DTV International

DTV International সত্য যেখানে আমরা সেখানে

26/10/2025

♦️স্বামী স্ত্রী বিচ্ছেদের পরিনতি♦️

পরিচয় গোপন রাখা এক ডিভোর্সি বোনের খোলাচিঠি:

জানিনা, আমি কেন লিখছি। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই আর কেউ আমার মতো ভুল না করুক। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই ঠুনকো কারণে সংসারগুলো ভেঙে না পড়ুক।

আমি ঊনিশ বছর বয়সী একজন নারী। আমাদের বিয়ে হয়েছিল আমার পছন্দে। সংসারও টিকে ছিল দের বছর। আমাদের একটা ছেলেও আছে, ওর বয়স এক বছর।

আমার স্বামীর স্বভাব-চরিত্র সবই বেশ ভালোই ছিল। শুধু একটু জেদি । অবশ্য তাও সবসময় না, মাঝেমধ্যে। মানুষ ভাবে ওর বদ জেদের জন্যই বুঝি আজ এই অবস্থা, কিন্তু আমি জানি, আমাদের সমস্যার শুরুটা ওর দিক থেকে হয় নি।

সব সংসারেই তো টুকটাক কিছু সমস্যা থাকে। ওরকম আমাদের মধ্যেও মাঝেসাঝে ঝগড়া-ঝাটি হতো। কিন্তু ঝগড়া বাধলেই আমি তল্পিতল্পা গুছিয়ে বাপের বাড়ির দিকে হাঁটা দিতাম। বাপের বাড়িতে বোনরাও আসতো, আর ভাইরা তো ছিলই। ওদের কাছে কেদেকেটে সব বলতাম। তখন সবাই ওকে ফোন করে কথা শোনাত। আমার ছোট বোন তো রীতিমত অপমান করত!

আমার কাছেও মনে হতো, ঠিকই আছে। কত বড় সাহস, আমার সাথে লাগতে আসে। আমাকে নিজের মতো চালাতে চায়। আমার মধ্যে কেমন একটা জেদ কাজ করতো। ওর কাছে ছোট হব, ওর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করব, মাফ চাইব, এটা ভাবতেই পারতাম না। উল্টো বড় গলা করে বলতাম, “ডিভোর্স দাও! তোমার মতো লোকের সাথে কে সংসার করে?”

নাহ, ডিভোর্স আমি কখনোই মন থেকে চাই নি। ওটা ছিল মুখের কথা।

ওর সামনে ছোট হওয়ার চাইতে ডিভোর্স চাওয়াই আমার কাছে সঠিক মনে হতো।

একদিনের কথা এখনও মনে পড়ে। সেদিন ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে তর্ক করতে করতে দুজনেই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছি। রাগে আমার শরীর কাঁপছে। যা মুখে আসছে তাই বলছি। তুই-তোকারি, গালিগালাজ, অপমান কিচ্ছু বাদ যায় নি। এক পর্যায়ে সহ্যের বাধ ভেঙে ও আমার গায়ে হাত তুললো!

এর আগে কিংবা পরে কখনোই ও আমার গায়ে হাত তুলে নি। কিন্তু ঐ একটা থাপ্পড়, ওটাই যথেষ্ট ছিল।

আমি বাপের বাড়ি চলে গেলাম। আর হ্যাঁ বরাবরের মতো এবারও নিজের দিকটা না বলে খালি ওর দিকটাই বলে গেলাম। মানুষের দোষ দিয়ে আর কী লাভ! সবাইকে যা বলেছি, সেটার উপর ভিত্তি করেই তারা বিচার করেছে। পরিবারের সবাই বললো, এমন ছেলের সাথে সংসার করার কোনো দরকার নাই। মামলা ঠুকে দাও।

আমি সবার পরামর্শে মামলা করলাম।

ওর নামে নারী নির্যাতনের কেইস করা হল। খুব দ্রুতই ওকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। ওর পরিবার থেকে মুরুব্বিরা এসে বার বার অনুরোধ করল, আমি যেন এই কেইস তুলে নিই।

ভেতরে ভেতরে আমিও চিন্তা করতাম, আচ্ছা, আমার স্বামী কি আসলেই জালেম? ও কি কোনদিন নিজে থেকে আমার গায়ে হাত তুলেছে? আমি যদি ওকে এত কথা না শোনাতাম, তাহলে কি ও আমার গায়ে সেদিন হাত তুলতো?

আমার বাবা মা আমাকে বুঝিয়েছিল, আমি যদি এতকিছুর পর ফিরে যাই, তাহলে ও ভাববে, আমি বুঝি অসহায়। আমাকে আরো পেয়ে বসবে। আমার উপর ইচ্ছামত ছড়ি ঘুরাবে। একবার গায়ে হাত তুলেছে মানে বার বার একই কাজ করবে। কাজেই নিজে থেকে ফিরে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।

কিন্তু আমার মনের ভেতর কে যেন চিৎকার করে বলতো, ও তো এমন লোক না। ও যেদিন আমার গায়ে হাত তুলেছিল, সেদিনই হাটু জোর হয়ে আমার কাছে মাফ চেয়েছে। এসব ভেবে ভেবে আমি মামলা তুলে নিলাম। তবে ওর কাছে ফেরত গেলাম না।

কিছুদিন পর দুই পরিবার থেকে বিচার-সালিশ হল। সবার কাছে ও দোষী প্রমাণিত হল। সবাই ওকে নানা কথা বোঝাল, উপদেশ দিল। তারপর আবার সংসার শুরু করলাম।

