Ashik ahamed

Ashik ahamed আমি এক শূন্য মানুষ!

আমি এই পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার
শর্ট ভিডিও , ফানি ভিডিও , কমেডি ভিডিও
পার্সোনাল ব্লগ . ব্লগ , টিক টক ভিডিও , স্নেক ভিডিও , রিল ভিডিও ,শর্ট ভিডিও পোষ্ট করব। এর সাথে
যে সকল নিউজ তুলে ধরব আপনার সামনে, যেমন , রাজনৈতিক খবর খেলার খবর
সাংস্কৃতিক খবর দেশ ও জনপদের খবর কৃষি খবর সত্যি ঘটনা সকল প্রকার
রাজনৈতিক অরাজনৈতিক খবর বিভিন্ন পোস্ট করে থাকি।

Ashik ahamed পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ছদ্মবেশে পাসপোর্ট করতে এসে এক রোহিঙ্গা নারী ধরা পড়েছেন। চেহারা পাহাড়িদের...
12/08/2026

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ছদ্মবেশে পাসপোর্ট করতে এসে এক রোহিঙ্গা নারী ধরা পড়েছেন। চেহারা পাহাড়িদের মতো এবং নাম বাঙালি মুসলিম হওয়ার কারণে সন্দেহ হলে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের জেরার মুখে পড়ে আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে।
​পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, ওই নারী 'সানজিলা আক্তার' নামে পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন জমা দিতে আসেন। তার শারীরিক গঠন ও চেহারা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মতো হলেও নাম বাঙালি মুসলমানদের মতো হওয়ায় কর্তব্যরত এক আনসার সদস্যের সন্দেহ হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী নিজেকে বাঙালি দাবি করেন।
​সন্দেহ দূর করতে আনসার সদস্য তাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের জন্য নিয়ে যান। সেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিনে তার আঙ্গুলের ছাপ দেওয়ার পরপরই ভেসে ওঠে তার আসল পরিচয়। ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পাহাড়ি বা বাঙালি নন, বরং একজন রোহিঙ্গা।
​তার প্রকৃত নাম সেতারা, এবং পিতার নাম জাহাঙ্গীর। ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরির চেষ্টার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।
​অভিযান পরিচালনাকারী দলের একজন আনসার সদস্য বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, "চেহারা দেখে মনে হয়েছিল তিনি পাহাড়ি সম্প্রদায়ের। কিন্তু ফিঙ্গারপ্রিন্টে দেখা গেল রোহিঙ্গা। জীবনে প্রথম কোনো রোহিঙ্গা দেখলাম, দেখতে মাশাল্লাহ সুন্দরী।"

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চরম বর্বরতা: সখিপুরে তরুণীসহ দুই শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতন​মানুষ কতটা নির্মম হলে কুপ্রস্তাব...
09/08/2026

