DTV International

DTV International সত্য যেখানে আমরা সেখানে

এমন আমি ঘর বেধেছি আহারে যার ঠিকানা নাই......কেউ যদি জুনায়েদ আহমেদ পলককে তার বর্তমান ঠিকানা জিজ্ঞেস করে হয়ত  তিনি বলবেন  ...
14/05/2026

এমন আমি ঘর বেধেছি আহারে যার ঠিকানা নাই......
কেউ যদি জুনায়েদ আহমেদ পলককে তার বর্তমান ঠিকানা জিজ্ঞেস করে হয়ত তিনি বলবেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রামের কথা। কারণ ওখানেই জন্ম হয়েছিল বিরল চরিত্রের এই রাজনীতিবিদের। বিরল বলছি এ কারণে তিনি হচ্ছেন একমাত্র রাজনীতিবিদ কাম সাংসদ কাম মন্ত্রী যিনি প্রথম মেয়াদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নেত্রীর বাসভবনের সামনে বসে পরেছিলেন। এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই ছিলেন। বাংলাদেশ সংসদীয় ইতিহাসের কনিষ্ঠতম সদস্যের এখন আর কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। জেল-হাজতিদের স্থায়ী ঠিকানা থাকতে নেই এমনটাই তাদের ভাগ্য।

৭৭ মামলায় গ্রেফতার হয়ে এক কালের পরাক্রমশালী এই মন্ত্রীর দিন কাটে ইবাদত বন্দেগী, কোরান তেলাওয়াত ও লেখালেখি করে। মাঝে মধ্যে হাজিরা দিতে আদালতে আসেন। বোবা হয়ে তাকিয়ে থাকেন। প্রিজন ভ্যানের জানালা দিয়ে আকাশ দেখার চেষ্টা করেন। হয়ত অবচেতন মনে ফিরে যান ফেলে আসা দিনগুলোতে। কে যানে হয়ত আদালত পথের পথ ধরেই একদিন সৈন্য সামন্ত নিয়ে চলাফেরা করেছেন। চলাচল মসৃণ করতে হয়ত রাস্তার ট্রাফিক থেমে যেত। দলীয় বরকন্দাজের দল এক নজর দেখার জন্যে হয়ত চাতক পাখির মত অপেক্ষায় থাকতো। সে সব স্মৃতি আজ নিশ্চয় কষ্ট দেয় তাকে।

তিনি নিজকে এডভোকেট বলে দাবি করেন। স্ত্রী আরিফা জেসমিন ছিলেন নাটোরের সিংড়া সদরের দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। জীবন হয়ত চড়াই উৎরাই পাড় হয়ে চলে যাচ্ছিল কোন রকমে। মাথায় রাজনীতির পোকা ঢুকার পর হতেই শুরু হয় পালাবদলের পালা। ২০০৮ সালে পলকের ব্যাংকে ছিল ২০ হাজার টাকা। নগদ ছিল ৩০ হাজার আর সঞ্চয়পত্র ছিল ১৮ হাজার টাকার। স্ত্রীর অবস্থাও ছিল তথৈবচ!
একই সালে তার সম্পদ বলতে ছিল সর্বসাকুল্যে ১৫ শতক মাঠের জমি, ব্যাংকে ৫০ হাজার টাকা, নগদ ১০ হাজার টাকা, ১০ ভরি সোনা, ২৫ হাজার টাকা দামের একটি রেফ্রিজারেটর ও ১০ হাজার টাকা দামের একটি মোবাইল ফোন। এসব সম্পদের মালিকানা খোলাসা করেই মনোনয়ন তথা নির্বাচন বৈতরণী পার হয়েছিলেন।

এর পরের বার সম্পদের পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়ে বলেছিলেন। একজন 'সৎ' রাজনীতিবিদ ও প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকার আয় দিয়ে জীবন কত কষ্টে চলে তা নিয়ে চোখের পানিও ফেলেছিলেন। স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলে প্রায় এক কোটি টাকার ১৪৪ ভরি সোনা, পাঁচটি কম্পিউটার, দু’টি এসি, দু’টি ফ্রিজ, তিনটি মোবাইল তিনি অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন এক কোটি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৮৯৯ টাকার।

তবে মন্ত্রীর সততার জবাব দিয়েছিল তার আপন বড় ভাই নিজে। বড় ভাই জুবাইর আহমেদ নয়ন বলেছেন, হলফ-নামায় তার ছোট ভাই যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন তা বাস্তবের শত ভাগের এক ভাগও নয়। তিনি বলেন, একই পরিবারের মানুষ হয়েও আমি মাত্র কয়েক হাজার টাকার জন্য আমার চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগে পড়ুয়া মেধাবী মেয়ে ঋতি মৃত্তিকা নয়নকে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করাতে না পারায় সে মারা গেছে।
স্ত্রী ছাড়াও মা, চাচা, শ্বশুর, শ্যালক ও তার ফাইভস্টার বাহিনীসহ অনুগত কর্মীদের নামে-বেনামে পলক শত শত বিঘা জমি কিনেছেন ও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। পলকের বড় ভাই জুবাইর আহমেদ নয়ন তার ভাইয়ের টেন্ডারবাজি, ৬৫০টি পুকুর দখল, চাকরি বাণিজ্য, কালো টাকা, হত্যা বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, চাঁদাবাজি কমিশন, খাসজমি বরাদ্দ বাণিজ্যসহ অসংখ্য অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং দখলবাজির বিষয়ে নিজের ও নিজের মারা যাওয়া মেয়ে ঋতি মৃত্তিকা নয়নের ছবিসহ ‘খাই খাই রাজনীতি আর কত দিন?’ শিরোনামে নাটোরে ব্যাপকভাবে পোস্টারিংও করেছেন।

বাস্তবতা হচ্ছে যুবরাজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিশ্বস্ত পার্টনার-ইন-ক্রাইম হওয়া সত্ত্বেও রানী মাতা পালানো আগে পলককে পালানোর বার্তা দিয়ে যাননি। দেশের আনাচে কানাচে লম্ফ জম্ফমান শত শত শেখদের সবাইকে আগ বাড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার নোটিশ দিলেও পলককে নিজের ভাবতে পারেননি পালের গোদা শেখ হাসিনা। স্বভাবতই জুনায়েদ পলক ঠাঁই পেয়েছেন জেল হাজতের চার দেয়ালে। যাদের জন্যে নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলেন তাদের একজন এখন দিল্লীর মেহমান আর অন্যজন ভার্জিনিয়ার অট্টালিকা-সম বাড়িতে অতিকায় এলস্যেসিয়ান কুকুরদের সাথে সময় কাটাচ্ছেন।

এই লেখাটা লেখার তাগাদা অনুভব করতাম না যদি নবনীতা চৌধুরী ও বন্দনা কবির নামের আপার কতিপয় ভক্তের কিছু কথা ও লেখা না পড়তাম। নবনীতা চৌধুরী ইনিয়ে বিনিয়ে চিবিয়ে রবীন্দ্র আবেগ দিয়ে এমন সব কথা বলছেন যা শুনলে মনে হবে দেশে আওয়ামী ১৭ বছর কিছুই ঘটেনি। যা কিছু ঘটেছে তা ২৪'এর আন্দোলনে ও তার পরবর্তী দেড় বছরে। এসব কথা শুনে চুপ থাকাটা প্রায় অসম্ভব। পাল্টা কিছু বলতে গেলে হয়ত ভিডিও বানাতে হবে। কিন্তু এমন প্রতিভা তো আমার নেই। আর সময়ও একটা ফ্যাক্টর। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাসায় একটা কুকুর পালবো এবং কুকুরটার নাম রাখবো নবনীতা। আমার খুব পছন্দ এই নামটা।