এর পরের কয়েক মাস ভালোই চলছিল, কিন্তু হুট করে আবার কী একটা নিয়ে আমাদের ঝগড়া বেধে গেল। ব্যস, কাপড়চোপড় গুছিয়ে আবার আমি বাপের বাড়ি গিয়ে উঠলাম। এর মধ্যে শুনলাম ও নাকি খুব অসুস্থ ! আমি বাসায় ফিরতে চাইলে আমার পরিবার বললো, এভাবে একটা ঝগড়ার পর একা একা ফিরলে সেটা ভালো দেখায় না। আর আমার বোনদের কথা ছিল, ওসব অসুস্থ-টসুস্থ কিছু না, সব বাহানা!

আমরা চাচ্ছিলাম ঐ পক্ষ থেকে কিছু আত্মীয়-স্বজন এসে ওর ভুল স্বীকার করে আমাকে হাতেপায়ে ধরে নিয়ে যাক। কিন্তু এবার কেউই আসলো না।

এরও কিছুদিন পর ও আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিল। ডিভোর্স লেটার দেখে আমাদের পরিবারের সবাই খুব খেপে গেল। কতবড় সাহস, মেয়েকে এত কষ্টে রেখেছে, তার উপর ডিভোর্স লেটার পাঠায়। সবার কথায় আমার কাছেও মনে হলো, ঠিকই তো, কত বড় সাহস! আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়? ওর সব ভুলগুলো চোখের উপর ভাসতে লাগলো।মা বাবা মনে করিয়ে দিলো, ও হলো সেই ছেলে যে কিনা আমার গায়েও হাত তুলেছে।

প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আমিও ঠিক করলাম, এবার ডিভোর্সই দেব। কে চায় এমন ফালতু লোকের সংসার করতে? কোর্টে গিয়েও ওকে হেনস্থা করার চেষ্টা করলাম। আমার মাসিক খরচ বাড়িয়ে একটা আকাশছোঁয়া অংক দাবি করলাম! আমি চাচ্ছিলাম ওর যেন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যেন নিজে থেকে আমার কাছে এসে আবার সংসার করতে চায়। আসলে ডিভোর্স হোক আমি কখনোই চাই নি৷ কিন্তু জিদ আমাকে খেয়ে নিচ্ছিল। আগ বাড়িয়ে ওকে ডিভোর্স তুলে নিতে বলা আমার পক্ষে অসম্ভব! ওর কাছে ছোট হওয়া আমি মানতেই পারি নি।

কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার, ও আমার আকাশছোঁয়া সমস্ত দাবি মেনে নিলো। আমাদের ছেলেকে আমি পেয়ে গেলাম। ভরণপোষণ, মাসিক খরচ, ওর সম্পত্তি সব! বিনিময়ে ও পেলো শুধু ডিভোর্স।

আমাদের ডিভোর্স হয়েছে আজ সাড়ে তিন বছর।

ও আবারও বিয়ে করেছে। সুখেই আছে বোঝা যায়। আসলে ওর মতো নির্ঝঞ্ঝাট স্বামীকে নিয়ে মেয়েরা হয়তো সুখেই থাকবে।

এখন আমার নিজের কথা ভেবে আফসোস হয়। মানুষের মুখের কথা কখনো কখনো ছুরির চেয়েও ধারালো হতে পারে। ও আমাকে একবার থাপ্পড় মেরেছিল ঠিকই, কিন্তু আমি কথার তীরে ওকে ছিন্নবিছিন্ন করে ফেলতাম। শারীরিক নির্যাতন করি নি সত্যি, কিন্তু মানসিকভাবে কষ্ট দিতাম। এসব কথা আমার মা বাবাকে কখনোই বলা হয় নি। নিজের দোষের কথা মানুষ কতটাই বা বলে!

মাঝে মাঝে ভাবি, ইশ, আমার পরিবার যদি একটু নিজে থেকে বুঝে আমাকে সংসার করার উপদেশ দিতো। যখন আমি ওর কাছে ফিরে যেতে চাইতাম, তখন ওর খারাপটা না বলে যদি একটু ভালো দিকগুলোর কথা মনে করাতো! আমি যদি নিজের জিদ নিয়ে পড়ে না থেকে, একটু ওর কাছে নত হতাম! তাহলে হয়তো আজ আমাকে এই দিন দেখা লাগতো না।

আজ আমার ভাইবোন বন্ধুবান্ধব সবার নিজেদের সংসার আছ কিন্তু ছোট্ট ভুলে সব শেষ হয়ে গেছে তাই দোয়া করি আর কারো জীবনে এমন না হোক।

বিচ্ছে*দ করার আগ মুহুর্তে একবার হলেও ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করে চেক করুন জ্বী*ন জা*দু বদনজরের ইফেক্ট সংসারে আছে কি না। এরপর সিদ্ধান্ত নিন।

19/10/2025

টাইফয়েড টিকার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ

আমাদের প্রাপ্ত ডকুমেন্ট (ভিডিও ও হালাল সার্টিফিকেট) অনুযায়ী বর্তমানে যে টিকা স্কুলের শিশু-কিশোরদের দেয়া হচ্ছে তা ডারতের হায়দ্রাবাদের Biological E limited কোম্পানীর মনে হচ্ছে ।

