেছিলেন, আমি তার সন্তান।
শায়খঃ জি, বাবা! চিনতে পেরেছি। বলো কি খবর।
ছেলেঃ শায়খ! আমার আম্মু ইন্তিকাল করেছেন। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। কিন্তু দাফনের সময় এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা কেউ ধারণাও করতে পারি নি এমনটা কখনো ঘটতে পারে।
শায়খঃ কী ঘটনা?
ছেলেঃ জানাযার পর আমরা কবরস্থানে গেলাম। লাশ কবরে নামাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধলো। আমরা কবরে নামলেই কবরটা সংকুচিত হয়ে আসে। লাশ বের করলে কবরটা আবার ঠিক হয়ে যায়। আবার লাশ নামালে কবরটা সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকি আমাদের পক্ষে ভেতরে দাঁড়ানোও অসম্ভবত হয়ে দাড়িয়েছিলো। এ ঘটনা দেখে, সাথে যারা ছিলো ভয়ে পারলিয়ে গেলো। তারা বললো, তোমার মা হয়তো এমন কোনও কাজ করেছে যে, কবর তাকে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। আমি বসে বসে কাঁদতে লাগলাম। এমন সময় দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক আসলে। তার পোশাক ছিলো অত্যন্ত উজ্জ্বল আর শুভ্র। দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন একজন মানুষ। তাকে দেখেই আমার মনে হলো, আমার আমনে এজন ফিরিশতা দাঁড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে তার সাথে কথা বলে বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হলো। তিনি বললেন,
তোমার আম্মুকে যেভাবে আছে রেখে চলে যাও। পেছনে ফিরে তাকাবে না। আমি কোনও কথা না বলে চলে আসলাম। কিছুদূর আসার পর আমি আর কৌতূহল দমন করতে পারলাম না। আমার মায়ের কী হলো সেটা না দেখে বাড়ি যেতে মন টানছিলো না। পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আকাশ থেকে প্রকাণ্ড এক অগ্নিগোলক ছুটে আসলো। চোখের নিমিষেই আম্মার লাশটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো। খাটিয়াসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেলো।
আগুনের উত্তাপ এত প্রবল ছিল যে, এতদূর থেকেও আমার মুখটা ঝলসে গেল। শুধু দুচোখ অক্ষত রইলো।
আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম, আমার চেহারা কেনো ঝলসে গেলো? আল্লাহ কি আমার প্রতি নারাজ?
শায়খঃ প্রিয় বৎস! সম্ভবত আল্লাহ তা'আল মায়ের পাপ থেকে তোমাকে পবিত্র করতে চেয়েছেন। তুমি তো তোমার মায়ের হারাম উপার্জনেই বড় হয়েছো। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর কাছেই ক্ষমা চাও। আল্লাহ আ'আলা তোমার জন্য যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো।
যারা যাদুকর/কবিরাজ/কুফরী হুজুরদের কাছে যান তারা নিজেদের পরিনতি সম্পর্কে সচেতন হোন। তওবা করে ফিরে আসুন। মৃত্যু অতি সন্নিকটে।
আল্লাহ সবাইকে এমন কুফরী কার্যে যাওয়া ও নিজেকে জড়ানো হতে হেফাজত করুন আমিন

Address

Kazipara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paranormal Ghost Hunter posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Paranormal Ghost Hunter:

Share

Category