পরিচিত প্রেম সম্রাজ্ঞী বন্দনা কবির আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে এমন কিছু কথা বলেছেন যা পড়ে না হেসে পারিনি।
পলাতকা আপা নতুন এক ভিডিওর মাধ্যমে জাতির কাছে ৬ মাস সময় চেয়েছেন। ৬ মাস পর দেশে ফিরছেন তিনি। এবং ফিরে সব 'অপরাধীদের' নাক খত দিয়ে জয়বাংলা শ্লোগান দিতে বাধ্য করবেন। কেবল নাকে খত! বন্দনাজীর গোস্বা এখানেই। গোস্বায় বলছেন, উনাকে দিয়ে কিছুই হবেনা! লগি-বৈঠার তাণ্ডব দেখতে চান এই প্রেম সম্রাজ্ঞী।

পলাতকা আপার ভক্তরা অপেক্ষায় আছেন। আশায় বুক বাধছেন। কারণে অকারণে এয়ারপোর্ট অবরোধ করার আহবান জানাচ্ছেন যাতে কেউ পালাতে না পারে। প্রিজন ভ্যানের ভেতর পলকের ম্রিয়মাণ চেহারাটা দেখে মনে পরে গেল আদালতে হাজিরা দিতে এসে তার জয়বাংলা শ্লোগান। আপার ৬ মাসের মিথ্যাচার আর ধান্ধায় দলের সহজ সরল সদস্যরা বিমোহিত হলেও নবনীতাদের জানা আছে আগামী বিশ বছর আওয়ামী লীগ এ দেশে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবেনা। ২০ বছর পর বেঁচে থাকলে শেখ হাসিনার বয়স হবে ১০০ বছরের উপর। ১০০ বছরের শেখ হাসিনা নাকে খত দেওয়াবেন এমন শক্তি দিয়ে ঈশ্বর কাউকে এ দুনিয়াতে পাঠান না। আর বৃদ্ধ বয়সের আপা জোরে জয়বাংলা শ্লোগান দিলে হয়ত পরিধানের কাপড় নষ্ট করে ফেলতে পারেন। প্রশ্ন এখানে একটাই, নবনীতা, বন্দনা, পলক আর আনিসদের কেউ কি সেদিন আপার ময়লা কাপড় বদলে দিয়ে এগিয়ে আসবেন?

©

09/05/2026

চেতনা ধুইয়া পানি খাও চেতনাবাজরা ১৭৫৭ থেকে ২০২৬, এই ২৭০ বছরের ইতিহাসে পূর্ব বাংলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মাদ আইয়ুব খানের শাসন আমলে। বাংলাদেশে আমরা যা যা দেখি তার বেশির ভাগই হয়েছে আইয়ুব খানের শাসন কালে। নিচে একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা দিলাম:

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান

১. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২
২. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), ময়মনসিংহ ১৯৬১
৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৬
৪. চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট): ১৯৬৮
৫. রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট): ১৯৬৪
৬. ঢাকা আণবিক শক্তি কেন্দ্র: ১৯৬৪
৭. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)
৮. আইসিডিডিআরবি (icddr,b): ১৯৬০
৯. ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম: ১৯৬২
১০. জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট
১১. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ক্যাডেট কলেজ

১১. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম: ১৯৫৮
১২. ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ: ১৯৬৩
১৩. মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, টাঙ্গাইল: ১৯৬৫
১৪. রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ: ১৯৬৬

প্রধান সাধারণ ও সরকারি কলেজসমূহ

১৫. আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ [সরকারিকরন]
১৬. কারমাইকেল কলেজ, রংপুর [সরকারিকরন]
১৭. পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ [সরকারিকরন]
১৮. বি এম কলেজ, বরিশাল [সরকারিকরন]
১৯. রেসিডেন্সিয়াল কলেজ
২০. নটর ডেম কলেজ, ঢাকা
২১. ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ

কারিগরি ও বিশেষায়িত কলেজ

২২. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
২৩. চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১৯৬২
২৪. কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১৯৬৪
২৫. বরিশাল, সিলেট ও পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: ১৯৬২
২৬. টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (TTC): চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ময়মনসিংহে সম্প্রসারণ।
২৭. কলেজ অব হোম ইকোনমিক্স, ঢাকা: ১৯৬১
২৮. শারীরিক শিক্ষা কলেজ, ঢাকা
২৯. মেরিন একাডেমি, চট্টগ্রাম: ১৯৬২
৩০. সার্ভে ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা: ১৯৬০

চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান

৩১. পিজি হাসপাতাল: ১৯৬৬।
৩২. স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল: ১৯৬২
৩৩. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ: ১৯৫৮
৩৪. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ: ১৯৬২।
৩৫. সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ: ১৯৬২।
৩৬. নিপসম (NIPSOM)

শিল্প ও খনিজ সম্পদ খাত

৩৭. বিসিক (ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন)
৩৮. বিসিআইসি (তৎকালীন ইপিআইডিসি)
৩৯. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা: ১৯৬১
৪০. জিয়া সার কারখানা (আশুগঞ্জ)
৪১. চন্দ্রঘোনা পেপার মিল
৪২. ইস্টার্ন রিফাইনারি (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮
৪৩. ইস্টার্ন কেবলস (চট্টগ্রাম): ১৯৬৭
৪৪. মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (গাজীপুর): ১৯৬৭।
৪৫. চিটাগাং স্টিল মিলস: ১৯৬৭ (দেশের একমাত্র ইস্পাত কারখানা)।
৪৬. ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি: আধুনিকায়ন।
৪৭. উসমানিয়া গ্লাস শীট ফ্যাক্টরি, চট্টগ্রাম: ১৯৫৯।
৪৮. তিতাস গ্যাস ফিল্ড: ১৯৬২ (আবিষ্কার ও বিতরণ সূচনা)।
৪৯. হবিগঞ্জ (১৯৬৩) ও বাখরাবাদ (১৯৬৯) গ্যাস ফিল্ড

স্থাপত্য, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ প্রকল্প

৫০. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (কাপ্তাই বাঁধ): ১৯৬২।
৫১. ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র
৫২. জাতীয় সংসদ ভবন: ১৯৬৪
৫৩. ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন): ১৯৫৯।
৫৪. বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ: ১৯৬০-৬২।
৫৫. কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন: ১৯৬৮
৫৬. তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর
৫৭. পতেঙ্গা বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
৫৮. নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর, বরিশাল ও খুলনা স্টিমার ঘাট
৫৯. আরিচা ও নগরবাড়ী ফেরি ঘাট

প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

৬০. ওয়াসা (WASA): ১৯৬৩ (ঢাকা ও চট্টগ্রামে পানি সরবরাহ কর্তৃপক্ষ)।
৬১. বিআইটিএসি (BITAC): শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র।
৬২. বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা: তৎকালীন পিআইসিআইসি (PICIC)।
৬৩. শাপলা চত্বর ও মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা: বাণিজ্যিক হাব হিসেবে বিকাশ।
৬৪. বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন: তৎকালীন স্টেট ব্যাংক ভবন।
৬৫. জীবন বীমা কর্পোরেশন ভবন: মতিঝিল এলাকার বহুতল ভবনসমূহ।

সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও বিনোদন

৬৬. বাংলাদেশ টেলিভিশন: ১৯৬৪
৬৭. বাংলা একাডেমি
৬৮. পাবলিক লাইব্রেরি (শাহবাগ): ১৯৫৮
৬৯. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (রাজশাহী)
৭০. বুলবুল ললিতকলা একাডেমি (BAFA)
৭২. জাতীয় চিড়িয়াখানা
৭৩. বোটানিক্যাল গার্ডেন
৭৪. বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
৭৫. রমনা পার্ক
৭৬. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

৭৭. আদমজী জুট মিল
৭৮. কর্ণফুলি পেপার মিল
৭৯. বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, কুমিল্লা
৮০. বরিশাল মেডিকেল কলেজ
৮১. বাঙলা কলেজ ১৯৬২
৮২. রংপুর মেডিকেল কলেজ

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিকল্পনা, স্থান নির্ধারণ এবং রাশার সাথে আলোচনা শুরু করেন আইয়ুব খান।

আইয়ুব খান কোনরকম দুর্নীতি করেছে, পারসেন্টজ খেয়েছে, এমন দাবি শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগ কখনো করেনি।

©
আপনার মূল্যবান মন্তব্য কমেন্টে জানান এবং ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন

08/05/2026

ভার্সিটির এক ক্লাসমেট পোস্ট দিয়ে হুজুরদের গোষ্ঠী উদ্ধার করেছে৷
অথচ এই ছেলে দলবল নিয়ে প'তিতালয়ে যাইতো৷ সে আবার বন্ধুমহলে আফসোস করতো টাকা নাই বলে ৩০০ টাকা বাজেটের পেতে হয়৷

আমার আরেক ফ্রেন্ড ঢাবির ছিলো। সে একটা ঘটনা বললো অনেক পোলাপান রাস্তা থেকে নিয়ে আসে রাত চুক্তিতে৷ একজনের কথা বলে ৫/৬ জন মিলে করতো।
প্রতিবাদ করলে ঐ প'তি'তা কে মারধর করে বের করে দিতো৷

ভার্সিটিতে আমার ক্লাসমেট যাকে বলেছিলাম ছেলে-মেয়ে কখনো ফ্রেন্ড হয় না৷ সে আমাকে নমানুষের মতই জ্ঞান দিলো৷ পরে দেখা যায় একই ডিপার্টমেন্ট একই ব্যাচের বান্ধবীকে সে ভোগ করেছে৷

ছেলেরা আলাদা চ্যাট গ্রুপ খুলতো। ডিপার্টমেন্টে কার ফিগার কেমন। কে কার ফিগার দেখে মাস্টারবেশন করেছে৷ কোন মেডামের দেহ কেমন৷ কে কার প্রেমিকা কে ভোগ করেছে৷ সবই ছিলো তাদের আলোচ্য বিষয়।
অথচ তাদেরও ক্লাসে একটা মুখোশ ছিলো।
সব মেয়েদের চোখে তারাই লয়াল।

ফাস্ট ইয়ারে ঐচ্ছিক একটা সাব্জেক্ট ছিলো। যেটা অনেক কঠিন। কেউ তেমন নেয়নি। কিন্তু ঐচ্ছিক ঐ বিষয়ের ক্লাসে সব ছেলেদের উপস্থিতি ছিলো কানায় কানায়৷ কারণ ম্যাডাম টা ছিলো কম-বয়সী সুন্দরী ও শাড়ি পরিহিত অর্ধনগ্ন।
যাস্ট তার ফিগার ও কামনা বাসনার জন্য পোলাপান তার ক্লাসে হুমড়ি খেয়ে পড়তো।

এমনো প্রাইভেট গ্রুপের কথা শুনেছি। যেখানি প্রেমিকার নগ্ন পিক ও শারিরীক সম্পর্কের ভিডিও ছেড়ে বন্ধুদের দেখাতো৷ তবে আমার কানে স্পষ্ট দুইটি ঘটনা আসে যে। পাশ্ববর্তী স্কুলের ১৪ বয়সী একটা মেয়েকে এক ছেলে ভোগ করে ও পিল খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করে দেয়৷
অথচ তাদের সামনেই বাল্য বিবাহ নিয়ে কথা বলায় একদিন আমাকে নমানুষের মত জ্ঞান দিয়েছে৷

ভার্সিটিতে যা দেখেছি যা শুনেছি তা লিখলে একটা বই হয়ে যাবে৷ এগুলো লিখতেও চাই না।
যাস্ট অবাক হয়ে যাই৷ আমার ডিপার্টমেন্টের পশু গুলোও আজ হুজুরদের গণহারে ক্রিমিনাইলাজ করার উৎসবে নেমেছে৷

ব্যক্তি জীবনে,সমাজ জীবনে,ভার্সিটি জীবনে,কর্পোরেট জীবনে আমাদের পদচারণ ছিলো। এই দেশে কি পরিমাণে জ্বিনা ব্যভিচার হচ্ছে কল্পনার বাইরে।

আল্লাহ শেষ জামানায় ভূমিকম্প দিয়ে এমনি এমনি নগরী গুলো ধ্বংস করে দিবেন না৷ যে পরিমাণে সিক্রেট পাপাচার সেটা আইয়ামে জাহেলিয়াত কে হার মানাবে৷

সমাজে একাধিক বিয়ের সংখ্যা. . 01 পার্সেন্টের বেশি হবে না৷ আর জ্বিনা ব্যভিচার হবে সর্বনিম্ন হলেও ৭০%।

আমি শুধু অবাক হয়ে যাচ্ছি মনস্তাত্ত্বিক দুর্বৃত্তদের বুনো উল্লাস দেখে৷

রাতটা ছিল অস্বাভাবিক নীরব।ফেনির ছোট্ট এক মসজিদের ইমাম,নাম মোজাফফর, দেখতে আলাভোলা। মানুষটা তখনও হয়তো বুঝতে পারেননি,আর কয়ে...
08/05/2026

রাতটা ছিল অস্বাভাবিক নীরব।
ফেনির ছোট্ট এক মসজিদের ইমাম,
নাম মোজাফফর, দেখতে আলাভোলা।
মানুষটা তখনও হয়তো বুঝতে পারেননি,আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার জীবনটা এমন এক অন্ধকার গহ্বরে ঢুকে যাবে, যেখান থেকে ফিরেও আর পুরোপুরি ফেরা যায় না।

হঠাৎ এক অভিযোগ।
“ছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ।”

শব্দটা আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়লো চারদিকে।
মসজিদের সামনে জটলা, মানুষের চোখে ঘৃণা, ফিসফাস, থুথু, অভিশাপ। গণধোলাই।
অতঃপর মেয়ের ভাই ধরে থানায় দিয়ে আসলো। আর মামলা করলো।

যে মানুষটা প্রতিদিন নামাজ পড়াতেন, জানাজা পড়াতেন, মানুষের ঘরে ঘরে দোয়া নিয়ে যেতেন,সেই মানুষটাই রাতারাতি হয়ে গেলেন সমাজের সবচেয়ে ঘৃণিত চরিত্র।
হবেইনা কেন, এমন ঘটনা তো অহরহ ঘটছে।

কিন্তু গল্পের ভেতরে তখনও আরেকটা গল্প লুকানো ছিল। ঘটনার শুরু মাত্র।

ধীরে ধীরে বের হতে থাকলো ভয়ংকর সত্য।
ভিক্টিম মেয়ের পরিবারের এক ঘরের ছেলে ছিল আসল অপরাধী। সে বড় ভাইটি।
যে নিজে সে ইমামকে পুলিশে দিয়েছে সে৷