যদি এটা সত্য হয় তবে এই টিকার ক্লিনিক্যাল এফিকেসির পর্যাপ্ত ডেটা না থাকায় এই টিকা রোল আউট করা খুবই উদ্বেগের বিষয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য ( ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪) এবং Biological E limited এর ফেস টু/থ্রি ট্রায়ালের তথ্য অনুযায়ী এই টিকার সেফটি ও রিয়াকশন (ইমিউনোজেনেসেটি) মাত্র ৪২ দিন ফলো-আপ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে আমেরিকা এবং ইউরোপের অনুমোদন প্রাপ্ত টাইফয়েডের টিকার কার্যকারিতা ৪৮ মাস (১৪৪০ দিন, টিকার নাম Vivotif) অথবা ৩৪ মাস (১২২০ দিন, টিকার নাম TYPHIMVi) ফলো-আপ করা হয়েছে।

মাত্র ৪২ দিনে একটি ব্যাক্টেরিয়াল ভ্যাক্সিনের সেফটি/কার্যকারিতা নির্নয় কোনভাবেই সম্ভব নয়।

আর ক্লিনিক্যাল এফিকেসি মানে এই ভ্যাকসিন নেয়া মানুষরা টাইফয়েড ফেভার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে তার প্রটেকশন আদৌ দিতে পারবে কিনা তার ডিরেক্ট কোনো ডেটা নাই ! আর প্রটেকশন দিতে পারলে কতদিন পারবে এ ডেটাগুলো নাই এখন পর্যন্ত (WHO ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তথ্য আর পাবলিশড ডেটাও নাই)।

আমাদের প্রশ্ন-
ক্লিনিক্যাল এফিকেসির পর্যাপ্ত ডেটা না থাকা সত্ত্বেও কিভাবে লক্ষ লক্ষ শিশুদের এই টিকা দেয়া হচ্ছে?

টায়ফয়েডের টিকা যদি দিতেই তবে যেসব টিকার পুঙ্খানুপুঙ্খ এসেসমেন্ট করা হয়েছে (যেমন আমেরিকা বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অনুমোদনপ্রাপ্ত) টিকা না নিয়ে এসে ডারতীয় কোম্পানীর টিকা কি কারণে নিয়ে আসা হলো?

ক্লিনিক্যাল এফিকেসির পর্যাপ্ত ডেটা ছাড়া Biological E limited কোম্পানীর টিকা রোল আউট করা আন-এথিক্যাল, অগ্রহনযোগ্য।

ড রেজাউল করিম, ইউরোপে ভ্যাক্সিন ডেভেলোপমেন্টের কাজে জড়িত
ড মোহাম্মাদ সরোয়ার হোসেন, জনস্বাস্থ্য গবেষক

19/10/2025

অত্যাধুনিক 4D Color Doppler Ultrasound
বিশ্বাস যোগ্য প্রযুক্তি, মমতায় যত্ন....

HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

19/10/2025

আপনি সাপের লেজে যখন পা দিবেন,
সাপ তো আর নিশ্চয়ই আপনাকে চুমু দিবে না।

এমন ঘটনা আরো ঘটবে এবং নির্বাচন পর্যন্ত ঘটবে।

তারা বাংলাদেশের স্টাবিলিটি কখনোই মেনে নেয় নি এবং ভবিষ্যতেও তারা মেনে নিবে না। তারা তাদের ৫৪ বছরের তালুক হারিয়ে এখন বদ্ধ উ'ন্মা'দ হয়ে গিয়েছে।

ভবিষ্যতে এর থেকে আরো বড় এবং ভ'য়ং'কর কিছুও ঘটতে পারে এবং সরকারের উচিত ছিলো আরো সতর্ক থাকা।

জুলাই গনঅ'ভ্যু'ত্থানের পরে Chief Adviser GOB অধ্যাপক ইউনুস এর সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পূনঃগঠন না করা।

সরকারের উচিত ছিলো,
দল মত না দেখে তরুন গ্রেজুয়েটদের (যারা জুলাই গনঅ'ভ্যু'ত্থানের সাথে সরাসরি জড়িত) মধ্য থেকে ভালো পরিবারের লোক দেখে ৩০/৪০ হাজার বিভিন্ন বাহিনীতে দ্রুত নিয়োগ দিয়ে দেওয়া।

এখনো যে থানাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যাক পুলিশ নেই যারা আছে তারাও ইনএকটিভ, অধিকাংশ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত--
আপনার গোয়েন্দা প্রধানরা প'লা'তক, সেনাবাহিনীও ম্যাজিস্ট্রেট পাওয়ার পেয়েও ইচ্ছে কিংবা অনিচ্ছায় লেজগোবরে অবস্থায় - ভালো কাজ করছে না-- যেভাবে মাঠে রয়েছে তা থাকা না থাকা একই কথা -- এভাবে কি একটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়...

গত কয়েকমাস পূর্বে„
আমার দেশ একটা সংবাদ উপস্থাপন করেছিলো, আমাদের প্রধান গোয়েন্দা বাহীনী "ডিজিএফআই" এর বিল্ডিং এ নাকি "র" এর জন্য একটা ফ্লোর ছিলো...
ভাবা যায়...

এতো কিছুর পরেও আমরা যে এখনো জীবীত রয়েছি সেটাই সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয়।
আলহামদুলিল্লাহ।

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে আরো স'ত'র্ক না হলে আমাদের কপালে আরো খারাপী আছে।

এতো মাত্র শুরু...