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চরম বর্বরতা: সখিপুরে তরুণীসহ দুই শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
​মানুষ কতটা নির্মম হলে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীকে গাছে বেঁধে মারধর করতে পারে? আর কতটা নিষ্ঠুর হলে তাঁর সাথে থাকা ছোট্ট ভাই-বোনকেও আটকে রেখে এমন মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়?
​নির্যাতনের সময় ভুক্তভোগী তরুণী "ও মা, মাগো" বলে চিৎকার করছিলেন এবং "আল্লাহ, আল্লাহ" বলে কাঁদছিলেন। তবে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ও দুঃখজনক বিষয় ছিল—আশপাশের অনেক মানুষ নীরবে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেই নির্মম দৃশ্য দেখছিলেন, কিন্তু কেউ তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
​ঘটনার পেছনের ইতিহাস
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সখিপুরের ছৈয়ালকান্দি এলাকার মুদি দোকানদার আবুল মোল্লার ছেলে মনির মোল্যা (২৫) দীর্ঘদিন ধরে ফারিয়া আক্তার (১৮)-কে উত্যক্ত এবং কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ফারিয়া এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাঁকে প্রতিনিয়ত হয়রানি করা হতো। স্থানীয়রা একাধিকবার মনিরকে সতর্ক করলেও তিনি তাঁর আচরণ বদলাননি।
​ঘটনার দিন যা ঘটেছিল
গত ৪ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে ফারিয়া তাঁর ছোট বোন মারিয়া আক্তার (১৩) এবং ছোট ভাই ফাহিমকে (৭) নিয়ে দোকানে কেনাকাটা করতে যান। দোকানের সামনে পেয়ে মনির আবার ওই তরুণীকে অশ্লীল কথাবার্তা বলতে শুরু করেন। তরুণী প্রতিবাদ করলে মনির তাঁদের তিন ভাই-বোনকে পাশের ফৌজিয়া সরদারের বাড়িতে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখেন এবং হাত-পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতন চালান।
​একপর্যায়ে তাঁদের কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিতে মনির তাঁদের বিরুদ্ধে চুরির মিথ্যা অপবাদ দেন। এরপর মনির, আফসানা, ফৌজিয়া সরদার ও নিশি সরদারসহ কয়েকজন মিলে তাঁদের গাছের সাথে বেঁধে মারধর করেন। শুধু তা-ই নয়, মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং জুতার মালা পরিয়ে চরম নির্যাতন করা হয়।
​পরে খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে সখিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীদের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
​নারী হয়ে নারীর ওপর এমন নির্মমতা?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নির্যাতনকারীদের মধ্যে কয়েকজন নারীও ছিলেন। একজন নারী হয়ে আরেকজন নারীর কান্না, ভয় আর অসহায়ত্ব সবচেয়ে ভালো বোঝার কথা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভুক্তভোগীকে রক্ষা না করে উল্টো নির্যাতনে অংশ নেওয়া সত্যিই স্তম্ভিত করার মতো।
​পরিবারটির নিরাপত্তাহীনতা ও হুমকি
ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যার কারণে বাধ্য হয়ে তাঁরা নিজেদের বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত মনির মোল্যা চুরির দাবি করলেও নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছেন।

বড় ভাইকে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম একটি সুন্দর ভবিষ্যতের আশায়। কিন্তু বিদেশে গিয়ে কষ্টার্জিত উপার্জনের সব ট...
05/08/2026

বড় ভাইকে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম একটি সুন্দর ভবিষ্যতের আশায়। কিন্তু বিদেশে গিয়ে কষ্টার্জিত উপার্জনের সব টাকা তিনি পাঠাতেন স্ত্রীর নামে, এমনকি স্ত্রীর নামেই জমি জমা কেনেন।
​দীর্ঘ বহু বছর পর পরবাস থেকে দেশে ফিরে তিনি নিজের জন্মভিটায় না গিয়ে প্রথম উঠলেন শ্বশুরবাড়িতে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, কিছুদিন যেতে না যেতেই তিনি এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হন। দুই-একবার নামমাত্র চিকিৎসা করানোর পর যখন তিনি আর সুস্থ হচ্ছিলেন না, তখন যে স্ত্রী ও সন্তানকে তিনি সব বিলিয়ে দিয়েছিলেন, তারাই তাকে ফেলে রেখে যায় তার বোনের বাড়ির পাশে।
​আজ লোকটা নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন, ঠিকমতো কথা পর্যন্ত বলতে পারছেন না।
​যার জন্য তিনি সারা জীবনের সব মেধা, পরিশ্রম আর ঘাম বিসর্জন দিলেন, শেষ বয়সে এসে তার কাছেই পেলেন চরম অবহেলা ও নির্মমতা! কার জন্য তিনি এতকিছু করলেন?
​এই ঘটনাটি আমাদের সমাজের জন্য এক বিরাট শিক্ষার চাবুক। নিজের জমানো আমানত ও উপার্জনের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সুরক্ষার কথা চিন্তা না করলে, শেষ বয়সে দুঃখের আর সীমা থাকে না। আবেগ দিয়ে নয়, বিবেক ও বাস্তবতা দিয়ে জীবন পরিচালনা করা উচিত। চলুন, সবাই এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিই এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সতর্ক হই।