তাকে বাঁচাতেই সাজানো হয়েছিল পুরো নাটক।
পরিকল্পনা ছিল নিখুঁত।
অভিযোগটা এমন একজনের ঘাড়ে চাপাও, যিনি প্রতিবাদ করলেও কেউ বিশ্বাস করবে না।
আর সেই টার্গেট ছিল,ইমাম সাহেব।

স্যাকুলাঙ্গার বাঙ্গু বাস্টার্ডদের কাছে দাড়িওয়ালা টুপিওয়ালারা মানেই ধর্ষক, জঙ্গি।
মসজিদের হুজুর, মাদ্রাসা ছাত্র মানেই উন মানুষ।
কোন এলিগেশন আসলেই চিন্তা, বিচার ছাড়াই দোষী।

সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল, এই ষড়যন্ত্রে নেতৃত্ব দিয়েছিলো ঘরের নারীরাই।
ভিক্টিমের মা পর্যন্ত জানতেন সত্যটা।
তবুও সবাই চুপ ছিল।
কারণ সত্যের চেয়ে “সম্মান বাঁচানো” তাদের কাছে বেশি জরুরি ছিল।

তারপর শুরু হলো চাপ।
“বিয়ে করে ফেলেন। বিষয়টা মিটে যাবে।”

একের পর এক প্রস্তাব। ভয় দেখানো। মানসিক চাপ।
কিন্তু মানুষটা নতি স্বীকার করলেন না।
তিনি জানতেন,একবার মিথ্যা মেনে নিলে সারাজীবন তাকে অপরাধী হিসেবেই বাঁচতে হবে।
তাই তিনি দাঁড়িয়ে রইলেন সত্য উন্মোচনের দৃঢ় মনোবল নিয়ে । একা।জেলের ভেতরেও তাকে কেউ মানুষ হিসেবেও দেখেনি।
কয়েদিরা পর্যন্ত তার গায়ে থুথু মেরেছে।

অপমান সহ্য করতে না পেরে জেলের দেয়ালে নিজের মাথা আছড়ে মারতেন।
এ কারণে আজও স্মৃতি জনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। দিন দিন ভেঙে যাচ্ছিল তার ভেতরের মানুষটা।তারপর একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা।

এর মধ্যে বারবার তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বার বার অনুরোধ করতেন ডিএনএ টেস্ট করার জন্য। অবশেষে একদিনত্য বের হলো।
ডিএনএ টেস্ট করে প্রমাণিত হলো মেয়েকে তার ভাই-ই ধর্ষণ করেছে।

অবশেষে তিনি মুক্তি পেলেন।
কিন্তু ততদিনে অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।
দেড় বছর হয়ে গেছে জেল থেকে বের হয়েছেন।
এখনও কেউ তাকে চাকরি দেয় না।
মানুষ এখনও সন্দেহের চোখে তাকায়।
আত্মীয়রা দূরে সরে গেছে।
বন্ধুরা হারিয়ে গেছে।
শুধু পাশে রয়ে গেছে তার স্ত্রী আর পরিবার।

04/05/2026

মায়ের মমতা মৃত্যুর কাছে হার মানে নাই!
মৃত্যুকালেও মমতায় জড়িয়ে আছে একে অপরকে।

গত ৩০ এপ্রিল মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে একটি পর্যটকবাহী ক্রুজ উলটে যায়।

সেই ক্রুজের উদ্ধার অভিযানে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে উদ্ধারকারীরা।

উদ্ধারকারীদের একজন বলেন অনেক চেষ্টা করেও তাদেরকে আলাদা করা যায়নি
একে অপরকে এতই শক্তভাবে ধরেছে। পরে উপরে তুলে আলাদা করা হইসে।

সন্তানের প্রতি মায়ের এমন সুরক্ষার দেয়াল নেট দুনিয়াতে ছড়িয়েছে। মা সন্তানের এই বন্ধন পরকালে আবার মিলন হোক!

29/04/2026

নিজেদের চামড়া রাস্তায় পচে, আর আমরা বিদেশ থেকে ১,৫০০ কোটি টাকার চামড়া আমদানি করি! চামড়া শিল্প ধ্বংস করে কার পকেট ভারী করা হচ্ছে? 👞🇧🇩

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২০ কোটি বর্গফুট কাঁচা চামড়া উৎপাদিত হয়। কিন্তু অত্যন্ত আক্ষেপের বিষয়, আমাদের চামড়া পানির দামে বিক্রি হয়, আর দেশের বড় বড় কোম্পানিগুলো চীন, ভারত, ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া সহ অন্যান্য দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার চামড়া ও সিন্থেটিক জুতো আমদানি করে!

কেন এই অবস্থা?
✅ এলডব্লিউজি (LWG) সনদের ফাঁদ: ইউরোপ-আমেরিকার বায়াররা 'LWG' পরিবেশবান্ধব সনদ ছাড়া চামড়া কেনে না। কিন্তু সাভারের চামড়া শিল্প নগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (CETP) আজ পর্যন্ত পুরোপুরি কার্যকর হয়নি! ফলে আমাদের ট্যানারিগুলো এই সনদ পাচ্ছে না।
✅ মেগা ক্ষতি: এই একটি সনদের অভাবে বাংলাদেশ প্রতি বছর অন্তত ৫০ কোটি ডলার (৬,০০০ কোটি টাকা) রপ্তানি আয় হারাচ্ছে!
✅ সিন্ডিকেটের খেলা: সাভারের এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু সিন্ডিকেট। তারা দেশি কাঁচা চামড়ার দাম ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে রাখছে এবং বিদেশি সাপ্লাইয়ারদের কাছ থেকে চামড়া এনে কমিশন বাণিজ্য করছে।

হাজারীবাগ থেকে সাভারে অপরিকল্পিত স্থানান্তরের বলি হচ্ছে আমাদের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ট্যানারি মালিকরা। অথচ পরিবেশ ঠিক করে আধুনিক প্রযুক্তি আনলে ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার (৬০ হাজার কোটি টাকা) আয় করা সম্ভব!

আপনার মতে, সামনে কোরবানির ঈদ! গত বছর আপনারা গরুর চামড়া কত টাকায় বিক্রি করেছিলেন? এবারও কি সিন্ডিকেট চামড়ার দাম কমিয়ে দেবে?

Summary:
A massive syndicate and bureaucratic negligence are destroying Bangladesh's leather industry. Despite producing 200 million sq. ft. of raw hide annually, the country imports 1,500 Crore BDT of finished leather. Why? Because the dysfunctional CETP at Savar Leather Park prevents tanneries from getting the mandatory LWG certification, causing a yearly export loss of 6,000 Crore BDT. It's time to fix the CETP, break the import syndicate, and unlock a potential $5 Billion industry.