স্যার,
রূপপুর নিয়ে সতর্ক হোন। প্রয়োজনে বিদেশী কোনো এজেন্সিকে হায়ার করেন রুপপুরের জন্য। রুপপুরে একবার কোনো দু'র্ঘ'টনা ঘটলে তা পা'র'মা'ণবিক বো'মার বি'স্ফো'রণ থেকেও ভ'য়া'বহ কিছু ঘটবে।
সম্পূর্ণ উত্তরবঙ্গ জ্বলে যাবে।

-নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কর্মকর্তা

অবিশ্বাস‍্য!!!কমেন্টে ভিডিওটি দেখুন।ঘটনা মানিকগঞ্জ শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে। সেখানের ‘অভি জুয়েলার্সে’র মালিক শুভ দাস -এর দ...
07/10/2025

অবিশ্বাস‍্য!!!কমেন্টে ভিডিওটি দেখুন।
ঘটনা মানিকগঞ্জ শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে। সেখানের ‘অভি জুয়েলার্সে’র মালিক শুভ দাস -এর দোকানে গতকাল রাত ১১টার দিকে ডাকাতি হয়। মোটর সাইকেল যোগে ৬জন ডাকাত এসে স্বর্ণের দোকান লুটপাট করে, এসময় মালিক শুভর পিঠে ধা/রা/লো অস্ত্র দিয়ে বেশ কয়েতটি আঘাত করে।

ডাকাতদল চলে যাবার পর আশেপাশের মানুষ ছুটে এসে মালিক শুভ দাসকে হাসপাতালে পাঠায় ও পুলিশে ফোন দেয়।

ঘটনা এখানে শেষ হলে হতে পারতো। কিন্তু মুল ঘটনা অন‍্য জায়গায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসি ক‍্যামেরার ফুটেজ দেখে অপারোশনে নামে। এবং কয়েকঘন্টার মধ‍্যে আসামীদের ধরে ফেলে। আসামীদের মধ‍্যে রয়েছে আমান, মিলন, শরিফ, নয়ন ও সোহাগ।

ওদিকে আহত শুভ দাসের অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে ঢাকা পাঠানো হয়।
শহরে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
পুলিশ আসামীদের ধরে থানায় নিয়ে এসে উত্তম মধ‍্যম দিলে ঘটনার মোড় অন‍্যদিকে চলে যায়।

আসামীরা যা বলে তা আপনি হয়তো আগে কোনদিন শুনেন নি!
আসামীরা জানায়, তারা কোন ডাকাত নয়। তাদের দিয়ে নাটক করিয়েছে স্বয়ং শুভ দাস, অর্থাৎ ঐ দোকানের হিন্দু মালিক।

এবং এই ঘটনা ঘটানোর জন‍্য তাদের নগদ পাঁচ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
এবং, ঘটনার সত‍্যতা প্রমাণ করার জন‍্যই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শুভ দাসের পিঠে ছু/রি মারা হয়েছে।

অর্থাৎ, পুরো ঘটনা পরিকল্পনা অনুযায়ী পারফেক্টলি শেষ করেছে।
এবার প্রশ্ন হল, শুভ এমন কাজ করতে গেল কেন?
এটা শুনলে মানুষের উপর থেকে আপনার বিশ্বাস উঠে যাবে।

বিষয়টি হচ্ছে, শুভর দোকান বেশ বড় দোকান। তার দোকানে অনেক স্বর্ণ জমা থাকে। অনেকে গহনা বানানোর জন‍্যও অনেক স্বর্ণ জমা রাখে। সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে তার দোকানে ৩৯ ভরি ৭ আনা সোনা জমা ছিল।

শুভর টার্গেট ছিল, দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি হয়ে সব লুটপাট করে নিয়ে গেছে খবর ছড়িয়ে সকলের আমানত রাখা স্বর্ণ আত্মসাত করা।

এবার চিন্তা করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত স্বর্ণ ব‍্যবসায়ী যদি এমনটা করে তাহলে বিশ্বাস করবেন কাকে?
পুলিশ সম্পূর্ন স্বর্ণ উদ্ধার করেছে।

মানুষের সচেতনতার জন‍্য পোস্টটি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।

ছবিঃ কিছুক্ষণ আগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সমস্ত ঘটনার বিবরণ জানান।

27/09/2025
08/09/2025

একজন কুরআনের পাখি এমন নির্মম হত্যার বিচার চাই

03/09/2025

যখন আপনার মেয়েকে কেউ মানসিকভাবে ধর্ষণ করে, তখন আপনি পাশে থেকে দাঁত কেলিয়ে হাসেন না তো ?

থামুন! এই লেখাটি পড়ার আগে একবার আপনার নিষ্পাপ কন্যা শিশুটির মুখের দিকে তাকান। দেখেছেন? ঐ হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকা সরল বিশ্বাস, ঐ চোখের গভীরে আপনার জন্য জমে থাকা অগাধ আস্থা। আর আপনি, সেই আস্থার কি মর্যাদা রাখছেন? নাকি নিজের অজান্তেই আপনি এক নীরব ষড়যন্ত্রের অংশীদার হচ্ছেন, যা আপনার মেয়ের ভবিষ্যৎকে চিরতরে অন্ধকারে ঠেলে দেবে?