এই দেশটা মনে হয় আর কোনোদিনই বদলাবে না! এই ছোট্ট, কিউট বাচ্চাটার দিকে তাকালেই বুকটা ফেটে যায়। স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দেখে,...
31/07/2026

এই দেশটা মনে হয় আর কোনোদিনই বদলাবে না! এই ছোট্ট, কিউট বাচ্চাটার দিকে তাকালেই বুকটা ফেটে যায়। স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দেখে, কে বা কারা তার মা-কে নির্মমভাবে মেরে ফেলেছে!
​মেয়েটির মুখের কথাগুলো শুনলে আর তার নিষ্পাপ চোখের দিকে তাকালে স্থির থাকা যায় না। ও প্রতিদিনের মতো স্কুলেই গিয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন তার মা-ই তাকে স্কুল থেকে আনতে যেতেন। গতকাল যখন মা আসেননি, অবুঝ শিশুটি ভেবেছিল মা হয়তো ঘুমাচ্ছেন, তাই সে নিজেই বাসায় চলে আসে।
​বাসায় ঢুকে সে দেখে সব জিনিসপত্র তছনছ হয়ে আছে। এরপর যখন মায়ের রুমে যায়, দেখে মায়ের মুখের ওপর বালিশ চাপা দেওয়া। ছোট্ট হাত দিয়ে মায়ের শরীরটা স্পর্শ করতেই দেখে—পুরো শরীর বরফের মতো ঠান্ডা!
​এতটুকু একটা নিষ্পাপ বাচ্চা নিজ চোখে তার মায়ের এই অবস্থা দেখল! এটা ভাবতেও দম আটকে আসে। জানালায় গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে এই ভদ্রমহিলাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া হলো!
​মনে আছে রামিসার কথা? সেই ঘটনার কি আদৌ কোনো সুষ্ঠু বিচার হয়েছে? অপরাধী কি উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে? পায় নাই!
​এই দেশে অপরাধের সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় না বলেই একের পর এক এমন জঘন্য ঘটনা ঘটে চলেছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি না থামলে এই দেশে অপরাধীরা পার পেয়েই যাবে, আর এভাবে একের পর এক নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরে যাবে!

মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক, ১২ বছর বয়সে বিয়ে, আর মাত্র ১৩ বছর বয়সেই অনামিকার কোলে জন্ম নেয় এক সন্তান। একপ...
30/07/2026

মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক, ১২ বছর বয়সে বিয়ে, আর মাত্র ১৩ বছর বয়সেই অনামিকার কোলে জন্ম নেয় এক সন্তান। একপ্রকার জীবনের মানে বুঝে ওঠার আগেই শিশু অনামিকা নিজে মা হয়ে বসে। তবে এখানেই গল্পের শেষ নয়; শ্বশুরবাড়ি থেকে অনামিকাকে তার নিজের সন্তান থেকে আলাদা করে বের করে দেওয়া হয়। নিজের অধিকার ও কোলের সন্তানকে ফিরে পেতে অবুঝ এই অনামিকাকে ঢাকার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়। অবশেষে বিচারকের নির্দেশে শিশু অনামিকা ফিরে পায় তার নিজের কোলজুড়ে থাকা শিশু সন্তানকে। যদিও নিজের সন্তানকে কোলে ফিরে পেয়ে তার আনন্দের সীমা নেই, কিন্তু একটু গভীরভাবে ভেবে দেখলে চিত্রটি অত্যন্ত করুণ। যে বয়সে অনামিকার স্কুলে পড়ার কথা, বন্ধুদের সাথে হেসে-খেলে শৈশব উপভোগ করার কথা—সেই বয়সে তাকে মা হয়ে সন্তানকে কোলে নিয়ে আদালতের বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে। অসচেতনতা আর আবেগের বশে অকালেই একটি শিশুর জীবন এভাবে থমকে গেল। তাই সন্তানদের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দেওয়ার আগে অভিভাবক হিসেবে আমাদের আরও শতগুণ সচেতন হওয়া উচিত, কারণ সচেতনতাই পারে আমাদের সন্তানদের শৈশব ও ভবিষ্যৎ সুন্দর রাখতে। (পোস্টটি কেবলমাত্র সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হলো।)