#নিউজ

হাবিলকে খু/ন করার পর কাবিল বিচলিত হয়ে পড়ে। সম্পর্কে তারা আপন ভাই। দুইজনই আদমপুত্র। দুইজনই কুরবানি দিয়েছিল। হাবিলের কুরবা...
29/04/2026

হাবিলকে খু/ন করার পর কাবিল বিচলিত হয়ে পড়ে। সম্পর্কে তারা আপন ভাই। দুইজনই আদমপুত্র। দুইজনই কুরবানি দিয়েছিল। হাবিলের কুরবানি কবুল হয়েছিল। ফলে নিয়মানুযায়ী আকলিমার সাথে হাবিলের বিয়ে হবে। কিন্তু কাবিল ইহা মেনে নিতে পারল না।

ভাইকে ডেকে নিয়ে গেল বিলের মাঝে। আকলিমাকে পেতে গেলে ভাইকে দুনিয়া থেকে সরাতে হবে। কিন্তু দুনিয়াতে তার আগ পর্যন্ত মনুষ্য জাতির জন্ম হয়েছে, মৃত্যু হয়নি। সেখানে একেবারে খু/ন! হ্যাঁ, দুনিয়ার প্রথম মৃত্যু এবং তাও ভাইয়ের হাতে ভাই খু/ন।

বিচলিত কাবিল মৃত ভাইয়ের লা/শ নিয়ে দিশেহারা অবস্থায় দিকবিদিক তাকাচ্ছিল। হাতে ভাই খু/নের রক্ত। পুরো দুনিয়া তার জন্য উম্মুক্ত। কিন্তু পালানোর জায়গা নাই। দ্বিতীয় কোন স্থানে বসতি শুরু হলেই তো পালাতে পারবে। ঠিক তখন পাশে তাকিয়ে দেখল দুটি কাক। একটি কাক অন্য কাকটিকে খু/ন করল। তারপর পা দিয়ে একটি গর্ত করে সেই গর্তে মৃত কাকটিকে মাটিচাপা দিল। এই দৃশ্য দেখে কাকের সমান আক্কেল নাই বইলা কাবিল আফসোস করতে লাগল। তারপর কাককে অনুসরণ করে দুনিয়ার প্রথম খু/নি খনন করল দুনিয়ার প্রথম কবর। তারপর সেই কবরে লুকিয়ে রাখল হাবিলকে।

সাকিব ও সোহান আপন দুই ভাই। সাকিবের বয়স ১৮ বছর, সোহানের ২৮ বছর। দশবছরের ছোটভাইকে সোহান ভালই আদর স্নেহ করতেন।

আপন খালাতো বোনের সাথে সোহানের বিয়ে ঠিক হয়। তারা দুইজন সমবয়সী। এইদিকে ১০ বছরের ছোট সাকিব তাদের সেই খালাতো বোনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। বড় ভাইয়ের সাথে বিয়ের কথাবার্তা ঠিকঠাক হয়েছে, ছোটভাইয়ের সাথে চলতেছে প্রেম। তাও আবার অসম প্রেম। একসময় প্রেমের সম্পর্কের কথা জেনে যায় বড়ভাই সোহান। ছোটভাইয়ের সাথে শুরু হয় মনোমালিন্য। দুই ভাইয়ের সম্পর্ক তিক্ততায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে।

রাত তখন গভীর। সবাই ঘুমে মগ্ন। আর তখন হাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছোটভাই সাকিবের বিছানায় হাজির হল সোহান। প্রতিরোধ করার সুযোগও পেল না। তার আগেই বড়ভাইয়ের হাতে খু/ন হয়ে গেল। হ/ত্যা/কা/ণ্ড প্রায় শেষ। ঠিক তখন ঘটনা জেনে যায় তাদের পিতা সোহেল রানা। ভাইকে খু/ন করার দৃশ্য দেখে ফেলেছে পিতা। পুরোপুরি বিচলিত হয়ে পড়ল। খু/নে/র সাক্ষী থেকে গেলে আরেক বিপদ। অতএব, সাক্ষী রাখা যাবে না। সেই মাঝরাতে পিতাকে ধরে ঘর থেকে নিয়ে গেল রেললাইনে। তারপর বিপরীত দিক থেকে ছুটে আসা রেলের চাকায় নিক্ষেপ করে জন্মদাতাকেও মৃত্যুর সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দিল।

কাবিল ও হাবিলের ঘটনা উল্লেখ আছে কোরান শরীফে। সূরা আল মায়েদার ২৭-৩১ নাম্বার আয়াতের তাফসির থেকে পুরো ঘটনা জানা যাবে। আর সোহান ও সাকিবের ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবারে। টঙ্গীর উত্তর বনমালা এলাকায় গত ২৬ এপ্রিল মধ্যরাতে ছোটভাই ও পিতার রক্তে সোহানের হাত রক্তাক্ত হয়েছে।

দুনিয়াতে যত খু/ন হবে প্রত্যেক খুনির পাপের একটা অংশ নাকি কাবিলের ভাগে চলে যাবে।

29/04/2026

শেখ হাসিনা দুই মেয়াদে প্রায় ২০ বছর দেশ শাসন করেছেন, আর টানা প্রায় ১৬ বছর। শেখ হাসিনা যেই প্রকল্প গুলো হাতে নিয়েছেন, এবং কমপ্লিট করেছেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো— পদ্মা সেতু, ঢাকার মেট্রোরেল, আর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এগুলোই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়৷ এগুলোকেই বাংলাদেশের সবেচেয়ে বেশি উন্নয়নের প্রতিক হিসাবে দেখানো হয়। যদিও বেশ কিছু রাস্তাঘাটের প্রজেক্টও তিনি হাতে নিয়েছিলেন।

কিন্তু তিনি কি বাংলাদেশের মানুষের জীবন মানের কোন উন্নতি ঘটাতে পেরেছেন? উত্তর হলো না। এখনো দেশে বন্যা হয়, রাস্তায় অহরহ এক্সিডেন্ট হয়, মানুষ খুন হয়, বিচার হয় না, সব কয়টা সরকারি দফতরে ঘুষ চলে। আর তার আমলে তো পুলিশ নিজেই সন্ত্রাসীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো।

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কি কোন কিছুর পরিবর্তন করতে পারবে? বেশির ভাগ মানুষের উত্তর হবে "না"। আমার ও মতামত হচ্ছে "না"।

কিন্তু আপনি কি জানেন? টানা ১৬-২০ বছর, বা আরো কিছু বছর বেশি শাসন করে পৃথিবীর অনেক রাজনৈতিক দল কিংবা নেতা, নিজেদের দেশকে পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশ বানিয়েছেন?

১) সিঙ্গাপুর — Lee Kuan Yew (১৯৫৯–১৯৯০= ৩১ বছর) কি করেছেন সেটা বলব না। সময়টা ও অনেক বেশি।

২) জাপান — Liberal Democratic Party (১৯৫৫–১৯৯৩, প্রায় ৩৮ বছর) তারা ও অনেক লম্বা সময়, শেখ হাসিনার চাইতে প্রায় দ্বিগুণ সময়।

৩) এখন আপনি অবাক হবেন — জার্মানি — Helmut Kohl (১৯৮২–১৯৯৮= ১৬ বছর) এই ১৬ বছরে পশ্চিম জার্মানি এবং পরে পুনঃএকত্রীকৃত Germany-এর নেতৃত্ব দেন। শক্তিশালী শিল্পনীতি, ইউরোপীয় integration এবং reunification-এর পর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখেন। জার্মানি ইউরোপের অর্থনৈতিক powerhouse হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়।

৪) মালয়েশিয়া — Mahathir Mohamad (১৯৮১–২০০৩ = ২২ বছর) শেখ হাসিনার চাইতে প্রায় ২ বছর বেশি।

৫) দক্ষিণ কোরিয়া — Park Chung-hee (১৯৬১–১৯৭৯ = ১৮ বছর) South Korea-এর industrial takeoff তার আমলে শুরু হয়।

অতএব ঠিক মতো যদি দেশের কথা চিন্তা করতেন, মানুষের কথা চিন্তা করতেন, বড় বড় প্রজেক্টের নামে দেশের টাকা বিদেশের পাঁচার না হতো, তাহলে অনেক বেশি কিছুই করা সম্ভব ছিল। তাই আমি "মেট্রোরেল" "রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র" ও "পদ্মা সেতুতে" গদগদ হই না।