ভয় পাচ্ছেন? অস্বস্তি হচ্ছে? হওয়াই উচিত! কারণ আজ আমি কোনো মিষ্টি উপদেশ দেবো না। আজ আমি আপনার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবো, কীভাবে আপনারই 'ছোট ছোট ভুল', আপনারই 'অতিরিক্ত বিশ্বাস', আপনারই 'আধুনিক সাজার প্রবণতা' আপনার মেয়ের চারপাশে এক অদৃশ্য নরক তৈরি করছে। আপনি কি নিশ্চিত, আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষটিই আপনার মেয়ের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি নয়?

প্রতিদিন খবরের কাগজে যে বিকৃত মানসিকতার জানোয়ারদের ছবি দেখেন, তারা আকাশ থেকে পড়ে না। তারা আমাদের মধ্যেই, আপনার আমার মতোই সাধারণ মানুষের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। আর আপনি, সেইসব মুখোশধারী নেকড়েদের হাতে আপনার ফুলের মতো সন্তানকে তুলে দেওয়ার সব আয়োজন সম্পন্ন করছেন না তো?

নিচের প্রতিটি শব্দ আপনার বুকের ভেতরে কাঁটার মতো বিঁধবে। প্রতিটি প্রশ্ন আপনার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে। যদি হিম্মত থাকে, তাহলে পড়ুন। এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি কি একজন অভিভাবক, নাকি নিজের সন্তানের সর্বনাশ ডেকে আনা এক নির্বোধ প্রহরী?

আপনার সন্তান কি দুই বছরের বড়? আর আপনি এখনো তার সামনেই অবলীলায় পোশাক পরিবর্তন করেন? আপনি ভাবেন, "ও তো বাচ্চা, ও কী বোঝে?" এই ভাবনাটাই আপনার প্রথম এবং সবচেয়ে মারাত্মক ভুল। আপনি নিজের হাতে আপনার সন্তানের মন থেকে গোপনীয়তা এবং লজ্জার প্রথম প্রাচীরটি ভেঙে দিচ্ছেন। আপনি তাকে শেখাচ্ছেন যে, শরীরের ব্যক্তিগত অঙ্গগুলো প্রদর্শন করা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। আজ আপনি করছেন, কাল আপনার দেখাদেখি আপনার আত্মীয় বা বন্ধুরূপী কোনো নরপশু যখন তার সামনে একই কাজ করবে, আপনার সন্তান সেটাকে অস্বাভাবিক ভাববে না। সে প্রতিবাদ করবে না। কারণ তার প্রথম শিক্ষক, অর্থাৎ আপনি, তাকে শিখিয়েছেন—এটাই স্বাভাবিক। আপনি কি বুঝতে পারছেন, আপনি শিকারীর কাজ কতটা সহজ করে দিচ্ছেন?

আপনার কোনো প্রাপ্তবয়স্ক বন্ধু বা আত্মীয় আপনার ছোট্ট মেয়েকে কোলে নিয়ে আদর করে বলছে, "ইশ! কী সুন্দর! বড় হলে তোকেই আমি বিয়ে করব। তুমি আমার বউ হবে।" আর আপনি পাশে দাঁড়িয়ে হাসছেন? আপনার এই হাসিই হলো সেই বিষাক্ত রসিকতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। এটা কোনো নির্দোষ মজা নয়। এটা এক ধরনের মানসিক ধর্ষণ। একটি শিশুর কচি মনে আপনি সম্পর্কের এক বিকৃত ধারণা ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। যে মানুষটিকে তার ‘আঙ্কেল’ বা ‘মামা’ হিসেবে সম্মান করার কথা, তার সাথে 'বউ' হওয়ার সম্পর্ক জুড়ে দিয়ে আপনি তার নিরাপত্তাবোধকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। এই ধরনের কথা যে বলে, সে মানসিকভাবে অসুস্থ। আর আপনি যদি এটা শুনেও চুপ থাকেন, তাহলে আপনিও সেই অসুস্থতার নীরব সমর্থক।

আদরের নামে কোলে বসানো: সীমানা লঙ্ঘনের প্রথম ধাপ। "আরে আমার কোলেই তো বসেছে, কী এমন হবে?"—এই চিন্তাটাই ভয়ঙ্কর। আপনার কন্যা সন্তানকে কখনোই, কোনো অবস্থাতেই কোনো ব্যক্তির কোলে বসতে দেবেন না। সে আপনার ভাই হোক, বন্ধু হোক, বা সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিই হোক না কেন। একটি শিশুর শরীর তার নিজের। তার শরীরে কার স্পর্শ পড়বে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তার। যখন আপনি তাকে জোর করে বা আবেগের বশে অন্যের কোলে বসিয়ে দেন, আপনি তাকে বার্তা দেন যে, তার শরীরের ওপর তার নিজের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। একজন শিকারী ঠিক এই সুযোগটিই খোঁজে। সে প্রথমে কোলে বসিয়েই পরীক্ষা করে নেয়, এই শিশুটির প্রতিরোধ ক্ষমতা বা তার অভিভাবকের সচেতনতা কতটুকু। আপনার একটি ‘না’ আপনার সন্তানকে ভবিষ্যতের হাজারো বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। আপনি কি সেই 'না' বলার সাহস রাখেন?

