Hill Documentary

Hill Documentary ভুবন দৃষ্টিতে আমাদের চোখ,
দৃষ্টিগোচরে যা প্রকাশ করছি তা। সত্য সমাগত, মিথ্যা পরাভূত।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের হৃদয়ে আজ নতুন আশার আলোপার্বত্য চট্টগ্রাম শুধু একটি ভূখণ্ড নয়, এটি আমাদের ভালোবাসার ঠিকানা, ...
11/09/2026

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের হৃদয়ে আজ নতুন আশার আলো
পার্বত্য চট্টগ্রাম শুধু একটি ভূখণ্ড নয়, এটি আমাদের ভালোবাসার ঠিকানা, আমাদের শেকড়, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির মুল ভূখণ্ড। এই পাহাড়ে বসবাসরত প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী ও প্রতিটি সম্প্রদায়ের রয়েছে সমান অধিকার, সমান মর্যাদা ও নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার।
ধর্ম, বর্ণ, জাতিসত্তা কিংবা সম্প্রদায়ের পরিচয় কোনোভাবেই যেন মানুষের অধিকার পাওয়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। সংবিধানসম্মত অধিকার, ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা, সমমর্যাদা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠাই হোক পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।

দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগের প্রত্যাশা ছিল বহু মানুষের। আজ গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, নির্বাহী কমিটি ও পরামর্শক কমিটি আমাদের সেই প্রত্যাশার মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, এই কমিটিগুলো কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের জন্য নয়, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত প্রতিটি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও শান্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করবে।

আমরা কৃতজ্ঞ তাঁদের প্রতি, যাঁরা এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাঁদের প্রতি রইল পার্বত্যবাসীর আন্তরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।
আমাদের একটাই প্রত্যাশা পাহাড়ে আর কোনো মায়ের বুক খালি হবে না। কোনো মানুষ পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার হবে না। কোনো জনগোষ্ঠী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম হবে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের জনপদ।

মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে আমাদের প্রার্থনা, তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সুস্থতা, সাহস, প্রজ্ঞা ও শক্তি দান করুন। তাঁরা যেন নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামে চাই ন্যায়বিচার, চাই সমঅধিকার, চাই নিরাপত্তা এবং চাই স্থায়ী শান্তি।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের প্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দেশের সকল মানুষকে হেফাজত করুন। আমিন।

উপজাতি সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মহান শিক্ষকও রেহাই পায়নি।বান্দরবান থানচিতে অস্ত্রের মুখে অপহৃত প্রধান শিক্ষক চাইঅং প্রু মার...
10/09/2026

উপজাতি সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মহান শিক্ষকও রেহাই পায়নি।

বান্দরবান থানচিতে অস্ত্রের মুখে অপহৃত প্রধান শিক্ষক চাইঅং প্রু মারমা,,
একটি জাতির শিক্ষক যখন পরম শ্রদ্ধার আসন থেকে অপহৃত হন, তখন কেবল একটি পরিবার বা সমাজ নিভে যায় না, পুরো জাতির বিবেক থমকে দাঁড়ায়। পাহাড়ের বুনো বাতাসে আজ যে কান্নার শব্দ ভেসে আসছে, তা কেবল একজন প্রিয় শিক্ষকের স্বজনদের আকুতি নয়, তা সমগ্র মানবতা ও সভ্যতার পরাজয়ের হাহাকার। যে হাত খাতা-কলমে শিশুদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন আঁকে, যে কণ্ঠে ধ্বনিত হতো আলোর শিক্ষা, সেই প্রিয় চাইঅং প্রু মার্মাকে কেন আজ অস্ত্রের মুখে জিম্মি হতে হবে?

​বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিপাড়া এলাকার নাইদারি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাইঅং প্রু মার্মা জীবনের সমস্ত আলো উজাড় করে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন দুর্গম পাহাড়ি শিশুদের মাঝে। অথচ সেই নিরপরাধ, নির্লোভ আলোর ফেরিওয়ালাকে চিরচেনা নদীপথে অপহরণ করে নিয়ে গেল চার সশস্ত্র সন্ত্রাসী। সাঙ্গু নদীর শান্ত জলধারা সেদিন হয়তো নিরবে অশ্রু বিসর্জন দিয়েছিল, কিন্তু আমরা একটি পুরো জাতি আজ লজ্জায় মাথা নত করে দাঁড়িয়ে আছি। এর চেয়ে বড় লজ্জার, এর চেয়ে বড় অনুশোচনার আর কী হতে পারে?