দেশে কয়েকটা ইনফ্রাসট্রাকচার বানিয়েছেন ঠিক'ই, কিন্তু এর আড়ালে হয়েছে লাগামহীন দূর্নীতি। দেশের সামাজিক অবক্ষয় আগের মতই বজায় রেখেছিলেন। এবং যা করেছেন, তা তার ক্ষমতার ১০% ও না।

ইমাম ও খতীব সাহেবদের "ভাই" বলাএকটি অনুচিত সম্বোধনআমাদের সমাজে একটি প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। মসজিদের ইমাম সাহেব খুতবা দিচ্ছে...
26/04/2026

ইমাম ও খতীব সাহেবদের "ভাই" বলা
একটি অনুচিত সম্বোধন

আমাদের সমাজে একটি প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। মসজিদের ইমাম সাহেব খুতবা দিচ্ছেন, দরস দিচ্ছেন, ফতওয়া দিচ্ছেন — আর মুসল্লিরা তাঁকে ডাকছেন "ভাই" বলে। বিষয়টি শুনতে সাধারণ মনে হলেও এর মধ্যে একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও দ্বীনি সমস্যা লুকিয়ে আছে।

আলেমের মর্যাদা কুরআনের দৃষ্টিতে
আল্লাহ তাআলা সুরা ফাতিরে ইরশাদ করেছেন —

> **إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ**
"আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে যথাযথভাবে ভয় করেন।"
এই আয়াত আলেমদের একটি বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। যাঁরা আল্লাহর ভয়ে সবচেয়ে এগিয়ে, তাঁদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো "ভাই ভাই" সম্পর্কের ভাষায় কথা বলা এই মর্যাদার অবমাননা।

সুরা মুজাদালায় আল্লাহ বলেছেন —
> **يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ**
"যারা ইমান এনেছে এবং যাদের ইলম দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করেন।"
আল্লাহ নিজে যাঁদের মর্যাদা উঁচু করেছেন, আমরা সম্বোধনের মাধ্যমে সেই মর্যাদা নামিয়ে আনব — এটি কি সঙ্গত?

#হাদিসের শিক্ষা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন —
> **لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا**
"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।" (আবু দাউদ)
ইমাম ও খতিব সাহেব শুধু বয়সে বড় নন — ইলম, দ্বীনি দায়িত্ব ও আধ্যাত্মিক মর্যাদায়ও তিনি সমাজের উঁচু স্তরে। তাঁকে "ভাই" বলা এই হাদিসের শিক্ষার পরিপন্থী।

#সালাফের আদর্শ
সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এমন আদবের সাথে বসতেন যেন মাথায় পাখি বসে আছে — নড়াচড়া করতেও ভয় পেতেন। তাবেঈরা আলেমদের সামনে এতটাই বিনম্র থাকতেন যে ইমাম মালিক রহ.-এর দরসে উচ্চস্বরে কথা বলা অসম্ভব ছিল।

ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর ছাত্র ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন — উস্তাদের সামনে পা ছড়িয়ে বসা তাঁর পক্ষে কখনো সম্ভব হয়নি।
এই ছিল আদবের সংস্কৃতি। আর আজ আমরা সেই আসনে বসা মানুষটিকে "ভাই" বলে ডাকছি।

#ভাই" বলার সমস্যা কোথায়?
প্রথমত, এটি শ্রেণিবিন্যাস মুছে দেয়। সমাজে শিক্ষক ও ছাত্র, আলেম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক স্তরভেদ আছে। "ভাই" বলা এই স্তরভেদকে অস্বীকার করে।
দ্বিতীয়ত, এটি ইমামের কথার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। যাকে "ভাই" মনে করি, তার ফতওয়া বা নসিহত কতটা মনে গেঁথে থাকে? কিন্তু যাকে সম্মানের আসনে রাখি, তাঁর একটি কথাও হৃদয়ে স্থায়ী ছাপ ফেলে।
তৃতীয়ত, এটি পশ্চিমা সাম্যবাদী মানসিকতার অনুকরণ। পশ্চিমে সবাই সমান — শিক্ষককেও নামে ডাকো, বড়কেও "বন্ধু" বলো। এই মানসিকতা আমাদের দ্বীনি সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক।

#সঠিক সম্বোধন কী হওয়া উচিত?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইমাম ও খতিব সাহেবকে সম্বোধন করতে হবে —
"হুজুর", "মাওলানা সাহেব", "শায়খ", "ইমাম সাহেব" খতিব মহোদয় ,ওস্তাদ — মুহতারাম । ইত্যাদি এই শব্দগুলো আদব ও সম্মানের ভাষা। এগুলো শুধু শব্দ নয়, একটি সভ্যতার প্রতিফলন।
আদব হলো ইলমের আগের সিঁড়ি। ইমাম মালিক রহ. বলতেন —
> **تَعَلَّمُوا الأَدَبَ قَبْلَ أَنْ تَتَعَلَّمُوا العِلْمَ**
"ইলম শেখার আগে আদব শেখো।"
যে সমাজে আলেমের সম্মান নেই, সে সমাজে ইলমের আলোও ম্লান হয়ে যায়। ইমাম ও খতিব সাহেবকে যথাযথ সম্মানের সাথে সম্বোধন করা শুধু ব্যক্তির প্রতি সৌজন্য নয় — এটি দ্বীনের প্রতি, ইলমের প্রতি এবং আল্লাহর নির্দেশের প্রতি সম্মানের প্রকাশ।
ইমাম ও আলেমদের সম্মান — কুরআন, হাদিস ও ওলামাদের বক্তব্যের আলোকে

#প্রথম অধ্যায় — কুরআনের দলিল
**দলিল ১**
> **لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا**
"তোমরা রাসুলকে ডাকাকে তোমাদের পরস্পর ডাকার মতো করো না।"
**(সুরা নূর: ৬৩)**
ইমাম কুরতুবি রহ. এই আয়াতের তাফসিরে লিখেছেন — রাসুলকে সাধারণ মানুষের মতো নাম ধরে ডাকা হারাম। তাঁকে "ইয়া রাসুলাল্লাহ" বা "ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ" বলতে হবে। এই আদব শুধু নবীর জন্য নয়, নবীর ওয়ারিস আলেমদের প্রতিও এই মানসিকতা থাকা উচিত।
**(তাফসিরে কুরতুবি: ১২/৩২১)**

**দলিল ২**
> **يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ**
"হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না।"
**(সুরা হুজুরাত: ২)**
ইমাম ইবন কাসির রহ. বলেন — এই আয়াত থেকে শিক্ষা হলো আলেম ও বুযুর্গদের সামনে উচ্চস্বরে কথা বলা, তাদের কথার উপর নিজের কথা প্রাধান্য দেওয়া অনুচিত।
**(তাফসিরে ইবন কাসির: ৭/৩৬৪)**
**দলিল ৩**
> **يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ**
"যারা ইমান এনেছে এবং যাদের ইলম দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করেন।"
**(সুরা মুজাদালা: ১১)**
আল্লামা আলুসি রহ. বলেন — এই আয়াতে আলেমদের জন্য বিশেষ দরজার উল্লেখ আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁদের মর্যাদার স্বীকৃতি। বান্দার উচিত আল্লাহ যাকে যে মর্যাদা দিয়েছেন তাকে সেই মর্যাদায় রাখা।
**(রুহুল মাআনি: ২৮/২১)**

**দলিল ৪**
> **إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ**
"আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে যথাযথভাবে ভয় করেন।"
**(সুরা ফাতির: ২৮)**
ইমাম ইবন রজব হাম্বলি রহ. বলেন — এই আয়াত প্রমাণ করে আলেমরা আল্লাহর সবচেয়ে কাছের বান্দা। তাদের সম্মান করা আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করার অন্তর্ভুক্ত।
**(ফাদলু ইলমিস সালাফ: পৃ. ৪৩)**