আপনার সন্তান বাইরে খেলতে গেছে। আপনি নিশ্চিন্ত। কিন্তু আপনি কি জানেন, তারা কী খেলছে? ‘ডাক্তার-ডাক্তার’ খেলার নামে একে অপরের শরীর স্পর্শ করা হচ্ছে না তো? ‘বর-বউ’ খেলার নামে এমন কিছু ঘটছে না তো, যা তার বয়সের জন্য উপযুক্ত নয়? অনেক সময় বড় বাচ্চারা ছোটদের ওপর যৌন তথ্য বা কার্যকলাপ চাপিয়ে দেয়। আপনার সন্তান সেখান থেকে বিকৃত ধারণা নিয়ে ফিরতে পারে। অথবা সে নিজেই কোনো নিগ্রহের শিকার হতে পারে। আপনার দায়িত্ব শুধু তাকে খেলতে পাঠানো নয়, সে কাদের সাথে মিশছে এবং কী ধরনের খেলায় অংশ নিচ্ছে, তার ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা। আপনার উদাসীনতাই হতে পারে আপনার সন্তানের মানসিক বিকৃতির কারণ।

আপনি আধুনিক অভিভাবক। সন্তানের হাতে তুলে দিয়েছেন স্মার্টফোন। কিন্তু সেই ফোনের ব্রাউজিং হিস্ট্রি শেষ কবে চেক করেছেন? গুগলে, ইউটিউবে সে কী সার্চ করছে, তার খবর কি রাখেন? আপনার সন্তান হয়তো ভুল করে এমন কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকে পড়ছে, যা তার কচি মনকে চিরদিনের জন্য বিষাক্ত করে দিতে পারে। পর্নোগ্রাফি, ভায়োলেন্স—এই ডিজিটাল দানবগুলো আপনার সন্তানের বিছানায়, আপনার ছাদের নিচেই ওঁৎ পেতে বসে আছে। আপনি তাকে ফোন দিয়ে নিজের দায়িত্ব শেষ ভাবলে, একদিন দেখবেন এই ফোনই আপনার পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

টিভি বা মোবাইলে কোনো অ্যাডাল্ট কনটেন্ট, ভায়োলেন্স বা অশ্রাব্য ভাষার সিনেমা-সিরিজ চলছে আর আপনার সন্তান পাশে বসে দেখছে—এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। আপনি ভাবছেন সে বুঝছে না, কিন্তু প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি শব্দ তার অবচেতন মনে গেঁথে যাচ্ছে। যা তার চরিত্র গঠনকে বাধাগ্রস্ত করছে, তাকে সময়ের আগেই ‘বড়’ করে তুলছে এক বিকৃত উপায়ে।

আপনার নেশা, আপনার সন্তানের সর্বনাশ।
আপনি কি সন্তানের সামনে ধূমপান বা অন্য কোনো নেশা করেন? তাহলে জেনে রাখুন, আপনি শুধু নিজের শরীর নয়, আপনার সন্তানের চরিত্রকেও ধ্বংস করছেন। আপনি তার চোখে ‘হিরো’। আপনার হিরো যখন নেশা করে, তখন সেও এটাকে ‘কুল’ বা ‘স্বাভাবিক’ বলে ধরে নেয়। ভবিষ্যতে তারও এই পথে পা বাড়ানোর সম্ভাবনা আপনিই তৈরি করে দিচ্ছেন।

আপনার সন্তান যদি কোনো ব্যক্তির সাথে যেতে বা মিশতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে, তাকে কখনোই জোর করবেন না। শিশুদের একটি সহজাত প্রবৃত্তি (instinct) থাকে, যা তাদের বিপদ চিনতে সাহায্য করে। সে হয়তো মুখে বলতে পারছে না, কিন্তু তার আচরণই বলছে ওই ব্যক্তি নিরাপদ নয়। তার অস্বস্তিকে সম্মান করুন। আপনার সামাজিকতা রক্ষা করার চেয়ে আপনার সন্তানের নিরাপত্তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

লক্ষ্য রাখুন, আপনার সন্তান কি বিশেষ কোনো প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আসক্ত হয়ে পড়ছে? তার কথাই কি সারাক্ষণ বলছে? সেই ব্যক্তি কি তাকে অন্যদের চেয়ে বেশি দামী উপহার বা আলাদা মনোযোগ দিচ্ছে? এটি একটি ক্লাসিক গ্রুমিং কৌশল হতে পারে। ওই ব্যক্তি হয়তো আপনার সন্তানের বিশ্বাস অর্জন করে তার সর্বনাশ করার ছক কষছে। सावधान!

আপনার সন্তানের সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? আপনি কি তার বন্ধু হতে পেরেছেন? সে কি তার মনের সব কথা, তার ভয়, তার প্রশ্ন আপনাকে নিঃসংকোচে বলতে পারে? যদি না পারে, তাহলে বিপদ ঘটলে সে আপনাকেই প্রথম ভয় পাবে। আপনার শাসনের ভয়ে সে হয়তো ভয়ঙ্কর কোনো সত্যি নিজের ভেতরেই চেপে রাখবে, যা তাকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খাবে। তার বন্ধু হোন, তাকে বিশ্বাস জোগান যে, পৃথিবী ওলটপালট হয়ে গেলেও আপনি তার পাশে থাকবেন।

যেকোনো অনুষ্ঠানে আপনার সন্তানকে সাথে নিয়ে যান। তাকে একা কারো ভরসায়, এমনকি গৃহকর্মীর কাছেও রেখে যাবেন না। অনুষ্ঠানে সে নতুন মানুষের সাথে মিশবে, সামাজিকতা শিখবে। এতে তার মানসিক বিকাশ ঘটবে এবং সে আত্মবিশ্বাসী হবে। একজন আত্মবিশ্বাসী শিশুকে টার্গেট করা শিকারীর জন্য কঠিন।