অনলাইনে ফেসবুকে এক মুসলিম ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়েছিল হিন্দু মেয়েটির। কিন্তু তাদের এই সম্পর্ক পরিবার মেনে না নেওয়া...
28/07/2026

অনলাইনে ফেসবুকে এক মুসলিম ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়েছিল হিন্দু মেয়েটির। কিন্তু তাদের এই সম্পর্ক পরিবার মেনে না নেওয়ায় ভালোবাসার টানে সে একসময় নিজের ঘর ছেড়ে ছেলের বাড়িতে চলে আসে বিয়ের উদ্দেশ্যে। প্রেমিক ছেলেটি বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন। মেয়েটি নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়, সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এই পরিবারের বউ হয়েই সারাজীবন কাটিয়ে দিতে চায়।
সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হলো, ছেলের মা, চাচা ও চাচিরা মেয়েটিকে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা খোলা মনে তাকে পরিবারের পুত্রবধূ হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছেন। ছেলের মা তো আনন্দের সাথে বলেই ফেললেন, "ছেলে দেশে এলে ধুমধাম করে বিয়ে দেব। এতদিন মনে মনে ঠিক এমনই একটা বউমা খুঁজছিলাম, অবশেষে পেয়ে গেলাম! আমার একটিমাত্র ছেলে, আর তার জন্য চাঁদের মতো এক মিষ্টি, শান্ত ও ভদ্র মেয়েকে বউ হিসেবে পেয়েছি।"
কথা প্রসঙ্গে শাশুড়ি আরও আবেগপ্লুত হয়ে জানান, মেয়েটি যখন ভালোবাসা আর বিনয় নিয়ে তার পা ছুঁয়ে বলে, "মা, তোমার পায়ে আমাকে একটু ঠাঁই দাও, আমাকে দূরে ঠেলে দিও না," তখন শাশুড়ি তাকে বুকে জড়িয়ে নেন। ছেলে দেশে না ফেরা পর্যন্ত এই মেয়েটি তার বুকেই থাকবে। প্রবাসী ছেলেকেও মা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—"তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে আয়, তোর জন্য তোর চাঁদ অপেক্ষা করছে।"
দেশের প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় নিয়ম মেনে অতি দ্রুত যেন মেয়েটির সাথে ছেলের বিয়ের ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়—পরিবারের এখন এটাই একমাত্র প্রত্যাশা। সত্যি বলতে, এমন একজন মমতাময়ী ও উদার মনের শাশুড়ি পাওয়া যেকোনো মেয়ের জন্যই অনেক বড় সৌভাগ্যের ব্যাপার। শুভকামনা তাদের জন্য!

চারতলা একটি ভবনের নিচতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া থাকতেন লিমন নামের এক যুবক। একই ভবনের তিনতলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন ঝুমুর নাম...
26/07/2026