​পাহাড়ের এই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা কাদের বুকে বুলেট ও ভয়ের অন্ধকার ছড়িয়ে দিতে চায়? যারা অবহেলা আর দূরত্বের সীমানা পেরিয়ে পাহাড়ি শিশুদের আঁধার জীবনে আলো জ্বালানোর ব্রত নিয়েছিলেন, তাদের বুকেও যখন অস্ত্রের নল ঠেকে, তখন বুঝতে হবে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মানবিকতার মেলবন্ধন আজ কতটা ভঙ্গুর। একটি সমাজের শিক্ষক যখন নিরাপদ নন, তখন সেই সমাজের ভবিষ্যৎ অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।
​একজন শিক্ষককে অপহরণ করা মানে কোনো সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা নয়; এটি শিক্ষার ওপর, সভ্যতার ওপর এবং একটি জাতির আগামীর সম্ভাবনার ওপর নির্মম আঘাত। আজ নাইদারি পাড়ার কোমলমতি শিশুরা তাদের প্রিয় শিক্ষকের অপেক্ষায় ব্যাকুল চোখে পথের দিকে তাকিয়ে আছে। শ্রেণিকক্ষের সেই খালি চেয়ারটি যেন এক নীরব প্রতিবাদ হয়ে ধিক্কার জানাচ্ছে আমাদের। আমরা কি তবে এতটাই অসহায় যে আমাদের শিক্ষককে আমরা রক্ষা করতে পারলাম না?

​এই লজ্জা আমরা কোথায় লুকাব? এখন কেবল প্রতিবাদ নয়, অবিলম্বে চাইঅং প্রু মার্মাকে অক্ষত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব। পাহাড়ে শান্তির সমীরণ ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষকদের মর্যাদা সুরক্ষা করতে সন্ত্রাসী শক্তির এই কালো হাত ভেঙে দেওয়া জরুরি। শিক্ষক যদি ফিরে না আসেন, তবে আমাদের সমস্ত উন্নয়ন ও সভ্যতার গল্পই একটি ব্যর্থতার গল্প হয়ে থেকে যাবে।

শ্রদ্ধাঞ্জলি: শহিদ ল্যান্স নায়েক মো: আবেদ আলী, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল- এর ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকীঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২...
10/09/2026

শ্রদ্ধাঞ্জলি: শহিদ ল্যান্স নায়েক মো: আবেদ আলী, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল- এর ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার): শহিদ ল্যান্স নায়েক মো: আবেদ আলী, বীর বিক্রম, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২ ইস্ট বেঙ্গল (দি স্ট্রাইকিং টুয়েলভ) এর সাথে ১৯৮৮ সালে জুরাছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ তারিখে সকাল ১০১৫ ঘটিকায় জুরাছড়ি জোনের অন্তর্গত মদইন্যাপাড়া ক্যাম্প হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে মেজর শহীদ আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি টহল দল বের হয়। অত্যন্ত সাহসী সেনাসদস্য হিসেবে সুপরিচিত ল্যান্স নায়েক আবেদ টহল দলের এক নম্বর স্কাউটের ভূমিকা পালন করছিলেন।

দুর্গম পাহাড়ে ঘন অরণ্যে টহল চলাকালীন আনুমানিক ১১০০ ঘটিকায় টহল দল শান্তি বাহিনীর অ্যাম্বুশে পতিত হয়। শান্তি বাহিনীর স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিবর্ষণে ল্যান্স নায়েক আবেদ গুরুতর আহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি বীরদর্পে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে তাঁর এসএমজি থেকে গুলি বর্ষণ করতে থাকেন। এসময় শান্তি বাহিনীর গ্রেনেডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং এক পর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মর্মান্তিকভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শান্তি বাহিনীকে প্রাণপণে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন।

তাঁর অসীম সাহসিকতা এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁকে 'বীর বিক্রম' খেতাবে ভূষিত করেন।

10/09/2026

লংগদুতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া হ/ত্যার ৩০ বছর: বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ ও স্বজনদের আকুতি। Part 8

10/09/2026

লংগদুতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া হ/ত্যার ৩০ বছর: বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ ও স্বজনদের আকুতি। Part 7

10/09/2026

লংগদুতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া হ/ত্যার ৩০ বছর: বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ ও স্বজনদের আকুতি। Part 6

10/09/2026

লংগদুতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া হ/ত্যার ৩০ বছর: বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ ও স্বজনদের আকুতি। Part 5

10/09/2026

লংগদুতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া হ/ত্যার ৩০ বছর: বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ ও স্বজনদের আকুতি। Part 4

10/09/2026

লংগদুতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া হ/ত্যার ৩০ বছর: বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ ও স্বজনদের আকুতি। Part 3

Address

Rangamati
Khagrachhari
4555

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hill Documentary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hill Documentary:

Shortcuts

Share