# দ্বিতীয় অধ্যায় — হাদিসের দলিল
**হাদিস ১**
> **الْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ**
"আলেমরা নবীদের উত্তরাধিকারী।"
**(আবু দাউদ: ৩৬৪১, তিরমিযি: ২৬৮২ — সহিহ)**
ইমাম মুনাবি রহ. বলেন — নবীর ওয়ারিস হওয়ার অর্থ হলো নবীর ইলম, দ্বীন ও মর্যাদার ধারক হওয়া। যে ব্যক্তি নবীর ওয়ারিসকে সম্মান করে না, সে নবীর ইলমকেই অসম্মান করে।
**(ফায়যুল কাদির: ৪/৩৮৫)**
**হাদিস ২**
> **لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا وَيَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيَعْرِفْ لِعَالِمِنَا حَقَّهُ**
"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না, ছোটদের স্নেহ করে না এবং আলেমদের হক চেনে না — সে আমাদের দলভুক্ত নয়।"
**(মুসনাদে আহমাদ: ৭১৫৭, সহিহ লি গায়রিহি)**
ইমাম আহমাদ রহ. এই হাদিস বর্ণনা করার পর বলেন — আলেমের হক চেনা মানে তার ইলমের কারণে তাকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া, তার সামনে বিনম্র থাকা এবং তার সাথে সাধারণ মানুষের মতো আচরণ না করা।
**হাদিস ৩**
> **إِنَّ مِنْ إِجْلَالِ اللهِ إِكْرَامَ ذِي الشَّيْبَةِ الْمُسْلِمِ، وَحَامِلِ الْقُرْآنِ غَيْرِ الْغَالِي فِيهِ وَالْجَافِي عَنْهُ، وَإِكْرَامَ ذِي السُّلْطَانِ الْمُقْسِطِ**
"আল্লাহকে সম্মান করার অংশ হলো বৃদ্ধ মুসলিমকে, কুরআনের ধারককে এবং ন্যায়পরায়ণ শাসককে সম্মান করা।"
**(আবু দাউদ: ৪৮৪৩ — হাসান)**
ইমাম খাত্তাবি রহ. বলেন — "হামিলুল কুরআন" অর্থ শুধু হাফেয নয়, বরং যিনি কুরআনের ইলম ও আমল বহন করেন অর্থাৎ আলেম। তাঁকে সম্মান করা আল্লাহকে সম্মান করার অংশ।
**(মাআলিমুস সুনান: ৪/১১৫)**
**হাদিস ৪**
> **أَكْرِمُوا الْعُلَمَاءَ فَإِنَّهُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ، فَمَنْ أَكْرَمَهُمْ فَقَدْ أَكْرَمَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ**
"আলেমদের সম্মান করো। কারণ তারা নবীদের উত্তরাধিকারী। যে তাদের সম্মান করল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে সম্মান করল।"
**(কানযুল উম্মাল: ২৮৬৮৭)**

# # তৃতীয় অধ্যায় — ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য
**ইমাম শাফেয়ি রহ. (মৃ. ২০৪ হি.)**
> **مَنْ أَهَانَ العُلَمَاءَ فَقَدْ أَهَانَ الشَّرِيعَةَ، وَمَنْ أَهَانَ الشَّرِيعَةَ فَقَدْ أَهَانَ اللهَ**
"যে আলেমদের অপমান করল সে শরিয়তকে অপমান করল। আর যে শরিয়তকে অপমান করল সে আল্লাহকেই অপমান করল।"
**(মানাকিবুশ শাফেয়ি, বায়হাকি: ২/১৫৪)**
**ইমাম মালিক রহ. (মৃ. ১৭৯ হি.)**
তাঁর দরসে কেউ উচ্চস্বরে কথা বললে তিনি বলতেন —
> **هَذَا مَجْلِسُ العِلْمِ، لَا يُرْفَعُ فِيهِ الصَّوْتُ**
"এটি ইলমের মজলিস, এখানে কণ্ঠ উঁচু করা যায় না।"
**(তারতিবুল মাদারিক: ১/১৩৮)**
**ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল রহ. (মৃ. ২৪১ হি.)**
তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ বলেন — আমি কখনো বাবার সামনে পা ছড়িয়ে বসিনি, কোনো প্রশ্ন করার আগে অনুমতি নিতাম। তিনি ছিলেন আমার পিতা — তবুও আলেম হিসেবে তাঁর আদব আলাদাভাবে রক্ষা করতাম।
**(মানাকিবুল ইমাম আহমাদ, ইবন জাওযি: পৃ. ৩২১)**
**ইমাম নববি রহ. (মৃ. ৬৭৬ হি.)**
> **يَنْبَغِي لِلْمُتَعَلِّمِ أَنْ يَتَوَاضَعَ لِشَيْخِهِ وَيُعَظِّمَهُ، وَأَنْ يَعْلَمَ أَنَّ تَعْظِيمَهُ تَعْظِيمٌ لِلْعِلْمِ**
"ছাত্রের উচিত উস্তাদের সামনে বিনম্র থাকা এবং তাঁকে সম্মান করা। জেনে রাখো — উস্তাদকে সম্মান করা ইলমকেই সম্মান করা।"
**(আল-মাজমু শরহুল মুহাযযাব: ১/৩৭)**
**আল্লামা ইবন আবিদিন শামি রহ. (মৃ. ১২৫২ হি.)**
> **تَعْظِيمُ أَهْلِ الْعِلْمِ وَاجِبٌ شَرْعًا، وَإِهَانَتُهُمْ مِنَ الْكَبَائِرِ**
"আলেমদের সম্মান করা শরঈভাবে ওয়াজিব। আর তাদের অপমান করা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।"
**(রদ্দুল মুহতার: ১/৪৫)**
**হযরত থানভি রহ. (মৃ. ১৩৬২ হি.)**
আলেমদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো ব্যবহার করা দ্বীনের অবমাননার আলামত। যে জাতি আলেমদের কদর করে না, সে জাতির দ্বীনি অবনতি অনিবার্য।
**(মালফুযাতে থানভি: ৩/২১৭)**
**মুফতি রশিদ আহমাদ লুধিয়ানভি রহ.**
আহসানুল ফাতাওয়ায় তিনি লিখেছেন — আলেমকে তাচ্ছিল্য করা, তাঁর সম্মানহানি করা, তাঁকে সাধারণ মানুষের কাতারে নামিয়ে আনা — এসব কাজ ঈমানের দুর্বলতার লক্ষণ এবং কিছু ক্ষেত্রে কুফরের নিকটবর্তী।
**(আহসানুল ফাতাওয়া: ১/৫৩)**

#চতুর্থ অধ্যায় — সালাফের আমলি নমুনা
ইমাম শাফেয়ি রহ. বলেন — আমি ইমাম মালিকের সামনে পাতার শব্দ না হয় এ জন্য অত্যন্ত আস্তে কিতাবের পাতা উল্টাতাম, যাতে তাঁর মনোযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়।
ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন — ইমাম আবু হানিফার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো আমার পক্ষে কখনো সম্ভব হয়নি, যদিও তাঁর বাড়ি ছিল অনেক দূরে।
আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. হযরত যায়িদ ইবন সাবিতের উটের লাগাম ধরে হাঁটতেন এবং বলতেন — "এভাবেই আমাদের আলেমদের সম্মান করতে বলা হয়েছে।"