এই লেখাটি পড়ার পর যদি আপনার হৃদপিণ্ড কেঁপে ওঠে, যদি নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তাহলে বুঝবেন—এখনো সময় আছে। আপনার ঘুম ভাঙার জন্যই এই কঠোর শব্দগুলোর প্রয়োজন ছিল।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি এই নীতিগুলোকে আপনার রক্তে মিশিয়ে নিয়ে আপনার মেয়ের জন্য একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ তৈরি করবেন, নাকি তাকে অরক্ষিত অবস্থায় হায়েনাদের সমাজে ছেড়ে দেবেন? মনে রাখবেন, একটি ভুল, শুধু একটি ভুলের জন্য আপনাকে সারাজীবন অনুশোচনার আগুনে পুড়তে হতে পারে। জাগুন, অভিভাবক, জাগুন!

26/08/2025

সফলতা কামনা করি

https://www.facebook.com/healthmaxdp?mibextid=ZbWKwL

স্বাস্থ্যসেবার সর্বোচ্চ ঠিকানা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চিকিৎসা ও ঔষধ সবই এখানে।

26/08/2025

Awlad Hussain স্বাধীনতার আগে পশ্চিম পাকিস্তানীরা,, এই দেশের সাধারণ নিরীহ মানুষ উপর,, শাসন নামে শোষন করত। স্বাধীনতার লাভ করার পর ও গত ৫৩ বছর ধরে শাসন নামে শোষন করতেছে,বিভিন্ন দলের বিভিন্ন নেতা কর্মী রা,, সাধারণ জনগন উপর। ১০% জালিমরা অথবা ১০% নিকৃষ্ট নেতা কর্মীরা,।৯০% নিরীহ সাধারণ জনগন উপর, গনতন্ত্র নামক অভিশাপ শব্দটি প্রয়োগ করিয়া, শাসন নামে শোষন করতেছে। আমরা ৯০% নিরীহ সাধারণ জনগন,, ১০% নিকৃষ্ট জালিমদের কাছে আমরা জিম্মি হয়ে আছি। সঠিক কথা বা ন্যায়ের পক্ষে থাকলে হতে হয়,, মৌলবাদ,, রাজাকার, জঙ্গি। আর অন্যায় কে সমর্থন করলে,, বা চুপ থাকলে তুমি হবে,মুক্তি যোদ্ধা পক্ষে, স্বাধীনতার পক্ষে,, দেশপ্রেমিক। তুমি অন্যায় প্রতিবাদ করো ও,, বা ন্যায়ের পক্ষে বা সঠিক কথা বলো, তারা তোমাকে মৌলবাদ, রাজাকার,, জঙ্গি ট্যাগ দিবে। এটা হলো,,বর্তমান গনতন্ত্র , শাসন নামক শোষন সমাজ ব্যবস্থা। গত ৫৩ বছর ধরে,, যারা বুদ্ধিজীবী দাবি করে, আর মুক্তি যোদ্ধা দাবি করে,, টিভিতে টকশোতে বসে বড় বড় কথা বলে,।, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীরা, তারা দেশ কে ভালোবাসে,তা প্রমান হিসাবে একটা টকশোতে, গত ৫৩ বছর ধরে, বিভিন্ন নেতা রা,ও আমলারা,, দেশের সাধারণ জনগন টাকা , যারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মতো বীর মুক্তি যোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবী দের কে দেশে খুজে পাওয়া যায় না।যারা বিদেশে টাকা পাচার করছে,তাদের বিরুদ্ধে সঠিক বিচার শাসন ব্যবস্থা কথা বলতে দেখি নাই,, কোনো বুদ্ধিজীবীদের,, ও কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা দের কে। দেশের ভিতরে, বিভিন্ন জায়গায়,, চাদাবাজি, সন্ত্রাসী, দখলবাজি, পাথর লুটপাটকারী,দূর্নীতিবাজ, হইতাছে। ইসলাম বিদ্বেষী কথা বার্তা বলতেছে, ইসলাম বিদ্বেষী আইন হইতাছে,,তার বিরুদ্ধে,, কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কোনো বুদ্ধিজীবী দের প্রতিবাদ করতে দেখি নেই। তারা বলে দেশ কে ভালোবাসাে। ন্যায় বিচার,, সঠিক বিচার শাসন ব্যবস্থার, প্রতিষ্ঠা করা ক্ষেত্রে, বীর মুক্তিযোদ্ধা দের, ও বুদ্ধিজীবী দের কে খুজে পাওয়া যায় না। যে দল ক্ষমতা আসে,সেই দল ই ক্ষমতার প্রয়োগ করে, খুনের মামলার রায় মৃত্যুদন্ড হলে ও ,, তা খালাস করে দেয়। এটা ও হলো ক্ষমতা অপপ্রয়োগ। আর অন্য মামলা ত যেমন বিদেশে টাকা পাচারকারী,,চাঁদাবাজি,ইত্যাদি, ইত্যাদি মামলা, এমনি খালাস হয়ে যায়,, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মতো কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা দের,, বুদ্ধিজীবীদের খুজে পাওয়া যায় না। তারা বলে, দেশ প্রেমিক দাবি করে। আলেমরা,, ও সাধারণ মানুষরা প্রতিবাদ করলে, তাদের কে মৌলবাদ,, রাজাকারের ট্যাগ লাগাই।তখন বীর মুক্তিযোদ্ধা রা ও বুদ্ধিজীবীরা কোথায়। কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদ করতে দেখি নাই। এরা নামে সুশীল সমাজ,,কাজে শূন্য, ।এই শাসন নামে শোষন ব্যবস্থা পরিবর্তন দাবি জানাচ্ছি। আমাদের সবাই কে হেদায়েত দান করেন আমিন।