চারতলা একটি ভবনের নিচতলায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া থাকতেন লিমন নামের এক যুবক। একই ভবনের তিনতলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন ঝুমুর নামে এক নারী। পাশাপাশি থাকার সুবাদে ধীরে ধীরে লিমনের সাথে ঝুমুরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
​লিমন নিজেকে অবিবাহিত দাবি করেন এবং ঝুমুরকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। তার এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে ঝুমুর লিমনের সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। শুধু তা-ই নয়, লিমনের কথায় ভরসা পেয়ে ঝুমুর তার নিজের স্বামীকেও ডিভোর্স দেন।
​ঘটনার মোড় ঘোরে তখন, যখন লিমনের স্ত্রী গ্রামে বিষয়টি টের পেয়ে হঠাৎ ঢাকার বাসায় চলে আসেন। সেখানে এসে তিনি ঝুমুরকে লিমনের সাথে দেখতে পান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঝুমুর চিৎকার শুরু করলে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং তাদের সবাইকে আটকে রাখেন।
​ঘটনার আকস্মিকতায় ভেঙে পড়ে ঝুমুর আক্ষেপ করে বলতে থাকেন, "নিজের কপাল আমি নিজেই কীভাবে এভাবে পোড়ালাম!"
​পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু হয়েছিল তানিয়া আর নাঈমের ভালোবাসার গল্প। দেখতে দেখতে প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেছে সেই সম্পর্কের। তানিয়া...
25/07/2026

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু হয়েছিল তানিয়া আর নাঈমের ভালোবাসার গল্প। দেখতে দেখতে প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেছে সেই সম্পর্কের। তানিয়া এখন অনার্সে পড়ে—পরিবার ও সমাজের চোখে বিয়ের উপযুক্ত এক তরুণী। দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে তাদের মাঝে গড়ে উঠেছিল গভীর বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই তারা একাধিকবার একান্তে সময় কাটিয়েছিল।
​কিন্তু সম্প্রতি একটি রুম ডেটে গিয়ে তারা স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উপস্থিত সবাই সিদ্ধান্ত দেয় তাদের বিয়ে দেওয়ার। তানিয়া সানন্দে রাজি ছিল, কারণ সে এই সম্পর্ককেই তার ভবিষ্যৎ মনে করেছিল। কিন্তু উপস্থিত সবাইকে স্তম্ভিত করে দিয়ে নাঈম স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তানিয়ার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই! সে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে।
​একটি মানুষ বছরের পর বছর ভালোবাসার ছলে মিথ্যা আশ্বাসের জাল বুনেছে, বিশ্বাস অর্জন করেছে, আর চরম বিপদের মুহূর্তে এসে এক লহমায় সবকিছু অস্বীকার করে দিল!
​হয়তো নাঈম আইনি জটিলতা বা সামাজিক সালিশের মাধ্যমে জরিমানা দিয়ে পার পেয়ে যাবে। হয়তো লোকচক্ষুর অন্তরালে অন্য কোনো সমাধান খুঁজে নেবে। কিন্তু তানিয়ার ভেতরে যে মানসিক ভাঙন ধরল, যে চরম অপমান আর বিশ্বাসের অপমৃত্যু ঘটল—তা কি কোনোদিন আর ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব?

পৃথিবীর এক অত্যন্ত কঠিন ও মর্মান্তিক পরীক্ষার সম্মুখীন এই মেয়েটি। তার অপরাধ? সে এমন এক পরিবারে জন্মেছে যেখানে রক্তের সম্...
24/07/2026