#সারসংক্ষেপ
কুরআন, হাদিস এবং ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য একটিই কথা বলে — আলেম ও ইমামদের সাধারণ মানুষের কাতারে রাখা শরঈ দৃষ্টিতে অনুচিত, বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে গুনাহ। "ভাই" বলে সম্বোধন করা শুধু ভাষার সমস্যা নয় — এটি আলেমের মর্যাদা সম্পর্কে ভুল ধারণার প্রকাশ।

আল্লাহ তাআলা আমাদের আলেমদের যথাযথ সম্মান করার তাওফিক দান করুন। আমিন।©

19/04/2026

চ্যানেল ওয়ানকে দেওয়া ইরানি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎকারটা পুরাটা দেখলাম।

রাষ্ট্রদূত যে কথা বলছে, সেটা যদি সত্য হয়, তাহলে এটা এক কথায় বাংলাদেশের জন্য রক্ত হিম করা সিচুয়েশন।

কূটনীতিতে কূটনৈতিক ভাষাই ব্যবহার করা হয়। হেসে হেসে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে। কিন্তু সেই কথার আড়ালে কী লুকিয়ে আছে, সেটাই আসল।

জলিল রহিমি জাহানাবাদি বলছে যে যুদ্ধ একদিন শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু যুদ্ধের সময় কে কী আচরণ করছে, তা রয়ে যাবে। আমরা তা মনে রাখব!

আমাদের সহায়তার দরকার নাই। সমর্থন দরকার।

খুব স্পষ্টভাবে বাংলাদেশ সরকারকে ইরান সরকারের হুমকি পৌছায়ে দেওয়া হইছে।

ইরানের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার পর ইরান যখন গালফ কান্ট্রিগুলোতে পাল্টা আক্রমণ করছে, বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোতে ইরানের হামলার নিন্দা জানায়ে বিবৃতি দিছে!

সেখানে ইরানের উপর যুদ্ধ চাপায়ে দেওয়া হইল, তাদের সর্বোচ্চ নেতাকে মেরে ফেলা হইল, এইটা উল্লেখ করতে না পারার মত পররাষ্ট্রনীতি ধ্বজভঙ্গ আর খোঁজাদের দিয়ে সম্ভব। কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব না।

তার উপর আক্রমণটা করছে ইজরাইল!

সারা দুনিয়া জানে ইজরাইল এখন কেমন রাষ্ট্র। ইউরোপিয়ানরা, যারা ইজরাইলকে জন্ম দিছে, পেলেপুষে বড় করছে, তারা পর্যন্ত নিন্দা জানাইতে পারছে। আকাশপথ বন্ধ করে দিতে পারছে।

বাংলাদেশ পারে নাই।

কারণ অইযে, বড় আব্বু আমেরিকা আছে! তাইলে তোদেরকে এই গ্যাঞ্জামে বাম হাত ঢুকাইতে বলছে কে?

গালফ কান্ট্রি আর আমেরিকার বিরুদ্ধে যাওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশের নাই।

আমেরিকা ৫ পার্সেন্ট ট্যারিফ বাড়ায়ে দিলেই বাংলাদেশের হালুয়া টাইট হয়ে যাবে।

ওদিকে গালফ কান্ট্রিগুলো বাংলাদেশে থেকে শ্রমিক নেওয়া অফ বা সেখানে থাকা শ্রমিকদের দেশে পাঠাইতে শুরু করলে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হবে।

ঠিক তেমনই দুর্ভিক্ষ শুরু হবে আপনার ইয়া বিশাল বিশাল ফ্যাক্টরি আছে, কিন্তু সেই ফ্যাক্টরি চালানোর মত তেল যদি না আসে।

ফলে বাংলাদেশের কোনোভাবেই উচিৎ হয় নাই এইসব গ্যাঞ্জামে জড়ানো। কিন্তু অইযে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল আমেরিকার কোলে উঠার সাধ সামলাইতে পারে নাই।

বাংলাদেশ খুবই অনুল্লেখযোগ্য দেশ। এই দেশের সমর্থনে কিছু যায় আসে না। কারো একটা পশমও চেঞ্জ হবে না বাংলাদেশের সমর্থনে।

বাট নিন্দা জানানোতে যায় আসে।

স্পেশালি সেটা যদি ইরানিদের মত ইগোইস্টিক ন্যাশন হয়। প্লাস তাদের উপর সমস্ত আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক আগ্রাসন হয়।

আর এই সিচুয়েশনে আপনি আগ্রাসনকারীর পক্ষ নেন!! এটা একটা রাষ্ট্রের টিকে থাকার সংগ্রামের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো!

বাংলাদেশের জনগণ কক্ষনো এই অনৈতিক অবস্থান ধারণ করে নাই, করবেও না। বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে সবসময় দুনিয়ার সমস্ত মাজলুমদের পক্ষে ছিল। আছে এবং থাকবে।

আমরা এই পরররাষ্ট্রনীতিকে ডিজওন করি। এটা আমার প্রতিনিধিত্ব করে না। হয়ত আপনারও না।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যখন শুরু হইছে, ইউরোপ এবং আমেরিকার প্রচণ্ড চাপ ছিল ভারতের উপর। ভারত যেন এই আগ্রাসনের নিন্দা জানায়।

ভারত জানায় নাই।

মোদি তখন কয়েক মাসের জন্য বোবা হয়ে গেছিল জাস্ট। মুখে রীতিমতো কুলুপ এঁটে বসে ছিল। জাতিসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যতগুলো প্রস্তাব আসছে, ভারত ভোটদানে বিরত ছিল।

ফলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যদি নিন্দা জানাইতে চায়, সব অপরাধের নিন্দা জানানোটাই নিয়ম।

আর যদি কোনো পক্ষে বড় আব্বু থাকে যার নিন্দা জানানোর হ্যাডম নাই, তাইলে চুপ থাকাই শ্রেয়।

এর চেয়েও দুঃখজনক বিষয় হল বাংলাদেশ দূতাবাসে তারা শোকবই ওপেন করছে। কেউ সেখানে শোক জানায়ে একটা সাইন করতে যায় নাই!

লিটারেলি?

একটা দেশের প্রধান নেতাকে দিন-দুপুরে গুণ্ডার মত বোমা মেরে খুন করে ফেলল। নিজ দেশের দূতাবাসে সরকারের নিম্নপদস্থ কোনো কর্মকর্তাও গিয়ে একটা শোক জানায়ে আসতে পারে নাই?

এটা দুনিয়ার কোনো পররাষ্ট্রনীতির কাতারেই পড়ে না। আমার কাছে এটাকে ডেসক্রাইব করার মত কোনো শব্দ নাই। এত ভঙ্গুর, এত ধ্বজভঙ্গ!!

যদি এই যুদ্ধ ইরান যেভাবে চাচ্ছে যে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে, সেভাবে শেষ হয়; আর রাষ্ট্রদূত যা বলল-তারা মনে রাখবে, তাইলে বাংলাদেশের কাম সারা।

ডক্টর খলিলের কোন আব্বু তখন তেল এনে দেয় দেখা যাবে।

অবশ্য ভারত আব্বু বলছে রাশিয়ার তেল তারা শোধন করে আমাদের পাঠাবে। কারণ রাশিয়ার তেল আমরা নিজেরা শোধন করার ক্ষমতা নাই।

তখন সেই তেল ইউজ করে ভারত কী লেভেলের পররাষ্ট্রনীতি করবে বলে আপনার ধারণা?

অত্যন্ত ক্যালকুলেটিভলি বাংলাদেশকে অতি ভয়ঙ্কর শিকলে বাধা হইতেছে!

Address

Kazipara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DTV International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DTV International:

Share

Category