23/08/2025

কতটা হৃদয় বিদারক ঘটনা।

“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জাহেল আছে”

ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-
“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্তার দেখাবেন, ফল কিনে খাবেন। গোপন নাম্বারে পাঠিয়েছি, আপনি আইডি কার্ড নিয়ে জনতা ব‍্যাংকে গেলেই টাকা পেয়ে যাবেন”।
(গোপনীয়তার স্বার্থে পিন নাম্বারটি দিলাম না)।

ছেলের কথা মতো বাবা আজ জনতা ব‍্যাংক গৌরীপুর শাখায় এসেছেন টাকা তোলার জন‍্য। বেশ অসুস্থ শরীর তাঁর। কোনমতে লাঠিতে ভর করে চলাফেরা করেন। বললাম- এই শরীর নিয়ে একা একা আসা ঠিক হয়নি আপনার।
তিনি জানালেন- সাথে আসার মতো কাউকে পাননি বলে কষ্ট করে একাই এসেছেন। টাকা তুলে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর বাড়ি ফিরবেন।

মুরুব্বিকে আমার রুমে বসিয়ে সহকর্মীকে বললাম ওনার টাকাটা পে-আউট করে দেয়ার জন‍্য। কিছুক্ষণ পর আমার সহকর্মী জানালো, এই টাকার বেনিফিসিয়ারী তিনি নন, অন‍্য আরেকজন। পরবর্তীতে গোপন পিন নাম্বারটি আমি নিজে কয়েক বার মিলিয়ে দেখলাম, সহকর্মীর কথাই সত‍্যি। পরে ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলাম উল্লেখিত ব‍্যাক্তিকে আপনি চিনেন কিনা। নাম শোনতেই তাঁর দু’চোখে জলের তান্ডব দেখলাম!
অভাগা বাবা কাঁদতে কাঁদতে লাঠিতে ভর দিয়ে চলে গেলেন।

তখন নায়ক রাজ্জাকের “বাবা কেনো চাকর” সিনেমাটির কথা মনে পড়ে গেল। হৃদয়ে বাজতে লাগলো- আমার মতো এমন সুখী নেইতো কারো জীবন…..

বুঝতে পারলাম, ছেলে তার শ্বশুরকে পাঠানো মেসেজটি ভুলক্রমে বাবার মোবাইলে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ঘন্টা দেড়েক পর একজন তড়তাজা ভদ্রলোক এসে সে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। তারঁ সাথেও কথা হল। জানতে চাইলাম কে টাকা পাঠিয়েছেন।
মাঝ বয়োসী ভদ্রলোক জানালো - “আমার জামাই, নবীর দেশে থাকে। খুব ভালো ছেলে, কয়েক মাস পর পর শরীর চেকআপের জন‍্য টাকা পাঠায়। পাগল একটা জামাই!, দোয়া করবেন স‍্যার।

আমি কিছুক্ষণের জন‍্য স্তব্দ হয়ে গেলাম। ভাবলাম বাবা ছেলেকে বড় করে নবীর দেশে পাঠিয়েছিলেন ঠিকই, এখন সে আবু জাহেলের দেশে বাস করে……

মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন
ব‍্যবস্থাপক,জনতা ব‍্যাংক পিএলসি.গৌরীপুর শাখা।

17/08/2025

আসিফ মাহমুদকে আমি পছন্দ করি আর না করি, আমি তার পূর্বেকার অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে ক'টা'ক্ষ করতে পারি না।

আমি তার কাজ নিয়ে ট্র'ল করবো।
আমি তার দায়িত্বহীনতা নিয়ে সমালোচনা করবো।
আমি তার অপরাধে শা'স্তি চাইবো।

সে এখন একজন উপদেষ্টা, সে ওয়েস্টিনে যেতেই পারে। ওয়েস্টিনে যাওয়াও কোনও আহামরি বিষয় না।

কিন্তু আন্দালিব রহমান পার্থ যেভাবে আসিফ মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে বললেন,

'এক সময় ভাত খুজতো ক্যান্টিনে
এখন হাঁস খুজে ওয়েস্টিনে'
তা রীতিমতো শিষ্টাচার বহির্ভূত।

এখন পার্থকে যদি কেউ মনে করিয়ে দেয়, একবার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী তাকে বলেছিলেন, ‘তোমার বাবার পরিচয় কী? তোমার মায়ের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাস করো, তোমার বাবার আয় ইনকাম কী ছিলো?
লাখ টাকার স্যুট পরো, কার টাকায় তুমি ব্যারিস্টারি পড়েছো?’

নিজেকে কেউ দেখে না।
বাসার আয়নার যে কত ব্যবহার আছে, আমরা বুঝি না...

Address

Kazipara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DTV International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DTV International:

Share

Category

DTV International

সত্য যেখানে আমরা সেখানে।