পৃথিবীর এক অত্যন্ত কঠিন ও মর্মান্তিক পরীক্ষার সম্মুখীন এই মেয়েটি। তার অপরাধ? সে এমন এক পরিবারে জন্মেছে যেখানে রক্তের সম্পর্কের চেয়ে অর্থের লোভ অনেক বেশি বড়। তার কপাল এতটাই খারাপ যে, যে বাবা তার সবচেয়ে বড় আশ্রয় হওয়ার কথা ছিল, আর যে মামা তার পক্ষে যুদ্ধ করার কথা ছিল—তারা দুজনেই আজ লোভের বশবর্তী হয়ে তার জীবনটাকে বিষাক্ত করে তুলেছে।
অর্থ, পদ আর চাকরির লোভে অন্ধ হয়ে নিজ বাবা এবং আপন মামাই এই অবুঝ শিশুটিকে তুলে দিয়েছে এক বৃদ্ধ লোকের হাতে। মেয়েটির প্রকৃত জন্মসনদ বের করলে দেখা যাবে তার বয়স কোনোভাবেই ১৫-১৬ বছরের বেশি নয়। সে এতটাই ছোট যে, নিজের ভালো-মন্দ বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো বয়স বা মানসিক পরিপক্বতাও তার হয়নি।
যে বয়সে একটা মেয়ের হাতে বই থাকার কথা, যে বয়সে তার হেসে-খেলে বেড়ানোর কথা—সেই বয়সেই তাকে ঠেলে দেওয়া হলো এক বিভীষিকাময় মহাযুদ্ধে। এসএসসি পাস করা একটা মেয়েকে কত টাকাই বা বেতনের লোভ দেখানো হয়েছে? কিসের বিনিময়ে একটা ফুটফুটে নিষ্পাপ ফুলকে ৭৫ পেরোনো এক বৃদ্ধের কাছে সমর্পণ করা হলো?
আজ হয়তো সামাজিক ও আইনি চাপে পড়ে বৃদ্ধ লোকটা তাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিচ্ছে, মাত্র তিন লাখ টাকার কাবিননামা বানিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু আজকের দিনে এই তিন লাখ টাকার মূল্য কতটুকু? কাল পরিস্থিতির একটু হেরফের হলেই যে এই মেয়েকে অর্থ দিয়ে বিদায় করে দেওয়া হবে না, তার গ্যারান্টি কে দেবে?
লোভের এই আগুনে শুধু বাবা-মামাই নয়, হয়তো কোনোভাবে মা-ও জড়িত। নিজের জন্মদাতা এবং আপনজনদের সীমাহীন লোভের বলি হয়ে মেয়েটির জীবন আজ ছাই হয়ে গেল। লোকটির হয়তো কিছুই যাবে-আসবে না, কিন্তু এই ছোট্ট মেয়েটিকে তার সারাটা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে এক অসহনীয় ও গভীর ট্রমা। এর চেয়ে বড় করুণ আর বেদনার দৃশ্য পৃথিবীতে আর কী হতে পারে?

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দাম্পত্য বিবাদ ও পরকীয়া সম্পর্কের জেরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রতিবেশী এক তরুণ ভাতিজার হাত ধরে...
24/07/2026

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দাম্পত্য বিবাদ ও পরকীয়া সম্পর্কের জেরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রতিবেশী এক তরুণ ভাতিজার হাত ধরে এক গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী মনি চন্দ্র দে (৩২) সুবিচারের দাবিতে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পেশায় হোটেল কর্মচারী স্বামী জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকার সুবাদে তাঁর স্ত্রী ঝরনা রানি দে (২৫) প্রতিবেশী যুবক রুদ্র চন্দ্র দের (২৭) সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। দীর্ঘ সাত বছরের দাম্পত্য জীবন ও ছয় বছরের কন্যাসন্তানকে পেছনে ফেলে গত ১ জুলাই গৃহবধূ ঘর থেকে প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ত্যাগ করেন। ভুক্তভোগী স্বামী জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ও অভিযুক্তদের পরিবারের সাথে সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো সুরাহা মেলেনি; উল্টো তাঁকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। স্থানীয় রাজিবপুর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জনি দে ও ইউপি সদস্য জানান, পারিবারিক সমঝোতা ব্যর্থ হওয়ায় স্বামীকে আইনি পথ অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অভিযুক্ত রুদ্রের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, গৃহবধূ ইতোমধ্যে তাঁর স্বামীকে আইনি বিচ্ছেদপত্র পাঠিয়েছেন। ঘটনার সুরাহা ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে গত ১৫ জুলাই ঈশ্বরগঞ্জ থানায় লিখিত নালিশ দাখিল করেন ভুক্তভোগী স্বামী। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম জানান, লিখিত অভিযোগটি প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Address

Dhaka Mirpur
Khagrachhari

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashik ahamed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ashik ahamed:

Shortcuts

Share